Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    জেমস হেডলি চেজ রচনা সমগ্র ১ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)

    জেমস হেডলি চেজ এক পাতা গল্প2631 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৭. অকির্ড শহরে

    ০৭.

    অকির্ড শহরে প্রায় সন্ধ্যায় ফিরে এলাম। অফিসে পাওলা ছিল। আমাকে দেখে ওর চোখে মুখে স্বস্তি লক্ষ্য করি।

    পাওলা প্রশ্ন করে, কী খবর? তোমার মাথার অবস্থা কেমন?

    এখন মাথা স্কচ হুইস্কি চায়। লক্ষী মেয়ের মত হুইস্কি দাও। আর খবর? হ্যাঁ, সূত্রগুলো জড়ো হচ্ছে। জট খুলতে আরও সময় লাগবে। অন্তত জানতে পেরেছি বেনিকে কে খুন করেছে। লী থেলার নামে একটা হারামজাদা। হয় সে এখনও এখানে আছে অথবা স্যানফ্রান্সিসকোতে ফিরে গেছে। কারমানকে ওখানে রেখে এসেছি নজর রাখতে।

    আমাকে হুইস্কি দিয়ে পাওলা প্রশ্ন করে, থেলার কে? ওর কী ভূমিকা?

    থেলার হচ্ছে অনিতার স্বামী। থেলারকে এখনও খুঁজে পাইনি। ওকে নিয়ে হয়ত কিছু ঝামেলা হতে পারে। ও বন্দুকবাজ।

    পাওলার দু’চোখ বিস্ফারিত হয়।

    উত্তেজিত হবে না। তোমার নোটবুক কোথায়?

    কিন্তু ডিক…।

    নোট রেডি! এখন ফালতু সময় নষ্ট করতে চাই না।

    নোট বুক আর পেন্সিল নিয়ে পাওলা প্রস্তুত হয়।

    পটভূমি স্যানফ্রান্সিসকো। সময় দু’বছর আগে জুন মাসের গোড়ার দিক। একজন নর্তকী, নাইট ক্লাবে উলঙ্গ হয়ে নেচে যে অর্থ রোজগার করে, তার নাম অনিতা ব্রোদা। হলিউড থেকে শহরে উদয় হয়। শহরে সে কাজ খুঁজে বেড়ায়। অবশেষে নিক নেডিকের কাছে তৃতীয় শ্রেণীর ট্রিক শো চালায়। ওখানে অনিতা ব্রোদা এক সপ্তাহের জন্য কাজ পায়। কাজের মাধ্যমে সে নিজের যোগ্যতা প্রমাণ করে। তাকে কাজে লাগিয়ে নেডিক অনেক অর্থ রোজগার করে।

    আর একজনের ট্রিক শো বেশ জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। থেলার এবং গেইল বোলাসের সম্মিলিত খেলা।

    পাওলা তীক্ষ্ণ কণ্ঠে বলে, ঐ মেয়েটাই না…?

    হা। থেলার এবং অনিতা উভয়ের প্রেমে পড়ে যায়। থেলার স্থির করে ট্রিক শোর কাজ ছেড়ে ফটো তোলার দোকানের অংশীদার হবে। ফটোর দোকানের মালিকের নাম লুই-যার আলাদা অর্থ আসত ব্ল্যাকমেইলের মাধ্যমে। সম্ভবতঃ এই অবৈধ কার্যকলাপে খেলার নিজেকে যুক্ত করে।

    একটু থেমে আবার বলি, থেলার গত বছর আট-ইনভেম্বর অনিতাকে বিয়ে করে। ট্রিক শো থেকে সরে যায় গেইল বোলাস। একমাস পরে থেলারকে ছেড়ে অনিতা চলে যায়। হয়তো তাদের মধ্যে আর বনিবনা হচ্ছিল না। যাইহোক, কাপড়ের দোকানে কাজ করার সময় মিঃ কার্ফের সঙ্গে অনিতার পরিচয় হয়।

    নিশ্চয়ই জান, গাড়ি দুর্ঘটনায় কয়েক বছর আগে স্ত্রীকে হারান মিঃ কার্ফ। ওর মেয়েটি পঙ্গু। মিঃ কার্ফের জীবনটা কোন দিক দিয়েই মধুর ছিল না। অনিতা জাল ফেলে মিঃ কার্ফকে ধরে। উনি বিয়ের প্রস্তাব দেন।

    অনিতা থেলারকে মিঃ কার্কের কথা জানায়। একজন লক্ষপতিকে বিয়ে করে অনিতা অনেক অর্থ আদায় করতে পারবে। ফলে উভয়ের মধ্যে চুক্তি হয়। থেলার মুখ বন্ধ রাখবে যদি অনিতা ওকে অর্থ জোগায়। মিঃ কার্ফকে বিয়ে করে অনিতা সান্টা বোসা স্টেটে চলে এলো।

    অনেকের কাছে জেনেছি যে, অনিতার চুরির বাতিক ছিলনা। কেউ ওর আলমারিতে গোপনে নানা রকম জিনিস রেখে দিয়েছে। উদ্দেশ্য মিঃ কার্ফকে অপদস্ত করা। অনিতাকে হেয় করতে পারে মিসনাটালি কার্ফ। কারণ, অনিতা বেঁচে থাকলে সান্টা রোসা স্টেটের সম্পত্তির অর্ধেক থেকে সে বঞ্চিত হবে।

    বার্কলের সঙ্গে অনিতার মেলামেশা সম্পূর্ণ অন্য ব্যাপার। মিঃ কার্ফের সঙ্গে যৌন জীবনে অতৃপ্তির ফলে অনিতা বার্কলের দিকে ঝুঁকে পড়ে।

    পাওলা বলে, ডিক, বেনি কিভাবে খুন হয়েছিল?

    হ্যাঁ, এবার বেনির কথা টুকেনাও। অনিতার সঙ্গে লুইয়ের কোন সম্পর্ক আছে–বেনির এমন ধারণা ছিল না। লুইয়ের দোকানে ঢোকাই ওর পক্ষে বিপদ হয়েছিল। দোকানে ছিল থেলার। বেনি যখন অনিতা সম্পর্কে খোঁজ নিচ্ছিল রিভলবার হাতে থেলার এগিয়ে এসেছিল। তার আগেই অনিতা সব কিছু জানিয়েছে। থেলার অর্কিড় শহরে এসে অনিতার দেখা না পেয়ে উত্তেজিত হয়। ফলে তার মাথার ঠিক ছিল না, সে বেনিকে খতম করে দেয়। তারপর রাত দশটার প্লেনে সেঅর্কিড শহরে যায়। জানি না, সেই অনিতাকে খুন করেছে কিনা। তবে অনিতার হত্যার সময়–সেই জায়গায় থেলার ছিল। খুঁজে বের করতে হবে থেলার খুন করেছে কিনা। আমি জানি, পেছন থেকে আমার মাথায় থেলার আঘাত করেছিল। হয়ত থেলারই অনিতার মৃতদেহ সরিয়ে ফেলেছিল।

    মদ্যপান শেষ করে বলি, যদি জানতে পারি ডানাকে কেন খুন করা হয়েছে এবং কেন ডানার ঘরে অনিতার হীরের নেকলেস রেখেছিল তাহলে আমাদের কাজ অনেকটা এগিয়ে যাবে। লা এটোলিতে আমাকে দেখামাত্র অনিতা কেন এত ভয় পেয়েছিল? সে কেন ওখানে আত্মগোপন করেছিল? ওকে কে খুন করে মৃতদেহ সরাল?

    পাওলা প্রশ্ন করল, গেইল বোলাসের ভূমিকা কী?

    জানি না। তবে ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা চলে মিস বোলাসের সঙ্গে থেলারের যোগাযোগ আছে। আঘাতের পরে ওকে দেখে আমি হতভম্ব হয়েছিলাম। এর রহস্য আমাকে খুঁজে বের করতে হবে।

    একটু থেমে বলি, কাইজার মিলসের ব্যাপারটাও তলিয়ে দেখতে হবে। ফেয়ারভিউতে ওর বাড়িতে আমি হানা দেব।

    পাওলা বলে, লীডবেটারের খুনের পর ব্রান্ডন খুব ক্ষেপে গেছেন। তোমার সঙ্গে কথা বলতে চান। সাবধান ডিক, একটু ফাঁক পেলেই ব্রান্ডন তোমাকে কিন্তু চেপে ধরবে।

    আগে আমি থেলারের ব্যাপারে অগ্রসর হব। সেই সঙ্গে কাইজার মিলসের বিষয়টাও, থেলারকে খুঁজতে বেশ সময় লাগবে।

    তারপর টেলিফোনের দিকে হাত বাড়িয়ে বলি, ডানার পুরনো বন্ধু ফিনেগান।ও সাহায্য করতে চেয়েছিল। থেলারকে খুঁজতে ফিনেগানের দরকার হতে পারে।

    ফিনেগানকে লাইনে পেয়ে বলি, প্যাট, তোমার জন্যে কাজ আছে। লী থেলার নামে একজনকে খুঁজছি। লোকটা ট্রিক-শুটার, ব্ল্যাকমেইলার এবং সম্ভবত একজন খুনী।ওকে খুঁজে যদি বের করতে পার কয়েক শো ডলার পুরস্কার পাবে।

    ফিনেগান বলে, ঠিক আছে, মিঃ ম্যালয়। চারিদিকে লোক লাগিয়ে দিচ্ছি। ওর একটা বর্ণনা দিন।

    লোকটার একটা ফটো পাঠিয়ে দিচ্ছি। কাজটা খুব জরুরী। ডানার খুনের সঙ্গে লোকটার সম্পর্ক আছে।

    কঠিন গলায় ফিনেগান বলে, ফটো পাঠিয়ে দিন। ঠিক খুঁজে বের করবোই।

    ধন্যবাদ জানিয়ে টেলিফোন ছাড়ি।

    থেলারের ব্যবস্থা হল। এবার মিলকে নিয়ে ব্যাপার। পাওলা, এই নোটগুলি টাইপ করে আলমারিতে রেখে দাও। আর হীরের নেকলেসটা মিঃ কাকে দিয়ে তার কাছ থেকে একটা রসিদ নেবে। যদি আমাদের এখানে ওই মহা মূল্যবান জিনিষটি ব্রান্ডন দেখতে পান তাহলে আমাদের আস্ত চিবিয়ে খাবেন। মিঃ কার্ফের হেফাজতে থাকলে আমরা নিশ্চিন্ত।

    পাওলা জানায় যে আমার নির্দেশ মত সে সব কাজ করবে।

    দরজার দিকে যেতে যেতে বলি, যদি আমি কোন বিপদে পড়ি, নোটগুলি মিফিনের হাতে তুলে দেবে।

    ***

    আমি কাইজার মিলসের বাংলো থেকে প্রায় দুশ গজ দূরে গাড়ি থামিয়ে নেমে পড়ি। সুন্দর চাঁদের আলো। হাওয়ায় ফুলের গন্ধ। দশটা বেজে কুড়ি মিনিট। আমি আস্তে আস্তে এগিয়ে যাই। মনে মনে ভাবছি-এর চেয়ে কী লী থেলারের ব্যাপারে সময় দিলে ভাল হোত।

    চারিদিকে তাকিয়ে গেট খুলে ভেতরে ঢুকি। ছোট্ট সুন্দর একটা বাগান। অদূরে মিলস্-এর বাংলো।

    বারান্দার দিকে চারটে জানলা দিয়ে বাইরে আলো পড়ছে। মনে হল মিলস্ বাড়িতেই আছে।

    বারান্দার একটাজানালা দিয়ে ঘরের মধ্যে উঁকিমারি। বেশ সুন্দর ঘরটা সাজানো।মিলস্, আরাম কেদারায় বসে আছে। ঠোঁটের ফাঁকে সিগারেট, হাতে হুইস্কির গ্লাস। মিলস্ ম্যাগাজিন পড়ছে।

    ইচ্ছে হলেও ঝুঁকি নিলাম না বাড়িটার চারিদিকে একবার খুঁজে দেখার। হয়ত একটু পরেই মিলস্ শুতে যাবে। আধঘণ্টা অপেক্ষা করা ভাল।

    এক ঝোঁপের মধ্যে পাথরের বেদী, যেখান থেকে মিলকে দেখা যাচ্ছে সেখানে বসি।

    কুড়ি মিনিট পরে মিলস্ম্যাগাজিন রেখে উঠে দাঁড়ায়। মিলস্ গ্লাসে আরও হুইস্কি ভরে চেয়ারে বসে কান খাড়া করে কি যেন শোনে।

    নিস্তব্ধ রাত্রিকে চিরে একটা গাড়ির শব্দ, তারপর গেট খুলে পায়ের হালকা শব্দ–কোন মহিলার।

    আমি, দেয়াল ঘেঁষে নিঃশ্বাস বন্ধ করে দাঁড়াই। আমার কাছ দিয়ে স্ত্রীলোকটি এগিয়ে যায়। সুগন্ধ পাই। মহিলাটি ঘরে ঢুকে যায়।

    যে স্ত্রীলোকটিকে ঘরে ঢুকতে দেখলাম সে আমার বিশেষ পরিচিতা। মিস নাটালি কার্ফ।

    ***

    আমার মনে পড়ল পাওলা নাটালি কার্য সম্পর্কে কি বলেছে। দু বছর আগে মোটর দুর্ঘটনা ঘটে। নাটালি পঙ্গু হয় আর ওর মা মারা যায়। প্রচুর অর্থ ব্যয় এবং চিকিৎসা সত্ত্বেও মিস কার্ফের অবস্থার পরিবর্তন হয়নি।

    চিকিৎসক যা করতে পারেনি–মিলস্ তাই করেছে, অসাধ্য সাধন। নইলে মিম কার্ফ অমন সতেজ ভঙ্গিতে হেঁটে যেতে পারতো না।

    মিলসের ভারীকণ্ঠস্বর, আগে তোবলনি যে, তুমি আজ এখানে আসবে। আগে ফোন করনি কেন?

    আস্তে আস্তে এগিয়ে যাই। দরজার কাছে মিলস্ অসন্তুষ্টভাবে দাঁড়িয়ে।

    নাটালি কার্ফ নরম গলায় বলে, আমি এসে কী তোমাকে বিরক্ত করলাম?

    মিস্ কার্ক ভ্যানিটি ব্যাগ চেপে ধরে, চেয়ারের হাতলের ওপর বসে, ওর বেশ সতর্ক ভাব।

    মিলস্ বলে, আমি এখন শুতে যাচ্ছিলাম।

    তাই নাকি? রাত তো বেশি হয়নি এ জন্যেই কী তোমার মুখে রাগের চিহ্ন?

    মিলস্ দরজা বন্ধ করে বলে, রাগ নয়। তোমার এভাবে আসা ঠিক হয়নি। ধর, যদি কেউ থাকতো?

    ভাবিনি যে, নিজের বাড়িতে আসতে অনুমতি নিতে হবে। পরের বার ভেবে দেখবো।

    নিস্তব্ধতা ভেঙ্গে হাল্কা গলায় নাটালি বলে, আমাকে কী তুমি পানীয় দেবে না?

    এ বাড়ি তোমার। এই সমস্ত দামী মদ তোমার। নিজেই নিয়ে নাও।

    নাটালি টেবিলের কাছে গিয়ে গ্লাসে হুইস্কি ঢেলে এক খণ্ড বরফ ফেলে দেয় তাতে। ওর ঠোঁট কাপে। নাটালি কার্ফ বলে, তোমার কি হয়েছে কাইজার।

    এভাবে কতদিন চলবে?

    কতদিন কী চলবে? কী বলতে চাইছো তুমি?

    ব্যাপারটা ভালভাবেই জান। কতদিন গেটে দাঁড়িয়ে বোকার মত মানুষকে স্যালুট করতে হবে? কতদিন লুকিয়ে চোরের মত তোমার শোবার ঘরে ঢুকবো? ফ্র্যাঙ্কলিন কোন কিছু না জানার ভান করে কতদিন থাকবে?

    এ ছাড়া আমরা আর কী করতে পারি?

    আমরা বিয়ে করতে পারি। এ বাড়িতে আমরা কী একত্রে থাকতে পারি না? তোমার নিজের যথেষ্ট অর্থ আছে। মিঃ কার্ফের বলার কিছু নেই। আমরা কী বিয়ে করতে পারি না?

    উঁহু, পারি না।

    মিঃ কার্ফকে তোমার সত্য কথা জানানো উচিত। তোমার জন্যে ওর কি কোন মাথা ব্যথা আছে? দু বছর আগে হয়তো ছিল–এখন আর কিছু নেই।

    উনি আমার জন্যে এখনও ভাবেন।

    আমি বলছি…উনি তোমার কথা মোটেও ভাবেন না। তোমার সঙ্গে ওনার ব্যবহারের নমুনা লক্ষ্য করেছ? তোমার খোঁজ খবর উনি নেন? আমি জানি, তুমি কি ভাবছে।

    কী ভাবছি আমি?

    তুমি ভাবছো, দিনে দুবারের বেশি তোমাকে দেখতে আসা তোমার বাবার পক্ষে কষ্টকর। তাই না? দিনরাত তোমাকে শুয়ে বা বসে থাকতে দেখা তোমার বাবার পক্ষে অসহনীয়–তুমি বুঝি তাই মনে কর?

    আমার ওপর এভাবে রাগ করার কোন প্রয়োজন নেই।

    মিলস্ আবার বলে, আমি যা বললাম, তুমি অস্বীকার করতে পারবে?

    কর্কশ গলায় নাটালি কার্ফ বলে, হ্যাঁ, আমি জানি!আমার এমন অবস্থা বাবা সহ্য করতে পারেন না। তার জন্যে আমি খুশি।

    অনেক হয়েছে। এবার বাস্তবের দিকে তাকাও। তোমার সেই দিনই বারটা বেজেছে যেদিন তোমার বাবা ঐ সোনালী চুলের মহিলাটিকে বিয়ে করেছেন।

    নাটালি চিৎকার করে বলে, ওই ব্যাপার নিয়ে আর আলোচনা করতে চাই না। শোন, আমাকে খুকি বলনা..শুনতে বিশ্রী লাগে।

    কবে আর আলোচনা করবে? আমি আর অপেক্ষা করতে রাজী নই।

    কী বলতে চাও?

    খুবই সোজা ব্যাপার। কাল থেকে আমার চাকরী শেষ। গেটে আর দাঁড়াতে পারবো না। আর পেছনের সিঁড়ি দিয়ে তোমার শোবার ঘরে চোরের মত…আর সহ্য হচ্ছে না।

    বিশ্রী ভঙ্গিতে হেসে নাটালি কার্ফ বলে, তুমি কী সবকিছু ছেড়ে দেবে?

    যদি এই বাড়ি আর দামী মদ-খানাপিনা–এ সবের কথা বল–তবে দরকার নেই। আর শোন, বিয়ে না হলে আমি পালাবো।

    কাইজার, বাবা যতদিন বেঁচে আছেন–তোমাকে বিয়ে করা সম্ভব নয়।

    তোমার কী ধারণা, তোমার বাবার মৃত্যুর পর কেউ তোমাকে বিয়ে করতে রাজী হবে?

    আঃ চুপ কর। আমরা যেমন আছি, তেমনি কি থাকতে পারি না? তুমি প্রয়োজনীয় সবকিছু তো পাচ্ছ। তোমার স্বাধীনতা আছে, তোমার কোন কাজে আমি হস্তক্ষেপ করি না।

    নাটালির কব্জি ধরে মিলস্ বলে,’শোন খুকি, তোমার শোবার ঘরের উর্দি পরা চাকরের কাজ আমার দ্বারা আর হবে না।

    কাইজার..হঠাৎ আমি…বিশ্বাস কর..আমি দুঃখিত।

    তুমি দুঃখিত, তোমার এই অদ্ভুত আচরণের জন্যে আমি বিন্দুমাত্র ভাবছি না, বুঝলে খুকি। তোমাকে উত্তেজিত দেখে আমি খুশি। জানতাম এরকম একটা কিছু হবে।

    বাজে বকো না। তুমি এখন কুদ্ধ। আমি যাচ্ছি পরে আলোচনা হবে।

    পরের দিন আমাদের জীবনে আসবে না। কারণ কাল চলে যাচ্ছি।

    মিলস তার হাতের সিগারেটটা অগ্নিকুণ্ডে ছুঁড়ে ফেলে বলে, সিগারেটের মত ওই রকম…।

    প্লীজ কাইজার…।

    আমাদের দুজনের সম্পর্ক ওই সিগারেটের মত…।

    দীর্ঘ নীরবতার পর নাটালি কার্ফ বলে, কাইজার, ভেবে দ্যাখ। তুমি কি হারাবে। এই বাড়ি, দামী মদ আর নিরাপত্তা?

    খুকি, আর আমাকে ধাপ্পা দিয়ো না। তোমার বাড়ি আর অর্থ? আর কী কোন মেয়ে বা বাড়ি নেই? তোমার কি সেই ধারণা।

    আঃ চুপ কর কাইজার।

    তোমার মত মেয়ে আর অর্থ কালকেই জোগাড় করা আমার পক্ষে কোন কঠিন ব্যাপার নয়। শোন খুকি, আমাকে রাখতে হলে বিয়ে করতে হবে। তোমার অগাধ অর্থের জন্যে তোমাকে বিয়ে করতে চাই।

    তাই নাকি?

    হ্যাঁ, তাই..আমার জীবনে তুমিই একমাত্র প্রথম এবং শেষ নারী নও।

    নরম গলায় নাটালি কার্য বলে, আমি হয়ত তোমার জীবনে শেষ নারী হতেও পারি।

    মিথ্যে আশা কর না। আমি এখন শুতে যাব। আমি বড় ক্লান্ত। তুমি বরং বাড়ি ফিরে যাও।

    বড় বড় চোখ করে নাটলি বলে, কালকে কী আমাদের আলোচনা হবে না?

    কাল আমি এখান থেকে চলে যাব।

    কাইজার, সত্যিই তুমি চলে যাবে?

    তোমার সঙ্গে কী এতক্ষণ ইয়ার্কি করছিলাম? তোমাকে আমার প্রয়োজন নেই।

    এই কথা কী অনিতাকেও জানিয়েছিলে?

    কী বোকা তুমি! হা হা হা! হুঁ, তুমি অনিতার ব্যাপারটাও জান। কিন্তু তোমার মত অনিতার এত উৎসাহ ছিল না। শোন খুকি, তুমি কেন ফ্রাঙ্কলিনকে একবার সুযোগ দিচ্ছ না? লোকটা বুড়ো হলেও খুব উৎসাহী তোমার প্রতি।

    নাটালি কার্ফ ঘুরে দাঁড়িয়ে ব্যাগ থেকে ছোট্ট অটোমেটিক পিস্তল বের করলো।

    নাটালি পিস্তলের নল মিলসের দিকে তাক করে, তুমি কোথাও যাচ্ছ না, কাইজার।

    পিস্তল সরাও। শোন, হঠাৎ দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

    দুর্ঘটনা? হবে হতে চলেছে। উঁহু, একদম নড়বে না। কিভাবে পিস্তল চালাতে হয় আমি জানি। লক্ষপতির মেয়ের অনেক কিছু করার সুযোগ থাকে। আমি গুলি চালাতে ওস্তাদ।

    শোন, বোকামী কর না খুকি…।

    বলছি না, আমাকে খুকি বলবে না। এখন আমি যা বলবো চুপচাপ তুমি তাই শুনবে।

    জানালার সামনে আমার তিনফুট দূরে দাঁড়িয়ে নাটালি কার্ফের চুলের সুগন্ধ টের পাই। আমি নিঃশ্বাস বন্ধ করে দাঁড়িয়ে থাকি। একটু টের পেলেই ও গুলি করবে ভাবামাত্র আমি ঘামতে থাকি।

    নাটালি কার্ফ বলে, জানতাম, খুব তাড়াতাড়ি এরকম কিছু ঘটবে।

    কাইজার, তোমার মত লোকের সঙ্গে সম্পর্ক টিকিয়ে রাখা অসম্ভব। কিন্তু তুমি সুদর্শন এবং স্বাস্থ্যবান। আর মাঝে মাঝে তোমার সঙ্গে ফুর্তি করা যায়। আমায় বোকা মেয়েছেলে ভেব না। অনিতার ব্যাপারস্যাপার আমি জানি। আমি গোপনে সব লক্ষ্য করেছি। তোমার মত পাজী আর বদমাস লোক আর আমি দেখিনি।

    হ্যাঁ, তোমার সঙ্গে সম্পর্ক রাখতে আমি চেয়েছি। জানতাম তুমি ক্লান্ত হয়ে অন্য মেয়ে মানুষের খোঁজ করবে। উত্তেজিত হলেই তুমি কথা বলবে এবং তোমার আসল চেহারা প্রকাশ পাবে। একদিন তো তুমি আমার কথাও অন্য মেয়েদের কাছে বলবে। কিন্তু কাইজার, তোমার পক্ষে তা আর সম্ভব হবে না।

    তুমি কী ক্ষেপে গেলে?

    তোমাকে ছেড়ে দিলে আমি বোকার মত কাজ করবো। কাল সকালে সবাই তোমার মৃতদেহ। দেখে জানবে যে স্ত্রীলোকের দ্বারা এই কাজ হয়েছে কিন্তু কোন স্ত্রীলোক কেউ জানবে না। এই শহরে সবাই জানে, আমি হাঁটতে পারি না। একমাত্র ডাক্তার ম্যাকফিল্ডলে জানেন যে আমি হাঁটতে পারি। কিন্তু উনি বলবেন না। এ খবরে ফ্রাঙ্কলিনও খুশি হবে, সে তোমাকে পছন্দ করে না।

    ফ্যাকাশে ঠোঁট কাঁপিয়ে মিলস্ বলে, পিস্তল নামাও..বোকা মেয়ে কোথাকার।

    বিদায় কাইজার’ বলে নাটালি পিস্তল ওঠায়। তোমাকে নির্জনতার মধ্যে ঠেলে দিচ্ছি। একমাত্র মৃত্যুর মধ্যেই নির্জনতা অনুভব করতে পারবে।

    খবরদার…গুলি কর না। মিলস্ কিছুটা ঘুরে হাত বাড়ায়।

    আমি নাটালি কার্ফের কনুইতে জোরে আঘাত করি, পিস্তল দূরে ছিটকে যায়। সে মুহূর্তে ঘুরে দাঁড়িয়ে আমাকে আক্রমণ করে।

    সে আমার মুখ রক্তাক্ত করে দেয় তার তীক্ষ্ণ নখরাঘাতে। তারপর সে বাগানের পথ ধরে গেটের দিকে ছুটে যায়।

    ***

    মিলস্ বলে, এই যে ম্যাক, আমাকে রক্ষা করার জন্যে আপনি এগিয়ে এলেন।

    ঘরে ঢুকে আমি ক্ষতস্থানে রুমাল চাপি। রুমাল রক্তে ভিজে যায়। চেয়ারে বসে বলি, খুব ঘাবড়ে গেছেন, তাই না? মনে হচ্ছে এই মাত্র আপনি কবর থেকে উঠে এলেন।

    ঠিক তাই। বলে মিলস গ্লাসে হুইস্কি ঢালতে চেষ্টা করে কিন্তু ব্যর্থ হয়।

    আমি মিলসের হাত থেকে বোতল নিয়ে বললাম, আমাকে দিন।

    বেশ বড় ধরনের পেগ তৈরী করি। মিলস্ তিন চুমুকে গ্লাস শেষ করে। আটচল্লিশ ঘণ্টা বাদে এমন সুস্বাদু পানীয় আমার জোটে।

    মিলস্ আরও পানীয় দিতে বলে।

    মাই গড। আমি যা ভয় পেয়েছিলাম। যদি আপনি ঠিক সময়ে হস্তক্ষেপ না করতেন…।

    আপনার সঙ্গে কথা বলার জন্যে এ সময় না এলে কী যে ঘটত…।

    আপনার কাছে আমি কৃতজ্ঞ। মেয়েটার মাথার ঠিক নেই। ও সাংঘাতিক ধরনের। ওর কথা শুনেছেন? মৃত্যুর মধ্যে না কি নির্জনতা…ব্যাপারটা কী? কী এর অর্থ?

    মিলসকে আরও পানীয় দিলাম।

    একসঙ্গে খাবেন না। অন্তত দশ মিনিট আপনাকে শান্ত দেখতে চাই। কথা বলার আছে।

    একটা সিগারেট দিন। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এখান থেকে চলে যেতে চাই। মেয়েটা পাগল। ও হয়তো আবার পিস্তল নিয়ে আসবে। সুতরাং তাড়াতাড়ি কেটে পড়াই ভাল।

    মিলসের অবস্থা শোচনীয়। হয়তো অজ্ঞান হয়ে যেতে পারে।

    আমি বলি, ঘাবড়াবেন না। নিশ্চিন্ত থাকুন–মিস কার্ফ আর ফিরে আসছে না।

    পাঁচ মিনিট পরে মিলস প্রশ্ন করে, ম্যাক,আপনি এখানে কী করছিলেন? অনিচ্ছুক হলে বলবেন না। আপনি না থাকলে এতক্ষণে…। বলুন, আপনার কি কাজে লাগতে পারি। সেদিনের ঘটনার জন্যে আমি দুঃখিত।

    ঠিক আছে, ব্যাপারটা ভুলে যান। মেয়েটা যে হাঁটতে পারে জানতাম না।

    মিস কার্ফের মাথা খারাপ। মিঃ কার্ফকে মেয়েটা পথে বসাতে চায়।

    কী করেছেন মিস কার্য?

    আপনি শুনতে চান? শুনুন। সংক্ষেপে বলছি, মার সম্পর্কে মিস কার্ফের আবেগ ছিল। কিন্তু মিঃ কার্ফকে নিয়ে বিন্দুমাত্র ভাবতো না। অন্যদিকে মিঃ কাফ্ট মেয়ের জন্যে পাগল ছিলেন। মেয়ে মাকে নিয়ে যেভাবে মত্ত ছিল–তাতে মিঃ কার্ফের হিংসা হোত। একবার তিনজনে ভ্রমণে বেরোয়। ওরা দুপুরে খাওয়ার জন্যে এক জায়গায় গাড়ি থামায়।মিঃ কার্ফ অতিরিক্ত মদ্য পান করেন। স্ত্রী বা মেয়ে কাউকে গাড়ি চালাতে না দিয়ে নিজে জেদ করে গাড়ি চালান। সাংঘাতিক দুর্ঘটনা ঘটে। একটা চলন্ত ট্রাকের মুখোমুখি পড়ে ওর গাড়ি। ট্রাক ড্রাইভার মারা যায়। মিসকার্য ছিটকে বাইরে যায়। ওর মার সর্বাঙ্গে কাঁচ বিধে যায় অথচ মিঃ কাষ্ণ অক্ষত থাকেন। মিস কার্য জ্ঞান ফেরার পর তার মার রক্তাক্ত মৃতদেহ দেখতে পায়। ফলে মিস কার্ফের মাথায় গণ্ডগোল দেখা যায়। ওর ধারণা, ওর মার মৃত্যুর জন্যে ওর বাবা-ই দায়ী এবং বাবাকে ঘৃণা করতে শুরু করে। মিঃ কার্ফকে শাস্তি দেবার জন্যে মিস কার্ফ পঙ্গুতার ভান করে।

    আপনি কিভাবে নিজেকে এই ঝামেলায় জড়ালেন?

    ওরা গেটে একজন গার্ড চাইছিল। আমার কাছে অর্থ ছিল না তাই কাজটা নিই। তারপর মিস কার্ফ আমার দিকে ঝুঁকে পড়ে। মিস কার্ফ আমার সঙ্গে কিছুদিন ফষ্টিনষ্টি করতে চেয়েছিল।

    আপনি কি জানেন যে অনিতার আলমারিতে চোরাই মালে ভর্তি একটা স্যুটকেস পাওয়া গেছে?

    ওটা মিস কার্ফের কীর্তি। স্যুটকেস আমিই জোগাড় করেছি–আর মিস কার্ফ গোপনে সেটা অনিতার আলমারিতে রেখে দেয়।

    গেইল বোলাস সম্পর্কে আপনি কি কিছু জানেন?

    অবাক হয়ে মিলস্ বলে, আপনি কিছু জানেন না?

    আপনি ওকে চেনেন?

    মিলস্ বলে, প্রায় চার মাস আগে গেইল বোলাস এ শহরে উদয় হয়। ও যুদ্ধ দেখতে ওস্তাদ। ক্রুগারের ওখানে ওর দেখা পাই। আমার বক্সিং ওর পছন্দ হয় ফলে আমাদের মধ্যে মেলামেশা শুরু হয়। আমি ছেড়ে দিলে বোলাস আর মেশে না আমার সঙ্গে। মেয়েটা বেশ কড়া ধাতের। জুয়ার রোজগারে ওর দিন কাটতো জানতাম। এখন ও কি করছে জানি না।

    কখনও কি মেয়েটা লী থেলার সম্পর্কে তোমাকে কিছু বলেছে?

    লী থেলার? লোকটা কে?

    যাকগে। কয়েকদিন আগে আপনি বার্কলের বাড়িতে গোপনে কী করছিলেন?

    একটু চমকে মিলস্ বলে, ওখানে আপনি কী করতে গিয়েছিলেন?

    কাজ ছিল। আপনি কি খুঁজছিলেন?

    আর কি মিস কার্ফের কাজে। এমন কিছু খুঁজে পাইনি যাতে মিঃ কার্ফ অনিতাকে সন্দেহ করতে পারে।

    মিলস, ডানার মৃত্যু সম্পর্কে আপনি কিছু জানেন?

    কিছু না। মিস কার্ফের ধারণা অনিতা ডানাকে খুন করেছে। কিন্তু অনিতার পক্ষে তা সম্ভব নয়। আর নয়, যত তাড়াতাড়ি পালাতে পারি ততই মঙ্গল।

    কেটে পড়ুন তাড়াতাড়ি।

    ***

    মিলসের কথাগুলি অর্কিড শহরে ফেরার পথে বারবার মনে পড়ছিল। ডানার হত্যার সঙ্গে ওর কোন সম্পর্ক নেই।

    এখন থেলারই হলো সন্দেহ ভাজন ব্যক্তির মধ্যে এক নম্বর। ব্যানিস্টারের পক্ষে ডানাকে হত্যা করার কোন কারণ নেই অবশ্য যদি নেকলেসের লোভে…। নাটালি কার্ফের কোন কারণ নেই ডানাকে হত্যা করার। তাছাড়া, মিস কার্য কখনও ভারী বন্দুক চালাতে পারবে না।

    আমার কেবিনে ঢুকে আলো জ্বেলে বসবার ঘরে যাই। তখন রাত একটা বেজে পনেরো মিনিট। এত ক্লান্ত লাগছিল যে পোশানা ছেড়ে শোবার কথা ভাবি। টেলিফোন বেজে ওঠে। নিস্তব্ধ রাত্রে টেলিফোনের শব্দ অবাস্তব মনে হয়। বিছানার এক ধারে বসে টেলিফোন তুলি।

    প্যাট ফিনেগানের গলার আওয়াজ পাই। সে বলে, মিঃ ম্যালয়, আমি লোকটাকে খুঁজে পেয়েছি। জো, বেটিলোর আস্তানায় লোকটা লুকিয়ে আছে।

    তুমি কী লী থেলারের কথা বলছো?

    হ্যাঁ, আমি কি ওখানে যাবো?

    প্যাট, তুমি শুয়ে পড়। এটা আমায় নিজেকে মোকাবিলা করতে হবে। ধন্যবাদ!

    শুনুন মিঃ ম্যালয়…আপনি ওখানে একা যেতে পারবেন না। বেটিলো খুব সাংঘাতিক টাইপের।

    প্যাট, ব্যাপারটা আমার ওপর ছেড়ে দাও। একটা উপকার করবে? স্যানফ্রান্সিসকোতে টেলিফোন করে কারমানকে প্রথম প্লেনে আসতে বলে দাও।ওকে জানিও কোথায় থেলাররয়েছে।

    ফিনেগানকে কারমানের হোটেলের টেলিফোন নম্বরটা জানাই।

    জো বেটিলো আর থেলারের ব্যাপার আমি সামলাবো।

    ফিনেগান বলে, কিন্তু…জো অত্যন্ত সাংঘাতিক…।

    তাই নাকি? শুতে যাও প্যাট। টেলিফোন রেখে আমি বিছানার দিকে একবার করুণ দৃষ্টিতে তাকিয়ে বেরিয়ে গাড়ির দিকে অগ্রসর হই।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleব্ল্যাক অর্ডার (সিগমা ফোর্স – ৩) – জেমস রোলিন্স
    Next Article জেমস হেডলি চেজ রচনা সমগ্র ২ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)

    Related Articles

    জেমস হেডলি চেজ

    জেমস হেডলি চেজ রচনা সমগ্র ২ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)

    August 18, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }