Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    গডফাদার – মারিয়ো পুজো

    মারিও পুজো এক পাতা গল্প932 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১.৩ পিছনের সীটে বসাল ওরা হেগেনকে

    ০৩.

    পিছনের সীটে বসাল ওরা হেগেনকে। ওর দুপাশে উঠে বসল দুজন লোক। সামনের সীটে, ড্রাইভারের পাশে বসেছে সলোযো।

    ওর দিকে একটা হাত এগিয়ে আসছে দেখে ছ্যাৎ করে উঠল হেগেনের বুক। ডান পাশের লোকটা হেগেনের টুপিটা ধরে নিজের দিকে টেনে চোখ দুটো আড়াল করে দিল। নড়বে না, উত্তেজিত চাপা কণ্ঠে বলল সে।

    বিশ মিনিট পর থামল গাড়ি। নিচে নামতে বলা হলো হেগেনকে। কোন প্রশ্ন বা প্রতিবাদ না করে নামল হেগেন। সন্ধ্যা হয়ে গেছে, জায়গাটা চিনতে পারছে না সে। একটা বাড়ির উঠান বলে মনে হলো।

    কড়া পাহারা দিয়ে বেসমেন্টের একটা কামরায় নিয়ে যাওয়া হলো তাকে। শক্ত কাঠের খাড়া পিঠওয়ালা একটা চেয়ারে বসতে বলা হলো। টেবিলের অপর দিকে একটা চেয়ারে বসল, সলোযো। তার সেই আগের চেহারা নেই এখন আর। ঘামে পিচ্ছিল মুখে শকুনের শঠতা প্রকাশ পাচ্ছে।

    দেখো, টম, এর মধ্যে তোমার বিপদের কোন আশঙ্কা নেই, সলোযো আন্তরিকতার ভান করছে, অভয় দিয়ে হেগেনের মাথাটাকে ঠাণ্ডা করার চেষ্টা করছে। শক্তি প্রয়োগের দিকটা তোমার এক্তিয়ারের বাইরে, আমি জানি।

    কি চান আপনি? ঠোঁটে একটা সিগারেট তুলল হেগেন। হাত দুটো কাঁপছে। সলোমোর চোখে চোখ রেখে উত্তরের অপেক্ষায় আছে সে।

    ঠক করে আওয়াজ হলো টেবিলে। ঘাড় ফেরাতেই হেগেন দেখল একজন লোক হুইস্কিভর্তি একটা গ্লাস রেখে সরে যাচ্ছে দরজার দিকে। নিঃশব্দে গ্লাসটা তুলে নিল হেগেন। ইচ্ছা করছে এক নিঃশ্বসে সবটুকু খেয়ে ফেলতে কিন্তু তা সে করল না। একটু একটু করে চুমুক দিল দুবার। সলোহোর চোখে চোখ রাখল। আমার প্রশ্নের উত্তর দিন। হাত দুটো স্থির হয়ে গেছে তার। পায়ে এখন জোর পাচ্ছে।

    ডন কর্লিয়নি নেই…

    মুখে কোন প্রতিক্রিয়া নেই হেগেনের, কিন্তু নিমেষের মধ্যে দুচোখ থেকে ঝর ঝর করে পানি নামতে শুরু করল। আশ্চর্য হয়ে গেল সলোযো। গভীরভাবে, সগর্বে আবার বলল সে, ওকে আমরা ওর অফিসের বাইরে খুন করেছি। পাকা খবর পেয়েই এখানে নিয়ে এসেছি তোমাকে, কিছু কথা বলার জন্যে।

    পাথর হয়ে গেছে হেগেন। চোখের পাতা নড়ছে না, শুধু পানি ঝরছে। শোকের গভীরতা অনুভব করে নিজেই আশ্চর্য হয়ে যাচ্ছে সে। একটা হাহাকার ধ্বনি ছাড়া কিছুই শুনতে পাচ্ছে না। জীবনে কখনও এমন নিঃসঙ্গ বোধ করেনি সে। কেউ যদি এসে বলত, হেগেন, তুমি মারা গেছ-তাহলেও বুঝি এমন অসহায় বোধ করত না। ধীরে ধীরে শোকের প্রকোপ কমে আসছে। মৃত্যুর কথা ভাবছে এখন হেগেন। সলোযোকে ভয় পাচ্ছে, ঠিক তা নয়। দুনিয়ার সব কিছুই এখন ভীতিকর মনে হচ্ছে তার। ডন নেই, তাই স্বাভাবিকভাবেই দুর্বল হয়ে গেছে সে, আর দুর্বল হলে যা হয়, মৃত্যুর কথা মনে পড়ে যাচ্ছে।

    সনি এখন কর্লিয়নি পরিবারের হাল ধরবে, চতুর শিয়ালের মত লাগছে সলোযোকে। হাসছে সে। ডনকে সরিয়ে ওর উপকারই করেছি আমি, কি বলে? বাপ বেঁচে থাকতে ওর কোন আশা ছিল না। একটু থেমে কণ্ঠস্বরটাকে দরাজ করুল সে, ডনের ওপর আমার ব্যক্তিগত কোন আক্রোশ ছিল না, এটা তোমাকে বুঝতে হবে, হেগেন। আমার ব্যবসার স্বার্থ ডন রক্ষা করতে রাজি হয়নি, কিন্তু তার ছেলে সনি বেশ একটু আগ্রহ দেখিয়েছে, সুতরাং সনিকে সুবিধে মত জায়গায় তুলে না দিয়ে উপায় ছিল না আমার।

    চিন্তাশক্তি দ্রুত ফিরে পাচ্ছে হেগেন।, সনির সেই ভুলটা মারাত্মক পরিণতি ডেকে আনতে পারে, এ ভয় অনেক আগেই হয়েছিল তার। ওর বিশ্বাস, ডনও ব্যাপারটা বুঝেছিলেন। হেগেনের চিন্তায় বাধাপড়ল। সলোযো আবার কথা বলছে।

    আমার প্রস্তাবটা সবদিক থেকে ভাল,কণ্ঠস্বরে কাঠিন্য ফুটে উঠল সলোযোর। তাছাড়া বুদ্ধি দিয়ে বিবেচনা করলে তুমিও বুঝতে পারবে আমার প্রস্তাবটা গ্রহণ করাই তোমাদের জন্যে মঙ্গলজনক। সত্যি কথা বলতে কি, এছাড়া তোমার উপায়ও নেই। একটু থেমে সলোযো আবার বলল, এর চেয়ে ভাল ব্যবসা আর হয় না। সংশ্লিষ্ট আমরা সবাই বছর দুয়েকের মধ্যে বিরাট ধনী হয়ে যাব। ডন কর্লিয়নি ছিল সেকেলে, কিন্তু তোমরা সেকেলেও নও, বোকাও নও–অন্তত আমার তাই ধারণা। তাই বলছি, নতুন করে সমঝোতা করি এসো। আমি চাই সনিকে সঠিক বুদ্ধি যোগান দিয়ে আমার প্রস্তাবে রাজি করাও ওকে তুমি।

    একটুও উত্তেজনার ছাপ নেইহেগেনের চেহারায়। খুব সহজভাবে, কিন্তু পরিপূর্ণ দৃঢ় নিশ্চয়তার সাথে কলল, যা ভাবছেন তা ভুলে যান। কোন আশা নেই আপনার। সনিকে আপনি এখনও চেনেননি। ওর আক্রোশ থেকে আপনার রেহাই নেই। সমস্ত শক্তি দিয়ে আপনার বিরুদ্ধে লাগবে ও।

    অধৈর্যের সাথে সলোযো বলল, রগচটা লোক সে, আমরা সবাই তা জানি। আমাকে ছিঁড়ে টুকরো টুকরো করে ফেলার ইচ্ছে হবে তার, ঠিক, কিন্তু, সেটা হবে তার প্রথম প্রতিক্রিয়া। তারপর মাথা ঠাণ্ডা হবে, চিন্তাশক্তি ফিরে পাবে। তখনই বৃদ্ধির আলোতে সামনের পথটা দেখতে সাহায্য করবে তাকে তুমি। সলোযো একটু থেমে আবার বলল, সমস্ত শক্তি দিয়ে আমাকে সাহায্য করছে টাটাগ্লিয়ারা। ডন না থাকায় তোমাদের শক্তি কতটা কমে গেল তা সনিকে বোঝাতে হবে তোমার। সামগ্রিক যুদ্ধ কেউই চায় না, তাই নিউইয়র্কের আর সব পরিবারগুলো চাইবে একটা আপোস হয়ে যাক, অর্থাৎ তারাও আমাকে সমর্থন দেবে। লড়াই রেধে গেলে ব্যবসার অপূরণীয় ক্ষতি হয়, সেই ঝুঁকি কেউ নিতে রাজি হবে না। সনিকে তোমার বোঝাতে হবে, ওদের সবার সমর্থন হারাবার মত বোকামি সে যেন না করে। তাছাড়া, আল জিনিসই হারিয়ে ফেলেছ তোমরা, লড়াই করে কিছু লাভ করতে পারবে না। মাথা নাড়তে শুরু করল সলোযা, তবে গোটা ব্যাপারটা এখন নির্ভর করছে সনির ওপর। সে আমার সাথে রাগ করলে এ দেশের সবকটা পরিবার ভাববে ব্যাপারটার সাথে তাদের কোন সম্পর্ক নেই। ডন কর্লিয়নির সুহৃদরাও স্বস্তির সাথে তাই ভাববে।

    মাথা নিচু করে নিজের হাতের দিকে চুপচাপ তাকিয়ে আছে হেগেন। নিচু গলায় তাকে পটাতে চেষ্টা করছে সলোযো। আগের সেই প্রচণ্ড প্রতাপ ছিল না ডনের। তার শক্তি কমে যাচ্ছিল। তা নাহলে এমন বে-কায়দায় তাকে পাই? তারপর তোমার ব্যাপারটাই ধরো, তুমি ইতালীয় পর্যন্ত নও, সিসিলীয় হওয়া তো দূরের কথা, অথচ তোমাকে সে কনসিলিয়রি করল–অন্যান্য পরিবারগুলো ব্যাপারটা খুব খারাপ ভাবে নিয়েছে। ডন কর্লিয়নির ওপর তারা আস্থা হারিয়েছিল।

    হেগেনের দিকে তীক্ষ্ণ চোখে তাকিয়ে আছে সঁলোযো। এত কথায় কিছু কাজ হচ্ছে কিনা বোঝার চেষ্টা করছে সে। কিন্তু হেগেনের মুখ যেন পাথর দিয়ে খোদাই করা, ভাবের কোন প্রকাশ সেখানে নেই।

    আমাকে আবার ভুল বুঝো না, একটু ব্যঙ্গের সাথে বলল ধূর্ত সলোযো। ভেব না ডনকে খুন করে খুব ভয় পেয়ে গেছি। আসলে সামগ্রিক যুদ্ধ চাই না। তাতে তোমাদের একা নয়, সবার ক্ষতি হবে-আমারও। কিন্তু, যুদ্ধ যদি হয়ই, আমিও তৈরি।

    একবার চোখ তুলল হেগেন। কিন্তু তার মুখ দেখে কিছু বোঝা যাচ্ছে না।

    টাকার চেয়ে আমাদের বেশি দরকার কর্লিয়নিদের রাজনৈতিক প্রভাবের ছত্রছায়া, সলোযো বলল। তোমাদের ওই জিনিসটা এখনও আছে বলেই এত মূল্য পাচ্ছ। ডন মারা যাওয়ায় সেই প্রভার কদ্দিন তোমাদের থাকবে তা অবশ্য সঠিকভাবে কিছু বলা যায় না। সনিকে বোঝাও লড়াই করতে গেলে খুব তাড়াতাড়ি জিনিসটি হারাতে হবে তাকে। ওর একার সাথে নয়, ক্যাপোরেজিমিদের সাথেও আলোচনা করো, নিজেরা ভাল করে বুঝে দেখো, ঠিক করো কি চাও তোমরা-রক্তপাত, নাকি শান্তি?

    হুইস্কির গ্লাসে চুমুক দিয়ে সেটা একটু দূরে নামিয়ে রাখল হেগেন। সাথে সাথে দরজার পাশে দাঁড়ানো লোকটা এগিয়ে এসে সেটা আবার ভরে দিল। নিরপেক্ষ সুরে হৈগেন বলল, চেষ্টা করব। এর বেশি কিছু এই মুহূর্তে আমার পক্ষে বলা সম্ভব নয়। কিন্তু আপনাকে আমি সাবধান করে দিচ্ছি, সনির গোয়ার্তুমিটা ভয়ঙ্কর। তাছাড়া, লুকা ব্রাসিকে ঠেকাবার ক্ষমতা সনিরও নেই। আপনার সাথে সন্ধি করলে সনিকেও ক্ষমা করবে না সে। আমাকে তো নয়ই।

    অদ্ভুত শান্ত ভঙ্গিতে সলোযো বলল, লুকার কথা ভেবে ভয় পেতে হবে না। তার ব্যবস্থা আমি করব, সে-দায়িত্ব আমার উপর ছেড়ে দিতে পারো। তুমি তিন ভাইয়ের দায়িত্ব নাও। ওদের বলো, বাপের সাথে ফ্রেডিকেও খুন করা হত আজ। যাদেরকে এ কাজের দায়িত্ব দিয়েছিলাম তারা তাই চেয়েছিল, কেননা এ ধরনের কাজে বাছ বিচার করে গুলি চালানো সম্ভব নয়। কিন্তু বিপদের ঝুঁকি নিয়ে আমি কড়া নির্দেশ দিয়েছিলাম তাদেরকে, ফ্রেডিকে খুন করা চলবে না। বুঝতেই পারছ, ঠিক যতটুকু দরকার তারচেয়ে বেশি বিদ্বেষ আমি দেখাতে চাইনি। ফ্রেডি বেঁচে আছে, সেটা আমারই মহানুভবতা, এটা বলতে ভুল কোরো না সনিকে।

    সব বুঝতে পারছে হেগেন। সলোযোর উদ্দেশ্য ওকে মেরে ফেলা নয়। জিমী হিসাবে আটকে রাখতে চাইছে না। এটুকু বুঝতে পারার সাথে সাথে অদ্ভুত একটা আনন্দের সোত অনুভব করল শরীরে, কিন্তু পরক্ষণে লজ্জায় আপনা থেকেই নিচু হয়ে গেল মাথাটা। ডনের চেয়ে নিজের জীবনকে সে বেশি ভালবাসে, এটা আজ এই প্রথম বুঝতে পেরে নিজেকে অপরাধী লাগছে তার।

    হেগেনের মুখের দিকে তাকিয়ে মুচকি মুচকি হাসছে সলোযো। আইরিশ কনসিলিয়রির মনের প্রতিটি ভাবনা স্পষ্ট পড়তে পারছে যেন সে।

    পরিস্থিতিটা নিয়ে ভাবছে হেগেন। সলোহোর প্রস্তাবে তার সমর্থন আছে, এখানে বসে এ কথা তাকে বলতেই হবে, তা না হলে তুর্কী শয়তান তাকে ছাড়বে না, মেরেই ফেলবে। ব্যাটা চাইছে কি? চাইছে তাকে দিয়ে সনির কাছে প্রস্তাবটা নতুন করে উত্থাপন করতে চাইছে প্রস্তাবের পক্ষে যত যুক্তি আছে সব যেন সে সনিকে বুঝিয়ে বলে। তা বলতেও হেগেনের আপত্তি নেই। কনসিলিয়রি হিসাবে এটাই তো তার দায়িত্ব। আরও খানিক চিন্তা করে হেগেন বুঝল, সলোযোর কথার মধ্যে অযৌক্তিক কিছু নেই। টাটাগ্লিয়া আর কর্লিয়নিদের মধ্যে একটা রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ বাধতে যাচ্ছে, কোন সন্দেহ নেই, কিন্তু যে কোন ভাবে এটাকে ঠেকাতেই হবে। ঠেকাতে হবে ব্যবসার খাতিরে। মারামারি করে ধ্বংস হয়ে যাওয়ার পরামর্শ সনিকে দিতে পারে না সে। কনসিলিয়রি হিসাবে তার দায়িত্ব সবার আগে ব্যবসার স্বার্থ দেখা। গড ফাদারকে সমাধিস্থ করেই সব ভুলে যেতে হবে। নতুন করে শান্তিচুক্তি করতে হবে। তারপর অপেক্ষা করতে হবে অনুকূল সময়ের জন্যে, তখন ব্যবস্থা নেয়া যাবে সলোযো আর টার্টগ্লিয়াদের বিরুদ্ধে।

    মুখ তুলল হেগেন। চোখাচোখি হতেই সলোযো সবজান্তার ভঙ্গিতে হাসল একটু।

    শরীরটা শিরশির করে উঠল হেগেনের। তার ভাবনা-চিন্তা সবটুকুই গড় গড় করে পড়ে ফেলেছে সলোগো।

    খানিক আগে থেকেই কি একটা ব্যাপারে মনটা খুঁত খুঁত করছিল, হঠাৎ কারণটা আবিষ্কার করে ফেলল হেগেন। লুকা ব্রাসি! তার ব্যাপারে একটুও দুশ্চিন্তা করছে না সলোযো। ব্যাপার কি? ডনের সাথে লুকা বেঈমানী করল নাকি? দূর, নিজেকে ধিক্কার দিল হেগেন, কস্মিনকালেও তা সম্ভব নয়। সেই সাথে একটা কথা মনে পড়ে গেল তার। সলোযোর প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেই নিজের অফিসে লুকাকে ডেকে পাঠিয়েছিলেন ডন। গোপনে তাকে কিছু বলেছিলেন তিনি।

    এসব ব্যাপার এখন গুরুত্বপূর্ণ নয়, ভাবছে হেগেন। সবচেয়ে আগে লং বীচে, কর্লিয়নিদের দুর্ভেদ্য কেল্লার নিরাপদ আশ্রয়ে ফিরে যেতে হবে তাকে। আপনার কথার মধ্যে মুক্তি আছে, একথা বত ডনও স্বীকার করতেন। এই পরিস্থিতিতে ডন কি রতেন, তাও বুঝতে পারি আমি। তিনি আপনার প্রস্তাব মেনে নিতেন।

    হ্যাঁ, সলোমো একটু গম্ভীর হয়ে বলল, তোমার সাথে আমি একমত। সেকেলে বলেই তাকে মরতে হলো, কিন্তু তার ব্যবসা-বুদ্ধির প্রশংসা না করে উপায় নেই।

    কিন্তু সনিকে রাজি করাতে পারব, এখানে বসে সে প্রতিশ্রুতি আপনাকে আমি দিতে পারি না, ধীর গলায় কথাগুলো বলল হেগেন। এইটুকু বলতে পারি, আমার তরফ থেকে চেষ্টার কোন ত্রুটি হবে না।

    মাথা ঝাঁকিয়ে নরম গলায় সলোযো বলল, গুড, ওইটুকুই চাই আমি তোমার কাছ থেকে। ব্যবসায়ী মানুষ আমি, রক্তপাতের দাম বহুত চড়া, তাই ওসব ভালবাসি না।

    ঝন ঝন করে বেজে উঠল টেলিফোনটা। হেগেনের পিছনে দাঁড়ানো একজন লোক এগিয়ে এসে রিসিভার তুলল। কি শুনল সে কে জানে, মুখটা কালো হয়ে গেল নিমেষে, বলল, আচ্ছা, দিদি, খবরটা।

    সনোযোর দিকে তাকাল লোকটা। রিনির নামিয়ে রাখছে ক্র্যাডলে। তার। দিকে তাকিয়ে আছে সবাই। হেলে লক্ষ করল, লোকটার কাপুনি ধরে গেছে। এগিয়ে গিয়ে সলোমোর পাশে গিঁয়ে দাঁড়াল সে, নিচু হয়ে তার কানে কানে কিছু বলল।

    মুহূর্তে রক্তশূন্য ফ্যাকাসে হয়ে গেল সলোযোর চেহারা। হিংস্র একটা আক্রোশ ফুটে উঠল দুই চোখে।

    অজানা আশঙ্কায় বুকটা কেঁপে উঠল হেগেনের। সলোযো তীব্র দৃষ্টিতে এমন ভাবে তাকিয়ে আছে, সাংঘাতিক কোন মতলব ফঁদছে যেন।

    ঘন অন্ধকারে বিদ্যুৎ চমকে উঠল যেন, হেগেন পরিষ্কার বুঝে ফেলল তাকে এখন আর ছেড়ে দেয়া হবে না। প্রতিকূল এমন কিছু ঘটেছে, এখন আর তাকে মেরে না ফেলে সলোযোর কোন উপায় নেই।

    শালা বুড়ো মরেনি! দাঁতে দাঁত ঘষে বলল সলোযো। চেহারাটা বিকৃত হয়ে উঠেছে তার, ভয়ঙ্কর নিষ্ঠুর দেখাচ্ছে তাকে। পাঁচটা গুলি খেয়েও টিকে আছে এখনও।

    হেগেনের দম বন্ধ হয়ে এল। অদ্ভুত একটা স্বস্তির পরশ অনুভব করল সে। হঠাৎ উপলব্ধি করছে, এখন আর সে নিঃসঙ্গ নয়। গডফাদার যেন ঠিক তার পাশেই উপস্থিত রয়েছেন।

    কাঁধ ঝাঁকাল সলোযো। ভঙ্গিটা আত্মসমর্পণের। উপায়ও নেই তার এখন নিজেকে সম্পূর্ণ ভাগ্যের হাতে ছেড়ে দেয়া ছাড়া। ডন কর্লিয়নি বেঁচে থাকা মানে গোটা পরিস্থিতি ওর বিরুদ্ধে চলে যাওয়া।

    হেগেনের চোখে চোখ রেখে আবার কাঁধ ঝাঁকাল সলোযো। মুখে অসহায়। ভাব ফুটিয়ে বলল, আমিও ডুবলাম, তুমিও ডুবলে-দুৰ্ভগ্য আর কাকে বলে!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleইতিবৃত্তে চণ্ডাল জীবন – মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    Next Article দ্য লাস্ট ডন – মারিও পুজো

    Related Articles

    মারিও পুজো

    দ্য লাস্ট ডন – মারিও পুজো

    November 15, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }