Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    জানি তুমি আসবে – কাসেম বিন আবুবাকার

    কাসেম বিন আবুবাকার এক পাতা গল্প119 Mins Read0
    ⤶

    জানি তুমি আসবে – ১১

    ১১

    শিকরমন্ডল গ্রামের নূর-উদ্দিন খন্দকার খুব নামিদামি লোক ছিলেন। ওনার এক ছেলে ও এক মেয়ে। ছেলে বড়। নাম সালাউদ্দিন। আর মেয়ে ছোট নাম শামিমা বেগম। দুই ভাই-বোনের বয়স যখন পনের ও বিশ বছর তখন নূর-উদ্দিন মারা যান। বিশ বছরের সালাউদ্দিনের উপর সংসারের দায়িত্ব পড়ল। ঢাকা ভার্সিটি থেকে উচ্চ ডিগ্রি নেয়ার ইচ্ছা থাকলেও বাবা মারা যাওয়ায় আইএ পাস করে আর পড়াশোনা করেননি। বাবা অনেক জমি-জায়গা রেখে মারা গেছেন। সেইসব দেখাশোনা করতে লাগলেন। আর একমাত্র বোন শামীমাকে গ্রামের কলেজ থেকে আইএ পাস করিয়ে ঢাকায় হোস্টেলে রেখে ভার্সিটিতে লেখাপড়া করান। মাস্টার্স করার সময় শামীমা বেগম তানভীর নামে ঢাকার মধ্যবিত্ত ঘরের একটা ছেলেকে ভালোবেসে গোপনে বিয়ে করেন। ফাঁইন্যাল পরীক্ষার পর ফোন করে প্রথমে ভাবিকে কথাটা জানান। ভাবি আখতার বানু স্বামী ও শাশুড়িকে কথাটা জানান।

    কথাটা শুনে সালাউদ্দিনের মা ফজিলা বেগম খুব রেগে গিয়ে ছেলেকে বললেন, আমি কত করে বললাম, শামীমাকে আর বেশি পড়াবার দরকার নেই। এবার ওর বিয়ে দে। তা না করে বোনকে ঢাকার হোস্টেলে রেখে পড়াতে লাগলি। বোন মান ইজ্জত খুইয়ে কাকে বলতে কাকে বিয়ে করে ফেলল। তখন যদি আমার কথা শুনতিস, তা হলে এমন অঘটন ঘটত না।

    শামীমাকে সালাউদ্দিন ভীষণ ভালোবাসতেন। তাই সে আইএ পাস করার পর যখন বলল, ঢাকা ভার্সিটিতে পড়বে তখন না করতে পারেননি। সেই বোন গোপনে বিয়ে করেছে শুনে যেমন খুব রেগে গেলেন, তেমনি বোনের উপর মনে কষ্টও পেলেন। রাগারাগি করাতে বললেন, তোমার কথা না শুনে ভুল করেছি। তুমি আমাকে মাফ করে দাও মা।

    ফজিলা বেগম বললেন, ছেলেমেয়েরা অন্যায় করলে মায়েরা মাফ করবেই। এখন গিয়ে বোনের খোঁজ খবর নিয়ে দেখ, কোনো অজাত বেজাত ঘরের ছেলেকে বিয়ে করেছে কি না?

    সালাউদ্দিন ঢাকায় এসে খোঁজ খবর নিয়ে জানতে পারলেন, ছেলেটা অজাত বেজাত ঘরের নয়। তবে ছেলের মা বাবা নেই। এক মামা তাকে মানুষ করেছেন এবং তিনি তাকে লেখাপড়া করিয়েছেন।

    সালাউদ্দিন বোনের সাথে রাগারাগি করলেন না। তাদের বিয়ে মেনে নিলেন। তারপর অনেক টাকা পয়সা দিয়ে ছোটবোনের স্বামী তানভীরকে ব্যবসা করে দেন।

    তানভীর মধ্যবিত্ত ঘরের ছেলে হলেও খুব ভদ্র, বুদ্ধিমান ও সৎ চরিত্রের অধিকারী। তাই কয়েক বছরের মধ্যে ব্যবসায় উন্নতি করে বাড়ি গাড়ি করেছেন। ওনাদের দুই ছেলে ও এক মেয়ে। ছেলে বড়, নাম তওফিক। সে লেখাপড়া শেষ করে বাবার সঙ্গে ব্যবসা করছে। তওফিকের পাঁচ বছরের ছোট ডালিয়া। সে ভার্সিটিতে বাংলায় অনার্স পড়ছে। এটা তার সেকেণ্ড ইয়ার। সবার ছোট আতিক। তানভীর সাহেব স্ত্রীর অমতে আতিককে প্রথমে হাফেজিয়া মাদরাসা থেকে হাফেজ করান। তারপর চট্টগ্রামের হাটহাজারী মাদরাসায় পড়াচ্ছেন। সেখানে সে মাদরাসার হোস্টেলে থেকে লেখাপড়া করছে।

    তানভীর সাহেব মোটামুটি ধর্মের নিয়ম-কানুন মেনে চললেও ওনার স্ত্রী শামীমা বেগম মোটেই মেনে চলেন না। তিনি পর্দা প্রথাকে ঘৃণা করেন। তাই একমাত্র মেয়ে ডালিয়াকে নিজের মতো করে মানুষ করার চেষ্টা করেছেন। তানভীর সাহেব শ্বশুরবাড়ির টাকায় ব্যবসা করে ধনী হয়েছেন। তাই ধর্মের নিয়ম-কানুন মেনে চলার কথা স্ত্রীকে বললেও তেমন জোরালোভাবে বলতে পারেন না। তা ছাড়া তিনি শান্তিপ্রিয় লোক। তাই কোনো ব্যাপারেই স্ত্রীর সঙ্গে রাগারাগি করেন না। তবে মেয়ে ডালিয়াকে স্ত্রীর অগোচরে কুরআন হাদিসের কথা বলেন।

    আতিক ছেলেবেলা থেকে নিয়মিত নামায রোযা করত। তাই তানভীর সাহেব তাকে মাদরাসায় পড়াচ্ছেন। এ ব্যাপারে শামীমা বেগম স্বামীর সঙ্গে বেশ রাগারাগি করেছেন। বলেছেন, নিজে মোল্লাহ, তাই আতিককেও মোল্লা করতে চাও।

    বড় ছেলে তওফিক বাবার মতো হয়েছে। সে যাতে ধর্মের দিকে বেশি ঝুঁকে না পড়ে সেজন্য শামীমা বেগম নিজে পছন্দ করে বড়লোকের ভার্সিটি পড়ুয়া মেয়ে নাজিয়াকে বড় বৌ করে এনেছেন।

    নাজিয়া খুব চালাক-চতুর মেয়ে। স্বামীর বাড়ি এসে সেযে যেমন তার সঙ্গে তেমন ব্যবহার করে। ধর্মের বিধি-নিষেধ নিয়ে মাথা ঘামায় না। বলে ধর্ম নিজস্ব ব্যাপার। ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি করা কারও উচিত নয়।

    তওফিকও বাবার মতো শান্তিপ্রিয়। তাই ধর্মের ব্যাপারে স্ত্রীকে তেমন কিছু না বললেও তার এই কথার প্রতিবাদ করে বলে, তুমি ঠিক বলনি। প্রত্যেক মুসলমানকে ইসলামের বিধি বিধান মেনে চলতেই হবে। নচেৎ সে মুসলমান থাকবে কিনা সন্দেহ। তাদের ফাবিহা নামে দু’ বছরের একটা মেয়ে আছে।

    ডালিয়া ছোটবেলা থেকে খুব জেদী ও খামখেয়ালি। একটা খেলনা এনে দিলে বড়জোর এক সপ্তাহ সেটা নিয়ে খেলবে। তারপর সেটা ভেঙ্গে ফেলে বলবে, এটা পুরোনো হয়ে গেছে বলে ভেঙ্গে ফেলেছি। অন্য আর একটা এনে দাও। ড্রেসের ব্যাপারেও তাই। এমন কি খাওয়া দাওয়ার ব্যাপারেও সপ্তাহ অন্তর অন্তর খাবারের মেনু পাল্টাতে হত। অবশ্য কলেজে ভর্তি হওয়ার পর ওরকম না করলেও মাঝে মাঝে বন্ধু-বান্ধবী চেঞ্জ করে।

    তাই এবারে মামা বাড়িতে বেশ কিছুদিন থেকে ফিরে এসে মেয়েকে ধর্মের দিকে ঝুঁকে পড়তে দেখে শামীমা বেগম অসন্তুষ্ট হলেও ভাবলেন, এটাও তার খামখেয়ালি। কয়েকদিন পর ঐসব ছেড়ে দেবে। একদিন তিনি স্বামীকে কথাটা জানালেন।

    শুনে তানভীর সাহেব খুশি হলেও স্ত্রীর মন রাখার জন্য মৃদু হেসে বললেন, ওর স্বভাব তো জান, কিছুদিন অপেক্ষা করে দেখ এরকম কতদিন থাকে। তবে একটা কথা না বলে পারছি না, ডালিয়ার যদি এটা খামখেয়ালি না হয়ে আল্লাহ তাকে হেদায়েত দিয়ে থাকেন, তা হলে আল্লাহর দরবারে আমাদের শুকরিয়া জানান উচিত। কারণ ও দিন দিন যেভাবে উচ্ছল জীবন যাপন করছিল, সেকথা ভেবে আমি খুব দুশ্চিন্তায় ছিলাম।

    শামীমা বেগম রেগে উঠে ঝংকার দিয়ে বললেন, তুমি তো এরকম কথা বলবেই। নিজে মোল্লা, তাই ছেলেমেয়েকেও মোল্লাহ বানাতে চাও। সেজন্যেই আতিককে আমার কাছ থেকে সরিয়ে মাদরাসায় পড়াচ্ছ।

    স্ত্রী রেগে গেলে তানভীর সাহেব সব সময় চুপ করে থাকেন। এখনও চুপ করে রইলেন।

    শামীমা বেগম ডালিয়াকে ছোটবেলা থেকে নিজের মতো করে মানুষ করেছেন। তাই সে যত বড় হয়েছে তত আপটুডেট হয়েছে। টাইটফিট প্যান্ট শার্ট পরে ভার্সিটি যায়। তাদের গাড়ি থাকলেও ব্যবহার করে না। শামীমা বেগম স্বামীকে দিয়ে মেয়ের জন্য হুন্ডা কিনিয়েছেন। ডালিয়া হুন্ডা নিয়ে সবখানে যাতায়াত করে। ভাবি নাজিয়ার সঙ্গে তার খুব ভাব। হুন্ডায় চড়িয়ে তাকে নিয়ে বেড়াতে যায়, মার্কেটিং করতে মার্কেটে যায়।

    এবারে মামাবাড়ি থেকে ফিরে এসে ডালিয়া ভাবির সঙ্গে আগের মতো মেলামেশা করে না। একা মার্কেটে গিয়ে কুরআন হাদিসের ব্যাখ্যা ও অন্যান্য অনেক ইসলামিক বই কিনে এনেছে। অবসর সময়ে সেগুলো পড়ে প্রথমে নামায পড়তে শুরু করল। তারপর প্যান্টশার্ট পরা ছেড়ে দিয়ে সালোয়ার কামিজ ও ওড়না ব্যবহার করতে লাগল। বোরখা পরে ভার্সিটি যেতে লাগল। হুন্ডা চালানও ছেড়ে দিল।

    তাই দেখে একদিন নাজিয়া তার রুমে এসে জিজ্ঞেস করল, কী ব্যাপার, তুমি যে দিন দিন পীর সাহেব বা মৌলভী সাহেবদের বাড়ির মেয়ের মতো অসূর্যস্পর্শা হয়ে যাচ্ছ? তা ছাড়া মহসিন ভাইয়ের সঙ্গে তোমার বিয়ের ঠিক ঠাক হয়ে থাকা সত্ত্বেও তাকে কী এমন বলেছ যে, সে এখান থেকে চলে গেল? এসবের পিছনে নিশ্চয় কোনো কারণ আছে? তা না হলে আমার সঙ্গেও মেলামেশা করছ না কেন?

    ডালিয়া তাকে বসতে বলে বলল, দুনিয়াতে কারণ ছাড়া যখন কোনো কিছু ঘটে না তখন কিছু একটা তো আছেই।

    নাজিয়া বলল, আমি সেই কিছু একটা শুনতে চাই।

    তুমি ভাবি হলেও আমার অন্তরঙ্গ বন্ধু। তোমাকে বলব না তো কাকে বলব? তবে তার আগে একটা কথা বলতে চাই।

    বেশ তো বল।

    ইসলামের নির্দেশ হল, কারও সঙ্গে দেখা করতে গেলে প্রথমে দরজার বাইরে থেকে সালাম দিতে হবে। সালামের উত্তর না পাওয়া গেলে আরও দু’বার সালাম দিতে হবে। তারপরও যদি সালামের উত্তর না পাওয়া যায়, তা হলে ফিরে আসতে হবে। কারণ অনুমতি ছাড়া অন্যের ঘরে প্রবেশ করা ইসলামে নিষেধ। একটা হাদিস বলছি, “একদা এক ব্যক্তি আসিয়া রসূল (দঃ)-কে প্রশ্ন করল, আমার মাতার নিকট গমন করিতে হলেও কি অনুমতি চাহিব? তিনি বলিলেন, হ্যাঁ। লোকটি বলিল, আমি তাহার সঙ্গে একই গৃহে বসবাস করি। রসূল (দঃ) বলিলেন, তবুও তাহার নিকট যাইতে অনুমতি চাও। লোকটি বলিল, আমি তাহার সেবা করি। রসূল (দঃ) বলিলেন, তবুও তাহার নিকট যাইতে অনুমতি চাও। তাহাকে কি তুমি উলঙ্গ দেখিতে আশা কর? লোকটি বলিল, না। তবে অনুমতি চাও।“[বর্ণনায় : আতায়া বিন ইয়াসার (রা.)-মালেক] তাই বলছিলাম, দরজার বাইরে থেকে সালাম দিয়ে ভিতরে আসার অনুমতি নেয়া উচিত।

    নাজিয়া বলল, আমি তো তোমার মতো কুরআন হাদিস পড়িনি, জানব কী করে?

    তুমি বোধ হয় জান না ভাবি। হাদিসে আছে, আমাদের নবী করিম (দঃ) বলেছেন, “প্রত্যেক মুসলমান নর-নারীর জন্য ধর্মীয় জ্ঞান অর্জন করা ফরয।” তারপর বলল, আমিও এসব জানতাম না। জানার জন্য এই সমস্ত কিতাব কিনে এনে পড়ছি বলে বুকসেলফ দেখাল। তুমিও পড়বে, তা হলে আল্লাহ ও তাঁর রসুল (দঃ) এর বিধি-বিধান মেনে চলার প্রেরণা পাবে।

    নাজিয়া বলল, ঠিক আছে পড়ব। এবার তোমার পরিবর্তনের কারণটা বল।

    কয়েক সেকেণ্ড চুপ করে থেকে ডালিয়া বলল, বিশ্বাস করবে কিনা জানি না, একটা ছেলেকে দেখে ও তার কার্যকলাপ দেখে আমার জ্ঞানের চোখ খুলে গেছে। আর যার জ্ঞানের চোখ একবার খুলে যাবে, সে ধার্মিক হতে বাধ্য।

    নাজিয়া বলল, নিশ্চয় ছেলেটা মৌলভী অথবা পীর সাহেবের ছেলে?

    ডালিয়া বলল, আচ্ছা ভাবি, আজকাল শিক্ষিত ছেলেমেয়েরা মৌলভী ও পীর সাহেবদের কথা শুনলে নাক সিটকায়, তাদেরকে বিদ্রূপ করে। কেন করে বলতে পার?

    নাজিয়া বলল, তুমিও তো এতদিন তাদের দলে ছিলে, উত্তরটা তো তোমারও জানা থাকা উচিত।

    ডালিয়া বলল, হ্যাঁ, তুমি ঠিক কথা বলেছ। এই কয়েকদিন ধর্মীয় বই পুস্তক পড়ে বুঝতে পারলাম, যারা ইসলামকে জানার মতো জানে না, কুরআন হাদিসের ব্যাখ্যা পড়ে না এবং ইসলামিক বই পুস্তকও পড়ে না, তারাই বিদ্রূপ করে ইসলাম পন্থীদের।

    নাজিয়া বলল, আসল ঘটনা কিন্তু এড়িয়ে যাচ্ছ।

    ঠিক এড়াইনি, কথা প্রসঙ্গে অন্যদিকে চলে গেছি। যাই হোক, এবার মামাবাড়িতে গিয়ে এমন একটা ছেলেকে দেখেছি, যার তুলনা সে নিজেই। কারও সঙ্গে তার তুলনা করা চলে না। আমার পরিবর্তনের কারণ সেই ছেলেটা।

    কিছুই বুঝতে পারছি না। শুধু চোখের দেখা দেখে কি কেউ জীবনের গতি পরিবর্তন করতে পারে? নিশ্চয় কোনো ঘটনাকে উপলক্ষ্য করে ছেলেটাকে দেখেছ। ঘটনাটা বললে বুঝতে পারতাম।

    ঘটনা তেমন কিছু নয়, তারপর প্রথম দিন রাস্তার ঘটনা ও তার কিছুদিন পর মহসিন ভাই বন্ধুদের নিয়ে যে ঘটনা ঘটিয়েছে এবং ছেলেটার মোবাইল সেট হারিয়ে যাওয়া ও ফিরে পাওয়ার ব্যাপারে যতটুকু আলাপ হয়েছে, সেসব বলে ডালিয়া চুপ করে রইল।

    নাজিয়া অল্পক্ষণ অপেক্ষা করে বলল, কিন্তু এসব ঘটনায় তোমার আমূল পরিবর্তনের কারণ তো খুঁজে পাচ্ছি না?

    ডালিয়া বলল, মামাতো কোন রাহেলাও এই ঘটনায় তোমার মতো আমার পরিবর্তনের কারণ খুঁজে পায়নি। তবে গতকাল এক দুর্ঘটনার মাধ্যমে পেয়েছে। শুধু তাই নয়, যে নাকি ছেলেটার হাত-পা ভেঙ্গে লুলা করে দিতে চেয়েছিল, সে এখন তাকে পাওয়ার জন্য পাগল।

    নাজিয়া অবাক হয়ে বলল, কী বলছ মাথা মুন্ডু কিছুই বুঝতে পারছি না।

    রাহেলা তার বাবার সঙ্গে পরামর্শ করে ভাইয়ার অপমানের প্রতিশোধ নিতে গিয়ে কি ঘটনা ঘটাল ও রাহেলার দুর্ঘটনার কথা এবং কীভাবে শফি তার জান ও ইজ্জত বাঁচাল, সবকিছু জানিয়ে ডালিয়া বলল, গতকাল রাত বারটার পর রাহেলা ফোন করে তার দুর্ঘটনার কথা জানিয়েছে।

    নাজিয়া বলল, তা হলে ঐ ছেলেটাই তোমারও মুন্ডু ঘুরিয়েছে? যার ফলে মহসিন ভাইকে আর পছন্দ করছ না।

    ডালিয়া বলল, কোনো ধার্মিক ছেলেমেয়ে অধার্মিক ছেলেমেয়েকে পছন্দ করতে পারে না। মহসিন ভাইকে তো বলেছি, তুমি ধর্মকে ঠিকমতো জান ও মান তা হলে বুঝতে পারবে কেন আমি তোমাকে এড়িয়ে চলছি এবং আগের জীবনের পথ ত্যাগ করে ইসলামী পথে চলার চেষ্টা করছি।

    নাজিয়া বলল, ছেলেটা সন্ত্রাসীদের হাত থেকে রাহেলার জান ও ইজ্জত বাঁচিয়েছে বলে হয়তো তাকে পাওয়ার জন্য সে পাগল হয়ে উঠেছে; কিন্তু তোমার কথা শুনে মনে হচ্ছে ছেলেটার সঙ্গে তেমন দেখা সাক্ষাৎ ও আলাপ হয়নি, তবু তার কারণে তোমার এত পরিবর্তন হল কেন বুঝতে পারছি না।

    ডালিয়া বলল, ছেলেটা যে শুধু দেখতে খুব হ্যাঁন্ডসাম তাই নয়, তার কথাবার্তা, আচার-ব্যবহার ও চরিত্রের দৃঢ়তা যারা জানবে, শ্ৰেণীমতো সবাই তাকে ভক্তি-শ্রদ্ধা ও সম্মান করতে বাধ্য হবে। আর ম্যাচিওর মেয়েরা তাকে পাওয়ার জন্য অস্থির হয়ে উঠবে।

    নাজিয়া বলল, এতক্ষণে বুঝতে পারলাম তুমিও তাকে পাওয়ার জন্য অস্থির হয়ে উঠেছ। আর সেই জন্যেই ধার্মিক হওয়ার চেষ্টা করছ এবং মহসিন ভাইকে তারই কারণে এখন আর পছন্দ করছ না, কি ঠিক বলি নি?

    ডালিয়া বলল, হ্যাঁ, ঠিক বলেছ; তবে বুঝতে অনেক লেট করেছ।

    নাজিয়া বলল, কিন্তু ছেলেটাও যে তোমাকে চায় তাকি জেনেছ?

    হ্যাঁ, জেনেছি।

    তোমাদের তেমন মেলামেশা বা কথাবার্তা হয়নি বললে, তা হলে জানলে কীভাবে?

    ফোনে আলাপ করে।

    তোমরা কি প্রায় ফোনে আলাপ করো?

    না, কয়েকদিন আগে মাত্র একবার আলাপ হয়েছে।

    ছেলেটা করেছিল, না তুমি করেছিলে?

    আমি করেছিলাম।

    তুমি কি তাকে খুব বেশি ভালোবেসে ফেলেছ?

    হ্যাঁ।

    ছেলেটাও কি তোমাকে ভীষণ ভালোবেসে ফেলেছে?

    হ্যাঁ।

    কী করে বুঝলে? মাত্র একবার ফোনে আলাপ করে তা বোঝা অসম্ভব।

    তোমার কথা হয়তো ঠিক; কিন্তু আমাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।

    কেন প্রযোজ্য নয়?

    ওটা মনের ব্যাপার মুখে বলা যাবে না।

    তুমি কি ডিটারমাইন্ড ঐ ছেলেকেই জীবনসঙ্গী করবে?

    হ্যাঁ।

    নাজিয়া কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে বলল, বাবা তোমাকে খুব ভালোবাসেন। ওনার কথা না হয় বাদ দিলাম; কিন্তু মাকে ম্যানেজ করবে কী করে? তিনি মহসিন ভাইয়ের সঙ্গে যে তোমার বিয়ের কথা পাকা করে রেখেছেন, তা তুমিও জানো?

    ডালিয়া বলল, হ্যাঁ জানি; কিন্তু আমি এখন বড় হয়েছি, ভার্সিটিতে পড়ছি, আমার ব্যক্তিগত মতামত আছে। জোর করে মা তো এই কাজ করাতে পারবে না। তবে মা যে এ ব্যাপারে আমার উপর খুব চাপ সৃষ্টি করবে তা জানি। একটা কথা বলে রাখি ভাবি, আল্লাহপাক ছাড়া দুনিয়ার কোনো শক্তিই আমার সিদ্ধান্তকে বদলাতে পারবে না।

    কি জানি ভাই, তোমাকে নিয়ে আমার বেশ চিন্তা হচ্ছে।

    তুমি আমাকে নিয়ে চিন্তা করো না, তকৃদিরে যা লেখা আছে তা হবেই।

    তুমি বললে তোমার ভাইয়ার সঙ্গে আলাপ করতে পারি।

    না ভাবি, এখন ভাইয়াকে কিছু বলার দরকার নেই। সময় হলে আমিই বলব ভাইয়ার সঙ্গে আলাপ করতে।

    ঠিক আছে, এখন যাই বলে নাজিয়া তার কাছ থেকে চলে গেল।

    প্রায় দশ বার দিন পর আজ সকালে শফির সঙ্গে ফোনে আলাপ করে যখন জানতে পারল, তাকে দেখার জন্য আজই সে আসছে তখন তার মনে আনন্দের তুফান বইতে শুরু করেছে। তার কি করা উচিত ভেবে ঠিক করতে না পেরে ভাবিকে কথাটা জানাল।

    নাজিয়া বলল, মা জানতে পারলে হুলুস্থুল কান্ড করে বসবেন। তুমি বরং বাবাকে সবকিছু জানাও। উনি নিশ্চয় কিছু একটা ব্যবস্থা করতে পারবেন।

    ডালিয়া বলল, ঠিক বলেছ ভাবি। তারপর রুমে এসে বুয়াকে ডেকে বলল, বাবাকে বলবি আমি ডেকেছি। খবরদার, মা যেন জানতে না পারে।

    তানভীর সাহেব ড্রইংরুমে বসে পেপার পড়ছিলেন। বুয়ার মুখে মেয়ে ডাকছে শুনে তার রুমে এসে বললেন, কীরে মা, কেন ডেকেছিস?

    ডালিয়া জিজ্ঞেস করল, মা কি ঘুম থেকে উঠেছে?

    তানভীর সাহেব ঘড়ি দেখে বললেন, কেন? তুই তো জানিস, সে আটটার আগে উঠে না। এখন সাতটা বাজে। তার কথা বাদ দিয়ে কেন ডেকেছিস বল।

    তুমি বস বলছি।

    তানভীর সাহেব বসে বললেন, কী বলবি তাড়াতাড়ি বল, অফিস যাওয়ার টাইম হয়ে আসছে।

    ডালিয়া কিছুক্ষণ নিচের দিকে মুখ করে চিন্তা করতে লাগল কীভাবে কথাটা শুরু করবে।

    তানভীর সাহেব অধের্য্য গলায় বললেন, চুপ করে আছিস কেন? কীজন্যে ডেকেছিস বলবি তো?

    ডালিয়া ভয়ে ভয়ে বলল, এবারে মামাবাড়ি গিয়ে সেখানকার একটা ছেলেকে ভালবেসে ফেলেছি। সে ধার্মিক। তার আদর্শ চরিত্র দেখে আমি মুগ্ধ। তাকে উপলক্ষ করে আল্লাহ আমাকে হেদায়েত দিয়েছেন। কথা শেষ করে বাবার দিকে চেয়ে দেখল, বড় বড় চোখ করে তার দিকে রাগের সঙ্গে তাকিয়ে রয়েছে। বেশিক্ষণ চেয়ে থাকতে না পেরে মুখ নিচু করে নিল।

    তানভীর সাহেব কথাটা বিশ্বাস করতে পারলেন না। গম্ভীর স্বরে বললেন, এ তুই কী বলছিস? আমি কি আমার মেয়ের কথা শুনছি?

    ডালিয়া মুখ নিচের দিকে করেই বলল, হ্যাঁ বাবা, এটা তোমার মেয়েরই কথা।

    এর পরিণতির কথা ভেবেছিস? মহসিনের সঙ্গে তোর বিয়ের কথা পাকা হয়ে রয়েছে। এ কথা তোর মা শুনলে কী করবে তাও কি ভেবেছিস? তা ছাড়া ছেলেটা তোর মামাদের গ্রামের বললি, তোর মামা জানতে পারলে কী ঘটনা ঘটবে তাও ভেবে দেখবি না? না, না, এ হতেই পারে না। মহসিন শুনলে সে কী করবে তাও কী ভেবে দেখবি না? পাড়াগাঁয়ের ছেলেরা শহরের সমাজ সম্পর্কে একরকম কিছুই জানে না। তারা আনকালচার্ড। আমাদের সঙ্গে মেলামেশা করতে পারবে না। তা ছাড়া পাড়াগাঁয়ের ছেলেরা খুব লোভী হয়। ঐশ্বর্যের লোভে বড় লোকের মেয়েদেরকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে বিয়ে করে। তারপর শ্বশুরের কাছ থেকে টাকা নিয়ে আসার জন্য স্ত্রীর উপর অত্যাচার করে। এরকম ঘটনা যে পেপারে প্রায় লেখালেখি হচ্ছে তা তুইও জানিস। আর তোর মা যে নিজের মতের বাইরে কিছুতেই কোনো কাজ করে না, তাও তুই জানিস। তাই যা বলছি শোন, ভালোকে সবাই ভালোবাসে। তাই বলে তাকে পেতে হবে এটা তো ঠিক না। ওসব পাগলামী মাথা থেকে দূর করে দিয়ে ছেলেটাকে ভুলে যা মা। নচেৎ আমাদের সংসারে আগুন জ্বলবে।

    ডালিয়া বাবার দু’পা জড়িয়ে ধরে চোখের পানি ফেলতে ফেলতে বলল, তোমার সমস্ত কথা ঠিক হলেও আমার সব কথা শুনতে হবে। বর্তমানে ছেলেমেয়েদের মধ্যে ভালোবাসার কথা যা শোনা যায়, আমাদের মধ্যে সেরকম কিছু হয়নি। ছেলেটার ধার্মিকতা, আদর্শ চরিত্র, সর্বোপরি তার সৎ গুণাবলী আমাকে এমনভাবে আকৃষ্ট করেছে, যা তাকে ভালোবাসতে বাধ্য। করেছে। তার সঙ্গে দু তিনবার দেখা ও খুব সামান্য আলাপ হলেও মনে হয়েছে তাকে যেন অনেক দিন থেকে চিনি। সে আমাকে ভালোবাসে কিনা জানতাম না। তারপর তার মোবাইল নাম্বার কী করে পেল, সে ঘটনা বলে বলল, থাকতে না পেরে আমিই তাকে ফোন করি। তার সঙ্গে কথা বলে জানতে পারি সেও আমাকে ভীষণ ভালোবাসে। আর পাড়াগাঁয়ের ছেলেদের ব্যাপারে তুমি যা বললে তার শতভাগের একভাগও তার মধ্যে নেই। সকালে ফোন করে জানিয়েছে, আজ বিকেলে আমার সঙ্গে দেখা করতে আসবে। আমার কথা সত্য না মিথ্যা তার সঙ্গে আলাপ করলেই বুঝতে পারবে। তুমি যদি আমাদের দেখা সাক্ষাতের ব্যবস্থা করে না দাও, তা হলে। কাল সকালে আমার মরা মুখ দেখবে। তারপর ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদতে লাগল।

    তানভীর সাহেব তিন ছেলেমেয়ের মধ্যে ডালিয়াকে সব থেকে বেশি ভালোবাসেন। তাই তাকে কাঁদতে দেখে ও তার কথা শুনে রাগ পড়ে গেল। কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে মেয়ের হাত ধরে পাশে বসিয়ে বললেন। কোনো বাবাই মেয়ের এরকম অন্যায় আব্দার মেনে নেবে না। মরা মুখ দেখার কথা না বললে আমিও মেনে নিতাম না। বুঝতে পারছি তোকে সব থেকে বেশি। ভালোবাসি বলে আমাকে ব্ল্যাকমেল করতে চাচ্ছিস। ঠিক আছে, তোদের দেখা সাক্ষাতের ব্যবস্থা করব, তবে আমিও থাকব।

    বাবা বলে ডালিয়া ওনার দুটো হাত ধরে বলল, তোমার মতো বাবা। কারও আছে কিনা জানিনা। তারপর আবার বলল, নিশ্চয় তুমি আমাদের সঙ্গে থাকবে।

    পরিচয় জানা থাকলে আলাপ করতে সুবিধে হবে ওর পরিচয় বল।

    ওর নাম মুহাম্মদ শফি। ডাক নাম শফি। আরবি ও ইংরেজিতে উচ্চ শিক্ষিত। নয় দশ বছরের সময় ওর বাবা মারা যান। মা ও দাদি বেঁচে আছেন। বিষয় সম্পত্তি অনেক। গ্রামের নাম চরদৌলত খান। মামাদের গ্রামের পাশের গ্রাম।

    ঠিক আছে, রেডি থাকিস। আমি ব্যবস্থা করে ফোন করে তোকে জানাব। তোর মায়ের ঘুম থেকে উঠার সময় হয়ে গেছে। আমি এবার যাই বলে তানভীর সাহেব যাওয়ার সময় বললেন, খুব সাবধান, তোর মা যেন ক্ষুণাক্ষরেও এসব জানতে না পারে।

    ডালিয়া গোসল করে দু’রাকায়াত শোকরানা নামায পরে দোয়া করল, “ইয়া আল্লাহ, ইয়া রাব্বল আলামিন, শফিকে যেন বাবার পছন্দ হয়। তাকে যেন স্বামী হিসাবে পাই।”

    (সমাপ্ত)

    ⤶
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকি পেলাম – কাসেম বিন আবুবাকার
    Next Article ক্রন্দসী প্রিয়া – কাসেম বিন আবুবাকার

    Related Articles

    কাসেম বিন আবুবাকার

    ক্রন্দসী প্রিয়া – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    কি পেলাম – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    কালোমেয়ে – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    একদিন অপরাহ্নে – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    কে ডাকে তোমায় – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    ক্ষমা – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }