Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    খোয়াবনামা – আখতারুজ্জামান ইলিয়াস

    লেখক এক পাতা গল্প729 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৩৩. মুকুন্দ সাহার দোকানে

    মুকুন্দ সাহার দোকানে কয়েক দিনের বাসি আনন্দবাজার পত্রিকায় হুমড়ি খেয়ে পড়ে লোকজন। কলকাতায় মুসলমানরা হিন্দুদের মেরে সাফ করে ফেললো। সুরাবর্দি নিজে পিস্তল নিয়ে বেরিয়েছে হিন্দু মারতে। সতীশ মুক্তারের গলাটা ঘ্যারঘারে হলেও আনন্দবাজার পত্রিকা জোরে জোরে পড়ে মন্তব্য করার দায়িত্বটা পালন করতে হয় তাকেই। তবে তার সাটাসাটি শুনে বৈকুণ্ঠের তেমন উত্তেজনা হয় না, এইসব মানুষের রাগ করার ক্ষমতাও তার জানা আছে। এই সময় দরকার ভবানী পাঠকের মতো তেজি সন্ন্যাসীর, পাঠান সেনাপতিকে নিয়ে সুরাবর্দি একশোটাকেও সে ঠিক সাফ করে ফেলতে। পারে। আজ সন্ধ্যার পর পোড়াদহে তার থানে বৈকুণ্ঠ গিয়ে একবার বসবে।

    বেশ এক পশলা বৃষ্টিতে ভাদ্রের গুমোটটা ধুয়ে গিয়ে বিকালবেলা ঝকঝক করে উঠলে গাল ভরা জর্দা দেওয়া পান নিয়ে বৈকুণ্ঠ কাদেরের ঘরে গেলো কেরামতের গান শুনতে।

    কিন্তু কাদেরের দোকানে আজ সুরের লেশমাত্র নাই। কাদেরের চেয়ারে বসে রয়েছে। আবদুল আজিজ। চোখজোড়া তার লাল, দাড়ি-না-কামানো গালে দাড়ির ছোটো ছোটো কাঁটার গোড়ায় গোড়ায় কাঁপুনিতে তাকে অচেনা ঠেকে। বৈকুণ্ঠকে দেখে কেউ কেউ তার দিকে তাকায় চোখ পাকিয়ে এবং কয়েকটা ছেলে হঠাৎ করে চেঁচিয়ে ওঠে, লড়কে লেঙে পাকিস্তান।

    আবদুল কাদের বলে, বৈকুণ্ঠ, তুই যা, এখন যা। পরে আসিস।

    বৈকুণ্ঠ একটু সরলেও দরজায় দাঁড়িয়ে থাকে এবং শোনে, কলকাতায় হিন্দুদের হাতে খুন হয়েছে আবদুল আজিজের সম্বন্ধী আহসান আলি। আহসানের সঙ্গে ছিলো আজিজ নিজে। সে কোনোমতে প্রাণ নিয়ে পালিয়ে এসেছে। কলকাতার ময়দানে সেদিন মুসলিম লীগের মস্ত মিটিং; মিটিং থেকে ফেরার সময় হিন্দুরা তাদের হামলা করলে সম্বন্ধীর হাত ধরে আজিজ দৌড় দেয়। মিটিঙেই ওরা শুনেছিলো, শহরে অনেক জায়গায় দাঙা লেগে গেছে। সভা শেষ হওয়ার আগেই তারা বেরিয়ে পড়েছিলো। ধর্মতলা পর্যন্ত আসতেই দেখা গেলো, দোকানপাট সব লুট হচ্ছে। একটা হিন্দু দোকানের সামনে দাঁড়াতে চাইছিলো আজিজ, কিন্তু আহসানই তাকে টেনে নিয়ে যায় সামনে। তালতলার কাছাকাছি এলে এক মুসলমান দোকানে তারা উঠতে যাচ্ছে, এমন সময় কয়েকটা হিন্দু আহসানের পেটে বসিয়ে দিলো ছুরির ফলা। আহসান সঙ্গে সঙ্গে মাটিতে পড়ে গেলো। আজিজকে নিজের দোকানে টেনে নেয় এক হিন্দু দোকানদার। সেখান থেকেই সে দেখলো, আহসানের বুকে ছুরির আরো কয়েকটা ঘা বসিয়ে দিয়ে গুণ্ডারা পাকড়াও করলো ১৪/১৫ বছরের এক পানবিড়ির দোকানদারকে। আজিজ সেখানে কী করতে পারে? তাকে নিজের দোকানে আলমারির পেছনে পুরো দুটো দিন দাঁড় করিয়ে রেখে ঐ হিন্দু দোকানদার রাস্তায় ছেড়ে দেয়। আজিজ এইসব বলে আর হাঁপায়। কলকাতায়। দাঙা হবে কে জানতো? আজিজ গিয়েছিলো আহসানের দোকানের জন্যে মাল কিনতে। ১৬ তারিখে কলকাতায় সব বন্ধ, কেনাকাটা তো কিছুই হলো না। ভেবেছিলো পরদিন বাজার থেকে মাল কিনে রাত্রে দার্জিলিং মেলে ফিরবে। আহসান শান্তাহারে নেমে ধরবে মিটার গেজের ট্রেন আর আজিজ চলে যাবে জয়পুর। তা আল্লা তার কপালে যে এই রেখেছে তা জানতো কে? শেষে কলুটোলায় এক দর্জির দোকানে কয়েকটা দিন কাটিয়ে আজিজ আজ টাউনে পৌঁছেছে দুপুরবেলা। শ্বশুরবাড়িতে কোনোমতে খবরটা দিয়ে। টমটম নিয়ে বাড়ি এসেছে। তার বৌ এখন বাড়িতে, বৌকে খবরটা দিতে সাহস হচ্ছে না বলেই আজিজ হাটে এসে বসে রয়েছে। সে তেমন কথাও বলতে পাচ্ছে না, তার সম্বন্ধীর খুন হওয়ার বিবরণ গফুর কলু এমনভাবে ছাড়ে যে, মনে হয় সে নিজে ঐ হাঙ্গামায় রীতিমতো অংশ নিয়েছে। তার বর্ণনা শুনতে শুনতে আবদুল আজিজ হঠাৎ ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদতে শুরু করে, এই কান্না কতোটা সম্বন্ধীর শোকে আর কতোটা সম্বন্ধীর বোনের ভয়ে তা জরিপ করা মুশকিল হলেও তা সাড়া তোলে কাদেরের তরুণ কর্মীদের শরীরে। একজন বলে, কাঁদেন কেন? শোধ নেওয়া হবে। আবদুল কাদের বৈকুণ্ঠকে ধমক দেয়, বৈকুণ্ঠ, তুই গেলু না? ঘরত যা।

    বৈকুণ্ঠ নড়বে কি, তার সামনে ত বন ঝুলছে সন্ন্যাসীর হাতের খাঁড়া। আবদুল আজিজের সম্বন্ধীকে সে কয়েকবার দেখেছে, টকটকে ফর্সা গায়ের রঙ আর টিকালো। নাক দেখে কে বলবে, এ বামুনের ঘরের ছেলে নয়? আর ব্যবহার কতো ভালো, তাকে বলতো বৈকুণ্ঠবাবু; সাহার দোকানের কর্মচারী বলে কখনো হেলা করে নি। খুব পান খেতো, জর্দাও খেতো একই মার্কার। একবার খুশি হয়ে নিজের জর্দার কৌটা জোর করেই দিয়ে দিলো বৈকুণ্ঠের হাতে, বললো, আরে টাউনে এই জর্দা তো যখন তখন পাই। আপনে রাখেন।—তো সেই মানুষকে খুন করলো কারা গো? ঐ খুনীদের ঘাড়ের ওপর ভবানী সন্ন্যাসীর খাড়া যদি নেমে না আসে তো সেটা সন্ন্যাসীর হাতে রেখে কী লাভ? সে কি কেবল মাগীমানুষের গয়না হয়ে হাতে ঝুলবে? মুকুন্দ সাহার দোকানে কয়েকদিন থেকেই সে শুনে আসছে, কলকাতায় খুব দাঙা চলছে। মোসলমানরা হিন্দু। মেয়েদের ধরে নিয়ে যাচ্ছে নিজেদের ঘরে, আর হিন্দু পুরুষমানুষগুলোকে কচুকাটা করছে। তা মোসলমান জাত শালারা বড়ো মাথাগরম, শালাদের খাওয়াদাওয়ায় বাছবিচার নাই, এর এটো সে খায়, পুরুষগুলো আছে খালি বিয়ের তালে। কিন্তু আবদুল আজিজের সম্বন্ধী, আহা কী সুন্দর ছেলেটা, এভাবে খুন হবে কেন? বৈকুণ্ঠের মাথাটা এলোমেলো হয়ে যায়। তার খুনীদের ওপর সন্ন্যাসীর খাড়াটিকে ঝুলতে দেখার জন্যে সে ওখানে ঠায় দাঁড়িয়ে থাকে। সন্ন্যাসী এই এলো বলে। পাছে সে চোখের আড়াল হয় এই ভয়ে বৈকুণ্ঠ এক পা নড়ে না।

    তার পিঠে হাত রেখে আবদুল কাদের তাকে একরকম ঠেলে বাইরে নিয়ে যায়। মুকুন্দ সাহার দোকানে তাকে ঢুকিয়ে বারান্দা থেকে চিৎকার করে, মুকুন্দবাবু, আজ রাতটা আপনারা ঘরের ভেতর থাকবেন। চিন্তার কারণ নাই। তবু বাইরে না বারানোই ভালো। কলকাতায় মোসলমান মারার খবর পায়া চ্যাংড়াপ্যাংড়া একটু চেত্যা আছে। তা আমাদের ওয়ার্কাররা হাটের মধ্যেই থাকবি, ভয় নাই।

    মুসলিম লীগের কর্মীরা হাটে থাকবে শুনে মুকুন্দ সাহার ভয় বাড়ে। কলকাতার খবর সে কম রাখে না। কাদের তো পড়ে দৈনিক আজাদ, সতীশ মুক্তার সবসময় বলে অজাত। মুক্তার লেখাপড়া জানা বামুন, ঠিকই বলে, শালা মোসলমানরা ভাষা পর্যন্ত লিখতে জানে না ঠিকমতো, আবার কাগজ হাঁকায়। মুখের হাতে ভুলভাল ভাষায় মিছে। কথা ছাড়া আর কী বেরুবে?–আবদুল কাদের চলে গেলে মুকুন্দ সাহা ফিসফিস করে, বৈকুণ্ঠ, দরজার খিল লাগাবু, ছিটকিনি দিবু, বাঁশের ঊশাটাও লাগায়া দিস। তারপর ধানের বস্তা দরজার সামনে এনে বলে, এই দুইটা দরজার সাথে ঠেস দিয়া রাখিস। যে শালাই আসুক, দরজা খুলবু না। শাবল থাকলো, ভয় করিস না। আজ হামার বাড়িত যাওয়াই লাগবি। বাড়ি খালি। হরিপদ থাকলে কয়েকদিন আগে মৃত ভাইপোর কথা মনে পড়ায় তার গলা ভারী হয়ে আসে। তবে ঘর থেকে নামতেই তার পা হয়ে আসে খুব হালকা, তাড়াতাড়ি চলে যায় বাড়ির দিকে।

    লণ্ঠনের আলোয় বৈকুণ্ঠ বিছানা পাতে ঘরের কোণে তক্তপোষের ওপর। ঘুমের ঘোরে খাড়া হাতে সন্ন্যাসীকে তৎপর দেখার লোভেই হোক আর হঠাৎ-নামা টিপটিপ বৃষ্টির সঙ্গে চেরাগ আলির গান শোনার সখেই হোক, কিংবা চোখ জুড়ে ঘুম নেমেছিলো বলেই হয়তো বিছানায় শোবার সঙ্গেসঙ্গে বৈকুণ্ঠ ঘুমিয়ে পড়ে। তার ঘুমোবার সুযোেগ নিয়ে দরজায় ঠেস দিয়ে রাখা বস্তা দুটোয় ঢুকে পড়ে ইঁদুর! তাদের ব্যস্ত চলাচলের শব্দে জেগে উঠে বৈকুণ্ঠ সারা ঘরে ভালো করে ঘুরে ঘুরে দেখে। না, কোথায় ইঁদুর! বৃষ্টি বোধহয় থেমে গেছে, টিনের চালে এখন আর টুপটাপ আওয়াজ নাই। বিছানায় ঘুমোলে বৈকুণ্ঠ ফের শোনে, এই শুরু হলো ইদুরের উৎপাত। এদিকে কারা যেন আলো জ্বালিয়ে দিয়েছে, এতেও শালা ইদুরের আসাযাওয়া এতোটুকু কমে না। ধানের বস্তা সব সাফ করে ফেললো। তারপর আলো বাড়তে থাকলে ইঁদুর আর থাকে না। কিন্তু এতো হ্যাজাক জ্বলে কেন? এসব কিসের আলো? এতো মানুষ মশাল নিয়ে এসেছে কেন? এতো আলো, এতো লোকজন দেখেও, তার মাথায় টোপর দেখেও চেরাগ আলি গম্ভীর হয়ে থাকে। কী হলো? ও ফকির, কথা কও না কিসক? তার ব্যাকুলতায় ফকির একটু হাসে, বলে, তোর বিয়া, তুই বুঝিস না? তা তার বিয়েতে ফকিরের এমন মন খারাপ করার কী হলো? বিয়া হলে কি আর হামাগোরে সাথে তুই থাকবু, না তোক থাকবার দিবি? বলতে না বলতে তার হাতের দোতরার টুংটাং আওয়াজে বেজে ওঠে :

    নওশা সাজে আপনারে দেখি মুসা হাসে।
    শুনিয়া মজনুর মুখে বেদনা পরকাশে।।
    শাদিতে মিলন শাদি পরম মিলন।
    পরম মিলনে ছিন্ন হয় নিজ জন।।

    ফকিরের খটখটে কথায় বৈকুণ্ঠের ঘুম ভেঙে যায়, তার গা ছমছম করে। বিয়ের স্বপন দেখা ভালো কথা নয়। ফকির তো সেই কথাই জানিয়ে গেলো। এখন প্রথম জানালো, না-কি আগেও এই শোলোক সে কখনো বলেছে? একবার তমিজের বাপের কাছে গেলে হতো, অনেক করে ধরলে সে নিজে কিংবা কুলসুম এই স্বপ্নের একটা বৃত্তান্ত ঠিক বলে দেবে।

    ক্যা রে, বৈকুণ্ঠ, আয় ঘরত আয়। বৈকুণ্ঠের গলা শুনে তাকে আদর করে ঘরে ডেকে তমিজের বাপ বিছানা ছেড়ে ওঠে। ঢুকতে ঢুকতে বৈকুণ্ঠ বলে, স্বপনের মধ্যে ফকির আসিছিলো, শোলোক কয়া গেলো। মনে হলো, তোমার কাছে বিত্তান্তটা শূন্যা লেই।

    তমিজের বাপ ধীরেসুস্থে উঠে ডোবার দিকে যায়, তার কোনো তাড়া নাই। তাড়া দেয় বরং কুলসুম, তুমি এটি আসো কোন আক্কেলে? কামারপাড়ার সোম্বাদ শোনো নাই?

    না তো।–রাত্রিবেলা কামারপাড়ায় কারা যেন আগুন লাগিয়ে এসেছে। তারা সব চিৎকার করতে করতে যায় এবং আগুন লাগিয়ে ঐভাবে নারায়ে তকবির, আল্লাহ আকবর বলতে বলতে ফেরে। তবে কামাররা একজোট হয়ে আবার বন্দে মাতরম চিৎকার করতে করতে তাদের তাড়া করে। কামারের ঘরে তো আর অস্ত্রের অভাব নাই, তাই হামলাটা তাদের ওপর বেশিক্ষণ চালানো যায় নি। এই পর্যন্ত বলতে কুলসুম বেশি সময় নেয় না। বৈকুণ্ঠ কেবল জিগ্যেস করে, আগুন ধরাছিলো কী দিয়া?

    কুলসুম তা জানবে কোত্থেকে? গলা একেবারে খাদে নামিয়ে ফিসফিস করে সে কেবল জানায়, মানুষ গেছিলো এই পাড়া থ্যাকা। কালাম মাঝির ঘরত কাল মেলা মানুষ জড়ো হছিলো। তামান রাত কথাবার্তা শোনা গেছে। তমিজের বাপোক ডাকে নাই। তাই ঘুম পাড়িচ্ছিলো, একবার বুধা বুঝি ডাক দিলো, হামি শুনলাম কালাম মাঝি কচ্ছে, দূর ঐ বোগদাটাক লিয়া কী হবি? তোমরা যাও।

    ডোবা থেকে ফিরে উপুড় হয়ে লুঙির কোঁচড়ে মুখ মুছতে মুছতে তমিজের বাপ বলে, উগলান থো। তুই ক বৈকুণ্ঠ, কী দেখলু ক।

    কিন্তু মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে দেখা স্বপ্ন বলতে বৈকুণ্ঠের এলোমেলো হয়ে যায়। একবার বলে, টিনের চাল থেকে ইঁদুর পড়ছিলো টপটপ করে, ধানের বস্তায় ঢুকে তারা ধান সব খেয়ে ফেলেছে। তারপর অনেক মশাল জ্বলতে দেখে সে চেরাগ আলিকে জিগ্যেস করে, এতো আলো কিসের? চেরাগ আলি বললো, এসব হলো বৈকুণ্ঠের বিয়ের আতসবাজি। তারপর কী একটা শোলোক বললো, এখন সেটা আর মনে পড়ছে না। নিজের বিয়ের স্বপ্নের কথা কুলসুমের সামনে বলতে তার কেন যেন বাধো বাধো ঠেকে। মানুষের স্বপ্নের বৃত্তান্ত শোনার খাই এই ছুঁড়িটার কখনো গেলো না। দাদার আমলে ছিলো যেমন, এখনো তেমনি আছে। দাদার ধাতই পেয়েছে, স্বপ্নের কথা শুনতে হলে পয়সা চাই তার। এখন কেমন বেহায়ার মতো বলে ফেললো, শোনো, ইগলান কাম পয়সা ছাড়া হয় না। দাদা কম করা হলেও একটা কানা পয়সা না লিয়া খাবের তাবির কয় নাই। তমিজের বাপ তাকে হাত তুলে চুপ করতে বললে ভেতরের উঠানে যেতে যেতে সে গজর গজর করে, মানুষটাক গাঁও পার করা দিয়া আসো গো, অক তো মারবিই, তোমার ঘরতও আগুন দিবি।

    কুলসুমের এসব কথায় বৈকুণ্ঠের স্বপ্নের বিবরণ ফের উল্টাপাল্টা হতে থাকে। কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে বলে, ইন্দুরে ধানের বস্তাত ঢুকা খালি খুটখাট করিচ্ছিলো। তারপরে–।

    কুলসুমের বিড়বিড় বকা হঠাৎ ছন্দ পায়,

    ইন্দুরে খাইলো ধান বড়ো কুফা বাত।
    জানিয়া রাখিও বান্দার কমিলো হায়াৎ।।

    কুলসুমের একটিমাত্র শোলোকে বৈকুণ্ঠের সারা রাতের স্বপ্নই মনে পড়ে। প্রথম থেকে সে সব বলে আর চেরাগ আলির বই সামনে রেখে তমিজের বাপ একটা কাঠি দিয়ে মাটিতে চৌকা চৌকা দাগ কাটে। এর মধ্যে কালাম মাঝির বাড়ি থেকে শোর শোনা যায়, আজ শালা হাতিয়ার লিয়া যামু। মালাউন এটি একটাও রাখা হবি না। অন্য একটি ভারী গলায় কে বলে, আজ শালা লায়েবেক ধরা হবি। শালা হামাগোরে মানুষ জ্ঞান করে না। শুনতে শুনতে তমিজের বাপের কোনো প্রতিক্রিয়া হয় কি-না বোঝা মুশকিল। মাটিতে আঁকিবুকি কাটা তার অব্যাহত থাকে।

    ক্যা গো তমিজের বাপ, ও চাচা ও তমিজের বাপ চাচা। শমশেরের গলা শুনে। একটু চমকে উঠলেও তমিজের বাপ তাকে ভেতরে ডাকে।

    শমশের দরজায় দাঁড়িয়ে বলে, মণ্ডলের, বড়ো বেটা তোমাক খবর দিছে, এখনি যাওয়া লাগবি।

    কিসক? কুলসুম প্রায় তেড়ে আসে, ঐ বাড়িত যাওয়া লাগবি কিসক? যার বেটাক জেলের ভাত খিলাবার পাঠাছে, তাক আবার ডাকে কিসক?

    মণ্ডলের বেটার সম্বন্ধি না শালা না শ্বশুরেক কলকাতাত হিন্দুরা জববা করিছে। খবর পাও নাই? তো আজিজ মিয়ার বৌ বিশ্বাস পায় না। স্বামীক কয়, তুমি হামার ভায়েক ছ্যাড়া পলায়া আসিছো। হামার ভাই মরে নাই। এটা ঠিক ঠিক কবার পারবি তমিজের বাপ। টাউনের মেয়ামানুষ, কাল থ্যাকা খবর শুন্যা খালি বেহুঁশ হয়া যাচ্ছে। তুমি না হয় একবার চলো। তমিজের বাপকে রাজি করাতে সে টোপ দেয়, এই সুযোগে তমিজের কথাটাও না হয় তুলবা। বৈকুণ্ঠের দিকে নজর পড়লে শমশের একটু কাঁচুমাচু হয়, ক্যা গো, তুমি? কলকাতাত বলে হিন্দুরা মোসলমান ধরা ধরা মারিচ্ছে। তুমি বাপু এটি থাকো না, হাটোত যাও, না হয় সাহার বাড়িত যায়া কয়টা দিন থ্যাকা আসো।

    তমিজের বাপ বৈকুণ্ঠকে ছাড়ে না, তুই আমার সাথে চল। তোর খাবের তাবির করা সোজা লয়। এখন চল। ঘুরা আসি।

    মণ্ডলবাড়ি ঢোকার আগেই হামিদার হাউমাউ কান্না তমিজের বাপের বুকে জোরে ধাক্কা মারে। এই মেয়েটার বুক থেকে তার বেটাটা ছিড়ে গেলো এই তো কয়েক মাস আগে। এখন আবার হিন্দুরা কেড়ে নিলো তার ভাইকে। কালাহারের মুনসি এসব দেখে না? কলকাতা অনেক দূরের জায়গা, অতোটা দূরে তার নজর বোধহয় আর যায় না।

    তমিজের বাপকে দেখে শরাফত মণ্ডলের মেজাজ চড়ে যায়, বুড়াটা আবার এই বাড়িত ঢোকে কোন সাহসে? বিল ডাকাতি করিছে, এখন বাড়িত হামলা করবার চাস? শালা নিমকহারাম বুড়া।

    আবদুল আজিজ বিব্রত হয়, ভয় পায় আরো বেশি। তবে বাপের চেয়েও বেশি ভয় তার তমিজের বাপের অভিশাপকে। সে কিছু বলার আগেই আবদুল কাদের বলে, তমিজের বাপকে খবর দিয়া আনা হছে। ভাবি খালি বেহুঁশ হয়া যাচ্ছে। আহসান ভাইয়ের আসল অবস্থাটা যদি তমিজের বাপ কবার পাবে, ভাইজান তাই তাক খবর দিছে।

    বেটার বৌয়ের এসব আদিখ্যেতা শরাফতের অসহ্য ঠেকে। হায়াৎ মওতের মালিক আল্লা। আল্লা মওত দিয়েছে, ছেলেটা মারা গেছে। মুর্দাকে জিন্দা ভাবা, কিংবা মুদাকে জিন্দা করার চেষ্টা করা গুনা। রসুলুল্লী স্বয়ং কারো হায়াৎ মওত নিয়ে আল্লার কাছে তদবির করেন নি। আর কোথাকার কোন শালা তমিজের বাপ, এই বাড়ির নিমক খেয়ে বড়ো হয়ে আবার তারই বিল ডাকাতি করতে যায়, সেই ডাকাতটা আসে মরা মানুষের। তত্ত্বতালাশ করতে। আবার এসব শেরেকি কাম হয় কি-না তারই বাড়িতে। বড়োবেটার বৌ এসে তার জামাতের ইজ্জত নষ্ট করে দিলো। টাউনের মেয়ে, গায়ের রঙ ফর্সা, আবার বৌ হয়ে আসার পর বাড়ির আয় উন্নতিও বেড়েছে, ছেলেমেয়েদের মানুষও করছে ভালো করে। বৌটাকে কিছু কওয়াও যায় না, আবার সওয়াও মুশকিল।

    সুতরাং শাসাতে হয় তমিজের বাপকেই, শরাফত মণ্ডল তার আরেক দোষ ধরে, কাল তোমরা মাঝিপাড়ার মানুষরা আগুন ধরায়া আসিছে কামারপাড়াত। আর বেনবেলা সাথে লিয়া ঘোরো বৈকুণ্ঠক, তোমার মতলবটা কী কও তো? এই চ্যাংড়াটাক

    মারবার ফন্দি করিছো? এ বাপের কথায় কাদের একটু অসন্তুষ্ট, কামারপাড়াত আগুন ধরলো কীভাবে কেউ কবার পারে? কামারের ঘরে তো দিনরাত হাঁপরের আগুন জ্বলেই। হাঁপর থ্যাকাও তো দশরথের চালে আগুন ধরবার পারে। না-কি?

    কাদেরের তেজে একটুখানি জ্বলে ওঠে গফুর কল, কলকাতা মোসলমান মরিচ্ছে কুত্তাবিলায়ের লাকান। আর এটি দশরথ কর্মকারের মরিছে দুইটা গোরু। তা গোরু তো হিন্দুর দেবতা, গোয়ালেত যায়া দেবতাক ছাড়া দিবার পারলো না কিসক, লিজের জানের ভয়ই বেশি হয়া গেলো?

    গোরু ছাড়া থাকলে তুই ধর্যা লিয়া আসবার পারিলিহিনি, না? আরে, তুই হলু কলুর বেটা, গোরু তো তোর জান রে! গোরু ছাড়া গাছ থ্যাকা ত্যাল করবার পারবু? মাঝিগোরে সাথে তুইও গেছিলু? মাঝিপাড়ার ঘাটা না তোর জন্যে বন্ধ করা হছে?

    বাপজান। সংযম রাখা কাদেরের পক্ষে কঠিন হয়ে পড়ে, আজ হিন্দুর হাতে মার খাচ্ছে সব জাতের মোসলমান। মোসলমানের আবার জাত কী? কিন্তু হিন্দুরা কলকাতায় কি কোনো মোসলমানকে বাদ দিচ্ছে, কন? আহসান আলির হত্যাকাণ্ডটি সে বর্ণনা করে প্রায় কাঁদো কাঁদো গলায়। মরার আগে সে এক ফোঁটা পানি খেতে চাইলে হিন্দু গুণ্ডা তার মুখে পেচ্ছাব করে দিয়েছিলো। হিন্দু মেয়েরা পর্যন্ত বাড়ির ছাদ থেকে লাঠিসোটা এগিয়ে দিচ্ছিলো। তার উত্তেজনায় শরাফত মণ্ডল নরম হয়, কিন্তু বাপু আজিজের জানটাও তো বাঁচলো হিন্দু দোকানদারের হাতেই। এটাও তো দেখবা।

    সে রকম তো আমরাও করি। করি না? এই যে বৈকুণ্ঠ গিরি, কাল সন্ধ্যা থ্যাকা কচ্চি, বাপু, একটু হুঁশিয়ার হয়া থাকো। চেনাজানা মানুষ, একে আমরা চিনি, এর জন্যে কি আমাদের মায়ামমতা নাই?

    আর ঐ হিন্দু দোকানদার? শরাফত মরিয়া হয়ে তর্ক করে, আজিজের সাথে ঐ মানুষটার কি চেনাজানা আছিলো?

    আপনে একটা একটা মানুষ ধরা যদি কথা কন তো আর কিছু কওয়া যায় না। কিন্তু এখন উঠিছে জাতের সওয়াল। হিন্দু মোসলমান কাটাকাটি করে দুই জাত হয়।

    একটা একটা মানুষ নিয়েই তো জাত, এই কথাটা বলা শরাফতের বুদ্ধিতে কুলায়। আবার এই সময় আজিজ তমিজের বাপকে ডেকে নেয় বাড়ির ভেতরে, এতেও সে বিরক্ত। বরং এতেই বেশি অসন্তুষ্ট হয়ে সে বড়ো বেটাকে বলে, দেখো, বাপু, বাড়ির ভেতরে পর্দার দিকে খেয়াল রাখো।।

    কিন্তু ততোক্ষণে তমিজের বাপ ভেতরের উঠানে গিয়ে বসে পড়েছে তার দাদাশ্বশুরের ভেঁড়াখোড়া বই আর একটা কঞ্চি নিয়ে। এই বাড়ি পাকা হবার পর সে ভেতরে ঢুকলো এই প্রথম। উঁচু পাকা বারান্দায় জলচৌকিতে বসে রয়েছে হামিদা, পাশে শরাফতের দুই নম্বর বিবি। হামিদার মাথার ঘোমটা তার কপালের ওপরেই ওঠানো। কাঁদতে কাঁদতে সে যা বলে তা পরিষ্কার করে বুঝিয়ে দেয় তার সৎশাশুড়ি। হামিদার মতো তারও বিশ্বাস, আহসান আলি মরে নি। হিন্দুরা তাকে হয়তো কোথাও লুকিয়ে রেখেছে, কিংবা সে পালাতে গিয়ে আটকা পড়েছে কোথাও।

    তমিজের বাপ উঠানে বসে নানারকম দাগ কাটে, বিড়বিড় করে কী বলে, বইটা দেখে, তারপর রায় দেয়, কুটি আছে এখন কওয়া যাচ্ছে না। মরলে তো–।

    কই নাই? হামি কই নাই? হামিদা এমনভাবে চেঁচিয়ে ওঠে যে, তমিজের বাপ তার ভাইয়ের জীবিত থাকার কথা ঘোষণা করলো। ফেঁপাতে ফোঁপাতে সে বলে, গত–কয়েকদিন ধরে বাড়ির পশ্চিমদিকে খালি কাক ডাকে, খালি কাক ডাকে। তখনই তার মনে হয়েছে, কোথাও কী সর্বনাশ হচ্ছে। কিন্তু মিয়াভায়ের কথাটা তার একবারো মনে হয় নি। তবে তার মিয়াভাই নামাজরোজা করা মানুষ, সে অপঘাতে কখনোই মরতে পারে না। হাজার হলেও সে হলো টাউনের লোক, কলকাতায় চলাফেরায় সে কি আবদুল আজিজের চেয়ে অনেক বেশি পারঙ্গম নয়? তমিজের বাপ তো দুনিয়ার আর আখেরাতের অনেক কথা জানে। সে কি একটু গোনাগাথা করে মিয়াভাইয়ের এখনকার অবস্থাটা বলে দিতে পারে না?

    তমিজের বাপ উঠতে উঠতে বলে, অমাবস্যার আগে আর কিছু কওয়া যাবি না।

    অমাবস্যার রাতে কাৎলাহার বিলের উত্তর সিথানে পাকুড়তলায় মুনসির দেখা পাওয়ার সম্ভাবনাটা বাড়ে। এ তো সবাই জানে। আজিজের কেমন ভুলোলা লাগে, সম্বন্ধীকে সে কি সত্যি একেবারে মরে যেতে দেখেছে? তাকে মেরে কি নালার ভেতর ফেলে দিতে দেখলো? তা অমাবস্যার সময় না হয় তমিজের বাপকে আরেকবার ধরা যাবে। তার তো এখনো দিন বিশেক বাকি।

    সন্ধার আগেই আজিজ তার বৌকে টমটমে উঠিয়ে নিয়ে গেলো টাউনে। সেখানে তার শ্বশুরবাড়িতে বৌকে রেখে সে চলে যাবে জয়পুর। বাবরটা একা পড়ে আছে সেখানে। ছেলেকে নিয়ে সপ্তাহখানেক পর সে ফের শ্বশুরবাড়ি আসবে। ঐ সময় বাড়িতেও এক পাক ঘুরে যাবে। এইসব ঝামেলায় ইটখোলায় লোকসান হচ্ছে। মুকুন্দ সাহাকে কয়েক হাজার ইট দেওয়ার কথা। তাকেও কিছু বলার সময় পাওয়া গেলো না।

    বেটা বেটার বৌ চলে গেলে খড়ম পাল্টে পাম্পসু পায়ে শরাফত মণ্ডল রওয়ানা হয় কামারপাড়ার দিকে। যুধিষ্ঠির এবার তার জমিতে বর্গা করে আউশ ফলালো, কামারের হাতে খন্দ মন্দ হয় নি। কিন্তু কাল তো আগুনে তার দুটো গোরুই পুড়ে মরেছে। এবার তাকে বর্গা করতে দেয় কী করে সেই ভাবনায় মণ্ডল বেশ কাতর।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅন্য ঘরে অন্য স্বর – আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    Next Article চিলেকোঠার সেপাই – আখতারুজ্জামান ইলিয়াস

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }