Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    গডফাদার – মারিয়ো পুজো

    মারিও পুজো এক পাতা গল্প932 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৩.০৯ সনির মৃত্যুর পর

    ০৯.

    সনির মৃত্যুর পর একটা বছর কেটে গেছে। কিন্তু লুসি ম্যানচিনির মনে এখনও তার জন্যে হাহাকার জাগে। তার তীব্র শোকের সাথে কোন প্রাচীন কাহিনীর নায়িকার শোকের তুলনা হয় না। ওর স্বপ্নগুলি কোন স্কুল ছাত্রীর পানসে স্বপনের মত নয়। ওর বাসনা সতী-সাধ্বী স্ত্রীর বাসনার মতও নয়। জীবনসঙ্গীকে হারিয়ে লুসি নিঃসঙ্গ হয়ে পড়েনি, তার বলিষ্ঠ চরিত্রের অভাব তাকে পীড়া দিচ্ছে না। কোন আবেগময় উপহারের কোমল স্মৃতি ওর মনে কাটার মত বেঁধে না। তরুণ চিত্তের কোন বীরপূজার স্মৃতিও নয়। লুসির কোন স্নেহের কথা, রসের কথা শুনে সে মানুষটির মুখে হাসি, চোখে সরলতার আভাস ফুটে ওঠার স্মৃতিও নয়।

    এসব কিছুই নয়, সনির অভাব বোধ করার প্রধান কারণ হলো, একমাত্র সে-ই যৌন-মিলনে লুসিকে পরিতৃপ্তি দিতে পারত। এই তরুণ বয়সে, অনভিজ্ঞ মনে লুসির আজ ধারণা, আর কেউ তাকে কখনও সেই পরিতৃপ্তি দিতে পারবে না।

    এক বছর পর এখন লুসি নেভাডার মিষ্টি বাতাসে রোদ পোয়াচ্ছে। পায়ের কাছে শুয়ে রয়েছে ছিপছিপে শরীর, সোনালী চুল এক যুবক। ওর পায়ের আঙুল নিয়ে খেলা করছে। রোববার দুপুর। হোটেলের পাশে সুইমিং পুলের ধারে শুয়ে রয়েছে ওরা। চারদিকে এত লোকজন থাকাসত্ত্বেও যুবক ওর অনাবৃত উরুতে হাত বুলিয়ে দিচ্ছে।

    জুলস, এবার থামো, বলল লুসি। আমার তো ধারণা ছিল অন্তত ডাক্তাররা আর সব পুরুষের মত বোকা হয় না।

    একগাল হাসল জুলস। বলল, আমি যে লাস ভেগাসের ডাক্তার। লুসির উরুর ভিতর দিকে একটু সুড়সুড়ি দিতেই, অবাক হয়ে জুল দেখল এই সামান্য স্পর্শেই কেমন উত্তেজিত হয়ে উঠছে মেয়েটা। গোপন করার চেষ্টা করলেও, ওর মুখ দেখেই পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে সেটা। সত্যি মেয়েটা বড় আদিম, আর নির্দোষ। কিন্তু তবু ওকে আয়ত্ত করতে পারছে না জুলস। কেন? ভেবে দেখার মত ব্যাপার। হারানো প্রিয়তমের জায়গায় কাউকে বসানো যায় না, এসব বাজে কথা। এই তো হাতের নিচে জ্যান্ত জিনিস জ্যান্ত জিনিস.আরেকটা জ্যান্ত জিনিসকেই চায়। ভা. জুলস সীগল ঠিক করল, নিজের ফ্ল্যাটে আজ রাতে একটা মরিয়া আর মোক্ষম চেষ্টা করে দেখবে সে। জুলসের একান্ত ইচ্ছা, চালাকির সাহায্য না নিয়েই ওকে আয়ত্ত করা, কিন্তু শেষ পর্যন্ত যদি চালাকিই করতে হয়, তাতেও সে পিছপা হবে না। সাবজেক্টটা তো নির্ভেজাল বিজ্ঞান। বিজ্ঞানের জন্যে কি না করা যায় তা ছাড়া, এ-বেচারি তো সেটার জন্যই মরে যাচ্ছে।

    জুলস, থামো, মিনতির সুরে বলল লুসি। লক্ষ্মীটি, থামো!

    অনুতপ্ত হয়ে জুলস বলল, আচ্ছা। বেশ। এই থামলাম। খুশি, মানিক?

    লুসির কোলে মাথা রেখে, ওর নরম উরু দুটোকে বালিশ বানিয়ে ছোট একটা ঘুম দিয়ে নিল জুলস। লুসির ছটফট করে ওঠা, লুসির কটিদেশের উত্তাপ, সব লক্ষ করে হাসি পাচ্ছে ওর। তারপর যেই লুসি ওর চুলে হাত বুলিয়ে দিতে শুরু করল, খেলাচ্ছলে ওর হাতের কব্জি ধরে রাখল জুল, যেন আদর করছে, আসলে কিন্তু ওর পালস পরীক্ষা করছে। ঘোড়ার মত লাফাচ্ছে ওর পালস। আজ ওকে আয়ত্তে আনতেই হবে, ভেদ করতেই হবে রহস্যটা, তা যে ভাবেই হোক না কেন। এই দৃঢ় প্রতিজ্ঞা নিয়ে ঘুমিয়ে পড়ল ডা. জুলস সীগল।

    সুইমিং পুলের চারদিকে তাকাচ্ছে লুসি। লোকজন দেখছে। দু বছরও তো কাটেনি, এরই মধ্যে ওর জীবনে এতটা পরিবর্তন আসবে ঘুণাক্ষরেও তা সে ভাবতে পারেনি। কনি কর্লিয়নির বিয়ের দিন ওর সেই মৃঢ়তার জন্য সে কখনও অনুশোচনা বোধ করেনি। সেদিন যা ঘটেছিল তার কোন তুলনা নেই ওর জীবনে, আর কখনও ঘটেনি। সনির সাথে সেই ঘটনার কথা স্মরণ করে আজও সে পুলকিত হয়।

    হপ্তায় কমপক্ষে একদিন ওর কাছে আসতই সনি। কোন কোন হপ্তায় একাধিক বার। সনিকে আবার দেখতে পাবার আগের মুহূর্ত পর্যন্ত সারা শরীরে ওরসে কি যন্ত্রণা! পরস্পরের শরীর পাবার ওদের এই কামনাটা নিতান্তই আদিম ছিল, তার মধ্যে কাব্য বা মননশীলতার ছিটেফোঁটাও ছিল না। যাকে বলা যেতে পারে। সবচেয়ে মুল ধরনের প্রেম, স্রেফ শারীরিক প্রেম, মাংসের জন্যে বিপরীত মাংসের কামনা।

    যেই ফোন করে সনি বলত যে সে আসছে, অমনি লুলি দেখে রাখ বাড়িতে যথেষ্ট মদ, রাত আর সকালের জন্য যথেষ্ট খাবার ইত্যাদি আছে কিনা। কাল্প সনি সাধারণত বেশ বেলা করে বিদায় নিত। প্রাণভরে ওকে পেতে চাইত সনি,ও-ও তাকে প্রাণ-মন দিয়ে পেতে চাই নিজের চাবি ছিল সনির, সে দরজা দিয়ে ঢোকামাত্র লুসি ছুটে গিয়ে তার বিশাল আলিঙ্গনের ভিতর সেধিয়ে যেত। পশুর মত সোজাসুজি করত ওরা কাজটা জানোয়ারের আদিমতা প্রকাশ পেত ওদের আচরণে! হল ঘরে দাঁড়িয়েই প্রেম করত ওরা, যেন সেই প্রথম দিনের প্রেম করার পুনরাবৃত্তি হচ্ছে, তারপর লুসিকে বুকে তুলে নিয়ে শোবার ঘরে আসত সনি।

    বিছানায় শুয়েও প্রেম চলত ওদের। দুজনেই বিবস্ত্র অবস্থায় ষোলো ঘণ্টা কাটাত বাড়ির ভিতর মহা ঘটা করে রান্না-বান্না করত লুলি। মাঝে মাঝে সনির টেলিফোন আসত, সব কাজের কথা হত, লুসি সে-সব কখনও কান পেতে শুনতে যায়নি। সনির শরীরটাকেই আদর করতে ব্যস্ত থাকত ও, হাত বুলিয়ে দিত, চুমু খেত, মুখ গুঁজে রাখত দু উরুর মাঝখানে। মাঝে মাঝে সনি মদ ঢালার জন্য উঠত। ওর পাশ ঘেঁষে যাবার সময় হাত বাড়িয়ে ওর নগ্ন দেহ স্পর্শ করত লুসি। ধরে রাখত, আদর করত, যেন সনির শরীরের অঙ্গগুলো ওর খেলার সামগ্রী। বিশেষভাবে শুধু যেন ওর জন্যে তৈরি; বিচিত্র, নির্দোষ খেলনা, বড় পরিচিত, তবু তার মধ্যে কত অপ্রত্যাশিত আনন্দের ভাণ্ডার। প্রথম প্রথম নিজের এই উচ্ছ্বাসের জন্য লজ্জা পোব করত লুসি, পরে দেখল এতে সনি খুশি হয়। সব কিছুর মধ্যে একটা পশুসুলভ নির্মল ভাব ছিল। দুজনে দুজনকে পেয়ে ওরা বড় সুখী হয়েছিল

    সনির বাবা যখন আততায়ীর গুলি খেয়ে রাস্তায় মুখ থুবড়ে পড়লেন, সেই প্রথম লুসির মনে হয়েছিল বিপদ তো তাহলে সনিরও ঘটতে পারে সেদিন বাড়িতে একা বসে শুধু ফুঁপিয়ে কাঁদেনি লুসি, জানোয়ারের মত গলা ছেড়ে বিলাপ করেছিল। সনি যখন তিন হপ্তার মধ্যে একবারও এল না, তখন লুলির একমাত্র আশ্রয় হয়ে উঠেছিল ঘুমের বড়ি, মদ, আর হৃদয়ের যাতনা। সে যন্ত্রণা ছিল সত্যিকার শারীরিক যন্ত্রণা। ওর গা ব্যথা করত। অবশেষে আবার একদিন যখন সনি এল, সারাটা সময় তাকে আঁকড়ে ধরে রাখল লুসি। এর পর প্রতি হপ্তায় অন্তত একবার আসত সনি, মারা যাবার আগের দিন পর্যন্ত।

    খবরের কাগজে ওর মৃত্যুর খবর পড়েছিল লুসি। সেই রাতে আত্মহত্যা করার জন্যে একগাদা ঘুমের ওষুধ খেয়েছিল সে। কে জানে কেন, তবু মারা যায়নি লুসি। শুধু মনে আছে, সাজাতিক অসুস্থ অবস্থায় টলতে টলতে ফ্ল্যাটের হলঘর থেকে বেরিয়ে এসে লিফটের সামনে মাটিতে পড়ে গিয়েছিল। সেখান থেকে কারা যেন ওকে তুলে হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিল। সনির সাথে ওর অবৈধ সম্পর্কের কথা বিশেষ কেউ জানত না, তাই খবরের কাগজে ওর সম্পর্কে কয়েক ইঞ্চির বেশি কিছু লেখা হয়নি।

    ও যখন হাসপাতালে, টম হেগেন ওকে দেখতে এসে সমবেদনা জানিয়ে গেল। লাস ভেগাসে সনির ভাই ফ্রেডি যে হোটেলটি চালায়, সেখানে টম হেগেনই ওর জন্য একটা চাকরি ঠিক করে দিল। টম হেগেন বলল, কর্লিয়নি পরিবারের কাছ থেকে একটা বার্ষিক ভাতা পাবে সে। সনি ওর জন্য এই ব্যবস্থা করে রেখে গেছে। টম জানতে চাইল; ও অন্তঃসত্ত্বা কিনা যেন, সে জন্যেই ঘুমের ওষুধ খেয়েছিল লুসি। লুসি বলল, না। সেই মর্মান্তিক রাতে সনি ওর সাথে দেখা করতে এসেছিল কিনা, কিংবা ফোন করে আসবার কথা বলেছিল কিনা জিজ্ঞেস করতে, নুসি জানাল, না, আসেওনি, ফোনও করেনি। কাজ শেষ হয়ে গেলে লুসি সব সময় সনির জন্যে বাড়িতে বসে অপেক্ষা করত। সত্যি কথাই বলল লুসি। একমাত্র ওকেই আমি ভালবাসতে পেরেছিলাম, আর কাউকে কখনও ওভাবে ভালবাসতে পারব না। লক্ষ করল, কথাটা শুনে হাসল হেগেন। মনে হলো, আশ্চর্য হয়েছে সে। লুসি জানতে চাইল, অবিশ্বাস্য বলে মনে হচ্ছে কথাটা? তুমি যখন ছোট ছিলে, ও ই না তোমাকে ওদের বাড়িতে নিয়ে এসে আশ্রয় দিয়েছিল?

    হেগেন বলল, তখন অন্য রকম মানুষ ছিল সে। বড় হয়ে সম্পূর্ণ বদলে গিয়েছিল সনি।

    আমার কাছে নয়, বলল লুসি অন্যদের কাছে হতে পারে, কিন্তু আমার কাছে নয়। এখনও বড় দুর্বল লুসি, ভাল করে বুঝিয়ে বলতে পারেনি যে সনি তার সাথে আশ্চর্য কোমল ব্যবহার ছাড়া কখনও রূঢ় ব্যবহার করেনি। রাগ করেনি কখনও, বিরক্ত হয়নি কখনও, তাকে অবিশ্বাস করেনি কখনও।

    লাস ভেগাস যাবার সব ব্যবস্থা করে দিল হেগেন। একটা ফ্ল্যাট ভাড়া করা হলো, নিজে ওকে এয়ারপোর্টে পৌঁছে দিল হেগেন ওকে দিয়ে প্রতিজ্ঞা করিয়ে নিল, সেখানে গিয়ে নিঃসঙ্গ মনে হলে কিংবা কোন অসুবিধার কারণ ঘটলে হেগেনকে যেন অবশ্যই জানায়। যেমন করে পারে সাহায্য করবে হেগেন।

    প্লেনে চড়ার আগে একটু ইতস্তত করে লুসি জানতে চাইল, তুমি যে আমার জন্যে এত সব করছ সনির বাবা তা জানেন?

    আমি তার পক্ষ এবং নিজের পক্ষ থেকে এসব করছি, মৃদু হেসে বলল হেগেন। তিনি সেকেলে মানুষ, সনির বৈধ স্ত্রীর বিরুদ্ধে কখনও কিছু করবেন না। কিন্তু ওঁর ধারণা, তুমি একজন অবিবাহিত তরুণী, তাই সনির আর একটু বিবেচক হওয়া উচিত ছিল। তাছাড়া তুমি যখন অতগুলো ঘুমের বড়ি খেয়ে ফেললে, তোমার জন্যে আমরা সবাই চিন্তিত হয়ে পড়লাম। ইচ্ছা করেই টম হেগেন লুসিকে বলল না যে কেউ কারও জন্যে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে, এই ঘটনাটাই একেবারে সাঙ্ঘাতিক ব্যাপার ডন কর্লিয়নির কাছে।

    লাস ভেগাসে আঠারো মাস বাস করার পর লুসি এই ভেবে আশ্চর্য হয়ে যাচ্ছে যে এখন তাকে প্রায় সুখীই বলা চলে। কোন কোন রাতে সনিকে স্বপ্নে দেখে সে এখনও। তারপর ঘোর অন্ধকার থাকতে জেগে উঠে নিজেকে নিজে আদর করে স্বপ্নটাকে আরও প্রলম্বিত করে, যতক্ষণ না আবার ঘুম আসে চোখে। সনি মারা যাবার পর থেকে কোন পুরুষ মানুষের দিকে ফিরেও তাকায়নি লুসি; কিন্তু লাস ভেগাসে মনের মত জীবন পেয়েছে সে। হোটেলের সুইমিং পুলে সাঁতার কাটে, লেক মীডে.নৌকা চড়ে বেড়ায় আর ছুটির দিনে মরুভূমির মাঝখানে গাড়ি নিয়ে ঘোরে। আগের চেয়ে কিছুটা রোগা হয়ে গেছে লুসি, তাতে শরীরের গড়নটা আরও সুন্দর হয়েছে দেখতে। এখনও লুসি পুরোদস্তুর ভোগবিলাসী, কিন্তু প্রাচীন ইতালীয় কায়দায় নয়, নব্য মার্কিনী কায়দায়। হোটেলের জনসংযোগ বিভাগে.অভ্যর্থনা কর্মীর কাজ করে সে। ফ্রেডির সাথে তার কোন সম্পর্ক নেই, তবে দেখা হলেই ফ্রেডি থেমে ওর সাথে একটু গল্প করে যায়। ফ্রেডির এত পরিবর্তন দেখে লুসি মনে মনে আশ্চর্য না হয়ে পারে না। মহিলাদের সাথে আজকাল তার সাঙ্ঘাতিক সদভাব। ভাল কাপড়চোপড় পরে ফিটফাট বাবু হয়ে থাকে। শেখিন ক্যাসিনো চালাবার দক্ষতা সত্যিই রয়েছে তার। আবাসিক দিকটা পরিচালনা করে ফ্রেডি, ক্যাসিনোর মালিকরা কেউ একাজ সাধারণত করে না। প্রচণ্ড গরম আর হয়তো অতিরিক্ত যৌন সদ্যোগের ফলে সে-ও রোগা হয়ে গেছে। তার উপর হলিউডে তৈরি পোশাক-আশাকের জন্য ওকে মারাত্মক স্মাট আর সুন্দর লাগে দেখতে।

    ছমাস পর টম হেগেন লাস ভেগাসে এল লুসির অবস্থা নিজের চোখে দেখার জন্যে! প্রত্যেক মাসে লুসি ছশো ডলারের একটা চেক পায়, বেতন ছাড়াই পায় এটা। হেগেন ব্যাখ্যা করে বলল যে ওই চেকের টাকা কোথা থেকে আসছে সেটা খাতা-পত্রে দেখানো দরকার, তাই লুসি যেন ওকে সম্পূর্ণ আমমোক্তারনামা সই করে দেয়, তাহলে হেগেনের পক্ষে টাকাটা এনে দিতে সুবিধে হবে। হেগেন তাকে আরও জানান, বিধি-মতে হোটেলের মালিকানার ফর্দে পাঁচ পার্সেন্টের অধিকারিণী হিসেবে লুসির নাম তোলা হবে। নেভাডার আইন মত ওর এই আয়ের ব্যাপারে যা কিছু করণীয় তার সবই করতে হবে। অবশ্য ওর নিজের দায়িত্ব খুব কমই থাকবে, সমস্ত কর্তব্যই ওর হয়ে করে দেয়া হবে। কিন্তু হেগেনের অনুমতি ছাড়া এ বিষয়ে যেন কখনও কারও সাথে আলোচনা না করে লুসি সব দিক দিয়ে আইনের কবল থেকে ওকে রক্ষা করার ব্যবস্থা হবে। প্রতি মাসে নিয়মিত টাকা পেতে থাকবে সে কর্তৃপক্ষ কিংবা কোন্ত আইন সংস্থার তরফ থেকে ওকে কখনও কোন প্রশ্ন যদি করা। হয়, লুসি যেন সরাসরি তার উকিলকে জানিয়ে দেয়। তাহলে ওকে আর কেউ বিরক্ত করবে না।

    রাজী হলো লুসি এর ভিতরের ব্যাপারটা সবই বুঝেছে ও, এবং কর্লিয়নিদের সুবিধে করে দেবার জন্যে ওকে যেভাবে কাজে লাগানো হচ্ছে তাতে ওর কোন আপত্তিও নেই। ওর মনে হচ্ছে ওদের জন্যে এটুকু ওর করাই উচিত। কিন্তু হেগেন যখন বলল, হোটেলের চারদিকে কি হচ্ছে না হচ্ছে সেদিকে তো খেয়াল রাখতে হবেই, তাছাড়া ফ্রেডি আর ফ্রেডির উপরওয়ালার দিকেও নজর রাখতে হবে, তখন লুসি বলল, তার মানে? ফ্রেডির ওপরেও চোখ রাখতে হবে নাকি? ফ্রেডির উপরওয়ালাটি হোটেলের অনেকগুলো শেয়ারের মালিক। হোটেলটা সেই চালায়।

    লুসির কথা শুনে হাল হেগেন। ফ্রেডির বাবা ওর জন্য দুশ্চিন্তা করেন। ওর সঙ্গীটি, মো গ্রিন গভীর পানির মাছ। আমরা শুধু এইটুকুই চাই ফ্রেডি যেন কোন। বিপদে না পড়ে। লাস ভেগাসের এই মরুভূমির মাঝখানে হোটেলটা তৈরি করার জন্যে ডন কর্লিয়নি অজস্ব টাকা ঢেলেছেন, তার কারণ শুধু ছেলের জন্য একটা নিরাপদ আশ্রয় সৃষ্টি করা নয়, আরও অনেক বড় উদ্দেশ্যের চৌকাঠ পেরোবার ইচ্ছাটাও রয়েছে তাঁর-কিন্তু এত কথা লুসিকে বুঝিয়ে বলার দরকার আছে বলে মনে করল না হেগেন।

    এই সাক্ষাৎকারের কদিন পরই হোটেলের আবাসিক চিকিৎসকের পদে বহাল হয়ে এল ড. জুলস সীগল। রোগা, খুব সুদর্শন, মার্জিত চালচলন, ডাক্তার হবার পক্ষে বয়সটা যেন খুবই কম, অন্তত লুসির সেই রকম মনে হলো! ওর সাথে প্রথম দেখা হলো একটা ঠেকায় পড়ে। লুসির হাতের কব্ধির উপরে কি যেন একটা গোল হয়ে ফুলে উঠেছে। কয়েকটা দিন তাই নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে কাটাবার পর, একদিন সকালে হোটেলের ভিতর ডাক্তারের অফিসে এসে হাজির হলো লুসি। কোরাসের দুজন নাচিয়ে গাইয়ে মেয়েও অপেক্ষা করছে ওয়েটিং রূমে। নিজেদের মধ্যে গল্প করছে তারা। সোনালি চুল, পীপ ফলের মত রূপ তাদের। এরকম চেহারা দেখলে ঈর্ষা হয় লুসির। দেখতে যেন দেবীদের মত সুন্দরী। লুসি নল একজন আরেকজনকে বলছে, সত্যি বলছি, আরেক ডোজ যদি দেয় আমাকে, আমি নাচা ছেড়ে দেব।

    দরজা খুলে একজন মেয়েকে ড. জুলস যখন ডেকে নিলেন, লুসির ইচ্ছা হলো চলে যায়। ড, সীগলের পরনে স্ন্যাকস আর বুক খোলা শার্ট রয়েছে। চোখে শিং এর তৈরি ফ্রেমের চশমা। তাতে শান্ত গভীর একটা ভাব ফুটে উঠেছে চেহারায়। তবু দেখে মনে হচ্ছে; মানুষটার হাবভাবে কেমন যেন একটা ঘরোয়া ভঙ্গি, লুসি মনে-প্রাণে সেকেলে, তাই ওরও বিশ্বাস, চিকিৎসকদের ভাব-ভঙ্গিতে ঘরোয়া ভাব থাকতে নেই।

    কিন্তু শেষ পর্যন্ত যখন ডাক্তারের খাস কামরায় পৌঁছল, লোকটার ব্যবহারের মধ্যে এমন একটা আশ্বাস টের পেল যে ভয়ভীতিগুলো সাথে সাথে দূর হয়ে গেল মন থেকে। এখনও প্রায় কিছুই বলেনি ডাক্তার, অবশ্য আচরণের মধ্যে রূঢ় ভাবও নেই। বেশ সময় নিয়ে ওকে দেখছে। লুসি জানতে চাইল, ফোলাটা কি ব্যাপার? ধৈর্য ধরে বুঝিয়ে বলল ডাক্তার, ওটা খুবই সাধারণ একটা ব্যাপার। কোষ ফুলে গেছে। এতে ক্যান্সারের কোন ভয়ই নেই, সুতরাং দুশ্চিন্তা করবেন না। তারপর মোটা একটা ডাক্তারী বই হাতে তুলে বলল, হাতটা একটু বাড়ান তো দেখি।

    ভয়ে ভয়ে হাতটা বাড়াল লুসি। ওর দিকে তাকিয়ে এই প্রথম একটু হাসল ডাক্তার। একটা অপারেশনের ফী থেকে নিজেকে বঞ্চিত করছি। এই বই দিয়ে একটা বাড়ি দিলেই ওটা চ্যাপ্টা হয়ে চামড়ার সাথে সমান হয়ে যাবে। পরে আবার গজাতে পারে, তা ঠিক। কিন্তু কাটাকুটি করতে গেলে, আপনার টাকাও খরচ হবে, আবার ব্যাণ্ডেজ বেঁধেও ঘুরে বেড়াতে হবে। কি করবেন, বলুন?

    এখন ওর দিকে ফিরে লুসিও হাসছে। যে কারণেই হোক, প্রবল বিশ্বাস জন্মে গেছে তার ডাক্তারের উপর। বলল, বেশ।

    পর মুহূর্তেই চিৎকার করে উঠল লুসি। কারণ ডাক্তার সেই ভারী বইটা দিয়ে দুম করে ওর হাতে এক ঘা বসিয়ে দিয়েছে। ফলে সাথে সাথে ফোলা জায়গাটা প্রায় সমান হয়ে গেছে।

    খুব লাগল নাকি? নিরীহ ভঙ্গিতে জানতে চাইল ডাক্তার।

    না, মুখ ভার করে বলল লুসি।

    ডাক্তার ওর কেসের হিস্ট্রি লিখছে, তাকিয়ে তাকিয়ে দেখছে লুসি। ব্যস হয়ে গেল?

    ডাক্তার মাথা দুলিয়ে জানাল, হা হয়ে গেল। ওর দিকে আর নজর দিল না সে। বিদায় নিয়ে চলে এল লুসি।

    এক হপ্তা পর কফির দোকানে আবার দেখা। ডাক্তার এসে লুসির পাশে বসে জানতে চাইল, হাত কেমন আছে?

    ভাল, একটু হেসে বলল লুসি। আপনার পদ্ধতিটা বিচিত্র বটে, কিন্তু কাজ দেয়।

    একগাল হাল ডাক্তার। আপনি ভাবতেও পারবেন না আমি কতটুকু নিজের নিয়মে চলি। আর আমিও জানতাম না আপনি এত ধনী মানুষ। ভেগাসের সান পত্রিকাতে হোটেলের মালিকানার ফর্দ বেরিয়েছে, তাতে দেখছি দশ পয়েন্ট রয়েছে। আপনার। ওই ফোলাটাকে পুঁজি করে বেশ দুপয়সা করে নিতে পারতাম।

    হঠাৎ হেগেনের সতর্কবাণীটা মনে পড়ে গেল লসির। কোন উত্তর দিল না ও। আবার দাঁত বের করে হাসল ডাক্তার। কোন চিন্তা নেই, অভয় দিয়ে বলল সে, আমি ব্যাপারটা বুঝি, আপনি যে একটা পুতুল। এই ধরনের পুতুলের কোন অভাব নেই, লাস ভেগাসে। যাবেন নাকি আমার সাথে আজ রাতে একটা শো দেখতে? ডিনার খাওয়াব আপনাকে। তারপর ক্যাসিনোতে রুলেত খেলার চিপসও কিনে দেব।

    ইতস্তত করছে লুসি। কিন্তু ডাক্তার জেদাজেদি করতে শুরু করল। শেষ পর্যন্ত লুসি বলল, যেতে তো আপত্তি নেই। কিন্তু রাতটা যে ভাবে শেষ হবে তা দেখে শেষে না আপনি হতাশ হন। আমি এখানকার আর সব মেয়ের মত যা তা করে বেড়াই না।

    সেই জন্যেই তো সাথে চাইছি তোমাকে, আনন্দে উৎফুল্ল হয়ে উঠে বলল ডাক্তার। সম্বোধনের মধ্যে ঘনিষ্ঠ আপনজনের সুর ফুটে উঠল। আমি নিজের জন্যেও একরাত বিশ্রামের প্রেসক্রিপশন লিখে রেখেছি কিনা।

    ওর দিকে তাকিয়ে হাসল লুসি। একটু অসহায় ভঙ্গি করে বলল, আমি কি অতটা চোখেপড়ার মত?

    মাথা ঝাঁকাল ডাক্তার।

    লুসি বলল, বেশ। তাহলে সাপার খেতে যাব। কিন্তু রুলেতের চিপস আমি নিজেই কিনব।

    সাপার খেতে আর শো দেখতে গেল ওরা। জুলস ওকে খুব এক চোট হাসাল ডাক্তারী পরিভাষায় মহিলাদের নগ্ন উরু আর বুকের বর্ণনা দিয়ে। তাই বলে তাচ্ছিল্যের সাথে কিছু বলেনি, রসিকতার সাথেই বলল। পরে ওরা রুলেত খেলে একশো ডলারের কিছু বেশি জিতল। আরও পরে চাঁদের আলোয় গাড়ি নিয়ে বোর বাধে বেড়াতে এল। এখানে ডাক্তার একটু প্রেম করার চেষ্টা চালাল বটে, কিন্তু দুটো একটা চুমো খাওয়ার পর লুঙ্গি আপত্তি জানাতেই ক্ষান্ত হলো সে, বলল, আসলে এসব সে-ও চায় না। পরাজয়টা হাসি মুখেই মেনে নিল। মুখের ভাব অপরাধীর মত করে লুসি বলল, বলেই তো ছিলাম, ওসব আমার সাথে চলবে না।

    আহা, বলল জুলস, আমি একটু চেষ্টা না চালালে তুমিই তো অপমান বোধ করতে।

    হেসে ফেলল লুসি।.ভাবছে, মিথ্যে বলেনি জুলস।

    পরবর্তী কয়েক মাসের মধ্যে অন্তরঙ্গ বন্ধ হয়ে উঠল ওরা তাকে ঠিক প্রেম। বলে না, কারণ ওরা কখনও শরীর ঘাটাঘাটি করে না আসলে জুলসকে কোন সুযোগই দেয় না লুসি। লক্ষ করে ডাক্তার একটু অবাক হয়, কিন্তু আর সব পুরুষের মত ক্ষুণ্ণ হয় না। তাতে ওর উপর লুসির আস্থা আরও বেড়ে গেল। আবিষ্কার করল বাইরে গুরুগম্ভীর পেশাধারী ডাক্তারী চেহারার আড়ালে ভারি কুর্তিবাজ বেপরোয়া একটা মানুষ বাস করে। শনি আর রবিবার একটা রিকন্ডিশন করা এম-জি গাড়ি নিয়ে ক্যালিফোর্নিয়ার মোটর রেসে যোগ দেয় সে। ছুটি নিয়ে মেক্সিকোর ভিতর দিকে চলে যায়। লুসিকে বলে, সে বড় বুনো জংলী জায়গা, একজোড়া জুতোর লোভে ওখানকার লোকেরা বিদেশীদের খুন পর্যন্ত করতে ছাড়ে না। হাজার বছর আগের আদিম জীবন যাত্রা এখনও চলছে ওখানে। দৈবাং লুসি জানতে পারল, জুলস একজন সার্জেন, এক সময় নিউ ইয়র্কের কোন একটা বিখ্যাত হাসপাতালের সাথে জড়িত ছিল সে।

    এসব শুনে আরও আশ্চর্য হয় লুসি। ভাবে, তাহলে জুলস এই হোটেলে চাকরি নিয়েছে কেন? একদিন জিজ্ঞেস করায় কলল, তোমার গোপন কথা আমাকে বললে আমারটাও তোমাকে বলতে পারি।

    লাল হয়ে উঠল লসির মুখটা। প্রসঙ্গটা এড়িয়ে গেল ও। জুলস আর কিছু বলল না। ওদের সম্পর্কটা আগের মতই রয়ে গেল। অন্তরঙ্গ বন্ধুত্বের সম্পর্ক। তার উপর লুসি যে কতটা নির্ভর করে নিজেও সে বোঝে না।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleইতিবৃত্তে চণ্ডাল জীবন – মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    Next Article দ্য লাস্ট ডন – মারিও পুজো

    Related Articles

    মারিও পুজো

    দ্য লাস্ট ডন – মারিও পুজো

    November 15, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }