Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ছায়াপথিক – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় এক পাতা গল্প164 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৬. স্যাড সঙ

    স্যাড সঙ
    ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ

    এক

    যে কাজ করিয়া মানুষ নিজে আনন্দ পায় এবং অন্যকে আনন্দ দিতে পারে, সেকাজের একটা বিচিত্র নেশা আছে। উপরন্তু সেই কাজে যদি স্বচ্ছন্দে জীবনযাত্রা নির্বাহ হয় তাহা হইলে তো সোনায় সোহাগা। এরূপ কাজ করিবার সৌভাগ্য সকলের ঘটে না।

    সোমনাথ নিজের কাজে মগ্ন হইয়া গিয়াছিল; সিনেমা জগৎ একান্তভাবে তাহার নিজের জগৎ হইয়া পড়িয়াছিল। বাহিরের চিন্তা তাহার মনে বড় আসিত না। কদাচিৎ রত্নার কথা মনে আসিলেও সে তাহা জোর করিয়া দূরে সরাইয়া দিত। রত্না প্রাংশুলভ্য ফল, তাহার চিন্তায় উদ্বাহু হইয়া থাকিলে গাছের ফল মাটিতে পড়িবে না, কেবল মন খারাপ হইবে মাত্র। তার চেয়ে বরং যে-ফল ভাগ্যদেবী। তাহার হাতে তুলিয়া দিয়াছেন তাহাই প্রসন্নমনে বহুমানে গ্রহণ করাই তাহার জীবনের চরম সার্থকতা।

    সোমনাথের পরিচালনায় প্রথম ছবি বাহির হইবার পর বৎসরের চাকা ঘুরিয়া গিয়াছে। দ্বিতীয় ছবি বাহির হইয়া প্রথমটির মতই জনপ্রিয় হইয়াছে। সোমনাথ এখন তৃতীয় ছবির শুটিং লইয়া ব্যস্ত।

    মাঘ মাসের আরম্ভ।

    পৌষ মাঘ মাসে শীত পড়িবার কথা; কিন্তু বোম্বাই প্রদেশে সহ্যাদ্রির পশ্চিম দিকে শীত বলিয়া কিছু পড়ে না; আমাদের দেশে আশ্বিন-কার্তিক মাসে যেরূপ ঠাণ্ডা পড়ে, সেইরূপ একটু মোলায়েম ঠাণ্ডা দেখা দেয় মাত্র; কিন্তু এ দেশের লোক, বোধ করি শীত ঋতুর মর্যাদা রক্ষার জন্যই, এই সময় মোটা মোটা গরম জামা পরিয়া বেড়ায় এবং রাত্রে লেপ গায়ে দেয়।

    ছবির শুটিং করার পক্ষে এই সময়টি অতি মনোরম; যদিও শনিবারে কোনও কাজ হয় না। শনিবারে মহালক্ষ্মীর মাঠে ঘোড়দৌড়; সেদিন সিনেমা সম্পর্কিত নরনারীর মন এবং পদদ্বয় অজ্ঞাতসারেই মাঠের অভিমুখে ধাবিত হয় এবং সিনেমার স্টুডিওগুলি অধিকাংশ শনিবারে কাজ বন্ধ রাখিয়া রবিবারে কাজ করে।

    এইরূপ একটা শনিবারে সোমনাথ ও পাণ্ডুরঙ স্টুডিওর অফিস ঘরে বসিয়া অলসভাবে গল্প করিতেছিল। শুটিং-এর কাজ সতৈল যন্ত্রের মত নিরুদ্বিগ্ন স্বচ্ছন্দতার সহিত চলিতেছে; আজ তাহাদের স্টুডিওতে আসার কোনও প্রয়োজন ছিল না, তবু অভ্যাসের টানে তাহারা আসিয়া উপস্থিত হইয়াছে এবং অলস বাক্যালাপে দিনটা কাটাইয়া দিতেছে। ঘোড়দৌড়ের প্রতি তাহাদের আসক্তি ছিল না।

    অপরাহের দিকে একটি লোক দেখা করিতে আসিল। লোকটির নাম কুঞ্জবিহারী লাল। ভারী গড়ন, মাংসল মুখ, বয়স পঁয়ত্রিশের বেশী নয়, কিন্তু মাথার চুল অর্ধেক পাকিয়া গিয়াছে। লোকটিকে দেখিয়া খুব বুদ্ধিমান মনে হয় না; বড় বড় চোখে যেন একটা অসহায় হারাইয়া-যাওয়া ভাব। তাহার বেশবাস দেখিয়া তাহার আর্থিক অবস্থাও সমৃদ্ধ বলিয়া সন্দেহ করিবার কারণ ঘটে না।

    কুঞ্জবিহারী আসিয়া নমস্কার করিয়া দাঁড়াইতেই পাণ্ডুরঙ বলিয়া উঠিল—আরে কুঁজবিহারী! কি খবর তোমার?

    কুঞ্জবিহারী হাসিয়া বলিল—এই আপনাদের কাছে এলাম, যদি কোনও কাজ-টাজ থাকে—

    পাণ্ডুরঙ বলিল—কিন্তু শুনেছিলাম তুমি সিনেমার কাজ ছেড়ে দিয়ে মুদির দোকান খুলেছ।

    কুঞ্জবিহারী একটু লজ্জিতভাবে বলিল—মুদির দোকান খুলেছিলাম সত্যি; কিন্তু বন্ধুবান্ধব সবাই ধারে জিনিস নিতে লাগল, তারপর টাকা দিলে না। দোকান উঠে গেল। তাই এখন আবার সিনেমায় ফিরে এসেছি। পেট তো চালাতে হবে যোশীজি। তারপর সোমনাথকে বলিল—আপনি নতুন ছবি আরম্ভ করেছেন, ভাবলাম খোঁজ নিয়ে আসি আমার জন্যে ছোটখাট পার্ট যদি কিছু থাকে।

    সোমনাথ পাণ্ডুরঙের পানে তাকাইল, উত্তরে পাণ্ডুরঙ একটু ঘাড় নাড়িয়া সঙ্কেত করিল যে কুঞ্জবিহারীকে লওয়া যাইতে পারে।

    সোমনাথ তখন বলিল—সব পার্টই প্রায় বিলি হয়ে গেছে। আপনি কাল আসবেন, দেখি যদি কিছু দিতে পারি।

    কুঞ্জবিহারী প্রস্থান করিলে সোমনাথ বলিল—কি বল পাণ্ডুরঙ? দুটি পার্টের এখনও লোক নেওয়া হয়নি, এক পাগলের পার্ট, আর এক পুলিস ইন্সপেক্টর। তোমার কুঁজবিহারী অভিনয় করে কেমন?

    পাণ্ডুরঙ বলিল—চলনসই।

    পাগলের পার্ট ছোট হলেও শক্ত; ভাল লোক চাই। ও ইন্সপেক্টরই করুক তাহলে।

    হ্যাঁ, ইন্সপেক্টর কোনও রকমে চালিয়ে দেবে। কুঁজবিহারী অভিনয়ের বড় কিছু বোঝে না, কিন্তু লোকটা ভাল। এখন অনেক বদলে গেছে; সাত বছর আগে প্রথম যখন সিনেমায় ঢুকেছিল তখন ওর চরিত্র অন্যরকম ছিল—আরও উৎসাহ ছিল, উচ্চাশা ছিল—এখন যেন একেবারে নিভে গেছে। কিছুক্ষণ চুপ করিয়া থাকিয়া পাণ্ডুরঙ বলিল—ওর জীবনের যতটুকু জানি তাতে বেশ একটি মজার ট্র্যাজিকমেডি হয়, কমেডির ভাগই বেশী। কে জানে, হয়তো সব মানুষের জীবনই তাই, আমরা স্পষ্ট দেখতে পাই না—

    গল্প আসন্ন বুঝিয়া সোমনাথ দুই পেয়ালা চায়ের ফরমাস দিল।

    অতঃপর চা পান করিতে করিতে পাণ্ডুরঙ কুঁজবিহারীর জীবনের যে কাহিনী বলিল তাহা এই—

    কুঁজবিহারী হায়দ্রাবাদের লোক। পাড়াগাঁয়ে মানুষ হয়েছে, লেখাপড়া বেশী শেখেনি। প্রথম যখন বোম্বাই শহরে এসেছিল তখন শহুরে আদব কায়দাও ভাল জানতো না; কিন্তু কী তার আগ্রহ, কী তার উৎসাহ! তার দেহাতি ভাব দেখে হাসি পেলেও তার আগ্রহ আর উত্তেজনাকে এড়াবার উপায় ছিল না। সিনেমার হিরোর পার্ট করবে বলে সে বোম্বাই এসেছিল, হিরোর পার্ট না করে সে ছাড়বে না।

    তখন কুঁজবিহারীর বয়স কম ছিল। মাথার চুল পাকেনি, চেহারাও ওরই মধ্যে ছিমছাম। কোনও রকম বদ খেয়াল ছিল না; একটা চৌলে ঘর ভাড়া করে থাকত, আর স্টুডিওতে স্টুডিওতে হিরো হবার উমেদারি করে বেড়াতো।

    কিন্তু হিরো সাজতে গেলে গুণ চাই, নয়তো মুরুব্বি চাই। কুঁজবিহারীর কোনটাই ছিল না। তাই তাকে হিরোর পার্ট দিতে কেউ রাজি হল না। বাধ্য হয়ে কুঁজবিহারী ছোটখাট পার্ট করতে লাগল; কিন্তু সে আশা ছাড়ল না; হিরো সাজবার অবিচলিত লক্ষ্য নিয়ে জোঁকের মত লেগে রইল।

    আমি তখনও পিলের স্টুডিওতে ঢুকিনি; কোথাও বাঁধা কাজ করি না। সব স্টুডিওতে যাতায়াত ছিল। যেখানেই যেতাম, দেখতাম ডিরেক্টরের কাছে কুঁজবিহারী গরুড় পক্ষীর মত বসে আছে। সব ডিরেক্টরই মনে মনে উত্ত্যক্ত হয়ে উঠেছিল; কিন্তু আমাদের ডিরেক্টরদের আর যে দোষই থাক না কেন, মোসায়েবকে স্পষ্ট কথা বলে বিদেয় করে দেবে এমন লোক তারা নয়। কুঁজবিহারীও অস্পষ্ট আশ্বাসের মিথ্যে কুহকে ভুলে তাদের পিছনে লেগে রইল।

    এইভাবে বছর তিনেক কেটে গেল।

    সিনেমা সমাজের সবাই খোলাখুলি ভাবে কুঁজবিহারীকে টিটকিরি দিত; কিন্তু সে গায়ে মাখত না। আমার সঙ্গে তার খুব বেশী ঘনিষ্ঠতা ছিল না; কিন্তু আমি কোনও দিন তাকে টিটকিরি দিইনি বলেই বোধহয় সে মাঝে মাঝে আমার কাছে তার মনের কথা বলত। কখনও বলত-যোশীজি, এবার সব ঠিক হয়ে গেছে; অমুক ডিরেক্টর পরের ছবিতে আমাকে হিয়োর পার্ট দেবেন বলেছেন। তাঁর মেয়ের বিয়েতে আপনি তো গিয়েছিলেন; দেখেছিলেন তো আমারই হাতেই তিনি সব কাজের ভার ছেড়ে দিয়েছিলেন। আমার ওপর খুশি হয়েছেন। এবার আর ফস্কাবে না। আবার কখনও বলত—অমুক ডিরেক্টর বলেছেন, পরের ছবিতে ঠিক আমার মত চেহারার হিরো তাঁর চাই। এ ছবিতে তাই তাঁর খাতিরে ছোট পার্ট করে দিচ্ছি।

    তার কথা শুনে সিও পেত, আবার সবাই মিলে তাকে বানর বানাচ্ছে দেখে রাগও হত। একদিন আর থাকতে না পেরে আমি বললাম-দ্যাখো কুঁজবিহারী, একটি কাজ যদি করে তা হলেই তুমি হিরো হতে পারবে, নইলে কোনও আশা নেই।

    আগ্রহভরে কুঁজবিহারী বলল-কি কাজ?

    বললাম—দেখেশুনে একটি সুন্দর তরুণীকে বিয়ে করে ফ্যালো। তবেই তোমার বরাত ফিরবে।

    কুঁজবিহারী ভর্ৎসনার সুরে বলল—যোশীজি, আপনিও আমাকে ঠাট্টা করছেন?

    বললাম-ঠাট্টা করিনি, সত্যি কথা বলছি। দৃষ্টান্ত হাতের কাছেই ছিল, দু তিনটে দৃষ্টান্ত দিয়ে বললাম—এরা কী করে বড় হল? স্রেফ বৌয়ের জোরে। তুমিও যদি ত্রিভুবন-বিজয়ী হতে চাও, তাহলে লজ্জা ত্যাগ করতে হবে।

    কথাটা যে কুঁজবিহারীর মনে ধরেছিল তার প্রমাণ পেলাম মাস ছয়েক পরে। মাঝে কয়েক মাস তার দেখা পাইনি, ভেবেছিলাম সে বুঝি হতাশ হয়ে সিনেমার কাজ ছেড়ে দিয়ে চলে গেছে। হঠাৎ একদিন একটা স্টুডিওতে গিয়ে দেখি, কুঁজবিহারী বসে আছে, তার সঙ্গে একটি তরুণী।

    কুঁজবিহারীর মুখে গালভরা হাসি। আমাকে দেখে সগর্বে পরিচয় করিয়ে দিল—ইনি আমার স্ত্রী-রোহিণী দেবী।

    রোহিণী দেবীর চেহারার চটক আছে, চোখে চটুল চাউনি, বয়স উনিশ-কুড়ি। তাকে সিনেমা ক্ষেত্রে আগে কখনও দেখিনি; অবাক হয়ে গেলাম।

    কুঁজবিহারীকে আড়ালে নিয়ে গিয়ে জিগ্যেস করলাম—এটিকে কোত্থেকে যোগাড় করলে?

    কুঁজবিহারী তখন তার স্ত্রীর সংগ্রহের ইতিহাস বলল।

    রোহিণী কুঁজবিহারীর গাঁয়ের মেয়ে বিধবা। গাঁয়ের মেয়ে হলেও মনটা তার ছিল শহুরে—প্রগতিপন্থী। তার মামার বাড়ি শহরে, প্রায়ই সে মামার বাড়ি যেত, শহরের আবহাওয়াতে আধুনিক দুনিয়ার পরিচয় পেয়েছিল—ঘুরিয়ে কাপড় পরতে পারতো, গান গাইতে শিখেছিল—

    রোহিণীর গানের কথায় কুঁজবিহারী উচ্ছ্বসিত হয়ে বলল—ওর স্যাড সঙ যদি একবার শোনেন যোশীজি, গলে যাবেন। অমন স্যাড সঙ সিনেমায় আর কেউ গাইতে পারে না।

    গাঁয়ের রসিক ছোকরারা রোহিণীর স্যাড সঙ শুনেছিল, সকলেরই তার ওপর নজর ছিল; কিন্তু বিধবাকে বিয়ে করতে কেউ রাজি ছিল না। তাই রোহিণীর জীবন যৌবন স্যাড সঙ সবই গাঁয়ের আবহাওয়ায় নষ্ট হয়ে যাচ্ছিল।

    এমন সময় কুঁজবিহারী গাঁয়ে ফিরে গেল। রোহিণীর সঙ্গে তার দেখা হল, স্যাড সঙ শুনে সে গলে গেল। আমি কুঁজবিহারীর মস্তিষ্কে যে বীজ বপন করেছিলাম তা অঙ্কুরিত হয়ে উঠল।

    কিন্তু গাঁয়ে কুঁজবিহারীর খুড়ো আছেন, তিনি বিধবা বিবাহের প্রস্তাবে মারমার করে উঠলেন। গাঁয়ের মোড়ল তিনি, এমন অনাচার কখনই ঘটতে দেবেন না। রোহিণীর বাপের মনে যদি বা একটু ইচ্ছে ছিল, বেগতিক দেখে তিনিও রুখে দাঁড়ালেন, মেয়েকে দু-এক ঘা শাসন করলেন।

    কুঁজবিহারী কিন্তু নাছোড়বান্দা। তাকে সিনেমার হিরো সাজতে হবে, রোহিণীর মত একটি বৌ তার চাই-ই। লুকিয়ে লুকিয়ে তাদের দেখা শোনা হতে লাগল। রোহিণীও সিনেমার নামে পাগল। মিঞা বিবি রাজি, কাজেই কাজীরা আর কী করবেন? একদিন গভীর রাত্রে কুঁজবিহারী রোহিণীকে নিয়ে গাঁ ছেড়ে পালিয়ে এল।

    তারপর শহরে এসে আর্য সমাজী মতে তাদের বিয়ে হয়েছে।

    আমি কুঁজবিহারীর পিঠ চাপড়ে বললাম—সাবাস, এবার আর কেউ তোমাকে ঠেকিয়ে রাখতে পারবে না।

    তারপর কুঁজবিহারী মহা উৎসাহে স্ত্রীকে নিয়ে স্টুডিওতে স্টুডিওতে ঘুরে বেড়াতে লাগল। যেখানে যাই, দেখি সস্ত্রীক কুঁজবিহারী উপস্থিত; কখনও ওজস্বিনী ভাষায় ডিরেক্টরকে স্যাড সঙের মহিমা বোঝাচ্ছে, কখনও বা প্রডিউসারকে রোহিণী দেবীর গান শোনাতে গিয়ে নিজেই আনন্দে আত্মহারা হয়ে পড়ছে। রোহিণীর গলাটি অবশ্য মন্দ নয়। তবে অশিক্ষিত গলা; মাজলে ঘষলে ভালই দাঁড়াতো।

    দেখলাম ডিরেক্টররা বেশ নরম হয়েছেন; রোহিণীকে হিরোইনের ভূমিকায় ট্রাই দিতে অনেকেরই আপত্তি নেই; কিন্তু এদিকে কুঁজবিহারী বদ্ধপরিকর; নিজে হিরোর পার্ট না পেলে সে রোহিণীকে হিরোইনের পার্ট করতে দেবে না। ডিরেক্টররা কাজেই পিছিয়ে যাচ্ছেন। কুঁজবিহারীর সঙ্গে মাঝে মাঝে দেখা হয়। একদিন সে গাল-ভরা হাসি নিয়ে বলল—সব ঠিক করে ফেলেছি যোশীজি। আসছে হপ্তায় আমার ছবির মহরত।

    বললাম—বল কি! কার ঘাড় মটকালে?

    কুঁজবিহারী বলল—একজন ফিনাশিয়ার পাকড়েছি।

    বেশ বেশ। শেষ পর্যন্ত হিরো হয়ে তবে ছাড়লে?

    সে একটু অপ্রস্তুতভাবে বলল—একটু গোলমাল হয়েছে, এ ছবিতে আমি হিরো হব না। আমি ছবি ডিরেক্ট করব।

    সে তো আরও ভাল। রোহিণী দেবী হিরোইন সাজবেন তো?

    হ্যাঁ।

    আর হিরো?

    ফিনাশিয়ারের ছেলেকে এবার হিরোর পার্ট দিতে হবে। তার বাবা টাকা দিচ্ছে—তাই–বুঝতেই তো পারছেন। এই একটা ছবি হয়ে যাক না, কিছু টাকা জমিয়ে নিই, তারপর নতুন কোম্পানী খুলব। কোম্পানীর নাম দেব কুঁজরোহিণী চিত্রশালা। তখন–

    সিনেমার সোনার খনির খাদে যাদের বাস, সোনালি স্বপ্ন দেখা তাদের অভ্যাস; কিন্তু বোকা। কুঁজবিহারীর জন্যে দুঃখ হল। তার ভবিষ্যৎ কোন্ পথে চলেছে স্পষ্ট দেখতে পেলাম কিন্তু মুখ ফুটে বলতে পারলাম না। আহা বেচারা, জীবনে একটা সুযোগ পেয়েছে, কিছুদিন ভোগ করে নিক। কুঁজবিহারীর পরিচালনায় ছবি যে কেমন হবে তা তত বোঝাই যায়।

    ক্রমে দুচারটে গুজব কানে আসতে লাগল। কুঁজবিহারী ডিরেক্টর হয়েছে বটে কিন্তু আসলে সে সাক্ষীগোপাল; ফিনাশিয়ারের ছেলেই সব কিছু করে। ছোঁড়া ভারি তুখোড়নাম দীপচাঁদ। রোহিণী দেবীকে সে হাতের মুঠোর মধ্যে এনে ফেলেছে; তাদের ঘনিষ্ঠতা নাকি তোমাদের নীতিশাস্ত্রের সীমানা পেরিয়ে গেছে।

    সিনেমার ক্ষেত্রে এটা কিছু নতুন কথা নয়। চারিদিকে কাঁচাখেকো দেবতারা ঘুরে বেড়াচ্ছে, নতুন মেয়ে দেখলে আর রক্ষে নেই। দীপচাঁদ যদি বা সাধু ব্যক্তি হত, অন্য কেউ না কেউ জুটে যেতই। তাছাড়া রোহিণীকে এক নজর দেখেই বুঝেছিলাম, চিরজীবন কুঁজবিহারীর ঘর করবে এমন মেয়ে সে নয়। পাড়াগাঁয়ের গণ্ডী ছাড়িয়ে শহরের উঁচু ধাপে ওঠবার জন্য সে কুঁজবিহারীর সাহায্য নিয়েছিল, আবার কুঁজবিহারীর গণ্ডী ছাড়িয়ে আরও উঁচু ধাপে ওঠবার জন্যে সে স্বচ্ছন্দে অন্য লোকের সাহায্য নিতে পারে। বাঘিনী প্রথম মানুষের রক্তের স্বাদ পেয়েছে–

    কুঁজবিহারী কিন্তু রোহিণীকে ভালবাসতো। কত ভালবাসতো তার পরিচয় একদিন পেলাম। তখনও রোহিণী আর দীপচাঁদের ব্যাপার কানাঘুষোর মধ্যেই আছে, ধোঁকার টাটি একেবারে ভেঙে পড়েনি। সেদিন আমার কোনও কাজ ছিল না, ভাবলাম—যাই দেখে আসি কুঁজবিহারী কেমন শুটিং করছে। স্টুডিওর ভেতর ঢুকে দেখি, সেটের ওপর গজকচ্ছপের যুদ্ধ বেধে গেছে। প্রথমটা ভেবেছিলাম বুঝি কুস্তির দৃশ্য অভিনয় হচ্ছে তারপর দেখলাম, না, সত্যিকার লড়াই চলছে। স্টুডিওসুদ্ধ লোক ঘিরে দাঁড়িয়ে দেখছে।

    লড়িয়ে দুজনের মধ্যে একজন আমাদের কুঁজবিহারী, অন্য লোকটাকে চিনি না। পরে জানতে পেরেছিলাম, একজন অভিনেতা। দুজনে মরিয়া হয়ে লড়াই করছে; রক্তারক্তি কাণ্ড। যাহোক, আমি গিয়ে যুদ্ধ থামালাম, কুঁজবিহারীকে অতি কষ্টে টানতে টানতে বাইরে নিয়ে এলাম।

    কী হয়েছিল? কুঁজবিহারী তখনও গজরাচ্ছে; বলল—পাজি বজ্জাৎ সব! আমার বৌয়ের নিন্দে করছিল—রোহিণী দেবীর নামে কুৎসিত অপবাদ দিচ্ছিল—

    বললাম—ঠাণ্ডা হও। লোকের সঙ্গে মারপিট করলে বদনাম কমবে না, বাড়বে।

    সে হঠাৎ কাঁদো কাঁদো হয়ে বলল-কী অন্যায় দেখুন যোশীজি। রোহিণী পাড়াগাঁয়ের মেয়ে, ভালমানুষ, এখনও সহবত শেখেনি; পুরুষদের সঙ্গে কিভাবে মেলামেশা করতে হয় ভাল জানে না, তাই একটু বেশী ঘনিষ্ঠতা করে ফ্যালে। তা বলে তার নামে এত বড় মিথ্যে অপবাদ দেবে?

    বললাম—ভারি অন্যায়। তুমি গায়ে মেখো না।

    সে বলল—সত্যি বলছি আপনাকে, রোহিণী ভারি ভাল মেয়ে। কখনও আমি ওর বেচাল দেখিনি। তবু কেন বাইরের লোক ওর দুনাম দেবে? কেন বলবে যে দীপচাঁদের সঙ্গে ওর–

    কুঁজবিহারী আবার তেরিয়া হয়ে উঠল।

    সেদিন কোনও রকমে তাকে ঠাণ্ডাঠুণ্ডি করলাম, কিন্তু ভবিতব্য যাবে কোথায়? কয়েকদিন পরে শুনলাম, দীপচাঁদ তাকে ছবির ডিরেক্টরের পদ থেকে বরখাস্ত করেছে, আর রোহিণীকে নিয়ে গিয়ে নিজের বাসায় তুলেছে।

    তারপর কতরকম গুজব কানে আসতে লাগল। কুঁজবিহারী নাকি জোর করে দীপচাঁদের বাড়িতে ঢুকতে গিয়েছিল, দীপচাঁদের দারোয়ানেরা তাকে মেরে তাড়িয়ে দিয়েছে। কুঁজবিহারী পুলিসে এত্তালা করেছে, এবার মোকদ্দমা করবে, ইত্যাদি। তারপর যা হয়ে থাকে—আস্তে আস্তে সব চাপাচুপি পড়ে গেল। কুঁজবিহারীর বৌ-চুরি এমন কিছু মহামারী ব্যাপার নয় যে তাই নিয়ে লোকে চিরকাল মশগুল থাকবে।

    অনেকদিন পরে আবার কুঁজবিহারীর সঙ্গে দেখা হল। ঝোড়ো কাকের মত চেহারা, চোখে আধ-পাগল চাউনি। সেদিন প্রথম লক্ষ্য করলাম তার চুলে পাক ধরেছে।

    তাকে সান্ত্বনা দিয়ে বললাম-কী আর করবে কুঁজবিহারী, দুনিয়ায় এমন কত হয়। পুরুষের ভাগ্য আর স্ত্রীজাতির চরিত্র–

    সে বলল—রোহিণীর কোনও দোষ নেই। সে গাঁয়ের মেয়ে, তার কতটুকু বুদ্ধি? ঐ হতভাগা নচ্ছার দীপচাঁদ তাকে ভুলিয়ে

    অন্ধকে চক্ষুদান করা আমার কাজ নয়; আমি সে-চষ্টা করলাম না।

    তারপর যথাসময়ে রোহিণীর ছবি বার হল। এই ছবিই রোহিণী দেবীর একমাত্র কীর্তি, আর দ্বিতীয় ছবিতে নামবার অবকাশ তার হয়নি। বলা বাহুল্য ছবিটি বোম্বাইয়ে হপ্তাখানেক চলার পর বন্ধ হয়ে গেল। বেশীদিন চলবার শক্তি তার ছিল না। তবে সিনেমা মহলে নবাগত রোহিণীর বেশ নাম হল।

    এরপর একটা অপ্রত্যাশিত ঘটনা ঘটল। লোকে নানা কথা বলে; কেউ বলে দীপচাঁদ রোহিণীকে বিষ খাইয়েছিল, কেউ বলে রোহিণী আত্মহত্যা করেছিল। মোট কথা একদিন শোনা গেল রোহিণী মরেছে। উদীয়মানা অভিনেত্রীর অকাল মৃত্যুতে কাগজপত্রে একটু লেখালেখি হল।

    ভাবলাম কুঁজবিহারীর দিক থেকে ঘটনাটা এমন কিছু মন্দ হল না; ভগবান যা করেন ভালর জন্যেই। রোহিণী যতদিন বেঁচে থাকতে কুঁজবিহারীর বুকের কাঁটা খচ খচ করত। এ বরং ভালই হল।

    মাস ছয় সাত পরে দাদর স্টেশনে কুঁজবিহারীর সঙ্গে দেখা হল। তেমনি উস্কখুস্ক ভাব, মাথার চুল অর্ধেক পেকে গেছে। বললে, সিনেমা ছেড়ে দিয়ে মুদির দোকান খুলেছে।

    রোহিণীর কথা আর তুললাম না; কাটা ঘায়ে নুনের ছিটে দিয়ে লাভ কি? একথা সেকথার পর জিগ্যেস করলাম–

    কোথাও যাচ্ছ নাকি?

    সে বলল-হ্যাঁ, একবার বোরিভলি যাচ্ছি।

    হঠাৎ বোরিভলি? সেখানে কেউ আছে নাকি?

    কুঁজবিহারী একটু ইতস্তত করে বলল—না, সিনেমা দেখতে যাচ্ছি।

    আমি আশ্চর্য হয়ে তাকিয়ে আছি দেখে সে অপ্রস্তুতভাবে বলল—রোহিণী দেবীর ছবিটা সেখানে দেখানো হচ্ছে বড় বড় শহরে তো ও ছবি আর দেখানো হয় না…রোহিণীকে অনেকদিন দেখিনি…তার স্যাড সঙ শুনিনি— বলতে বলতে কুঁজবিহারীর গলা বুজে এল।

    এই সময় লোকাল ট্রেন এসে দাঁড়াল। কুঁজবিহারী একটা তৃতীয় শ্রেণীর কামরায় উঠে বসল।

    .

    পাণ্ডুরঙের গল্প শেষ হইবার পর সোমনাথ অনেকক্ষণ চুপ করিয়া রসিয়া রহিল। তারপর হঠাৎ বলিল—কুঁজবিহারীকে পাগলের পার্টই দেওয়া যাক।

    পাণ্ডুরঙ বলিল—ও কিন্তু পারবে না।

    সোমনাথ বলিল—কেন পারবে না? আমরা মেজে ঘষে ঠিক তৈরি করে নেব।

    পাণ্ডুরঙ বন্ধুর মুখের পানে চাহিয়া একটু হাসিল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমনচোরা – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    Next Article রিমঝিম – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    Related Articles

    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    কবিতাসংগ্রহ – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 22, 2025
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    দাদার কীর্তি – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 22, 2025
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিষের ধোঁয়া – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 22, 2025
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    ঝিন্দের বন্দী – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 22, 2025
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    রিমঝিম – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 22, 2025
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    মনচোরা – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 22, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }