Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    গডফাদার – মারিয়ো পুজো

    মারিও পুজো এক পাতা গল্প932 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ২.১ মন ভাল নেই মাইকেল কর্লিয়নির

    দ্বিতীয় পর্ব

    ০১.

    মন ভাল নেই মাইকেল কর্লিয়নির। বুঝতে পারছে, ইচ্ছার বিরুদ্ধে পারিবারিক ব্যবসায় জড়িয়ে ফেলা হচ্ছে ওকে। এই যে ওকে দিয়ে টেলিফোন ধরাচ্ছে সনি, এও একটা ষড়যন্ত্র বলে মনে হচ্ছে ওর। পারিবারিক শলা-পরামর্শের মাঝখানে যেভাবে টেনে নেয়া হয়েছে ওকে, সাংঘাতিক অস্বস্তিবোধ করছে ও, যেন খুন-খারাবির মত অন্যায় আর গোপন কাজ দিয়েও সম্পূর্ণ বিশ্বাস করা যায় ওকে।

    এখন, কে-র সাথে দেখা করতে শহরে যাবার সময়, তাকে সব কথা খোলসা করে বলা হয়নি ভেবে নিজেকে অপরাধী লাগছে মাইকেলের। পরিবারের কথা কিছু কিছু তাকে বলেছে বটে, কিন্তু সেসব ঠাট্টার সুরে, রঙ চড়িয়ে এমনভাবে বলেছে যে বাস্তবের চেয়ে ছায়াছবির অতি-নাটুকে কাহিনীর মত গুনতে লাগে। অথচ এখন? এখন ওর বাবা বুলেট খেয়ে রাস্তায় হুমড়ি খেয়ে পড়েছেন, আর ওর বড় ভাই প্রতিশোধ নেবার জন্যে কাকে কাকে খুন করবে তার লম্বা তালিকা তৈরি করছে। সহজ সরল সার সত্য তো এই, অথচ এভাবে কথাণুলো বলা যাবে না কে-কে, অনেক কারণেই তা সম্ভব নয়। তাই আগেই তাকে আশ্বাস দিয়ে বলে রেখেছে যে ওর বাবার গুলি খাওয়াটা বেফ আকস্মিক একটা দুর্ঘটনা, সর্ব গোলমাল এর মধ্যে মিটেও গেছে। কিন্তু এখন মনে হচ্ছে, এই তো সবে শুরু।

    সনি আর টম চিনতে পারছে না সলোয়যাকে, তাকে ওরা এখনও ছোট করে দেখছে। বিপদ দেখতে পাবার মত বুদ্ধি সনির নেই তা নয়, কিন্তু সলোযো এরপর কি চাল দেবে তা সে দূরদৃষ্টি দিয়ে আঁচ করতে পারছে না।

    আচ্ছা, তুর্কি ব্যাটার মতলবটা কি? ভাবতে চেষ্টা করছে মাইকেল। সাহস, বুদ্ধি, শক্তি–এসব যথেষ্ট পরিমাণে আছে সলোযোর, সন্দেহ নেই। তার তরফ থেকে আচমকা হামলা আসার সম্ভাবনা পুরোমাত্রায় রয়েছে। কিন্তু সনি, টম, আর টেসিওর ধারণা অন্য রকম, ওরা মনে করে অবস্থাটাকে সামাল দেয়া গেছে। মনে মনে একটা কথা স্বীকার করল মাইক, তার চেয়ে ওদের অভিজ্ঞতার ঝুলি অনেক বেশি ভারি। আপন মনে হাসছে সে, ভাবছে, এই যুদ্ধে সাধারণ নাগরিক বলতে একমাত্র তাকেই বোঝায়। এ-যুদ্ধে যোগ দিতে তাকে রাজি করতে হলে দ্বিতীয় মহাযুদ্ধে, যে-সব পদক সে পেয়েছে তার চেয়েও অনেক বেশি ভাল কিছু দেবার লোভ দেখাতে হবে তাকে।

    চিন্তাটা মনে আসতেই, বাবার জন্যে আরও কেন দুঃখ বোধ করছে না ভেবে আবার নিজেকে অপরাধী বলে মনে হতে লাগল মাইকেলের। গোলাগুলিতে ওর বাবার শরীর ঝাঁঝরা হয়ে গেছে, অথচ কি এক আশ্চর্য উপায়ে সবার আগে সেই বুঝতে পেরে গেছে টমের সেই কথার মানে যে গোটা ব্যাপারটার মধ্যে ব্যক্তিগত কিছু নেই, এ হলো ব্যবসার কথা। এতদিন যে ক্ষমতা ব্যবহার করেছেন বাবা, সবার কাছ থেকে যে সম্মান আদায় করেছেন, এখন তার মাসুল দিতে হচ্ছে।

    অকারণ বিষাদে ভরে আছে মনটা, কিছুই ভাল লাগছে না ওর। সমস্ত কিছু ছেড়ে দূরে কোথাও পালাতে ইচ্ছা করছে তার, অন্য কোথাও নিজের পছন্দ মত জীবন কাটাতে চাইছে। কিন্তু পরিবারের এই সংকট কেটে না যাওয়া পর্যন্ত কোথাও চলে যাওয়া সম্ভব নয়। যুদ্ধে একজন সাধারণ নাগরিকেরও কিছু দায়িত্ব থাকে, যতটা সম্ভব সাহায্য করে সে-দায়িত্ব পালন করতে হবে তাকে। হঠাৎ চোখ খুলে গেল মাইকেলের, বুঝতে পারল, সাধারণ নাগরিক মানে বিশেষ সুবিধাভোগী অসামরিক ব্যক্তির ভূমিকা, একজন যোদ্ধার জন্যে অত্যন্ত অসম্মানজনক ভূমিকা-অথচ এই ভূমিকাটাই চাপানো হয়েছে তার ঘাড়ে, সেজন্যেই সাধারণ নাগরিক কথাটা মনে এলেই এত খারাপ লাগছে তার।–

    ক্লেমেঞ্জার দুজন লোক গাড়ি করে শহরে পৌঁছে দিচ্ছে মাইকেলকে। খুব ভাল করে তারা আগে দেখে নিল কেউ পিছু নিয়েছে কিনা, তারপর হোটেলের কাছাকাছি একটা মোড়ে নামিয়ে দিল মাইকেলকে। হোটেলে পৌঁছে মাইকেল দেখল, লবিতে তার জন্যে অপেক্ষা করছে কে।

    হুইস্কি দিয়ে গলা ভিজিয়ে নিয়ে ডিনারে বসল ওরা। তোমার বাবাকে দেখতে যাচ্ছ কখন? জানতে চাইল কে।

    রিস্টওয়াচ দেখল মাইকেল, বলল, সাড়ে আটটার পর হাসপাতালে থাকার নিয়ম নেই কারও, ভাবছি কেউ যখন থাকবে না তখন আমি যাব। দেরি করে গেলেও ওরা আমাকে ঢুকতে দেবে। বাবার কাছে একটু বসতে চাই আমি। এখনও হুঁশ ফিরেছে বলে মনে হয় না, আমি যে গেছি তা টেরই পাবেন না, কিন্তু বাবাকে অনেক ভালবাসি তো, তাঁকে শ্রদ্ধা জানাবার জন্যে একাই যেতে হবে আমাকে।

    তোমার বাবার জন্যে মনটা ভাল নেই আমার, শান্ত ভাবে বলল কে, তোমার বোনের বিয়ের সময় দেখেছিলাম, আশ্চর্য ভাল মানুষ বলে মনে হয়েছিল। খবুরের কাগজে ওঁর সম্পর্কে অনেক যা তা কথা লিখেছে, সে-সব আমি একটুও বিশ্বাস করি না।

    আমিও সৌজন্য রক্ষা করে মৃদু গলায় বলল মাইকেল। কে-র সাথে কথা বলার সময় অনায়াসে অনেক কিছু চেপে রাখতে পারছে দেখে নিজেই আশ্চর্য হয়ে যাচ্ছে সে। ওকে ভালবাসে নে, বিশ্বাস করে, কিন্তু তবু ওকে বাবার আসল পরিচয় বা পারিবারিক ব্যবসার গোপ তথ্য কোনদিনও বলবে না। যত যাই হোক, কে তো আর পরিবারের ভিতরের কেউ নয়, সে হলো বাইরের মানুষ।

    কি করবে বলে ঠিক করেছ তুমি? জানতে চাইল কে। খবরের কাগজে কিসব লিখেছে, এবার নাকি প্রচণ্ড দল-যুদ্ধ শুরু হয়ে যাবে–এসবের সাথে তুমিও জুড়িয়ে পড়বে নাকি, মাইক?

    নিঃশব্দে হাসল মাইকেল, কোর্টের বোতাম খুলে সামনেটা ফাঁক করে দেখল, বলল, এই দেখো, আমার কাছে কোন অস্ত্র-টস্ত্র নেই।

    ফিক করে হেসে ফেলল কে।

    বেশি রাত হয়ে যাচ্ছে, তাই নিজেদের কামরায় চলে এল ওরা। দুজনের জন্যে গ্লাসে হুইস্কি ঢেলে নিয়ে ফিরে এল কে, চড়ে বসল মাইকেলের কোলে। ওর পোশাকের নিচে রেশমী অন্তর্বাস, মাইকেলের আঙুলগুলো ওর উন্মুক্ত উরুর উপর দিয়ে এগোচ্ছে, ঢুকে যাচ্ছে অন্তর্বাসের ভিতর। গ্লাস দুটো নিঃশেষ করে বিছানায় শুয়ে পড়ল ওরা, কাপড়চোপড় না ছেড়েই পরস্পরকে জড়িয়ে ধরে চুমো খাচ্ছে। তারপর অনেকক্ষণ ধরে চুপচাপ শুয়ে আছে, ওরা, শরীরে উষ্ণতা অনুভব করছে। চাপা কণ্ঠে একসময় জানতে চাইল কে, সৈনিকরা একেই কি কুইকি বলে?

    হ্যাঁ।

    মন্দ লাগে না কিন্তু!

    আবেশে ঝিমিয়ে পড়েছে দুজনেই, হঠাৎ ড়মড় করে উঠে বসল মাইকেল। রিস্টওয়াচে চোখ রেখে আঁতকে উঠল ও, বলল, ইস্, দশটা বেজে এল। আর তো দেরি করা যায় না, এবার হাসপাতালে যেতে হয়।বাথরম থেকে হাত-মুখ ধুয়ে এল সে।

    বিছানা থেকে উঠে এসে মাইকেলের পাশে দাঁড়াল কে, তার কোমর জড়িয়ে ধরে বলল, আমাদের বিয়ের আর কত দেরি?

    এই ব্যাপারটা মিটে গেলে তুমি যেদিন বলবে সেদিনই। কিন্তু তার আগে সব কথা তোমার মা-বাবাকে ভাল করে বুঝিয়ে বলা দরকার।

    কি বুঝিয়ে বলব?

    চুলে চিরুনি চালাচ্ছে মাইকেল, বলল, তাঁদেরকে শুধু এইটুকু জানাও যে ইতালীয় পরিবারের এক সুদর্শন, সাহসী ছেলের সাথে পরিচয় হয়েছে তোমার? ছেলেটি ডার্টমাথের ছাত্র, যুদ্ধে ডিসটিংগুইশড সার্ভিস ক্রশ, পার্পল হার্ট পেয়েছে। সৎ। পরিশ্রমী। কিন্তু ছেলের বাপ একজন মাফিয়া নেতা। দরকার হলে দৃষ্ট লোকদের মেরে ফেলতে বাধ্য হন তিনি, ঘুষ দেন সরকারী কর্মচারীদেরকে। আর এসব কাজ করতে গিয়ে নিজেও গুলি খেয়ে ঝাঁঝরা হন। তবে এসবের সাথে তার ছেলের কোন সম্পর্ক নেই। এতসব কথা মনে থাকবে তো?

    মাইকেলকে ছেড়ে দিয়ে বাথরুমের দরজায় হেলান দিল কে। সত্যি? তাই? ওসব করতে হয় তাকে? একটু চুপ করে থেকে আবার জানতে চাই, খুন করেন?

    সেটা ঠিক বলা যাচ্ছে না। কেউ বলতে পারে না। কিন্তু যদি শুনি লোক মেরেছেন, একটুও অবাক হব না আমি।

    দরজা দিয়ে বেরিয়ে যাবে মাইকেল, এই সময় জানতে চাইল কে, আবার কখন দেখা হবে?

    ওকে চুমো খেল মাইকেল, তারপর বলল, আমি চাই তুমি তোমাদের গ্রামে ফিরে গিয়ে গোটা ব্যাপারটা ভাল করে ভেবে দেখো। ঝোঁকের বশে জড়িয়ে পড়, তা আমি চাই না। বড়দিনের ছুটি শেষ হলে কলেজে ফিরব, তখন আবার আমাদের দেখা হবে, ঠিক আছে?

    বেশ, একটা দীর্ঘশ্বাস চেপে বলল কে। ঠায় দাঁড়িয়ে থেকে দেখল দরজা দিয়ে বেরিয়ে যাচ্ছে মাইকেল, এলিভেটরে ওঠার আগে ওর দিকে ফিরে হাত নাড়ল একবার। আজকের মত এত আপনজন বলে মনে হয়নি ওর মাইকেলকে, আজ হঠাৎ যেন আবিষ্কার করতে পেরেছে কত, গভীরভাবে ভালবাসে তাকে ও। এখন যদি কেউ ওকে বলে আগামী তিন বছর মাইকের সাথে আর দেখা হবে না, ওর, সে ব্যথা সহ্য করতে পারবে না।

    ট্যাক্সি থেকে ফ্রেঞ্চ হাসপাতালের সামনে নামল মাইকেল। নেমেই হকচকিয়ে গেল সে। কোথাও কেউ নেই, রাস্তা একেবারে খা খা করছে-ব্যাপার কি? আরও বিস্ময় অপেক্ষা করছে তার জন্যে, হাসপাতালের ভিতর ঢুকে দেখল লবিতেও কেউ নেই। এর মানেটা কি? ভাবছে মাইকেল। ক্লেমেঞ্জা আর টেসিওর এ কেমন দায়িত্ববোধ? ওয়েস্ট পয়েন্টের সামরিক ট্রেনিং না হয় পায়নি ওরা, তবু পাহারাদার রাখা যে দরকার এটুকু সামরিক শিক্ষা তো ওদের থাকা উচিত।

    সতর্ক হয়ে উঠেছে মাইকেল, বুঝতে পারছে, সাংঘাতিক কোন গোলমাল হয়েছে কোথাও। প্রায় সাড়ে দশটা বাজে, শেষ আগন্তুকও অনেক্ষণ আগে চলে গেছে। অনুসন্ধান ডেস্কে দাঁড়াল না ও, চার তলায় বাবার কামরার নম্বর জানা আছে ওঁর। এলিভেটরে চড়ে সোজা উপরে উঠে এল। চারতলায় নার্সদের বসবার জায়গায় না পৌঁছানো পর্যন্ত কেউ ওকে বাধা দিল না দেখে আশ্চর্য হয়ে গেল। একজন মাত্র নার্স, তার প্রশ্ন গায়ে না মেখে সোজা বাবার কামরার দিকে এগোল। কেউ নেই দরজার সামনে। দুজন গোয়েন্দার থাকার কথা ওখানে, কেউ যদি ভিতরে ঢুকতে চায় তাকে প্রশ্ন করার এবং বাবাকে পাহারা দেয়ার কথা ওদের–এরাই বা কোন চুলোয় গেছে? তাছাড়া, ভাবছে মাইকেল, টেসিও? ক্লেমেঞ্জা? ওরা কি কামরার ভিতর রয়েছে?

    দরজাটা খোলা। ভিতরে ঢুকল মাইকেল। কেউ নেই কামরায়। শুধু বিছানায় শুয়ে আছে একজন। ডিসেম্বরের ঠাণ্ডা চাঁদের আলো জানালার কাঁচ ভেদ করে বিছানার উপর এসে পড়েছে, বাবার মান মুখটা পরিষ্কার দেখতে পাচ্ছে মাইকেল। চেহারায় ভাবের লেশ মাত্র নেই, নিঃশ্বাসগুলো ছোট-বড়, বুকের উত্থান-পতন টের পাওয়া যায় কি যায় না। একটা নল এসে ঢুকেছে নাকের ফুটোয়, নিচের মেঝেতে কাঁচের একটা পাত্র, তাতে পেটের যত অশুদ্ধ তরল পদার্থ নল বেয়ে এসে জমা হচ্ছে। মাত্র কয়েক সেকেণ্ড দাঁড়াল মাইকেল, দেখল ভালভাবেই আছেন বাবা। তারপর ধীরে ধীরে পিছু হটে বেরিয়ে এল কামরা থেকে।

    আমার নাম মাইকেল কর্লিয়নি, নার্সকে বলল সে, বাবার পাশে শুধু একটু বসে থাকতে চাই আমি। আচ্ছা, বলতে পারো, এখানে যাদের পাহারা দেবার কথা ছিল তারা কোথায় গেছে?

    বয়স কম নার্সের, দেখতে ভাল, নিজের পদ-মর্যাদা সম্পর্কে পূর্ণ সচেতন। জানাল, আপনার বাবাকে দেখার জন্যে বড় বেশি লোকজন আসছিল কিনা, তাতে, কাজের খুব অসুবিধে হচ্ছিল, তাই পুলিশ এসে সবাইকে ভাগিয়ে দিয়েছে। তারপর, এই তো পাঁচ মিনিট আগে হেডকোয়ার্টার থেকে জরুরী ফোন পেয়ে পুলিশরাও সবাই চলে গেল। অবশ্য চিন্তার কিছু নেই, একটু পরপরই উঁকি দিয়ে দেখে আসছি আমি আপনার বাবাকে। এখনও কোন সাড়া পাচ্ছি না তার। দরজা তো সেই জন্যেই খুলে রেখেছি।

    ধন্যবাদ, বলল মাইকেল। বাবার কাছে আমি একটু বসি, কেমন?

    একটু হাসল মেয়েটা, বলল, কিন্তু একটু পরই চলে যেতে হবে আপনাকে, তাই না? নিয়মের কথা আপনার তো জানাই আছে।

    বাবার কামরায় ফিরে এল মাইকেল। দ্রুত ফোনের রিসিভার। তুলে হাসপাতালের অপারেটরকে লং বীচের নম্বর দিতে বলল। উত্তর দিল সনি। ফিসফিস করে তাকে বলল মাইকেল, হাসপাতাল থেকে বলছি, ভাই। দেরি করে এখানে এসে দেখি কোথাও কেউ নেই। টেসিও, ক্লেমেঞ্জা-ওদের কারও একজন মোকও দেখিনি। দরজায় যাদের থাকার কথা ছিল, সেই গোয়েন্দারাও বাতাসে মিলিয়ে গেছে। বাবা এখন সম্পূর্ণ অরক্ষিত অবস্থায় রয়েছেন।

    ভয়ে আর বিস্ময়ে অনেকক্ষণ কোন কথা বলতে পারল না সনি, তারপর চাপা উদ্বিগ্ন কণ্ঠস্বর শুনতে পেল মাইকেল, তোর মনে আছে, বলেছিলি সনোযো একটা চাল চালবে? এটা হলো তার সেই চাল, বুঝলি?

    আমারও তাই মনে হচ্ছে, বলল মাইকেল। কিন্তু পুলিশের সব লোকদের সরাতে পারল কিভাবে? তারা গেছেই বা কোথায়? আর টেসিওর লোকজন? কি সর্বনাশ, তুমি কি বলতে চাও..মাই গড! তবে কি বিশ্বাস করতে হবে ব্যাটা শয়তান সলোযো নিউ ইয়র্কের পুলিশ বিভাগকেও হাত করে ফেলেছে?

    অভয় দিয়ে ছোট ভাইকে বলল সনি, শান্ত হ মাইক। কপাল ভাল বলতে হবে যে তুই এত দেরি করে হাসপাতালে পৌচেছিস। বাবার কামরা ছেড়ে কোথাও এক পা নড়বি না। ভেতর থেকে বন্ধ করে দে দরজাটা। কয়েকটা ফোন করতে যেটুকু সময় লাগবে, তারপরই পনেরো জন নোক পৌঁছে যাচ্ছে তোর কাছে। শান্ত হয়ে বসে থাক, একটুও ঘাবড়াবি না। ঠিক আছে?

    না, ঘাবড়াচ্ছি না, বলল মাইকেল। ব্যাপারটা শুরু হবার পর এই প্রথম প্রচণ্ড রাগে সারা শরীর উত্তপ্ত হয়ে উঠল ওর, বাবার শত্রুদের উপর ঠাণ্ডা একটা ঘৃণা আর বিদ্বেয়ে ছেয়ে গেল মন। রিসিভার নামিয়ে রেখে কলিংবেলের বোতামে চাপ দিল ও। কামরায় নার্স ঢুকতেই তাকে বলল, তুমি ভয় পাও তা চাই না, তবে এক্ষুণি এখান থেকে সরাবার ব্যবস্থা করতে হবে বাবাকে। অন্য কোন কামরায় অথবা অন্য কোন ফ্লোরে। নলগুলো খুলতে পারবে? পায়ার সাথে চাকা রয়েছে, খার্টটাকে আমি ঠেলে বের করে নিয়ে যেতে চাই।

    আপনার কি মাথা খারাপ হয়েছে? চোখ কপালে তুলে বলল নার্স। ডাক্তারের অনুমতি ছাড়া এসব কিছুই সম্ভব নয়।

    কাগজে বাবার কথা পড়েছ তুমি, তাই না? দ্রুত এবং জরুরী ভঙ্গিতে কথা বলতে শুরু করেছে মাইকেল। আমি এক্ষুণি খবর পেলাম, ওঁকে খুন করার জুন্যে রওনা হয়ে গেছে কয়েকজন লোক। যে-কোন মুহূর্তে এই হাসপাতালে এসে পৌঁছুবে তারা। পাহারা দেবার জন্যে এই যে কাউকে দেখছ না, এটাও ওই পক্ষের একটা চাল। দয়া করে বিশ্বাস করো আমার কথা। সাহায্য করো আমাকে। প্রয়োজনের সময় ইচ্ছা করলে যে-কোন মানুষকে প্রভাবিত করার আশ্চর্য একটা গুণ আছে মাইকেলের, এক্ষেত্রেও সেটা কাজে লেগে গেল।

    নল খোলার দরকার নেই, বলল নার্স, স্ট্যাণ্ডগুলোরও চাকা আছে, গড়িয়ে নিয়ে যাওয়া যাবে।

    আশপাশে কোথাও খালি কামরা আছে? ফিসফিস করে জানতে চাইল মাইকেল।

    আছে, হলের শেষ মাথায়।

    দ্রুত, দক্ষতার সাথে সারা হলো কাজটা। তারপর নার্সকে বলল মাইকেল, আমাদের লোকজন না আসা পর্যন্ত বাবার সাথে এখানেই থাকো তুমি। বাইরে তোমার নিজের জায়গায় থাকতে নিষেধ করছি, তার কারণ ওখানে থাকলে তুমিও আহত হতে পারো।

    ঠিক এই সময় অপ্রত্যাশিতভাবে বিছানার দিক থেকে বাবার গলা ভেসে আসতে শুনল মাইকেল, ভাঙা ভাঙা, কিন্তু জোরাল আওয়াজ, কে, মাইকেল নাকি? কি ঘটেছে? ব্যাপারটা কি?

    বিছানার উপর ঝুঁকে পড়ে বাবার একটা হাত ধরল মাইকেল। বলল, হ্যাঁ, আমি মাইক। ভয় পেয়ো না। শোনো, বারা, একটুও আওয়াজ কোরো না তুমি, বিশেষ করে কেউ যদি তোমার নাম ধরে ডাকে। কিছু লোক তোমাকে খুন করতে চাইছে, বুঝলে? কিন্তু আমি এখানেই আছি, তোমার ভায়ের কিছুই নেই।

    তাঁর কি হয়েছে তা এখনও ভার্ল ঠাহর করতে পারছেন না ডন কর্লিয়নি, সারা শরীরে প্রচণ্ড ব্যথা, তবু ছোট ছেলের কথা শুনে অতি কষ্টে অমায়িক হাসলেন তিনি, বললেন, আজ কেন ভয় পাব? সেই বারো বছর বয়স থেকে কত অচেনা লোক আমাকে মেরে ফেলার জমে এসেছে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleইতিবৃত্তে চণ্ডাল জীবন – মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    Next Article দ্য লাস্ট ডন – মারিও পুজো

    Related Articles

    মারিও পুজো

    দ্য লাস্ট ডন – মারিও পুজো

    November 15, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }