Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মানবজমিন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    August 7, 2026

    কড়িখেলা – সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 7, 2026

    নীললোহিতের চোখের সামনে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    গ্রীকদের চোখে ভারতবর্ষ – নির্বেদ রায়

    নির্বেদ রায় এক পাতা গল্প291 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    টিসিয়াস – নির্বেদ রায়

    টিসিয়াস

    টিসিয়াস

    টিসিয়াস (Ctesias of Knidos বা Cridian) ছিলেন একজন গ্রীক চিকিৎসক। খ্রিস্টপূর্ব পঞ্চম শতকে তিনি পারস্যের রাজা আর্টাজেরক্সিস মনেমন-এর সভায় ছিলেন। পেশায় ডাক্তার।

    টিসিয়াসের জন্ম খ্রিস্টপূর্ব পঞ্চম শতকের মাঝামাঝি সময়ে, সম্ভবত খ্রিস্টঃ পূঃ ৪৪৪ থেকে ৪৩৪-এর মধ্যে। পণ্ডিতদের একাংশের মত অনুযায়ী; যদিও অন্য মতও আছে, তবে সেটা আরেকটু পরে তাঁর জন্ম নির্ধারণ করে। বর্তমান তুরস্কের দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্তে ‘কেরিয়া’র নাইডাস শহরে টিসিয়াস জন্মগ্রহণ করেন। নিডিয়া বা নাইডাস তখন আকিমিনিড সাম্রাজ্যভুক্ত।

    খ্রিস্টপূর্ব ৪০১ সালে সম্রাট দ্বিতীয় আর্টাজেরক্সিস মনেমনের সঙ্গে কুনাক্সা-র যুদ্ধে যান টিসিয়াস, যুদ্ধ হয় রাজভ্রাতা সাইরাসের (Cyrus, the Younger) সঙ্গে। যুদ্ধে রাজা আর্টাজেরক্সিস আহত হন, তার চিকিৎসা করেন টিসিয়াস। সাইরাসের সঙ্গে অনেক গ্রীক সৈন্য ছিল। তাঁর অর্থাৎ সাইরাসের মৃত্যুর পর তারা বন্দী হয়। কিন্ত টিসিয়াস যুদ্ধের সময় বা কাছাকাছি সময়ে যুদ্ধবন্দী হলেও কারাগারে বোধহয় ছিলেন না। গ্রীকদের সঙ্গে আলোচনাতেও অংশ নেন টিসিয়াস। ‘কুনাক্সা’ তখন আকিমিনিড সাম্রাজ্যের মধ্যে, ওই যুদ্ধে সাইরাস এগিয়ে গেলেও তিনি মারা যাওয়ার পর আর্টাজেরক্সিস তাঁর সাম্রাজ্যের অংশ পুনরুদ্ধার করেন।

    টিসিয়াস যে সমস্ত লেখা লিখেছেন, তার মধ্যে সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ দুটি—’পারসিকা’ (Persica) এবং ‘ইন্ডিকা’ (Indica)। যুদ্ধে অংশ নেওয়া থেকে শুরু করে পারসিকদের সঙ্গে যোগাযোগ টিসিয়াসকে যে ভাবে পারস্য সম্পর্কে ওয়াকিবহাল করেছিল, ভারত সম্পর্কে তাঁর সেই প্রত্যক্ষদর্শীর বিবরণ কাজ করেনি। কিন্তু সম্রাটের রাজসভায় বিভিন্ন মানুষের আনাগোনা এবং গল্পগাথা তাঁকে ভারত সম্পর্কে যে কৌতূহল নিকট প্রাচ্যের (Near East) অধিবাসী হিসাবে তাঁর গড়ে উঠেছিল, সেটা গুরুত্বপূর্ণ। টিসিয়াসের বিবরণে তাই আশ্চর্য সব জীবজন্তু বা মানুষের সঙ্গে একটি মনোযোগী ভারতচিন্তা খুঁজে পাওয়া যায়। তা হল—প্রাচ্য পৃথিবীর বা মূলতঃ অটোমান সাম্রাজ্যের বিস্তার এবং তার কিছুটা আশপাশের পরিসীমা জুড়ে যে অঞ্চল বিস্তৃত, সে সম্পর্কে যে ধারণা ছিল পশ্চিমের তার সারমর্ম এই বিবরণে পাওয়া যায়—আর পাওয়া যায় আলেকজান্ডারের ভারত আক্রমণের আগে পর্যন্ত ভারত সম্পর্কে পশ্চিমের যে ধারণা ছিল তার!

    টিসিয়াস নদী সম্পর্কে, পারসিক কর ব্যবস্থা আর ভারত সম্পর্কে প্রায় তেইশ খণ্ডে লেখেন, যে লেখা কার্যত হারিয়ে যায়; তার ফলে আমাদের আশ্রয় করতে হয় পরবর্তী লেখকদের বা ঐতিহাসিকের সূত্র, যেমন ফোটিয়াস (Photius)।

    ফোটিয়াসের ‘বিবলিওথেকা’ গ্রন্থে এই ভারত-বিবরণের সারমর্ম আছে। ফোটিয়াসের সময়, অর্থাৎ নবম খ্রিস্টাব্দে টিসিয়াসের বিবরণ পাওয়া যেত বলেই মনে হয়। ‘ক্রুসেড’ বা ধর্মযুদ্ধে, অন্যান্য বহু পুঁথিপত্রের মতো এগুলোও হারিয়ে যায়।

    ফোটিয়াসের এই বর্ণনা অত্যন্ত গুরুপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়েছে আধুনিক সময়ে।

    টিসিয়াসের বিবরণে ভারত

    ১. সিন্ধুনদ সম্পর্কে টিসিয়াস বলেছেন যে, যেখানে এই নদী সবচেয়ে কম চওড়া সেখানে সাত কিলোমিটার আর যেখানে সবচেয়ে বেশি চওড়া সেখানে পঁয়ত্রিশ কিলোমিটার বিস্তৃত।

    ২. টিসিয়াস বলেন যে, পৃথিবীর বাকি অংশের মোট জনসংখ্যার থেকে ভারতের জনসংখ্যা হয়তো বেশিই হবে।

    ৩. এই নদীতে এক ধরণের কীট বা পোকা পাওয়া যায়, যারা নদীতেই জন্মায় আর বংশবৃদ্ধি করে।

    ৪. ভারতবর্ষ পেরিয়ে আর কোনো দেশ নেই যেখানে মানুষ বসবাস করেন।

    ৫. এখানে বৃষ্টি হয় না, দেশটা নদ-নদীতে ভর্তি। সেখান থেকে জমিতে জলসেচনের কাজটাও হয়ে যায়।

    ৬. টিসিয়াস ‘পন্তর্ব’ নামে এক ধরনের রত্নপাথরের কথা বলেছেন, যে রত্নপাথর নদীতে ছুঁড়ে ফেললে এটি পুনরুদ্ধারের সময় সঙ্গে ৪৭৭টি মণি, রত্ন ও দামি পাথর সঙ্গে নিয়ে চুম্বকের মতো উঠে আসে। এক ব্যাকট্রিয় ব্যবসায়ীর কাছে ওই পাথর বা মণিরত্নগুলো আছে।

    ৭. টিসিয়াস দেওয়াল ভেঙে ফেলার প্রয়োজনে হাতি ব্যবহার করতে দেখেছেন, বর্ণনা দিয়েছেন। ছোট বানর কিন্তু তার লেজ চার হাত লম্বা, তাও দেখেছেন।

    ৮. আর বিরাট আকারের মোরগ দেখেছেন। ‘বিট্টাকোস’ বলে বাজপাখির মতো বড় একটা পাখির কথা বলেছেন টিসিয়াস, যারা মানুষের মতো কথা বলতে পারে। পাখিটার মুখ গাঢ় লাল, থুতনি বা দাড়ির অংশ কালো, গলার পালক পর্যন্ত গাঢ় নীল…(বাকি অংশ) সিঁদুরের মতো টকটকে লাল রং-এর। পাখিটি ভারতীয়দের ভাষায় কথা বলতে পারে; গ্রীক ভাষা শেখালে, সে ভাষাতেও কথা বলতে পারে।

    ৯. একটা ঝরনা বা কুঁয়োর কথা টিসিয়াস জানিয়েছেন, যেখানে প্রতিনিয়ত তরল সোনা উৎসারিত হয়ে সেটি ভর্তি হয়ে যায়। বছরে একশো কলস সোনা সেখান থেকে সংগ্রহ করা হয়। এই কলসিগুলো মাটির কলস হয়, কারণ সোনা তুলে আনার পরই তরল সোনা জমে কঠিন হয়ে যায়, তখন এই কলসগুলো ভেঙে ফেলে, সোনার তাল বের করতে হয়। এই আধারটি বর্গাকার, পরিসীমা ষোলো কিউবিট মাপের আর এক ওরজিইয়া গভীর। এক কলস সোনার ওজন এক ট্যালেন্ট। এই কূপের তলদেশে লোহা পাওয়া যায়, যে লোহায় তৈরি দু-দুটো তরবারি টিসিয়াসের সংগ্রহে আছে বলে তিনিই জানিয়েছেন। একটি তাকে রাজা নিজেই উপহার দিয়েছিলেন, অন্যটি তাকে দেন রাজমাতা পেরিসাটিস। এই তরোয়াল মাটিতে বিদ্ধ করে ঝড়-ঝঞ্ঝা-মেঘ এসব দূরে সরিয়ে রাখা যায়। রাজাকে অন্তত দু’বার এই তরবারির ক্ষমতা পরীক্ষা করতে টিসিয়াস নিজে দেখেছেন।

    ভারতীয় কুকুর

    ১০. ভারতীয় কুকুর বিরাট আকারের হয়, এরা সিংহকে পর্যন্ত আক্রমণ করে থাকে।

    ১১. এখানে অনেক বড় বড় পাহাড় আছে, যে পাহাড় খনন করে সারেডোনিক্স, ওনিক্স-এর মতো অন্যান্য বহুমূল্য পাথর পাওয়া যায়।

    ১২. এখানে প্রচণ্ড গরম। মনে হয়, সূর্য এখানে দশগুণ বড় হয়ে ওঠে। অনেক মানুষ গরমে শ্বাসকষ্টে মারা যায়।

    ১৩. টিসিয়াস এক সমুদ্রের কথা বলেছেন, যে সমুদ্র গ্রীক সাগরের থেকে আকারে ছোট নয়, কিন্তু সাগরের সমুদ্রপৃষ্ঠে প্রায় চার ড্যাকটিল গভীরতা অবধি জল এতটা গরম থাকে যে, কোনো মাছ সেখানে ঘোরাফেরা করতে পারে না, গরমের জন্য মারা যায়। ফলে, ওই গভীরতার নিচে তারা থাকে, উপরে তাদের দেখতে পাওয়া যায় না।

    ১৪. সিন্ধুনদ পাহাড় আর সমতলের উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে গেছে, আর যত নল-খাগড়া অর্থাৎ ভারতীয় নল-খাগড়া সেখানে বেড়ে উঠেছে। তাদের মধ্যে কোনো-কোনোটা এত বড় যে দুজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ দু-দিক থেকে চার হাতে বেড় দিলে তবে হয়তো জড়িয়ে ধরতে পারে। আর কতটা উঁচু হয়? বড় আর ভারী পণ্যবাহী বা মাল বহন করে যে সব জাহাজ, তাদের মাস্তুলের মতো লম্বা বা উঁচু হয়। কোনো কোনোটা তার থেকেও বড়, আবার কোনোটা ছোট হয়। বড় বড় পাহাড়ের ওপর এভাবে ছোট-বড় মিলেই জন্মায়। এই উদ্ভিদের মধ্যে স্ত্রী আর পুরুষ ভেদ আছে। স্ত্রী জাতের উদ্ভিদের কাণ্ডের মধ্যে কোমল আঁশ বা তন্তু দেখা যায়, পুরুষ জাতীয় উদ্ভিদের সেগুলো থাকে না, কিন্তু খুবই শক্তপোক্ত হয়।

    ১৫. ভারতে ‘মার্টিখোর’ বা ‘মার্টিচোর’ বলে একটি জন্তু আছে। তার মুখ মানুষের মতো, আকার-আয়তনে সিংহের মতো, গায়ের রং সিঁদুর বা হিঙ্গুলের মতো টকটকে লাল। এদের তিন সারি দাঁত, মানুষের মতো কান, আর চোখের রং হালকা নীল, যেমন মানুষের হয়। পাহাড়ি কাঁকড়াবিছের মতো এদের ল্যাজে এক কিউবিটের চেয়ে লম্বা হুল আছে। ল্যাজের দু-দিকে হুল থাকে, আর বিছের মতো ল্যাজের শেষ প্রান্তেও থাকে। ওদের আক্রমণ করতে গেলে ওই হুল দিয়ে সে পাল্টা আক্রমণ করে শত্রুকে মারাত্মকভাবে আহত করে। দূর থেকে আক্রান্ত হলে সে শত্রুর দিকে লক্ষ্য করে তার লেজ থেকে তীরের মতো হুল নিক্ষেপ করে। শত্রু আহত হয়, যেন ধনুক থেকে তীর ছোঁড়া হচ্ছে। তবে পেছন থেকে শত্রু আসলে সে লেজ সোজা করে রাখে। মার্টিখোর-এর নিক্ষেপ করা হুল প্রায় একশো ফুট দূরত্ব অতিক্রম করে শত্রুকে পর্যুদস্ত করে। একমাত্র হাতি ছাড়া। প্রত্যেকটা হুল এক ফুট লম্বা, আর সবচেয়ে সরু নল-খাগড়ার মতো দেখতে।

    ‘মার্টিখোরা’ মানে মানুষখেকো, গ্রীক ভাষায়। এরা মানুষ শিকার করে, তবে অন্য জন্তুও এদের কবল থেকে রেহাই পায় না। আবার মানুষও এদের শিকার করে, হাতির ওপর চড়ে এবং তীর ছুঁড়ে। মার্টিখোর লড়াই করার সময় বা শিকার ধরতে তার হুল আর নখরযুক্ত থাবা দুটোই ব্যবহার করে; টিসিয়াস বলেছেন যে, হুল ছুঁড়ে মারার পর সেটা আবার মার্টিখোর-এর শরীরে গজিয়ে ওঠে। ভারতবর্ষে এরা বহু সংখ্যায় বাস করে, আর ভারতীয়রাও হাতির পিঠে চড়ে তীর-ধনুক দিয়ে এদের শিকার করে।

    ১৬. টিসিয়াস দাবি করেছেন যে, ভারতীয়রা খুবই ন্যায়নিষ্ঠ। তিনি ভারতীয়দের আদব-কায়দা আর আচার-বিচার নিয়েও আলোচনা করেছেন।

    ১৭. পবিত্র একটি জায়গা আছে যেটি নির্জন, জনমানবশূন্য। সেখানে হেলিওস আর সেলেনের পুজো হয়। সার্ডো পাহাড় থেকে সেখানে যেতে পনেরো দিন সময় লাগে। এখানে সূর্য বছরে পঁয়ত্রিশ দিন উত্তাপ কম করে, ঠান্ডা করে দেয়, ফলে তারা উৎসব আর পুজো-অর্চনার মধ্যে দিয়ে তাকে সম্মান জানায় আর ফিরে আসে দাবদাহ এড়িয়ে।

    ১৮. ভারতে বজ্র-বিদ্যুৎ বা প্রবল বর্ষা না হলেও বিপুল ঝঞ্ঝাবাত্যা সব কিছু উড়িয়ে নিয়ে যায়। সূর্য ওঠার পর প্রায় দুপুর পর্যন্ত পরিবেশ ঠান্ডা থাকে, কিন্তু তারপর থেকে প্রচণ্ড গরম প্রায় গোটা দেশ জুড়ে ছড়িয়ে পড়ে।

    ১৯. ভারতীয়রা এই সূর্যের উত্তাপে কালো হয়ে যায় না। তাদের এই গায়ের রং প্রাকৃতিক কারণে হয়ে থাকে। কারণ টিসিয়াস নিজে দুজন স্ত্রীলোক আর পাঁচজন পুরুষকে দেখেছেন, যারা খুবই ফর্সা, যদিও তারা সংখ্যায় কম। এই সাতজনই ভারতীয়।

    ২০. ভারতের পঁয়ত্রিশ দিন ধরে সূর্য ঠান্ডা হয়ে থাকে, প্রচণ্ড উত্তাপ ছড়ায় না। এই তথ্য প্রমাণ করার জন্য টিসিয়াস বলেন যে, এটনা পর্বত থেকে ছড়িয়ে পড়া আগুনের শিখা ভারতের মধ্যভাগকে ছেড়ে দেয়, পোড়ায় না কারণ ভারতীয়রা ন্যায়পরায়ণ—কিন্তু বাকি সবকিছু এই আগুনের প্রকোপ থেকে রক্ষা পায় না।

    জ্যাকিনথাসে একটা ঝরনা আছে যেটা মাছে ভর্তি, আর সেই ঝরনা থেকে পিচ বা আলকাতরা নির্গত হয়। নেস্কোস-এর প্রস্রবণ থেকে মাঝে মধ্যে সুমিষ্ট মদ পাওয়া যায়। ফ্যাসিলিসের কাছে লিসিয়া বলে অঞ্চলে পাহাড়ের ওপরে একটা আগুন সমস্ত দিন-রাত জুড়ে জ্বলে, যেটা জল দিলে আরও জোরে জ্বলে ওঠে, নেভে না। বরং আবর্জনা ফেললে নেভে।

    ২১. ভারতের মধ্যভাগে একদল কালো মানুষ বসবাস করে তাদের পিগমি বলা হয়। তাদের ভাষা অন্যান্য ভারতীয়দের মতো। এরা ক্ষুদ্র আকার আকৃতির মানুষ; সবচেয়ে লম্বা মানুষটি ২ কিউবিট-এর বেশি নয়—অধিকাংশ দেড় কিউবিট হয়ে থাকে। তাদের চুল খুবই দীর্ঘ, প্রায় তাদের মাথা থেকে হাঁটু পর্যন্ত অথবা তারও নিচ পর্যন্ত পৌঁছয়। আর সমস্ত মানুষদের মধ্যে তাদের দাড়ি সব থেকে লম্বা—এত লম্বা দাড়ি যে তারা কোনো জামাকাপড় পরে না, বরং দাড়ি পিছনে ঘাড় ও পিঠের ওপর দিয়ে নিয়ে গিয়ে দুই পায়ের মাঝখান থেকে টেনে এনে সমস্ত শরীর আবৃত করে নেয়। তাদের লিঙ্গ দীর্ঘ আর স্থুল। দীর্ঘ এতটাই যে গোড়ালি স্পর্শ করে। অথচ, মানুষগুলোর খাঁদা নাক আর দেখতেও কুৎসিত।

    ২২. ওদের ভেড়াগুলো মেষশাবকের মতো, গাধা আর ষাঁড় বা এঁড়ে গরুগুলো একটা ভেড়ার মাপের চেয়ে বড় হয় না।

    ২৩. অসাধারণ তীরন্দাজ এই পিগমিদের হাজার তিনেক জন ভারতের রাজাদের সঙ্গে যুদ্ধে যায়। তারা নীতিনিষ্ঠ ও কঠোরভাবে যুদ্ধের নিয়মনীতি মেনে চলে।

    ২৪. এই পিগমিরা খরগোশ আর শেয়াল শিকার করে, তবে কুকুর পাঠিয়ে শিকার করে না। এই শিকারের জন্য তারা দাঁড়কাক, চিল, কাক আর ঈগল পাখির সাহায্য নেয়।

    ২৫. তাদের অঞ্চলে একটা হ্রদ আছে, যার পরিসীমা বা ঘের ৮০০ ষ্ট্যাডিয়া। হ্রদের ওপরে তেল জমা হয়, যখন হাওয়া চলাচল আস্তে হয় বা ধীরগতিতে বয়। তখন হালকা ডিঙিতে চেপে লোক ওই হ্রদের মাঝামাঝি গিয়ে ছোট বাটি দিয়ে তেল সংগ্রহ করে। অনেক ডিঙি এভাবে সংগ্রহ করার কাজ করে। এই তেল আর তিল থেকে তৈরি তেল তারা ব্যবহার করে। হ্রদে মাছও আছে। তবে তিল তেল আর হ্রদের তেল ছাড়াও এরা আখরোটের তেলও ব্যবহার করে, তবে হ্রদের তেলটাই ভালো।

    ২৬. এখানে পর্যাপ্ত রুপো পাওয়া যায়, আর রুপোর খনিগুলো গভীর নয়, যদিও ব্যাকট্রিয়াতে যে রুপোর খনি আছে সেগুলো গভীর। ভারতে সোনাও পাওয়া যায়, আর সেই সোনা নদীর জলে ধুয়ে যায় না, যেমন প্যাকেটোলোস নদীতে হয়ে থাকে। বরং এই সোনা বিশাল সব পাহাড়ের ওপরে জমা আছে, যেখানে বিশালকায় গ্রিফিনরা বাস করে। এই গ্রিফিন পাখির চার পা, পায়ের আকৃতি আর থাবা সিংহের মতো, আর শরীরের আকার বন্য নেকড়ের মতো, সারা দেহ কালো পালকে ঢাকা, শুধু বুকের পালক টকটকে লাল রঙের। এই পাখি বাস করে বলে এখান থেকে সোনা আহরণ করা কষ্টকর, তবে এখানে মজুত আছে প্রচুর সোনা।

    ২৭. ভারতে ছাগল আর ভেড়াগুলো গাধার চেয়ে আকারে বড় আর চার থেকে ছ’টি করে বাচ্চা জন্ম দেয় ও লালন করে।

    ২৮. ভারতের তালগাছ আর তার ফলগুলো ব্যাবিলনের ওই গাছ এবং ফলের তুলনায় তিন গুণ বড়।

    ২৯. টিসিয়াস বলেছেন, একটা নদীর কথা, যেটি পাহাড় থেকে নেমে এসেছে এবং সেই নদীতে মধু প্রবাহিত হয়।

    ৩০. টিসিয়াস পরে বিস্তারিত বলেছেন, ভারতীয়দের ন্যায় ও নীতি পরায়ণতা নিয়ে, তাদের রাজাকে তারা কতটা শ্রদ্ধা করে এবং মৃত্যুকে কতটা অপছন্দ করে, সে সব নিয়ে।

    ৩১. এখানে একটি ঝরনা আছে, যেখান থেকে জল তুললে সেই জল চীজ বা পনিরের মতো জমে যায়। আর সেই জমে যাওয়া জল সামান্য একটু কোনো মানুষকে যদি খাওয়ানো হয় তাহলে সারাদিনের জন্য তার জ্ঞান-বুদ্ধি সব লোপ পেয়ে যায়; সে তখন সারা জীবন যা কিছু করেছে, সবকিছু বলে ফেলে। রাজা এই জল ব্যবহার করেন, যখন কোনো অভিযোগ কারো বিরুদ্ধে তার কাছে আসে আর সেই অভিযোগের সত্যতা এভাবে যাচাই করে দেখতে হয়। অভিযুক্ত মানুষ তার দোষের কথা স্বীকার করলে, রাজা তাকে অনাহার বা উপবাসে মৃত্যুদণ্ড দিয়ে থাকেন, আর সে নির্দোষ প্রমাণিত হলে ছাড়া পায়।

    ইউনিকর্ন

    ৩২. ভারতীয়রা শিরঃপীড়া বা মাথাব্যথা, অভিস্যন্দ বা চোখের অসুখ, দাঁতব্যথা, কালশিটে বা পচন জাতীয় অসুখে আক্রান্ত হয় না। তারা ১২০, ১৩০ বা ১৫০ বছর পর্যন্ত বাঁচে, কেউ কেউ ২০০ বছরের দীর্ঘজীবন লাভ করে।

    ৩৩. এই অঞ্চলে গাঢ় লাল রঙের সাপ বসবাস করে, লম্বায় তারা বিঘতখানেক বা নয় ইঞ্চির মতো, কিন্তু সারা দেহ টকটকে লাল রঙের হলেও মাথাটা উজ্জ্বল সাদা, বা শ্বেতবর্ণের হয়। এদের দাঁত নেই আর জ্বলন্ত পাহাড় যেখানে সারডোনিক্স পাথর পাওয়া যায়, সেখানে এদের খোঁজ মেলে। এই সাপ কামড়ায় না। কারণ দাঁত নেই— কিন্তু যখন পেট থেকে কিছু উগরে দেয় তখন চারদিকের এলাকা নষ্ট করে দেয়। লেজ ধরে ঝুলিয়ে রাখলে, নিচে ঝোলানো মুখ থেকে দু’রকমের তরল পদার্থ নির্গত হয়। একটা গাঢ় হলুদ রঙের, অন্যটি কালো রঙের। বাদামি-হলুদ রঙের তরল, সাপটি বেঁচে থাকতে বের করা হয়, আর কালো রঙের তরল বের হয় সাপ মারা গেলে। জীবন্ত সাপের মুখ থেকে নির্গত বিষ একটি তিলের পরিমাণ কোনো মানুষ গ্রহণ করলে সে তৎক্ষণাৎ মারা যায়। নাকের মধ্যে দিয়ে তার মগজটা নির্গত হয়ে আসে। অন্য বিষটি প্রয়োগ করলে, এক বছরের মধ্যে শরীর ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে মৃত্যু অবধারিত।

    ৩৪. ‘ডাইকাইরন’ নামে একটা পাখি আছে, যার গ্রিক ভাষার অর্থ ‘যথাযথ’। আয়তনে একটা তিরি পাখির ডিমের মতো। এরা নিজের বর্জ্য মাটির মধ্যে লুকিয়ে রাখে, যেন কেউ খুঁজে না পায় সেজন্য। এক তিল পরিমাণে সেই বর্জ্য কেউ সকালবেলা গ্রহণ করলে সারাদিন গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন থাকবে আর সুর্যাস্তের মধ্যেই মারা যাবে।

    ৩৫. ‘পারেবন’ নামে একটা গাছ আছে। জলপাই গাছের মতো দেখতে, আকার-আয়তনও তাই। তবে গাছটিতে কোনো ফুল হয় না, আর কেবল রাজার বাগানে বা রাজকীয় বাগানেই থাকে। গাছটির পনেরোটা শিকড় মাটিতে প্রোথিত, আর শিকড়গুলো প্রত্যেকটি একটা মানুষের পুরোবাহুর সবচেয়ে সরু অংশের মতো দেখতে। যেখানে এই শিকড়গুলো বেড়ে ওঠে, সেখানে সবকিছু এই শিকড় আকর্ষণ করে নেয়—সবকিছু বলতে সোনা, রুপো, ব্রোঞ্জ, রত্ন বা পাথর সহ সব কিছু, শুধু অ্যাম্বার বা পীতাভ পাথরটি বাদ দিয়ে।

    যদি এক হাত লম্বা শিকড় কোথাও রাখা হয়, তাহলে ভেড়া, ছাগল কি পাখি তাতে আকর্ষিত হয়, এভাবে টেনে এনে বা আকর্ষণ করে বেশির ভাগ শিকার করে তারা। যদি তুমি এক পাত্র জল, বা মদ ঘনীভূত করতে চাও তা হলে এক টুকরো শিকড় দিয়ে করতে পারো। মৌমাছির মোমের মতো হাতে ধরে থাকলে পরের দিন সকালে তা দ্রবীভূত হয়ে যায়। এই দ্রবণ পেটের অসুখের ভালো ওষুধ।

    ৩৬. ভারতের একটি নদী আছে, যেটা খুব বড়সড় আকারের নয়— চওড়ায় দুই ষ্ট্যাডিয়া হবে। ভারতীয়রা তাকে হিপারকোস নামে জানে, যার গ্রীক ভাষার অর্থ ‘সব ভালো বস্তু বহনকারী’। এই নদী বছরের মধ্যে তিরিশ দিন অ্যাম্বার বয়ে নিয়ে আসে। তারা বলে, পর্বতশ্রেণির উপরে যেখান থেকে নদী শুরু হয় আর বয়ে আসে সেখানে এই গাছ নদীর ওপর ঝুঁকে থাকে। যখন ঋতু আসে তখন গাছ থেকে বিন্দু বিন্দু রস নির্গত হয়। একে গাছের প্রাণরস বলা যায়, বাদাম বা পাইন বা অন্যান্য গাছের মতো; তবে এ গাছের রস শুধু বছর ত্রিশ দিন নির্গত হয়। ভারতীয়রা এই গাছকে সিপটাকোরা বা ‘সুমিষ্ট’ গাছ বলে। কেউ আবার ‘মনোরম’ও বলে। গাছের ওই রস নদীতে পড়ল জলের সংস্পর্শে এসে শক্ত হয়ে যায় আর ভারতীয়রা নদী থেকে ওই অ্যাম্বার সংগ্রহ করে। ওই গাছের ফলও হয়, আঙুরের থোকার মতো থোকা থোকা; অনেকটা পন্তদেশের ‘বেরি’ বা জামের মতো দেখতে।

    ৩৭. টিসিয়াসের মতে, এইসব পাহাড়ে যে মানুষরা বসবাস করে তাদের মাথা কুকুর-সদৃশ। বন্যজন্তুর চামড়া থেকে তারা পরিধেয় সংগ্রহ করে, তারা নিজেদের মধ্যে কথাবার্তা বলে কুকুরের মতো ডাকাডাকি করে, অন্য কোনো ভাষা ব্যবহার করে না। কুকুরের থেকে তাদের দাঁত বড় হয়, থাবার নখগুলোও বড়, তবে আরও সুগঠিত ও গোলাকার। তারা পর্বতের উপরে থাকে, যেখান থেকে সিন্ধু নদ প্রবাহিত হয় সেখানে, বহুদূরে। তাদের গায়ের রং কালো। তারা খুব ন্যায়পরায়ণ, অন্য ভারতীয়দের মতোই, তাদের সঙ্গেই বসবাস করে। অন্য ভারতীয়রা কী বলছে তারা বুঝতে পারে, কিন্তু তার উত্তর দিতে পারে না, বা কথাবার্তা চালাতে পারে না। সেজন্য তারা প্রত্যুত্তরে ঘেউ ঘেউ করে আর বোবা-কালা মানুষদের মতো হাত আর আঙুল দিয়ে বিচিত্র অঙ্গভঙ্গি করে। ভারতীয়রা এদের ‘কেলিসস্ট্রিওই’ বলে; গ্রীক ভাষায় যার অর্থ ‘সাইনোসেফলাই’ (কুকুরমাথা মানুষ, বা কুকুরের মাথাওয়ালা মানুষ) ওদের গোষ্ঠীতে প্রায় এক লক্ষ কুড়ি হাজার মানুষ আছে।

    ৩৮. নদীর উৎসমুখে রক্তবর্ণের এক ধরনের ফুল ফোটে, যা থেকে লাল রং উৎপন্ন হয়, গ্রীসদেশে উৎপন্ন রঙের থেকে যা বেশি উজ্জ্বল।

    ৩৯. সিঁদুরের মতো লাল রঙের একটি পোকা পাওয়া যায়, গুবরে পোকার মতো আকার, তাদের পা অবিশ্বাস্য রকমের বড় আর এরা কেঁচো বা শুঁয়োপোকার মতো নরম দেহের প্রাণী। এই প্রাণী, অ্যাম্বার গাছে থাকে। গাছের ফল খায় আর গাছটিকেও মেরে ফেলে, যেরকম গ্রীসদেশে পোকারা আঙুরলতা খেয়ে ফেলে। ভারতীয়রা এই প্রাণীগুলোকে মেরে, লাল রং তৈরি করে কাপড়, জামা বা অন্যান্য জিনিসপত্র ছোপায়। এই ছোপানো রঙের জামাকাপড় পারস্যের রং করা কাপড়ের থেকে ভালো মানের।

    ৪০. সাইনোসেফলাই বা কুকুরের মতো মাথাওয়ালা মানুষরা পাহাড়ের ওপর থাকে, কাজকর্ম করে না, শুধু পশু শিকার করে খেয়ে বেঁচে থাকে। শিকার করে তারা সেই পশুর মাংস রোদের তাপে পরিপাক করে নেয়। এরা ছাগল, ভেড়া আর গাধা প্রতিপালন করে আর তাদের দুধ খেয়ে থাকে— তাজা আর টকে যাওয়া দু-ধরনের দুধ। তারা অ্যাম্বার গাছের (সিপটাচোরা) ফল, যা খুবই মিষ্টি হয়, সেটা খেয়ে থাকে। বড় ঝুড়িতে তারা শুকনো ফলগুলোকে রেখে দেয়, যেমন গ্রীকরা কিসমিস বা শুকনো আঙুর রাখে।

    ৪১. এরা ভেলা তৈরি করে। ভেলায় এই ফল, ফুল থেকে তৈরি রঞ্জক আর ২৬০ ট্যালেন্ট সংবৎসরে জমা করে। এইসব জিনিসপত্রের সঙ্গে লাল রং তৈরির আর ১০০০ ট্যালেন্ট অ্যাম্বার ভারতীয়দের রাজার কাছে প্রতি বছর পাঠাতে হয়। উদ্বৃত্ত যতটা তারা আহরণ করে, সেটুকু তারা বিক্রি করে অন্য ভারতীয়দের কাছ থেকে রুটি, খাবার আর সুতির কাপড় নেয়, পরিবর্তে। ফলের পরিবর্তে তারা তরোয়ালও নিয়ে থাকে, বন্যজন্তু শিকার করার জন্য (যদিও বর্শা আর তীর-ধনুক দিয়েও তারা শিকার করে, কারণ দুই অস্ত্রেই তারা অত্যন্ত পারদর্শী)। তারা যেহেতু উঁচু পাহাড় পর্বতে থাকে, সেই সব অঞ্চল দুরতিক্রম্যও বটে, তাই যুদ্ধ বলে কোনো কিছু তারা জানে না। প্রতি পাঁচ বছর অন্তর রাজা তাদের তিন লক্ষ ধনুক, একই সংখ্যার বল্লম, এক লক্ষ কুড়ি হাজার ঢাল আর পঞ্চাশ হাজার তরবারি উপহার দেন।

    ৪২. এই মানুষরা গুহাতে থাকে, বাড়িঘরে বসবাস করে না। তারা যেসব বুনো জন্তু শিকার করে ধনুক আর বল্লম দিয়ে, তারা দৌড়ে ধরে ফেলে সেসব জন্তুদের, যারা আহত হয়েও পালিয়ে যেতে চায়— কারণ তারা খুব দ্রুত দৌড়য়। মেয়েরা মাসে একবার মাত্র স্নান করে, যখন তারা রজঃস্বলা হয়, অন্য সময় স্নান করে না। পুরুষরা কখনো স্নান করে না, শুধু হাত ধোয়, আর মাসে তিনবার নিয়ম মেনে ঘৃত দিয়ে সারা দেহে মাখে ও প্রক্ষালন করে, শেষে পশুচর্মের সাহায্যে তা পরিষ্কার করে, তারা রুক্ষ চর্ম পরিধান করে না, রুক্ষ কাপড়ও পরে না, বরং পাতলা চামড়ার পরিধেয় পরে। পুরুষ আর স্ত্রী উভয়ই এই রকম রীতি মেনে চলে। এদের মধ্যে যারা সবচেয়ে ধনশালী, তারা অবশ্য লিনেন-এর কাপড় পরে— তবে সেরকম লোক খুবই অল্প। বিছানায় না শুয়ে এরা সব খড়ের ওপর শয়ন করে। সব থেকে বেশি ভেড়া যার আছে, সে তত ধনী। বাকি সব সম্পত্তির দাম প্রায় সমান সমান।

    কুকুরের মতো লেজ

    ৪৩. এদের মেয়ে-পুরুষ সবার কুকুরের মতো লেজ আছে, ঠিক কুকুরের মতো জায়গায় হয় সেই লেজ, তবে আকারে আরও বড়, আরও রোমশ। দৈহিক মিলনের সময় তারা সারমেয়দের মতোই চার হাত-পায়ে হামাগুড়ি দিয়ে বা উপুড় হয়ে মিলিত হয়, অন্য কোনোভাবে মিলিত হতে তারা লজ্জাবোধ করে। সমস্ত মানবগোষ্ঠীর মধ্যে এরা সবচেয়ে বেশিদিন বেঁচে থাকে, সাধারণভাবে ১৭০ বছর পর্যন্ত এদের আয়ু, কেউ কেউ আবার ২০০ বছর পর্যন্ত বাঁচে।

    ৪৪. ওরা বলে, এর পরেও নদীর উৎসমুখ পার করে একদল মানুষ বসবাস করে। তাদের গায়ের রং ভারতীয়দের মতো কালো, তারা কোনো কাজকর্ম করে না, শস্য বা জল খেয়েও জীবনধারণ করে না। ওখানে গরু-ভেড়া ছাগলের পাল ঘুরে বেড়ায়, ওরা তাদের দুধ খেয়ে থাকে, অন্য কিছু খায় না। এই মানুষদের শিশু সন্তানেরা যখন জন্মগ্রহণ করে, তখন সেই সন্তানের পায়ুদ্বার বা মলদ্বার থাকে না, মলত্যাগও করে না। তাদের নিতম্ব থাকে, কিন্তু বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ছিদ্রপথটি উন্মুক্ত হয়। অতএব, তারা মলত্যাগ করে না বটে, কিন্তু ওরা বলে যে ওদের মূত্র দুর্গন্ধযুক্ত হয়, পনিরের দুর্গন্ধের মতো। ওদের কাছে শোনা যায় যে, ভোরবেলা আর দিনের মাঝামাঝি দুবার তারা যখন দুগ্ধপান করে, তারপরে তারা একটা সুমিষ্ট শিকড় খায়, যে শিকড় তাদের পেটে ওই দুধকে জমতে দেয় না। শিকড় চিবিয়ে খাওয়ার পর সন্ধ্যার দিকে তারা একেবারে দুধ-সহ সবকিছুই বমন করে ফেলে। স্বাভাবিকভাবেই সেটা হয়।

    ৪৫. ভারতে বন্য গাধা, ঘোড়ার মতো আকারের বা তারচেয়ে বড় হয়। তাদের গায়ের রং সাদা, মাথা গাঢ় লাল রঙের আর চোখ দুটো গাঢ় নীল। কপালের ঠিক মাঝখানে এদের প্রায় দেড় হাত লম্বা একটা শিং থাকে। এই শিং নিচের দিকে কপালের কাছে দুটো হাত মুঠো করে ধরলে যতটা হয় ততটাই, আর উজ্জ্বল শ্বেতবর্ণের। শিং-এর চূড়াটা ধারালো আর ছুঁচোলো গাঢ় লাল রং-এর। আর মাঝখানটা কালো রঙের। বলা হয় যে ওই শিং থেকে কাপ বা পেয়ালা তৈরি করে, যদি ওই পেয়ালায় তারা কিছু পান করে, সেটা জল বা মদ যেটাই হোক, তারপর তাদের ওপর কোনো বিষ কাজ করে না। এমনকি তাদের হৃদরোগ বা সন্ন্যাস রোগ আর হয় না।

    ওরা বলে যে অন্য জাতের বুনো বা পোষ্য গাধা বা কোনো খুরবিশিষ্ট প্রাণীদের গোড়ালির হাড় বা পাকস্থলীতে পিত্তরস থাকে না। কিন্তু এদের দুটোই আছে। এদের গোড়ালির হাড় অবিকল ষাঁড়ের মতো—একই মাপ আর আকারের, এত চমৎকার দেখতে যে আমি কখনো দেখিনি। সীসার মতো ভারী আর গভীর পর্যন্ত সিঁদুর বা হিঙ্গুলের মতো লাল। এই প্রাণী চূড়ান্ত ক্ষিপ্র আর বলশালী আর ঘোড়া কিংবা অন্য কোনো জন্তু দৌড়ে এদের হারাতে পারে না। এরা প্রথমে আস্তে আস্তে দৌড় শুরু করে, পরে যত দূর যায়, তত জোরে এরা দৌড়তে পারে। সাধারণত এই প্রাণী শিকার করা যায় না, তবে এরা যখন বাচ্চা নিয়ে প্রান্তরে এসে ঘোরাফেরা করে তখন অনেক অশ্বারোহী মিলে এদের ঘিরে ধরে। এরা পালায় না। বাচ্চাটিকে আলাদা করে সরিয়ে দিয়ে তারা শিং আর খুর দিয়ে যুদ্ধ শুরু করে দেয়। তাদের কামড়, খুরের আঘাত আর শিং-এর গুঁতোর মতোই মারাত্মক। অনেক ঘোড়া আর মানুষ ওই জন্তুর সঙ্গে যুদ্ধে মারা যায়, শেষ পর্যন্ত তীর আর বল্লমের আঘাতে জন্তুটার মৃত্যু হয়। ওদের জীবিত অবস্থায় ধরা সম্ভব নয়। ওদের মাংস খাওয়া যায় না। কারণ তেতো স্বাদ বলে। কিন্তু ওদের মাথার ওই শিং আর গোড়ালির হাড়-এর জন্য এদের শিকার করা হয়।

    ৪৬. সিন্ধু নদে এক ধরনের পোকা বাস করে, যেটা ডুমুর গাছে যে পোকা থাকে তার মতো দেখতে হলেও প্রায় সাত হাত লম্বা হয়। আর এতটা চওড়া যে দশ বছরের বালক দু-হাত বেড় দিয়ে তাকে কোনোরকমে হয়তো ধরতে পারে। এই পোকাটার দুটো দাঁত, একটা ওপরের দিকে আর একটা নিচের দিকে— এই দাঁত দিয়ে যেটা ধরে ফেলে সেটাকেই খেয়ে নেয়। সারাদিন তারা নদীর কাদায় শুয়ে থাকে, রাত হলে বেরোয়। আর যখন পথে কোনো উট বা ষাঁড়ের দেখা পায়, তখন তাকে দাঁত দিয়ে কামড়ে ধরে, টেনে নদীতে নিয়ে যায়— গোটা উট বা ষাঁড়টাকে খেয়ে ফেলে, শুধু অন্ত্র বা নাড়িভুঁড়ি বাদ দিয়ে। ছাগল বা ভেড়ার ছানা টোপ দিয়ে অতিকায় মাছ-ধরা বঁড়শির সাহায্যে এদের ধরার রীতি। লম্বা লোহার শিকলে বঁড়শি বাঁধা থাকে। একটা ‘পোকা’ ধরতে পারলে তিরিশ দিন তাকে ঝুলিয়ে রাখা হয় একটা কাঠের পাত্রের ওপরে— তিরিশ দিন ধরে ফোঁটা ফোঁটা ঘন তেল তার শরীর থেকে বেরিয়ে এসে পৌনে তিন লিটার তেল, বয়ামের মতো দেখতে সেই পাত্রে জমা হয়। তিরিশ দিন হয়ে গেলে তারা ‘পোকা’ টাকে সরিয়ে ফেলে, তেলটা রেখে দেয়, তারপর ভারতের রাজার কাছে নিয়ে যায়। রাজা ছাড়া অন্য কেউ এই তেল কাছে রাখতে পারে না। এই তেল, কাঠ বা কোনো জীবন্ত প্রাণীর ওপর ছড়ালে আগুন জ্বলে ওঠে, আর সে আগুন নেভাতে প্রচুর ঘন-কাদার প্রয়োজন হয়।

    ৪৭. সেডার অথবা সাইপ্রেস গাছের মতো একধরনের লম্বা গাছ ভারতে আছে। পাতাগুলো খেজুর গাছের পাতার চেয়ে চওড়া। গাছটির কাণ্ড আর পাতার মাঝে কোনো কৌণিক ব্যবধান নেই (axil) আর গ্রীক ও রোমানদের যে পাতাগুল্ম দিয়ে সম্মান জানানোর জন্য শিরোভূষণ (laurel) দেওয়া হয়, সেই ধরনের পাতা থাকলেও কোনো ফল থাকে না। ভারতে একে ‘কারপিয়ন’ বলে আর গ্রীসে ‘সুগন্ধি গোলাপ’ বলা হয়। গাছটি বিরল জাতের গাছ, আর সে-গাছ থেকে যে ফোঁটা ফোঁটা তেল পড়ে, সেই তেল ভারতীয়রা পশমের গোলায় সংগ্রহ করে, আর সেই পশম নিঙড়ে পাথরের পাত্রে সঞ্চয় করে থাকে। এই তেল অল্প লালচে রঙের, কিছুটা ঘন, কিন্তু ভারি সুন্দর তার গন্ধ। ওদের মতে এই গন্ধ প্রায় পাঁচ ষ্ট্যাড (১৮৫ থেকে ১৯২মি. =১ ষ্ট্যাড) অবধি পাওয়া যায়। এই সুগন্ধি কেবলমাত্র রাজা আর তার আত্মীয়দের কাছেই থাকে। ভারতের রাজা একবার পারস্যের সম্রাটকে এই সুগন্ধী উপহার দিয়েছিলেন, টিসিয়াস সেটা দেখেছেন এবং নিজে তার ঘ্রাণ নিয়েছিলেন। এককথায় তা অপূর্ব। তার কোনো বিবরণ দেওয়া যায় না, কোনো কিছুর সঙ্গে তুলনা করাও সম্ভব নয়।

    ৪৮. ভারতীয়দের পনির আর সুরা অত্যন্ত সুমিষ্ট, তিনি নিজে খেয়ে দেখেছেন, এটা তাঁর নিজস্ব অভিজ্ঞতা বলেই টিসিয়াস বলেছেন।

    ৪৯. তিনি আরও বলেছেন যে, ভারতে একটি প্রস্রবণ আছে, যাঁর পরিসীমা ৩০.৫ ফুট। একটি চতুষ্কোণ আকারের। জল যে পাথরের ওপর আছে সেটা তিন হাত গভীর, কিন্তু জলের নিজের গভীরতা প্রায় আঠারো ফুটের বেশি। ভারতের সবচেয়ে সম্ভ্রান্ত লোকজন, ছেলে-মেয়ে-শিশু সকলে এই জলধারায় স্নান করে। তারা জলের মধ্যে ঝাঁপ দেয় যেভাবে আমরা হাঁটি সেইভাবে অর্থাৎ, পা নিচের দিকে, মাথা উপরে রেখে— আর সঙ্গে সঙ্গে জল তাদের ছুঁড়ে ফেরত পাঠিয়ে দেয়। শুধু মানুষ বলে নয়, অন্যান্য জীবজন্তু, জীবিত বা মৃত সবার ক্ষেত্রেই এই ঘটনা ঘটে। জল স্পর্শ করার পরই তাদের শুকনো জমিতে ফিরিয়ে দেয়। শুধু লোহা, সোনা, রুপো আর ব্রোঞ্জ ছাড়া; এগুলো জলের মধ্যে ডুবে যায়। এই জল খুব ঠান্ডা আর স্বাদে মিঠে। এই প্রস্রবণ এত আওয়াজ করে যে শুনলে মনে হয় কেটলির মধ্যে জল ফুটছে। এই জলে কুষ্ঠ রোগ আর যাবতীয় খোস-পাঁচড়া সেরে যায়। ভারতীয়রা এই প্রস্রবণকে ‘ব্যালাড’ আর গ্রীকরা ‘প্রয়োজনীয়’ বলে।

    ৫০. ভারতের উঁচু পাহাড়ের ওপর, যেখানে বাঁশ, নল-খাগড়া জন্মায়, সেখানে একদল মানুষ বাস করে, সংখ্যায় তারা তিরিশ হাজার। তাদের মহিলারা সারা জীবনে একবার সন্তান প্রসব করে, সেই সন্তানদের ওপরের আর নিচের সারির দাঁত খুব সুন্দর হয়। জন্মাবার সময় থেকে ছেলে-মেয়ে দুজনেরই মাথা আর ভ্রূ-তে সাদা চুল থাকে— তিরিশ বছর বয়স পর্যন্ত। ওদের শরীরের সর্বাঙ্গের রোম ত্রিশ বছর বর্যন্ত সাদা থাকে। তারপর ধীরে ধীরে কালো হতে শুরু করে। ষাট বছর বয়স হলে এদের পুরো মাথার চুল কালো হয়ে যায়। এদের প্রত্যেক হাতে আর প্রত্যেক পায়ে আটটা করে আঙুল হয়। তারা যোদ্ধা, যুদ্ধ করা পছন্দ করে। ভারতীয় রাজার এইরকম পাঁচ হাজার সৈন্য আছে, যারা তীর-ধনুক আর বর্শা ছুঁড়তে পারদর্শী। টিসিয়াসের মতে, এদের কান বিরাট আকারের— প্রায় কনুই পর্যন্ত বিস্তৃত, আর গোটা পিঠ ঢাকা পড়ে। একটা কান দিয়ে অন্য কান-কে ছোঁয়া যায়।

    ৫১. এইসব লেখা টিসিয়াস লিখেছেন আর বলেছেন যে এ সব সত্য কথা। আরও বলেছেন যে, তিনি এই ঘটনাগুলোর বেশ কিছু নিজের চোখে দেখেছেন, আর কিছু অন্যের অভিজ্ঞতা থেকে নেওয়া, যে নিজেই সেটা দেখেছে। তিনি আরও বলেছেন যে, অনেক কিছু অবিশ্বাস্য ঘটনা তিনি বাদ দিয়েছেন, যেগুলো ব্যক্তিগতভাবে সে লোকগুলো দেখেনি, কিন্তু শুনেছে। এগুলো তাঁর বিবরণের কয়েকটি উদাহরণ মাত্র।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসাদা বিড়াল – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    Next Article ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মানবজমিন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    August 7, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মানবজমিন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    August 7, 2026
    Our Picks

    মানবজমিন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    August 7, 2026

    কড়িখেলা – সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 7, 2026

    নীললোহিতের চোখের সামনে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }