Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ক্ষ্যাপা তিনজন – কাজী মাহবুব হোসেন

    কাজী মাহবুব হোসেন এক পাতা গল্প184 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ক্ষ্যাপা তিনজন – ৯

    নয়

    পাথরের দেয়ালে আগুনের আলো পড়ে কাঁপছে। হালকা বাতাস যেন গাছের পাতার সাথে ফিসফিস করে কথা বলছে। আগুনের ওপাশে লম্বা হয়ে শুয়ে আছে বাড হ্যাডলে। উত্তেজনার পর অবসাদে ওর লম্বা মুখটা আরও বসে গেছে। মনের জোর দিয়েই চেহারায় একটা শক্ত ভাব সে সারাদিন টিকিয়ে রেখেছিল ॥ কিন্তু এখন ঘুমে অচেতন চেহারায় সেই প্রত্যয় আর নেই। লোকটাকে এখন খুব অসহায় দেখাচ্ছে।

    নিচু স্বরে সুজানার সাথে কথা বলল ড্যাশার। ‘ওকে দেখে মনে হচ্ছে এর ভিতর আর একবিন্দু শক্তিও অবশিষ্ট নেই। বুঝতে পারছি না এই অবস্থায় ওকে নিয়ে আজ রাতেই এখান থেকে সরে পড়ার ঝুঁকি নেয়া ঠিক হবে কিনা।

    ‘পথ চলা কি বেশি কষ্টের হবে?’

    ‘আজকের চেয়ে বেশি কষ্টকর হবে। আজকের পথটা সুস্থ মানুষের জন্যেও বেশ কষ্টের ছিল।’

    ‘এখানে একটা দিন বিশ্রাম নিলে হয় না? আবার ঘোড়ার জিনে চাপার আগে ওর একটু বিশ্রাম দরকার।’

    ‘হয়তো সেটাই আমাদের করতে হতে পারে,’ স্বীকার করল রনি, কিন্তু সেটা আমি চাচ্ছি না। কয়েক ঘণ্টা বেশি বিশ্রামে ওর এমন কিছু উপকার হবে না। তাছাড়া দুশ্চিন্তায় বিশ্রামও ভাল হবে না। আমাদের আরও নিরাপদ কোন জায়গায় সরে যেতে হবে। রাতেই বেরিয়ে না পড়লে এখান থেকে আর বেরোনো যাবে না।’

    ‘শার্পির কি হবে? ও কতটা পিছনে আছে বলে তোমার ধারণা?’

    ‘বেশি পিছিয়ে নেই।’ কাঠের টুকরোগুলো আগুনের ভিতর এগিয়ে দিলা রনি। ‘আমাদের ট্রেইল ওকে কিছুটা বিভ্রান্ত করবে বটে, কিন্তু শেষ পর্যন্ত ওদের অভিজ্ঞ চোখে ধুলো দেয়া যাবে না। যাহোক, কালই যদি ওরা এসে পড়ে, সেটা আমাদের জন্যে ভালই হবে।’

    ‘কী বলছ, তুমি?’ শিউরে উঠল সুজানা। ‘একবার ওর হাত থেকে বেরিয়ে আসার পর, আবার ওর খপ্পরে পড়ার আগে আমি আত্মহত্যা করব!’

    ‘আমি ঠিকই বলছি। ওরা যদি কাল এই উপত্যকায় এসে পৌঁছে, তৰে অ্যাপাচিদের সাথে ওদের দেখা হবে-অর্থাৎ ওদের মধ্যে লড়াই বাধবে। এবং সেটাই ঘটাবার একটা প্ল্যান এসেছে আমার মাথায়।’

    রাত গভীর হলে উঠে দাঁড়াল রনি। খুব সাবধানে আলো এড়িয়ে পাথর আর গাছের অন্ধকারের আড়ালে এগিয়ে লম্বা ঘাসের জমিতে এসে পড়ল সে। অ্যাপাচিরা আধমাইলের মধ্যেই কোথাও ক্যাম্প করেছে। হয়তো আরও কাছে। সন্ধ্যা হওয়ার আগে কতগুলো কাককে একটা জায়গায় জড়ো হতে দেখেছে। ওর নিশ্চিত ধারণা কাকগুলো ইণ্ডিয়ানদের ক্যাম্প দেখেই আকৃষ্ট হয়েছে।

    নিজেদের আর ইণ্ডিয়ান ক্যাম্পের মাঝামাঝি একটা জায়গায় এসে রনি আর নিজের ট্র্যাক গোপন রাখার কোন চেষ্টাই করল না। উপত্যকায় প্রথম ঢোকার সময়েই প্রত্যেকটা খুঁটিনাটি দেখে নিয়েছিল। ওর মনে আছে, ট্রেইলের মাথায় ক্লিফের গোড়ায় একটা ছোট্ট ঝর্নার পাশে চওড়া পাথরের শেলফ দেখেছে। ট্র্যাক রেখে সোজা ওদিকেই এগোল। ওখানে কতগুলো পাথরের পিছনে একেবারে আড়ালে ছোট একটা আগুন জ্বালাল। আগুন ভাল মত ধরে উঠলে ধীরে জ্বলার মত কিছু কাঠ চাপিয়ে সরে এল।

    এবার পাথরের চওড়া শেলফে উঠে কোন রকম ছাপ না রেখে সাবধানে পা ফেলে ঝর্নায় নামল। বেশ কিছুদূর পানির ভিতর দিয়ে পা ঘষে ঘষে এগোল। তারপর জঙ্গলের ভিতর ঢুকে সাবধানে ফিরতি পথ ধরল। এতে প্রায় দু’ঘণ্টা সময় লাগল ওর। কিন্তু সে জানে, চালাকিটা কাজে আসবে। সোজা ক্যাম্পে না ফিরে, বাম দিকে পাহাড়ের দেয়াল ঘেঁষে আসায় যে সরু ফাঁকের সৃষ্টি হয়েছে, সেদিকে এগোল। কাছে গিয়ে দেখল এলাকাটা ঘন জঙ্গলে ভরা। ওর ভিতর দিয়ে জায়গা করে নিয়ে উপর থেকে খসে পড়া পাথরের একটা স্তূপের গোড়ায় পৌছল।

    উপরে উঠে দেখল ক্লিফের দেয়ালে একটা গুহার মত ফাটল রয়েছে। ওদিক থেকে বাতাস ওর মুখে এসে লাগছে। অন্ধকারে ওটার গভীরতা কত বোঝা যাচ্ছে না। সামনের দিকে ঢিল ছুঁড়ে বুঝল অন্তত তিরিশ ফুট। আলগা পাথরের চূড়ায় অল্প কিছুটা হেঁটে হঠাৎ পায়ের তলায় অন্য ধরনের জমি ঠেকল। চট করে উবু হয়ে বসে হাত দিয়ে অনুভব করল। অল্প কিছু আলগা পাথরের নিচে মসৃণ অখণ্ড পাথর-একটা ট্রেইল! নিচের দিকে ঢালু হয়ে পাহাড়ের ভিতর ঢুকেছে।

    ওটা ইণ্ডিয়ানদের নাকি জীবজন্তুর ব্যবহারের জন্যে তৈরি, তা ঠিক বোঝা যাচ্ছে না। কিন্তু এটা যে ওই গুহা বা ফাটলটার সাথে গিয়ে মিশেছে তাতে কোন সন্দেহ নেই। ওটা অনুসরণ করল না রনি, উঠে সোজা ক্যাম্পের দিকে রওনা হলো। বাতাসে একটা ভেজা ভেজা ভাব ছিল সম্ভবত খোলা মুখের গুহা।

    ক্যাম্পের খুব কাছে পৌছে আগুনটা দেখতে পেল রনি। আগুন জ্বালাবার জায়গা বাছাই করা ভাল হয়েছে। নিচু স্বরে সুজানাকে ডাকতেই মেয়েটা পাথরের আড়াল থেকে রাইফেল হাতে বেরিয়ে এল। রনিকে দেখে ওর চেহারায় স্বস্তির ভাব ফুটল।

    ‘কি খবর? আমি তো ভয়ই পাচ্ছিলাম তুমি হারিয়ে গেছ বা বিপদে পড়েছ!’ বলল সুজানা। ‘কিছু পেলে?’

    ‘হয়তো।’ আগুনের আওতার বাইরে অন্ধকার জায়গায় আড়াল নিয়ে বসল ড্যাশার। ‘তুমি একটু ঘুমিয়ে নাও, ঘণ্টাখানেক পরে তোমাকে আমি জাগাব।’

    ‘পাহারা দিতে?’

    ‘হ্যাঁ। রাতে অ্যাপাচিদের আক্রমণ আসবার ভয় নেই, কিন্তু শার্পির রাতে লড়তে বাধা নেই। এদিক দিয়ে অ্যাপাচিরাই বরং ভাল।’

    প্রায় হাতের মুঠোয় চলে আসা জয় এভাবে ফস্কে যাওয়া কিছুতেই বরদাস্ত করবে না শার্লি, এটা রনি ভাল করেই জানে। ধূর্ত আর নিষ্ঠুর লোকটা হন্যে হয়েই ওদের খুঁজে বের করবে।

    .

    আগের দিন শার্পি বুমারের পাইয়ূট ইণ্ডিয়ান ট্র্যাকার চারবার ড্যাশারের ট্রেইল হারিয়ে, আবার খুঁজে পেয়েছে। রাতের বেলা ক্লিফের কিনারে ক্যাম্প করেছে ওরা। ওই ক্লিফ থেকেই বাকস্কিনটাকে নিচে নামিয়ে এনেছিল রনি। ট্রেইলটার দিকে চেয়ে তিক্তভাবে একটা গালি আওড়াল শার্পি।

    ‘শক্ত নার্ভ লোকটার,’ আক্ষেপের সাথে স্বীকার করল গানম্যান। ‘আগে থেকে না জেনে আমি এমন ট্রেইল ধরার ঝুঁকি নিতাম না।’

    শার্পির সাথে আটজন আছে। প্রত্যেকে বাছাই করা কঠিন লোক। হাতে চোট, আর মাথা-ব্যথা নিয়েও ফিউরি পিছনে পড়ে থাকতে রাজি হয়নি। যাকে রনি বেঁধে রেখেছিল, সেই লম্বা লোকটাও এসেছে। ওর নাম টিচ।

    ‘তুমি ঠিক জানো ড্যাশার ওই পথেই নেমেছে?’ শার্পি এখনও বিশ্বাস করে উঠতে পারছে না।

    ‘একটা পাহাড়ী ছাগলও ওই পথে যেতে সাহস পাবে না!’ মন্তব্য করল টিচ।

    মাথা ঝাঁকাল পাইয়ূট। ‘ড্যাশার সাহস করেছে। ওল্ড মিমব্রেনো ট্রেইল ধরেই নেমেছে ও।’

    ‘তাহলে এখনও বেশি দূরে যেতে পারেনি,’ সন্তুষ্টির সাথে বলল ফিউরি। ‘আমি কেবল একটা গুলি করার সুযোগ চাই।’

    ‘তুমি কি এখনই ওই পথে নামতে চাও নাকি, ফিউরি?’ হাত তুলে ঘনিয়ে আসা সন্ধ্যায় পাহাড়ের গায়ে সরু রেখার মত ট্রেইলটা দেখাল শার্পি। ‘যেতে চাইলে আমি বাধা দেব না। ওকে মারার প্রথম সুযোগ তুমিই পাবে।’

    সন্দিগ্ধ চোখে বসের দিকে তাকাল ফিউরি। ‘আমি অপেক্ষাই করব,’ দৃঢ় স্বরে বলল সে। ‘আমরা কালই ওকে ধরব।’

    শার্সি নিশ্চিন্ত বোধ করছে। সামনের পাহাড়গুলোতে কোন সম্ভাব্য ফাঁক বা ট্রেইল ওর চোখে পড়েনি।

    ‘বেরোবার কোন পথ নেই,’ বলল সে। ‘ফাঁদে পড়েছে ও।’

    ক্লিফের কিনারে গিয়ে দাঁড়াল আলফনসো। ড্যাশারকে সে মোটেও ভয় পায় না। মবীটির নামডাকওয়ালা শেরিফকে সে গুলি করে হত্যা করে বেরিয়ে এসেছে-কেউ ওকে বাধা দিতে সাহস পায়নি। কিন্তু অ্যাপাচিদের সাথে সংঘর্ষে যেতে নারাজ। সে দেখেছে ধরতে পারলে ওরা মানুষের কি অবস্থা করে। এটা ওদের এলাকা—তাই কেমন যেন একটা অস্বস্তি ওকে অস্থির করে তুলছে।

    কথা বলে চলেছে শার্সি। ‘নিজেরাই চেয়ে দেখো-নিচে নেমেছে ড্যাশার কিন্তু ওই গর্ত থেকে বেরোবার কোন পথ নেই।’ হাত তুলে পশ্চিমের পাহাড়গুলো দেখাল। পাঁচটা চূড়া দেখা যাচ্ছে। প্রত্যেকটাই দশ-এগারো হাজার ফুট উঁচু। ‘শীত এসে যাচ্ছে; চূড়াগুলো এখনই বরফে ঢাকা। তুষার পড়তে শুরু করলে পশ্চিমে যাবার সব পাস বন্ধ হয়ে যাবে।’

    ‘পাস আছে তাহলে?’ প্রশ্ন তুলল টিচ

    ‘নাহ্। এখানে নেই। অনেক উত্তরে আছে। এখানে ওরা বাক্স-বন্দি। ওকে কালই আমরা ধরব।’

    ‘হয়তো। কিন্তু এই ড্যাশার লোকটা উদ্দেশ্য ছাড়া কিছু করবে বলে আমার মনে হয় না। ওর নিশ্চয়ই একটা নির্দিষ্ট প্ল্যান আছে। লোকটা বিশেষ কোথাও যাচ্ছে!’

    ‘ওখানেই আছে ও,’ টিচের কথার জবাব দিল শাৰ্পি।

    তবু টিচের মন্তব্য ওকে ভাবিয়ে তুলল। সত্যিই তো, বেরোবার পথ না থাকলে ড্যাশার এমন বেয়াড়া এলাকায় কেন ঢুকবে? নিচের অন্ধকার বেসিনের দিকে চেয়ে ভাবছে গানম্যান। একে-একে তারা ফুটছে আকাশে। হঠাৎ তীক্ষ্ণ হয়ে উঠল শার্পির চোখ। অন্ধকারে নিচে বিন্দুর মত একটা আলো দেখা যাচ্ছে— একটা ক্যাম্পফায়ার। তাহলে ড্যাশার আর হ্যাডলেরা ওখানেই আছে। ভুরু কুঁচকাল সে। কিছুটা দক্ষিণে আরও একটা আভা দেখা যাচ্ছে। ওটাও কি ক্যাম্পফায়ার? কে থাকতে পারে ওখানে?

    শার্সি জানে না, এখন সে যে আলোটা দেখতে পাচ্ছে সেটা অ্যাপাচিদের জ্বালা ছোট্ট আগুন। একমাত্র উপর ছাড়া আর কোনদিক থেকে ওটা দেখা যাবে না।

    পরে, খাওয়া-দাওয়া সেরে সবাই যখন কম্বলের তলায় ঢুকেছে, শাি আবার ক্লিফের ধারে এসে দাঁড়াল। দক্ষিণের আলোটা নিভে গেছে, কেবল এই ক্লিফটা ঢালু হয়ে যেখানে বেসিনের সাথে মিশেছে, সেখানে আর একটা আগুন জ্বলছে! আর কে থাকতে পারে ওখানে? রাতের অভিযানে বেরিয়ে এটাই জ্বেলেছিল রনি।

    হঠাৎ থমকাল সে। তারপর একটু হাসল। অবশ্যই! ট্রেইল-পটু ড্যাশারের মাথাতেই কেবল তাকে বিভ্রান্ত করার এমন একটা ফন্দি আসবে!

    .

    সকাল হয়েছে। লম্বা ঘাসে প্রায় সম্পূর্ণ ঢাকা কিছু ছোট-ছোট পাথরের পিছনে ঝোপের ভিতর শুয়ে আছে রনি। ওটা নিরাপত্তার জন্যে বিশেষ উপযোগী না হলেও বিস্তৃত এলাকার ওপর নজর রাখার জন্যে ভাল। তাছাড়া এতে বড় পাথরের উপর বা পাশ দিয়ে দেখার জন্যে ওকে মাথা বের করতে হবে না, কারণ ওইসব জায়গাতেই ওকে দেখার আশা করবে অ্যাপাচি যোদ্ধারা।

    ওর পিছনে সুজানা শুকনো কাঠের আগুনে কফি আর অবশিষ্ট খাবার গরম করায় ব্যস্ত। বাড পিঠ সোজা করে বসেছে। হাঁটুর ওপর রাইফেলটা রাখা আছে। চোখ আর গাল বসে গেছে, কিন্তু উদ্দীপনা একটুও কমেনি। সুজানার হাত থেকে কফি নেয়ার সময়ে জঙ্গলের ভিতর একটু নড়াচড়া রনির নজরে পড়ল। ঘাসে সামান্য একটু দোলা, কিন্তু রনি জানে ইণ্ডিয়ানটা ওর দিকে রওনা হয়েছে। কাজ শুরু হয়ে গেছে, বা এখনই হবে।

    আড়চোখে ক্লিফ থেকে নিচে নামার ট্রেইলটা একবার খুঁটিয়ে দেখল রনি। ওখানে কোন গতিবিধি নেই। প্রভাতী সূর্যের আলো চূড়া থেকে অনেক নিচে নেমেছে। কিন্তু রনির কাছে এখনও পৌঁছায়নি। সে জানে না শার্পি তার দলবল নিয়ে আগেই বেসিনে নেমে পড়েছে। সূর্যের আলো ক্লিফের মাথায় পড়ার সাথেসাথে রওনা হয়েছিল ওরা। ফিউরিকে আর ঠেকিয়ে রাখা যায়নি।

    সুজানা তার রাইফেল তুলে নিয়ে পাথরের পিছনে পজিশন নিল। রনি পিছনে তাকিয়ে দেখল ওদের জিন চড়ানো ঘোড়াগুলো চোখের আড়ালে নিরাপদেই আছে। হঠাৎ ছুটে পালাবার দরকার হলে কোন অসুবিধা হবে না। রাইফেল কাঁধে ঠেকিয়ে তৈরি থাকল সে।

    ড্যাশার নিজের জায়গায় পজিশন নেয়ার অনেক আগেই ওর গত রাতের রেখে আসা ট্র্যাক অ্যাপাচিদের নজরে পড়েছে। নিজেদের মধ্যে দ্রুত আলাপ করে চারজন ওই ট্রেইল অনুসরণ করে এগোল। ওদের ধারণা তিনজনের কেউ পালাবার চেষ্টা করছে। কিছুক্ষণের মধ্যেই ওরা আগুনটার কাছে পৌঁছে গেল।

    ওখানে থমকে সতর্ক হয়ে উঠল। বুঝতে পারছে এর মধ্যে কোথাও একটা গোলমাল রয়েছে। এই পর্যন্ত এসে থাকলে লোকটা ট্রেইল ধরে উপরে না উঠে এখানে ক্যাম্প করবে কেন? ওরা এই ধাঁধার সমাধান ভেবে বের করার আগেই নয়জন রাইডার বেসিনের নিচে পৌঁছে গাছগুলো পেরিয়ে এগোবার জন্যে তৈরি হচ্ছে।

    অ্যাপাচিরা সাবধানে সামনে এগোল। ওপাশ থেকে শার্সি বুমারও আগুনের ধোঁয়া দেখতে পেয়েছে। উপর থেকে এই আগুনটাই সে গতরাতে দেখতে পেয়েছিল। তৃতীয় আগুন। গাছ ঘুরে সামনে বাড়ল শার্পি-ওর দুপাশে ডেভিস দুই ভাই। বার্ট আর সার্ট। বেরিয়ে আসার আগের মুহূর্তে পাতার ফাঁক দিয়ে ওপাশে বাদামী একটা লোককে নড়তে দেখল শাৰ্পি। অ্যাপাচি!

    মুহূর্তে কোল্টটা উঠে এল ওর হাতে। রাইফেল বাগিয়ে ধরল অ্যাপাচি। কিন্তু ঝিলিক দিয়ে গর্জে উঠল কোল্ট। গতির মধ্যেই মারা পড়ল ইণ্ডিয়ান। মুহূর্তে গোলাগুলির শব্দে ভরে উঠল বেসিন। বুক খামচে কাশতে কাশতে ঘোড়ার পিঠ থেকে পড়ে গেল বার্ট ডেভিস। ওর মুখ দিয়ে রক্ত উঠছে।

    গোলাগুলির শব্দ শুনে ফাঁদে কাজ হয়েছে বুঝে, সবথেকে কাছের নড়াচড়ার ওপর দৃষ্টি স্থির করল রনি। শব্দের সাথে নড়াচড়া স্থির হলো। রাইফেল নিচু করে ধরে লোকটার অবস্থান আঁচ করে ট্রিগার টিপে দিল সে। মাথা তুলে রনির দ্বিতীয় গুলিতে মুখ থুবড়ে পড়ল। জবাবে ওদিক থেকে দুটো রাইফেল গর্জে উঠল। ক্যাম্প থেকে বাড আর সুজানা পালটা জবাব দিল। ওরা দুজন একই লোককে গুলি করেছে। ইণ্ডিয়ানটা যেখানে শুয়ে ছিল সেখানেই মরল।

    গোলাগুলি চলছে; রনি পিছিয়ে ঘোড়াগুলোর কাছে পৌঁছে গেল। ‘জলদি এসো!’ নিচু স্বরে ডাকল সে। ‘ঘোড়ায় ওঠো! তুমি আগে, বাড!’

    দ্রুত ঘোড়া ছুটিয়ে গাছের ভিতর দিয়ে পথ দেখিয়ে ওদের গুহার ট্রেইলের দিকে নিয়ে গেল রনি। ওই পথে এখান থেকে বের হওয়া যাবে কিনা জানে না সে। কিন্তু অপেক্ষা করার উপায় নেই। ওদিকে এখনও লড়াই চলছে, তবে গোলাগুলির হার কমে এসেছে। যে দলই জিতুক, তাতে ওদের কোন সুবিধা নেই। পাথরের স্তূপ বেয়ে উপরে উঠে বাকস্কিন ওপাশের ঢালু জায়গায় নেমে বিনা দ্বিধায় সরু ফাটলের ভিতর ঢুকল। ঘোড়ার গতি কমাল রনি। সে জানে একটাকে ঢুকতে দেখলে পরের ঘোড়াগুলোও অনুসরণ করবে।

    যে ফাটলে ওরা ঢুকেছে, সেটা চওড়ায় আট ফুটের বেশি নয়। দুপাশের দেয়াল কাঁচের মত মসৃণ। এক সময়ে এই পথ দিয়ে তোড়ের সাথে পানি বয়েছে। মেঝেতে শক্ত ভেজা বালু। রনির নজর সামনের দিকে, কিন্তু খুরের শব্দে বুঝতে পারছে সঙ্গীরা তার পিছনেই আছে। একশো গজ যাওয়ার পর দেয়ালগুলো ঘেঁষে এসে পথটাকে সঙ্কীর্ণ করে তুলল। এখন দুপাশের দেয়ালেই ঘষা খাচ্ছে বুট। তারপর ওটা আবার চওড়া হলো। গুহার অন্য প্রান্ত দিয়ে খোলা জায়গায় বেরিয়ে এল রনি। সাফল্যের আনন্দে হাসি ফুটল ওর মুখে। এতক্ষণে পিছন ফিরে চেয়ে হালকা রসিকতায় সে বলল, ‘সার্কেল এইচ কাউহ্যাণ্ডের কি খবর, হ্যাডলে?’ ঠাট্টা করলেও ওর চোখ দুটো সতর্ক দৃষ্টিতে হ্যাডলের প্রকৃত অবস্থা যাচাই করায় ব্যস্ত। প্রত্যেক মানুষেরই সহ্যশক্তির একটা সীমা আছে। হ্যাডলে কঠিন লোক, কিন্তু অ্যাক্সিডেন্টের পরে দুর্বল শরীরে সে আর কত ধকল সহ্য করতে পারবে? স্যাডলে টিকে থাকাই হয়তো ওর জন্যে এখন কঠিন হয়ে উঠেছে।

    ‘আমি ঠিকই আছি,’ রনির চোখের দিকে কটমট করে চেয়ে থেকে জবাব দিল সে। ‘তোমার কি খবর? সুজানা আর আমাকে নিয়ে তোমার দুশ্চিন্তা করতে হবে না, সার্কেল এইচের রাইডাররা চিরকালই বার ২০ রাইডারের চেয়ে শক্ত!’

    শব্দ করে হাসল রনি। তারপর হালকা সুরেই বলল, ‘দেমাগ দেখো বুড়োর! তোমাদের বেস্ট রাইডার বার ২০-র গাধার ওয়্যাগন চালাবারও যোগ্য না!’

    হার মানার পাত্র নয় হ্যাডলে। সে জবাব দিল, ‘তোমাদের বেস্ট রাইডাররা যা শিখেছে, তা আমরাই শিখিয়েছি!’

    গোলাগুলির শব্দ থেমে গেছে। চালমাত অবস্থা, নাকি লড়াই শেষ, তা এখনই বোঝার উপায় নেই।

    ওদের ফালতু বড়াই থামিয়ে দিয়ে সুজানা বলে উঠল, ‘আপাতত হয়তো আমরা নিরাপদ, কিন্তু কেউ কি আমাকে বলবে, আমরা কোথায় যাচ্ছি?’

    ড্যাশার চারপাশের খাড়া দেয়ালে ঘেরা এলাকাটা খুঁটিয়ে দেখছে। এখান থেকে বেরোবার কোন পথ ওর চোখে পড়ল না। অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে ওরা আবার আটকা পড়েছে-এবং আরও কঠিন ভাবে। আপাতদৃষ্টিতে পরিস্থিতি খারাপ দেখালেও রনির ধারণা এখান থেকে বেরোবার একটা পথ থাকতেই হবে—কারণ যে ট্রেইল ধরে ওরা এখানে পৌঁছেচে সেটা প্রাচীন হলেও বহুল ব্যবহৃত। এখানে কারও বেশিদিন থাকার কোন চিহ্ন নেই। এই এলাকায় থাকার মত কোন আকর্ষণও নেই। সুতরাং আর সবাই অন্য কোন পথে বেরিয়ে গেছে।

    ‘তোমাদের ঘোড়াগুলোকে একটু বিশ্রাম দাও,’ শান্ত স্বরে বলল রনি। ‘কিন্তু ঘোড়ার পিঠ থেকে নেমো না।’

    ঘোড়াটাকে হাঁটিয়ে এলাকাটা ঘুরে দেখার জন্যে এগোল সে। ম্যানজানিটার ঘন, বড় ঝাড়ের পাশে উঁচু অ্যাসপেন গাছটার কাছে পৌছার আগে কোন চিহ্নই ওর নজরে পড়েনি। গাছের বাকলে পাঁচ থেকে আট ফুট পর্যন্ত অনেক আঁচড়ের দাগ রয়েছে। নিচের অংশে কাদা আর লোম লেপটে আছে। গাছটার কাছে রনিকে থামতে দেখে কৌতূহলী হয়ে সুজানা ওর দিকে এগিয়ে এল।

    ‘কি দেখছ, রনি?’ মৃদু স্বরে প্রশ্ন করল সে।

    ‘বেয়ার ট্রী। কোন ভালুক নিজের চিহ্ন না রেখে এটা পার হবে না। বংশপরম্পরায় প্রত্যেক গ্রিজলি ওই একই গাছের কাছে গিয়ে যত উঁচুতে সম্ভব নিজের নখের চিহ্ন রাখে। এতে ওদের কি লাভ হয় জানি না, হয়তো বছর-বছর কত বড় হচ্ছে তার প্রমাণ নিজের চোখে দেখে সান্ত্বনা পায়। আর নিচের দিকে গা ঘষে পিঠ চুলকে নেয়াটা সম্ভবত একটা বাড়তি বিলাস।’

    ‘এগুলো গ্রিজলি কিভাবে বুঝলে?’

    ‘আকার আর লোম দেখে। আঁচড়ের দাগ কত উঁচুতে দেখেছ? ব্ল্যাক বেয়ার এত বড় হয় না। তাছাড়া গাছের সাথে পিঠ ঘষে কিছু লোমও রেখে গেছে। এরা রঙে grizzle, অর্থাৎ ধূসর বলেই এদের নাম গ্রিজলি বেয়ার বা শুধু গ্রিজলি।’

    ঘুরে, ম্যানজানিটার ঘন ঝোপ-ঝাড়ের ভিতর অন্ধকার একটা ফাঁক দেখিয়ে রনি আবার বলল, ‘ওটাই আমাদের ট্রেইল। চলো, এগোই।’

    ওয়্যাগনের চাকার অত্যন্ত ক্ষীণ একটা ট্র্যাক ওই দিকেই গেছে দেখতে পেয়েছে ড্যাশার। স্যাডলের ওপর বসে ঝুঁকে মাথা নিচু করে এগোচ্ছে ওরা। কিছুদূর এগিয়ে যে ট্রেইল ধরে ভিতরে ঢুকেছে, সেটারই এদিককার প্রসার ওদের নজরে পড়ল। কিন্তু এটা দিক পরিবর্তন করে ঘুরে দক্ষিণ-পশ্চিমে গেছে। পাহাড়ের একটা বাঁক ঘুরে এখন ওরা উত্তর-পশ্চিমে চলেছে। খাঁজটা ক্রমেই চওড়া হয়ে একটা ক্যানিয়নে পরিণত হলো। দুপাশের দেয়াল খাড়া হয়ে উপরে উঠেছে। একপাশে ক্লিফ থেকে খসে পড়া পাথরের বিরাট একটা স্তূপ।

    ক্যানিয়নের তলায় আগাছার ঝোপ, আর ঘন ঘাস জন্মেছে। চাকার দাগ ধরে দ্রুত এগোচ্ছে ওরা। বহুকাল ব্যবহৃত পুরানো ট্রেইলটা উপড়ে-পড়া গাছ, বা বড় পাথর এড়াতে মাঝেমাঝে দিক পরিবর্তন করলেও একটা নির্দিষ্ট দিকেই এগিয়েছে। হঠাৎ ক্যানিয়ন শেষ হয়ে একটা খোলা জায়গায় পৌঁছল ওরা। আড়াআড়ি একটা ক্রীক বয়ে গেছে। সামনে আধমাইল দূরে ট্র্যাকটা আবার শুরু হয়েছে।

    পাশাপাশি ঘোড়া চালিয়ে ক্রীক পার হলো ওরা। বাড় কথা বলছে না। শুকনো আর বিষণ্ণ চেহারায় ঘোড়ার পিঠে বসে আছে। রনিকে উদ্বিগ্ন চোখে তাকাতে দেখে সে কষ্টের সাথে একটু হাসল।

    ‘ভয় নেই, আমি জিনের ওপর টিকে থাকতে পারব। জানি, ওখানে লড়াইয়ে যে দল জিতবে, তারাই আমাদের পিছু নেবে।’

    ‘আমি যেমন শুনেছি, তাতে বুঝতে পারছি এটাই টার্কিফেদার,’ বলল রনি। ‘এর উত্তরে হচ্ছে আয়রন ক্রীক। ওটা ধরে কিছুদূর চললে, কয়েকটা ক্যানিয়ন পার হয়ে আমরা স্নো ক্রীক ট্রেইলে পড়ব।’

    চারপাশ এক নজর দেখে নিয়ে ভুরু কুঁচকে আকাশের দিকে তাকাল হ্যাডলে। ‘আমাদের তাড়াহুড়া করার আরও কারণ আছে,’ মৃদু স্বরে বলল সে, ‘তুষার পড়ার সম্ভাবনা আছে।’

    অশুভ আশঙ্কায় রনির অন্তরাত্মা কেঁপে উঠল। আজ সারাটা দিন তার ঠিক ওই কথাই মনে হয়েছে, মনকে প্রবোধ দিয়েছে এটা তার ভুল ধারণা। সাধারণত এত আগে তুষার পড়ে না। কিন্তু এখানে ওরা রয়েছে অনেক উঁচুতে, এবং মগোলন্‌স্ পার হতে তাদের আরও উঁচুতে উঠতে হবে।

    লীড নিয়ে উঁচু নিচু জমির ওপর দিয়ে এখন দ্রুত এগোচ্ছে রনি। ছড়ানো গাছের এলাকা পেরিয়ে জঙ্গলে ঢুকল ওরা। জঙ্গল থেকে বেরিয়ে আয়রন ক্রীকের ধারে পৌঁছল। ক্রীক ধরে বেশ কিছুদূর গিয়ে আবছা একটা ট্রেইল দেখা গেল। ‘এটাই এগিয়ে স্নো ক্রীক ট্রেইলে মিশেছে,’ জানাল ড্যাশার। ‘এখন থেকে আরও দ্রুত চলা সম্ভব হবে।’

    পিছনের ট্রেইলের ওপর নজর রাখছে রনি। সে জানে ওরা অনুসরণ করবেই। কখন দেখা হবে, সেটাই কেবল অনিশ্চিত। ট্রেইলটা এখন ক্রমাগত উপরে উঠছে। যে উজ্জ্বল সূর্যের মুখ ওরা আজ ভোরে দেখেছিল সেটা গুহা পার হওয়ার সময়েই ধূসর আকাশে অদৃশ্য হয়েছে। এখন পুরো আকাশটাকেই ছেয়ে ফেলেছে একটা স্থির ধূসরতা। এক ঝলক ঠাণ্ডা বাতাস ওর গাল ছুঁয়ে গেল। দুশ্চিন্তায় কপাল কুঁচকাল সে।

    যদি সত্যিই ঝড় হয়, তবে ওদের জন্যে এরচেয়ে খারাপ পরিস্থিতি আর হতে পারে না। ওদের পাহাড় পার হতে হবে, এবং তার পরেও অনেকটা পথ পাড়ি দিতে হবে-প্রায় পুরো একটা দিনের ব্যাপার। সরল রেখায় আলমার দূরত্ব বারো মাইলের বেশি হবে না, কিন্তু পাহাড়ী পথে ঘুরে-ঘুরে এর পাঁচগুণ পথ ওদের চলতে হবে। আয়রন ক্রীক মেসায় একটা ঝর্নার ধারে অল্পক্ষণ বিশ্রাম নিয়ে আবার এগিয়ে চলল ওরা।

    হঠাৎ হাতের ওপর ঠাণ্ডা একটা পরশ পেয়ে চমকে তাকাল রনি। হালকা এক থোকা নরম তুষার!

    আশঙ্কায় রনির দেহ যেন মুহূর্তের জন্যে আড়ষ্ট হলো। আকাশের দিকে তাকাল সে। এখনও অনেক পথ বাকি। তুষার ঝড়ের মধ্যে ভারী কোট ছাড়াই ওদের পাহাড় পেরোতে হবে। পথে কোথাও আশ্রয় বা খাবার পাওয়া যাবে না!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদ্য গড ডিল্যুশন – রিচার্ড ডকিন্স
    Next Article নিঃসঙ্গ অশ্বারোহী – কাজী মাহবুব হোসেন

    Related Articles

    কাজী মাহবুব হোসেন

    অশুভ সংকেত – কাজী মাহবুব হোসেন

    July 26, 2025
    কাজী মাহবুব হোসেন

    অশুভ সংকেতের পর – কাজী মাহবুব হোসেন

    July 26, 2025
    কাজী মাহবুব হোসেন

    শেষ অশুভ সংকেত – কাজী মাহবুব হোসেন

    July 26, 2025
    কাজী মাহবুব হোসেন

    খুনে মার্শাল – কাজী মাহবুব হোসেন

    July 26, 2025
    কাজী মাহবুব হোসেন

    নিঃসঙ্গ অশ্বারোহী – কাজী মাহবুব হোসেন

    July 26, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }