Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    জানি তুমি আসবে – কাসেম বিন আবুবাকার

    কাসেম বিন আবুবাকার এক পাতা গল্প119 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    জানি তুমি আসবে – ৩

    ৩

    চেয়ারম্যান সালাউদ্দিনের বাড়ি চরদৌলতখান থেকে তিন চার কিলোমিটার উত্তরে শিকারমন্ডল গ্রামে। এই গ্রামের রাস্তা দিয়ে শফির নানাবাড়ি নলছটি যেতে হয়। সপ্তাহ খানেক পরে শফি নানাবাড়ি গেল। তাকে দেখে নানা-নানি, মামা মামি এবং তাদের ছেলেমেয়েরা যেমন অবাক হলেন, তেমনি খুশিও হলেন। আদর আপ্যায়নের পর সবাই তার কাছ থেকে হারিয়ে যাওয়ার পর এতদিন কোথায় ছিল এবং কিভাবে ফিরে এল জানতে চাইল।

    শফি জানত নানা বাড়িতে এরকম প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হবে। তাই কী বলবে আগেই ভেবে রেখেছিল। এখন তাদের কথার উত্তরে বলল, কেমন করে হারিয়ে গিয়ে ছিলাম মনে নেই। যেখানে মানুষ হয়েছি সেখানে থাকার সময় এখানকার কথা ভুলে গিয়েছিলাম। আর কেমন করে ফিরে এলাম তাও জানি না। ফিরে আসার পর ওখানকার সবকিছু ভুলে গেছি। মনে হচ্ছে এত বছর স্বপ্নের মতো কেটেছে। ঘুমের মধ্যে স্বপ্নে মানুষ যেমন অনেক কিছু দেখে তারপর ঘুম ভেঙ্গে গেলে সেসব মনে থাকে না, আমারও ঠিক তেমনি মনে হচ্ছে। সবাই তার কথা বিশ্বাস করলেও তার নানা জহির উদ্দিন বিশ্বাস করেন নি। তাই একসময় গোপনে তাকে বললেন, তুমি ভাই যা কিছু বলেছ, তা সব বানানো। আসল ঘটনা বলতে শুনি।

    শফি বলল, আপনি ঠিক বলেছেন। যা বলেছি সব বানানো। যিনি আমাকে নিয়ে গিয়ে মানুষ করেছেন ফিরে আসার সময় তিনিই আমাকে ওয়াদা করিয়েছেন। আসল ঘটনা কাউকে যেন না বলি। বললে আমার ভীষণ ক্ষতি হবে। তা ছাড়া ওয়াদা ভঙ্গ করাও কঠিন গোনাহ। আর ওয়াদা ভঙ্গকারীকে আল্লাহ পছন্দ করেন না।

    চার পাঁচ দিন নানা বাড়িতে থেকে ফেরার সময় শিকারমন্ডল গ্রামের রাস্তায় এসে দেখল, কয়েকটা যুবক ছেলের সঙ্গে চেয়ারম্যানের ছেলে মহসিন কথা বলছে। তখন তার সাথে কয়েকদিন আগে চরদৌলতখান গ্রামের রাস্তায় গোলমাল হওয়ার ঘটনা মনে পড়ল।

    সেদিন মহসিন ফুপাত বোন ডালিয়ার সামনে শফির কাছে হেরে গিয়ে খুব অপমানিত হয়ে প্রতিজ্ঞা করেছিল, যেমন করে তোক এর বদলা নেবে। হঠাৎ কয়েকদিন আগে তাকে এই পথ দিয়ে যেতে দেখে কোথায় কাদের বাড়ি যাচ্ছে জানার জন্য রাসেল নামে একটা ছেলেকে তার পিছনে চর লাগিয়েছিল।

    রাসেলের নানার বাড়িও নলছটি গ্রামে। সে শফির পিছু নিয়ে তার সঙ্গে আলাপ করতে করতে তার নানার বাড়িতে এল। আলাপ করার সময় শফি কবে ফিরবে জেনে নিল। আজ সকালে ফিরে এসে মহসিনকে সেকথা জানিয়েছিল।

    মহসিন চার পাঁচজন বন্ধুকে সেদিনের ঘটনাটা সত্য মিথ্যা জানিয়ে শফিকে শায়েস্তা করার জন্য তাদেরকে নিয়ে অপেক্ষা করছিল। মহসিনের কথামতো তারা পাঁচটা লাঠি রাস্তার ধারে একটা গাছের আড়ালে লুকিয়ে রেখেছে।

    কাছে এসে শফি চলন্ত অবস্থায় সবার উদ্দেশ্য সালাম দিল। কেউ সালামের উত্তর দিল না দেখে থমকে দাঁড়িয়ে বলল, কী ভাই, আপনারা কেউ সালামের উত্তর দিলেন না যে? জানেন না, সালামের উত্তর দেয়া মুসলমানের জন্য ওয়াজিব? না দিলে ওয়াজিব তরকের গুণাহ হবে?

    এই কথা বলার পরও যখন কেউ কিছু বলল না তখন মহসিনের দিকে চেয়ে বলল, আপনারা সবাই মুসলমান কিনা জানি না; কিন্তু সেদিন রবিউলের কাছে আপনার পরিচয় পেয়েছি। আপনি মুসলমান হয়েও সালামের উত্তর দিলেন না, এটা কি ঠিক করলেন?

    মহসিন তার কথা গ্রাহ্য না করে বন্ধুদের ঈশারা করতেই তারা পাঁচজন পাঁচটা লাঠি নিয়ে শফিকে ঘিরে ফেলল।

    শফি ব্যাপারটা বুঝতে পেরে তাদেরকে উদ্দেশ্য করে বলল, আমি তো আপনাদের কোনো ক্ষতি করি নি। তবু কেন আমাকে লাঠিপেটা করতে চাচ্ছেন? যদি বলেন সেদিন মহসিন ভাইয়ের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেছিলাম, তা হলে বলব আপনাদের উচিত হবে পুরো ঘটনা বাদি বিবাদীর কাছ থেকে জেনে তারপর কিছু করার সিদ্ধান্ত নেয়া।

    মহসিন এতক্ষণ ধৈর্য ধরতে পারলেও আর পারল না। বলল, ঐ শালার কথা কী শুনছিস? মেরে তক্তা বানিয়ে রাস্তায় ফেলে রাখ।

    তার কথা শুনে শফি তাদেরকে দু’হাত তুলে থামতে বলে বলল, আগে মহসিন ভাই ওয়াদা করুক সেদিনের মতো রিভলবার বের করবেন না।

    কেউ কিছু বলার আগে মহসিন বলল, ঠিক আছে, তাই হবে।

    সবার আগে আমজাদ নামে একটা ছেলে শফির মাথায় লাঠির বাড়ি মারতে গেল।

    শফি তার লাঠিটা ধরে কেড়ে নিয়ে তার একটা পায়ে বাড়ি লাগাল।

    লাঠির বাড়ি খেয়ে আমজাদের মনে হল, পাটা ভেঙ্গে গেছে। লেংচে লেংচে সরে যেতে যেতে বলল, শালা আমার পা ভেঙ্গে দিয়েছে রে।

    আমজাদের অবস্থা দেখে ও তার কথা শুনে বাকি চারজন একসঙ্গে শফিকে আক্রমণ করল।

    শফি আমজাদের কেড়ে নেয়া লাঠি দিয়ে প্রথমে তাদের আক্রমণ। ঠেকাল। তারপর একে একে চারজনেরই একটা করে পা লাঠির বাড়ি মেরে ভেঙ্গে দিল।

    পাঁচজনের একই অবস্থা দেখে মহসিন রাগের চোটে ওয়াদার কথা ভুলে গেল। তাড়াতাড়ি রিভলবার বের করে শফিকে গুলি করতে গেল।

    শফি পাঁচজনের সঙ্গে লড়াই করলেও মহসিনের দিকে লক্ষ্য রেখেছিল। তাই তাকে রিভলবার বের করতে দেখে দ্রুত তার কাছে এসে রিভলবার ধরা হাতে খুব জোরে লাঠির বাড়ি মারল।

    ততক্ষণে মহসিন ট্রিগার টিপলেও গুলি শফির গয়ে লাগল না।

    তার রিভলবারটা ছিটকে দূরে পড়ে গেল। সে বুঝতে পারল, তার হাত ভেঙ্গে গেছে। প্রচণ্ড যন্ত্রণা অনুভব করে হাত ধরে চিৎকার করে বলল, কে কোথায় আছ, তাড়াতাড়ি এসে এই শালা গুন্ডাকে ধরে বেঁধে ফেল। তারপর থানায় ফোন করে দারোগাকে পুলিশ নিয়ে আসতে বল।

    গুলির শব্দ পেয়ে আশ পাশের ঘর থেকে অনেক লোকজন ও ছেলেমেয়ে বেরিয়ে আসতে লাগল। মহসিনদের ঘর একটু দূরে হলেও তার বাবাও বেরিয়ে এলেন। ওনার পিছন পিছন ডালিয়াও এল।

    সবার দিকে একবার চেয়ে নিয়ে শফি রিভলবারটা কুড়িয়ে মহসিনের দিকে তাক করে বলল, লোকজন কেউ আমার কাছে আসতে সাহস পাবে না। আর দারোদা পুলিশ নিয়ে আসার আগে আমি যদি আপনাকে এবং আপনার বন্ধুদের একটা করে গুলি করি, তা হলে কেমন হয়? তারপর দারোগা সাহেব এসে যখন সারজমিন করে পুরো ঘটনা জানবেন তখন আমাকে নয়, আপনাকে এবং আপনার এই বন্ধুদের এরেস্ট করে থানায় নিয়ে যাবেন। ভাববেন না, দারোগা সাহেবকে অনেক টাকা ঘুষ দিয়ে ঘটনা। উল্টো দিকে নিয়ে যাবেন, তা হলে কেস আরও জটিল হবে। এই সব লোকজন কিন্তু আমার পক্ষে সাক্ষি দেবেন।

    শফির কথা শুনে ও তার দিকে রিভলবার তাক করা রয়েছে দেখে মহসিনের মুখ ভয়ে সাদা হয়ে গেল। কোনো কথা বলতে না পেরে ফ্যাল ফ্যাল করে তার মুখের দিকে চেয়ে রইল।

    তার অবস্থা দেখে শফি মৃদু হেসে বলল, ভয় নেই, গুলি করব না। জন্ম মৃত্যু আল্লাহর হাতে, তাই ছেড়ে দিলাম। তারপর আকাশের দিকে ফায়ার করে চেম্বার খালি করে রিভলবারটা লোকজনের দিকে ছুঁড়ে দিয়ে মহসিনকে উদ্দেশ্য করে বলল, শুনেছি চেয়ারম্যান সাহেব আপনাকে মানুষের মতো মানুষ করার জন্য উচ্চ ডিগ্রী নেয়ার জন্য ঢাকা ভার্সিটিতে পড়াচ্ছেন। আমার মনে হয় সেখানে আজে বাজে ছেলেদের সঙ্গে মিশে মানুষ না হয়ে অমানুষ হয়েছেন। তারপর তার বন্ধুদেরকে উদ্দেশ্য করে বলল, মনে হয় আপনারা লেখাপড়া করলেও ধর্মীয় শিক্ষা অর্জন করেন নি। তাই আসল ঘটনা না জেনে ও ভালোমন্দ বিচার না করে মহসিন ভাইয়ের কথায় আমাকে শায়েস্তা করতে চেয়েছিলেন। মনে রাখবেন মানুষ যতই উচ্চ ডিগ্রী নিক না কেন, সেই সঙ্গে যদি ধর্মীয় শিক্ষা অর্জন না করে, তা হলে মানুষের মতো মানুষ হতে পারবে না। যাই হোক, আপনাদেরকে আহত করার জন্য দুঃখিত। তবে একেবারে ভেঙ্গে ফেলার জন্য খুব জোরে আঘাত করিনি। ডাক্তারের কাছে প্লাস্টার করিয়ে নিলে কিছুদিনের মধ্যে ভালো হয়ে যাবেন। এবার আসি, আল্লাহ হাফেজ বলে শফি হাঁটতে শুরু করল।

    সাড়ে ছ’ফুট লম্বা সুন্দর সৌম্য চেহারা ও সু-স্বাস্ত্যের অধিকারী শফির দিকে চেয়ে এতক্ষণ সবাই অবাক হয়ে তার কথা শুনছিল। চেয়ারম্যান সালাউদ্দিন শফিকে চিনতে পেরেছেন। ছেলে মহসিন ও তার পাঁচজন বন্ধুর সঙ্গে তার লড়াই দেখে খুব অবাক হয়েছেন। লড়াই শেষে তার কথা শুনে মনে মনে তারিফ না করে পারলেন না। তাকে চলে যেতে দেখে বললেন, এই ছেলে দাঁড়াও।

    শফি কথা বলার সময় চেয়ারম্যানকে দেখে চিনতে পেরেও না চেনার ভান করেছিল। এখন ওনার গলা শুনে থমকে ঘুরে দাঁড়াল।

    চেয়ারম্যান বললেন, আমার কাছে এস।

    শফি কাছে এসে সালাম বিনিময় করে বলল, বলুন, কী বলবেন।

    কয়েকদিন আগে পথে রবিউলের সঙ্গে তোমাকে দেখেছিলাম। তোমার সঙ্গে পরিচয় হওয়ার পর তোমাকে আমাদের বাড়িতে আসতে বলেছিলাম মনে আছে?

    জি, আছে।

    মনে হয় এখানে কারও বাড়িতে এসেছিলে, অথচ আমার সঙ্গে দেখা না করে চলে যাচ্ছিলে কেন?

    এখানে কারও বাড়িতে আসিনি। নলছটিতে নানার বাড়ি চার-পাঁচ দিন আগে গিয়েছিলাম। আজ ফিরছিলাম। এখানে আপনার বাড়ি জানলে নিশ্চয় দেখা করতম।

    এখন চল না, কিছু নাস্তা পানি করে যাবে।

    শুকরিয়া। ধৃষ্টতা মাফ করবেন, আজ নয়, অন্য একদিন এসে নাস্তাপানি করব। এবার যাবার অনুমতি দিন।

    ঠিক আছে, যাও। একদিন এস কেমন?

    জি আসব বলে শফি সালাম বিনিময় করে হাঁটতে শুরু করল।

    শফির চলে যাওয়ার দিকে সবাই চেয়ে রইল। রাস্তার বাঁকে আড়াল হয়ে যাবার পর চেয়ারম্যান একটা দীর্ঘ নিশ্বাস ফেলে ছেলে ও তার বন্ধুদেরকে উদ্দেশ্য করে বললেন, ঐ ছেলেটার কথাই ঠিক, তোমরা লেখাপড়া করে মানুষ না হয়ে গুডা হয়েছ। তাও ভালো গুণ্ডা হতে পার নি। তা না হলে একটা নিরস্ত্র ছেলে স্বসস্ত্র ছয়জনকে মেরে হাত পা ভেঙ্গে দিয়ে বিজয়ীর বেশে চলে গেল কী করে? শুধু তাই নয়, সে যে কথাগুলো বলে গেল, সেগুলো খুব মূল্যবান। আশা করি, তার মূল্যবান কথাগুলো মগজে ঢুকিয়ে মানুষ হওয়ার চেষ্টা করবে। যদি কোনো দিন শুনি, তোমরা ওর পিছনে লেগেছ, তা হলে মনে রেখো, আমিই তোমাদেরকে জেলে পাঠাবার ব্যবস্থা করব। কথা শেষ করে ভাগ্নি ডালিয়াকে নিয়ে বাড়ি যেতে যেতে বললেন, ঘটনা দেখে মনে হচ্ছে, ঐ ছেলেটার সঙ্গে মহসিনের আগে কোনো ঘটনা ঘটেছিল। তুই কি এ ব্যাপারে কিছু জানিস?

    লড়াই করার সময় শফির মোবাইল পড়ে গিয়েছিল। ডালিয়া সবার অলক্ষ্যে সেটা কুড়িয়ে নিয়ে পেটকাপড়ে রেখেছিল। মামার কথা শুনে সেটাতে হাত বুলিয়ে দেখে নিয়ে সেদিনের ঘটনা জানিয়ে বলল, আমার ধারণা ছেলেটা যেদিন এখান দিয়ে তার নানার বাড়ি যায়, সেদিন মহসিন ভাই দেখে থাকবে এবং কবে ফিরবে সেখবরও রেখেছিল। তাই আগের ঘটনার অপমানের প্রতিশোধ নেয়ার জন্য বন্ধুদের নিয়ে ওতপেতেছিল।

    হ্যাঁ মা, তোর কথা শুনে আমারও তাই মনে হচ্ছে। একটা জিনিস লক্ষ্য করেছিস, ছেলেটার কী দূরন্ত সাহস? ভীন গায়ে এসে পাঁচ ছয়জন স্বসস্ত্র ছেলের সাথে খালি হাতে কীভাবে লড়াই করে তাদেরকে আহত করল?

    মহসিনের সঙ্গে ডালিয়ার বিয়ের কথা পাকা হয়ে আছে। তবু শফি লাঠি মেরে তার হাত ভেঙ্গে দিলেও তার মনে কোনো প্রক্রিয়া হয়নি বরং শফির সাহসিকতা ও লড়াই এর নৈপুণ্য তাকে মুগ্ধ করেছে। মামাকে শফির গুণগান করতে শুনে বলল, হ্যাঁ মামা আপনি ঠিক বলেছেন। প্রথম দিনের ঘটনা দেখে আমারও তাই মনে হয়েছিল। তারপর জিজ্ঞেস করল, ছেলেটাকে আপনি চেনেন?

    হ্যাঁ চিনি। চরদৌলতখান গ্রামের ছেলে। দশ বছর বয়সের সময় হারিয়ে গিয়েছিল। ছেলের শোকে ওর বাবা একবছরের মধ্যে মারা যায়। তিন চার বছর পর ছেলেটার দাদি তার চাচাতো দেবরের ছেলের সঙ্গে ওর মায়ের বিয়ে দেন। কিছুদিন আগে ছেলেটা ফিরে এসেছে।

    ডালিয়া অবাক হয়ে বলল, ওমা, তাই না কী? তারপর জিজ্ঞেস করল, ছেলেটা ফিরে এসে মায়ের বিয়ের কথা জেনে কী করল?

    তা আমি জানব কী করে? তবে ঐ গ্রামের একজন মেম্বারের কাছে শুনলাম, ছেলেটা ভালো, ধর্ম কর্ম মেনে চলে। তাই হয়তো মায়ের দ্বিতীয় বিয়ে মেনে নিয়েছে।

    ওদের আর্থিক অবস্থা কেমন?

    পূর্বপুরুষদের অনেক জমি জায়গা ছিল, প্রতিপত্তিও ছিল। এখন ওয়ারীশ বেশি হয়ে যাওয়ায় আগের মতো অবস্থা নেই। তবে ওর বাবা মা-বাবার একমাত্র সন্তান হওয়ায় অন্যদের চেয়ে ভালো। ওর চাচাত চাচা জাকির হোসেনের সঙ্গে ওর মায়ের দ্বিতীয় বিয়ে হওয়ার পর সেইই জমি-জায়গা দেখাশোনা করছে। এবার হয়তো ছেলেটাই সেসব দেখাশোনা করবে।

    ডালিয়া বলল, যদি উনি না দেন?

    চেয়ারম্যান হেসে উঠে বললেন, বাবার সম্পত্তি ছেলেকে ফিরিয়ে দেবে না কেন? সেই তো এখন সব সম্পত্তির মালিক। এবার একটা কথা বলতো, ঐ ছেলেটার ব্যাপারে তুই এত কিছু জানতে চাচ্ছিস কেন?

    প্রথম দিনের ঘটনার সময় শফিকে দেখেও তার কার্যকলাপ ও কথা বার্তায় ডালিয়া মুগ্ধ হয়েছিল। সকালে যখন মহসিনভাই তাকে বলল, ছেলেটা চার পাঁচদিন আগে আমাদের গ্রামের রাস্তা দিয়ে নানার বাড়ি গিয়েছিল আজ ফিরবে। তখন তাকে জিজ্ঞেস করেছিলাম তুমি কী সেদিনের বদলা নিতে চাও?

    মহসিন বলেছিল হ্যাঁ, আজ ব্যাটাকে বুজিয়ে দেব কত ধানে কত চাল। এমন শিক্ষাদেব, আর কখনও আমার দিকে যেন চোখ তুলে চাইতে না পারে।

    ডালিয়া আতংকিত হলেও সংযত কণ্ঠে বলেছিল, কাজটা কী ভালো হবে? মামা জানলে তোমাকেই রাগারাগি করবেন।

    তা করুক, তুই কিন্তু বাবাকে আগে থেকে কিছু বলবি না। তারপর বলল, একেবারে কী জানে মারব, শুধু পাটায় করে তুলে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করব। তুই-ই বলনা, সেদিন আমাকে কত বড় অপমান করেছিল।

    ডালিয়া বলল, সেদিন আমি দোষ করেছিলাম। তাই উনি আমাকে কিছু উপদেশ দিয়েছিলেন। তাতে ওনার দোষ কোথায়? বরং তুমি উল্টো ওনার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেছিলে। আসলে তুমি নিজের দোষে নিজে অপমানিত হয়েছ। উনি তোমাকে অপমান করেন নি।

    মহসিন বিদ্রূপ কণ্ঠে বলল, কি ব্যাপার বলতো? তুই যে দেখছি ঐ শালা ছোটলোকের ফরে কথা বলছিস?

    ডালিয়া বিদ্রূপটা গায়ে মাখল না। বলল কারও ফরে কথা বলতে যাব কেন? যা সত্য তাই বললাম। এই যে ওনাকে শালা ছোটলোক বললে, এতে ওনাকে অপমান করার চেয়ে নিজেই অপমানিত হলে বেশী।

    মহসিন রেগে উঠে বলল, থাক, তোকে আর উপদেশ দিতে হবে না। শালা কতবড় বীর আজ দেখে ছাড়ব। আবার বলছি, তুই কিন্তু বাবাকে কিছু বলবি না।

    ডালিয়া আর কিছু না বলে তার কাছ থেকে চলে এসেছিল। তারপর থেকে মহসিনের দিকে লক্ষ্য রেখেছিল। তাই মারামারির ঘটনাটা পুরো দেখে শফির প্রতি আকর্ষন আরও বেড়ে গেছে।

    এখন মামা যখন জিজ্ঞেস করলেন, তুই ঐ ছেলেটার ব্যাপারে এতকিছু জানতে চাচ্ছিস কেন তখন লজ্জায় তার মুখটা রাঙা হয়ে গেল। কয়েক সেকেন্ড চুপ করে থেকে বলল, এমনি মনে হল, তাই জিজ্ঞেস করলাম। তারপর ঘরে এসে গোসল করার কথা বলে ওনার কাছ থেকে চলে গেল।

    চেয়ারম্যান প্রশ্নটা করে ভাগ্নির মুখের দিকে তাকিয়ে লজ্জারাঙা মুখ দেখেছেন। তার চলে যাওয়ার দিকে তাকিয়ে ভাবলেন, ছেলেটা কী ওর মনে দাগ কেটেছে? হঠাৎ স্ত্রীর কথা মনে পড়ল, আমি ডালিয়াকে মহসিনের বৌ করে ঘরে আনব। অবশ্য তিনিও তাই চান। তাই তাদেরকে স্টাডি করে দেখেছেন, তারা একে অপরকে পছন্দ করে কিনা। আর ডালিয়ার মা বাবা তো এ ব্যাপারে এক পায়ে খাড়া।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকি পেলাম – কাসেম বিন আবুবাকার
    Next Article ক্রন্দসী প্রিয়া – কাসেম বিন আবুবাকার

    Related Articles

    কাসেম বিন আবুবাকার

    ক্রন্দসী প্রিয়া – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    কি পেলাম – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    কালোমেয়ে – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    একদিন অপরাহ্নে – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    কে ডাকে তোমায় – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    ক্ষমা – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }