Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    জেমস হেডলি চেজ রচনা সমগ্র ১ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)

    জেমস হেডলি চেজ এক পাতা গল্প2631 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৪. আবছায়া ভাব অফিসের মধ্যে

    ০৪.

    আবছায়া ভাব অফিসের মধ্যে। জানালার পর্দানামানো। আমি পায়চারী করি, পরনের জ্যাকেট আলগা, টাই ঢিলে। চেয়ারে বসা পাওলার চেহারা বরফের মত ঠাণ্ডা।

    লীডবেটারকে মৃতাবস্থায় কিভাবে দেখেছি তার বিবরণ শুনে পাওলার যেন ভাল লাগছিল না।

    আমি বলি, লীডবেটারের বাড়ির সামনে গরান কঠের বড় ঝোঁপ। ঝোঁপের আড়াল থেকেই খুনী গুলি করেছে। আমরা তাড়াতাড়ি পালিয়ে এসেছি, কেউ আমাদের দেখেনি।

    পাওলা সিগারেট ধরিয়ে বলে, ব্যাপারটা ভাল ঠেকছে না। যদি আমরা কার্ফের ব্যাপারটা ব্রাক্তনকে জানতাম-লীডবেটার খুন হত না।

    কি হোত জানি না। নিজের মৃত্যু লীডবেটার নিজেই ডেকে এনেছে। ও খুনীর সঙ্গে দর কষাকষিতে চলে গিয়েছিল। অর্থ লোভই ওর মৃত্যুর কারণ।

    হয়ত তাই। খবরটা শুনে ব্রান্ডন উত্তেজিত হবেন। ডিক, আমাদের অবস্থা ভাল নয়। এখন আমরা কোনদিকে অগ্রসর হব?

    বেনিকে স্যানফ্রানসিসকোতে পাঠিয়েছি। অনিতার খবর আনতে। খুনের জায়গায় যে অনিতা কার্ফ উপস্থিত ছিল সে বিষয়ে আমি নিঃসন্দেহ। এবার বার্কলের সঙ্গে কথা বলা আমার কাজ।

    বার্কলের কাছে গিয়ে লাভ নেই…ওর আলমারি থেকে ডানার পোশাক আনার অর্থ ওকে সন্দেহমুক্ত করা। সে সবকিছু অস্বীকার করবে।

    জানি। কিন্তু ভেবেছিলাম ডানার পোশাকনতুন কোন তথ্য জোগাবে। ক্লেগের ক্লিনিকে ডানার পোশাক পাঠিয়েছি। রিপোর্ট পাওয়ার পর পোশাক বার্কলের আলমারিতে রেখে আসবো।

    কাজে খুব ঝুঁকি। ডানার প্যান্ট জুতো আর মোজার হদিশ পেলে না?

    হয়তো কোথাও লুকানো আছে। মিলস্ এসে যাওয়ায় বেশি খুঁজতে পারিনি।

    তুমি কি মিলসের ডেরায় হানা দেবে নাকি?

    হয়ত দেব, কিন্তু এখনই নয়। মিলসের সঙ্গে খুনের হয়তো কোন সম্পর্ক নেই। নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত…।

    সময়ের প্রশ্নটা আগে ভাবতে হবে। পুলিশ কিছু করার আগেই আমাদের খুনীকে ধরা উচিত।

    দেখা যাক, ক্লেগের রিপোর্ট কি বলে? একবার ওকে ফোন কর।

    ক্লেগকে টেলিফোনকরতে পাওলা এগিয়ে যায়। আমি অনেক কিছুতেই বিভ্রান্ত। ডানাকে কেন উলঙ্গ করা হয়েছিল? ওকে অনিতা কেন নেকলেশ দিয়েছিল?

    পাওলা বলে, ডিক, ক্লেগের সঙ্গে কথা বল।

    ডানার পোশাকে রক্ত অথবা বালির কোন চিহ্ন নেই। ক্লেগকে ধন্যবাদ জানিয়ে ফোন রাখি।

    কিছু পাওয়া যায় নি, মানে মৃত্যুর সময় ডানার পরনে অন্য পোশাক ছিল।

    খুন করার আগে হয়ত ডানাকে উলঙ্গ করা হয়েছে।

    সেক্ষেত্রে ডানার পোশাকে বালির চিহ্ন পাওয়া যেত।

    হয়ত গাড়ির মধ্যেই ডানাকে উলঙ্গ করা হয়েছে।

    কিছু ভাবতে পারছি না।বরং বার্কলের সঙ্গে আগে দেখা করি। কারমানকে সঙ্গে নেব। বার্কলে হয়ত ঝামেলা করতে পারে।

    দরজার দিকে এগিয়ে যাওয়ার সময় টেলিফোন বেজে ওঠে।

    পাওলা ধরে বলে, ব্রান্ডন তোমার সঙ্গে দেখা করতে আসছেন।

    যেতে যেতে বলি, ব্রান্ডনকে তুমি সামলাও। বলবে আমি কোথায় গেছি, তুমি জান না। কাল সকালে দেখা হবে।

    ***

    গাড়ি গাছের নিচে রাখি। রেজিস্ট্রেশন কার্ডটা পকেটে ঢোকাই। তারপর নিচে নেমে বলি, এখান থেকে আমাদের হাঁটতে হবে।

    কারমান অনিচ্ছাসত্ত্বে নেমে বলে, উঃ, কী গরম! ডিক, বার্কলে কি আমাদের মদ অফার করবে?

    ডানার কোট আর স্কার্ট একটা প্যাকেটে বগলের নিচে রেখে হাঁটতে হাঁটতে বলি, মদের বদলে বার্কলের তরবারির আঘাত পাবে। বার্কলে মধ্যযুগের অস্ত্রাদি সংগ্রহে অত্যন্ত উৎসাহী।

    তাই নাকি? কখনও তরবারির আঘাত কি জিনিষ, জানি না।

    নিঃশব্দে বার্কলের শোবার ঘরে ঢুকে আলমারির মধ্যে ডানার পোশাক রেখে দিতে হবে। বার্কলে যদি বাগানে থাকে-ওকে আলোচনায় আটকে রাখবে। ভাগ্য ভালো হলো বার্কলে বাড়িতে নেই।

    বার্কলে যদি তোমাকে হাতে নাতে ধরতে পারে তাহলে সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ ডাকবে। অনধিকার প্রবেশের অভিযোগে ব্রান্ডননের মুখোমুখি হতে কেমন লাগবে?

    টেলিফোন থেকে বার্কলেকে দূরে রাখতে হবে। তাই তোমাকে সঙ্গে আনা। বার্কলের সঙ্গে শক্ত হাতে মোকাবিলা করতে হবে।

    বাগানে কেউ নেই। বাড়ির দিকে তাকিয়ে বলি, বুঝতে পারছি না, বার্কলে ভেগে পড়েছে কিনা।

    কারমান বলে, আমি আগে যাব।

    নিশ্চয়ই। দরজায় নক্‌ কর। যদি বার্কলে থাকে–ওকে ব্যস্ত রাখ। আমি সেই ফাঁকে শোবার ঘরে যাব।

    কারমান দরজার কছে গিয়ে বেল পুশ করে। কোন সাড়া নেই। আবার বেল বাজায়, তখন একটি কণ্ঠস্বর শোনা যায়, ব্যপারটা কী?

    সবেগে ঘুরে দাঁড়িয়ে দেখি আমার পেছনেদীর্ঘকায় সুদর্শন চেহারার এক ব্যক্তি। এই ভদ্রলোক যে জর্জ বার্কলে সেটা বুঝতে বাকি রইল না।

    মিঃ বার্কলে নিশ্চয়ই আমার সামনে দাঁড়িয়ে আছেন?

    হ্যা….কী ব্যাপার?

    নিজের প্রতিষ্ঠানের কার্ড এগিয়ে দিলাম। বার্কলে কার্ডটি পড়ে ফেরৎ দিয়ে বলে, ধন্যবাদ। এই মুহূর্তে আপনাদের প্রতিষ্ঠানের সাহায্য আমার দরকার নেই।

    কারমান এসে দাঁড়ালে বার্কলে ওকে তীক্ষ্ণ চোখে লক্ষ্য করে।

    আমরা আপনার কাছে অন্য ব্যাপারে এসেছি। একজন মকেলের হয়ে আমরা কাজ করছি যার স্ত্রী হলেন আপনার বান্ধবী। এ ব্যাপারে আপনি হয়ত আমাদের সাহায্য করতে পারেন।

    খুব দুঃখিত, এখন আমি ব্যস্ত। তাছাড়া অপরিচিত লোকদের আমি পছন্দ করি না।

    শুনুন মিঃ বার্কলে–পুলিশদের তো হাড়ে হাড়েই চেনেন। ব্যক্তি মানুষদের প্রতি ওদের কোন শ্রদ্ধা নেই। আমাদের আছে।

    বার্কলে ভ্রু কুঁচকে, কী জানতে চান তাড়াতাড়ি বলুন। দুঃখিত, আমাদের আলোচনায় একটু সময়ের দরকার। চলুন বাড়ির ভেতরে বসে কথা বলি।

    উঃ, যীশুর দোহাই। আপনারা আসুন আমার সঙ্গে…।

    বার্কলে বসার ঘরে ঢুকে গ্লাসে কিছুটা হুইস্কি ঢেলে সোফায় বসে বলে, এবার যা বলার তাড়াতাড়ি বলুন।

    বার্কলের কোলের ওপর ডানার পোশাক রেখেলি, আপনার পোশাকের আলমারিতে এগুলি কিভাবে এলো?

    ডানার পোশাক সন্দেহের চোখে দেখে, মুখে বিস্ময়ের অভিব্যক্তি। আমার দিকে স্থিরভাবে তাকিয়ে বলে, আবার বলুন তো ব্যাপারটা?

    এই পোশাক আপনার আলমারিতে কিভাবে এলো জানতে চাই।

    ডানার পোশাক মেঝের ওপর ফেলে বার্কলে ইস্কির গ্লাসে একটা লম্বা চুমুক দিয়ে বলে, আপনি কী মাতাল? না পাগল?

    কয়েক ঘণ্টা আগে এখানে এসেছিলাম, বাড়িতে কেউ ছিল না তখন। সুতরাং আমি বাড়ির ভেতর ঢুকে চারিদিক দেখি। আপনার শোবার ঘরের আলমারিতে ডানার পোশাক দেখেছি।

    – তাই নাকি? আবার ফিরিয়ে এনেছেন। খুব চালাক লোক আপনি।

    রক্তের চিহ্ন পরীক্ষা করার জন্যে পোশাক নিয়েছিলাম।

    রক্তের চিহ্ন…ব্যাপারটা কী?

    এই পোশাক ডানা লিউইসের। বালিয়াড়িতে গত রাত্রে যে মেয়েটি খুন হয়েছে।

    কী পাগলের মত আবোল-তাবোল বকছেন?

    জানতে চাই যে মেয়েটি কাল রাত্রে খুন হয়েছে এবং যাকে উলঙ্গ অবস্থায় বালিয়াড়ির কাছে পুলিশ আবিষ্কার করে তার পোশাক আপনার আলমারিতে এলো কিভাবে?

    জানি না, জানতে চাই না। এবার এই পোশাক নিয়ে বিদেয় হোন।

    আমি ঠাণ্ডা গলায় বলি, ডানা লিউইসের হত্যার ব্যাপারে আপনি মুক্ত নন। আমার হাতে সুনির্দিষ্ট প্রমাণ আছে। ডানা লিউইস আমার প্রতিষ্ঠানের একজন কর্মী। মিসেস কার্ফকে অনুসরণ করার সময় সে খুন হয়।

    ক্রুদ্ধ কণ্ঠে বার্কলে বলে, কী ব্যাপার…আমাকে ব্ল্যাকমেল করতে চান বুঝি?

    উঁহু, সেসব নয়। খুন হওয়া মেয়েটি আমার বান্ধবী।ওর হত্যার তদন্ত আমি করছি। ওর পোশাক কিভাবে এলো জানতে চাই।

    বার্কলে উঠে বলে, যাই বলুন আমি ব্ল্যাকমেলের গন্ধ পাচ্ছি।বরং আমি পুলিশকে ডাকি, ওদের কাছে আপনি প্রমাণ দাখিল করবেন।

    বার্কলে টেলিফোনের দিকে হাত বাড়ায়। কারমান প্রস্তুত ছিল। সে তার ছিঁড়ে টেলিফোনটা ঘরের কোণে নিক্ষেপ করে।

    বার্কলে এগিয়ে কারমানের মাথায় আঘাত করে।কারমান টেবিলের ওপর ছিটকে পড়ে। আমার দিকে তেড়ে আসার আগেই আমি সজোরে বার্কলের চোয়ালে ঘুষি মারি। বার্কলের দু চোখ উল্টে যায়। ফ্যাকাশে হয়ে মেঝের ওপর পড়ে যায়।

    কারমান উঠে দাঁড়িয়ে বলে, চমৎকার, এবার আমরা একটু হুইস্কি পান করতে পারি…কি বল ডিক?

    নিয়ে এসো।

    কারমান লিকার ক্যাবিনেটের দিকে গিয়ে দুটো গ্লাসে হুইস্কি ঢেলে একটা আমাকে দেয়। এক চুমুকে অর্ধেক খালি করি। বার্কলের জন্য চিন্তা হয়। বেচারী হয়ত কিছুই জানে না।

    আমি বলি, কারমান সাবধানে এগোতে হবে। নইলে পুলিশের খপ্পরে পড়বে।

    কারমান বলে, অন্যায় আমরা কিছুই করিনি। বার্কলেই প্রথমে মারামারি শুরু করে। ওর মুখ থেকে কথা বের করতেই হবে।

    কারমান জলের ঝাপটা দেয়। বার্কলে আস্তে আস্তে চোখ কচলে পিটপিট করে আমাদের দিকে তাকায়।

    কারমান বলে, অনেক হয়েছে। মিঃ বার্কলে, এবার উঠে বসুন। আপনার সঙ্গে অনেক কথা আছে। আমার হাতের জিনিসটা দেখুন আর বাহাদুরি দেখাবেন না।

    বার্কলে উঠে দাঁড়ায়। তারপর সোফায় বসল।

    সিগারেট ধরিয়ে বলি, গোড়া থেকে শুরু করলে কেমন হয়? এবার বলুন, এই পোশাক আলমারিতে কি ভাবে এলো?

    বার্কলে একটু চুপ থেকে খেঁকিয়ে ওঠে, উঃ কতবার বলবো, আমি বুঝতে পারছি না আপনারা কি বলছেন।

    ওর কথা আমি বিশ্বাস করতে পারছি না।

    ঠিক আছে, সব খুলে বলছি। কিছুদিন আগে মিঃ কার্ফ আমাদের নিযুক্ত করেন ওঁর স্ত্রীর উপর নজর রাখার জন্যে। কারণ জানার প্রয়োজন নেই। মিসেস কার্ফের নজর রাখার জন্যে ডানা .. লিউইসকে কাজে লাগাই। সে জানায় যে, মিসেসকা আর আপনি ঘনিষ্ঠভাবে চলাফেরা করছেন –এ খবর মিঃ কার্ফকে জানানো হয়নি। গতরাত্রে টেলিফোনে সংবাদ শুনে ডানা লিউইস তার ফ্ল্যাট ছেড়ে বেরিয়ে যায়। পরে বালিয়াড়ির কাছে তার ডেড বডি আবিষ্কার করে পুলিশ।

    আমরা মিসেস কার্ফকে খুঁজে বেড়াচ্ছি। মনে হল সে হয়তো এখানে লুকিয়েছে তাই এসেছিলাম। তাকে পাইনি কিন্তু ডানার পোশাক পেয়েছি। যদি আপনি সন্তোষজনক ব্যাখ্যানা দিতে পারেন–মনে করবো, আপনি ডানাকে খুন করেছেন। কারণ সে আপনাকে আর মিসেস কার্ফকে ঘনিষ্ঠভাবে মেলামেশা করতে দেখেছে। আমার কথা এবার বুঝতে পেরেছেন?

    আমি ডানা লিউইস নামে কোন মেয়েকে চিনি না। তাছাড়া, কাল রাত্রে আমি শহরের বাইরে ছিলাম। এই কিছুক্ষণ ফিরেছি।

    কোথায় ছিলেন আপনি?

    লস এঞ্জেলসে গিয়েছিলাম। গতকাল বিকেল পাঁচটার গাড়িতে গিয়েছিলাম। বিশ্বাস না হয়। আমার গাড়িতে একটা ব্যাগ আছে দেখুন।

    কোথায় রাত কাটিয়েছেন?

    একটা মেয়ের কাছে ছিলাম।

    কারমান একটা পেন্সিল এগিয়ে বলে, মিঃ বার্কলে, মেয়েটার নাম ঠিকানা লিখে দিল।

    তার প্রয়োজন আছে কি?

    মেয়েটার নাম ঠিকানা দিলে আপনারই ভাল হবে।

    যাচ্ছেতাই ব্যাপার। আমার বান্ধবী কিটি হিচেনস। অ্যাপার্টমেন্ট ৪৮৩৪ এসটোরিয়া কোর্ট। দারোয়ান আমাকে দেখেছে। পানশালার ওয়েটার, লিফট চালক আমার কথা বলবে। ওখানে প্রায়ই যাই। আজ বেলা তিনটে পর্যন্ত ওখানে ছিলাম।

    সবই বুঝলাম। কিন্তু কিভাবে আপনার আলমারীতে ডানার পোশাক পাওয়া গেল।

    আমার আলমারিতে ঐ পোশাক ছিল বিশ্বাসকরিনা। আমাকে ব্ল্যাকমেল করার জন্যে আপনারা ষড়যন্ত্র করছেন।

    উপরে গিয়ে আমরা ডানার অন্তর্বাস আর জুতো খুঁজবো আপনার আপত্তি আছে?

    কিভাবে জানবো যে, প্রথমবার এসে আপনি ওইগুলো কোথাও লুকিয়ে রেখে যান নি।

    আমাদের বিশ্বাস করতে হবে। ওপরে চলুন।

    তিনজনে ওপরে গিয়ে খুঁজতেই কারমান ডানার জুতোত বাথরুমে পায়।

    বার্কলে বলে, হু…খুব কায়দা। এবার বক্তব্য কী?

    অনেক খুঁজেও ডানার অন্তর্বাস পাওয়া গেল না।

    আমরা বসবার ঘরে এসে ডানার পোশাকের সঙ্গে জুতো রেখে দিলাম। বার্কলে গ্লাসে মদ ঢেলে আমাদের দেয়। মনে হয় ডানার মৃত্যুর সঙ্গে বার্কলের কোন সংশ্রব নেই।

    অর্ধেক মদ পান করে বার্কলে বলে, এবার আর কি বলবেন?

    মনে হচ্ছে কেউ এখানে ডানার পোশাক আর জুতো রেখে গেছে।

    বার্কলে বলে, কোন সন্দেহ নেই, কিন্তু কে এমন করলো?

    আমার ধারণা খুনীর কাজ। পুলিশ এসব জিনিস এখানে পেলে এতক্ষণে আপনি গারখানায়।

    হয়ত তাই।

    মিসেস কার্ফ আমাদের সাহায্য করতে পারেন। কোথায় পাব বলতে পারেন?

    বার্কলে বলে, তিনদিন আগে আমার ওর সঙ্গে দেখা হয়েছে, একসঙ্গে ডিনার খেয়েছি।

    ওর সঙ্গে আপনার কিভাবে পরিচয় হয়?

    সমুদ্রের ধারে আলাপ হয়। স্বামীর কাছে কোন মজা পায়নি মিসেস কার্ফ।

    কতদিন থেকে মিসেস কার্ফকে জানেন?

    প্রায় দশদিন। মেয়েরা স্বেচ্ছায় ধরা দিলে, আমি কি করতে পারি?মিসেসকার্ফ নিজেই আমার কাছে এসেছে।

    মিসেস কার্ফকে নিয়ে কোনরকমে অশান্তি হয়েছিল কি? যেমন কোন দোকানে গণ্ডগোলের সৃষ্টি? কখনও কিছু আপনার হারিয়েছে কী?

    আপনি কি বলতে চাইছেন…মিসেস কার্ফের কী হাতটান অর্থাৎ চুরির বাতিক..’।

    আমি সম্মতি জানাই।

    তাই মিঃ কার্ফ তার স্ত্রী ওপর নজর…আমি মনে করেছি ডিভোর্সের জন্যে উনি প্রমাণ খুঁজছেন। মিসেস কার্ফও ডিভোর্স চেয়েছে।

    আপনি কিন্তু প্রশ্নের জবাব দেননি।

    মিসেস কার্ফের ওই ধরণের আচরণ দেখিনি আর আমার কোন কিছু খোয়া যায়নি।

    মিসেস কার্ফ কী আপনাকে জানিয়েছে যে, তার ওপর নজর রাখা হচ্ছে?

    নিশ্চয়ই। একটা মেয়ে নাকি ওর ওপর নজর রাখছে। তাই আমি ওর সঙ্গে মেলামেশা বন্ধ করি।

    কিন্তু আমাদের বিশ্বাস কেউ মিসেস কার্ফকে অর্থ আদায়ের জন্যে ভয় দেখাচ্ছে। ও কিছু বলেনি আপনাকে?

    অবাক হয়ে বার্কলে বলে, উঁহু, এটা আমার কাছে সম্পূর্ণ নতুন ঘটনা। অবশ্য শেষবার মিসেস কার্ফ আমার কাছে ধার চেয়েছিল।

    কত?

    মিসেস কার্ফকে হতাশ করেছি। বিবাহিতা মহিলাদের আমি ধার দিই না।

    কখনও কী মিসেস কার্ফ কোন ব্যানিস্টারের কথা উল্লেখ করেছে?

    না। এ ব্যাপারে ব্যানিস্টার কি জড়িত?

    ব্যানিস্টারকে আপনি চেনেন?

    ওর সঙ্গে লা এটোলি রেস্তোরাঁয় দেখা হয়েছে।

    এখানে মিসেস কার্ফ কি রাত্রে থেকেছে?

    বার্কলে সতর্ক হয়ে বলে, আমি বলবো না।

    কারমান রুক্ষ গলায় বলে, শাট আপ। প্রশ্নের সঠিক জবাব দেবেন।

    আমি বলি, কাইজার মিলস্ নামে কাউকে চেনেন?

    গাড়ি চালায় যে ছেলেটা…দু একবার দেখেছি। ওর প্রসঙ্গ আবার কেন?

    আমার ধারণা, মিঃ কার্ফের বাড়ি পাহারা দেয় মিলস্।

    হয়ত হবে। মিলস্ কয়েকবার মিসেস কার্ফকে গাড়ি চালিয়ে এখানে নিয়ে এসেছে। আর কিছু জানি না।

    ড্রয়ারে মিসেস কার্ফের একটা ছবি পেয়েছি। মিসেসকার্য নিশ্চয়ই আপনাকে ছবিটা দিয়েছে?

    খুব সুন্দর ছবি, তাই না? হ্যাঁ, মিসেস কার্ফ দিয়েছে।

    জানেন কি কখন ছবিটা তুলেছিল?

    কয়েক বছর আগে। আপনি কী ছবিটা নিয়েছেন?

    হ্যাঁ, ফেরৎ পাবেন না।

    হতাশ হলাম। একটা ট্রাঙ্ক বোঝাই ওরকম অনেক ছবি আছে। পোশাক ছাড়া যদি মহিলাদের আপনি…।

    আপনাদের এখন উঠতে হবে।

    বার্কলে বলে, এই জুতো নিয়ে কোন পরীক্ষা করবেন না?

    না। নিজেকে ভাগ্যবান মনে করুন।

    ডানার পোশাক আর জুতো নিয়ে আমরা বাইরে এলাম। হাঁটতে হাঁটতে গাড়ির কাছে আসি।

    কারমান বলে, বার্কলেকে সুন্দর একটা ঘুষির জন্যে আমি আনন্দিত।

    কারমান, সন্দেহভাজন লোকদের তালিকা থেকে বার্কলের নাম বাদ। মিলসের দিকে দৃষ্টি ফেরাতে হবে। তাহলে সে আজ দুপুরে বার্কলের বাড়িতে গিয়েছিল কেন?

    আমি গাড়িতে উঠে ইঞ্জিন চালু করে বলি, বার্কলে বক্তব্য আমাদের যাচাই করতে হবে। কারমান, তুমি বার্কলের বান্ধবীর খোঁজ নাও। ..

    আজ রাত্রেই কিটি হিচেনস্-এর সঙ্গে দেখা করবো, যদি একটু ফষ্টিনষ্টি করতে পারি?

    উঃ, মেয়েটা পুলিশ ডাকবে মেয়েদের ধান্দা মন থেকে সরিয়ে নাও।

    ***

    আমি গেটের কাছে গিয়ে থমকে দাঁড়াই। কেবিনের জানলা গলিয়ে আলোর রেশ বাইরে পড়েছে। কোনরকমে ঝুঁকি না নিয়ে পা টিপে টিপেবারান্দায় এসে ঘরের মধ্যে উঁকি মারি। হালকা সুগন্ধ টের পাই।

    মিস বোলাস সোফায় শুয়ে, হাতে একটা ম্যাগাজিন। ঠোঁটের মাঝখানে সিগারেট। বাঁ হাতে হুইস্কির গ্লাস। ওর পরনে সন্ধ্যাকালীন পোশাক। নগ্ন বাহু আলোয় ঝলসায়।

    দরজার কাছে যেতেই মিস্ বোলাস টের পেয়ে নিরুৎসাহের দৃষ্টিতে তাকায়। ম্যাগাজিন হাত থেকে পড়ে যায়।

    মিস বোলাস বলে, অনেকক্ষণ আপনার জন্যে অপেক্ষা করছি।

    ঘরে ঢুকে বলি, জানলে তাড়াতাড়ি ফিরতাম। ব্যাপারটা কী?

    মিস বোলাস বলে, তাড়াতাড়ি তৈরী হয়ে নিন। আমাদের বেরোতে হবে।

    আমাদের? কোথায়?

    বলুন তো কোথায়? প্যাকার্ড গাড়িটা খুঁজে পেয়েছি।

    লা এটোলিতে?

    হ্যাঁ, গ্যারাজে পেয়েছি।

    একটা গ্লাসে হুইস্কি ঢেলে নিয়ে বসে বলি, কোন গণ্ডগোল হয়নি তো?

    কোন ঝামেলা হয়নি। একজন মেকানিকের সঙ্গে আমি কথা বলেছি। পুরুষেরা আমার সঙ্গে কথা বলতে পারলে ধন্য হয়ে যায়।

    চমৎকার করেছেন। আমাকে বুঝি এখুনি লা এটোলিতে নিয়ে যাবেন?

    হ্যাঁ, ওখানে অনেক কিছু দেখেছি। তাড়াতাড়ি পোশাক পাল্টে নিন। বার্কলের সঙ্গে দেখা করেছেন?

    কিছু লাভ হয়নি। অনিতা কার্ফকে খুঁজে না পেলে…।

    হয়ত আজ রাত্রে তার দেখা পেতে পারেন।

    শোবার ঘরে গিয়ে পোশাক পাল্টিয়ে টাই বাঁধছি তখন মিস বোলাস বলে, আপনার কাছে রিভলবার আছে?

    কাছে থাকার দরকার আছে কি?

    থাকলে ভাল হত। ওখানে কিছু মস্তান আছে।

    গণ্ডগোলের মধ্যে যেতে চাই না। লা এটোলি কী ঝামেলার জায়গা? আমি তো জানি খুব দামী নাইট ক্লাব।

    ঠিকই জানেন। কিন্তু ওখানে মোটা অর্থের জুয়া খেলা চলে। প্রত্যেক সভ্য এবং তাদের অতিথিদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা থাকা দরকার। আপনি তো জানেন, যে ব্যানিস্টার কি ধরনের লোক। ওর নিজস্ব কয়েকজন মস্তান আছে, আমি শুধু সতর্ক করে দিলাম। ওখানে আপনি যা খুশি তাই করতে পারবেন না।

    ঠিক আছে। এবার যাওয়া যাক। উঃ, আপনাকে আজ যা দারুণ দেখাচ্ছে…আস্ত গিলে ফেলতে ইচ্ছে করছে।

    মিস বোলাস আমার পাশে গাড়িতে বসল। আমি বলি, আজ দুপুরে কাইজার মিলস্ গোপনে বার্কলের বাড়িতে হানা দিয়েছে?

    কাইজার মিলস্ সম্পর্কে আমি অত উৎসাহী নই।

    আমার মনে হয় ওর সম্পর্কে আপনি এমন কিছু জানেন যা বলবেন না।

    মিলস্ সম্পর্কে আমার কিছু বলার বা উৎসাহ নেই।

    আমি ভেবেছিলাম আমাদের দুজনেরই মিলসের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নেওয়ার আছে। আর ওই । জন্যেই তো আপনি আমার সঙ্গে হাত মিলিয়েছেন তাই না?

    উঁহু, আমি ইচ্ছে করলে যে কোন সময়ে ওই খচ্চরটাকে একাই পালিশ করতে পারি।

    এবার নিজের কথা বলুন। আপনার দুচোখে সবসময় গরম ভাব থাকে কেন? আপনি কে? কোত্থেকে উদয় হলেন? ব্যাপারটা খুলে বলুন তো?

    আমি কে? আমার গ্ল্যামারই আসল–আর কিছু নয়। আমার ছেলেবেলা অনেক কষ্টে কেটেছে। সপ্তাহে বাবার আয় ছিল দশ ডলার। বার বছর বয়সে আমি স্কুল ত্যাগ করি। আমার মা একজন সেলসম্যানের সঙ্গে ভেঙ্গে পড়ে।

    আমি বলি, আমাকে একটা সিগারেট ধরিয়ে দিনতো।

    মিস বোলাস হেসে বলে, শুনুন, পনেরো বছর বয়সে আমার বাবা মারা যায়। তখন থেকে আমি নিজের ইচ্ছেমত জীবন যাপন করি।

    মিস বোলাস আবার বলে, আমাকে কখনও অর্থের লোভ দেখাবেন না। আমি তাদের ঘৃণা করি তাহলে।

    অর্থ নেন কেন?

    আমার একটা কুসংস্কার আছে। যদি কখনও এক পেনীও নিতে অস্বীকার করি–এক ডলার হারাবার ভয় থাকে।

    আপনি যদি আমার কাছে অন্য কোন মতলবে এসে থাকেন তাহলে মারাত্মক ভুল করেছেন।

    বিষাক্ত গলায় মিস বোলান্স বলে, বোকার মত কথা বলবেন না। অর্থের যখন প্রয়োজন হয় ঠিকই পেয়ে যাই। লা এটোলিতে জুয়া খেলে এক রাত্রে আমার কম উপার্জন হয় না। আমার সঙ্গে কখনও তাস খেলবেন না। ধোঁকা দিতে আমার জুড়ি নেই। আপনাকে একটা প্রস্তাব দিচ্ছি, আপনার কেবিনে আমাকে থাকতে দেবেন?

    আবার বলুন তো?

    আপনার সঙ্গে থাকবো।

    আমার বিছানা একজনের মত।

    ওর জন্যে ভাবতে হবে না। আপনি বুঝি চান না আপনার কাছে থাকি?

    অনেকটা সেরকম। আমি একা থাকাই পছন্দ করি।

    তাজ্জব ব্যাপার। আসলে সবসময় আমি অর্থ বাঁচাতে চেষ্টা করি। ঠিক আছে, ব্যাপারটা ভুলে যান।

    আমি ভাবছি আপনি কতটা শক্ত মেয়ে।

    একবার আমাকে বাজিয়ে দেখুন।

    গাড়ি থামিয়ে মিস বোলাসের কাছে যাই, এখন চমৎকার সময়। কাছে এসো।

    শান্তভাবে সে বলে, আপনার সঙ্গে থাকবো তাতে রাজী নন, অথচ গাড়ি থামাতে আপনার আপত্তি নেই।

    আর ওভাবে বল না। বলে ওর কোমল মুখে চুমু খাই। ঠোঁটে চুমু খাই। ও আমার বাহুর মধ্যে লুটিয়ে পড়ে–এভাবে কিছুক্ষণ থাকি।

    আমাদের অন্য গাড়ির কর্কশ শব্দ সজাগ কোরে তোলে। রুমাল দিয়ে ঠোঁট মুছে গাড়ির ইঞ্জিন চালু করি।

    তোমাকে আজ আস্ত খেয়ে ফেলার ইচ্ছে ছিল…অন্য একদিন হবে…কি বল সুন্দরী।

    ***

    গাড়ি লা এটোলির দরজার কাছে থামাই। কয়েকজন গুণ্ডা হাত নেড়ে মিস বোলাসকে অভিবাদন করে আমাকে পাত্তা দেয় না।

    আলোয় ঝলমল তিনতলা বাড়ি। উর্দি পরা দারোয়ান এসে গাড়ির দরজা খুলে দেয়।

    একটা স্বল্পবাস পরিহিতা মেয়ে এসে আমার টুপী ধরে এবং আমাকে একটা রসিদ দিয়ে বাঁকা চোখে তাকায়।

    মিস বোলাস টয়লেটে যেতে চায়। আমি কী ওর জন্যে অপেক্ষা করবো?

    দমচাপা পরিবেশের মধ্যে আমি দাঁড়িয়ে থাকি কিন্তু ভিড় ঠেলে পাতলা চেহারার একটা লোক এগিয়ে এলো। বুঝলাম ব্যানিস্টারের একজন পোষ মস্তান।

    লোকটা কর্কশ গলায় বলে, কাকে খুঁজছেন?

    কাউকে নয়।

    তীক্ষ্ণ চোখে বলে, কারুর অপেক্ষায় আছেন?

    মেয়েদের টয়লেটের দিকে দেখিয়ে বলি, এখুনি এসে পড়বে।

    সামান্য নরম গলায় বলে, এখানে কেবল সভ্যদের এবং তাদের অতিথিদের প্রবেশাধিকার আছে। আপনাকে ঠিক চিনতে পারছি না।

    লোকটা আবার আমাকে জরীপ করে। যার সঙ্গে এসেছেন–মহিলার নাম বলুন তো।

    মিস বোলাস।

    তাই নাকি। তবে তো আপনি খুব চমৎকার সঙ্গিনী পেয়েছেন।

    একজন সভ্য গেটের কাছে দাঁড়িয়ে কাকে যেন খুঁজতে থাকে। মিস বোলাস ফিরে এলে বলি, ওই বেজি মুখো লোকটা কে?

    ওর নাম গেইটস। ব্যানিস্টারের একজন পোষা মস্তান। ওকে নিয়ে চিন্তা করতে হবে না।

    লোকটা তোমার নাম শুনে এমন মুখের ভাব করল যেন মাছি গিলছে।

    আমাকে নিয়ে মিস বোলাস পানশালায় যায়। আমরা কয়েক পাত্র মদ গিলি। জানাই, মিস বোলাস যেন জুয়া খেলতে চলে যায়।

    তুমি কী করবে?

    চারিদিকে একটু নজর দেব। জায়গাটার একটু ধারণা দাও। মিসেস কার্ফ কোথায় আছে জানো?

    সম্ভবতঃ ওপর তলায়।

    ওখানেই আমি খোঁজ করবো।

    খুব সাবধান। আগেই বলেছি ঝামেলায় যেও না।

    মিসেস কার্ফকে যে খুঁজে বের করতেই হবে। আমাকে দেখলে বলবো পথ ভুলে এসে গেছি।

    মিস বোলাস বলে, এগিয়ে যাও।কতদূর পারবে জানিনা। কিন্তু দুষ্টুবুদ্ধি যেন মাথায় না চাপে। ব্যানিস্টার ও তার পোষা গুণ্ডাদের কথা যেন মনে থাকে।

    তোমার শুভেচ্ছা আর উৎসাহ আমার বেশী পছন্দ। পানীয় শেষ করে খেলতে যাও। বিপদে পড়লে নিজেই ব্যবস্থা করবো। ভুলেও পুলিশের কাছে যাবো না।ব্রান্ডন আমাকে নাস্তানাবুদ করার অপেক্ষায় আছে।

    ঠিক আছে, চলো একসঙ্গে দোতলায় যাই।

    পানশালা থেকে বেরিয়ে আমরা করিডর ধরে সিঁড়ির দিকে যাই। সিঁড়ির গোড়ায় একজন দাঁড়িয়ে মুখে বিরক্তির চিহ্ন। পকেটে হাত ঢোকানো, গালে ক্ষত চিহ্ন। হাত বাড়িয়ে আমাকে আটকে বলে, এই যে ভদ্রলোক কোথায় যাচ্ছেন?

    মিস বোলাস বলে, উনি আমার সঙ্গে যাচ্ছেন। এত কাজের লোক কবে থেকে হলে। ভেনা, ব্যানিস্টার তোমাকে বেশি মাইনে দেবে।

    লোকটা আমার হাত ছেড়ে দেয়। আমরা অনেকটা এগিয়ে যাই। আমি বলি, ওটা বুঝি আর একটা পোষা গুণ্ডা।

    ওর নাম শ্যানন। একসময়ে বক্সার ছিল। আমার যদি কখনও শ্যানন অথবা গেইটসের সঙ্গে বিরোধ বাঁধে-আমি শ্যাননের সঙ্গে মোকাবিলা করতে রাজি। কিন্তু গেইট সবসময় কাছে রিভলবার রাখে।

    আচ্ছা, এখান থেকেই বিদায় নেওয়া ভাল। চলি…বেশিক্ষণ কিন্তু ওপরে থাকবো না।

    কিছুটা গিয়ে একবার পেছনে তাকাই। লম্বা একজন ভদ্রলোকের সঙ্গে একটি স্বর্ণকেশীকে দেখতে পাই। ভদ্রলোকের পা টলছে। আমি ওপরে যাই এক লাফে।

    এদিক ওদিক তাকিয়ে দেখি সামনে একটা টানা বারান্দা, অনেকগুলি দরজা। কিভাবে অগ্রসর হওয়া যায় ভাবতে থাকি। তখন দশ হাত দূরে একটা দরজা খুলে যায়। স্বর্ণকেশী এক মহিলা বারান্দায় এসে দাঁড়ায়। সাদা সিল্কের ব্লাউজ আর লাল স্ন্যাক্স তার পরনে–

    অনিতা কার্ফকে চিনতে আমার ভুল হয় না।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleব্ল্যাক অর্ডার (সিগমা ফোর্স – ৩) – জেমস রোলিন্স
    Next Article জেমস হেডলি চেজ রচনা সমগ্র ২ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)

    Related Articles

    জেমস হেডলি চেজ

    জেমস হেডলি চেজ রচনা সমগ্র ২ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)

    August 18, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }