Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    গডফাদার – মারিয়ো পুজো

    মারিও পুজো এক পাতা গল্প932 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ২.৪ জ্যাক ডেম্পসির রেস্তোরাঁ

    ০৪.

    ব্রডওয়েতে, জ্যাক ডেম্পসির রেস্তোরাঁর সামনে দাঁড়িয়ে গাড়ির জন্যে অপেক্ষা করছে মাইকেলরিস্টওয়াচ দেখল ও, আটটা বাজতে পাঁচ মিনিট বাকি। ঠিক সময় মতই আসবে সলোঁযো! ইচ্ছা করেই হাতে একটু বেশি সময় রেখেছে মাইকেল। প্রায় মিনিট পনেরো হলো এখানে অপেক্ষা করছে ও।

    লং বীচ থেকে শহরে আসার পথে হেগেনকে বলা ওর কথাগুলো ভুলতে চেষ্টা করেছে মাইকেল, কারণ যা সে বলেছে তা যদি বিশ্বাস করে থাকে তাহলে দুড়ে দেয়া একটা ঢিলে পরিণত হয়েছে তার জীবন, অপ্রতিহত গতিতে এখন শুধু ছুটে যাওয়া, থেমে যাবার উপায় নেই। আজ রাতের পর অন্য আর কিছু আশা করা যায় কি? এসব আজেবাজে চিন্তা মাথা থেকে না সরালে আজ রাতে ওর মৃত্যুও হতে পারে, গভীরভাবে ভাবল মাইকেল। সামনে একটা গুরুত্বপূর্ণ কাজ রয়েছে, যেটা সম্পূর্ণ মনোযোগ দাবি করে। নিষ্প্রাণ পুতুল নয় সলোযো, আর ক্যাপ্টেন ম্যাকক্লাস্কিকেও হালকা ভাবে নেয়া উচিত হবে না। তার দিয়ে বাঁধা চোয়ালে ব্যথা অনুভব করছে, ব্যথাটাকে স্বাগত জানাল ও, এর জন্যেই সজাগ থাকতে হবে তাকে।

    থিয়েটার ভাঙার সময় হলেও ঠাণ্ডা শীতের রাতে তেমন ভিড় নেই ব্রডওয়েতে। লম্বা কালো একটা গাড়ি ফুটপাথের কিনারা ঘেঁষে থামতেই কুঁকড়ে উঠল মাইকেল। দরজা খুলে বাইরের দিকে ঝুঁকে ড্রাইভার বলল, উঠে এসো, মাইক। ড্রাইভারকে চেনে না মাইকেল। ছোকরা রঙবাজের মাথায় একরাশ কালো চুল, গায়ে বুক খোলা শার্ট, তবু গাড়িতে উঠল মাইকেল। তারপর দেখল পিছনের সীটে বসে রয়েছে ক্যাপ্টেন ম্যাককুাস্কি আর সলোযো।

    সীটের উপর দিয়ে হাত বাড়িয়ে দিল সলোযো, হ্যাণ্ডশেক করল মাইকেল। স্থির, গরম, শুকনো একটা হাত। তুমি এসেছ, সেজন্যে আমি খুব খুশি হয়েছি, মাইক, বলল সলোযো। আশা করি আমরা সব মিটিয়ে ফেলতে পারব। গোটা ব্যাপারটা সাংঘাতিক এক পর্যায়ে চলে গেছে, পরিস্থিতি যে এরকম দাঁড়াবে তা আমি আদৌ ভাবিনি, চাইওনি। আসল কথা, এমনটি হওয়া উচিত হয়নি।

    অত্যন্ত শান্তভাবে বলল মাইকেল, আমিও আশা করি আজ রাতে সব ঠিক করে ফেলা যাবে। বাবাকে আবার বিরক্ত করা হোক তা আমি চাই না।

    তাকে আর বিরক্ত করা হবে না, আন্তরিকতার সাথে বল সনোযো। মিথ্যে কথা বললে আমার ছেলে মেয়েদের মাথা খাব, তাকে আর বিরক্ত করা হবে না। আলোচনার সময় তুমি শুধু মনটাকে ভোলা রেখো। আশা করি সনির মত তোমারও মাখাটা গরম শ্ম। ওর এত রাগ যেকোন কাজের কথা তোলাই সম্ভব নয়।

    ভারি, হেঁড়ে গলায় ক্যাপ্টেন ম্যাকক্লাস্কি বলল, ছেলে হিসেবে এটি খুব ভাল, এর ব্যাপারে কোন চিন্তা নেই। সামনে একটু ঝুঁকে সস্নেহে মাইকলের কাঁধ চাপড়ে দিল সে। সেদিনের ঘটনার জন্যে আমি দুঃখিত, মাইক। এই কাজের জন্যে একটু বোধহয় বেশি বুড়ো হয়ে গেছি, মেজাজ ঠিক রাখতে পারি না। সভবত তাড়াতাড়ি অবসর নেয়া উচিত আমার। ঝামেলা একেবারেই সহ্য হয় না, সুখচ একের পর এক ঝামেলা লেগেই আছে। বোঝোই তো কি রকম.জালা! এরপর হতাশ ভঙ্গিতে একটা মস্ত দীর্ঘশ্বাস ফেলে খুব ভালভাবে সার্চ করে দেখে নিল সে মাইকেলের কাছে কোন অস্ত্র আছে কিনা।

    ড্রাইভারের মুখে মৃদু একটু হাসি লক্ষ করল মাইকেল। পশ্চিম দিকে যাচ্ছে ওরা, ভাব্য অনুসরণকারীকে খসিয়ে ফেলার কোন চেষ্টা লক্ষ করছে না মাইকেল। নানা ধরনের যানবাহনের মাঝখান দিয়ে ওয়েস্ট সাইড হাইওয়ে ধরে ছুটছে গাড়ি। কেউ পিছু নিয়ে থাকলে তাকেও এই রাস্তা ধরেআসতে হবে। হঠাৎ মন খারাপ হয়ে গেল মাইকেলের, কারণ জর্জ ওয়াশিংটন ব্রিজে ঢোকার পথটা ধরেছে গাড়ি। নিউ জার্সির দিকে যাচ্ছে ওরা। আলোচনায় বসার জায়গা সম্পর্কে যে খবর পেয়েছিল সনি সেটা তা হলে ভুয়া খবর ছিল! ভাবছে মাইকেল।

    ব্রিজ পেরিয়ে এল গাড়ি, পিছনে পড়ে রইল আলোক মালায় সাজানো শহর। মুখের চেহারায় নির্বিকার একটা ভাব ফুটিয়ে রেখেছে মাইকেল। দূরে কোথাও নিয়ে গিয়ে ওরা তাকে পানিতে চুবিয়ে মেরে ফেলবে নাকি।ভাবছে ও। নাকি শেষ মুহূর্তে জায়গা বদল করেছে সলোযো? কিন্তু রাস্তার প্রায় সবটা পেরিয়ে এসে হুইল ধরে মোচড় দিল ড্রাইভার। শহরে ফিরে যাবার লেনগুলোকে আলাদা করে রেখেছে যে বেড়াটা সেটার সাথে ধাক্কা খেয়ে শূন্যে লাফিয়ে উঠল ভারি গাড়িটা, প্রচণ্ড ঝাঁকি খেয়ে ফিরতি পথে ছুটতে শুরু করেছে। ঝট করে ঘাড় ফিরিয়ে পিছন দিকে তাকাল সোযযা আর ম্যাকাস্কি। ওদের মত আর কেউ বেড়া ডিঙাবার চেষ্টা করছে কিনা দেখছে। আবার নিউ ইয়র্কে ফিরিয়ে নিয়ে যাচ্ছে ড্রাইভার ওদেরকে। ঝড়ের বেগে ছুটছে গাড়ি। ব্রিজ পেরিয়ে বাক নিয়ে এখন ইস্ট ব্রঙ্কসের দিকে যাচ্ছে। রাস্তাটা এদিকে ছোট, বোঝাই যাচ্ছে কেউ পিছু নেয়নি। ইতিমধ্যে প্রায় নটা বেজে গেছে। ম্যাকক্লাস্কি, আর মাইকেলকে সিগারেট অফার করল সলোযো, কিন্তু ওরা কেউ নিল না, সে একাই ধরাল একটা। ড্রাইভারকে বলল, দারুণ দেখিয়েছ, ব্যাপারটা আমার মনে থাকবে।

    দশ মিনিট পর ইতালীদের পাড়ায় ছোট একটা রেস্তোরাঁর সামনে থামল গাড়ি। রাস্তাটা একেবারে ফাঁকা, রাত হয়েছে, ভিতরেও মাত্র কয়েকজন লোক ডিনার খাচ্ছে। ড্রাইভারও ওদের সাথে ভিতরে ঢুকবে কিনা ভেবে দুশ্চিন্তা হচ্ছে। মাইকেলের। কিন্তু গাড়িতেই থেকে গেল সে। মধ্যস্থতাকারী লোকটা বা আর কেউ ড্রাইভারের উপস্থিতি সম্পর্কে কিছু বলেনি। নিয়মের কথা উঠলে, ড্রাইভারকে নিয়ে এসে চুক্তি ভেঙেছে সোয়য়া। মাইকেল সিদ্ধান্ত নিল প্রসঙ্গটা তুলবে না সে, জানে, না তুললে ওরা ভাববে ভয় পেয়েছে সে আলোচনা ভেঙে যাবার ঝুঁকি নিতে।

    কেবিনে বসতে রাজি হলো না সলোযো, তাই কামরার একমাত্র গোল টেবিলটায় বসল ওরা তিনজন। এখন আর মাত্র দুজন লোক আছে রেস্তোরাঁয়। মাইকেল ভাবছে, এরা সোযোরই লোক কিনা। তা হলেও কিছু এসে যাবে না, ওরা নাক গলাবার আগেই ঝামেলা চুকিয়ে ফেলবে সে।

    এখানের ইতালীয় খাবার নাকি খুব ভাল? অকৃত্রিম আগ্রহের সাথে জানতে চাইল ম্যাকক্লাস্কি।

    ভীলটা খেয়ে দেখো, সায় দিয়ে বলল সনোযো, এত ভাল নিউ ইয়র্কের কোথাও পাবে না।

    একজন মাত্র ওয়েইটার, ওদের জন্যে ওয়াইন নিয়ে এসে বোতলের ছিপি খুলে দিল সে, তিনটে গ্লাসে মদ ঢালল। আমিই বোধহয় একমাত্র আইরিশ যে মদ ছোঁয় না, বলল ম্যাকক্কাস্কি। মদখোর বহু লোককে বিপদে পড়তে দেখেছি কিনা।

    আবদারের সুরে ক্যাপ্টেনকে বলল সলোয়যা, তোমাকে বিশ্বাস করি না বলে নয়, ইংরেজী ভাষায় আমার ভাল দখল নেই বলে আমি মাইকের সাথে ইতালিয়ানে কথা বলব। আমার উদ্দেশ্যটা যে ভাল সেটুকু অন্তত মাইক বুঝুক, এই চাই আমি। আজ রাতে আমরা একটা রফা করে ফেলতে পারলে তাতে সবারই মস্ত সুবিধে হয়ে যাবে। তুমি কিন্তু অপমানিত বোধ কোরো না। ভেব না যে তোমাকে আমি অবিশ্বাস করি।

    শুকনো হেসে ক্যাপ্টেন ম্যাকক্লাস্কি বলল, অবশ্যই, তোমরা শুরু করে দাও, আমি বরং ভীল আর স্প্যাগেটির দিকে একটু নজর দিই।

    দ্রুত একনাগাড়ে সিসিলীয় ভাষায় মাইকেলকে বলতে শুরু করল সোযো, সবচেয়ে আগে বুঝতে হবে তোমাকে যে তোমার বাবার সাথে যাই ঘটে থাকুক আমার, ব্যাপারটা ব্যবসা ছাড়া আর কিছু নয়। তোমার বাবা, ডন কর্লিয়নিকে অত্যন্ত শ্রদ্ধা করি আমি, তাকে সাহায্য করার একটা সুযোগ ভিক্ষা চাই শুধু। কিন্তু এ-কথাও তোমাকে বুঝতে হবে যে উনি বড্ড সেকেলে টাইপের মানুষ। উন্নতির পথে তিনি একটা বাধা। আমার ব্যবসার ভবিষ্যৎ, এক কথায় উজ্জ্বল। এই ব্যবসার তুঙ্গে উঠে যে-কেউ কোটি কোটি ডলার কামাতে পারে। কিন্তু নিজের কিছু অযৌক্তিক সংস্কারের জন্যে তোমার বাবা এই উন্নতিতে বাধা দিচ্ছেন। আর বাধা দিতে গিয়ে তিনি আমার মত লোকজনের ওপর নিজের ইচ্ছাটা চাপিয়ে দিচ্ছেন। হ্যাঁ, হ্যাঁ, জানি, আমাকে তিনি বলেছেন–তোমার ব্যবসা তুমি চালিয়ে যাও। কিন্তু কথাটা যে কতটা অবাস্তব তা আমরা দুজনেই বুঝতে পারি, তাই নয় কি? ব্যবসা চালিয়ে গেলে আমি তার বিরক্তির কারণ হব। আসলে তিনি বলতে চান, এ ব্যবসা আমার করা চলবে না। আমি একজন আত্মমর্যাদাজ্ঞান সম্পন্ন লোক, আরেকজন লোক আমার ওপর তার যা খুশি ইচ্ছা চাপিয়ে দেবে তা আমি হতে দিতে পারি না। এর পরিণতিতে যা হবার তাই হয়েছে। তোমাকে শুধু এটুকু জানাতে চাই যে নিউ ইয়র্কের সবগুলো পরিবার নীরবে সমর্থন করছে আমাকে। আর টাটাগ্লিয়া পরিবার আমার পার্টনার হয়েছে। বুঝতেই পারছ, ঝগড়া যদি চলতেই থাকে, সমস্ত পরিবারগুলোর বিরুদ্ধে একা পঁড়াতে হবে কর্লিয়নিদেরকে। জানি, তোমার বাবা সচল থাকলে সেটা তিনি চাইতেন না। আমি কাউকে কোন রকম অসম্মান করতে চাই না, কিন্তু তবু এ-কথা বলব যে তার বড় ছেলেটি গড ফাদারের মত হয়নি। তাছাড়া, তোমাদের এই আইরিশ কনসিলিয়রি হেগেন কোন দিক থেকেই গেনকো আবানদাণ্ডোর মত নয়, যীশু তার মঙ্গল করুন। তাই শান্তি প্রস্তাব আনছি আমি, যুদ্ধ বিরতির প্রস্তাব আনছি। তোমার বাবা যতদিন না সুস্থ হয়ে উঠে দরকষাকষির দায়িত্ব নিতে পারেন ততদিন বিরোধিতা বন্ধ থাকুক। আমার খাতিরে, আমার জামিনে ব্রুনোর প্রতিশোধ নেবার দাবি ছেড়ে দিতে রাজি আছে টাটাগ্লিয়া পরিবার। আমরা এ-পক্ষরা সবাই শান্তি চাই। আমাদের মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হোক। মাঝখানে শুধু একটা কথা বলতে চাই, আমাকেও তো ব্যবসা করে বেঁচে থাকতে হবে। তোমরা না হয় সাহায্য না করলে, কিন্তু অনুরোধ করছি কর্লিয়নি পরিবার যেন আমাকে ব্যবসা করতে বাধা না দেয়। আমার তরফ থেকে এটাই প্রস্তাব। আপস করার অধিকার তোমাকে দেয়া হয়েছে তা আমি ধরেই নিচ্ছি।

    সিসিলীয় ভাষায় বলল মাইকেল, ঠিক কিভাবে ব্যবসা করতে যাচ্ছেন আপনি তা আরেকটু খোলসা করে বলুন–আমি জানতে চাই, আমাদের পরিবার ঠিক কি ভূমিকা নিতে পারে, আর তাতে লাভের পরিমাণই বা কতটা আশা করা যায়।

    তবে কি তুমি গোটা পরিকল্পনাটা প্রথম থেকে নতুন করে শুনতে চাও? উৎসাহের সাথে জানতে চাইল সলোযো.

    আমার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার একটাই, গম্ভীর মুখে বলল মাইকেল, বাবার প্রাণের ওপর আর কোন হামলা হবে না, এ-ব্যাপারে নিশ্চিত গ্যারান্টি চাই আমি।

    আবেগ ভরা উত্তেজনায় দুই হাত উপরে তুলে বলল সলোযো, আমি কি গ্যারান্টি দেব তোমাকে? আমিই তো শিকার। সুবর্ণ সুযোগটা আমিই তো হারিয়েছি। তুমি আমাকে বড় বেশি সম্মান দেখাচ্ছ, বন্ধু। আমি অতবড় সম্মানের যোগ্য নই।

    নিশ্চিতভাবে এতক্ষণে বুঝতে পারছে মাইকেল, আলোচনার একমাত্র উদ্দেশ্য হলো হাতে কিছু সময় পাওয়া। তার মানে, আরেকবার চেষ্টা করবে সোযো ডনকে খুন করার। সবচেয়ে মজার ব্যাপার হলো শয়তানটা তাকে একেবারে আনাড়ী ছোকরা ভেবে নিয়েছে। আরও একবার সারা শরীরে হিমশীত শিহরণ অনুভব করল মাইকেল। মুখের চেহারায় জোর করে উদ্বেগের ভার ফুটিয়ে তুলল ও।

    সাথে সাথে তীক্ষ্ণ কণ্ঠে জানতে চাইল সলোযো, কি ব্যাপার?

    আড়ষ্ট ভঙ্গিতে বলল মাইকেল, মটা একেবারে আমার রাডারে গিয়ে পৌঁছেছে। কতক্ষণ চেপে রাখা যায়। একবার টয়লেটে যেতে পারলে হত।

    কালো চোখের নিবিষ্ট দৃষ্টি দিয়ে মাইকেলের মুখ দেখছে সলোযো। ঝট করে হাতটা বাড়িয়ে দিল সে, কর্কশ ভাবে মাইকেলের কুঁচকির-চারদিকে হাতড়ে কোন অস্ত্র আছে কিনা দেখে নিল। মুখে রাগের ভাব নিয়ে বসে আছে মাইকেল। ম্যাকক্লাস্কি দ্রুত বলল, দেখেছি আমি। অমন হাজার হাজার পাণ্ডাকে সার্চ করেছি। ওর কাছে নেই কিছু।

    ব্যাপারটা মেনে নিতে পারছে না সলোযো। কোন কারণ নেই, তবু ভাল ঠেকছে না তার। ওদের উল্টোদিকের একটা টেবিলে বসে থাকা একজন লোকের দিকে তাকাল সে, ইঙ্গিতে তাকে টয়লেটের দরজাটা দেখিয়ে দিল। উত্তরে নোকটাও নিঃশব্দে মাথা নেড়ে জানিয়ে দিল যে আগেই সে পরীক্ষা করেছে জায়গাটা, ভিতরে নেই কেউ। অগত্যা অনিচ্ছাসত্ত্বেও মাইকেলকে বলল সলোযো, যাও, কিন্তু বেশি দেরি কোরো না। আশ্চর্য প্রখর ওর অনুভূতি, কিছু একটা ঘটার আশঙ্কায় টান টান হয়ে উঠেছে শরীরের পেশী, ভয়ে ধুকধুক করছে বুকের ভিতরটা।

    উঠে দাঁড়াল মাইকেল। স্বাভাবিকভাবে হেঁটে এগিয়ে যাচ্ছে টয়লেটের দিকে। ভিতরে ঢুকে দেখল প্রস্রাব পাত্রে তারের জালের উপর গোলাপী রঙের এক টুকরো সাবান রয়েছে। বুথে ঢুকল মাইকেল। সত্যি পেচ্ছাব পেয়েছে ওর, টন-টনে একটা মৃদু বেদনা অনুভব করছে তলপেটে। তাড়াতাড়ি কাজটা সারুল ও, তারপর এনামেল দিয়ে পালিশ করা জলাধারের পিছনটা হাতড়াতে শুরু করল। টেপ দিয়ে আটকানো ছোট্ট, ভোতা নাকের পিস্তলটা ঠেকল ওর হাতে। সেটাকে টেনে বের করে আনার সময় মনে পড়ল, ক্লেমেঞ্জা বলেছিল, আঙুলের ছাপ পড়লেও ঘাবড়াবার কিছু নেই। পিস্তলটা কোমরে খুঁজে নিয়ে সেটার উপর কোটের বোতাম এঁটে দিল ও। তার হাত ধুলো, চুল ভিজিয়ে নিল, কলের গায়ে রুমাল ঘষে মুছে ফেলল আঙুলের ছাপ।

    বাথরূমের দরজার দিকে তাকিয়ে বসে আছে সলোযো; কালো চোখ দুটো সজাগ সতর্ক-চকচক করছে। দূরজা খুলে বেরিয়ে এল মাইকেল, সাথে সাথে চোয়াল দুটো শক্ত হয়ে উঠল তার। মাইকেলের অন্তরের অন্তস্তল পর্যন্ত দেখে নিতে চাইছে তার তীক্ষ্ণ চোখের দৃষ্টি।

    একটু হেসে হাঁফ ছাড়ার ভঙ্গি করল মাইকেল। বলল, এখন আর কথা বলতে কোন অসুবিধে হবে না।

    ভীল আর স্প্যাগেটি এসে পৌঁছেছে, পুরোদমে সেগুলোর উপর হামলা চালাতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে ক্যাপ্টেন ম্যাকক্লাস্কি। দেয়াল ঘেঁষে বসে আছে যে লোকটা, এতক্ষণে ঢিল পড়ল তার পেশীতেও।

    নিজের চেয়ারে আবার বসল মাইকেল। ক্লেমেঞ্জা ওকে বসতে নিষেধ করেছিল, মনে আছে ওর। কোন সহজ ত সতর্কবোধ-এর কারণেই হোক বা স্রেফ ভয়েই হোক, নিষেধটা পালন করছে না ও। ওর মনে হচ্ছে তাড়াহুড়োর সাথে কিছু করতে গেলেই ওকে ওরা ধরে ফেলে দুটুকরো করে ফেলবে। তবে এখন তবু অনেকটা নিরাপদ লাগছে নিজেকে। ভয় যে একটু পেয়েছিল তাতে সন্দেহ নেই, কারণ পায়ের উপর দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে না বলে এখন বেশ আরাম লাগছে ওর।

    মাইকেলের দিকে ঘুরে বসল সলোযো। আবার শুরু করল সে।

    টেবিলটা তলপেট আড়াল করে রেখেছে মাইকেলের, কোটের বোতাম খুলে সলোযোর কথা মন দিয়ে শুনতে চেষ্টা করছে ও। কিন্তু কি ছাই বলছে লোকটা, তার একটা হরফও বুঝতে পারছে না। মনে হচ্ছে পাগলের অর্থহীন প্রলাপ বকে চলেছে। শরীরের ভিতর ছুটোছুটি শুরু হয়ে গেছে উত্তেজিত রক্তস্রোতের। ধীরে ধীরে হাত নামাচ্ছে ও, কোমরে গোজা পিস্তলে আঙুল ঠেকতেই দম আটকে এল ওর। তারপর সেটাকে টেনে বের করে আনল। এই সময় ওদের অর্ডার নিতে এল ওয়েইটার। তার সাথে কথা বলার জন্যে মুখ ফেরাল সলোযো। পরমুহূর্তে মাইকেলের বা হাতে বিদ্যুৎ খেলে গেল। এক ধাক্কায় টেবিলটাকে সরিয়ে দিয়ে স্যাঁত করে বাড়িয়ে দিল পিস্তুল ধরা হাতটা, পিস্তলের নলটা প্রায় ছুঁয়ে ফেলেছে সলোযোর মাথা।

    বিস্ময়কর ক্ষিপ্রতার সাথে মাইকেলের হাত নড়ে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে নিজের শরীরটাকে একপাশে সরিয়ে নিতে চেষ্টা করল সে। কিন্তু বয়স কম বলে তার চেয়েও ক্ষিপ্রগতির অধিকারী মাইকেল, সলোযো মাথা সরিয়ে নেবার আগেই পিস্তলের ট্রিগার টিপে দিল ও।

    সলোযোর চোখ আর কানের ঠিক মাঝখানে ফুটো করে উল্টো দিক দিয়ে বেরিয়ে গেল বুলেটটা, ফিনকি দিয়ে বেরিয়ে আসা খানিকটা রক্ত আর খুলির টুকরো হতভম্ব ওয়েইটারের কোটের গায়ে ছিটকে পড়ল। বুঝতে পারছে মাইকেল, সলোযোকে আর গুলি করতে হবে না, একটাই যথেষ্ট।

    শেষ মুহূর্তে মাথা ঘুরিয়েছিল সলোযো, পরস্পরের চোখের দিকে এক সেকেণ্ডের জন্যে তাকিয়েছিল ওরা, তার চোখে প্রাণ প্রদীপের আলো নিভে যেতে দেখেছে মাইকেল-ঠিক যেভাবে মোমবাতির শিখা দপ করে নিভে যায়, সেই রকম স্পষ্ট ভাবে।

    ঘুরে ক্যাপ্টেন ম্যাকক্লাস্কির দিকে পিস্তল তাক করতে এক সেকেণ্ডও লাগল না মাইকেলের। ম্যাকক্লাস্কি সলোযোর দিকে এমন নিরুদ্বেগ বিস্ময়ের সাথে তাকিয়ে আছে যেন, ব্যাপারটার সাথে তার কোন সম্পর্কই নেই। নিজের বিপদ হতে পারে তা সে বিশ্বাস করছে না, তাই তাকে একটুও বিচলিত দেখাচ্ছে না। মাংস গাঁথা কাঁটা চামচটা এখনও ধরে রয়েছে, এইমাত্র চোখ দুটো ফেরাচ্ছে মাইকেলের দিকে। মুখে এমন একটা ক্ষুব্ধ আত্মপ্রত্যয়ের ভাব, যেন আশা করে আছে হয় এখুনি মাফ চাইবে মাইকেল নয়ত ছুটে পালিয়ে যাবে। তাই দেখে ট্রিগার টেপার সময় মৃদু মৃদু হাসছে মাইকেল।

    জায়গা মত লাগল না বুলেট, লোকটা বেঁচে রয়েছে। গালটা ষাঁড়ের মত মোটা, সেটার ভিতর দিয়ে ঢুকেছে বুলেট। বিষম খেলো ম্যাকক্লাস্কি, যেন মাংসের বড় একটা টুকরো আটকে গেছে গলায়। খক খক করছে সে, তারপর বিদীর্ণ ফুসফুস থেকে গাঢ় রক্তের ঝর্ণা উঠে এল। পরমুহূর্তে আশ্চর্য শান্তভাবে, অত্যন্ত নিপুণতার সাথে তার পাকা চুলে ঢাকা মাথায় দ্বিতীয়বার গুলি করল মাইকেল।

    ঝট করে দেয়াল ঘেঁষে বসা লোকটার দিকে ফিরল মাইকেল। এক চুল নড়েনি। লোকটা। স্থির একটা মূর্তি হয়ে আছে। এবার সে খুব সাবধানে টেবিলের উপর তুলল খালি হাত দুটো, তারপর অন্যদিকে মুখ ফিরিয়ে নিল।

    টলতে টলতে পিছু হটছে ওয়েইটার, রান্নাঘরের দিকে যাচ্ছে সে, এখনও আতঙ্কে বিস্ফারিত হয়ে আছে তার চোখ দুটো, অবিশ্বাস ভরা দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে মাইকেলের দিকে।চেয়ারে এখনও বসে আছে সলোযো, টেবিলের গায়ে হেলান দিয়ে আছে শরীরটা। ভারি শরীর নিয়ে নিচের দিকে ঝুলে পড়েছিল ম্যাককুাস্কি, চেয়ার থেকে মেঝেতে পড়ে গেছে সে। শরীরের পাশে ঝুলে থাকা হাত থেকে পিস্তলটা ছেড়ে দিল মাইকেল, গায়ে মৃদু ধাক্কা খেয়ে নিচে পড়ে গেল সেটা, কোন শব্দ হলো না। মাইকেল দেখে নিয়েছে দেয়াল ঘেঁষে বসা লোকটা বা ওয়েইটার কেউই ওর পিস্তল ফেলে দেয়াটা লক্ষ করেনি। কয়েক পা দ্রুত এগিয়ে দরজার সামনে গিয়ে দাঁড়াল ও, খুলে ফেলল দরজাটা। ফুটপাথ ঘেঁষে এখনও দাঁড়িয়ে রয়েছে সলোযোর গাড়িটা, কিন্তু কোথাও ছায়া পর্যন্ত দেখা যাচ্ছে না ড্রাইভারের। বাঁদিকে ফিরে হনহন করে এগোচ্ছে মাইকেল, বাক নিয়ে হাঁটার গতি বাড়িয়ে দিল আরও। প্রায় সাথে সাথে হেডলাইট জ্বালা একটা ভাঙাচোরা সিডান ঘ্যাচ করে বেক করে দাঁড়িয়ে পড়ল ওর পাশে, দ্রুত খুলে গেল দরজাটা। লাফ দিয়ে গাড়িতে উঠে পড়ল মাইকেল, পরমুহূর্তে গাড়িটাও লাফ দিয়ে সগর্জনে ছুটতে শুরু করল। টেসিওকে গাড়ি চালাতে দেখছে মাইকেল। তার মেদহীন, নিশেভ, পরিচ্ছন্ন মুখটা শ্বেত পাথরের মত কঠোর।

    সলোযোকে করলে? জানতে চাইল টেসিও।

    টেসিওর ভাষা শুনে মুহূর্তের জন্যে বিমূঢ় হয়ে গ্লোল মাইকেল। কথার এই ভঙ্গি সাধারণত যৌন সঙ্গমের বেলায় ব্যবহার করা হয়। কোন মেয়েকে করা মানে তার সাথে সহবাস করা। তাই এক্ষেত্রে কথাটা টেসিও ব্যবহার করায় কেমন যেন অদ্ভুত শোনাল মাইকেলের কানে। দুজনকেই, বলল মাইকেল।

    কোন সন্দেহ নেই তো? জানতে চাইল টেসিও।

    হলুদ মগজ দেখেছি ওদের।

    গাড়িতে কাপড় রয়েছে, পোশাক পাল্টে নিল মাইকেল। বিশ মিনিট পর একটা সিসিলিগামী ইতালীয় মালবাহী জাহাজে উঠল ও। এরদু ঘণ্টা পর সাগর পাড়ি দিতে শুরু করল জাহাজটা, নিজের কেবিন থেকে মাইকেল দেখছে নিউ ইয়র্ক শহরের আলোগুলো নরকের মত দাউ দাউ জ্বলছে। গভীর একটা স্বস্তির ঝিরঝির শান্তি অনুভব করছে ও। সব ছেড়েছুঁড়ে এবার তাহলে সত্যি বেরিয়ে পড়া গেল। ভাবছে ও। এবার যা হয় হোক, শহরের মাথার ওপর ভেঙে পড়ুক নরক, কিন্তু সে এখানে থাকছে না।

    .

    ক্যাপ্টেন ম্যাকক্লাস্কি এবং সলোযো খুন হবার পরদিন নিউ ইয়র্ক শহরের প্রত্যেক থানা থেকে পুলিশ ক্যাপ্টেন আর লেফটেন্যান্টরা কঠোর নির্দেশ পাঠাল-খুনী ধরা না পড়া পর্যন্ত আজ থেকে জুয়া খেলা বন্ধ, নারী ব্যবসা বন্ধ, কোন রকম বেচাল সহ্য করা হবে না। শহর জুড়ে সর্বত্র ব্যাপক ভাবে হানা দিতে শুরু করল পুলিশ। বে আইনী সমস্ত কার্যকলাপ রাতারাতি একেবারে স্তব্ধ হয়ে গেল।

    সেদিন পরিবারগুলো তাদের একজন নির্বাচিত প্রতিনিধি পাঠিয়ে কর্লিয়নিদেরকে জিজ্ঞেস করল খুনীকে তারা হস্তান্তর করতে রাজি আছে কিনা। তাদেরকে জানানো হলো এই খুন-খারাবির সাথে কর্লিয়নিদের কোন সম্পর্ক নেই। সেই রাতে লং বীচে কর্লিয়নিদের প্রাঙ্গণে একটা বোমা বিস্ফোরিত হলো। প্রবেশ পথের মুখে শিকলের কাছে এসে বোমাটা ছুঁড়ে বিদ্যুৎ গতিতে আবার চলে গেল একটা গাড়ি। সেই রাতেই কর্লিয়নিদের দুজন বাটন-ম্যান খুন হয়ে গেল গ্রিনিচ ভিলেজে। ছোট একটা রেস্তোরাঁয় বসে ডিনার খাচ্ছিল তারা।

    এইভাবে শুরু হয়ে গেল উনিশশো ছেচল্লিশ সালের পাঁচ পরিবারের যুদ্ধ।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleইতিবৃত্তে চণ্ডাল জীবন – মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    Next Article দ্য লাস্ট ডন – মারিও পুজো

    Related Articles

    মারিও পুজো

    দ্য লাস্ট ডন – মারিও পুজো

    November 15, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }