Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    গডফাদার – মারিয়ো পুজো

    মারিও পুজো এক পাতা গল্প932 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১.৪ প্রবেশ পথটা শিকল দিয়ে আটকে রাখা

    ০৪.

    প্রবেশ পথটা শিকল দিয়ে আটকে রাখা হয়েছে। আটটা বাড়ির ফ্রাড লাইটের আলোয় দিনের মত উজ্জ্বল হয়ে আছে প্রাঙ্গণটা। ধনুকের মত বেঁকে যাওয়া কংক্রিটের রাস্তায় দশ-বারোটা গাড়ি দেখতে পাচ্ছে মাইকেল। লোহার শিকলটার উপর ভর দিয়ে যে দুজন লোক দাঁড়িয়ে আছে তাদের একজন জিজ্ঞেস করল, কে?

    নিজের নাম বলল মাইকেল।

    কাছের বাড়িটা থেকে একজন লোক বেরিয়ে এসে খুঁটিয়ে দেখল মাইকেলকে, তারপর প্রহরীদেরকে বলল, ডনের ছোট ছেলে ইনি। তারপর মাইকেলকে বলল, ভিতরে আসুন।

    বাড়ি ভর্তি লোক, কিন্তু সবাই অচেনা, শেষ পর্যন্ত ড্রয়িংরুমে ঢুকে হেগেনের স্ত্রী টেরিনাকে পেল, মাইকেল। একটা সোফায় পা গুটিয়ে বসে সিগারেট খাচ্ছে। সামনের কফি টেবিলটাতে হুইস্কি ভর্তি একটা গ্লাস। সোফার আরেক ধারে ভাবলেশহীন মুখে মোটাসোটা ক্যাপোরেজিমি ক্লেমেঞ্জা বসে আছে, তার কপালের ঘাম আর হাতের চুরুটে লেগে থাকা থুথু উজ্জ্বল আলোয় চকচক করছে।

    মাইকেলের হাত ধরে নাড়া দিল ক্লেমেঞ্জা, সান্তনার সুরে বলল, তোমার বাবাকে হাসপাতালে দেখতে গেছেন তোমার মা-গুর্ন সুস্থ হয়ে উঠবেন।

    একটা চেয়ার ছেড়ে করমর্দনের জন্যে উঠে দাঁড়াল পলি। মাইকেল জানে, পলি গাটো বাবার দেহরক্ষী। কিন্তু পলি আজ বাড়ি থেকে বেরোয়নি, তা এখনও জানে না ও। তাই কৌতুক মেশানো কৌতূহলের সাথে পলির দিকে তাকিয়ে থাকল।

    পলির তীক্ষ্ণ চেহারার মধ্যে চাপা উত্তেজনা দেখা যাচ্ছে। চটপটে আর দক্ষ বলৈ সুনাম আছে তার। হাঙ্গামার সৃষ্টি না করে নানা ধরনের সূক্ষ্ম কাজ সারতে জুড়ি নেই ওর। লোকটার জন্যে দুঃখ হলো মাইকেলের এই ভেবে যে আজ সে তার দায়িত্ব পালনে চরমভাবে ব্যর্থ হয়েছে।

    ড্রয়িংরুমে এখানে সেখানে আরও অনেকেই বসে আছে। কাউকে চেনে না মাইকেল। তবে এরা ক্লেমেঞ্জার দলের কেউ নয়। দেখেশুনে পরিষ্কার বুঝতে পারছে সে, বিশ্বাসঘাতক বলে সন্দেহ করা হচ্ছে ক্লেমেঞ্জা আর গাটোকে।

    ফ্রেডি কেমন আছে? জানতে চাইল সে।

    ডাক্তার ইনজেকশন দিয়ে ঘুম পাড়িয়ে রেখেছে ওকে, বলল ক্লেমেঞ্জা।

    ঝুঁকে পড়ে হেগেনের স্ত্রী টেরিসার গালে একটা চুমো খেলো মাইকেল। খুব ভাল সম্পর্ক দুজনের মধ্যে। চিন্তা কোরো না, নিচু গলায় বলল ও, নিরাপদে আছে টম। সনির সাথে কথা হয়েছে তোমার?

    মাইকেলের একটা হাত শক্ত করে ধরে কয়েক সেকেণ্ড স্থির হয়ে থাকল টেরিসা, তারপর মাথা দোলাল। এমনিতে আশ্চর্য সুন্দরী, তার উপর মাথা দোলনোটা অদ্ভুত সুন্দর লাগল মাইকেলের হাত ধরে টেনে তুলল তাকে। সাথে করে নিয়ে গেল শেষ প্রান্তে রাবার অফিস কামরায়।

    ডেস্কের পিছনে রিভলভিং চেয়ারে হেলান দিয়ে বসে আছে সনি। তার এক হাতে হলুদ রঙের প্যাড, আরেক হাতে পেন্সিল। টেসিওকে চেনে মাইকেল, সে ছাড়া আর কেউ নেই কামরায়। তাকে দেখেই বুঝে নিল ও বাড়ির সব লোক টেসিওর। কাগজ আর পেন্সিল তার হাতেও দেখতে পাচ্ছে মাইকেল।

    চেয়ার ছেড়ে দ্রুত উঠে দাঁড়াল সনি, ডেস্ক, ঘুরে এগিয়ে এসে জড়িয়ে ধরল টেরিকে। একটুও চিন্তা কোরো না, বলল সে। একটা প্রস্তাব দিয়ে টমকে ফেরত পাঠাচ্ছে ওরা। আমাদের তৎপরতার সাথে ওর কি সম্পর্কও তো শুধু আমাদের উকিল। ওর ক্ষতি কেন করবে ওরা? •

    টেরিসাকে ছেড়ে দিয়ে এবার মাইকেলকে জড়িয়ে ধরে চুমু খেলো সনি।

    হতভম্ব দেখাচ্ছে মাইকেলকে। অরে, করো কি! সনিকে ঠেলে সরিয়ে দিয়ে হাসতে শুরু করল সে। মেরে ধরে হাড়ে দাগ বসিয়ে দিয়েছ, সেটাই তো অভ্যাস হয়ে গেছে-এখন আবার এসব কি? অল্প বয়সে মারপিট লেগেই ছিল, ওদের মধ্যে।

    কাঁধ আঁকাল সনি। শোন তবে তোর খোঁজ না পেয়ে ভয়ে কলজে শুকিয়ে গিয়েছিল আমার। তোকে ওরা মেরে ফেললে বা কি, বাঁচিয়ে রাখলেই বা কি কিছু এসে যেত না আমার কিন্তু বুড়ি মাকে খবরটা সেই আমাকেই গিয়ে দিতে হত, ওখানেই আমার আপত্তি।

    বাবার খবরটা কিভাবে নিল মা? জানতে চাইল মাইকেল।

    এ তো আর নতুন কিছু নয়, বলল সনি। এরকম আগেও হয়েছে। তখন তুই ছোট ছিলি, তাই মনে নেই। আমি বা মা-দুজনেই স্বাভাবিকভাবে নিয়েছি ব্যাপারটাকে। একটু বিরতি নিল সে। বাবার কাছেই আছে মা। বাৰা সুস্থ হয়ে উঠবেন।

    আমরাও সেখানে যেতে পারি না?

    একটু গম্ভীর হলো সনি। সব না মিটলে বাড়ি থেকে বেরোনোমার পক্ষে সম্ভব নয়। শব্দ শুনে টেলিফোনের দিকে হাত বাড়াল সে।

    ডেস্কের উপর থেকে হলুদ প্যাডটা তুলে কি লেখা রয়েছে দেখছে মাইকেল। একটা তালিকা, তাতে সাতজনের নাম লেখা। তালিকায় প্রথম তিনজনে সাধ্যে রয়েছে সোযো, ফিলিপ টাটাগ্লিয়া, জন টাটাগ্লিয়া। কাকে কাকে মারতে হবে তার একটা অলিকা এটা, হঠাৎ চমকে উঠে বুঝতে পারল মাইকেল।

    রিসিভার নামিয়ে রাখল সনি। টেরিসা আর মাইকেলকে বলল, একটু বাইরে গিয়ে বসবে তোমরা?

    মাইকেল বুঝল, টেসিওর সাথে বসে তালিকাটা এখন চূড়ান্ত করবে সনি। কাঁদছে টেরিসা, তাকে ধরে দরজা পর্যন্ত পৌঁছে দিল সনি। কামরা থেকে বেরিয়ে না গিয়ে ইতিমধ্যে একটা সোফায় গ্যাট হয়ে বসে পড়েছে মাইকেল।

    দরজা বন্ধ করে দিয়ে ঘুরে তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে ছোট ভাইয়ের দিকে তাকাল সনি। বলল, এখানে থাকলে এমন সব কথা শুনতে হবে, যা ভাল লাগবে না তোর।

    একটা সিগারেট ধরাল মাইকেল। আমিও কাজে লাগতে পারি।

    অসম্ভব। এর মধ্যে তোকে জড়ালে বাবা আমাকে আস্ত রাখবেন না।

    হঠাৎ সোফা ছেড়ে উঠে দাঁড়াল মাইকেল, চিৎকার করে বলল, উনি কি তোমার একার বাবা? এই বিপদে তাঁকে আমি সাহায্য করতে পারব না, এ তুমি কেমন কথা বলছ! বাইরে বেরিয়ে মানুষ খুন না করলেও কাজে লাগা যায়। আমার সাথে এমন আচরণ করছ, এখনও যেন কচি খোকা আমি। তুমি ভুলে যাচ্ছ আমি একজন যুদ্ধফেরত সৈনিক। গুলিও খেয়েছি, দুচারটে জাপানীও মেরেছি। আমার সামনে কাউকে মেরে ফেললে, কি মনে করো তুমি, ভয়ে অজ্ঞান হয়ে যাব?

    দাঁত বের করে নিঃশব্দে হাসছে সনি। আরে রসো! বেয়াদবি মাত্রা ছাড়িয়ে গেলে আমাকে না আবার তোমার গায়ে হাত তুলতে হয়। ঠিক হ্যায়, শখ যখন হয়েছে, থেকেই যাও-ফোন এলে ধরো। টেসিওর দিকে ফিরল সে। বলল, যে খবরের অপেক্ষায় ছিলাম, একটু আগের ফোনে সেটা পেয়েছি।

    একটু থেমে মুচকি হাসল সনি, মাইকেলের দিকে তাকিয়ে বলল, কেউ একজন নিশ্চয়ই বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। ক্লামেঞ্জা হতে পারে। পলি গাটো হতে পারে। তার আবার আজ সর্দি লেগেছে বলে বাড়ি থেকে নাকি বেরোয়নি। মাইক, খুব তো কলেজে পড়িস, বল দেখি, কে সলোযোর টাকা খেয়েছে?

    ধীরে ধীরে আবার সোফায় বসল মাইকেল। ভাবছে সে। কর্লিয়নি পরিবারের একজন ক্যাপোরেজিমি ক্লামেঞ্জা। ডনের বিশ বছরের পুরানো, ঘনিষ্ঠ বন্ধু সে, ডন তাকে লক্ষপতি করে দিয়েছেন। ডন মারা গেলে তার কি লাভ? আরও টাকার লোভ? কিন্তু টাকা কম নেই তার। তবে, একথাও ঠিক যে টাকার লোভ কখনও মেটে না মানুষের। নাকি আরও ক্ষমতার মোহ? নাকি কোন অপমান বা অবহেলার প্রতিশাধ? তাকে বাদ দিয়ে হেগেনকে কনসিলিয়রি করা হয়েছে বলে? অথবা ব্যবসায়ী বুদ্ধিতে বুঝেছে শেষ পর্যন্ত জিতবে সলোযো, তাই তার পক্ষ অবলম্বন করাই বুদ্ধিমানের কাজ, তাই কি?

    উহু এসব সম্ভাবনা মনে মনে বাতিল করে দিল মাইকেল। ক্লেমেঞ্জা বেঈমানী করেছে একথা বিশ্বাস করতে রাজি নয় সে। কিন্তু পরমুহর্তে বিষণ্ণ মনে ভাবল, দুনিয়ায় অসম্ভব, অবিশ্বাস্য বলে কিছু আছে কি? নেই।

    আসলে ভালবাসা ওর বিচার বুদ্ধিকে ঘোলা করে তুলছে। ক্লেমেঞ্জার মৃত্যু চায় না ও। ছোটবেলায়কত উপহার এনে দিত লোকটা তাকে। কাঁধে তুলে সেই তো ওকে বেড়াতে নিয়ে যেত। উঁহু, মনস্থির করে ফেলল মাইকেল, ক্লেমেঞ্জা নয়।

    পলি গাটো?

    ওর সম্পর্কে সবাই আশাবাদী, সংগঠনে ওর উন্নতি হবে বলে মনে করা যায়, তবে আর সবার মত খেটেই উঠতে হবে ওকে। এখনও ধনী নয় ও। কম বয়সের অসংযত উচ্চাশা এবং খাটনি কমাবার হটকারী প্রবণতা ওর মধ্যে থাকতে পারে। সম্ভবত পলিই অপরাধী। কিন্তু পরমুহূর্তে মাইকেলের মনে পড়ে গেল স্কুলে ওরা ষষ্ঠ গ্রেডে একই ক্লাসে বসে লেখাপড়া করেছে–পলি অপরাধী বলে প্রমাণ হোক তাও সে চায় না।

    মাথা নেড়ে বলল মাইকেল, ওরা কেউ নয়। সনি একটু আগে আভাসে বলেছে যে কে অপরাধী তা সে টের পেয়েছে, সেজন্যেই এই উত্তরটা দিল মাইকেল। ভোট দেবার প্রশ্ন উঠলে ক্লেমেঞ্জাকে নিরপরাধ বলে ভোট দিতে হয় তার।

    মাইকেলের দিকে তাকিয়ে হাসছে সনি। বলল, ভেব না, ক্লেমেঞ্জা নির্দোন কাজটা পলিই করেছে।

    মাইকেল লক্ষ করল বিরাট একটা হাঁপ ছাড়ল টেসিও। সে-ও এক ক্যাপোরেজিমি; তাই ক্লেমেঞ্জা নির্দোষ প্রমাণ হওয়াতে খুশি হয়েছে সে। তার ক বিষয়টা আরও একটা কারণে বেশি গুরুত্ব পেয়েছে, তা হলো অত্যন্ত উঁচু প একজনকে সন্দেহের চোখে দেখা হচ্ছিল। ধীরেসুস্থে বলল সে, কাল আনা লোকদের ফেরত নিতে পারব তো?

    পরশু, বলল সনি। তার আগে ব্যাপারটা প্রকাশ হোক তা আমি চাই না। এবার আমার ভাইয়ের সাথে ব্যক্তিগত কিছু আলাপ করব। বাইরের ঘরে থাকে তুমি, কেমন? তালিকাটা পরে শেষ করলেও চলবে। ক্লেমেঞ্জাকে সাথে নিয়ে তুমিই এটা করে ফেলো।

    ঠিক আছে, কামরা থেকে বেরিয়ে গেল টেসিও।

    পলি দোষী জানলে কিভাবে? প্রশ্ন করল মাইকেল।

    এ-মাসে অসুস্থতার অজুহাতে তিনদিন কাজে আসেনি পলি, বলল সনি। এই তিন দিনই বাবার অফিসের উল্টোদিকের রাস্তার একটা বুথ থেকে কেউ ফোন করেছিল পলিকে। আজও। ওরা সম্ভবত খোঁজ নিচ্ছিল বাবার সাথে পলি যাচ্ছে, নাকি অন্য কেউ। কাঁধ ঝাঁকাল সনি। যাই হোক, ভাগ্য ভাল যে ক্লেমেঞ্জা দোনা নয়। ওকে এখন আমাদের বড় দরকার।

    একটু ইতস্তত করে মাইকেল বলল, একেবারে মরণপণ যুদ্ধ বেধে যাবে নাকি?

    সনির চোখ দুটোয় নিষ্ঠুরতার ঝিলিক খেলে গেল। টম এসে পৌঁছলেই শুরু করব আমি। বাবা যতক্ষণ নিষেধ না করেন।

    সেক্ষেত্রে বাবা কিছু না বলা পর্যন্ত অপেক্ষা করলেই তো পারো।

    একটু তাচ্ছিল্য এবং কৌতুকের সাথে ছোট ভাইয়ের দিকে তাকাল সনি। যুদ্ধে তুই এত পদক পেলি কিভাবে ভেবে পাই না। আমরা বন্দুকের সামনে দাঁড়িয়ে রয়েছি, দেখছিস না? যুদ্ধ না করে উপায় নেই আমাদের। আমার একটাই ভয়-টমকে যদি না ছাড়ে?,

    রীতিমত বিস্মিত হলো মাইলে, কেন, ছাড়বে না কেন?

    ধৈর্যের সাথে, বুঝিয়ে দেয়ার ভঙ্গিতে বলল সনি, বাবাকে মেরে ফেলতে পেরেছে মনে করে টুমকে হাইজ্যাক করেছিল ওরা, টমকে দিয়ে যাতে প্রস্তাব পাঠাতে পারে আমার কাছে। কিন্তু বাবা বেঁচে যাওয়ায় আমি আর কিছু নই ওদের কাছে, তাই টমও ওদের কোন কাজে আসছে না। তাকে ওরা যা খুশি করতে পারে এখন-খুনও করতে পারে, আবার ছেড়েও দিতে পারে। খুন করার একমাত্র অর্থ হবে আমাদেরকে জানিয়ে দেয়া যে ওদের সাথে লাগলে তার পরিণাম ভাল হবে না, এবং আমাদের ওপর জোর-জবরদস্তি খাটাবার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ওরা।

    মৃদু গলায় জানতে চাইল মাইকেল, বাবা মারা যাবার পর প্রস্তাব পাঠালে তুমি আপস করবে, এ-কথা সলোযোর মনে হলো কেন?

    সাথে সাথে টকটকে লাল হয়ে উঠল সনির মুখটা। কয়েক মুহূর্তে চুপ করে থাকার পর বলল সে, কয়েক মাস আগে সলোহোর সাথে একটা আলোচনায় বসেছিলাম আমরা। ড্রাগ ব্যবসার একটা প্রস্তাব নিয়ে এসেছিল সে। বাবা সেটা প্রত্যাখ্যান করেন। কিন্তু, নিজের উপর রাগে-অনুশোচনায় কালো হয়ে গেল সনির মুখটা, আমি একটু বেশি কথা বলে ফেলেছিলাম, যার ফলে সলোযো বুঝতে পেরেছিল ওর প্রস্তাবটাতে আমার সমর্থন আছে।

    চুপ করে থাকল কিছুক্ষণ সনি, তারপর বলল, এত বড় অন্যায় জীবনে আর করিনি। যাই হোক, বাবার সাথে আমার এই মত পার্থক্য লক্ষ করে সলোযো ভাবল ডন বেঁচে না থাকলে আমার সাথে ব্যবসাটা করতে পারবে সে। বাবা মারা গেলে এই পরিবারের অবস্থা কি দাঁড়াতে পারে তা কল্পনা করতে অসুবিধে হয়নি তার। রাতারাতি অর্ধেক কমে যেত আমাদের ক্ষমতা। বাবার গড়া ব্যবসাগুলোকে টিকিয়ে রাখতেই হিমশিম খেয়ে যেতাম আমরা। এই পরিস্থিতিতে ড্রাগের ব্যবসা ধরে নিজেদেরকে রক্ষার চেষ্টা করতাম। অন্তত তাই ভেবেছিল সলোমো, বাবাকে তার এই খুন করার চেষ্টা আর কিছু নয়, এর মধ্যে ব্যক্তিগত আক্রোশ বা অন্য কিছু নেই, স্রেফ ব্যবসার একটা চাল মাত্র। অবশ্য আমাকে ব্যবসায় নামিয়ে খুব সাবধানে থাকত সে, কখনও খুব কাছে ঘেঁষতে দিত না, যাতে সরাসরি গুলি করতে না পারি তার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করে রাখত। এবং একথাও তার জানা আছে যে একবার তার প্রস্তাবে রাজি হলে ভবিষ্যতে আর কখনোই প্রতিশোধ নেয়ার জন্যে লড়াই শুরু করতে পারব না আমি। অন্য পরিবারগুলো যেভারে থোক বাধা দেবে আমাকে। আপোস হয়ে যাবার পর শান্তিভঙ্গ করার চেষ্টা একটা মারাত্মক অন্যায় বলে মনে করবে সবাই।

    বাবা মারা গেলে কি করতে তুমি?

    সরল এবং সত্য কথাটা সহজ ভাবে বলল সনি, সলোযো আর টাটাগিয়া পরিবারকে জড় সুদ্ধ নির্মুল করতাম। তাতে যদি নিউ ইয়র্কের পাঁচটা পরিবারের সাথে যুদ্ধ করতে হত–তাও করতাম। তাতে যদি এই পরিবারের সবাইকে নিয়ে ডুবতে হত–তাও ডুবতাম।

    একটু ইতস্তত করল মাইকেল, তারপর ধীর ভঙ্গিতে, মৃদু কণ্ঠে বলল, তুমি যেভাবে নিচ্ছ, বাবা কিন্তু সেভাবে নিতেন না।

    হাত নেড়ে বিরক্তি প্রকাশ করল সনি, বলল, জানি, বাবার মত আমি হতে পারিনি। কিন্তু তোমাকে বলছি, কথাটা বাবাও জানেন, যখন সত্যি কাজের সময় আসে তখন যে কোন দক্ষ লোকের মত সবদিক আমিও সামলাতে পারি। সলোযো, ক্লেমেঞ্জা, টেসিও-এদেরও জানা আছে ব্যাপারটা। শেষ পরিবারিক লড়াইয়ে বাবাকে যথেষ্ট সাহায্য করেছি আমি। সুতরাং, সামলাতে না পারার ভয় আমার মধ্যে নেই। তাছাড়া, এ-ধরনের পরিস্থিতিতে লড়াই করার সবচেয়ে ভাল আয়োজন আমাদেরই রয়েছে। এখন শুধু লুকার জন্যে অপেক্ষা করছি, সে এলেই কাজ শুরু করব।

    কৌতূহলী হয়ে উঠল মাইকেল, বলল, আচ্ছা, লুকার ব্যাপারটা কি? সবাই তাকে সাংঘাতিক কিছু একটা বলে মনে করে। সত্যিই কি সে তাই?

    লুকা ব্রাসি? মুগ্ধ মুখভঙ্গি করে মাথা নাড়ল সনি! সে একাই একশো। টাটাগ্লিয়াদের পিছনে লেলিয়ে দেব ওকে। সলোযোর ব্যবস্থা আমি নিজে করব।

    অবস্তি বোধ করছে মাইকেল। বড় ভাইয়ের দিকে তাকিয়ে ভাবছে, মাঝেমধ্যে অদ্ভুত একটা আক্রোশ আর নিষ্ঠুরতা দেখা গেলেও মনটা আসলে ভাল সনির। অথচ সেই সনি কেমন শান্তভাবে, ঠাণ্ডা মাথায় মানুষ খুন করার কথা বলছে। কাকে কাকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হবে তার তালিকা তৈরির নির্দেশ দিয়েছে সে টেসিও. আর ক্লেমেঞ্জাকে–সে যেন সিংহাসনে আসীন রোমের একজন প্রতাপশালী সম্রাট। নিজের কথা ভেবে স্বস্তি বোধ করল মাইকেল। বাবা বেঁচে আছেন, সুতরাং প্রতিশোধ নেবার জন্যে এই গণ্ডগোলে তাকে জড়িয়ে পড়তে হবে না। টুকটাক সাহায্য করবে, ফাইফরমাশ খাটবে, টেলিফোন ধরবে,-তার বেশি কিছু না। সনি, এবং সুস্থ হয়ে উঠে বাবা, এরা নিজেরাই নিজেদের ব্যবস্থা করতে পারবে। তাছাড়া লুকা যখন আছে, চিন্তার কিছু নেই।

    হঠাৎ বাইরে থেকে একটা মেয়েলি কণ্ঠের চিৎকার ভেসে এল।

    ব্যাপার কি, ভাবল মাইকেল, গলাটা হেগেনের স্ত্রীর না? ঝট করে উঠে দরজার দিকে এগোল সে।

    দরজা খুলে মাইকেল দেখল বাইরের কামরায় উঠে দাঁড়িয়েছে সবাই। টম হেগেন নিঃশব্দে দাঁড়িয়ে আছে কামরার মাঝখানে, তাকে জড়িয়ে ধরে কাঁদছে তার স্ত্রী।

    স্ত্রীকে সোফায় বসিয়ে দিয়ে সিধে হলো: টম হেগেন। মাইকেলের দিকে তাকিয়ে বলল, তোমাকে দেখে খুব খুশি হয়েছি আমি, মাইক। টেরিসা কাঁদছে। এখনও, কিন্তু তার দিকে না তাকিয়ে দীর্ঘ পদক্ষেপে অফিস কামরায় এসে ঢুকল হেগেন। অদ্ভুত একটা গর্বে মুখটা লাল হয়ে উঠল মাইকেলের। ভাবছে, কর্লিয়নি পরিবারে বৃথাই কি আর দশটা বছর কাটিয়েছে টম। বাবার খানিকটা বৈশিষ্ট্য সে-ও পেয়েছে, সনিও পেয়েছে এবং কি আশ্চর্য বাড়ি থেকে দূরে দূরে কার্টালে কি হবে, বাবার কিছু গুণ তার গায়েও লেগে আছে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleইতিবৃত্তে চণ্ডাল জীবন – মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    Next Article দ্য লাস্ট ডন – মারিও পুজো

    Related Articles

    মারিও পুজো

    দ্য লাস্ট ডন – মারিও পুজো

    November 15, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }