Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    জানি তুমি আসবে – কাসেম বিন আবুবাকার

    কাসেম বিন আবুবাকার এক পাতা গল্প119 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    জানি তুমি আসবে – ৮

    ৮

    লাঠিখেলার প্রতিযোগিতার কথা মাতব্বর সাহেব কয়েকজন লোক দিয়ে কাছের ও দূরের গ্রামগুলোতে ঢেড়া পিটিয়ে দিলেন।

    সালাউদ্দিন চেয়ারম্যান জেনে ভাবলেন, ভালই হল এ বছর তাকে টাকা খরচ করে প্রতিযোগীতার ব্যবস্থা করতে হল না। একদিন মোবারক লেঠেলকে ডেকে পাঠিয়ে বললেন, এ বছর চরদৌলতখান গ্রামের মাতব্বর লাঠিখেলার প্রতিযোগীতা করার ব্যবস্থা করেছেন, সেকথা শুনেছ নিশ্চয়?

    মোবারক বলল, জি সাহেব শুনেছি এবং সে ব্যাপারে তৈরি হয়ে আছি। চেয়ারম্যান বললেন, আমরা প্রতিযোগীতা দেখতে যাব যদি শফি প্রতিযোগীতায় নামে, তা হলে খেলারছলে কাজ হাসিল করে ফেলবে। আর যদি না নামে, তা হলে লোক দিয়ে শফিকে চিনিয়ে দেয়ার ব্যবস্থা করব।

    মোবারক বলল, প্রতিযোগীতায় নামলে এমন ধোলাই দেব, পাটাই করে তাকে ঘরে নিয়ে যেতে হবে।

    আজ প্রতিযোগীতার দিন। প্রতিযোগীতা শুরু হবে বেলা তিনটে থেকে। মাতব্বর সাহেবের বাগান বাড়ির সামনের জমিতে প্রতিযোগীতার ব্যবস্থা করা হয়েছে। শামিয়ানা খাঁটিয়ে লোকজনের বসার জায়গা করা হয়েছে। পর্দা খাঁটিয়ে মেয়েদেরও আলাদা বসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। সকাল থেকে বিভিন্ন গ্রামের লোকজন ও প্রতিযোগীরা আসতে শুরু করল। চেয়ারম্যান ও অন্যান্য গন্যমান্য লোকেরা আসার পর ঠিক তিনটেয় প্রতিযোগীতা শুরু হল। পাঁচজন লেঠেল কেউ পাঁচ মিনিটের বেশি মোবারকের কাছে টিকতে পারল না। সবাইকে হারিয়ে দিয়ে মোবারক বুক চিতিয়ে লাঠি ঠুকে বলল, আর কোনো বাপের পুত থাকলে আমার সামনে এসে দাঁড়াক।

    তিন মিনিট অপেক্ষা করার পর যখন বিচারকরা তাকে বিজয়ী বলে ঘোষণা দিতে যাবেন ঠিক তখন শফি লড়াই-এর ময়দানে ঢুকল।

    ঘোষক শফির পরিচয় জানাল।

    শফির আপনজনেরা ও পাড়া পড়শীরা হায় হায় করে উঠল। তারা বলাবলি করতে লাগল, একী সর্বনাশের কথা, লেঠেল সর্দার মোবারকের সঙ্গে এই ছেলে কী লড়বে? ও তো মার খেতে খেতে শেষ হয়ে যাবে। আর যারা শফিকে চেনে না, তারাও বলাবলি করতে লাগল, ছেলেটার সাহস তো কম না? যেখানে বড় বড় নাম করা লেঠেলরা মোবারকের কাছে গোহারা হেরে গেলো, সেখানে এই পুচকে ছোঁড়ার অবস্থা কী হবে আল্লাহ জানে।

    রবিউল গত কয়েক বছর ধরে মোবারকের লাঠিখেলার প্রতিযোগীতা দেখে আসছে। তবুও শফিকে তার সঙ্গে লড়াই করার জন্য ময়দানে ঢুকতে দেখে একটুও ভয় পেল না বা ঘাবড়ালও না। কারণ তাকে যতটুকু জেনেছে তাতে সিওর শফি জিতবে। কিন্তু সে দুঃখ পেল এই ভেবে শফি তাকে এ ব্যাপারে কিছুই জানাইনি বলে।

    মোবারক যখন পাঁচজন লেঠেলের সঙ্গে লড়ছিল তখন শফি পুংখানুপুংখভাবে তার খেলার কায়দা-কানুন দেখেছে। তাই তার সঙ্গে কীভাবে লড়বে ভেবে রেখেছে।

    মোবারক শফিকে দেখে ও তার পরিচয় জেনে ভাবল, এই পিচ্ছি। ছোঁড়াটাকে ঘায়েল করতে মাত্র কয়েক মিনিট লাগবে। চেয়ারম্যান সাহেব একেই তুখোড় ছেলে বলেছেন। তিন চার মিনিটের মধ্যে ওর হাতপা ভেঙ্গে না দিয়েছি তো আমি আমার বাপের জন্মই না।

    হাজার হাজার লোক এই অসম লড়াই দেখার জন্য উৎসুক হয়ে আতঙ্কিত দৃষ্টিতে তাদের দিকে চেয়ে রইল।

    রেফারী হুইসেল বাজাতে খেলা শুরু হল। প্রথম চান্সেই শফিকে ঘায়েল করার জন্য মোবারক তার উপর আক্রমনাত্মক খেলা চালাল।

    শফি আক্রমণ ঠেকাতে লাগল; কিন্তু প্রতি আক্রমণ করল না। সে চাচ্ছে মোবারক হাঁপিয়ে যাক, তারপর আক্রমণ করবে। তাই প্রায় দশ পনের মিনিট খেলা চলার পর শফি আক্রমণ শুরু করল। তবে ততো জোরাল নয়। কারণ মোবারক বুঝুক সে তত শক্তিশালী নয় এবং আক্রমণ করার কলাকৌশলও জানে না। ফলে এর মধ্যে মোবারকের বেশ কয়েকটা আঘাত তাকে হজম করতে হয়েছে। আরও পাঁচ মিনিট পর যখন শফি বুঝতে পারল মোবারক হাঁপিয়ে পড়েছে তখন শক্তভাবে আক্রমণ না করে লাঠিটা শুধু বনবন করে ঘুরাতে ঘুরাতে মোবারকের দিকে এগোল।

    দর্শকরা অবাক হয়ে দেখল, শফির লাঠি দেখা যাচ্ছে না। শুধু বনবন আওয়াজ হচ্ছে। আর মোবারকও তাই দেখে অবাক হয়ে নিজের লাঠি দিয়ে আক্রমণ বাধা দিতে গেল। শফির লাঠির আঘাতে তার লাঠিটা হাত ছাড়া হয়ে উড়ে গিয়ে দর্শকদের মাথার উপর পড়ল।

    মোবারকের মনে হল শফি মানুষ না। কোনো মানুষের গায়ে এত শক্তি থাকতে পারে না। হাতছাড়া হয়ে লাঠিটা দূরের দর্শকদের উপর পড়তে দেখে এত অবাক হল যে, শফির দিকে চেয়ে পাথরের মতো জমে গেল।

    এই সুযোগে শফি তার বামহাতের কুনুই-এর নিচে প্রচন্ড জোরে আঘাত করল।

    মোবারকের মনে হল হাতটা বুঝি জয়েন্ট থেকে খুলে পড়ে গেল। শফি তার পায়ে আঘাত করতে যাচ্ছে দেখে দু’হাত তুলে সারেন্ডার করতে চাইল; কিন্তু বাম হাত তুলতে না পেরে শুধু ডান হাত তুলল।

    শফি লাঠিটা সামলে নিয়ে বলল, আমি কিন্তু আপনার চার হাত পা–ই। ভেঙ্গে লুলা করে দিতে চেয়েছিলাম; স্যারেন্ডার করলেন বলে তা আর করব না। কারণ ন্যায় অন্যায় চিন্তা না করে লেঠেলগিরী করে যেমন অনেক টাকা রোজগার করেছেন, তেমনি সেই সাথে অনেক গুণাহও অর্জন করেছেন। এবার তওবা করে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চেয়ে সম্ভাবে জীবন যাপন করার সুযোগ দিলাম। আমি তো আপনার কোনো ক্ষতি করিনি, তবু কেন কয়েকটা টাকার জন্য কারও কথায় আমার হাত পা ভেঙ্গে আমাকে লুলা। করে দিতে চেয়েছিলেন? মওত, কবর ও হাশরের কথা মনে করে এখন থেকে আল্লাহ ও তাঁর রসুল (দ.) এর হুকুম মেনে চলার চেষ্টা করুন। যদি টাকা পয়সার দরকার হয় আসবেন, যথাসাধ্য দেয়ার চেষ্টা করব ইনশাআল্লাহ। দোয়া করি “আল্লাহ আপনাকে হেদায়েত দিয়ে সভাবে জীবনযাপন করার তওফিক দিক।”

    শফি থেমে যেতে মোবারক চোখের পানি ফেলতে ফেলতে বলল, তোমাকে মানুষ বলে মনে হয় না। তোমার কথা শুনে আল্লাহ আমার জ্ঞানের চোখ খুলে দিয়েছে। ওয়াদা করছি, জীবনে আর কখনও লেঠেলগিরী করে টাকা রোজগার করব না।

    মোবারকের সঙ্গে লাঠি খেলার প্রতিযোগীতায় শফির ক্ষীপ্রতা ও লড়াইয়ের কলাকৌশল সর্বোপরী তার লাঠি ঘোরানো দেখে গণ্যমান্য ব্যক্তিসহ জনসাধারণ অবাক। তাদেরও মনে হয়েছে, শফি মানুষ নয় অন্য কিছু। শেষে মোবারকের পরিণতি এবং শফি ও মোবারকের কথা শুনে হাততালি দিয়ে শফিকে বাহবা দিতে লাগল। বিচারকরা শফিকে বিজয়ী ঘোষণা করলেন।

    শফি এগিয়ে এসে মাতব্বর সুরুজমিয়াকে কদমবুসি করে জড়িয়ে ধরে বলল, দাদু, আল্লাহর মেহেরবানীতে ও আপনার নেক দোয়ার বরকতে আমি সফল হয়েছি।

    মাতব্বর নিজেকে মুক্ত করে নিয়ে দোয়া করলেন, “আল্লাহ তোমাকে দোজাহানে সফলতা দান করুক।” তারপর দশহাজার টাকার বান্ডিলটা তার হাতে তুলে দিলেন।

    শফি সেটা নিয়ে মোবারকের হাতে দিয়ে বলল, লেঠেলগিরী ছাড়াবার জন্য আপনার একটা হাত ভেঙ্গে দিয়েছি। আমার অন্যায় হয়েছে, আমাকে মাফ করে দিন। আর এই টাকা দিয়ে হাতের চিকিৎসা করাবেন।

    প্রথম থেকে শফি চেয়ারম্যান ও মহসিনকে দেখলেও এতক্ষণ না দেখার ভান করে ছিল। এবার কাছে গিয়ে সালাম বিনিময় করে চেয়ারম্যান ও অন্যান্য গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উদ্দেশ্য করে বলল, আপনাদের দোয়ায় আল্লাহ আমাকে সফলতা দিয়েছেন। সেজন্যে তাঁর পাক দরবারে শুকরিয়া জানাচ্ছি। এবার আপনাদের কাছে একটা অনুরোধ করছি, লেঠেল বা অন্য কোন কাজে গরিব লোকদেরকে নিজের স্বার্থ হাসিল করার জন্য কোনো অন্যায় কাজে ব্যবহার করবেন না। বরং কারও সঙ্গে কারও বিরোধ ঘটলে, উভয়পক্ষ এক সঙ্গে বৈঠক করে মিমাংসা করে নেবেন। এটাই হল ইসলামের হুকুম।

    শফির কথা শুনে সবাই হাত তালি দিতে লাগল।

    মাতব্বর সাহেব সবাইকে চুপ করতে বলে চলে যেতে বললেন।

    .

    সালাউদ্দিন চেয়ারম্যান ফেরার পথে ছেলেকে বললেন, আমি যে মোবারককে টাকা দিয়ে শফির হাত পা ভেঙ্গে লুলা করে দিতে বলেছি, তা বোধ হয় শফি জানতে পেরেছে।

    মহসিন বলল, তা কী করে সম্ভব?

    চেয়ারম্যান বললেন, তা তো আমিও জানি; কিন্তু ওর কথা শুনে তাই তো মনে হচ্ছে। তোরও তো বোঝা উচিত ছিল। যাই বলিস, জীবনে অনেক লেঠেলের লাঠি খেলা দেখলাম; কিন্তু শফির মতো কাউকে দেখিনি।

    মহসিনও শফির লাঠিখেলার কলাকৌশল দেখে মুগ্ধ হলেও তার প্রতি রেগে রয়েছে। তাই বলল, ওসব কথা বাদ দিয়ে চিন্তা কর শফিকে কীভাবে দুনিয়া থেকে সরিয়ে দেয়া যায়।

    চেয়ারম্যান বুঝতে পেরেছেন, শফির বিরুদ্ধে লাগা ঠিক হবে না। তাকে দুনিয়া থেকে সরিয়ে দেয়াও সহজ হবে না। তাই বললেন, তুই অত মাথা গরম করছিস কেন? এখন আমাদেরকে ধৈর্য্য ধরে চিন্তা ভাবনা করে কাজ করতে হবে। জানিস না, ধৈর্যই সফলতার চাবি? এসব নিয়ে তুই কিছু ভাববি না, যা করার আমি করব। তুই কাল ঢাকায় চলে যাবি, মাথা ঠান্ডা রেখে গোছগাছ করে নিবি।

    শফির অন্যান্য আত্মীয়দের সঙ্গে চাচা জাকির হোসেনও এসেছেন। সকলে চলে যাওয়ার পর জাকির হোসেন রয়েছে দেখে মাতব্বর তাকেও চলে যেতে বললেন, তারপর শফিকে নিয়ে বৈঠকখানায় বসলেন।

    পর্দা করা জায়গায় শফির মা সাজেদা খাতুনও পাড়ার অন্যান্য মেয়েদের সঙ্গে লাঠিখেলা দেখতে এসেছিলেন। সবার মতো তিনিও জানতেন না, শফি মোবারক লেঠেলের সঙ্গে লড়বে। সবার শেষে যখন ঘোষক তার নাম ঘোষণা করলেন তখন শুনে ভয়ে চমকে উঠলেন। তারপর থেকে চোখের পানি ফেলতে ফেলতে দোয়া করতে থাকেন, “আল্লাহ যেন শফিকে সফলতা দেন।” শফি জিতে যাওয়ার পরও চোখের পানি বন্ধ হয়নি। সেই অবস্থায় আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করেছেন। স্বামী চলে যাওয়ার পর ঘোমটা দিয়ে বৈঠকখানার একপাশে দাঁড়িয়ে শফি বলে ডেকে বললেন, আমার কাছে আয়।

    শফি দ্রুত মায়ের কাছে এসে কদসবুসি করে বলল, তোমার দোয়ার বরকতে আল্লাহ আমাকে জয়ী করেছেন।

    ছেলের কীর্তিকলাপ দেখে সাজেদা খুব অবাক হলেও বুক গর্বে ফুলে উঠেছে। কদমবুসি করতে তাকে জড়িয়ে ধরে মাথায় চুমো খেয়ে বললেন, তুইও তো অনেক লাঠির বাড়ি খেয়েছিস। ঘরে চল, সেসব জায়গায় মলম লাগিয়ে দেব।

    ওনার কথা মাতব্বর শুনতে পেয়েছেন। তাই শফি কিছু বলার আগে বললেন, শফির মা তুমি ঘরে যাও। ওর জন্য কোনো চিন্তা করো না। আমি একজনকে ডাক্তার নিয়ে আসতে পাঠিয়েছি। তা ছাড়া ওর সঙ্গে আমার কিছু কথা আছে। তারপর তখনও যারা সেখানে ছিল তাদেরকে চলে যেতে বলে শফিকে বলল, তুমি আমার কাছে এসে বস।

    কিছুক্ষণের মধ্যে ডাক্তার এসে শফির আঘাত পাওয়ার জায়গাগুলো পরীক্ষা করে বললেন, তেমন গুরুতর কিছু নয়। তারপর প্রেসক্রীপসান করে দিয়ে বললেন, মলমটা ফুলে উঠা জায়গাগুলোতে লাগাবেন আর ওষুধগুলো ঠিকমতো খাবেন। তারপর বিদায় নিয়ে চলে গেলেন।

    ডাক্তার চলে যাওয়ার পর মাতব্বর শফিকে বললেন, ঘরে গিয়ে ফ্রেস হয়ে আসরের নামায পড়ে এস, একটা ব্যাপারে আলাপ করব। আমি ওষুধ কিনতে লোক পাঠিয়েছি। তখন ওগুলো নিয়ে যাবে।

    ঘরে আসার পথে হঠাৎ রবিউলের কথা শফির মনে পড়ল। প্রতিযোগীতায় নামার আগে শফি তার চোখের আড়ালে ছিল। প্রতিযোগীতা শেষ হবার পর যখন সবাই তাকে হাততালি দিয়ে বাহবা দিচ্ছিল তখন রবিউলকে দেখতে না পেয়ে ভাবল, ওকে এ ব্যাপারে কিছু জানাইনি বলে নিশ্চয় আমার উপর খুব রেগে আছে। কথাটা ভেবে ঘরে না গিয়ে ওর কাছে যেতে লাগল। রবিউলের ঘরের কাছে এসে তাদের কাজের ছেলেটাকে দেখে জিজ্ঞেস করল, রবিউল ঘরে আছে?

    কাজের ছেলেটা শফিকে চেনে। বলল, জ্বি আছে। লাঠিখেলা দেখে কিছুক্ষণ আগে ফিরেছে। আপনি সদরে বসুন ডেকে দিচ্ছি।

    শফি বলল, বসার সময় নেই, তুমি ওকে তাড়াতাড়ি ডেকে দাও।

    একটু পরে রবিউল এলে শফি সালাম দিয়ে বলল, ইচ্ছাকৃত ভুলের জন্য ক্ষমা চাইতে এলাম।

    রবিউল সালামের উত্তর দিয়ে চুপ করে রইল।

    কী রে, ক্ষমা চাইলাম, তবু ক্ষমা করবি না? জানিস না বুঝি ক্ষমাকারীকে আল্লাহ খুব পছন্দ করেন?

    তা জানব না কেন? কিন্তু তুই তো নিজেই বললি ইচ্ছাকৃত ভুল করেছিস। কেউ না জেনে ভুল করলে তাকে ক্ষমা করা যায়; কিন্তু…….

    তাকে কথাটা শেষ করতে না দিয়ে শফি বলল, মোবারক লেঠেলের সঙ্গে লড়াই করব একথা তোকে কেন বলিনি জানিস? বললে তুই লড়তে দিতিস না।

    তোর ধারণা ভুল। আমি এতটুকু বাধা দিতাম না। কারণ আমি হ্যাঁন্ড্রেড পার্সেন্ট সিওর, যে কাজে তুই নামবি, তাতেই তুই সাকসেসফুল হবি। তবু তর্কের খাতিরে না হয় তোর কথা মেনেই নিলাম; কিন্তু মাতব্বরের সঙ্গে প্রতিযোগীতার প্ল্যান প্রোগ্রাম করেছিস, সেকথা জানালি না কেন? সেটাতেও বাধা দিতাম?

    দিতিস না বলে শফি তাকে জড়িয়ে ধরে বলল, এ ভুল আমি অজান্তে করেছি। দু’টো ভুল একসঙ্গে ক্ষমা করে দে। যদি না করিস, তা হলে তোর মনে যতটা কষ্ট হয়েছে তার চেয়ে বেশি আমার মনে কষ্ট হবে।

    রবিউল নিজেকে মুক্ত করে নিয়ে বলল, আল্লাহ আমাদেরকে ক্ষমা করুক। তারপর বলল, ঘরে চল, নাস্তা খেয়ে যাবি।

    শফি বলল, গোসল না করে এ অবস্থায় খেতে পারব না। তা ছাড়া প্রতিযোগীতার পর মায়ের সঙ্গে দেখা হলেও দাদির সঙ্গে হয়নি। জানিসতো উনি খুব পর্দা মেনে চলেন। উনি আমার জন্য অপেক্ষা করছেন। এখন যাই, কাল সকালে আসব। তারপর বিদায় নিয়ে চলে গেল।

    জমিলা খাতুন খুব পর্দানশীন মহিলা। তাই তিনি প্রতিযোগীতা দেখতে যাননি। কিছুক্ষণ আগে ছোট ছোট ছেলেমেয়েদের মুখে শফি লেঠেলসর্দার মোবারকের সঙ্গে প্রতিযোগীতায় নেমে তার একটা হাত ভেঙ্গে দিয়েছে শুনে খুব খুশি হয়ে আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করেছেন। এখন শফিকে ঘরে ঢুকতে দেখে তবু জিজ্ঞেস করলেন, তুই নাকি মোবারক লেঠেলের সঙ্গে লড়াই-এ নেমে তার একটা হাত ভেঙ্গে দিয়েছিস?

    শফি বলল, হ্যাঁ দাদি। ওনার হাত ভাঙ্গার ইচ্ছা ছিল না, তবু ভেঙ্গেছি ভবিষ্যতে উনি যেন আর কখনও লেঠেলী করতে না পারেন। তারপর বলল, এ ব্যাপারে পরে আলাপ করব। এখন আপনি নাস্তা রেডি করুন। আমি গোসল করে আসি বলে লুংগী গামছা নিয়ে পুকুরের দিকে চলে গেল। শফি ফিরে আসার পর তার কাজ-কর্ম ও আচার-ব্যবহারে গ্রামের ছোট বড় সবাই শ্ৰেণীমতো তাকে ভক্তিশ্রদ্ধা করে। আজ লাঠিখেলা প্রতিযোগীতার, ঘটনায় তার প্রতি সবাইয়ের ভক্তি শ্রদ্ধা আরও অনেক বেড়ে গেছে। শফি মসজিদে নামায পড়তে যাবার পথে সবার মুখে তার গুণাগুণ শুনে মনে মনে আল্লাহকে জানাল, কখন কোনো ব্যাপারেই যেন তার মনে অহংকার না আসে। অহংকার থেকে তাকে হেফাজত করো।

    .

    মাতব্বর সাহেব বৈঠকখানায় বসেছিলেন। শফিকে দেখে বললেন, এস ভাই বস, তোমার জন্য অপেক্ষা করছি।

    শফি সালাম বিনিময় করে বসে বলল, কী যেন আলাপ করার জন্য ডেকেছিলেন?

    মাতব্বর বললেন, তোমার চাচা জাকির হোসেনকে তুমি কী করবে না করবে জিজ্ঞেস করেছিলাম। বলল, তুমি না কী ঢাকায় চাকরি করবে। কথাটা কি সত্য?

    শফি বলল সত্য মিথ্যা দু’টোই।

    ব্যাপারটা বুঝলাম না।

    বললেই বুঝবেন। শুনুন, কথাটা বলেছি সত্য; কিন্তু ওনার মন বোঝার জন্য মিথ্যে করে বলেছি।

    মাতব্বর হেসে উঠে বললেন, তুমি খুব জিনিয়াস জেনেছি; কিন্তু এতটা জিনিয়াস বুঝতে পারিনি। তারপরই বললেন, কেন ডেকেছি শোন-তোমার নানাবাড়ি তো নলছটি, আমার নানার বাড়িও নলছটি। তুমি বোধ হয় জান না ওখানে একটা কামিল মাদ্রাসা আছে। যাই হোক, আমার নানার কোনো ছেলে সন্তান ছিল না, শুধু দু’টো মেয়ে ছিল। বড় মেয়ে মারা যায়। আমার মা ছোট। নানার অনেক বিষয় সম্পত্তি ছিল। তিনি মারা যাওয়ার পর মা সব সম্পত্তির মালিক হয়। মায়ের কথা মতো বাবা কারিগরী শিক্ষাসহ একটা কামিল মাদ্রাসা করে সব সম্পত্তি ওয়াকফ করে দেন। তখন বাবা ছিলেন মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির প্রেসিডেন্ট। বাবা মারা যাওয়ার পর আমার অনিচ্ছা সত্ত্বেও কমিটি আমাকে প্রেসিডেন্ট করেছে। আগে ওয়াকফ করা সম্পত্তির আয়ে মাদ্রাসার যাবতীয় খরচ চলত। এখন সরকারের অণুদান। পায়। মাদ্রাসায় যিনি প্রিন্সিপাল ছিলেন তিনি কিছুদিন আগে মারা গেছেন। বর্তমানে ভাইস প্রিন্সিপাল প্রিন্সিপালের কাজ করছেন। আমি চাই তোমাকে প্রিন্সিপাল করতে।

    শফি বলল, শুধু আপনি চাইলে তো হবে না কমিটির অন্যান্য সদস্যদেরও তো চাইতে হবে।

    মাতব্বর বললেন, তা তো বটেই। তবে আমার বিশ্বাস আমি যাকে পছন্দ করব, তাকে কমিটি না রেখে পারবে না। কয়েকদিন আগে-ঐ পদের জন্য দু’তিনটি কাগজে বিজ্ঞপ্তী দেয়া হয়েছে। আমি চাই তুমিও একটা দরখাস্ত নিজে গিয়ে ভাইস প্রিন্সিপালের কাছে দিয়ে এস। আমি একটা চিঠি লিখে দেব, সেটাও ওনাকে দিবে।

    শফি বলল, ঠিক আছে দাদু, চিন্তা করে আপনাকে জানাব।

    মাতব্বর বললেন, চিন্তা করতে চাও কর, তবে আমি বলব, কোথাও অন্য কিছু করার চেয়ে এখানে থেকে এটা করা অনেক ভালো। কারণ গ্রামের গরিব ও অশিক্ষিত লোকজন তোমার কাছ থেকে অনেক উপকার পাবে। তুমি যে শুধু সব বিষয়ে উচ্চশিক্ষিত তাই নও, ধার্মিক ও আদর্শবান ছেলে। গ্রামের লোকজন ধর্ম সম্পর্কে একরকম কিছুই জানে না। যারা জানে তারা সার্থের জন্য ধর্মের ব্যাপারে বাড়াবাড়ি করছে। আর একশ্রেণীর লোক মডার্ন শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে প্রগতির নাম দিয়ে ধর্মকে এড়িয়ে চলছে। তা ছাড়া ধর্মের নামে অনেক কুসংস্কার ও রীতিনীতি প্রচলিত রয়েছে। তুমি সেসব সমাজ থেকে দূর করতে পারবে। এতকিছু জানার পরও আর কিছু চিন্তা করার আছে?

    শফি বলল, আপনি ঠিক কথা বলেছেন। আমি দু’একদিনের মধ্যে এ ব্যাপারে আপনার কাছে আসব। এবার আসি বলে সালাম বিনিময় করে চলে গেল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকি পেলাম – কাসেম বিন আবুবাকার
    Next Article ক্রন্দসী প্রিয়া – কাসেম বিন আবুবাকার

    Related Articles

    কাসেম বিন আবুবাকার

    ক্রন্দসী প্রিয়া – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    কি পেলাম – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    কালোমেয়ে – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    একদিন অপরাহ্নে – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    কে ডাকে তোমায় – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    ক্ষমা – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }