Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    জানি তুমি আসবে – কাসেম বিন আবুবাকার

    কাসেম বিন আবুবাকার এক পাতা গল্প119 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    জানি তুমি আসবে – ৫

    ৫

    ছোটবেলায় রবিউল ও শফির মধ্যে বন্ধুত্ব ছিল। শফি হারিয়ে যেতে রবিউলের মন অনেক দিন খারাপ ছিল। তারপর আস্তে আস্তে তাকে ভুলে। গেলেও মাঝে মধ্যে মনে পড়ত। রবিউলের বাবা জহির উদ্দিন চৌধুরী বেশ অবস্থাপন্ন লোক। ওনার শুধু চার ছেলে। কোনো মেয়ে নেই। রবিউল সবার ছোট। বড় তিন ভাই লেখাপড়া শেষ করে ঢাকায় চাকরি করে। তারা ঢাকাতেই ফ্যামিলি নিয়ে থাকে। রবিউল বড় ভাইয়ের কাছে থেকে ঢাকা কলেজ থেকে মাস্টার্স করে গ্রামে এসে বাবার ঘাড়ে বসে একবছর খেয়েছে। এই মাস ছয়েক হল গ্রামের কলেজে অধ্যাপনা করছে। বড় ভাইয়েরা ও ভাবিরা ঢাকাতে চাকরি করার কথা বললেও সে রাজি হয়নি। তাদেরকে বলেছে তোমরা মা বাবাকে ছেড়ে শহরে এসে বাস করছ। আমি তা করব না আর ওনাদের ছেড়ে থাকতেও পারব না।

    রবিউল গ্রামের স্কুলে ক্লাস টেনে পড়ার সময় থেকে রাহেলাকে ভালবাসত, কিন্তু সেকথা রাহেলাকে বলার সাহস হয়নি। রাহেলা তখন ক্লাস সেভেনের ছাত্রী। তখন অবশ্য রাহেলার বাবা চেয়ারম্যান ছিলেন না। স্কুলটা ছিল চরদৌলতখান ও শিকরমণ্ডল গ্রামের মধ্যস্থলে। গ্রামের কলেজ থেকে ইন্টারমিডিয়েট পাশ করে রবিউল ঢাকায় পড়াশোনা করতে গেলেও রাহেলাকে ভুলতে পারে নি। মাস্টার্স কমপ্লীট করে গ্রামে ফিরে যখন ভার্সিটি অধ্যাপনা শুরু করল তখন রাহেলা ঐ কলেজে ডিগ্রী সেকেন্ড ইয়ারে পড়ছে। ক্লাস নেয়ার সময় চোরা চোখে রবিউল তাকে দেখে। ছয় সাত বছর আগের কিশোরী রাহেলা এখন যুবতী। ছোটবেলা থেকে রাহেলা রূপসী। যৌবনে এসে আরও অনেক বেশি রূপসী হয়েছে। রবিউল সিদ্ধান্ত নেয় যেমন করে হোক ওকে বিয়ে করবেই।

    কলেজে অধ্যাপনা শুরু করার পাঁচ ছয় মাসের মধ্যে দীর্ঘ বিশ বছর পর শফি ফিরে এলে দু’জনের মধ্যে আবার বন্ধুত্ব গড়ে উঠে। এখন পর্যন্ত রাহেলাকে ভালবাসার কথা তাকে জানাইনি।

    শফি মোবাইলের লাইন কেটে দিতে রবিউল জিজ্ঞেস করল, কী রে মোবাইল ওদের কেউ পেয়েছে?

    হ্যাঁ, পেয়েছে। বিকেল পাঁচটা সাড়ে পাঁচটার দিকে নেয়ার জন্য ডেকেছে।

    যাবি না কি?

    হ্যাঁ, যাব। তুইও আমার সঙ্গে যাবি।

    গেলে রাহেলার সঙ্গে দেখা হবে ভেবে খুশি হলেও রবিউল বলল, আজকেই যাওয়াটা কী ঠিক হবে?

    ঠিক হবে না কেন?

    না, বলছিলাম কী, আজ যে ঘটনা ঘটিয়ে এসেছিস তারপর যাওয়াটা ঠিক হবে না।

    তুই অত ভীতু কেন? আমি কিন্তু আল্লাহকে ছাড়া কাউকেই ভয় করি না

    তা জানি। তবু বলব আজ না গিয়ে কাল যা।

    তুই বার বার যেতে নিষেধ করছিস কেন বলতো?

    রবিউল জানে মহসিন খুব রাগি ও গুণ্ডা টাইপের। দু’দুবার যার কাছে অপমান হয়েছে, তাকে পেলে নির্ঘাৎ গুলি করবে। সেকথা বলে বলল, কাল আজকের মতো মহসিনের অতটা রাগ থাকবে না। তাই কাল যেতে বলছি।

    শফি বলল, ওর হাতে আমার মৃত্যু থাকলে হবে, না থাকলে গুলি করলেও হবে না। তা ছাড়া ওনাকে আজই যাব বলেছি।

    তাতে কী হয়েছে? এখন আবার ফোন করে জানিয়ে দে কাল যাবি।

    না আজই যাব। তুই যদি যেতে না চাস, আমি একাই যাব। তবু কথার বরখেলাপ করতে পারব না।

    রবিউল জানে শফি ছোটবেলা থেকে খুব একরোখা, যা করবে বলবে তা করেই ছাড়ে। এখনও সেই স্বভাবের পরিবর্তন হয়নি দেখে বলল, তুই সেই আগের মতই রয়ে গেছিস। ঠিক আছে, আজই যখন যাবি বলছিস তখন আর কী করা। আমিও তোর সঙ্গে যাব।

    শফি বলল, কী জানিস, মোবাইলে যার সঙ্গে কথা বললাম, সে চেয়ারম্যানের মেয়ে রাহেলা। মারামারি হওয়ার সময় তাকে দেখিনি, দেখেছি ডালিয়াকে। মোবাইল কুড়ালে কুড়াবে ডালিয়া; কিন্তু রাহেলা বলল, তার কাছে মোবাইল আছে। আর সেই-ই যেতে বলল।

    রবিউল বলল, হয়তো ঘটনার সময় রাহেলা ছিল না; ডালিয়াই কুড়িয়েছে। পরে ঘটনা জানার পর ডালিয়ার কাছ থেকে মোবাইলটা নিয়েছে।

    শফি বলল, মনে হয় তোর কথাই ঠিক।

    দু’বন্ধুতে যখন শিকরমন্ডলে পৌঁছাল তখন মসজিদে আসরের আজান হচ্ছে। মসজিদে গিয়ে নামায পড়ল। তারপর মানুষজনকে জিজ্ঞেস করে সাড়ে পাঁচটার সময় চেয়ারম্যানের ঘরের সামনে এসে পৌঁছাল।

    মহসিন ও তার বন্ধুরা সদর হাসপাতালে গেছে হাত পা প্লাস্টার করার জন্য। তখনও ফেরেনি। চেয়ারম্যানও পাশের গ্রামের মিটিং-এ চলে গেছেন।

    রাহেলা ঘরের চাকর শাহাদতকে পাঁচটা থেকে বৈঠকখানায় বসে থাকতে বলে বলেছে, চরদৌলতখান গ্রাম থেকে একটা লোক আসবে। আসার পর তাকে বসতে বলে আমাকে খবর দিবি।

    শাহাদতের বয়স চৌদ্দ পনেরর মতো। সে সকালের মারামারি দেখেছে। তাই শফি ও রবিউল যখন বেঠকখানার কাছে এল তখন শফিকে চিনতে পারল। ভাবল, ইনি সকালের দিকে মহসিন ভাই ও তার বন্ধুদের হাত পা ভেঙ্গে দিয়ে গেল, এখন আবার কেন এসেছে? মহসিন ভাই ও চাচা জানতে পারলে তো মেরে ফেলবে।

    তাকে ওদের দিকে চেয়ে থাকতে দেখে শফি সালাম দিয়ে বলল, চেয়ারম্যান সাহেব বা ওনার ছেলে বাড়িতে আছেন?

    শাহাদতকে কেউ কখনও সালাম দেয়নি। শফিকে সালাম দিতে দেখে অবাক হয়ে সালামের উত্তর দিয়ে বলল, না, কেউ নেই।

    তা হলে চেয়ারম্যান সাহেবের মেয়েকে ডেকে দাও। ওবেলা আমার মোবাইল হারিয়ে গিয়েছিল, ওনার কাছে আছে। উনি এই সময়ে আসতে বলেছিলেন মোবাইলটা নেয়ার জন্য।

    আপনারা বৈঠকখানায় বসুন, আমি আপাকে ডেকে দিচ্ছি। তারপর যেতে যেতে চিন্তা করল, আপা বললেন একজন আসবে; কিন্তু এসেছে দু’জন।

    বাড়ির ভিতরে গিয়ে আপাকে দু’জন আসার কথা জানাল।

    রাহেলা ডালিয়ার দিকে চেয়ে বলল, কী ব্যাপার বল দেখি? আসার কথা। শুধু শফির, দু’জন এসেছে কেন? মনে হয় ভয় পেয়েছে। তাই একজনকে সাথে করে এনেছে।

    তারা আগে থেকে সেজেগুঁজে ছিল। ডালিয়া তার কথা শুনে ভাবল, শফি তো ভয় পাওয়ার মতো ছেলে না, হয়তো অন্য কোনো কারণে একজনকে সাথে নিয়ে এসেছে। মুখে বলল, সে যাই হোক দু’জন আসুক আর তিনজন আসুক তাতে আমাদের কী? চল যাই।

    শফি ও রবিউল দু’টো চেয়ারে বসেছিল। তাদেরকে দেখে দাঁড়িয়ে সালাম দিল।

    রাহেলা ও ডালিয়া শালওয়ার কামিজ পরে ওড়না ঘাড়ের দু’পাশ থেকে বুকের উপর ঝুলিয়ে দিয়েছে। দু’জনেই সালামের উত্তর দিয়ে বসতে বলল। রাহেলা রবিউলকে চিনতে পেরে অবাক কণ্ঠে বলল, স্যার আপনি?

    রবিউল বলল হ্যাঁ। মোবাইলটা ওর বলে শফিকে দেখাল। তারপর শফিকে বলল, রাহেলা আমার কলেজের ছাত্রী।

    কথাটা শুনে শফি রবিউলের উপর অসন্তুষ্ট হল। ভাবল, এ কথা আগে জানাল না কেন।

    প্রথম ঘটনার দিন ডালিয়া শফির সঙ্গে রবিউলকে দেখেছে। তার পরিচয় পেয়ে জিজ্ঞেস করল, উনি কি আপনার কাজিন বলে শফিকে দেখাল।

    রবিউল কিছু বলার আগে রাহেলা বলল ও ডালিয়া, আমার ফুপাত বোন, ওদের বাড়ি ঢাকায়।

    তা জানি বলতে গিয়েও রবিউল বলল না। চুপ করে রইল।

    ডালিয়া তার দিকে চেয়ে বলল, আমার প্রশ্নের উত্তর দিলেন না যে?

    রবিউল বলল, কাজিন না হলেও আমাদের মধ্যে বন্ধুত্বের গভীর সম্পর্ক। বাড়ি একই গ্রামে।

    রবিউল থেমে যেতে শফি বলল, আমার মোবাইলটা দিন। এবার আমাদেরকে ফিরতে হবে।

    ডালিয়া যে চোরাচোখে বারবার শফিকে দেখছে রাহেলা তা বুঝতে পেরে বলল, এত তাড়া কিসের? স্যার যখন সঙ্গে আছেন তখন ভয়ের কোনো কারণ নেই। তা ছাড়া বাবা ও ভাইয়া কেউ বাড়িতে নেই। ভাইয়া বন্ধুদের নিয়ে সদর হাসপাতালে গেছে প্লাস্টার করাবার জন্য। আর বাবা পাশের গ্রামে মিটিং এ গেছেন।

    শফি মৃদু হেসে বলল, আল্লাহকে ছাড়া আমি কাউকে ভয় করি না। আর ভয়ই যদি করতাম, তা হলে সকালের ঘটনার পর বিকেলে আসতাম না।

    রাহেলা বলল, তা অবশ্য ঠিক কথা বলেছেন। অন্য যে কোনো ছেলের এত সাহস হত না। তারপর শাহাদত নাস্তার প্লেট নিয়ে এলে বলল, এখন কথা বাদ দিয়ে মুখে হাতে পানি দিয়ে নিন, নাস্তা খাবেন।

    শফি বলল, এসব কষ্ট করে করতে গেলেন কেন?

    রাহেলা বলল, কষ্ট হবে কেন? অতিথিকে আপ্যায়ন করান উচিত নয় কি? কথা শেষ করে নাস্তা পরিবেশন করল।

    তাদেরকে চুপচাপ বসে থাকতে দেখে রাহেলা আবার বলল, কী হল, খাচ্ছেন না কেন? তবু যখন তারা চুপ করে বসে রইল তখন জিজ্ঞেস করল, আপনারা কি আমাদেরকে অবিশ্বাস করছেন?

    শফি বলল, কী ব্যাপারে অবিশ্বাস করব?

    রাহেলা বলার আগে ডালিয়া বলল, এই যেমন আমরা হয়তো খাবারে বিষ মাখিয়ে এনেছি আপনাদেরকে মেরে ফেলার জন্য অথবা অজ্ঞান করে। মারধর করে সকালের ঘটনার প্রতিশোধ নেয়ার জন্য।

    শফি মৃদু হেসে বলল, “ঠাকুর ঘরে কেরে? আমি কলা খায়নি” কথাটার মতো হয়ে গেল না?

    ডালিয়া বলল, আপনার কথাটা ঠিক হলেও এক্ষেত্রে নয়। সব থেকে বড় কথা রাহেলার কলেজের স্যার রয়েছেন। উনি সম্মানিত ব্যক্তি। ওনার উপস্থিতিতে এরকম কাজ আমরা করতে পারি না। তারপর দু’জনে প্লেট থেকে অল্প একটু নাস্তা খেয়ে বলল, এবার নিশ্চয় খেতে অসুবিধে নেই?

    শফি বলল, আপনারা আমাদেরকে বুঝতে ভুল করেছেন। ওসব চিন্তাই আমরা করিনি। আসল কথা আমি বাইরের কারও বাড়িতে খাই না। তারপর রবিউলকে বলল, তুই খাচ্ছিস না কেন?

    রবিউল বলল, তুই না খেলে আমি একা খাই কী করে?

    ঠিক আছে, আমি এক গ্লাস পানি খাচ্ছি বলে শফি পানি খেয়ে রবিউলকে বলল, এবার তুই খা।

    ডালিয়া শফিকে উদ্দেশ্য করে বলল, আপনি যে কথা বললেন, তার পিছনে নিশ্চয় কারণ আছে?

    আছে।

    কারণটা বলবেন?

    মাফ করবেন বলতে পারব না।

    .

    নাস্তা খাওয়ার পর মোবাইল সেট নিয়ে ফেরার পথে রবিউল বলল, ডালিয়া সর্বক্ষণ তোর দিকে চেয়েছিল।

    আর তুই সর্বক্ষণ রাহেলাকে চোরাচোখে দেখছিলি কেন সেটা আগে বল।

    আমার দেখার পিছনে কারণ আছে; কিন্তু ডালিয়ার কী আছে?

    তোর মতো তারও কারণ থাকতে পারে।

    তা থাকতেই পারে না। কেন পারে না?

    কারণ, মহসিনের ফাঁইন্যাল পরীক্ষার পর তার সঙ্গে ডালিয়ার বিয়ে হওয়ার কথা পাকা হয়ে আছে।

    পাকা কথা হয়ে থাকলে কী হবে তকৃদিরে থাকতে হবে। তকদিরে না থাকলে হবে না।

    তুই কি বলতে চাচ্ছিস ওদের বিয়ে হবে না?

    না।

    রবিউল খুব অবাক হয়ে বলল, এ তুই কী বলছিস?

    বলছি বাংলা, তবু যদি বুঝতে না পারিস, তা হলে এ প্রসঙ্গ বাদ দিয়ে তোর কারণটা বল।

    রবিউল কিছু না বলে চুপচাপ হাঁটতে লাগল।

    কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে শফি বলল, কীরে, কারণটা বলছিস না কেন? মনে হচ্ছে ডালমে কুছ কালা হ্যাঁয়। এ কথা বলার পরও তাকে চুপ করে থাকতে দেখে শফি আবার বলল। না বললে কিন্তু মাইন্ড করব।

    রবিউল বলল, বললেও মাইন্ড করবি।

    ঠিক আছে ওয়াদা করছি মাইন্ড করব না।

    যখন ক্লাস টেনে পড়ি তখন থেকে রাহেলাকে ভালবাসি।

    শফি হেসে উঠে বলল, মনে হচ্ছে কথাটা রাহেলা তখনও জানত না এবং এখনও জানে না। কি, ঠিক বলি নি।

    কথাটা সত্য; কিন্তু তুই জানলি কী করে?

    যেমন করে জানলাম ডালিয়া আমাকে ভালবেসে ফেলেছে।

    তাই যদি জানিস, তা হলে বল, রাহেলার সঙ্গে আমার বিয়ে হবে কিনা।

    হবে, আমাদের মতো তোদেরও অনেক কাঠ খড় পুড়বে।

    হেঁয়ালী করে না বলে খোলাখুলি বল।

    যা বলেছি এর বেশি একটা কথাও বলতে পারবনা। তবে এতটুকু বলতে পারি, আল্লাহ যার সঙ্গে যার জোড়া করে পয়দা করেছেন, তার সঙ্গে তার বিয়ে হবেই। তুই কিন্তু একটা মারাত্মক আর একটা অমারাত্মক ভুল করেছিস। প্রথমটা হল ক্লাস টেনে পড়ার সময়েই রাহেলাকে কথাটা জানান উচিত ছিল। আর দ্বিতীয়টা হল, আমি ফিরে আসার পর পর আমাকেও কথাটা জানান উচিত ছিল।

    রবিউল বলল, প্রথম ভুলটার কারণ হল, অনেকবার জানাতে চেষ্টা করেও সাহসের অভাবে জানাতে পারিনি। আর দ্বিতীয় ভুলটার কারণ, বলব বলব করেও বলা হয়নি। যাই হোক, দ্বিতীয় ভুলটা তুই মাফ করে দে।

    শফি হেসে উঠে বলল, আর প্রথম ভুলটা কে মাফ করবে? তারপর কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে আবার বলল, রাহেলাই তোকে মাফ করবে।

    রবিউল বলল, তুই মাঝে মাঝে এমন কথা বলিস, যার মাথা মুন্ডু কিছুই বুঝতে পারি না।

    না বুঝলে না বুঝবি, কে তোকে বুঝতে বলেছে?

    কথাটা কী ঠিক বললি? শুনে মনে হচ্ছে আমাকে দূরে সরিয়ে দিতে চাচ্ছিস।

    তোর ধারণা ভুল। দাদি আর তুই ছাড়া এ দুনিয়ায় আমার আপন কেউ নেই।

    কেন, তোর মা?

    মা তো মাই-ই। তার তুলনা কারও সঙ্গে দেয়া যায় না। তবু বলব মা। এখন অন্য লোকের স্ত্রী। যাই হোক, এ প্রসঙ্গ বাদ দিয়ে তাড়াতাড়ি চল। নচেৎ মাগরিবের নামায ধরতে পারব না।

    .

    ডালিয়া বারবার শফির দিকে চেয়ে দেখলেও যতবার রবিউলের দিকে চেয়েছে, ততবারই তাকে রাহেলার দিকে অপলক নয়নে চেয়ে থাকতে দেখেছে। তাই তারা চলে যাওয়ার পর রাহেলার মন বোঝার জন্য বলল, প্রফেসার সাহেবকে দেখলাম বারবার তোর মুখের দিকে চেয়ে থাকতে। ব্যাপারটা কি তুই লক্ষ্য করেছিস?

    রাহেলা হেসে উঠে বলল, তা আবার করিনি। শোন, ক্লাসেও অনেকবার লক্ষ্য করেছি, উনি চোরাচোখে বারবার আমার দিকে চেয়ে থাকেন।

    ডালিয়াও হেসে উঠে বলল, সত্যি বলছিস?

    হ্যাঁরে, সত্যি বলছি।

    এতে তোর মনে কোনো প্রতিক্রিয়া হয়নি?

    খুব রাগ হয়।

    রাগ হবে কেন? বরং অন্য কিছুতো হওয়ার কথা।

    অন্য কিছু মানে?

    মানে, উনি হয়তো তোকে ভালবাসেন। তাই বারবার তোর মুখের দিকে চেয়ে দেখেন।

    আমি ওসব ভালবাসা-টালবাসা একদম পছন্দ করি না।

    উনি কিন্তু খুব হ্যাঁন্ডসাম, মেয়েরা ঐরকম ছেলেই পছন্দ করে।

    রাহেলা বিরক্ত কণ্ঠে বলল, হ্যাঁন্ডসাম হোক আর অন্য মেয়েরা ওনাকে পছন্দ করুক, তাতে আমার কী? শোন, যেসব ছেলেরা চোরাচোখে মেয়েদেরকে দেখে, তাদেরকে আমি মোটেই দেখতে পারি না। এসব বাজে প্যাচাল বাদ দিয়ে বলতো, ভাইয়ার সঙ্গে তোর বিয়ে ঠিক হয়ে থাকা সত্ত্বেও বারবার কেন শফির দিকে চেয়ে দেখছিলি?

    ডালিয়া শফির চোখে এমন কিছু দেখেছে, যা বারবার তাকে দেখতে বাধ্য করেছে। সেকথা বলা উচিত হবে না ভেবে চালাকি করে বলল, শুধু শফির দিকে নয়, রবিউল স্যারের দিকেও চেয়ে দেখছিলাম, কে বেশি সুন্দর। রবিউল স্যারের দিকে চেয়ে মনে হল গ্রীষ্মকালের চাতক পাখি, যেমন একফোঁটা বৃষ্টির আশায় আকাশের দিকে হা করে চেয়ে থাকে, ঠিক সেইভাবে উনি তোর মুখের দিকে চেয়েছিলেন। তুই যে বললি উনি চোরা চোখে দেখে, কিন্তু আজ তো করেন নি। আমি হ্যাঁন্ড্রেড পার্সেন্ট সিওর উনি তোকে ভীষণ ভালবাসেন।

    রাহেলা বলল, কী জানি, তোর কথা হয় তো ঠিক; কিন্তু একটু আগে বললাম না, ভালবাসা টালবাসা একদম পছন্দ করি না। সমাজে ভালবাসার কাহিনী শুনে ও তার পরিণতি দেখে প্রতিজ্ঞা করেছি, জীবনে কোনো দিন ও পথে পা বাড়াব না।

    ডালিয়া বলল, ওরকম কথা অনেকে বলে; কিন্তু শেষমেষ তারাই ভালবাসা করে হাবুডুবু খায়। আমার তো মনে হচ্ছে তুইও একদিন ভালবাসা করে হাবুডুবু খাবি।

    তোর মুন্ডু খাব বলে রাহেলা তার কাছ থেকে চলে গেল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকি পেলাম – কাসেম বিন আবুবাকার
    Next Article ক্রন্দসী প্রিয়া – কাসেম বিন আবুবাকার

    Related Articles

    কাসেম বিন আবুবাকার

    ক্রন্দসী প্রিয়া – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    কি পেলাম – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    কালোমেয়ে – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    একদিন অপরাহ্নে – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    কে ডাকে তোমায় – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    ক্ষমা – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }