Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    গডফাদার – মারিয়ো পুজো

    মারিও পুজো এক পাতা গল্প932 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ২.৭ ডন কর্লিয়নির আহত হবার খবর

    ০৭.

    ডন কর্লিয়নির আহত হবার খবর শুনে জনি ফন্টেন তার গড ফাদারের জন্যে শুধু যে উদ্বিগ্ন হলো তাই নয়, ছবি করার টাকা, যোগান দেবার প্রস্তাবটা এখনও টিকে আছে। কিনা ভেবে দুশ্চিন্তায় পড়ে গেল। নিউ ইয়র্কে যেতে চাইছে ও, হাসপাতালে শায়িত গড ফাদারকে শ্রদ্ধা জানাবে। কিন্তু টেলিফোনে জানিয়ে দেয়া হলো ওকে, ওর নামে কোন অপপ্রচার হোক ডন কলিয়নি তা কোনমতেই চাইবেন না। অগত্যা অপেক্ষা করে থাকাই স্থির করল জনি। এক হপ্তা পর লোক এল টম হেগেনের কাছ থেকে, হ্যাঁ, টাকা যোগান দেয়া হবে, তবে একবারে মাত্র একটা ছবির জন্যে।

    এদিকে নিনোকে হলিউডে, ক্যালিফোর্নিয়ায় যা খুশি তাই করতে কোন বাধা দিচ্ছে না জনি। দ্বিতীয় শ্রেণীর অল্প বয়েসী তারকাদের সাথে বেশ জমিয়ে নিয়েছে নিনো। মাঝে মধ্যে তাকে ডেকে পাঠায় জনি, রাতে একসাথে বেরুবে বলে। তবে এ-ব্যাপারে তার উপর নির্ভর করে থাকে না। ডনের গুলি খাওয়া সম্পর্কে কথা উঠলে নিনোবলল, জানিস, আমি একবার তাঁর সংগঠনে একটা চাকরি চেয়েছিলাম। সোজা না করে দিলেন, কোনমতে রাজি হলেন না। অ্যানলে আমার আর ট্রাক চালাতে ভাল লাগছিল না, কিভাবে আরও অনেক টাকা রোজগার করা যায় তার একটা উপায় খুঁজে পেতে চাইছিলাম। ডন আমাকে কি বলেছিলেন জানিন? বলেছিলেন, প্রত্যেক মানুষের জন্যে একটা মাত্র নিয়ুতি নির্দিষ্ট হয়ে আছে। আমার নিয়তি নাকি শিল্পী হওয়া।

    কথাটা ভেবে দেখল জনি। ওর মনে হলো, তার গড ফাদারের মত বুদ্ধিমান মানুষ দুনিয়ায় বোধ, হয় আর একজনও নেই। দেখে, উনি ঠিকই টের পেয়েছেন, গুণ্ডামি-পাণ্ডামি আর বেআইনী কাজ নিনোকে দিয়ে চলবে না। হয় বোকার মত বিপদে পড়ে যাবে, তা নাহলে কেউ মেরেই ফেলবে। আবোল-তাবোল কথা বলে হারিয়ে বসবে পৈত্রিক প্রাণ। কিন্তু, আশ্চর্যের বিষয় হলো, নিনো যে শিল্পী হবে তা ৬ন জানলেন কিভাবে? কারণ, দুত্তোর ছাই, ডন আগেই বুঝতে পেরেছিলেন একদিন না একদিন, নিনোকে আমি সাহায্য করবই। কিন্তু বুঝলেন কিভাবে? বুঝলেন, ভেবে রেখেছিলেন, সময় মত তার মনের ইচ্ছাটা একদিন আমার কানে একটু তুলে দেবেন, আর আমিও তার প্রতি শ্রদ্ধা আর কৃতজ্ঞতাবশত নিনোর জন্যে চেষ্টা করব। তবে, স্পষ্টভাবে কোন দিনই আমাকে তিনি কিছু করতে বলেননি। এ বিষয়েও শুধু সামান্য একটু আভাস দিয়ে রেখেছিলেন, কাজটা করলে তিনি খুব খুশি হবেন। একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলল জনি ফন্টেন। তার গড ফাদার নিজেই এখন আহত, মৃত্যুর সাথে লড়াই করছেন, সুতরাং একাডেমি পুরস্কারের আশাটা তার ছেড়ে দেয়াই ভাল। ওদিকে, ওর বিরুদ্ধে লেগে আছে ওলটস, কারও কাছ থেকে কোন সাহায্য পাবে সেই আশা নেই। একান্ত ব্যক্তিগত যোগাযোগ একমাত্র ডন কর্লিয়নিরই আছে, যার জোরে চাপ দিয়ে দিনকে রাত করা যায়। কর্লিয়নি পরিবারের অন্যান্যদের-খেয়েদেয়ে কাজ নেই, তার জন্যে এতসব ঝামেলা পোহাতে যাবে।. নিজের সাধ্যমত ওদেরকে সাহায্য করতে চেয়েছে জনি, কিন্তু এক কথায় তা প্রত্যাখ্যান করেছে টম হেগেন।

    নিজের ছবি নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে জনি। বেস্টসেলারের লেখক তার নতুন উপন্যাস শেষ করেছেন, জনির আহ্বানে চলে এসেছেন পশ্চিমে। আসার কারণ, এজেন্ট বা স্টুডিওগুলো যাতে বাগড়া দিতে না পারে, নিরিবিলিতে বসে দুজন কথা বলতে চায় ওরা। ঠিক যে ধরনের চাইছে জনি, এই বইটা ঠিক সেই ধরনের। একটা গানও গাইতে হবে না তাকে। সাহস, শক্তি আর পৌরুষ নিয়ে ধুমধাড়াক্কা মার্কা ছবির গল্প, রুক্ষ মেজাজের, কাহিনীর প্রয়োজনে প্রচুর মেয়েমানুষ আর দেদার যৌনতা আমদানি করার অবকাশ আছে। শুধু তাই নয়, গল্পটায় এমন একটা চরিত্র আছে যেটা ঠিক যেন হুবহু নিনোর জন্যেই তৈরিচরিত্রটার কথাবার্তা, আচরণ, কাজকর্ম, এমন কি চেহারা-সুরত পর্যন্ত নিনোর সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। সন্দেহ নেই, ব্যাপারটা ভূতুড়ে। অভিনয়ই করতে হবে না নিনোকে, ক্যামেরার সামনে শুধু ওর নিজের মত করে চলাফেরা করতে হবে।

    হাতের কাজ দ্রুত সারছে জনি। কাজে নেমে আবিষ্কার করল, প্রযোজনা সম্পর্কে তার নিজের যেটুকু ধারণা আছে বলে ভাবত সে তার চেয়ে অনেক বেশি জানে সে। তবু একজন নির্বাহী প্রযোজককে চাকরি দিল। লোকটা ব্ল্যাকলিস্টে আছে, তাই কোথাও চাকরি পাচ্ছিল না, কিন্তু এ-কাজে অসাধারণ দক্ষতা রয়েছে তার। তার এই দুর্বলতার কোন সুযোগ নিল না জনি, ন্যায্য বেতনই দিচ্ছে তাকে। পরিষ্কার বলেও দিয়েছে, তোমাকে আমি ঠকাচ্ছি না, তাই আশা করছি অনেক কাজে খরচ বাঁচিয়ে-দেবে তুমি আমার।

    সেই প্রযোজকই একদিন এসে জনিকে বলল, ইউনিয়নের প্রতিনিধিকে ঘুষ দিতে হবে, পঞ্চাশ হাজার ডলার দাও। আশ্চর্য হয়ে গেল জনি। খরচ কমানো দূরের কথা, এ-লোক তো খরচ বাড়ার পায়তারা করছে। লোকটা ওকে জানান, ওভার-টাইম, কর্মী নিয়োগ ইত্যাদি বিষয়ে নাকি নানান সমস্যা দেখা দিয়েছে, টাকাটা দিলে অনেক উটকো মেলা এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব। ব্যাপারটা ঠিক বিশ্বাস করতে পারল না জনি, তার সন্দেহ হলো প্রযোজক ধোকা দিয়ে টাকাটা খসাতে চাইছে ওর কাছ থেকে। তাকে বলল ও, তুমি বরং ইউনিয়নের লোকটাকে পাঠিয়ে দাও আমার কাছে।

    ইউনিয়ন প্রতিনিধির নাম বিলি গফ। জনির সাথে এসে দেখা করতে দেরি করল না সে।

    আমি যতদূর জানি, তাকে বলল জনি, ইউনিয়ন যাতে কোন ঝামেলা বাধাতে না পারে তার ব্যবস্থা করে রেখেছে আমার বন্ধুরা। আমাকে জানানো হয়েছে, এ বিষয়ে চিন্তা করতে হবে না। সব ঠিক থাকবে।

    কে জানিয়েছে কথাটা? প্রশ্ন করুল গফ।

    কে জানিয়েছে তা তুমি ভাল করেই জানো, বলল জনি। তার নাম উচ্চারণ করার দরকার নেই, কিন্তু তিনি যা বলেন তাই হয়; তাঁর কথা কখনও অনাথা হয় না।

    কিন্তু আগের অবস্থা আর-নেই, সব ওলটপালট হয়ে গেছে, বলল গফ। তোমার শুভাকাঙ্ক্ষী নিজেই বিপদে পড়েছে, এই দূর পশ্চিমে তার কথা আর খাটবে না।

    শ্রাগ করল জনি, বলল, ঠিক আছে, তুমি দুদিন পর দেখা করো আমার সাথে, কেমন?

    নিঃশব্দে হাসল গফ। অবশ্যই দেখা করব, জনি, বলল সে। তবে, যদি মনে করে থাকো নিউ ইয়র্কের সাথে যোগাযোগ করে সুবিধে করতে পারবে, মস্ত ভুল করবে তুমি!

    কিন্তু নিউ ইয়র্কের সাথে যোগাযোগ করে ভুল করেনি জনি, বরং মস্ত সুবিধে হয়ে গেল তার। হেগেনের সাথে তার অফিসের ফোনে কথা হলো। স্পষ্ট জানিয়ে দিল হেগেন, খবরদার, কোনমতেই টাকা দেবে না ওকে। সব শেষে বলল, বেজন্মাটাকে টাকা দিলে তোমার গড ফাদার ভীষণ রাগ করবেন। টাকা দিলে তার অসম্মান করা হবে, আর এই মুহূর্তে সম্মান হারালে মস্ত ক্ষতি হয়ে যাবে তাঁর।

    আমি কি গড ফাদারের সাথে কথা বলতে পারি? জানতে চাইল জনি। নাকি তুমিই আলাপ করবে? আসলে ছবির কাজ শুরু করতে আমি আর দেরি করতে চাইছি না।

    অসম্ভব। আপাতত তাঁর সাথে কেউ কথা বলতে পারবে না। এখনও গুরুতর অসুস্থ তিনি। একটু চিন্তা করে আবার বলল হেগেন, ঝামেলাটা কিভাবে চুকিয়ে দেয়া যায় সে ব্যাপারে আমি সনির সাথে কথা বলব। টাকা দিতে নিষেধ করার সিদ্ধান্তটা আমি নিজেই নিচ্ছি। হারামজাদা চালবাজি শিখেছে। আমার সিদ্ধান্তের কোন পরিবর্তন হলে তুমি জানতে পারবে।

    ফোনের রিসিভার নামিয়ে রাখল জনি, বিরক্তি আর দুশ্চিন্তায় মেজাজ খারাপ হয়ে গেছে ওর। ইউনিয়নের সাথে ঝগড়া করতে যাওয়া মানে গোছা গোছা টাকা পকেট থেকে বেরিয়ে যাওয়া। শুধু তাই নয়, কাজকর্ম সব পণ্ড হয়ে যাবে। চিন্তা করে দেখল গোপনে টাকাটা গফকে দিয়ে দিলে কেমন হয়? ডন তো আর নিজের মুখে তাকে নির্দেশ দিচ্ছেন না। গুরুত্বের বিচারেডন আর হেগেনের কথার মধ্যে আকাশ পাতাল পার্থক্য। তবু, অনেক ভেবেচিন্তে কয়েকটা দিন অপেক্ষা করে দেখবে বলে স্থির করল জনি।

    অপেক্ষা করার সিদ্ধান্ত নেয়ায় নগদ পঞ্চাশ হাজার ডলার বেঁচে গেল ওর। হেগেনের সাথে কথা বলার দুই রাত পর গ্লেনডেলে নিজের বাড়িতে বুলেট বিদ্ধ মৃতদেহ পাওয়া গেল বিলি গফের। এরপর আর ইউনিয়নের সাথে কোনরকম। গোলমালের কথা শোনা যায়নি। তবে, খুনটার ব্যাপারে বেশ একটু বিচলিত হয়ে পড়ল জনি। ডনের দীর্ঘ বাহু এই প্রথম জনির এত কাছাকাছি এমন নির্দয় ভাবে আঘাত হানল।

    সময়ের সাথে সাথে কাজে আরও বেশি ব্যস্ত হয়ে পড়ছে জনি। চিত্রনাট্য তৈরি করা, এক একটা চরিত্রের জন্যে পছন্দসই নারী-পুরুষ বাছাই করা, এই রকম প্রযোজনার হাজারটা দিক সামলানো, দম ফেলার ফুরসত নেই ওর। এই ব্যস্ততার মধ্যে কখন যে নিজের গলার কথা, গান গাইতে না পারার কথা ভুলে গেছে তা ও নিজেই জানে না। এর মধ্যে একাডেমি পুরস্কারের প্রতিযোগীদের নামের তালিকা বেরিয়ে গেল, তাতে নিজের নামও দেখল জনি, কিন্তু অস্কার পাবার জন্যে যেসব গান বিবেচনা করার প্রস্তাব দেয়া হয়েছে সেগুলোর একটাও ওকে অনুষ্ঠানে গাইতে বলা হয়নি দেখে মনটা সাংঘাতিক দমে গেল ওর। অথচ টেলিভিশনের মাধ্যমে সারা দেশে দেখানো হবে অনুষ্ঠানটা। তবু মন থেকে এসব উদ্বেগ ঝেড়ে ফেলে দিয়ে। আবার কাজে ডুবে গেল জনি। বুঝল, ওর গড ফাদার তার প্রভাব খাটাতে পারবেন। না, সুতরাং একাডেমি পুরস্কার পাবার আশা করে লাভ নেই। তবে তালিকাতে যে। ওর নাম আছে তারও একটা মূল্য আছে, এই ভেবে, কিছুটা সান্ত্বনা পেতে চেষ্টা করল ও।

    ইতালীয় গানের যে রেকর্ডটা করেছে নিনোর সাথে, সেটা ইদানীংকার করা ওর সবগুলো রেকর্ডের চেয়ে বেশি বিক্রি হচ্ছে। কিন্তু আর কেউ না জানুক, ও খুব ভাল করেই জানে যে এর বেশিরভাগ কৃতিত্ব নিনোর। পেশাদার গায়ক হিসেবে ওর আর কোন সম্ভাবনা নেই, মনে মনে এটা মেনে নিয়েছে সে।

    হপ্তায় একটা দিন জিনি আর মেয়েদের সাথে বসে ডিনার খায় জনি। কাজের চাপ যতই থাক, এই নিয়মের ব্যতিক্রম হয় না কখনও। তবে জিনির সাথে শোয় না। এর মধ্যে মেক্সিকোতে গিয়ে একটা ডিভোর্স আদায় করে নিয়েছে ওর দ্বিতীয় স্ত্রী, তার মানে জনি এখন ঝাড়া হাত-পা। সবচেয়ে বিস্ময়কর ব্যাপার হলো সুযোগ পাওয়া সত্ত্বেও হবু তারকাদের সাথে প্রেম করার জন্য লালায়িত হয়ে উঠছে না ও। তার একটা কারণ, চিরকালই একটু উন্নাসিক টাইপের মানুষ ও। তবে, মনে পুষে রাখা একটা দুঃখও আছে ওরকমবয়েসী তারকারা, আর এখনও চূড়ায় অবস্থানরতা নায়িকারা ওর প্রেমে জড়িয়ে পড়ে না। প্রায় রোজ রাতেই বাড়ি ফিরে আসে একা, রেকর্ড প্লেয়ারে নিজের একটা পুরানো রেকর্ড চাপায়, হাতে থাকে গ্লাসভর্তি হুইস্কি, গানের সাথে গলা মিলিয়ে গুন গুন করে। নিজের গান শুনে বুঝতে পারে, ভাল, সত্যি খুব ভাল গাইত ও। এত ভাল গায় তা তখন বোঝেনি। ওর নিজের বিশেষ বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত কণ্ঠস্বরের কথা বাদ দিলেও- ভাল গলা তো অনেকেরই থাকতে পারে-সত্যি আশ্চর্য ভাল গাইত ও। যাকে বলে সত্যিকার একজন খাঁটি শিল্পী, ও ছিল তাই। অথচ ওর নিজেরই জানা ছিল না কথাটা। গান গাইতে ভালবাসত ও। কতটা ভালবাসত তাও তখন বুঝত না। সিগারেট ফুকে, মেয়েমানুষ নিয়ে ফুর্তি করে, আর মদ গিলে নিজেই নিজের গুলার বারোটা বাজিয়েছে, ঠিক যখন সমস্ত ব্যাপারটা উপলব্ধি করতে শুরু করেছিল।

    দুএক ঢোঁক মদ খাবার জন্যে মাঝেমধ্যে ওর কাছে আসে নিনো, পুরানো গানগুলো মন দিয়ে শোনে সেও, আর জনি তাকে তাচ্ছিল্যের সুরে বলে, শোন, ব্যাটা গেয়ো ভূত, অমন গান তুই তোর বাপের জন্যেও গাসনি।

    আর নিনোও তার সেই অদ্ভুত মধুর রহস্যমাখা হাসিটা সারা মুখে ছড়িয়ে দিয়ে বলে, নারে, গাইনি–গাইবও না কোন দিন। বলার ভঙ্গিতে থাকে সহানুভূতির সুর, জনি কি ভাবছে তা যেন বুঝতে পারছে সে।

    অবশেষে নতুন ছবির শুটিং শুরু হবার হপ্তাখানেক আগে একাডেমি পুরস্কার বিতরণের রাত এসে গেল। অনুষ্ঠানে যোগ দিতে নিনোকে নিমন্ত্রণ করল জনি। নিনো সোজা প্রত্যাখ্যান করল।

    দোস্ত, তোর কাছ থেকে কখনও কোন উপকার চাইনি আমি, বলল জনি, সত্যি কিনা বল? আজ চাইছি, আমার একটা উপকার কর, আয় আমার সাথে। আমি পুরস্কারটা না পেলে, তুই ছাড়া আমার জন্য আর কেউ দুঃখ করার নেই রে!

    মুহূর্তের জন্যে চমকে উঠল নিনো। চেহারা দেখে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে, স্তম্ভিত হয়ে গেছে সে। তারপর বলল, একশোবার, নিশ্চয়ই যাব-কথা দিলাম, দোস্ত। একটু থেমে আবার বলল, পুরস্কারটা পেলে ভাল, না পেলে ভুলে যাস। স্রেফ যত পারিস মদ গিলে মাতাল হয়ে পড়িস, পাশে থেকে তোর দেখাশোনা করব আমি। কথা দিচ্ছি, আজ রাতে একফোঁটা মদও ছোঁব না আমি। এবার বল, কেমন বন্ধু আমি।

    দোস্ত, জনি ফন্টেন বলল, তুই আমাকে ভালবাসিস।

    দিনের শেষে রাত এল, নিনোও তার কথা রাখল। সম্পূর্ণ প্রকৃতিস্থ অবস্থায় জনির বাড়িতে এল সে, তাকে নিয়ে রওনা হয়ে গেল জনি থিয়েটারের দিকে, যেখানে পুরস্কার বিতরণের অনুষ্ঠানটা হবে। ডিনারে জনি ওর বান্ধবী বা প্রাক্তন স্ত্রীদের কাউকে নিমন্ত্রণ করেনি কেন? প্রশ্নটা নিয়ে খানিক মাথা ঘামাল নিনো, কিন্তু কোন সদুত্তর পেল না। বিশেষ করে জিনি, তাকে নিমন্ত্রণ না করার কি কারণ থাকতে পারে? জিনি ওকে উৎসাহ দেবে, সাহস যোগাবে, প্রয়োজনে সান্তনা দেবে–এসব কি একবারও ভেবে দেখেনি জনি? বেশি না, শুধু এক গ্লাস মদ টানতে পারলে ভাল হত, ভাবছে নিনো, দেখেশুনে মনে হচ্ছে সামনে লম্বা আর বাজে একটা রাত পড়ে রয়েছে।

    একাডেমি পুরস্কার বিতরণের গোটা ব্যাপারটাই একঘেয়ে বিরক্তিকর লাগছে নিনোর, কিন্তু শ্রেষ্ঠ পুরুষ অভিনেতার নাম ঘোষণার পর অন্য রকম হয়ে গেল তার মূর্তি। কানে যখন জনি ফন্টেন নামটা ঢুকল, সব কিছু ভুলে হুবহু ক্যাঙ্গারুর মত শূন্যে লাফ দিতে শুরু করে দিল সে, আর সেই সাথে জনির নামে জয়ধ্বনি দিচ্ছে। করমর্দনের জন্যে হাত বাড়িয়ে দিল জনি, সেটা ধরে ঝাঁকাতে শুরু করল নিনো। সে বুঝতে পারছে, এই মুহূর্তে জনির এমন একজনের মানবিক স্পর্শ চাই যার উপর ওর সম্পূর্ণ আস্থা আর বিশ্বাস আছে, সেই সাথে নিন্মের মনটা বিশাল একটা দুখে কাতর হয়ে উঠল এই ভেবে যে এমন একটা পরম গৌরবের মুহূর্তে জনি তারপয়ে ভাল আর কাউকে পেল না।

    এরপর যা ঘটতে শুরু করল, রীতিমত দুঃস্বপ্ন বলে মনে হলো নিনোর। সুব প্রথম পুরস্কারগুলো বাগিয়ে নিয়েছে জ্যাক ওলটসের ছবি, ভাই স্টুডিওর পার্টিতে যত সাংবাদিক আর মতলববাজ নারী-পুরুষের দল ভিড় করে এল। মদ ছোবে না বলে কথা দিয়েছে জনিকে, সে-কথা রক্ষা করছে নিনো। কথা দিয়েছে নজর রাখবে জনির উপর সে-কথা রাখার চেষ্টাও করছে সে। কিন্তু এতে তেমন সুবিধে করতে পারছে না। পার্টিতে উপস্থিত মেয়েমানুষগুলো পালা করে টেনে নিয়ে যাচ্ছে জনিকে একটা শোবার ঘরে, অজুহাত হিসেবে প্রত্যেকে বলছে, এসো, জনি, দুটো গল্প করি। নিনো বুঝতে পারছে, শোবার ঘরে ঢোকার পর জনির সাথে একটা কথা বলারও অবকাশ দিচ্ছে না মেয়েগুলো, একটা কথা বলা মানেই তো জনিকে নিয়ে ধস্তাধস্তি করার সময় থেকে কয়েকটা সেকেণ্ড কমে যাওয়া। যতবার শোবার ঘর থেকে বেরিয়ে আসছে জনি, ওকে আগের বারের চেয়ে দুর্বল আর আরও বেশি মাতাল দেখাচ্ছে।

    এই ভয়াবহ অবস্থায় জনি যে শুধু একা পড়েছে তা নয়, শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীর পুরস্কার পেয়েছে যে মেয়েটা তারও সেই একই অবস্থা। তবে, তার প্রশংসা করতে হয় এই দেখে যে অবস্থাটা সে পুরোপুরি উপভোগ করছে, জনির মত নেতিয়ে পড়ছে না। উপস্থিত পুরুষদের মধ্যে একা শুধু নিনোই তাকে প্রত্যাখ্যান করল, বাকি কেউ এই সুবর্ণ সুযোগটার সদ্ব্যবহার করতে ছাড়ল না।

    শেষ দিকে কার যেন মাথায় একটা বৈপ্লবিক চিন্তা খেলে গেল। প্রস্তাব উঠল, দুই প্রথম পুরস্কার প্রাপ্ত অভিনেতা-অভিনেত্রীকে প্রকাশ্যে যৌন সঙ্গম করতে হবে। বাকি যারা উপস্থিত আছে তারা সবাই দর্শকের ভূমিকা নেবে। কয়েকজন সুযোগসন্ধানী আর উৎসাহী পুরুষ মেয়েটার কাপড়চোপড় খুলে তাকে বিবস্ত্র করে ফেলল, অবশ্য মেয়েটা তাদেরকে যেচে পড়ে সাহায্য করল বলে পুরুষদের দল কাজটায় তেমন আশাপ্রদ মজা পেল না, এসব ব্যাপারে বাধা পেলে মজাটা জমে ভাল। ওদিকে উৎসাহী কয়েকটা মেয়ে এগিয়ে এসেছে জনি ফন্টেনের পোশাক খোলার জন্যে। ঝটপট সেরেও ফেলল তারা কাজটা, চারদিক থেকে হাস্যরোল আর জয়ধ্বনির হিড়িক পড়ে গেছে। ঠিক সেই মুহূর্তে, উপস্থিতদের মধ্যে একমাত্র প্রকৃতিস্থ ব্যক্তি নিনো ভ্যালেন্টি, ভিড় ঠেলে এগিয়ে এল। উলঙ্গ জনিকে মেয়েগুলোর হাত থেকে উদ্ধার করে, তাকে নিজের মস্ত কাঁধে তুলে নিল। তারপর সবার প্রতিবাদ আর বাধার সাথে লড়তে লড়তে সোজা বাড়ি থেকে বেরিয়ে গাড়িতে এসে উঠে পড়ল।

    গাড়ি চালিয়ে জনিকে বাড়িতে ফিরিয়ে নিয়ে যাচ্ছে নিনো। ভাবছে, একে যদি সাফল্য বলে, তা দিয়ে ওর দরকার নেই।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleইতিবৃত্তে চণ্ডাল জীবন – মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    Next Article দ্য লাস্ট ডন – মারিও পুজো

    Related Articles

    মারিও পুজো

    দ্য লাস্ট ডন – মারিও পুজো

    November 15, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }