Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    খোয়াবনামা – আখতারুজ্জামান ইলিয়াস

    লেখক এক পাতা গল্প729 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৩২. বাঙালি নদীর কোলে

    বাঙালি নদীর কোলে মা ভবানীর দ, দয়ের মাছ তো মায়ের সেবার জন্যেই, না কী। বলিস? প্রশ্নের জবাবের জন্যে নায়েববাবু পরোয় করে না, ঐ মাছ চুরি করে বেটা মাঝি, ম্লেচ্ছ মাঝি, এ্যাঁ? মায়ের সন্তান হয়ে আমরা তা সহ্যও করি! আবার তার সঙ্গে তোদের মহা খাতির! ছি!

    ধিক্কারটি নায়েবমশাই থুক করে ছেড়ে সরাসরি বৈকুণ্ঠের দিকে। বৈকুণ্ঠের জড়সড় ভাবটি এতে কাটে, সে বলল, না বাবু। এটা হলো ভবানী সন্ন্যাসীর দ। ভবানী পাঠক। যুদ্ধ করিছিলো গোরা কোম্পানির সেপাইদের সাথে। বছর বছর হামরা তেনারই পূজা করি পোড়াদহ মেলার দিন। একটু থেমে সে জানায়, ওই দয়ের কাছে তিনি দেহ রাখিছিলেন।

    দেবী আর সন্ন্যাসী কি এক হলো রে পাগলা? বিরক্ত হলেও পূর্ণচন্দ্র চক্রবর্তী গলা চড়ায় না, বরং স্বর আরো নরম করে বলে, ভবানীপুর চিনিস তো? সেরপুরের কাছে। ভবানীপুর–

    চিনি বাবু। হামাগোরে জ্ঞাতিগুষ্টি–।

    তা হলে তো ভালোই চিনিস। ভবানীপুরে মায়ের মন্দির। জমিদারি নাটোরের। কিন্তু মন্দির তো আর রানী ভবানীর নামে হয় নি। দক্ষযজ্ঞের সময় মা দুর্গা ক্রোধান্বিত হয়ে নিজের দেহ রাখলে মহাদেব ক্ষিপ্ত হয়ে গেলেন। আপন পরিবারের দেহ নিয়ে মাথার ওপর ঘোরাতে লাগলেন। তো নারায়ণ দেখলেন, মায়ের দেহে পচন ধরলে ধরিত্রীর বায়ু বিষাক্ত হয়ে যাবে। তিনি তাঁর চক্র দিয়ে মায়ের পবিত্র দেহ টুকরো টুকরো করে ছড়িয়ে দিলেন বিশ্বময়। নানা স্থানে পড়লো দেহের নানা অংশ। আর মায়ের বাম কর্ণ পড়লেন কোথায়?-না, ঐ করতোয়া তীরে, ভবানীপুরে।

    টাউনের সতীশ মুক্তার চোখ বুজে ঘাড় নাড়লে নায়েব পূর্ণচন্দ্র উৎসাহিত হয়ে বলে, সেই থেকে ঐ স্থানের মাহাত্ম্য, স্থানের নাম হলো ভবানীপুর। মায়ের কর্ণ এখনো সেখানই স্থাপিত, নিত্য পূজা হয়, ভক্তবৃন্দ প্রসাদ পান। কর্ণ ওখানে থাকলো আর মায়ের ভোগের নিমিত্ত মাছ রাখা হলো মানাস নদীর দয়ে। আহা, মানাস এখন মৃত, কিন্তু সেই দয়ের জল শুকায় না, বাঙালি ঐ দ কোলে করে মা ভবানীর মাছ পাহারা দেয়। আহা, ঐ জল বড়ো পবিত্র!

    দশরথ, যুধিষ্ঠির ও পালপাড়ার কেষ্ট পাল তার এই ভাষ্য শুনে থ। টাউনের সতীশ মুক্তার ও সেরপুরের অনিল সান্যাল চুপচাপ সায় দেয়। কিন্তু ছটফট করে বৈকুণ্ঠ। বাবুরা এসব বলছে কী? এই এলাকার ব্যামাক মানুষ জানে, ব্রাহ্মণ, কায়স্থ, সাহা, পাল, নমঃশূদ্র, মোসলমান সবাই জানে, এই দয়েই কোম্পানির সেপাইয়ের গুলিতে দেহরক্ষা করেন ভবানী পাঠক। সঙ্গে ছিলো তার পাঠান সেনাপতি। তো সেটা কী আর আজকের কথাঃ বৈকুণ্ঠের ঠাকুরদার ঠাকুরদা, তারও বাবা, না-কি তার ঠাকুরদা, সে তো সন্ন্যাসীর সঙ্গেই ছিলো। তা হলে?—আজ আবার মা ভবানীর কথা ওঠে কেন? বৈকুণ্ঠ আস্তে আস্তে। বলে, না বাবু, পোড়াদহ মেলার নাম তো সন্ন্যাসী ঠাকুরের নামেই। মেলার আগের দিন। মঙ্গলবার মেলার বটতলায় তাঁর বিগ্রহ রাখা হয়, সন্ন্যাসী ঠাকুর লিজে আবির্ভূত হন। মেলার দিন ভোররাতে।

    মেলার কথা রাখ। পোড়াদহ মেলা আমোদ-প্রমোদের জায়গা, সাত জাতের মানুষ আসে। সেখানে তোরা যে কিসের পূজা করিস তোরাও তো ভালো করে জানিস না। তা পূজা কর, ভালোই। কিন্তু মানাসের দয়ের এতো নিকটে মায়ের পূজা হয় না, এটা কি সহ্য করা যায়? মা আমার বিশ্বমাতা, জগজ্জননী। তার অপমান আর কতো সহ্য করা যায়? মায়ের অপমানে আহত পূর্ণচন্দ্র হামলায়, মা, মা। মা গো, মা গো?

    এই ব্যাকুল ডাকে মা তো মা, মায়ের বাপের পক্ষেও তিষ্ঠানো দায়। দাদামশায় বা মায়ের কিংবা দুজনেরই আবির্ভাবের আশায় ও আবির্ভাবের ভয়ে সবাই এদিক ওদিক দেখে। তাদের ভয় ও ভক্তিকে পোক্ত হবার সুযোগ দিতে নায়েবমশাই একটু থামে। তারপর নিশ্চিত হয়ে ফের মুখ খোলে, মায়ের ভোগ চুরি করলো এক মোসলা মাঝি, স্নেচ্ছের স্পর্শে দুয়ের জল অপবিত্র হলো। মায়ের আমার দয়ার শরীর, তিনি কিছু করলেন না। কিন্তু আমরা? আমরা তাঁর অধম সন্তান। আমরা কী করলাম?-না, হাত গুটিয়ে বসে রইলাম। ম্লেচ্ছ বেটা আস্কারা পেয়ে গেলো। ওর ছেলে নামলো বিল : ডাকাতিতে। আরে বিল হলো জমিদারের, যাকে খুশি পত্তন দেবেন, তাতে কার কী?

    কাৎলাহার বিলের মাছ তো গিরিরডাঙার মাঝিরাই ভোগ করিচ্ছিলো বাবু। দশরথ কর্মকারের এই মন্তব্যে নায়েববাবু অসন্তুষ্ট হয়, আরে আগে অনাচার হচ্ছিলো বলে সব সময় কি তাই হতে থাকবে? জমিদার যদি আইনকানুন না দেখেন, প্রজার হিতসাধনে যদি মনোযোগী না হন তো প্রজার মঙ্গল হয় কী করে? গায়ের জোরে যে যা খুশি তাই করবে, আর জমিদার কি বসে বসে ঘাস খাবে? এ্যা, ঘাস খাবে?

    তৃণভোজী জমিদার এদের কারো পছন্দ নয়। নায়েবের মুখে জমিদারের প্রতাপের। বিবরণ শুনলে এদের কালোকিষ্টি শরীরে রক্ত চলাচল বাড়ে। নায়েব পূর্ণচন্দ্র চক্রবর্তী তখন ছাড়ে তার প্রকৃত ক্ষোভটি, ঐ যে তমিজের বাপ, মায়ের দেহ অপবিত্র করে, নিজের ছেলেকে উস্কানি দিয়ে বিল ডাকাতি করায় আর তোমরা ঘোয়রা তার পিছে পিছে। তাদের বাড়ি যাও, শুনেছি জল পর্যন্ত খাও। তোমাদের জাত কী? মায়ের অপমানে তোমাদের রক্তে আগুন জ্বলে না?

    সেরপুরে অনিল সান্যালের পাতলা ঠোঁটে ভোরের চাঁদের পানা বেদনার হাসি, গম্ভীর দীর্ঘশ্বাসে চাঁদটিকে উড়িয়ে দিলে থাকে শুধু বেদনাটি। তাই সম্বল করে সে বলে, আরে, দেশটাই ভাগ করতে বসলো। আর এ তো সামান্য নদীর দ। এসব বলে।

    মা ভবানীর অসম্মানকে আপনি সামান্য বললেন? আপনার মায়ের গায়ে হাত দিলে আপনি সহ্য করবেন? আর দুর্গা হলেন বিশ্বমাতা, এঁর অপমানে তো বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের জ্বলে ওঠবার কথা। সতীশ মুক্তারের ক্ষোভ জ্বলে ওঠে রুদ্র তেজে, এই করেই তো আপনারা দেশটাকে তুলে দিলেন ওদের হাতে। কংগ্রেস যদি প্রথম থেকে ধর্মরক্ষায় মন দেয় তো দেশের অবস্থা কি আজ এরকম হতে পারে? মোসলমানদের কতো আস্কারা দেওয়া হয়েছে, ভেবে দেখেছেন কখনো?

    কংগ্রেসের সেরপুর থানার সহকারী যুগ্ম সম্পাদক অনিলচন্দ্র সান্যাল কৈফিয়ৎ দেয়, সতীশবাবু, সবাইকে নিয়েই তো দেশ। জাতিধর্ম নির্বিশেষে সবাইকে কোল দিয়ে, হৃদয়ে সবাইকে ঠাঁই দিয়েই তো মহাত্মা গান্ধি মহাত্মা হয়েছেন।

    এখন তার ঠেলা সামলান। দেশের শরীর কাটার জন্যে ওরা তলোয়ার নিয়ে খাড়া। নিজের ধর্মই তো মহাত্মার হাতে পড়ে নষ্ট হতে চলেছে।

    না সতীশবাবু। অনিলচন্দ্র ধর্মভাবে উদ্দীপ্ত হয়, মহাত্মা নিজের ধর্মকে খাটো করবেন কেন? হিন্দুর ধর্ম, হিন্দুর স্বার্থের বিরুদ্ধে তিনি কি কিছু করতে পারেন? তিনি নিজেই তো বলেছেন, আমি সর্বপ্রথম হিন্দু, তারপর দেশপ্রেমিক। তার আদর্শ হলো শ্রীমদভগবদ গীতা।

    এইসব রাজনৈতিক আলোচনায় নায়েববাবুর দরকারি কথাটাই সেরে ফেলা যাচ্ছে। শরাফত মণ্ডল এসে পড়বে, তখন তো খোলাখুলি কথা বলা মুশকিল হয়ে পড়বে। সুতরাং সতীশ মুক্তার আর অনিল সান্যালের গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক আলোচনা বিঘ্নিত করে নায়েববাবু প্রজাদের বলে, শোনো বাবারা, যতো নষ্টের গোড়া ঐ শালা তমিজের বাপ। বোকা বোকা ভাব করে থাকে, কিন্তু ভেতরে ভেতরে পাকা শয়তান একটা। ঐ বেটাকে আমি পুলিসে দেবো। মাঝিপাড়ার মানুষ একটু গোলমাল করতে পারে, ভোটের জন্যে কাদেরও তেমন কিছু করতে সাহস পাবে না। ওদের আঁটো করতে হবে তোমাদেরই।

    দশরথ, যুধিষ্ঠির ও কেষ্ট পাল ভয়ে এবং বৈকুণ্ঠ গিরি ভয়ে ও দুঃখে চুপ করে থাকে। তমিজের বাপের সঙ্গে চেরাগ আলির মাধ্যমে পাকুড়গাছের সরাসরি যোগাযোগের কথা। গিরিরডাঙা, নিজুগিরিরডাঙা, গোলাবাড়ি, পালপাড়া, রানীরপাড়া, পারানিরপাড়া, এমন কি সাবগ্রাম ছাইহাটার সব মানুষ জানে।

    দশরথ আস্তে আস্তে বলে, বাবু, একটা কথা কই। তমিজের বাপের গাওত হাত না তোলাই ভালো।

    কেন? নায়েববাবুর গলায় ঝঝ মেশে, শরাফত মণ্ডল যে খড়ম দিয়ে তাকে পেটালো, তাতে মণ্ডলের হাত কি খসে পড়েছে নাকি?

    না বাবু। বৈকুণ্ঠ নায়েববাবুর ভুল ধরে, তমিজের বাপের গাওত হাত তুলিছিলো পাকুড়গাছের মুনসি। সন্ন্যাসীর ভোগের মাছ লেওয়ার শাস্তি দিছে মুনসি।

    ইস! এই টুয়েনটিয়েথ সেনচুরিতেও এমন সুপারস্টিশন থাকলে স্বরাজ দিয়েই বা কী হবে, স্বাধীনতার জন্যে আন্দোলনের ফলই বা কী হবে? অনিল সান্যাল মূখদের কুসংস্কারে বড়োই হতাশ। তবে দশরথ জানায়, মণ্ডল তার সাথে খারাপ ব্যবহার করিছে, কাদের মিয়া লিজে যায়া মাফ চায়া আসিছে।

    দূর। এ জাতের বিশ্বাস নেই। সতীশ মুক্তার সোজা হয়ে বসে, মাঝির ঘরে গিয়ে ক্ষমা চেয়ে আসে কোন আক্কেলে? আরে বাবা, লেখাপড়া যতোই শিখুক আর টাকাপয়সা যতোই করুক, জাতের স্বভাব যাবে কোথায়?

    তবে প্রকৃত তথ্য জানা আছে নায়েববাবুর, আরে নাঃ। কিসের মাফ চাওয়া? ভোটের ক্যানভাস করতে গিয়েছিলো মাঝিপাড়ায়। তমিজের বাপের সঙ্গেও দেখা করেছে। তমিজকে খালাস করে আনার কথা বলে এসেছে ইসমাইল। অতো সোজা? ৩৮৭ ধারায় মামলা ঠুকে দেওয়া হয়েছে। নন-বেলেবল কেস। জামিনই পাবে না। নায়েববাবু মোটেই হতাশ নয়। আজ বৈকুণ্ঠ আর কর্মকারদের ডেকে আনা হয়েছে মণ্ডলের পরামর্শেই। তবে মরা মানাসের দ থেকে সন্ন্যাসীর উৎখাতের বুদ্ধিটা নায়েববাবুর নিজের। মণ্ডলের তাতে বরং সায়ই আছে। পোড়াদহ মেলায় মুসলমানরা যেসব কীর্তি করে মণ্ডল সেসব সহ্যই করতে পারে না। ওখানে মা দুর্গাকে বরং প্রতিষ্ঠিত করতে পারলে মাঝিপাড়ার মানুষদের ওখান থেকে হটানো যায়। নায়েববাবুর স্বপ্ন : টাউনের ভদ্দরলোকরা তখন কেবল মেলা দেখতে আসবে না, পূজার উৎসবেও হৈ চৈ। করতে পারবে। ভূতের পূজা বাদ দিয়ে মানুষকে কুসংস্কার থেকে মুক্ত করতে যদি মা ভবানীর পূজার প্রচলন করা যায় তো আশেপাশের তো বটেই, টাউনের ভদ্দরলোকদেরও এখানে টানা যাবে। তাদের ছাড়া আনন্দবাজার পত্রিকায় এই খবর ফলাও করে ছাপাবার মুবোদ কি আর নায়েববাবুর হবে? এখন বোঝা যাচ্ছে, এখানে বড়ো ঝামেলা তৈরি করে বৈকুণ্ঠ গিরি। নায়েববাবু তাকেই কড়া করে ধমক দেয়, শোন বৈকুণ্ঠ, মাঝিপাড়ায় তোর এতো দহরম মহরম কিসের রে? ওখানে যাওয়াটা ছাড়। তোদের এইসব ভূতের পূজা বন্ধ করে দিলে দেখি শালার ম্লেচ্ছ মাঝিরা পোড়াদহ মেলায় ভেড়ে কী করে।

    কাছারি থেকে বেরিয়ে হাঁটতে হাঁটতে যুধিষ্ঠিরের পা আর চলতে চায় না। মাঝিপাড়ার মানুষের সঙ্গে মাখামাখি করলে নায়েব তো চটেই, মণ্ডলও সহ্য করবে না। মণ্ডল ফসল তাকে যতো কমই দিক, বর্গার জন্যে এবারেও তার কাছে ধন্না না দিয়ে তার আর উপায় কী? ভোটের ডামাডোলে মাঝিপাড়ার সঙ্গে কাদেরের একটা বুঝসুঝ হতেও পারে, তমিজ বেরুতে পারলে কাদেরকে ধরে তার একটা গতি হয়তো হয়ে যাবে। কিন্তু যুধিষ্ঠিরের দশাটা হবে কী? জমি বর্গা না পেলে জগদীশ সাহার সুদ সামলাতে জমি বেচতে হবে মণ্ডলের কাছে। জেদ ধরে জমি ধরে রাখো তো সুদ সামলাতে ভিটেমাটি, থালবাসন, বাপের হপর, কামারশালা সব দিতে হবে সাহাকে। একবার জগদীশ সাহা, একবার শরাফত মণ্ডল।—যুধিষ্ঠির দিশা পায় না, তবে ভগবানের কৃপায় এর মধ্যেই একটা বুদ্ধি তার মাথায় ঝিলিক দিয়ে ওঠে। ইসমাইল সাহেবের ভোটের ক্যানভাসে যদি কাদেরের পিছে পিছে সে ঘোরে তো তার মনটা পাওয়া যায়। বিল ডাকাতির মামলা দেওয়ার পর মণ্ডল কি আর মাঝিদের বর্গা দেবে? যুধিষ্ঠির কি কামারপাড়ার কেউ তো আর মণ্ডলের সম্পত্তিতে হাত দিতে যায় নি, সুতরাং এই সুযোগে মাঝিদের বর্গা করা জমিগুলো সে তো দিব্যি হাতিয়ে নিতে পারে। এখন কাদেরের পেছনে ছোটাছুটি করলেই হয়।

    কাদেরের দোকানের সামনে, কালাম আর মুকুন্দ সাহার গদিতে মানুষ গিজগিজ করে। মুকুন্দ সাহার টিনের বেড়ায় কংগ্রেসের তেরঙা পতাকার ছড়াছড়ি। কংগ্রেসের লোকজন এসেছে টাউন থেকে। এমন কি লাঠিডাঙা কাছারি থেকে পরে রওয়ানা দিয়েও টমটমে করে এসে পড়েছে অনিলবাবু। ওখানে গিয়ে যুধিষ্ঠিরের কাম কী? কাদেরের কর্মীদের সঙ্গে সে ভিড়ে গেলে একজন বলে, তুমি এখানে কী করো? কংগ্রেসের এক ছাত্র কর্মী তাকে টেনে আনে সাহার দোকানের দিকে, ছেলেটি বলে, তুমি ওখানে কী। করছো? আরেকজন হাসে, আরে ইসমাইল সাহেবের তো মোহামেডান কনস্টিটুয়েনসি। তোমরা ভোট দেবে সুরেনবাবুকে, সুরেন সেনগুপ্ত, আমাদের কংগ্রেসের ক্যানডিডেট।

    যুধিষ্ঠির একটু দমে যায়, কাদেরের সঙ্গে ভিড়তে পারলে মণ্ডলের জমিটা পাওয়া যায়। আবার ইসমাইল সাহেব এমনিতে মানুষটা ভালো, আবার ভোটে জিতলে নাকি আধিয়ারদের ফসলের হিস্যা বাড়াবার আইনও বানাবে। সুরেনবাবুও হয়তো ভালো মানুষ, কিন্তু যুধিষ্ঠির তো তাকে চেনে না। যুধিষ্ঠিরের মাথার এসব জট সাফ করতে এগিয়ে আসে অনিল সান্যাল, মুসলিম ভোটারদের জন্যে একজন এম এল এ, আমাদের এম এল এ আরেক জন। যুধিষ্ঠির এবার বোঝে, দুই জাতের জন্যে দুইজন মেম্বর।

    বিকালে মুকুন্দ সাহা বৈকুণ্ঠকে আড়ালে ডেকে বলে, নায়েববাবু তোক সকালে কী কলো রে? শরাফত মিয়া তো কালই হামাক কয়া গেলো, নায়েববাবুর খুব রাগ তোর উপরে। তা তোর বাপু মাঝিপাড়ার সাথে এতো মাখামাখি কিসের রে? তমিজের বাপ বুড়া মানুষ, তার জোয়ান বৌটার সাথে তোর এতো কথাবার্তা কিসের রে? তোরা বলে সন্ন্যাসীর বংশ, তালে ঐ মোসলমান মাঝিগোরে ঘরে এতো আসা যাওয়া কিসক রে?

    হাটের ভেতরে কোলাহল, হাটের পুবে ও উত্তরে রোদের শেষ তাপে খুলে-যাওয়া শিমুল বৈকুণ্ঠ গিরির চোখের মণি ঢেকে ফেলে তুলার অশ্রু উড়িয়ে। বন্ধ চোখের মণিতে জ্বলজ্বল করে ওঠে অন্য এক জোড়া চোখ, সেই চোখ দুটো একটু ছোটো করে ঠোট বাঁকা করে বলা কথাটা বৈকুণ্ঠের কানে বাজে চেরাগ আলির দোতারার সঙ্গতের সাথে, হামার পানি লিলে তোমার জাত যায়, তালে আম খাও তুমি ক্যাংকা করা? হামার আম। হামাক দাও, তুমি তোমার জাতখান লিয়া বাড়িত যাও। কিন্তু মুকুন্দ সাহা আজ তাকে কীসব বলে সব ওলটপালট করে দিলো। কুলসুমের বিয়ের দিন মহা হৈ চৈ করে বাতাসা আর খাগড়াই আর হাতিবান্ধার দৈ খেয়ে বৈকুণ্ঠ চলে গিয়েছিলো পোড়াদহ মাঠে সন্ন্যাসীর থানে। গাঁজায় ভালো করে দম দিয়ে বসে সে গান ধরেছিলো বিকট রবে। আজ এতোকাল পর কান ভরে সে শোনে সেই গানের কলি। গানটাই ভালোভাবে শোনার তেষ্টায় না-কি অন্য কোনো তাগিদে হাটের কোলাহল থেকে বেরিয়ে বৈকুণ্ঠ চলতে থাকে পোড়াদহ মাঠের দিকে। সন্ন্যাসীর খানের নিচে বসতেই, গাঁজায় দম না দিয়েও সে শুনতে পায় একই গান :

    সন্ন্যাসী শোণিতে রাঙা মানাসের জল।
    বিবাহের চেলি পরি করে ঝলমল।।
    ধনে জামায়ের অনাসক্তি যৌতুক লইয়াছে ভক্তি
    মৃত্তিকা বিগ্রহ তাহার সকল সম্বল।।

    গান শুনতে শুনতে এবং তার সঙ্গে নিজের বেসুরো গলা মেলাতে মেলাতে ভবানী পাঠকের মহাপ্রয়াণ ও সংসারে তার বৈরাগ্য বৈকুণ্ঠের চোখে জলের জোয়ার নামালে তার নুনের ধকে তার চোখমুখজিভ খরখর করে। ভবানী তো ঢুকে পড়েছিলো মাটির বিগ্রহের মধ্যে, মাঘের শেষ বুধবারে পূজার পর বিসর্জন দিলেও তার মাটি বাঙালি নদীর রোগা স্রোত ধরে চলে যায় মরা মানাসের দয়ে। এখন নায়েববাবু ম্লেচ্ছ মাঝির ওপর রাগ করে এখানে যদি সন্ন্যাসীকে উৎখাত করে, তা হলে সন্ন্যাসী যাবে কোথায়? নায়েব এখানে প্রতিষ্ঠা করবে মা দুর্গাকে। সন্ন্যাসী কি আর অতো জাগ্রত দেবীর সঙ্গে পেরে উঠবে? কোথায় মা দুর্গা?–মহিষমর্দিনী, জগত্তারিণী মা, তুমি অম্বিকা, তুমি অন্নদা, তুমি মা চণ্ডী! তোমার বাহুতে শক্তি, সর্বাঙ্গে তোমার মানুষের ভক্তি মাখা! তুমি মা তারা, তুমি মা। কালী!—সেই জগজ্জননী মা কেবল নামের জোরে ভবানী পাঠকের স্থান দখল করার লোভে চড়ে বসেছে নায়েববাবুর ঘাড়ে। বেজাতের মানুষের পাপের দণ্ড দিতে নায়েব সন্ন্যাসীকে উৎখাত করে সেখানে বসাবে দুর্গা মা ঠাকুরণকে? তা হলে পোড়াদহের পূজার খোয়াবনামা স্থানে বেজাতের মানুষের আসাটা বন্ধ করা যাবে, টাউন থেকে এমন কি ভদ্দরলোক, বামুন কায়েতরাও সেখানে পূজা দিতে আসবে। বাঙালি নদীর কোলে বৌডোবা দয়ে মানাসের চোখের জলটুকু পর্যন্ত ঠাকুরের বেদখল হয়ে যাবে, সেটাও থাকবে মা দুর্গার দশ হাতের মুঠের মধ্যে!-তা হলে? তখন বৈকুণ্ঠের এখানে আর থাকার অধিকার থাকবে। কোথায়? সাহার কর্মচারী ছাড়া সে তখন আর কিছুই থাকবে না? সেরপুরে ঠাকুর্দার সৎ। ভায়ের ছেলেদের হাতে তার সম্পত্তি বেদখল হবার কথা কি কেবল গল্প হয়ে যাবে?—উত্তেজনায় ও দুশ্চিন্তায় এবং নিজের সম্বন্ধে অনিশ্চয়তার ফলেও বটে, বৈকুণ্ঠ ছটফট করে। তমিজের বাপের ওপর রাগ করার প্রবল চেষ্টা করেও লাভ হয় না। সে ফের। রওয়ানা হয় গোলাবাড়ি হাটের দিকে। সেখানে তমিজের বাপকে যদি পাওয়া যায়।

    ভোটের দিনেও তমিজের বাপের দেখা নাই। মাঝিপাড়া ভেঙে মানুষ এসেছে। কালাম মাঝি হাজির করেছে সবাইকে। নাই খালি তমিজের বাপ। তা তার অবশ্য ভোটও নাই। তবু যারা এসেছে তাদের বেশিরভাগই ফালতু মানুষ, বছরে ছয় আনা ট্যাকসো দেওয়ার মানুষ এদিকে আর কয়জন?

    তমিজের বাপের দেখা পেতে বৈকুণ্ঠের কেটে যায় আরো দেড় দেড়টি মাস। সেদিন মুকুন্দ সাহার খবর নিয়ে বৈকুণ্ঠকে যেতে হয়েছিলো গিরিরডাঙা। মণ্ডলের বড়ো ছেলে আবদুল আজিজ বিলের উত্তর সিথানেরও উত্তরে হঁটখোলা করেছে। সেখান থেকে কয়েক হাজার হঁটের বায়না দেওয়ার কথা মুকুন্দ সাহার। তা সাহা নিজেরই আসার কথা, কিন্তু গত রাতে সাহার ভাইপো মরে যাওয়ায় বেচারা আসতে পারে নি। চোখে জল নিয়েই সে বলে, তাড়াতাড়ি যা বৈকুণ্ঠ, টাইম মতো না গেলে আজিজ মিয়া আবার কোদ্দ করবি। কোস, পরশুদিন বায়নার ট্যাকা সব হামি লিজে দিয়া আসমু। কিন্তু বৈকুণ্ঠের আবার কখনো তাড়া থাকে নাকি? একটু ঘুরে ফিরে যাওয়াই তার চিরকালের খাসলত। মোষের দিঘির দক্ষিণ ঢালের ঠিক নিচে দুই বিঘা জমি এবার পত্তন নিয়েছে শরাফত মণ্ডল। হুরমতুল্লা সেখানে নিয়োজিত আউশ বোনার আয়োজনে। নতুন চষা জমিতে মই দিচ্ছিলো হুরমতুল্লা। সাত সকালে লজ্জাশরমের মাথা খেয়ে ফুলজান বাপের। মইয়ের পেছনে পেছনে ঘুরছে। বৈকুণ্ঠ একটু দাঁড়ায়, ক্যা গো, লতুন জমিত তো চাষ ভালোই দিলা। তারপর গলা নামিয়ে বলে, তোমার জামাই আছে না? হাটের মধ্যে গান তো ভালোই বান্দিচ্ছে। আছে নাকি? ঘরত আছে?

    হুরমতুল্লা জবাব দেয় না। সেটা কি কথা বলতে গেলেই কাশির দমক ওঠে বলে?–কি শ্বশুরবাড়িতে জামাই একেবারেই আসে না বলে সে শরম পায়? কেরামত আলির নতুন গান মোসলমানের রাতের আঁধার হইলো অবসান গানটা গুনগুন করতে করতে বৈকুণ্ঠ বিলের ধার দিয়ে হাঁটতে থাকে।

    তমিজের বাপকে সে দেখতে পায় মণ্ডলবাড়ি থেকে ফেরার সময়। কালাম মাঝির বাড়ির সামনের উঠানে সে বসেছিলো। কালাম তাকে বোঝাচ্ছে, আরে, ইসমাইল সাহেব জবান যখন দিছে, তমিজকে খালাস করার বন্দোবস্ত তো একটা হবিই। তা। উকিলের পয়পাতি তো কিছু লাগে। আমি দুই হোত পয়সা ঢালিচ্ছি, তোমার কাছে কিছু চাইছি, কও?।

    তমিজের বাপ মাথা নেড়ে না বললে কালাম মাঝি ফের বলে, তুমি কিছু না দিলে হামি আর কতো টানি, কও?

    হামার আছে কী? বাড়ির পালানে ভিটাও তো মণ্ডলকে দিলাম আকালের বছর।

    মণ্ডলকে তোমরা মনিব মানছো? ঘরটাও কি তাকই বেচবা?

    ঘরের কথা তমিজের বাপ কখনো ভাবে না। ঘর বেচলে সে থাকবে কোথায়? কালাম মাঝি বোঝায়, ঘর তোমারই থাকবি। তোমার ঘর গেলে তোমার বৌবেটার। থাকার ব্যবস্থা তো করা লাগবি হামাকই, লয়? এ সম্বন্ধে তমিজের বাপ তার সঙ্গে একমত হলে সে বলে, আর তো কিছু লয়। হামি ট্যাকা দিয়াই যাচ্ছি, বেটা তো তোমার, তোমার দায়িত আছে না? হামার বেটা লায়েক, চাকরিবাকরি করে, হামাক লেখে, মাঝিপাড়ার ব্যামাক মানুষের জিম্মাদারি কি তুমি একলা লিছো? তাই তোমাক যা কলাম, চিন্তা ভাবনা করা দেখো।

    কালাম মাঝি বাইরে বেরিয়ে গেলে বৈকুণ্ঠ হাঁটে তমিজের বাপের পাশে পাশে। কয়েক পা হেঁটেই বলে, তমিজের বাপ, কামটা তুমি ভালো করো নাই গো! তমিজের বাপ তার দিকে তাকালে সে গলা নামিয়ে বলে, ভবানীর দয়ের মাছ ধরা যে পাপ

    করিছো তার দণ্ড দেওয়া লাগিচ্ছে হামাগোরে সোগলির।

    তমিজের বাপের ঘোলা চোখ আরেকটু ঘোলাটে হয়, পাপ? গুনার কথা কচ্ছিস? মাছ ধরলে গুনা হবি কিসক?।

    ঠাকুরের ভোগের মাছ লিয়া আসিছে পূজার দিন। লয়? ঠাকুরেক তাই এটি বুঝি আর রাখা যাচ্ছে না। লায়েববাবু কছে, সন্ন্যাসীর থানেত উগলান সাত জাতের পূজা বাদ দিবি। ইগলান কী, কও? গুনার ফল লয়?

    পানির মাছ, পানিতই দিয়া আসিছি। দোষ ধরে ক্যাংকা করা?

    এবার ভাবনায় পড়ে বৈকুণ্ঠ। তাই তো সকালবেলা বাঘাড়টা তো তমিজের বাপ ফেলে এসেছে কালাহার বিলে। উত্তরদিকে যাত্রা করে বাঙালির রোগা স্রোত ধরে বাঘাড় নিশ্চয়ই পৌঁছে গেছে ঠাকুরের দয়ে। তা হলে আর দোষ হলো কী?

    উত্তরে তাকিয়ে তমিজের বাপ যেন কী দেখতে দেখতে বলে, মুনসি পাকুড়গাছ থ্যাকা ন্যামা আসিছিলো, তার সাটাসাটি শূন্যা হামি মাছ তো পানিত দিয়া দিলাম। হামার দোষ হলো কোটে?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅন্য ঘরে অন্য স্বর – আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    Next Article চিলেকোঠার সেপাই – আখতারুজ্জামান ইলিয়াস

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }