Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    গোলাপ সুন্দরী – কমলকুমার মজুমদার

    কমলকুমার মজুমদার এক পাতা গল্প53 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    গোলাপ সুন্দরী – ০৪

    গোলাপ সুন্দরী – ০৪

    বিলাসের সমস্ত দেহ সম্পূর্ণভাবে রোমাঞ্চিত হইয়া আছে। মৃদু শব্দে, ছোট স্পন্দনে সাধারণ হাওয়ায় সে বার বার চমকাইয়া উঠিতেছিল, এমন কি কিছুক্ষণ আগে, ওমিকে চিঠি লিখিবার কালে তাহার অনবরত একাগ্রতা ভাঙ্গিতে ছিল, চিঠি হইতে মুখ ঘুরাইয়া সে বলিয়া উঠিয়াছে “কে?”
    একদা এ প্রশ্ন তাহার আপনার দিকে চক্রাকারে ঘুরিয়া আসিল, এ প্রশ্নে সৰ্ব্বভুক্‌ দেদীপ্যমান শিখা ছিল । এহেন উপলব্ধিতে বিলাস বুঝিল তাহার আপনার মধ্যে মহাবায়ু—যে বায়ু ভাস পাখীর আকাশ পন্থায়-—চলা ফেরা করিতেছে, না না তাহা নহে মনে হইল সে নিজেই যেমন বা চলিতেছে। বন্ধু নাই, কবি নাই, পথপ্রদর্শক নাই । একটি দুঃসহ অমাত্রিক ছন্দ ক্রমে ঘুরিয়া ঘুরিয়া পরিক্রমণ করিতেছে। একদা ক্ষীণ চেতনায় দেখিল, সে যেন বা কোন এক বেলাতটে আপনার ছায়ার উপরে অচেতন, অদূরে ঘোর তরঙ্গভঙ্গ—এখন মধ্যরাত ।
    দুৰ্দ্ধৰ্ষ সুপ্তি হইতে উঠিয়া পুনরায় বেশ গভীর করিয়া প্রশ্ন করিবার মানসে ওষ্ঠস্বয় বিভক্ত করে, এবারে তার স্বর ছিল না । সম্মুখের ওমির ফোটর দিকে চাহিয়া অসহায় ভাবে আপনার মস্তক আন্দোলন করিল। এই আশ্চর্য বিকারের মধ্যে সে গোলাপ ফুটিবার অপেক্ষার হেতু নির্ণয় করে, মনে হইল তাই কি ? তবে কেন পড়িয়া-থাকা-চাবি দর্শনে, দরজা দর্শনে, শিশু দর্শনে, তাহার দেহ শিহরিয়া উঠে । যে বিলাস, যে কোন চিত্তবিভ্রান্তকারী দৃশ্বকে বৃক্ষস্থিত কাঠঠোকরা দেখিয়া, পাতার আন্দোলন মনস্থির করিয়া ঠেকাইয়াছে, আজ অর্ণর পারিতেছে না, সে হার মানিতেছিল, প্রত্যেক বস্ত . হইতে এক অজর বাস্তবতা তাহাকে আক্রমণ করিতেছিল । সমস্ত যেমন বা প্রহেলিকাময় ! অথচ হয় তাহার কোন বিস্ময় নাই ! একদা ভাবিতে চাহিল আমার বন্ধু নাই, কবি নাই, পথপ্রদর্শক নাই । কিন্তু বিশ্বাস করিতে ইচ্ছা হইল না । বিলাসের গলার প্রথমোক্ত আওয়াজ পাইয়া, নগেন আসিয়া বিনীত কণ্ঠে কহিল “আমায় ডাকছেন হুজুর”
    বাতিদানের আলো পড়িয়া নগেনকে ভীতিপ্রদ লাগিতেছিল, বস্তুত একধরনের লোক আছে
    যাহাদের অন্ধকারেই ভাল লাগে, সহ্য করা যায় যেমন হাটুরিয়ারা হাট সারিয়া ঘনরাত্রে প্রত্যাবৰ্ত্তন করে । নগেন তখনও দণ্ডায়মান, নিশ্চয়ই অস্বস্তিতে এক কাধের তোয়ালে অন্ত কাধে রাখিল ; কেন না প্রভুর দৃষ্টি তেমনই এখনও শূন্য ; সহসা ভূত্য দেখিল যে, বিলাস হস্তধৃত কলম দিয়া বাতিদানের কলমে আঘাত করিতেছে ফলে নম্র আওয়াজ খেলিয়া উঠিল, তবু বিলাসের মুখে মৃদু হাস্য দেখা যায় নাই, হয়ত নগেনের মুখে কুট বিষের প্রতিক্রিয়া সে । দেখিতে পাইয়ামিল, সে ঝটিতি বলিয়া উঠিল, “না ডাকিনি” নগেন যেন বাষ্প হইয়া নিশ্চিহ্ন ।
    এখন বিলাস পত্র লিখিবার কারণে মনোনিবেশ করে, ওমির ফোটর পাশেই মোহিতদার ফোট, মনে হইল যে কোন শতাব্দীর আনন্দ সে, মোহিত, জানিয়াছে—কোন ঝড় জল জানে না বেশ ! পরক্ষণেই চিঠির সূত্র ধরিল ।
    ওমি ডিয়ার, মনটা আমার তোমার জন্য পাগল হয়ে আসছে, কবে তুমি আর মোহিতদা আসবে ? আমার আজকাল বড় একা একা বোধ হয়, যতই স্থস্থ হচ্ছি ততই খালি মনে হচ্ছে – জায়গাটা সত্যি বড় নির্জন ভূষণের বের অবস্থা প্রায় শেষ হয়ে আসছে, ফলে লোকজনের বড় অসুবিধে, ওরা এই আছে এই ছুটে ছুটে যাচ্ছে…কি যে করি…
    মিয়ানার ‘লিলি কটেজে’ মনিক চ্যাটার্জি এসেছেন, ভদ্রমহিলা আমাদের গোলাপবাগের বেড়ার কাছে দাঁড়িয়ে দেখছিলেন, আমাকে দেখেই স্থান ত্যাগ করলেন। নেমস্তন্ন করেছিলুম আসেননি। আশ্চৰ্য্য নয়! অদ্ভূত নেটিভ ! যাক, সব থেকে মন আমার উদ্‌গ্ৰীব হয়ে আছে, যে গোলাপ নিয়ে এতদিন কাজ করছিলুম, তাতে কুঁড়ি এসেছে। তোমার থাকার সময় যদি ফুটত আমি ভারী খুলী হতুম কেন না তুমি খুলী হতে ! মনে হচ্ছে যেন সমস্ত ছেলেবেলাটা আমার এবার গোলাপ হয়ে ফুটে উঠছে। নিজে যেখানে নিজের সব থেকে বড় সঙ্গী। আজকাল এইসব কারণে আমার নিশ্বাস বড় দ্রুত হয়েছে। স্বপ্ন নয় ঘুমের মধ্যে বেশ বুঝতে পারি, জেগে আছি ! এক এক সময় মনে হয়, নিমেষেই কোন সৃজনক্ষম নগরে চলে যাই, একটা হোটেলের ঘর ভাড়া নিয়ে ঘুমাই। এ ঘুমটার চেহারা অনেকটা নব্যধারার শিল্পসাধনার এবষ্ট্রাক্ট প্রজ্ঞানের মত সুঠাম!
    চন্দ্রমাধববাবু আসেন, বলেন আমি নাকি দুঃখ কি তা জানি না ( ঠাকুরের কৃপা ) গোলকবাবু আধিভৌতিক দুঃখেই কাৎ…। আমার গোলকবাবুকে সত্যি বেশ লাগে, এই বয়সেও লোকটা লড়তে রাজী, মনে হয় যদি একটা বেতে ঘোড়া একটা হিরট ব্লেডের ভোঁতা তরোয়াল এবং পুরাতন যে কোন সেঞ্চুরী ওকে দেওয়া যায়—ও গড আউল মাইটি ! উনি যে কি ভাবে দেশ জয় করবেন তা ভাবাই যায় না । অদ্ভূত দৰ্প ভদ্রলোকের। মানুষের মত। আমি খুব ভালবাসি, লোকটি একদিন না এলে মন কেমন করে।
    ওমি ডিয়ার কবে আসবে, আজকাল আমার বড় ভয় হয়, এখুনি দরজাটা দেখে চমকে উঠেছিলুম, সকালে ভূষণের ন্যাংট ছেলেটাকে দেখে মনে হল এক থাপড় দি—কেন না ভয় পেয়েছিলুম কোথাও দাঁড়াতে পাচ্ছি না ।
    অজস্র অফুরন্ত ভালবাসা ওমি ডিয়ার ! চিঠি হঠাৎ রাখিয়া বিলাস উঠিয়া পড়িল, হাতে টর্চটি লইয়া বিরাট গোলাপ বাগে আসিয়া চারিদিকে চাহিল, সম্মুখের আকাশ, এমত ধারণা হয় পৃথিবীর অংশ, মাথার উপর যে আকাশ সে দিকে তাকাইতে বিলাসের দৈহিক কষ্ট হয় ( ? )
    সে দিকে সে চাহিতে আদতে ভরসা পায় না, সহসা মনে হইল বহু ঊর্দ্ধের আকাশ, মসৃণ পেলব কোমল কুহকের ছদ্মবেশে সমস্ত গোলাপ বাগে, অদ্বিতীয় রম্য স্থান জ্ঞানে নামিয়া আসিয়া আপনার দেহ এলাইয়া দিয়াছে, এতদর্শনে বিলাস গতিহীন অনড় । আপনার দেহ মনে হইল, গুরু
    কোন ভারে জগদল, এরূপ আর একবার হইয়াছিল যখন বহুদিন পূৰ্ব্বে ভূমিতে পতিত চেট্টিকে সে দেখে ! কিছু কাল পরে বিলাস যেমন বা এই বিচিত্র বর্তমানতাকে প্রশ্ন করিতে চাহিল ‘এ কি তুমি !’ আবার মনে হইল হায় যদি একটি বক্ৰ তুলির টান পাইতাম যাহার উপরে মাথ৷ রাখিয়া কাল অতিবাহিত হইত। এখন সে টর্চ জালিয়া সমস্ত গোলাপ ক্ষেত্রের উপর বুলাইয়া দিল । আলো আর নাই, সে স্থির হইয়া দাঁড়াইয়া কি যেন অনুভব করিতে পারে! ধন্য সে, যে আকাশ হইতে তাহার জন্য নিঃসঙ্গতা নামিয়া আসিয়াছে। কিন্তু এই সমগ্র সত্যটি একটি বুক চেরা ভাব লইয়াই উদয় হইয়াছিল—কোন বাক্যরূপে আসে নাই— । তথাপি বিলাস অগ্রসর হইল যেখানে এখন গোলাপ ইদানীং কুঁড়ি এবং মুখ তুলিয়া চাহিল যেখানে, মনিক কয়েকদিন পূৰ্ব্বে সকালে দেখা দিয়াছিল।
    ইতিমধ্যে কে একজন আসিয়া হস্তদন্ত হইয়া দাঁড়াইল, বিলাস কহিল “কে”
    “আমি ভূষণ”
    “কি খবর”
    “আমরা কাঙাল মানুষ বুঝেতে লারছি—তার কোন সাড় নাই…নাড়ী কেউ বুঝে না…”
    “আঃ” অত্যধিক মনুষ্যোচিত ঘৃণায় বলিয়া উঠিল “তা সে খবর এখানে কেন…” একথা সে এমতভাবে কহিল যেন বা বাগানের শুদ্ধতা নষ্ট হইয়াছে ।
    ভূষণ পশুর মত কাদিয়া উঠিতে গিয়া কহিল “হুজুর যদি”
    বিলাস আত্মস্থ হয়, একবার আপনার গোলাপ বাগ দেখিল, এবং শোনা গেল যে সে বলিল “চল”
    ইতর জাতির গ্রাম যেমন হয়, বিলাস আসিয়া সম্মুখের খোলা জায়গাতে দাঁড়াতে, আর আর যাহারা ছিল তাহার কাঁদিবার জন্য প্রস্তুত হইল, অশান্ত হা-হুতাশের শব্দ যেমন বা তাহার হাতের মুঠায় রাখিয়াছে, বিলাস দাওয়ায় উঠিতেই লক্ষ্য করিল ভূষণের বোন সত্বর, কঙ্কালসার অচেতন পদার্থ বৌটির মাথায় খুব পরিপাটি করিয়া ঘোমটা টানিয়া দিল । বিলাস আর সহ্য করিতে পারিতেছিল না, একারণে সে পিছনে দৃষ্টি নিক্ষেপ করিল ; যেখানে তাহার আপনার সুদীর্ঘ ছায়া অল্পবিস্তর অস্থির ।
    বিলাস আসিয়া অনেকক্ষণ ধরিয়া ভূষণের বৌর নাড়ী দেখিতে লাগিল, এখানে বলা উচিত বিলাস তাহার গাত্রে হস্ত প্রদান করিতেই যে শৈত্য অনুভব করে, সে শীতলতায় তাহার, বিলাসের, ব্যবহারিক জ্ঞান পর্যন্ত মিলাইয়। গিয়াছিল । বিলাস ধীরে হাত রাখিয়া উঠিয় দাঁড়াইল, আশ্চর্য কেহ তাহার পার্থিব নিশ্বাসটি শুনিতে পায় নাই । সে ডাকিল—“ভূষণ”
    “হুজুর”
    ভূষণের হাতে টর্চ দিয়া চলিতে আরম্ভ করিল, পৃথিবীর কোন দিকে চাহিয়া ভূষণকে, সেই ভয়ঙ্কর খবর দিবে ? অনেকবার সে গতি শিথিল করিয়াছে অনেকবার নূতন করিয়া নিশ্বাস লইয়াছে, একদা মনে হইল, আসফাকের কথা, যে সকল সময় আপনার নাসিকা গহবরের কাছে হাত রাখিয়া
    ঠিক লইত যে নিশ্বাস পড়িতেছে কি না । এই ব্যক্তিই তাহাকে বলে, এই ভয়ঙ্কর খবর দেওয়ার জন্য মানুষে কিছু করে নাই—ইহার উচিত স্থান স্টেজ ব্যতীত অন্যত্র হইতে এ খবর ঘোষণা করা বাতুলতা।
    বিলাস ক্রমে আপনার গোলাপ বাগে আসিল এবং অবলীলাক্রমে এখানেই স্থিতিবান হইয়া কহিল…“ওদের কাঁদতে বল, তোরা ব্যবস্থা কর” নিজের কানে এ-হেন ভাষায় সহজ কথা বলা বড় হাস্যকর লাগিল । বিলাস একথা আর মনে করিতে না চাহিয়া ঝটিতি তাহার হস্ত হইতে টর্চটি লইয়া, বাগানের মধ্যে চলিয়া গেল, হাত ধোয়ার কথা একবারও মনে উদয় হইল না ।
    একটি গোলাপ গাছে টর্চ পড়িতেই আশ্চৰ্য্য হইয়া একটি ফুটন্ত গোলাপের মধ্যে অমোঘ তুর্বিবনীত জোয়ার খেলা করিতেছে, কম্পমান একটি পাপড়ি রমণমুখ অনুভবের পর ষোড়শী যেমত নিশ্চিন্ত ভাবে এলাইয়া পড়ে তেমনই ক্রমে ধীরে এলাইয়া পড়িল ; বিলাসের উল্লাস অথবা বেদনার ধ্বনি, কি জানি কোনটি—শ্রুত হইল । এ ধ্বনিকে পাপিয়ার আহবান ডাক প্রতিধ্বনিত করে, যে আহবানকে বহন করিয়াছিল উৎসারিত মৰ্ম্মর, যে মৰ্ম্মরকে পথ দান করিয়াছিল অযুত স্তব্ধতা । বিলাস আচম্বিতে রুদ্ধশ্বাসে এই গোলাপের নিকটে ছুটিয়া আসিয়া তাহার কণ্টকময় দণ্ড সৰ্ব্ব শক্তি দিয়া ধরিয়াছিল । একারণে, এক্ষণে, তাহার কোনরূপ বেদনাই অনুভূত হয় নাই ; কেন না সে আশ্রয় চাহিয়াছিল, আশ্চর্য্য এতদিন পর সুস্থতার পর সে অদ্ভূত ভাবে কাশিল ।
    অনেকক্ষণ গোলাপের কাছেই, ত্রিগুণাত্মিক ক্রিয়ার ভুবনমোহিনী মায়ার মধ্যে সে মহা আনন্দে সাতার দিয়া বেড়াইতেছে, এখন রাত্র, রাত্র তাহার নৈসর্গিক বিহ্বলতা লইয়া দূর দূরান্ত তাহার চির রহস্য লইয়া জীবন, জীবন তাহার চির পৌত্তলিকতা লইয়া এ সন্তরণলীলা দেখিয়াছিল । বিলাস এই প্রথম সকালের আলোর জন্য মরিয়া অস্থির ব্যাকুল ; এ উন্মত্তত তাহাকে রমণী করিয়া তুলিল । ‘কখন আলো দেখা দিবে’ বালকের মত কণ্ঠে সে নিশ্চিত বলিয়াছিল।
    কখন যে সে ইতিমধ্যে নগেনকে ডাকিয়াছিল তাহা সে নিজেই অবগত নহে, নগেন প্রুনিং নাইফটি আনিল । ফুলটি কাটিয়া ঘরে লইয়া অগসিতেই আলোয় দেখিল যে আপনার হস্তের তালুর কয়েক স্থানে রক্ত বিন্দু, এই প্রথম নিশ্চয়ই সে রক্ত-কে গৰ্ব্বভরে তথা ভ্রূক্ষেপ না করিয়া মানুষের মতই দেখিয়াছিল, কারণ তাহার হস্তে তখন আর এক লালের প্রতিমা ছিল ।
    রূপার পাত্রে এখন সে গোলাপ, যে গোলাপের জন্য বিলাস আপনার মধ্যে দুঃখ সৃষ্টি করিয়াছিল (অবশ্য এ দুঃখের মধ্যে বিগত শতাব্দীর পূৰ্ব্বেকার রোমাটিক কবিদের চোরা-অহঙ্কার ছিল ; সে, বিলাস, ছিল না ) সে গোলাপ সম্মুখেই ক্ষুদ্র একটি শূন্যতাকে বন্দী করিয়া নির্বিবকার, বৃত্তকারে কখন বা স্রোতের মত ইহার পাশে কাহারা আসে যায়, গালে হাত দিয়া সুন্দর রূপবান বিলাস দাঁড়াইয়া কতবার সে জানালা দিয়া বাহিরের দিকে চাহিয়াছে, মনে হইয়াছে যে কোন মুহূৰ্ত্তেই ভোর হইতে পারে। এবং নানান দৃষ্টিকোণ হইতে এ গোলাপের রক্তিমতা অনুধাবন করিয়াছে, কখনও দূরে গিয়াছে কখনও নিকটে আসিয়াছে ; সে-শূন্যতাকে ভাবিতে চাহিয়াছে, সে গোলকবাবুর প্রস্থান কালের অন্ধকার উদ্ভাসিত করা রক্তিমতাকে ভাবিতে চাহিয়াছে, চন্দ্রমাধববাবুর কথায় উষ্ণতাকে কল্পনা করিয়াছে । বহুকাল পরে আত্মারামের ছোট রাজস্থানী আধা মৈথিলী পদ যেন তাহার মনে পড়িল “কিত্থে লু মেহেরা অর্ণব জব ঝড় পড়িয়া” হে লু তুমি কোথায় মেঘ যখন খর ধারা বরষণ করে ? তখন লু উত্তর দেয় আমি বালিকা বধুর চিরবিরহী বুকে বাসা বাঁধি দেখ না তাহার পীন ডগমগ মদমত্ত স্তনযুগ কি দারুণ রক্তিম। বিলাস অনেকদিন পর মৃত্যু হাস্য করিল। এবং এই সময় সে গোলাপের অতীব নিকটে মুখ লইয়া গিয়াছিল।
    তাহার মুখ তেমনি ভাবে সেখানে স্থির, বিশাল চক্ষুদ্বয় যেন বা অধিক আয়ত হইয়া উঠিল । সে অনুচ্চ ম্যানটেল পিসের কিনারে হস্ত দ্বারা ধরিয়া আছে, তাহার চক্ষুতারকা স্থির, ক্রমে কখন যে তাহার কান প্রায় গোলাপের মুখোমুখি হয় তাহা তাহার অজ্ঞাত ; তাহার চক্ষুর তারকাকে কেহ যেমত আকর্ষণ করিল…হলের এক কোণে এবং বিপরীত কোণে বিভিন্ন কোণে তাহা ছোটাছুটি করিয়া ফিরিল । মহা বেদনায়, কিছু তাহাকে যেমন দংশন করিয়াছে—মহা যন্ত্রণায় বলিয়া উঠিল “হা ভগবান” কোনরূপে মন্ত্ৰমুগ্ধ মস্তকটি উঠাইয়া মুখ খানিক ফাঁক করিয়া বিস্ফারিত নেত্ৰে গোলাপের দিকে তাকাইল, সে স্পষ্ট শুনিল কাহার ক্রন্দনধ্বনি দুরন্ত সমুদ্রের হাওয়ায় ভাসিয়া আসিতেছে । আর বার শুনিল, একি চিত্তবিভ্ৰম ?
    পুনরায় শুনিল, অতি ক্লান্ত দুঃখময় ক্ষুব্ধ, আৰ্ত্ত নিপীড়িত মৰ্ম্মাহত যে ধ্বনি, বিলাস ধীরে অতীব সন্তর্পণে এ-ক্ৰন্দনের সহিত আপনার কণ্ঠস্বর মিলাইতেই দুটি স্বর মিলিয়া এক হইল, তাহার কণ্ঠ যেন বা স্ফীত হইয়া উঠল। মহা আবেগে গোলাপকে ধরিতে গিয়া হাত ফিরাইয়া অগনিল, এবং সে নিজে এবং এ কক্ষের সকল কিছু এবং দিকসকল এই মহা করুণ ক্রন্দনধ্বনি শুনিয়াছিল ।
    এ কারণে বিলাস সকালের প্রতীক্ষার কথা ভুলিয়াছিল।
    সারা রাত্র ব্যাপী বিলাস এ-ক্ৰন্দন ধ্বনি মধ্যম এবং পঞ্চমে লাগিয়া যখন ভাঙ্গিয়া উঠে তখন বিলাসও তাহার সহিত রোমাঞ্চিত শিহরিয়া উঠে । কখন যে ভোর হইল বিলাস তাহা দেখে নাই ; সহসা দেখিল পূর্ব দিককার বারান্দার আরাম কেদারায় ছোট্ট একটু আলো শুইয়া আছে। আরও দেখিল নগেন তাহার প্রাতঃকালীন চায়ের সরঞ্জাম ঠিক করিতেছে। এবং আর কিছুদূরে বাবুর্চিখানার সামনে কতকগুলি লোক পাথর হইয়া আছে । বিলাসের এ-দৃশ্য ভাল লাগে নাই, আজ আর কাহাকেও ভাল লাগিতেছিল না কারণ বিগত রাত্রের অভূতপূর্ব অভিজ্ঞতা তাহাকে অন্য আর লোকে লইয়া গিয়াছিল। তথাপি সত্বর প্রস্তুত হইয়া সে তাহাদের জন্য বারান্দায় আসিল, সমস্ত কথা শুনিয়া কহিল “বেশ তোমরা একজন খেদুড়ীর জঙ্গল যাও…চন্দ্রমাধববাবুর সঙ্গে দেখা করে যেও…” বলিয়া অতি দ্রুত চা পান সারিয়া পুনরায় গোলাপের নিকটে আসিল…।
    গোলাপের ক্ৰন্দন এখন কিছুটা অস্পষ্ট, বিলাস ভাবিল হয়ত এখন দিবালোক এই আলোতে ক্ৰন্দন সম্ভবত শুকাইয়া যাইতেছে। অথচ জানালা দিয়া দেখিল আলো তেমন নাই ; এখন সারা আকাশে মেঘ । অল্প অল্প হিম হাওয়া বহিতেছে।
    বৈকাল না হইতে ঘনঘটা করিয়া বর্ষণ সুরু হইল, বিলাস গোলাপটিকে নিকটে রাখিয়া প্রায় আত্মস্থ । দুর্দান্ত ঠাণ্ডা হাওয়া বহিতেছিল, বিলাস তাহার শরীরের জন্য পায়ে কম্বল ঢাকা দিয়া বসিয়াছিল, এমন সময় ভূষণ আসিয়া দাঁড়াইল, মস্তকের টোকা বহিয়া অনর্গল জল পড়িতেছে ; বিলাস প্রশ্নসূচক দৃষ্টিতে চাহিল, জানালার নিকট আসিয়া কহিল “কেরোসিন না হলে কাঠ ত ধরবেক
    না…হুজুর”
    বিলাস তৎক্ষণাৎ কহিল “দেখ্‌ টিনে…কত আছে…আর…”
    ভূষণ ছাদের সিঁড়ির নীচে যেখানে কেরোসিন থাকে…সেখান হইতে ঘুরিয়া আসিয়া কহিল “আদ্‌টিন”
    “মাত্র । তাহলে ?…আর এক কাজ কর-না গোলকবাবু…উঁহু…তার ত নেই লিলি কটেজ…”
    “সেখানে কেউ নেই”
    “তাহলে লণ্ঠন থেকে ঢেলে দেখ…আমার টর্চ আছে মোমবাতি আছে”
    যখন আর একটু অন্ধকার তখন পুনরায় ভূষণ আসিল “হুজুর ও রাস্তায় অনেকটা ভেঙ্গে গেছে— আমরা কি এই বাগান দিয়ে চলে যাব…”
    বিলাস তাহার করজোড়ের দিকে তাকাইয়া একবার দেখিল, এবং তৎক্ষণাৎ তাহার নিকট হইতে অব্যাহতি পাইবার জন্য কহিল “যাও” কেন না এত দুরন্ত আবহাওয়ায় সে ক্রমাগত ক্ৰন্দন ধ্বনি শুনিতে পাইতেছিল । শুধু ভূষণকে বলিয়াছিল “কোন শব্দ কর না” অর্থাৎ হরিধ্বনি করিও না ।
    আর কিছুক্ষণ পরে বিলাস দেখিল তাহার জানালা দিয়া তিৰ্য্যকভাবে আলো আসিয়া পড়িয়াছে, এবং এবার তাহার দৃষ্টিতে পড়িল, সেই গোলাপবাগের উপর দিয়া শবযাত্রীরা আসিতেছে, শবযাত্রীদের, পথ কর্দমাক্ত হওয়ার কারণে, পা বেসামাল ভাবে পড়িতেছে, শব সমেত পা-টা কখন অন্যপাশে ঢলিয়া পড়িতেছে, সঙ্গে সঙ্গে অন্য যাত্রীর গরু তাড়ানের মত শব্দ করিয়৷ উঠে “হিরে । হিরে লে লে সামাল গো”।
    এ দৃশ্যে বিলাস অত্যন্ত ক্ষুব্ধ হইল, যেখানে তাহার পার্শ্বস্থিত গোলাপ ফুটিয়াছে ; যেখানে
    গতরাত্রে উর্দ্ধ আকাশকে দেহ এলাইতে দেখিয়াছে যেখানে…অনেক ভ্রমর গুঞ্জন করিয়াছে—তাহা অবশেষে শবযাত্রার একটি সহজ পথ হইল! বিলাস আরও আশ্চর্য্য সহকারে দেখিল শবযাত্রীরা শব লইয়া সেখানেই দাঁড়াইয়া ; ইহারই নিকটে একটি ছাতা যাহা নগেন তাহার ভ্রাতৃবধূর মৃত মুখের কিছুটা উপরে ধরিয়াছিল প্রায় তাহারই তলে দাঁড়াইয়া কি যেন কথাবার্ত্তা পরামর্শ করিতেছে। হঠাৎ উহাদের কথাবাৰ্ত্তার খানিক মন্ত্ৰমুগ্ধ বিলাসের কানে ভাসিয়া আসিল “তাহলে মাগী…ভূত হয়ে ঘুরবে…আত্মা বটে সামগ্ৰী…উয়ার পাট পর্য্যায় আছে…বল না শালা হুজুরকে…”
    একবার কাঠ, একবার কেরোসিন উপরন্তু গোলাপবাগের মধ্য দিয়া শবযাত্রা, তাহার শান্তি ভঙ্গ নিশ্চয়ই এবং নবতম একাগ্রতা অনুধাবনকে ব্যাহত করে, বিরক্ত হইয়া সে জানালার কাছে আসিতেই বিদ্যুৎ চমকিয়া উঠিয়া বজ্রাঘাত হইল, চকিতে নগেনের ছাতা সরিয়া যাইতেই…ক্রমাগত বৃষ্টিধৌত একটি মুখ বীভৎস হইয়া দেখা দিল। বিলাস পুনরায় শুনিল “আত্মা বটে সামগ্ৰী” (হায় স্ত্রীলোকটির আত্মা ছিল ! )
    তিন চারজন এই ঠাণ্ডা হাওয়া ও বৃষ্টিতে কাঁপিতে লাগিল, হাতগুলি জলে চুপসাইয়া গিয়াছে, কহিল “বামুন পাওয়া গেল না, আমাদের বামুন শিখরভূমে, এ বামুন যে ছিল এখন নেপাল তাঁতির ছেলের বিয়ে গেছে ফাল্গুনমাস…আত্মার…”
    “আমি কি করবো”
    “আত্মার”
    এই অদ্ভূত কথাটা বিলাস ত্বরিতে থামাইয়া দিতে চাহিল, কেন না এই বাক্যের পিছনে বিদ্যুতের আলোক ছিল । এবং খুব শক্ত কণ্ঠে কহিল “সবাই চলে গেলে বিকালে রণধবার…”
    “আজ্ঞে চাপার বাবা সব কচ্ছে”
    “হুজুর মা বাপ” যে একথা বলে সে হয় ভূষণের শ্বশুর “জানি হুজুরের কষ্ট হবেক, হুজুরের শরীল গতিক ভাল লয়, হুজুর আত্মার সদগতি…পিণ্ডদান করা মুখাগ্নি…”
    বিলাস গরম জামা কাপড়ের মধ্যে চমকাইয়া উঠিল ।
    “আমাদের সঙ্গে পাঁজি আছে—এই আমার লাতি (অধুনা প্রায় কোপনী মত করিয়া কাপড় পরা দুই হাত বুককে বেড় করত কাধে উঠিয়া গিয়াছে ) মুখাগ্নি করবে আমরা লেখা পড়া জানি না…বাবু” বলিয়া মেঘগর্জনকে স্তম্ভিত করিয়া কাঁদিয়া উঠিল, বিলাস দৃষ্টি তুলিতে পুনরায় দেখিল, নগেনের ক্রমাগত চেষ্টা সত্ত্বেও মুখখানির উপর হইতে ছাতা সরিয়া যায়, বৃষ্টি ভেজা ভারী চুলগুলি ফণার ন্যায় ফুঁসিয়া উঠিতেছে। এবং বিদ্যুতে উদ্ভাসিত জীর্ণ তাপিত মুখমণ্ডল তাহাকে যেমন বা আর এক আহ্বান করে। তবু বিলাস কহিল…“আমি ব্রাহ্মণ নই জান ত…”
    “আপনি শুধু পড়ে দেবেন বাবু, হুজুর আত্মা…”
    গোলাপের ক্ৰন্দন ছাড়িয়া, বিলাস ম্যাকিনটসটি তুলিয়া লইল, মাথায় টুপি পরিল ছাতা লইল । নিজের মনেই বলিল “ওখানে গিয়ে জুতো খুলব”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকিচির মিচির – কমলকুমার মজুমদার
    Next Article নিষিদ্ধ গাণ্ডিব – কর্ণ শীল

    Related Articles

    কমলকুমার মজুমদার

    কিচির মিচির – কমলকুমার মজুমদার

    July 17, 2025
    কমলকুমার মজুমদার

    অন্তর্জলী যাত্রা – কমলকুমার মজুমদার

    July 17, 2025
    কমলকুমার মজুমদার

    পিঞ্জরে বসিয়া শুক – কমলকুমার মজুমদার

    July 17, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }