Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ছায়াপথিক – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় এক পাতা গল্প164 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৪. ভুজঙ্গ-প্রয়াত

    ভুজঙ্গ-প্রয়াত
    চতুর্থ পরিচ্ছেদ

    এক

    দীপালী উৎসবের কিছুদিন পূর্বে সোমনাথের ছবি শেষ হইল। এই অপরান্ত প্রদেশে দীপালীই বৎসরের সর্বশ্রেষ্ঠ পর্ব ও নূতন খাতা। এই সময় শ্রেষ্ঠী সম্প্রদায় নূতন করিয়া ছুরি শানাইয়া ব্যবসা বাণিজ্য আরম্ভ করেন।

    চলচ্চিত্রও ব্যবসা। ছবি তৈয়ার হইলে তাহাকে সম্প্রদান করার পালা। কন্যা বয়স্থা হইলে যেমন পাত্রের সন্ধানে বাহির হইতে হয়, ছবি তৈয়ার হইলেও অনুরূপ ব্যবস্থা। চিত্র-জনকেরা তখন ঘটকের দ্বারস্থ হন। চিত্র সমাজে এই ঘটকের অখণ্ড প্রতাপ।

    ভবানীর ভুকুটি ভঙ্গি যেমন শিবই বোঝেন, গিরিরাজ ববাঝেন না, তেমনি ছবি যাহারা প্রস্তুত করে অতি পরিচয়ের ফলে ছবির সৌন্দর্য বুঝিবার ক্ষমতা আর তাহাদের থাকে না। এই সূত্রে ছবির পরিবেশকেরা আসিয়া আসর জুড়িয়া বসেন। ইহারা ছবির জহুরী এবং দালাল। অর্থব্যয় করিয়া ছবি তৈয়ার করা ইহাদের কাজ নয়, আবার ছবিঘর প্রস্তুত করিয়া ছবি প্রদর্শন করাও ইহাদের কর্তব্যের মধ্যে গণ্য নয়। ইহারা কেবল একজনের প্রস্তুত ছবি অন্য একজনকে সাধারণে প্রদর্শন করিবার অধিকার দিয়া দালালিটুকু আত্মসাৎ করেন। ধনিকতন্ত্রের আমলে অধিক পরিশ্রম না করিয়া এবং সর্বপ্রকার লোকসানের ঝুঁকি বাদ দিয়া অর্থ উপার্জনের যতগুলি পন্থা আবিষ্কৃত হইয়াছে, ছবির ডিস্ট্রিবিউশন তাহাদের মধ্যে একটি।

    সোমনাথের ছবি দেড় লাখ টাকার মধ্যেই প্রস্তুত হইয়াছিল; কিন্তু সেকথা সোমনাথ, পাণ্ডুরঙ ও রুস্তমজি ছাড়া আর কেহ জানিত না। ছবির কাট-ছাঁট শেষ হইলে একদা রাত্রিকালে রুস্তমজি, সোমনাথ, পাণ্ডুরঙ ও ইন্দুবাবু নিভৃতে ছবিখানি আগাগোড়া দেখিলেন। দেখিয়া কিন্তু ছবির ভাল-মন্দ সম্বন্ধে কেহ কোনও মন্তব্য করিতে পারিলেন না। সোমনাথ গালে হাত দিয়া বসিল। ছবি যদি জনসাধারণের মুখেরোচক না হয়? রুস্তমজির অন্য ছবিগুলি যে পথে গিয়াছে, এটিও যদি সেই পথে যায়? যে আশা-ভরসা ও উদ্যম লইয়া সে ছবি আরম্ভ করিয়াছিল এখন আর তাহার বিন্দুমাত্র অবশিষ্ট নাই। যে গল্প তাহার এত ভাল লাগিয়াছিল তাহাই এখন একেবারে আলুনি ও নিরামিষ মনে হইতেছে।

    পাণ্ডুরঙ ও ইন্দুবাবুর অবস্থা তাহারই মত। কেবল রুস্তমজি ভরসা দিলেন—তুমি ভেবো না। আমি ব্যবস্থা করছি।

    পরদিন সন্ধ্যার পর রুস্তমজির গুটিকয় বন্ধু স্টুডিওতে আসিয়া উপস্থিত হইলেন। রুস্তমজি তাঁহাদের নৈশ ভোজনের নিমন্ত্রণ করিয়াছেন। সকলেই চিত্র-পরিবেশক। সোমনাথ, পাণ্ডুরঙ ও ইন্দুবাবু নিমন্ত্রিত হইয়াছেন।

    আহারের আয়োজন রাজকীয়; সঙ্গে তরল দ্রব্যেরও ব্যবস্থা আছে। সকলে লম্বা টেবিলে আহারে। বসিলেন; নানাবিধ রঙ্গ পরিহাসের মধ্যে আহার চলিল। সকলেই জানিতেন এই নিমন্ত্রণের একটি বিশেষ উদ্দেশ্য আছে; কিন্তু কেহই সে কথার উল্লেখ করিলেন না।

    পানাহার শেষ হইলে রুস্তমজি সকলকে আহ্বান করিয়া স্টুডিওর প্রোজেকশান হলে লইয়া গেলেন। ছোট একটি প্রেক্ষাগৃহ; ছবি তোলার সঙ্গে সঙ্গে ছবি কেমন হইতেছে তাহা পরীক্ষা করার জন্য প্রত্যেক স্টুডিওতেই এইরূপ একটি প্রেক্ষাগৃহ থাকে।

    লম্বাটে ধরনের একটি ঘর; তাহার একপ্রান্তে একটি পদা, অপর প্রান্তে কয়েকটি চেয়ার সাজানো। মাথার উপর টি টিম্‌ করিয়া একটি ক্ষীণ আলো জ্বলিতেছে। সকলে উপবিষ্ট হইতেই আলো নিভিয়া গেল, ছবি দেখানো আরম্ভ হইল।

    দুইঘন্টা পরে ছবি শেষ হইলে সকলে আবার অফিস ঘরে আসিয়া সমবেত হইলেন। কেবল পাণ্ডুরঙ রুস্তমজির অনুমতি লইয়া বাড়ি চলিয়া গেল।

    রুস্তমজি এবার অতিথিদের স্পষ্ট প্রশ্ন করিলেন—ছবি কেমন লাগল আপনাদের?

    সকলেই পরস্পরের পানে আড়চোখে চাহিয়া মুখ কাঁচুমাচু করিলেন; তাঁদের ভাবভঙ্গি দেখিয়া সোমনাথের বুক দমিয়া গেল। ইহারা অবশ্য ব্যবসাদার লোক; কোনও ছবিকে মন খুলিয়া ভাল বলেন না, পাছে ছবির দর বাড়িয়া যায়। কিন্তু বর্তমান ক্ষেত্রে তাঁদের ভাব দেখিয়া মনে হইল, সত্যই তাঁহারা ছবি দেখিয়া নিরাশ হইয়াছেন।

    বাঞ্চুভাই নামক একজন প্রবীণ পরিবেশক জিজ্ঞাসা করিলেন—ছবি কে ডিরেক্ট করেছেন রুসিভাই?

    সোমনাথকে দেখাইয়া রুস্তমজি বলিলেন—ইনি করেছেন?

    বাঞ্চুভাই তখন সোমনাথকে একটু আড়ালে লইয়া গিয়া উপদেশ দিতে আরম্ভ করিলেন। লোকটি ঘোর অশিক্ষিত, কিন্তু মিষ্টভাষী। সোমনাথকে তিনি বুঝাইতে লাগিলেন যে প্রথম চেষ্টা হিসাবে ছবিটি মন্দ না হইলেও পাবলিকের চিত্তাকর্ষক ছবি তৈয়ার করা একদিনের কাজ নয়; অনেক অভিজ্ঞতার দরকার। ছবি কিভাবে চিত্তাকর্ষক করিতে হয়, কি কি মালমশলা ভাল ছবির পক্ষে অপরিহার্য তাহা তিনি নানা উদাহরণ সহকারে সোমনাথের হৃদয়ঙ্গম করাইতে লাগিলেন। নিরুপায় সোমনাথ বিদ্রোহভরা অন্তর লইয়া নীরবে শুনিয়া চলিল।

    সে একবার চোখ তুলিয়া দেখিল, ইন্দুবাবুকেও দুই-তিন জন পরিবেশক ঘিরিয়া ধরিয়াছেন; ইন্দুবাবু পাচার মত মুখ করিয়া তাঁহাদের কথা শুনিতেছেন। শেষে আর বোধকরি সহ্য করিতে না পারিয়া তিনি রুস্তমজির নিকট বিদায় লইয়া বাড়ি চলিয়া গেলেন। গল্প রচনার সময় তাহাতে দুই একটি রিভলভার ও একটি নারীহরণ না থাকিলে যে সিনেমার গল্প একেবারেই অচল, একথা তিনি বেশিক্ষণ গলাধঃকরণ করিতে পারিলেন না।

    ওদিকে রুস্তমজিকে যাঁহারা পরিবেষ্টন করিয়াছিলেন তাঁহারা তাঁহার প্রতি করুণামিশ্রিত সমবেদনা প্রকাশ করিতে ত্রুটি করিতেছিলেন না এবং ঘুরাইয়া ফিরাইয়া জানিবার চেষ্টা করিতেছিলেন যে ছবি তৈয়ার করিতে কত খরচ হইয়াছে। শেষে একজন অনেকটা স্পষ্ট করিয়াই প্রশ্ন করিলেন—ছবিতে নামজাদা আর্টিস্ট কেউ নেই, নাচ-গানও না থাকার সামিল; খরচ নিশ্চয়ই খুব কম হয়েছে।

    রুস্তমজি অম্লান বদনে বলিলেন—ছবিতে আড়াই লাখ টাকা খরচ হয়েছে।

    সকলেই ঠোঁট উল্টাইলেন—বড় বেশি খরচ হয়েছে–নতুন লোকের হাতে কাজ দিলে ঐ হয়। অত টাকা ছবি থেকে উঠবে না রুসিভাই। আজ আমরা তাহলে উঠি।

    রুস্তমজি বলিলেন—আমার আড়াই লাখ খরচ হয়েছে। আমি বেশি লাভ চাই না; তিন লাখ পেলেই আমি ছবি ছেড়ে দেব।

    আর কেহ উচ্চবাচ্য করিলেন না—সাহেবজি বলিয়া রুস্তুমজিকে অভিবাদন জানাইয়া বিদায় লইলেন।

    অত্যন্ত বিষণ্ণ মনে সোমনাথ সে রাত্রে বাড়ি ফিরিয়া আসিল।

    .

    দুই

    পরদিন সকালবেলা সোমনাথ চা পান করিতে বসিয়াছে এমন সময় পাণ্ডুরঙ আসিল।

    সে উপবেশন করিলে সোমনাথ তাহার দিকে টোস্টের প্লেট আগাইয়া দিয়া বলিল—কি খবর? কাল অত তাড়াতাড়ি চলে গেলে যে?

    পাণ্ডুর উত্তর দিল না, একটা খালি পেয়ালায় চা ঢালিয়া লইল; তারপর এক টুকরো টোস্টে কামড় দিয়া আপন মনে চিবাইতে লাগিল। পাণ্ডুরঙের ভাবভুঙ্গি সোমনাথের অনেকটা আয়ত্ত হইয়াছিল, সে বুঝিল পাণ্ডুরঙের পেটে কোনও কথা আছে। উৎসুকভাবে চাহিয়া সে বলিল—কি, কথাটা কি?

    পাণ্ডুরঙ টোস্ট গলাধঃকরণ করিয়া এক চুমুক চা খাইল, তারপর বলিল—ছবি ভাল হয়েছে।

    সোমনাথ উচ্চকিত হইয়া উঠিল—আঁ, কে বললে?

    পাণ্ডুরঙ একটু হাসিয়া বলিল—আমার বৌ বলল।

    তোমার বৌ? সে কি? তিনি জানলেন কি করে?

    কাল রাত্রে বৌকে এনে প্রজেকশান হলে লুকিয়ে রেখেছিলাম; তোমারা দেখতে পাওনি। সে ছবি দেখেছে।

    তাই নাকি? তারপর?

    বৌ কখনও কোনও ছবির প্রশংসা করে না। কিন্তু যে-ছবি তার ভাল লাগে সে-ছবির মার নেই।

    এ ছবি তাঁর ভাল লেগেছে?

    শুধু ভাল লেগেছে! সারা রাত্রি আমাকে ঘুমোতে দেয়নি কেবলই ছবির কথা বলেছে।

    সোমনাথ মনে মনে খুবই আনন্দিত হইল, কিন্তু তবু তাহার সংশয় ঘুচিল না। সে বলিল—তুমি আমাকে উৎসাহ দেবার জন্যে বাড়িয়ে বলছ না তো?

    পাণ্ডুরঙ সিগারেট ধরাইয়া বলিল—বিশ্বাস না হয় তুমি নিজেই তাকে প্রশ্ন করে দেখবে চল।

    সোমনাথ সোৎসাহে উঠিয়া বলিল—তাই চল। তাঁর মুখে শুনলে তবু ভরসা হবে। হাজার হোক তিনি নিরপেক্ষ দর্শক; কিন্তু ফন্দিটা তুমি খুব বার করেছিলে তো!

    পাণ্ডুরঙ বলিল-মনটা ভারি উতলা হয়েছিল ভাই। ছবি কেমন হয়েছে কিছুই আন্দাজ করতে পারছিলাম না। অথচ বাইরের লোককেও দেখানো যায় না। তাই শেষ পর্যন্ত বৌকে পাকড়াও করেছিলাম। অবশ্য মনে ভয় ছিল, ও যদি খারাপ বলে তাহলে আর রক্ষে নেই। তাই আগে থাকতে তোমাদের কিছু বলিনি।

    সোমনাথ হাসিয়া বলিল—তিনি যদি খারাপ বলতেন তাহলে তুমি কি করতে?

    পাণ্ডুরঙ সরলভাবে বলিল—চেপে যেতাম।

    দুই বন্ধু মোটর চড়িয়া বাহির হইল। পাণ্ডুরঙের বাসায় সোমনাথ পূর্বে কয়েকবার গিয়াছিল, তাহার স্ত্রীকেও দেখিয়াছিল, দোহারা মজবুত গোছের স্ত্রীলোক, মুখশ্রী গোলগালের উপর মন্দ নয়; বয়স ত্রিশের নীচেই। কাছা দিয়া শাড়ি পরা স্বল্পভাষিণী এই মারাঠী মহিলাকে সোমনাথের খুব রাশভারি বলিয়া মনে হইয়াছিল।

    দুজনে যখন পৌঁছিল তখন দুগবাঈ ঝাঁটা হস্তে ঘর ঝাঁট দিতেছিলেন। অত্যন্ত সপ্রতিভভাবে ঝাঁটা সরাইয়া রাখিয়া তিনি হাসিমুখে সোমনাথকে অভ্যর্থনা করিলেন; নিজেই বলিলেন—আপনার ছবি কাল দেখে এসেছি। খুব ভাল হয়েছে।

    সোমনাথ বলিল-পাণ্ডুরঙের মুখে সেই কথা শুনে ছুটে এলাম। সত্যি ভাল হয়েছে?

    সত্যি ভাল হয়েছে। এমন কি– পাণ্ডুরঙের প্রতি কটাক্ষপাত করিয়া দুর্গাবাঈ বলিলেন—উনিও এবার ভদ্রলোকের মত অভিনয় করেছেন।

    সোমনাথ হাসিয়া উঠিল—দেখলে পাণ্ডুরঙ। ভদ্রলোকের সঙ্গ-গুণে তুমিও ভদ্রলোক হয়ে উঠেছ।

    পাণ্ডুরঙ বলিল—আমি যে স্বভাবতই ভদ্রলোক, অনুকূল অবস্থায় সেটা ফুটে উঠেছে মাত্র।

    সোমনাথ বলিল-যাহোক, আমাদের হিরোইনকে আপনার কেমন লাগল?

    দুর্গাবাঈ বলিলেন—সুন্দরী নয়, তবে বয়স কম। আর, ভারি মিষ্টি অভিনয় করেছে।

    আর আমি?

    আপনি তো সকলের কান কেটে নিয়েছেন। বলিয়া স্বামীর প্রতি একটি স্মিত অপাঙ্গ দৃষ্টিপাত করিয়া দুর্গাবাঈ চা তৈয়ার করিতে গেলেন।

    পাঁপর ভাজা সহযোগে দ্বিতীয় প্রস্থ চা পান করিতে করিতে সোমনাথ আবার প্রশ্ন করিল—আচ্ছা, ছবির মধ্যে কোন জিনিসটা আপনার সবচেয়ে ভাল মনে হল।

    দুর্গাবাঈ নিঃসংশয়ে বলিলেন—গল্প।

    এ গল্প সকলের ভাল লাগবে?

    লাগবে। আমি সাধারণ মানুষ, আমার যখন ভাল লেগেছে তখন সকলের ভাল লাগবে।

    আপনাকে যদি আবার ছবি দেখতে অনুরোধ করি আপনি খুশি হয়ে দেখতে যাবেন?

    যাব। আবার কবে দেখাবেন বলুন।

    সোমনাথ টেবিলে এক চাপড় মারিয়া বলিল—ব্যস, তাহলে আর ভাবনা নেই।

    পাণ্ডুরঙের বাসা হইতে স্টুডিও যাইতে যাইতে কিন্তু সোমনাথের মন আবার সংশয়াকুল হইয়া উঠিল। একটি স্ত্রীলোকের ভাল লাগার উপর কি নির্ভর করা চলে! সকলের রুচি সমান নয়–

    স্টুডিও পৌঁছিয়া দুজনে রুস্তমজির কাছে গিয়া বসিল। পাণ্ডুরঙ বলিল—হুজুর, একটা বেয়াদপি করে ফেলেছি, মাফ করতে হবে। বলিয়া স্ত্রীকে ছবি দেখানোর কথা বলিল।

    রুস্তমজি ধূর্ত চক্ষে হাসি ভরিয়া বলিলেন—তাতে কোনও দোষ হয়নি। তোমার বিবির ভাল লেগেছে তো?

    আজ্ঞে হ্যাঁ।

    রুস্তমজি বলিলেন-আমারও মনে হচ্ছে ছবিটা ভাল হয়েছে।

    সোমনাথ সাগ্রহে প্রশ্ন করিলকি করে জানলেন? ওরা কিছু বলেছে নাকি?

    রুস্তমজি নিজের বুকে টোকা মারিয়া বলিলেন—আমার মন বলছে ছবি ভাল হয়েছে। ওরা বরং উল্টো কথাই বলছে। আজ বাঞ্চুভাই ফোন করেছিল।

    কি বললেন তিনি?

    ছবির অনেক খুঁত কেড়ে শেষে বলল-অল ইন্ডিয়া রাইটসের জন্যে দেড় লাখ টাকা দিতে পারে।

    মিনিমাম্ গ্যারান্টি?

    না, একেবারে সরাসরি বিক্রি। কি বল তোমরা? ছেড়ে দেব?

    সোমনাথ ভাবিতে লাগিল, দেড় লাখ টাকায় ছবি ছাড়লে কিছুই লাভ থাকে না। কিন্তু লোকসানও হয় না। লোকসান না হওয়াটা কম কথা নয়।

    সোমনাথ প্রশ্ন করিল—আর অন্য ডিস্ট্রিবিউটাররা কোনও অফার দেননি?

    রুস্তমজি বলিলেন-উহুঁ। তাদের সাড়াশব্দ নেই। ওদের মধ্যে বাঞ্চুভাই তবু সমঝদার; সে বুঝেছে ছবি নতুন ধরনের হলেও তার মধ্যে জিনিস আছে। তার লোভ হয়েছে। চাপ দিলে দুলাখ। পর্যন্ত উঠতে পারে।

    সোমনাথ বলিল—দুলাখ যদি পাওয়া যায় তাহলে বোধকরি ছেড়ে দেওয়াই উচিত।

    রুস্তমজি পাণ্ডুরঙের দিকে চক্ষু ফিরাইলেন—তুমি কি বল?

    পাণ্ডুরঙ দ্বিধাভরে বলিল—লাখ বেলাখের কথা আমি বুঝি না হুজুর। আপনি কি বলেন?

    রুস্তমজি বলিলেন-ছবি যদি ভাল হয়ে থাকে, তাহলে ভয় পেয়ে সস্তায় ছেড়ে দেওয়া বোকামি; ব্যবসাদার হয়ে আমি ওদের কাছে ঠকে যেতে রাজি নই।

    তাহলে কি করবেন?

    আমি দর কমাব না। দেখি যদি ওরা রাজি হয়। যদি না হয় তখন অন্য ব্যবস্থা করতে হবে।

    অন্য ব্যবস্থা কী করবেন?

    রুস্তমজি উত্তর দিলেন না, শুধু একটু হাসিলেন।

    .

    তিন

    তিন লাখ টাকা দিতে কিন্তু কেহই রাজি হইল না। বাঞ্চুভাই এক লাখ ষাট হাজার পর্যন্ত উঠিলেন; অন্য সকলে স্পষ্টই পৃষ্ঠ প্রদর্শন করিল।

    সোমনাথের মনের অবস্থা শোচনীয় হইয়া উঠিল। ছবির যথার্থ মূল্য জানিবার কি কোনও উপায় নাই? অন্ধের মত পরের নির্ধারিত মূল্যে নিজের জিনিস পরের হাতে তুলিয়া দিতে হইবে? এত পরিশ্রম করিয়া শুধু দিনমজুরিটুকু লইয়া ঘরে ফিরিতে হইবে? আর কতগুলা দালাল তাহার কৃতিত্বের সুফল ভোগ করিবে? ইহাই কি ব্যবসায়ের দুর্লঙ্ঘ্য রীতি?

    বাণিজ্য নীতির সহিত সোমনাথের নূতন পরিচয় ঘটিতেছিল। বাণিজ্য লক্ষ্মী যে ভুজঙ্গ-প্রয়াত ছন্দে আঁকাবাঁকা পথে চলেন, তাঁহার মাথা হইতে মণি হরণ করিতে হইলে যে শুধু দুর্দম সাহস নয়, অপরিসীম চাতুরীও প্রয়োজন, এ অভিজ্ঞতা তাহার নাই।

    রুস্তমজি একদিন সোমনাথকে বলিলেন-তুমি বড় ঘাবড়ে গেছ দেখছি; অত ঘাবড়ালে ব্যবসা চলে না। ব্যবসায় মাথা ঠাণ্ডা রাখতে হয়। চল, আজ বাঞ্চুভাইয়ের সঙ্গে দেখা করে আসি।

    বাঞ্চুভাই নিজের অফিসে পরম সমাদরের সহিত তাহাদের অভ্যর্থনা করিলেন; রুস্তমজিকে পান ও সোমনাথকে সিগারেট খাইতে দিলেন কিন্তু তাঁহার কথার নড়চড় হইল না। সবিনয়ে বলিলেন-রুসিভাই, এ ছবির জন্যে আর বেশী দিলে আমার ছেলেপুলে খেতে পাবে না। তোমার খাতিরে দশ হাজার বেশী দিচ্ছি, আর পারব না।

    রুস্তমজি বলিলেন—বেশ, ঐ টাকাই মিনিমাম গ্যারান্টি দাও।

    বাঞ্চভাই জিভ কাটিয়া বলিলেন—মিনিমাম গ্যারান্টিতে ছবি নেওয়া আমি ছেড়ে দিয়েছি রুসিভাই। সবাই সন্দেহ করে, সবাই বলে আমি চুরি করি। কাজ কি ওসব ঝামেলায়। বলিয়া মুখে বৈষ্ণবভাব প্রকাশের চেষ্টা করিতে লাগিলেন।

    রুস্তমজি উঠিয়া পড়িলেন—বেশ, এখন দিচ্ছ না। এর পরে কিন্তু এত সস্তায় পাবে না।

    স্টুডিওতে ফিরিয়া আসিয়া রুস্তমজি বলিলেন—সোমনাথ, আজ তুমি বাড়ি যাও। আমি একটু ভেবে দেখি। কাল এর হেস্তনেস্ত করব।

    পরদিন সোমনাথ রুস্তমজির কাছে গিয়া বসিতেই তিনি বলিলেন—ঠিক করে ফেলেছি। ছবি কাউকে দেব না, আমি নিজেই হাউস ভাড়া নিয়ে ছবি দেখাব।

    সোমনাথ কিয়ৎকাল হতবাক হইয়া রহিল, তারপর বলিল-কিন্তু, তাতে আরও অনেক খরচ—

    পাবলিসিটিতে ত্রিশ হাজার টাকা খরচ করব; তাছাড়া হাউসের ভাড়া আছে। সবসুদ্ধ বড় জোর পঞ্চাশ হাজার। যদি লেগে যায়—

    যদি না লাগে?

    রুস্তমজি সোমনাথের কাঁধে হাত রাখিয়া বলিলেন—তুমি ইয়ং ম্যান হয়ে ভয় পাচ্ছ? এতটুকু সাহস নেই?

    সোমনাথ বলিল—নিজের জন্য ভয় পাচ্ছি না রুসিবাবা; কিন্তু আপনার এই শেষ সম্বল, এ নিয়ে জুয়া খেলা উচিত নয়। বরং লাভ যদি নাও হয়—

    রুস্তমজি বলিলেন—আমি জুয়াড়ী, সারা জীবন জুয়া খেলেছি। তোমাকে যখন ছবি তৈরি করতে দিয়েছিলাম তখনও জুয়া খেলেছিলাম। আজও জুয়া খেলব; লাগে তা না লাগে তুক। বাঞ্চুভাই আজ আমাকে দমক দিচ্ছে; যদি পাশার দান পড়ে—ছবি উৎরে যায়—তখন আমি বাঞ্চভাইকে দমক দেব। এই তো জীবন।

    ইহার পর আর কিছু বলা যায় না। বৃদ্ধ জুয়াড়ী যখন সর্বস্ব পণ করিয়া জুয়ায় মাতিয়াছে তখন তাহাকে ঠেকানো অসম্ভব। সোমনাথ নিজের রক্তের মধ্যেও জুয়ার উত্তেজনা অনুভব করিল।

    বেশ, আপনি যা ভাল বোঝেন তাই করুন।

    রুস্তমজি তখন জিজ্ঞাসা করিলেন—দেওয়ালী কবে?

    সোমনাথ বলিল—আর দিন দশেক আছে।

    যথেষ্ট। দেওয়ালীর দিন আমার ছবি রিলীজ করব।

    .

    দেওয়ালীর দিন ছবি মুক্তিলাভ করিল।

    প্রথম সপ্তাহে আয় হইল চৌদ্দ হাজার; দ্বিতীয় সপ্তাহে ছাব্বিশ হাজার।

    যে সকল পরিবেশক পূর্বে গা ঢাকা দিয়াছিলেন তাঁহারা পাগলের মত রুস্তমজিকে খুঁজিয়া বেড়াইতে লাগিলেন; কিন্তু রুস্তমজির এখন পায়া ভারি; তিনি কাহারও সহিত দেখা করিলেন না।

    পাণ্ডুরঙকে ডাকিয়া রুস্তমজি একটি বিশ ভরির সোনার হার তাহার হাতে দিলেন—এইটি তোমার বিবিকে দিও। তাঁর কথা শুনেই আমি এতবড় জুয়ায় নেমেছিলাম। তারপর সোমনাথকে জড়াইয়া ধরিয়া বলিলেন—তোমাকে আর কী দেব? আমার যা কিছু সব তোমাকে দিয়ে ফেলতে ইচ্ছে হচ্ছে।

    বাঞ্চুভাই অবশেষে একদিন রুস্তমজিকে ধরিয়া ফেলিলেন। রুস্তমজি অফিস ঘরে বসিয়া ছিলেন, বাঞ্চুভাই এক রকম জোর করিয়াই ঘরে ঢুকিয়া পড়িলেন।

    দুই বৃদ্ধ কিছুক্ষণ পরস্পরের পানে চাহিয়া রহিলেন; শেষে বাঞ্চুভাই বলিলেন, রুসিভাই, তোমারই জিৎ। ছবির জন্যে কত টাকা চাও?

    রুস্তমজির মুখে বিজয় গর্বিত হাসি ফুটিয়া উঠিল; কিন্তু তিনি উত্তর দিলেন না; এই মুহূর্তের বিজয়ানন্দ যেন পূর্ণ মাত্রায় উপভোগ করিতে লাগিলেন।

    বাঞ্চুভাই আবার বলিলেন—তুমি বলেছিলে তিনি লাখ টাকায় ছবি বিক্রি করবে। আমি তিন লাখ দিতে রাজি আছি।

    রুস্তমজি ধীরে ধীরে মাথা নাড়িলেন।

    এখন আর তিন লাখে হবে না।

    কত চাও?

    পাঁচ লাখ।

    বাঞ্চুভাই অনেকক্ষণ চুপ করিয়া রহিলেন।

    তার কমে হবে না?

    না।

    আমাকে একটু ভাববার সময় দেবে?

    রুস্তমজি বলিলেন—ভাববার সময় নিতে পারো; কিন্তু ইতিমধ্যে কেউ যদি বেশী দিতে রাজি হয়, তখন আর পাঁচ লাখে পাবে না!

    বাঞ্চভাই আর দ্বিধা না করিয়া পকেট হইতে চেকবই বাহির করিলেন।…

    হিসাব করিয়া সোমনাথের ভাগে লাভের অংশ এক লাখ ত্রিশ হাজার টাকা পড়িল। রুস্তমজি চেক লিখিয়া তাহার হাতে দিলেন এবং দুই হাতে তাহার করমর্দন করিলেন।

    যাও, কিছুদিন কোথাও বেড়িয়ে এস। তারপর নতুন ছবি আরম্ভ করবে।

    অফিস হইতে বাহিরে আসিয়া সোমনাথ চেকটি খুলিয়া দেখিল। এক লাখ ত্রিশ হাজার! সে এক লাখ ত্রিশ হাজার টাকার মালিক!

    হঠাৎ তাহার মনটা কেমন যেন বিকল হইয়া গেল। টাকা রোজগার করা এত সহজ! শুধু একটু চাতুরী, আর একটু হঠকারিতা—ইহার বেশী প্রয়োজন নাই? অথচ এই টাকার জন্য কোটি কোটি মানুষ মাথা কুটিয়া মরিতেছে!

    তারপরই তাহার মনে প্রতিক্রিয়া আসিল। আর তাহার অন্ন-চিন্তা নাই। সে স্বাধীন-স্বাধীন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমনচোরা – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    Next Article রিমঝিম – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    Related Articles

    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    কবিতাসংগ্রহ – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 22, 2025
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    দাদার কীর্তি – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 22, 2025
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিষের ধোঁয়া – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 22, 2025
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    ঝিন্দের বন্দী – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 22, 2025
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    রিমঝিম – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 22, 2025
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    মনচোরা – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 22, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }