Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    গডফাদার – মারিয়ো পুজো

    মারিও পুজো এক পাতা গল্প932 Mins Read0
    ⤶

    ৪.১৪ রক্তাক্ত জয়লাভ

    ১৪.

    রক্তাক্ত জয়লাভ সম্পূর্ণতা পেতে পুরো একটা বছর লেগে গেল। সূক্ষ্ম রাজনৈতিক কৌশলের সফল প্রয়োগ ঘটিয়ে ইতিমধ্যে গোটা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে শক্তিশালী ইতালীয় পরিবারের নেতা হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছে মাইকেল কর্লিয়নি। বছরটা সমান দুভাগে ভাগ করে লং বীচের হেডকোয়ার্টার আর লাস ভেগাসের বসতবাড়িতে কাটাল ও। বছরের শেষদিকে সিদ্ধান্ত নেয়া হলো, নিউ ইয়র্কের ব্যবসা বন্ধ করে দিয়ে, উঠান তার সমস্ত সয়-সম্পত্তি বিক্রি করে দেয়া হবে। তাই শেষবারের মত পরিবারের সবাইকে নিয়ে লাস ভেগাস থেকে নিউ ইয়র্কে এসেছে ও। ঠিক হয়েছে পুরো একটা মাস এখানে থাকবে ওরা। মাইকেল তার ব্যবসা বন্ধ আর সম্পত্তি বেটার ব্যাপারে ব্যস্ত থাকবে, আর ওদের ব্যক্তিগত জিনিসপত্র গুছিয়ে বাক্স বন্দী করবে কে। গৃহস্থালির যাবতীয় মালামাল পাঠানো হবে জাহাজযোগে।

    গোটা আমেরিকায় কর্লিয়নি পরিবার এখন অপ্রতিদ্বন্দ্বী। ক্লেমেঞ্জা এখন তার নিজের একটা আলাদা পরিবারের কর্তা। নিউ ইয়র্কে তার পরিবারটাই সবচেয়ে শক্তিশালী। কর্লিয়নিদের ক্যাপোরেজিমি এখন রকে ল্যাম্পনি। বিরাট একটা পদ দেয়া হয়েছে অ্যালবার্ট নেরিকেও। নেভাডায় কর্লিয়নিদের যত হোটেল রয়েছে সূবগুলোর সিকিউরিটি ব্যবস্থার ডিরেকটর সে। ডন মাইকেল তার পরিবারের একজন প্রবীণ সদস্য হিসেবে টম হেগেনকেও গ্রহণ করেছে।

    সময়ের কোমল হাতের ছোঁয়ায় পরানো সমস্ত ব্যথা সেরে যায়। ডন মাইকেলের ওপর এখন আর কোন রাগ বা অভিমান নেই কনি কর্লিয়নির। ভাইয়ের বিরুদ্ধে অতগুলো গুরুতর অভিযোগ আনার মাত্র এক হপ্তা পরই নিজে যেচে পড়ে মাফ চেয়েছে সে। ডন মাইকেলের স্ত্রী কে-কে বলেছে, সেদিন যাই বলে থাকুক সে, তার কথায় কোন সত্যতা ছিল না, হিস্টিরিয়ায় আক্রান্ত সদ্য বিধবার প্রলাপ ছিল ওসব।

    অনায়াসে আবার স্বামী পেয়ে গেছে কনি কর্লিয়নি। প্রথম স্বামীর জন্যে শোক প্রকাশ করতে পুরো একটা বছর অপেক্ষাও করেনি সে, যদিও সেটাই নিয়ম। তার দ্বিতীয় স্বামীর বয়স খুবই কম, কনির চেয়ে ছোট হলে হবে তো বড় হবে না। চমৎকার, খাসা ছেলে। বিছানায় প্রথম রাতেই তার প্রেমে পড়ে গেল কনি, ছেলেটা সেক্রেটারির কাজ নিয়ে কর্লিয়নি পরিবারে ঢুকেছিল, এবং দক্ষতা দেখিয়ে সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিল অল্প সময়েই। ভাল ইতালীয় পরিবারের ছেলে, তার ওপর আমেরিকার শ্রেষ্ঠ বিজনেস কলেজ থেকে পাস করেছে। ডনের বোনের সাথে বিয়ে হওয়ায় ভবিষ্যতের জন্যে তাকে আর চিন্তা করতে হবে না।

    ইতিমধ্যে পরিবারের সবাইকে খুশি করার জন্যে ক্যাথলিক ধর্মে দীক্ষা নিয়েছে কে কর্লিয়নি। ওর ছেলে দুটোও ওই ধর্মীয় নিয়মে মানুষ হচ্ছে। তবে এতে করে একটু অন্তুষ্টই হয়েছে মাইকেল। ছেলেরা প্রটেস্টান্ট হলেই বেশি খুশি হত সে! তার ধারণা, তাতে নাকি আরও বেশি করে মার্কিনী হওয়া যায়।

    নেভাডা শুধু ভাল লাগেনি কে-র, জায়গাটার প্রেমে পড়ে গেছে সে। ওখানের প্রাকৃতিক দৃশ্যাবলী জা করেছে তাকে। আকাশ ছোঁয়া পাহাড়, লাল পাথরের গরিখাদ, উত্তপ্ত মরুভূমি, প্রাণ ঠাণ্ডা করা নীল হ্রদ, এমন কি গ্রীষ্মকালের প্রচণ্ড গরমটাও ভাল লাগে তার। ছেলেরা ঘোড়ায় চড়ে খেলে। বাড়িতে বডিগার্ড নয়, চাকরবাকর আছে। আর নেভাডায় আরও অনেক স্বাভাবিক জীবনযাপন করে। মাইকেল। একটী গৃহ নির্মাণ সংস্থার মালিক সে। বিজনেস ক্লাবের সদস্য হয়েছে। সদস্য হয়েছে পৌর সংস্থার। আজকাল লোকজনের সাথে মেলামেশা করে। সবাই ভারি পছন্দও করে ওকে। রাজনীতি সম্পর্কে চিরকালই উৎসাহী ও, ইদানীং সেটা আরও বেড়েছে। সব মিলিয়ে কে-র কাছে জীবন বড় আনন্দময় বলে মনে হয়। নিউ ইয়র্কের আবাস তুলে দেয়া হচ্ছে, সেজন্যে খুব খুশি কে। এখন থেকে ভেগাসই ওদের স্থায়ী নিবাস হবে। ভেগাস থেকে নিউ ইয়র্কে আসতে একটুও ভাল লাগেনি তার।

    নিউ ইয়র্কে আজ ওদের শেষ দিন।

    ভোর অন্ধকার থাকতে ঘুম ভেঙে গেল কে-র। উঠান থেকে ট্রাকের ঘরঘর আওয়াজ ভেসে আসছে। বাড়ি খালি করে সম জিনিসপত্র নিয়ে যাওয়া হবে ট্রাকে করে। দুপুরের পর কর্লিয়নিদের মাকে নিয়ে প্লেনে করে রওনা হবে সবাই। ফিরে যাবে লাস ভেগাসে।

    বাথরুম থেকে বেরিয়ে এসে কে দেখ বালিশে হেলান দিয়ে বিছানায় বসে সিগারেট ফুকছে মাইকেল।

    স্ত্রীকে দেখেই জানতে চাইল মাইকেল, আচ্ছা, রোজ ভোরে গির্জায় না ছুটলেই কি নয়? রোববারে যাও, বাধা নেই, কিন্তু বোজ:এ কেমন কথা? তুমিও তো দেখছি মায়ের, মতই খারাপ হয়ে যাচ্ছ। হাত বাড়িয়ে টেবিলের আলোটা জেলে ঘরের অন্ধকার তাড়াল মাইকেল।

    খাটের কিনারায় বসল কে। মোজা পরছে। ক্যাথলিকরা কেমন হয় জানোই তো, বলল সে। তার ওপর আমি আবার দীক্ষা নিয়েছি। এরা সাধারণত আর সবার চেয়ে ধর্মের ওপর গুরুত্ব দেয়।

    হাত বাড়িয়ে দিল মাইকেল। কে-র উরু স্পর্শ করল ও। চামড়াটা কোমল আর

    না, হাত সরাও, মৃদু তিরস্কারের সুরে বলল কে। তোমার চাল আমি বুঝতে পারছি। লাভ নেই, সাহেব। আজ সুবিধে হবে না।

    কেন? কেন?

    আজ আমি কমিউনিয়ন নিচ্ছি, বলল কে। মাইকেলের হাত সরিয়ে দিয়ে খার্ট ছেড়ে উঠে দাঁড়াল সে।

    মৃদু একটু হাসল মাইকেল। বুঝলাম। নিজেকে তুমি গোড়া ক্যাথলিক বলে স্বীকার করছ, বলল ও। কিন্তু কই, ছেলেদেরকে তো কিছু বলো না, ওরা যে এত গির্জা ফাঁকি দেয়?

    ওরা ছেলেমানুষ, গির্জায় যাবার সময় পড়ে রয়েছে ওদের, বলল কে। বাড়ি ফিরে নিয়মিত পাঠাব ওদেরকে।

    ঘর থেকে বেরিয়ে যাবার আগে স্বামীকে চুমো খেলো কে। বাড়ির বাইরে বেরিয়ে এসে একটু দাঁড়াল সে। এরই মধ্যে গরম হয়ে উঠেছে বাতাস। গ্রীষ্মের স উঠছে পূবদিকে, আকাশটা টকটকে লাল। উঠানের ফটকের কাছে একটা গাড়ি দাঁড়িয়ে রয়েছে, সেদিকে এগোল কে।

    গাড়িতে ওর জন্যে অপেক্ষা করছেন শাড়ী। বিধবার কার্লো পোশাক পরেছেন তিনি। বউমাকে নিয়ে ভোরের মাস অনুষ্ঠানে যাওয়া রোজকার একটা নিয়মে দাঁড়িয়ে গেছে তার।

    বুড়ি শাশুড়ীর তোবড়ানো মুখে চুমো খেলো কে। তারপর ড্রাইভিং সীটে বসল।

    সন্দেহ হওয়াতে বউমাকে জিজ্ঞেস করলেন তিনি, নাস্তা খেয়ে এলে নাকি?

    না, মৃদু গলায় বলল কে।

    সন্তুষ্টচিত্তে মাথা দোলালেন বৃদ্ধা! পবিত্র কমিউনিয়ন নিতে হলে রাত বারোটার পর মুখে কিছু দিতে নেই। নিয়মটা একবার ভূলে গিয়েছিল কে। সে অনেকদিন আগের কথা, কিন্তু শাশুড়ী তা আজও ভোলেননি। রোজই তিনি কথাটা জেনে নেন।

    তারপর আবার জানতে চাইলেন, শরীর ভাল তো?

    জী।

    ভোরের কচি রোদে ছোট গির্জাটাকে কেমন যেন মিয়মান আর বিষণ্ণ লাগে। ভেতরটা খুব ঠাণ্ডা। মনে হয়, এখানে বসে সারাটা দিন বিশ্রাম নিতে পারলে মনটা ভাল হয়ে যাবে। সাদা পাথরের সিঁড়ি বেয়ে শাশুড়ীকে উঠতে সাহায্য করছে কে। তাকেই যেতে দিল আগে। নেদীর একেবারে সামনে বসতে ভালবাসেন তিনি। সিঁড়ির মাথায় কয়েকটা মুহূর্ত নষ্ট করল কে। এতটা কাছাকাছি পৌঁছে সব সময় কেমন যেন ভয় ভয় করে ওর। কেমন যেন একটা অনীহা জাগে মনে।

    তারপর শীতল অন্ধকারের ভেতরে প্রবেশ করল কে। আঁধার থেকে পবিত্র জর্দানের পানি নিল আঙুলের ডগায়, ক্রুশচিহ্ন আঁকল শূন্যে, ভিজে আঙুলটা ছোঁয়া শুকনো ঠোঁটে। যীশু আর সন্তদের মূর্তির সামনে লাল শিখা কাঁপছে মোমবাতির। নিজের সারিতে গিয়ে হাটু মুড়ে বসল কে, অপেক্ষা করছে কখন কমিউনিয়ন নিতে ডাক পড়বে। মাথাটা নিচু করে রয়েছে সে, দেখে মনে হয় প্রার্থনা করছে, কিন্তু এখনও মনটাকে তৈরি করতে পারেনি ও।

    শুধু এইখানে, এই খিলান দেয়া গির্জার ছায়াছায়া অন্ধকারে কে তার স্বামীর জীবনের আরেকটা দিকের কথা ভাবতে অনুমতি দেয় নিজের মনকে। এখানে বসে, এই সময় এক বছর আগে সেই ভয়ঙ্কর ঘটনার কথা স্মরণ করে সে। পরস্পরের প্রতি ওদের যে প্রেম আর ভালবাসা রয়েছে তার সুযোগ নিয়ে একটা মিথ্যে কথা তাকে বিশ্বাস করার চেষ্টা করেছিল মাইকেল। বলেছিল, সে তার নিজের ভগ্নীপতিকে খুন করেনি।

    অপরাধটার জন্যে নয়, মিথ্যেটার জন্যে স্বামীকে শ্রাগ করে চলে গিয়েছিল কে।

    .

    এক বছর আগের ঘটনা।

    দুই ছেলেকে নিয়ে সোজা বাপের বাড়ি নিউ হ্যাম্পশায়ারে চলে এল কে। লং বীচের কাউকে কিছু বলে আসেনি, কি করবে তাও ভাল করে ভেবে দেখেনি। এখনও।

    পরিস্থিতিটা সাথে সাথে বুঝে নিয়েছে মাইকেল। প্রথম দিন একটা ফোন করল কে-কে, তারপর তাকে আর বিরক্ত করেনি।

    একটা হপ্তা কেটে গেল। তারপর একদিন একটা লিমুসিন গাড়ি এসে দাঁড়াল কে-র বাপের বাড়ির সামনে। গাড়িটা নিউ ইয়র্ক থেকে এসেছে। সেটা থেকে নামল টমহেগেন।

    এই একটা দুপুরের কথা জীবনে কখনও ভুলবে না কে। ওর জীবনের সবচেয়ে ভয়ঙ্কর দুপুর।

    বেড়াতে বেরিয়ে শহর ছাড়িয়ে অনেক দূর চলে গেল ওরা, সেই বনভূমি পর্যন্ত। টম হেগেনকে ছেড়ে কথা বলল না সে।

    নির্দয়ভাবে ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ করার চেষ্টা করল কে। উচিত হয়নি, কেননা ও যে রকম মেয়ে, এত বেশি সরল, তাতে খোঁচা মারার কায়দা-কৌশল রপ্ত করা ওর পক্ষে সম্ভব নয়। চেষ্টা করল, কিন্তু সুবিধে করতে পারল না। সে বুঝি আমাকে ভয় দেখাবার জন্যে পাঠিয়েছে তোমাকে? হেগেনকে জিজ্ঞেস করল, তোমার গাড়ি থামতে দেখে আমি তো ধরেই নিয়েছিলাম হাতে পিস্তল-রিভলভার নিয়ে তোমাদের গুণ্ডাপাণ্ডারা লাফ দিয়ে নামতে যাচ্ছে। ভাবছিলাম, এই রে, এবার আমাকে টেনে হিঁচড়ে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে।

    এর আগে হেগেনকে কখনও রাগতে দেখেনি কে, এখন দেখছে। চোখমুখ টকটকে লাল হয়ে উঠল গর, গলার স্বর বদলে গিয়ে এমন কর্কশ হয়ে গেল যে চেনাই যায় না। তুমি কচি খুকীটি নও, কে। এই রকম একটা ছেলেমানুষি ঠাট্টা কিভাবে করো? তোমার মত মেয়ের কাছ থেকে আরও গাম্ভীর্য, আরও বুদ্ধি আশা করি আমি। মাটিতে পা দাও, কে।

    বেশ, বলল কে।

    পায়ের নিচে কচি সবুজ ঘাস। মফঃস্বলের কাঁচা রাস্তা দিয়ে হাঁটছে ওরা। চলে এলে কেন? শান্তভাবে জানতে চাইল হেগেন।

    মূহুর্তে উত্তেজিত হয়ে উঠল কে। বলল, একজনমিথ্যেবাদীর সাথে ঘর করতে পারব না, তাই। আমাকে সে মিথ্যে কথা বলল কেন? চলে এসেছি, কারণ কনির ছেলের গড় ফাদার হয়ে অনেক আগেই বোকা বানিয়েছিল আমাকে সে, তাই সে তার স্ত্রীর সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে, তাই এই রকম একজন লোককে ভালবাসতে পারব না আমি। স্বামীর চরিত্রে যদি এমন সাঙ্ঘাতিক ধরনের স্বলন থাকে, তাকে আমি সহ্য করতে পারব না-জানি বলেই চলে এসেছি। ওকে আমি আমার ছেলেদের বাপের দায়িত্ব পালন করার অধিকার দিতে রাজি নই।

    প্রলাপ বকছ নাকি? বলল হেগেন। তোমার একটা কথাও তো বুঝতে পারলাম না আমি!

    এতক্ষণে রাগ দেখাবার সঙ্গত একটা কারণ ঘটল, এবং সুযোগটা হাতছাড়া করল না কে, বলল, আমার কথা বুঝতে পারছ না? মাইকেল কর্লিয়নি তার ভগ্নীপতিকে খুন করেছে, আমি সেই কথা বলছি। এবার বুঝতে পারছ কি বলতে চাইছি? একটু বিরতি নিল কে, তারপর আবার বলল, মাইকেল কর্লিয়নি আমার স্বামী হয়ে আমাকে মিথ্যে কথা বলেছে, আমি সেই কথা বলছি। বুঝতে পারছ এবার?

    দুজনের কেউই অনেকক্ষণ কথা বলল না। চুপচাপ হাঁটছে।

    তারপর হেগেনই প্রথমে মুখ খুলল, এসব অভিযোগ যে সত্যি তা জানার কোন উপায় নেই। তবু না হয় তর্কের খাতিরে ধরে নেয়া গোল কথাটা সত্যি। আসলেই সত্যি, তা কিন্তু বলছি না-সেটা ভুলে ভেবে বোসা না। কিন্তু যদি বলি, মাইকেল যা করেছে তার পিছনে ন্যায্য যুক্তি ছিল? অন্তত যদি বলি যে ন্যায্য কারণ থাকা সম্ভব, তাহলে?

    হেগেনের দিকে তাকাল কে, তার দৃষ্টিতে রাজ্যের তাচ্ছিল্য ফুটে উঠল। বলল, তোমার ওকালতির দিকটা এই প্রথম দেখতে পাচ্ছি আমি। ওটা তোমার শ্রেষ্ঠ দিক নয়, টম।

    নিঃশব্দে হাসল টম হেগেন। আচ্ছা, বুঝলাম। কিন্তু আমার সবটা কথা আগে শোনোই তো। যদি বলি, কার্লোই বাৰ্জিনিদের হাতে তুলে দিয়েছিল সনিকে? সে রাতে কনিকে অস্বাভাবিক রকম মারধর করেছিল। যদি বলি, ওটা একটা ষড়যন্ত্র ছিল? ওই ষড়যন্ত্রের উদ্দেশ্য ছিল সনিকে বাড়ির বাইরে বের করে আনা? যদি বলি, বার্জিনিরা জানত জোনস বীচ ব্রিজের ওপর দিয়ে যাবে সনি? তারপর, আরও যদি বলি, সনিকে শত্রুদের হাতে তুলে দেবার বিনিময়ে প্রচুর টাকা খেয়েছে কার্লো, তাহলে? তাহলে কি বলবে তুমি?

    চুপ করে আছে কে।

    বলার কথা আরও আছে, থামছে না হেগেন, ধরো, এমন ঘটে থাকে, যে ডন ভিটো কর্লিয়নি একজন মহাপুরুষ ছিলেন বলেই ছেলের খুনের বদলা নেবার জন্যে জামাইকে হত্যা করতে নিজের বিবেককে রাজি করাতে পারেননি, সেটাই তার একমাত্র কর্তব্য জানার পরও যদি বলি এই অবশ্য পালনীয় দায়িত্ব তিনি পালন করতে পারবেন না বুঝতে পেরেই তার ছোট ছেলে মাইকেলকে উত্তরাধিকারী হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন, কেননা তিনি ভালভাবেই জানতেন একমাত্র মাইকেলই তার কাঁধ থেকে সে দায়িত্বের বোঝ, সে-পাপের বোঝা নামিয়ে নিতে পারবে?

    পানিতে দুচোখ ভরে গেছে কে-র। ধরা গলায় বলল, কিন্তু যা হবার তা তো হয়েই গিয়েছিল। সবাই সুখে ছিলাম আমরা। ক্ষমা করা যেত না কার্লোকে? কেন যেত না? অতীত তো ভুলেও যাওয়া যায়, কার্লোর ব্যাপারটা যদি সবাই ভুলে যেত, কি এমন ক্ষতি হত তাতে তাকে মেরে ফেলে লাভটা কি হলো?

    মাঠের ওপর দিয়ে হাঁটছে ওরা। নদীর ধারে এসে গাছের ছোট একটা ছায়ার নিচে ঘাসের ওপর বলল দুজন। একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলল হেগেন। চারদিকের শান্ত, সুন্দর শান্তিময় প্রাকৃতিক দৃশ্যের ওপর একবার চোখ বুলিয়ে নিয়ে আবার একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলল সে। তারপর বলল, ক্ষমা? হ্যাঁ, তোমাদের এই জগতে তা করা যায়।

    ওকে আমি বিয়ে করিনি, বলল কে। যাকে বিয়ে করেছিলাম তাকে খুঁজে পাচ্ছি না ওর মধ্যে।

    তা যদি পেতে, কোমল কণ্ঠে হাল হেগেন, এতদিনে মরে ভূত হয়ে যেত ও। অবশ্য বিধবা হলে কোন সমস্যা থাকত না তোমার।

    দপ করে জ্বলে উঠল কে। এ কি ধরনের জন্য মনিকতা! একটু থেমে আবার বলল সে, তুমি তো সিসিলিয়ান নও, একজন মেয়েকে সত্যি কথা বলতে পারো তুমি। একজন মানুষকে মানুষ বলে মনে করা তোমার পক্ষে সম্ভব। জীবনে এই একবার সত্যি কথাটা আমাকে বলো তুমি, টম।

    সাথে সাথে কোন জবাব দিল না হেগেন! খানিক পর এদিক ওদিক মাথা নেড়ে বলল, ওকে তুমি ভুল বুঝছ। তোমার রাগের কারণ ও তোমাকে মিথ্যে কথা বলেছে, কিন্তু ও তো,তেমাকে ওর কাজকর্মের ব্যাপারে কোন প্রশ্ন করতে নিষেধ করেছিল, সেটা ভুলে যাচ্ছ কেন? কনির ছেলের গড ফাদার হয়েছিল ও, সেজন্যে ভাবছ ও তোমাকে বোকা বানিয়েছে কিন্তু তুমিই না বিশেষভাবে অনুরোধ করে রাজি করিয়েছিলে ওকে? তবে কৌশলের দিক থেকে বিচার করলে কাজটা করে বুদ্ধির পরিচয় দিয়েছিল ও, কার্লোর মন থেকে সংশয় দূর করার জন্যে বেশ ফল দিয়েছিল ওটা। অতি প্রাচীন একটা নিয়ম, শত্রুকে আশ্বস্ত করা। হেগেনের সিটা দেখে ওকে হৃদয়হীন মনে হলো কে-র। সত্যি কথাগুলো বলছি তোমাকে, বিশ্বাস করছ কি?

    মাথা নিচু করে চুপচাপ বসে আছে কে।

    আরও কিছু সত্যি কথা বলি, কেমন? আবার শুরু করল হেগেন। ডন কর্লিয়নি মারা যাবার পর মাইকেলকে খুন করার ষড়যন্ত্র পাকানো হয়। জানো, কার হাত ছিল এতে? টেসিওর। তাই মরতে হলো তাকে! বিশ্বাসঘাতকতার ক্ষমা নেই, তাই কার্লোকেও মরতে হলো। ওদেরকে মাইকেল যদিও বা ক্ষমা করতে পারত, নিজেদেরকে ওরা কখনোই ক্ষমা করতে পারত না। তাই চিরকালের জন্যে বিপদের একটা কারণ হয়ে থাকত ওরা। তুমি হয়তো জানো না, কিন্তু আমি তো জানি, টেসিওকে খুবই পছন্দ করত মাইকেল। কনিকে ও সত্যি সত্যিই ভালবাসে। কিন্তু টেসিও আর কার্লোকে ক্ষমা করলে মাইকেল তোমার আর তোমার ছেলেদের, নিজের গোটা পরিবার, আমার আর আমার পরিবারের ওপর অন্যায় করত। কর্তব্যে অবহেলা করা ওর মত একজন পরিবার প্রধানের সাজে না। ওরা বেঁচে থাকলে আমাদের ব্যর বিপদের কারণ হয়ে থাকত। চিরকাল।

    চোখ থেকে নিঃশব্দে পানি ঝরছে কে-র। জানতে চাইল, মাইকেল কি এসব কথা বলার জন্যে তোমাকে পাঠিয়েছে?

    আশ্চর্য হয়ে গেল হেগেন। কিছুক্ষণ অবাক চোখে কের দিকে তাকিয়ে থাকার পর বলল, না। সে তোমাকে বলতে বলেছে, তুমি যা চাইবে তাই হবে, তোমার কোন ইচ্ছায় বাদ সাধবে না সে। যতদিন ছেলেদের যত্ন নিচ্ছ, ততদিন যা চাইবে তাই পাবে তুমি.। হঠাৎ হাসল হেগেন। বলেছে, তুমিই তার ডন। এটা কিন্তু ঠাট্টা।

    হেগেনের একটা কনুই চেপে ধরল কে। আর সব কথা যে বললে ওগুলো আমাকে শোনাতে বলে দেয়নি?

    এক সেকেণ্ড ইতস্তত করতে দেখা গেল টম হেগেনকে, যেন ভাবছে চরম সত্যি কথাটা প্রকাশ করবে কিনা। অবশেষে বলল, শোনো তাহলে। তোমাকে আজ যা বলেছি, মাইকেল যদি কোনদিন জানতে পারে, আমাকে আর বেঁচে থাকতে হবে না। একটু থেমে আবার বলল, দুনিয়ায় শুধু তোমার আর তোমার ছেলেদের কোন ক্ষতি করতে পারে না ও।

    পাঁচটা মিনিট চুপচাপ গাছের ছায়ায় বসে থাকল ওরা তারপর উঠে দাঁড়াল কে! দেখাদেখি হেগেনও উঠল। বাড়ির দিকে হাঁটছে ওরা।

    বাড়ির একেবারে কাছাকাছি পৌঁছে হেগেনকে স্কুলল কে, ডিনারের পর আমাকে তুমি নিউ ইয়র্কে নিয়ে যেতে পারবে?

    সেজন্যেই তো এখানে আসা আমার, বলল হেগেন।

    স্বামীর কাছে ফিরে এল কে। ফিরে আসার এক হপ্তা পর ক্যাথলিক ধর্মে দীক্ষা নিল ও।

    .

    ঢং! ঢং!

    গির্জার গহীন কোথাও করুণ অনুতাপের সুরে ঘণ্টা বাজছে ঠিক যেভাবে শেখানো হয়েছে, মুঠো পাকানো হাত দিয়ে নিজের বুকে হালকাভাবে আঘাত করল কে। অনুতাপ প্রকাশের এই হলো ভাষা।

    আবার ঘন্টা বাজার সাথে সাথেই নরম আওয়াজ পাওয়া গেল পায়ের। বেদার পাদদেশে, রেইলিং-এর ধারে গিয়ে দাঁড়াল প্রার্থীরা নিজের বুকে আবার আঘাত করল কে।

    ওর সামনে এসে দাঁড়ালেন ধর্মযাজক। মাথাটা পিছন দিকে হেলিয়ে, মুখ হাঁ করল কে, গ্রহণ করল ওয়েফার প্রসাদ।

    পাপ মুক্ত হয়েছে কে, দাক্ষিণ্য পেয়েছে দেবতার, মাথা নিচু করে বেদীমূলে কপাল ঠেকাল সে, হাত দুটো জোড় করে রাখল। একটু নড়েচড়ে বসল, ব্যথা যাতে একটু কম লাগে হাঁটুতে।

    তারপর মন থেকে সমস্ত চিন্তা দূর করে দেবার চেষ্টা করল কে। নিজের কথা ভুলে গেল, ভুলে গেল নিজের সন্তানদের কথা। সব রাগ, সব ঘৃণা, সমস্ত দুঃখ আর সব বিদ্রোহ ঝেড়ে ফেলল মন থেকে। তারপর বিশ্বাস করার প্রবল, সুগভীর আকাঙ্ক্ষা নিয়ে, সৃষ্টিকর্তা যেন তার আকুতি বুঝতে পারেন এই ভিক্ষা চেয়ে, মাইকেল কর্লিয়নির আত্মার মুক্তির জন্যে বাছাই করা প্রার্থনা আবৃত্তি করতে শুরু করল সে।

    ⤶
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleইতিবৃত্তে চণ্ডাল জীবন – মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    Next Article দ্য লাস্ট ডন – মারিও পুজো

    Related Articles

    মারিও পুজো

    দ্য লাস্ট ডন – মারিও পুজো

    November 15, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }