Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    জেমস হেডলি চেজ রচনা সমগ্র ১ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)

    জেমস হেডলি চেজ এক পাতা গল্প2631 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১. ভারী মন খারাপ

    আই উড র‍্যাদার স্টে পুওর – জেমস হেডলি চেজ
    ভাষান্তর : পৃথ্বীরাজ সেন

    ০১.

    ভারী মন খারাপ, পিটসভিলের ডেপুটি শেরিফ কেন ট্রেভারস তার পাষাণ-চাপা কপাল নিয়ে নেহাৎ জেরবার। বহুল যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও শেরিফের পদে সে আর প্রমোশন পাচ্ছে না, যেহেতু বর্তমান শেরিফ বুড়ো-হাবড়া টমসন তার এন্তেকাল অব্দি ঐ পদ ছেড়ে সরে দাঁড়াবে বলে বিশ্বাস হয় না। শুধু কি তাই, যে খুবসুরৎ লেড়কি ইরিসের সঙ্গে ট্রেভারসের কিছুকাল যাবৎ ঠুকঠুক বাছুরে প্রেম চলছে সেখানেও যখন-তখন রীতিমতন বকরাক্ষস হয়ে দাঁড়াচ্ছে কারোর বায়নাক্কা, বহু পূর্বে নির্ধারিত রোমাঞ্চকর গোপন অথবা উদোম পরিকল্পনা নস্যাৎ হয়ে যায়। আজ যেমনটি ঘটেছে। বিস্তর ভেবে-চিন্তে ট্রেভারস স্থির করেছিল আজই ইরিসকে বগলদাবা করে সমুদ্রতীরে যাবে। যৌবননিকুঞ্জে প্রেমানন্দে দুটিতে ঘুর ঘুর করবে। ঠিক এমন দিনেই বুড়ো শেরিফের হুকুমে বুকটা তার ছাঁৎকরে উঠলো। কেন, তোমাকে আজ পিটসভিলের ব্যাঙ্কের সামনে দাঁড়িয়ে থাকতে হবে। ব্যাঙ্কের ম্যানেজার মিঃ ল্যাম্ব গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় বাড়িতে শয্যাশায়ী। দ্বিতীয় অফিসার মিস্ ক্রেগ আজকের এই ছুটির দিনে বসেবসেব্যাঙ্কে কিছু কাজ সারবেন এবং তাদের নতুন ম্যানেজারের জন্যে প্রতীক্ষা করবেন, নতুন ম্যানেজার এলে তোমার অবিশ্যি ছুটি।

    বুকের মধ্যে যাবতীয় ঘণ্টাধ্বনি। সেই সকাল থেকে ট্রেভারসব্যাঙ্কের সামনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছে তো করছেই। ডকা হুঁড়ি ইরিস আর কিছুক্ষণ পরেই সমুদ্রের দিকে রওনা দেবে। শালা, দুনিয়া রসাতলে চলে যাক!

    একটা প্রকাণ্ড গাড়ি এসে ব্যাঙ্কের দরজার সামনে থামলো। গাড়ি থেকে এক দশাসই চেহারার বৃষস্কন্ধ লোক নামলো, বড় বড় চরণে পথ পার হচ্ছে।

    কেন ট্রেভারস তার পথ জুড়ে। আজ ব্যাঙ্ক বন্ধ।

    সে করমর্দন করে হাসে, জানি। আমিই ব্যাঙ্কের নতুন ম্যানেজার ডেভ কলেভিন।

    নতুন ম্যানেজার পুরনো ম্যানেজারের খোঁজ খবর নেয়, মিঃ ল্যাম্ব এখন কেমন আছেন?

    একদম ভালো নয়।…যাক আপনি যখন এসে গেছেন, আমারও দায়িত্ব শেষ। ডেপুটি শেরিফ আপন মনে গুন্ গুন্ করতে করতে নিজস্ব তোফাখানার সন্ধানে বেরিয়ে পড়ল।

    মিস্ ক্ৰেগের সঙ্গে পরিচিত হবার পর প্রেমের ব্যাপারে, কোন পুরুষ মনস্থির করতে পারে না। রূপ ও যৌবন থাকলেও কেমন যেন একটা শীত কাতুরে ভাব তাকে আচ্ছন্ন করে রেখেছে। ডেভ কলেভিন প্রসন্ন হতে পারে না।

    সে ম্যানেজারের সুসজ্জিত ঘরে ঢুকে আরামদায়ক চেয়ারে বসে মিস ক্ৰেগের দিকে নিজের সিগার কেসটা এগিয়ে দেন, নিন, সিগ্রেট নিন।

    ধন্যবাদ স্যার। আমি ধূমপান করি না।–ক্রেগ অস্বস্তির সঙ্গে বলে, মনে হল দিন সাতেক মিঃ ল্যাম্বের বদলে সে-ই বিছানায় শুয়ে আছে, সে মুখ তুলে সরাসরি ম্যানেজারের দিকে তাকাতে পারছে না।

    কলেভিন ভাবলো–এ রকম একটি নিষ্প্রাণ যুবতীর সঙ্গে কিভাবে কাজ করবো।

    কলেভিন প্রশ্ন করে, অফিসের চাবিগুলো কার কাছে থাকবে?

    ব্যাঙ্কে ঢুকবার চাবি, তার ভল্টের চাবি–সব দুসেট করে আছে। একটা আপনার কাছে, অন্যটা আমার কাছে থাকবে। দুজনের চাবি ব্যবহৃত না হলে ভল্টের কপাট খুলবে না।

    কলেভিন হেসে বললো, তার মানে ভল্ট থেকে একাকী মাল সরাতে আমি পারছি না, আপনিও পারছেন না। বহুত আচ্ছা।

    প্রাচীন জমিদারের আমেজ তার স্বরে। তার দেহের দুলুনিতে আরামদায়ক চেয়ারটা বজরার মত দোলে।

    কলেভিন–মিঃ ল্যাম্বের ঠিকানাটা দিতে পারেন?

    ক্রেগ–কনট অ্যাভিনিউ। ব্যাঙ্কের বাংলো।

    কলেভিন ঠিকানাটা নোটবুকে লিখে আবার জিজ্ঞেস করল, এ শহরে থাকবার খাবার বন্দোবস্ত কেমন? কোথায় থাকা যায়?

    এখানে থাকবার-খাবার ব্যবস্থা জঘন্য,যেন অথৈ জলে পড়ে ক্রেগ উপায় খুঁজছে–একমাত্র ম্যাকলিন ড্রাইভে মিসেস লোরিং-এর মেস বাড়িটা, মন্দের ভালো স্যার, আপনি ওখানেই উঠতে পারেন।

    আপনি তাহলে আমার জন্য আগাম খবর পাঠান।

    নিশ্চয় স্যার। আমি টেলিফোনটা ব্যবহার করছি।

    কলেভিনের প্রত্যয় জন্মালো অসুস্থ মিঃ ল্যাম্বকে দেখে এ তো পটল তুললো বলে এবং আমাকে এই শহরতলীর ব্রাঞ্চে অনেকদিন ম্যানেজারি করতে হবে। তবে ম্যানেজারের বাংলোখানা খাসা। সামনে যেন মোগল বাগান। ল্যাম্ব মারা গেলেই এখানে উঠে আসবো আপন অধিকারে।

    মিঃ ল্যাম্বের বাংলো থেকে বেরিয়ে গাড়ি চালিয়ে কলেভিন এসে ম্যাকলিন ড্রাইভে পৌঁছলো। সমুদ্রের ধারে এ জায়গাটা সবচেয়ে জমজমাট। একটা দোকান থেকে এক গেলাস শরবৎ কিনে পপলার গাছের তলায় দাঁড়িয়ে গলা ভেজালো কলেভিন…তারপর মিসেস লোরিং-এর শক্তপোক্ত থেবড়ে থাকা বাড়ি রুম হাউস-এ গেলো।

    নিজের পরিচয় দিতেই সাদর অভ্যর্থনা। মিসেস লোরিং নিজে অভ্যর্থনা জানাতে এগিয়ে এসেছে। লোরিং-এর চেহারা ও পোশাক একটু অন্য জাতের।বুকদুটো খুববড় কিন্তু ঝুলে পড়েনি। ভারী নিতম্ব কিন্তু কোমরে অতিরিক্ত চর্বি নেই। লম্বাটে মুখ ও দাঁত বড় বড়। পরণের স্কাটটা বেটপ, লম্বায় ঘোট বলে প্রায় জানু অব্দি নাঙ্গা। এই চেহারায় এমন কিছু আছে যা পুরুষকে তাতায় এবং জমজমাট যৌন ভাবনার কুয়াশা জমে…।

    বাড়তি ঘর বলতে উপরতলায় মাত্র একখানা ঘরে তারা পৌঁছায়। আলো জ্বালতেই ঘরের মোলায়েম মাধুর্য দ্বিগুণ।

    কলেভিন বলে, সুন্দর,কত দিতে হবে ম্যাডাম? মনে রাখবেন ব্যাঙ্কের ম্যানেজাররা কিন্তু এমন কিছু আহামরি বেতন পায় না।

    অনন্য ভঙ্গিমায় মিসেস লোরিং সরাসরি কলেভিনের দিকে তাকলো। কলেভিনের শিরদাঁড়া ও শারীরিক গাঁথুনিতে মৃদু কম্পন ওঠে।

    মাসিক ত্রিশ ডলার খাওয়া-থাকা। অনেকদিন থাকলে রেট কমিয়ে দেবো।

    বড় না হলেও ঘরটি বেশ সাজানো, ছিমছাম। সিঙ্গেলবেডের বদলে ডবল। ডান দিকে একটি বন্ধ দরজা! কলেভিন জানতে চায়, ওটা বাথরুমের দরজা?

    না, এ দরজাটা ব্যবহার করা হয় না। বাথরুমে যেতে হবে বারান্দা দিয়ে।

    লোরিং তীক্ষ্ণ চোরা দৃষ্টিতে তাকে নিরীক্ষণ করে বললো, এই দরজাটা আমার শোবার ঘরে যাবার। আমি পাশের ঘরেই থাকি।

    অনাগত রোমাঞ্চকর কিছু ছবি চকিতে কল্পনা করে কলেভিন বেশ জোরের সঙ্গেই বললো, আমি এই ঘরটাতেই থাকতে চাই।

    মিসেস লোরিংএর ঠোঁটে ভাঙ্গা হাসি।

    .

    ০২.

    কলেভিন থাকবার ও খাবার সংস্থানটি কম খরচে অল্প সময়ের মধ্যেই পেয়ে গেছে সেটা যে বেশীর ভাগ সময় এই অন্ধকার শহরতলীর তুলনায় স্বর্গ, সকল আবাসিকেরই এই স্বীকারোক্তি। খাবার টেবিলে বসেও আত্মতৃপ্তি। মাত্র তিনজন আবাসিকের সঙ্গে পরিচয় হয়েছে কলেভিনের এবং সেই তিনজনের সঙ্গেই রাতের খাবার খেতে বসেছেন। মিস এলিস ক্রেগ, মিস পীয়ারসন এবং মেজর হার্ডি (বয়স সত্তরের ওপর)।

    খাবার টেবিল ছিমছাম, সস্তা সরাইখানার হুলিগলিজমের নাম গন্ধ নেই। খাবার ফাঁকে ফাঁকে বৃদ্ধ ম্যানেজার ল্যাম্বের আকস্মিক অপঘাত আলোচিত হলো। বক্তা এলিস ক্রেগ,…আমি তো সাহেবের ঘরে ঢুকেই থ। সাহেব পা হিঁচড়ে হিঁচড়ে বুক চেপে ধরে এগিয়ে আসবার খুব চেষ্টা করেও পারছেন না। কার্পেটের ওপর মুখ থুবড়ে পড়লেন।

    ফ্লো খাবার পরিবেশন করছে, আকর্ষণীয় উদ্ভাসিত চোখে লাজুক দৃষ্টি কলেভিনেরমনে ঈষৎ শূন্যতা–সে আশা করেছিল মিসেস লোরিং খাবার টেবিলে আসবে।…

    মহিলারা আহার পর্ব শেষ হলে যার যার ঘরে চলে গেলেন। ডাইনিং রুম সংলগ্ন বারান্দায় কলেভিন ও মেজর হার্ডি দুটো আরামপ্রদ ডেকচেয়ারে,হাতে সিগ্রেট, ভোজনাস্তিক তৃপ্তিরস লেগে আছে থুতনির ডগায়। মেজর গাল্পিক, ঠিক মতন তাতিয়ে দিতে পারলে কইতে কইতে তিনি খ্যাপা হয়ে যান আর কি। বিষয় নিজের জীবন ও যুদ্ধের ইতিপূর্ব। অনেকক্ষণ শ্রোতা হিসেবে কলেভিন আদর্শ হয়ে থাকবার পর স্বয়ং মুখ খুললো, এই শহরে এই আমার প্রথম আসা। ভাগ্য ভালো যে, মিসেস লোরিং-এর হোটেলে জায়গা পেয়েছি। ভদ্রমহিলার ব্যবহার চমৎকার। আচ্ছা, ওর স্বামী কি করেন? মেজর দীর্ঘশ্বাস ছাড়েন। দুঃখ ভারাক্রান্ত স্বরে বলেন, বছর কয়েক আগে এক পথ দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন। আসলে কিট লোরিংয়ের জীবন বড় সংঘাতময়, দুঃখের। কিন্তু মনটা স্টিলের মতন শক্ত বলে সব বাধাই টপকাতে পারছে। স্বামীটার চরিত্র ভালো ছিল না। মদে মেয়েমানুষে একেবারে ঠাসা। যখন স্বামী মারা গেল, মিসেস লোরিংয়ের হাতে তখন কিছু টাকা আর তাদের একমাত্র কিশোরী মেয়ে ইরিস। এই বাড়িটা কিনে হোটেলের ব্যবসা শুরু করলো। এখানে হোটেলের ব্যবসায়ে পয়সা কম। তাই মা-বেটিতে লড়াই করে চলেছে। মেয়ে ইরিসকে যুবতীই বলা যায়, সুন্দরী, স্থানীয় সিনেমা হলের বুকিং ক্লার্ক। শহরের ডেপুটি শেরিফ কেন ট্রেভারস আবার ওর প্রেমে পড়েছে। সমুদ্রতীরে প্রায়ই দুজনকে দেখা যায়। ইরিসের দেখা পাওয়া দুষ্কর। রাতে হোটেলে ঢোকে। অনেক কাজ করে, রাত দুটোয় শোয় এবং ঘুম থেকে যখন উঠবে, তখন আপনি অফিসে।

    মেজরের প্রত্যক্ষ দর্শনের বিবরণ শেষ হয়। কলেভিন উঠে দাঁড়িয়ে বলে শুভ রাত্রি।

    শুভরাত্রি।

    বেশীরাত না হলেও কোনরকম হাঁকাহাঁকি ডাকাডাকি আর শোনা যাচ্ছে না।কলেভিন বিছানায় শুয়ে সিগ্রেট টানছে। ঘুম নেই। সিগ্রেটের মতন তার মনের ভেতরটাও পুড়ছে। সময় বড় অবাঞ্ছিতভাবে বয়ে যাচ্ছে! কিছুই হলোনা তোমার হে কলেভিন। আটত্রিশ বছর বয়স্ক এক ব্যাঙ্ক ম্যানেজার মাত্র। সঞ্চয় বলতে মাত্র পাঁচশ ডলার। এমন কিছু একটা করো যা তোমার জীবনের রং বদলে দিতে পারে–অজস্র ডলার উড়তে থাকে তোমার চারপাশে।….

    পাশের ঘরে আওয়াজ।

    মিসেস লোরিং নিশ্চয় ঢুকলো।বাথরুম যাচ্ছে। জলের তিরি তিরিরব।কলেভিন উঠেবসলো। বারান্দায় এসে দাঁড়ালো যেখান থেকে খোলা জানালা দিয়ে লোরিং-এর ঘরের ভেতরটা দেখা যায়।বিছানার ওপর পড়ে আছেসাদারংয়ের প্যান্টি, স্কার্ট। লেখবার টেবিল, সাধারণ চেয়ার, ছোট টিভি সেট, দেয়ালে পাবলো পিকাসোর তরুণ বয়সে আঁকা ছবির একটা প্রিন্ট।

    নিজের ঘরে ফিরে আসে কলেভিন। এই নিরানন্দময় শহরে মিসেস লোরিং কি তাকে উষ্ণ আনন্দ ও সুখ দিতে পারে না? হয়তো পারে, একটু এগিয়ে ঐ কপাটে টোকা মারলে…না, সাহস হয় না, কলেভিন নিজেকে সতর্ক করে। সে আলো নিভিয়ে শুয়ে পড়লো। ঘুম যদিও নিয়ে, এলো বিবিধ অতৃপ্তি ও বাসনার দুঃস্বপ্ন। ঘুমন্ত কলেভিন ঘেমে নেয়ে বিছানায় ওলট পালট খেতে থাকে।

    .

    ০৩.

    চারটে একঘেয়ে নিস্তরঙ্গ দিন কেটে গেল ক্যালেন্ডারের পাতা থেকে। সকাল নটায় গাড়ি চালিয়ে কলেভিন অফিস যায়। পাশে জড়োসড়ো নিরাসক্ত মিস ক্ৰেগ। সন্ধ্যা সাতটা হয় ফিরে আসতে। ব্যাঙ্কের চাকুরি নিরস। অবশ্য ক্রেগের ঐ কাজেই খুব উৎসাহ, আগ্রহ। এখন কলেভিনের মনে হচ্ছে, মিস ক্ৰেগের মধ্যে যৌনচেতনা কম থাকাটা শাপেবর হয়েছে কারণ কলেভিন অফিসের বাইরে যা কিছুই করুকনা কেন, অফিসের মধ্যে কোন সহকর্মিনীর সঙ্গে ফস্টিনস্টিকরা বুদ্ধিমানের কাজ বলে মনে হয় না। তার এখন যাবতীয় যৌনকল্পনা মিসেস লোরিংকে নিয়ে। একখানা জবরদস্ত ফিগার বটে। যেমন বুক তেমনি পাছা। কদাচিৎ দেখা সাক্ষাৎ হয়। তবু যতবার সে তাকে কাছে বা দূরে থেকে দেখতে পেয়েছে ততবার মনে হয়েছে ঐ রকম যৌন আবেদনকারী নারী দুনিয়ায় আর দ্বিতীয়টি নেই। রাতে বিছানায় শুয়ে বদ্ধ কপাটের দিকে চেয়েই থাকে।কখনো কোন উত্তেজক আহ্বানে ঐ বদ্ধ দুয়ার কি খুলে যেতে পারে না?

    সেই হতাশা–জীবনে তার কিছুই হলো না। অনেক টাকা যার নেই, জীবন তো তার কুকুর বিড়ালের। জীবনকে বর্ণময়, তাৎপর্যময় করে তোলবার সুযোগ কোথায়? সীমিত মাসিক বেতন, একটা পয়সাও উপরি নেই, সঞ্চয়ের ভাণ্ডার ধূ ধূ। অথচ এই সেই কলেভিন যে প্রতিদিন কত হাজার হাজার টাকার লেনদেন করে চলেছে। সেই টাকার একটি আধলাতেও ভাগ বসাবার তার অধিকার নেই। আসলে চিনির বলদ বলতে কাদের বোঝায়, তার মতন ব্যাঙ্ক অফিসাররাই তার প্রমাণ।

    মিস ক্রেগ পাঁচদিনের দিন, বুধবার বিকেলে একটি চমকপ্রদ সংবাদ দিলো। তখন কলেভিন তার চেম্বারে বসে লেজার চেকিং করছে। অফিসের একমেবাদ্বিতীয় দুনম্বর কর্মী মিস ক্রেগ কপাট ঠেলে মুখ বের করল। আসবো, স্যার?

    আসুন।

    পরশু এখানকার চারটে ফ্যাক্টরির শ্রমিকদের সাপ্তাহিক বেতন দেবার দিন।

    তাই নাকি? তা এ ব্যাপারে আমাদের ভূমিকাটি কি?

    টাকাটা কাল সন্ধ্যায় এনে রাখা হবে আমাদের ব্যাঙ্কের একটি বড় ভল্টে। এর জন্য ব্যাঙ্ক মোটা টাকা ভাড়া পেয়ে থাকে।

    আচ্ছা….কত টাকা?

    তিনশ হাজার ডলার।

    ডেভ কলেভিন কথাটা শুনে সোজা হয়ে বসে বলে, কত বললেন?

    তিনশ হাজার ডলার।

    কলেভিনের বুক ছম ছম করে উঠলো। সে কয়েক মুহূর্তের জন্য কাঠ হয়ে গেল। সে নিঃশ্বাস বন্ধ করে, শক্তি সঞ্চয় করে অপ্রতিভ অবস্থাটা কাটিয়ে বললো, সে তো অনেক টাকা।

    হ্যাঁ। আর সেই জন্যেই তো স্বয়ং শেরিফ সাহেব উপস্থিত থাকেন ঐ টাকা ঢোকাবার সময়।

    যদি ব্যাঙ্কে ডাকাত পড়ে, ঐ টাকা লোপাট হয়ে যায়?

    মিস ক্ৰেগের যান্ত্রিকস্বর, সে ক্ষেত্রে ব্যাঙ্কের কোন দায়িত্ব নেই। সিকিউরিটির দায়িত্ব তো শেরিফের। তবে এটা আমি আপনাকে হলফ করে বলতে পারি স্যার–কোন চোর বা ডাকাতের সাধ্যি নেই ব্যাঙ্কের ভল্ট থেকে ঐ টাকার বাক্স নিয়ে যায়।

    আপনার এতটা প্রত্যয়ের কারণ?

    বাক্সটা যেখানে রাখা হয়, তার সঙ্গে শেরিফ সাহেবের অফিস ঘরের সরাসরি যোগাযোগ রয়েছে। ওখানে একটা গোপন ইলেকট্রনিক চোখও রয়েছে। ঐ চোখ ভল্টের মধ্যে অনভিজ্ঞ কাউকে দেখতে পেলেই তা সঙ্গে সঙ্গে সশব্দে জানিয়ে দেবে শেরিফ সাহেবকে।

    মিস ক্ৰেগের কথাগুলি কলেভিন খুব আগ্রহ নিয়ে শুনলো। মিস ক্রেগ চলে যাবার পর সে ভল্টে গিয়ে সন্ধান করে। কিন্তু কোন বিশেষ চোখ তার নজরে এলোনা। সেকুলকুল করে ঘামছে। না, সে এখন অনেক কিছুই জানে না। সে ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করে সব কিছু জানবে। টাকা তো প্রতি সপ্তাহেই আসবে। সবুরে মেওয়া ফলে।…ব্যাঙ্কের বাইরে এসে দাঁড়ায় কলেভিন। মুখ তুলতেই নজরে এলো, রাস্তার ওপারেই ভয়ের জগৎ-শেরিফ সাহেবের অফিস। একটা বড় পুলিশী টুপিকে দেখতে পাচ্ছে কলেভিন। তার পেশী টান টান শরীর ঈষৎ কুঁজো হয়ে পড়ে।

    হোটেলে ঢুকবার মুখেই আজ মিসেস লোরিং-এর মুখোমুখি; দুহাতে বাজারের ব্যাগ নিয়ে ঢুকছে। পরিশ্রমে-শ্রান্তিতে টকটকে মুখ-চোখ।

    কলেভিন সহাস্যে বললো, আপনি কি আমাকে সাহায্যের সুযোগ দেবেন?

    ঈষৎ হেসে লোরিং বললো, কেউ আমাকে সাহায্য করতে চাইলে, আমি তা গ্রহণে কখনন অস্বীকার করি না।

    বাজারের থলে হাতে কলেভিন লোরিং-এর পিছন পিছন রান্না ঘরে গিয়ে ঢুকল। লোরিং জানাল, আজ ডিনারে হবে,তরকারি, স্যুপ,বাছুরের জিভ দিয়ে ডালনা এবং কিডনি ভাজা। এর সঙ্গে থাকবে চর্বিতে ভাজা পরোটা।

    কলেভিন উচ্ছ্বসিত হয়ে বলে, চমৎকার মাদাম, আমার কিন্তু রান্নার হাত খারাপ নয়।

    আপনি কি রান্নাতেও আমাকে সাহায্য করতে চান না কি?

    মন্দ কি? নিজের পুরোনো বিদ্যাটাকে একবার ঝালিয়ে নেওয়া যাবে।

    কলেভিন অ্যাপ্রোন পরে সত্যিই লোরিং-এর সঙ্গে রান্নায় হাত লাগালো। লোরিং সখেদে বললো, এত পরিশ্রম করি মা ও মেয়েতে, তবু আমাদের সচ্ছলতা আসছে না।

    কলেভিন মন্তব্য করলো, আপনার এখানে হোটেল খোলাটা উচিত হয় নি।

    ঠিক বলেছেন। আমাকে পরামর্শ দেবার মতন কেউ ছিল না। বাড়িটা রাস্তার ওপর পেয়ে গেলাম। তারপর থেকে খালি খাবি খাচ্ছি। আমি যদি আপনার মত কোন ব্যাঙ্কের অফিসার হতাম তবে এসব ব্যবসা কবে সিকেয় তুলে রাখতাম।

    কলেভিন চুক চুক শব্দ করে বললো ব্যাঙ্কের মাইনেতে ধনী হওয়া যায় না।

    জানি। কিন্তু ব্যাঙ্কের টাকা হাতিয়ে বিরাট ধনী হয়েছে, এমন লোকের সংখ্যা নেহাৎ কম নয়।

    কলেভিন অবাক হয় এই মহিলাটি ক্রমান্বয়ে টাকা-পয়সার আক্ষেপই জানিয়ে যাচ্ছে। তার সঙ্গে এর মানসিক সমতা আছে। নিঃশব্দে হেসে সে বললো, ব্যাঙ্কের কর্মী এবং অফিসাররা সহজেই গোছ গোছ টাকা পকেটস্থ করতে পারে। কিন্তু ভোগ করতে পারবে না। নিয়ম কানুন এমনই যে ধরা পড়ে যাবেই।

    হাতের চেটো থেকে ময়দার গুঁড়ো ফেলতে ফেলতে লোরিং বললো, ঠিক ঠিক বুদ্ধি প্রয়োগ করতে পারলে সাপও মরবে, লাঠিও ভাঙবে না। কথা বলতে বলতে ওরা রান্নার কাজ করছে। কলেভিনের দিকে পেছন ফিরে লোরিং দাঁড়িয়ে, মাঝে মধ্যে শরীরে শরীরে ঠেকে যায়। যে সব মেয়েদের দেহে বিদ্যুৎ আছে, লোরিং যে তাদেরই একজন কলেভিন তা অনুভব করে। সে সাহস সঞ্চয় করে লোরিং-এর চওড়া পিঠের ওপর আলতো হাত রাখে। লোরিং-এর দেহকাণ্ড শক্ত হয় কিন্তু সে বাধা দেয় না। তখন কলেভিন ওর পিঠে, কোমরে, ঘাড়ে আঙুল বোলাতে বোলাতে স্বল্পায়াসেই মিসেস লোরিংকৈ তার দিকে মুখোমুখি করে নামিয়ে আনে মুখের ওপর মুখ, ঠোঁটের ওপর ঠোঁট। অমন দীর্ঘস্থায়ী উত্তপ্ত চুম্বন কলেভিন এর আগে কোনদিন উপভোগ করেনি। লোরিং নিজেকে আলিঙ্গন থেকে মুক্ত করে ঈষৎ উদ্বিগ্ন স্বরে বলে, ব্যাস আর নয়। তুমি নিশ্চয় ভুলে যাওনি এটা রান্নাঘর এবং আমরা সকলের জন্য রাতের খাবার তৈরি করতে। এসেছি।

    আবার নিস্তব্ধ একটা রাত। কলেভিনের হাতে সিগ্রেট পুড়ছে। সে নিশ্চিত আজ ঐ বদ্ধ কপাট– খোলা আছেই। হাতল ধরে ঠেলা দিলেই খুলে যাবে। তারপর…মিসেস লোরিং-এর সঙ্গে সংসর্গ করবার স্বপ্ন দেখতে গিয়ে কলেভিনের বুকের মধ্যে একটা আগ্নেয়গিরি জীবন্ত হয়ে ওঠে।

    কিন্তু দরজার হাতল ধরতেই বিরাট হতাশা, ক্রোধ, অভিমান–লোরিং কপাট বন্ধই রেখেছে।

    সেই প্রতীক্ষা! বুকের আগুন বুকের মধ্যে পুষে রাখো। হৃদয়ঙ্গম করো। এক মাঘে শীত যায় না।

    .

    ০৪.

    সেই কুবের-নিবাস, যেখানে আজ সাত রাজার ধন এনে রাখা হবে, চার চারটে কারখানার শ্রমিকদের সাপ্তাহিক বেতন–সাকুল্যে তিনশ হাজার ডলার।

    কলেভিন মিস ক্রেগকে নিয়ে ভেতরটা খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে পর্যবেক্ষণ করছে। সারি সারি কেবিনেট, সংখ্যায় কয়েক শ, যাদের মধ্যে রক্ষিত আছে স্থানীয় উচ্চবিত্ত, মধ্যবিত্ত, নিম্নবিত্ত কিছু মানুষের মূল্যবান কাগজপত্র, দলিল, গয়না। আর যে আধারটি তিনশ হাজার ডলারের বাসভূমি হবে তার হাঁ-মুখ-এর গভীরতা অনেক।

    সন্ধান শেষে কলেভিন প্রশ্ন করে, কিন্তু সেই ইলেকট্রনিক চোখটা কোথায়?

    ঐ যে ওখানে মিস ক্ৰেগের তর্জনিকে অনুসরণ করে কলেভিন দেখতে পেল অনেক উঁচু একটা বড় ভেন্টিলেটরকে গ্রিল দিয়ে ঘিরে রাখা হয়েছে। ঐ গ্রিলের মধ্যে ওটা রাখা রয়েছে।

    কলেভিন কৃত্রিম সংশয় নিয়ে বলে, এমন কিছু আহামরি সুরক্ষা ব্যবস্থা নয়, চোর ডাকাতরা আগেই ওটার তার কেটে ফেলবে।

    সঙ্গে সঙ্গে মিস ক্রেগ জানায়, তা পারবেনা স্যার। ওর তারটারগুলো সব দেয়ালের মধ্য দিয়ে। ফ্লোরের মধ্য দিয়ে, বাইরে রাস্তার তলা দিয়ে সোজা শেরিফ সাহেবের অফিসে চলে গেছে। কেউ দেয়াল বা মেঝে খুঁড়ে সেই তার বের করতে চাইলে ইলেকট্রনিক চোখটা অনেক আগেই চিৎকার করবে। চারিদিক থেকে পুলিশ ব্যাঙ্কটাকে ঘিরে ফেলবে। বেশ আনন্দের সঙ্গেই ব্যাঙ্ককর্মী মিস এলিস ক্রেগ বলল।

    ভেতরে ভেতরে রাগ জমতে থাকে কলেভিনের। সে বলল, কিন্তু কেউ তো ব্যাঙ্কের মেইন সুইচটাই অফ করে কুকর্মে হাত দিতে পারে। এখনো মিস ক্রেগ আত্মপ্রত্যয়ী, কোন সুবিধে হবেনা তাতে, কারণ, ঐ চোখটাকে চালু রাখে একটি পৃথক জেনারেটর। সেটা এই ভল্টের মধ্যেই থাকে, ঐ দেখুন।

    ছোট ঝকঝকে মোটরটা যেন কলেভিনের ঘর্মাক্ত মুখের দিকে চেয়ে চোখ টিপল। এ হল এক বিশেষ ধরনের বিদ্যুৎ উৎপাদক যন্ত্র, যাকে চালু করলে দশ বারো ঘণ্টা একটানা নিঃশব্দে কাজ করে যাবে।

    অমন সুরক্ষিত ব্যবস্থাপনা থেকে নিষ্ক্রমণের পথ খুঁজতে খুঁজতে হঠাৎ তার মাথায় মোক্ষম প্রশ্নটা এসে গেল, মিস ক্রেগ আমরা তো ঐ টাকার বাক্স রেখে যাবার পর জেনারেটর চালু হবার পরও একাধিকবার ভল্টের মধ্যে যাওয়া আসা করতে পারি। তখন কি প্রতিবারই ঐ ইলেকট্রনিক চোখ হুঁশিয়ার করে দেবে শেরিফকে?

    মিস ক্রেগকে এই প্রথম বিচলিত মনে হচ্ছে। নিরেট পাষাণে বন্দিনী যেন। ধরা গলায় বলল, এটাই আসল গোপনীয় ব্যাপার। আমাকে শপথ নিতে হয়েছে, হাজার প্ররোচনা সত্ত্বেও আমি যেন ঐ গোপন তথ্য ফাস না করি। কিন্তু আপনি এই ব্রাঞ্চেরই ম্যানেজার, আমার বস। আপনাকে তো সবকিছু জানাতে আমি বাধ্য।

    আপনি নির্দ্বিধায় আমাকে বলতে পারেন।

    আসলে কি জানেন স্যার। আমরা যখন এখানকার সব কটা আলো অফ করি একমাত্র তখনই ঐ ইলেকট্রনিক চোখটা সচল হয়ে ওঠে। ব্যবস্থা এই রকমই। আবার রাতে আমরা বা অন্য কেউ যদি ব্যাঙ্কে ঢুকে আলো জ্বালে, চোখটা নিষ্ক্রিয় হয়ে যাবে ঠিকই, কিন্তু রাস্তার ওপারে শেরিফ সাহেব ঠিক দেখতে পাবেন ব্যাঙ্কের আলো। সদলে ছুটে আসবেন।

    কলেভিন বিশ্লেষণ করে বুঝলো টাকাটা যদিও বা কখনো লোপাট করা যায়, ফেডারেল গোয়েন্দা দপ্তরের ঝনুকমীরা তাকে ছিঁড়ে খাবে। মাত্র দুজন শুধু টাকা সরাতে পারে–এক ব্যাঙ্কের ম্যানেজার, দুই ব্যাঙ্কের হিসাবরক্ষক মিস ক্রেগ। কিন্তু নার্ভাস মিস ক্ৰেগের পক্ষে এটা অবাস্তব। সুতরাং…একটা বিস্বাদ ভীতি ও অসহায়তা কলেভিনের মনের মধ্যে চাগাড় দিয়ে ওঠে।

    পুলিশী গাড়িতে পুলিশ প্রহরায় টাকার বাক্স সন্ধ্যা ঘনাবার আগেই এসে গেল। ব্যাঙ্কের ভল্টে সকলকে নিয়ে প্রৌঢ় শেরিফ ঢুকলেন। চোখের কোণে কলেভিন কে দেখে নিয়ে অনুমান করে, আমি গায়ের জোরে বুড়োকে গুড়ো করে দিতে পারলেও বুলেটের জোরে ও আমাকে ঝাঁঝরা করে দেবে। না, তাগদ দেখাবার তাগিদ আমার নেই। ভল্টের মধ্যে কুবেরকে ঘুম পাড়িয়ে রেখে জেনারেটারটা চালু করে শান্তিরক্ষকরা বেরিয়ে গেল। ব্যাঙ্কের আলো নিভিয়ে দিয়ে মিস ক্রেগ সহ মুক্ত বাতাসে বেরিয়ে এলো কলেভিনও।

    আজ সে আবার হোটেলে ফিরে হেঁসেলে গেল। মিসেস লোরিং চমৎকৃত, কি ব্যাপার, আজ আবার ম্যানেজার সাহেব রান্নায় হাত দেবেন না কি?

    গম্ভীরভাবে বললে কলেভিন, না, তোমার সঙ্গে আমার কিছু জরুরী কথা আছে।

    এখানেই বলতে পারো, তৃতীয় কেউ নেই।

    সেদিন তুমি ব্যাঙ্ক থেকে টাকা হাতাবার কথা বলবার পর আমি অনেক ভেবেছি। তোমার কথাই ঠিক। বুদ্ধি আর সাহসের মিশেল ঘটাতে পারলে ব্যাপারটা সম্ভব হতে পারে।

    তুমি কি এটা তোমার অন্তর থেকে বলছ?

    নিশ্চয়, এই বিপর্যস্ত অভাবী দিনগুলির হাত থেকে রেহাই পেতে আমি তোমার সাহায্য চাই, কিট।

    লোরিং-এর জবাবে কোন আবেদন নেই, উপযুক্ত ভাগ পেলে নিশ্চয় সাহায্য করবো।

    তাহলে আজ রাতে আমার ঘরে এসো, আলোচনা করব। লোরিং-এর পর্যবেক্ষণীদৃষ্টি আয়োত হয়, ফিসফিসিয়ে বললো, ঠিক আছে, আমি যাবো।

    এই সেই রাত, যখন কলেভিনের প্রত্যাশাব্যাকুল দৃষ্টির সামনে বদ্ধ দুয়ার খুলে গেল এবং মোহময়ী মিসেস লোরিং এসে ঢুকলো। চেয়ার টেনে কলেভিনের মুখোমুখি বসে, বলল।

    তুমি যদি টাকাটা পাও কি করবে?

    প্রথমেই এই বাজে জায়গাটা ছেড়ে পালাবো, তারপর বাকি জীবনটা ফুর্তি করে কাটাবো।

    কিন্তু তোমার মেয়ে তো ডেপুটি শেরিফের প্রেমে পড়েছে। সে যদি যেতে রাজি না হয়?

    ইরিস বয়সে প্রায় নাবালিকা। ভালমন্দ বোধ এখনো ওর হয়নি। জীবনের রঙিন দিকটা একবার দেখতে পেলে বোকা পুলিশটাকে ঘষা পয়সার মতন ত্যাগ করবে।

    লোরিং-এর আলুথালুচুল ও যৌবন সমারোহ মুখের দিকে চেয়ে অনেকটা স্বলিত স্বরে বললো, কিভাবে মালটা সরানো যাবে, বলতো?

    বাঃ! তুমি এখনো উপায়টা ভেবেই দেখনি।

    কলেভিন হাসে, না। এখনো ভাবছি, তুমিও ভাবো। আমরা দুজনে, ভেবে চিন্তে উপায় একটা ঠিকই বের করবো।

    লোরিং দাঁত দিয়ে নীচের ঠোঁট কামড়ায়, তার মুখে বিদায়ী সূর্যের বিষণ্ণতা, তা হলে নিজের ঘরে গিয়েই মাথা ঘামাই।

    দরজার কাছে যাবার আগেই কলেভিন তড়াক করে লাফিয়ে তার সামনে দাঁড়ায়, হাত ধরে বিছানার দিকে টেনে আনবার, চেষ্টা করে। লোরিং একঝটকায় নিজেকে ছাড়িয়ে নেয়, ভুলকরছে ম্যানেজার। উপযুক্ত দাম না পাওয়া অব্দি আমি বাড়তি কিছুই তোমায় দেবোনা, যাও। শুয়ে শুয়ে ভাবো। আমিও ভাবি।

    কলেভিনের মুখের ওপর কপাট বন্ধ হয়ে গেল।

    কিন্তু আশ্চর্য এই যে, আজ তার মনে কোন মেদুরতা নেই অনেককাল পর আজই প্রথম নিশ্চিন্তে ঘুমোতে পারছে সে,আমি তো আর একা নই, আমার একজন অংশীদার রয়েছে।

    .

    ০৫.

    কিছুক্ষণ সবুজ মাঠে শিরা ফুলিয়ে গলফ খেলতে খেলতে কলেভিন দেখলো অন্ধকার ঘনিয়েছে, কুয়াশার জাল ঘন হচ্ছে। শিরদাঁড়া শক্ত করে স্টিয়ারিং ঘুরিয়ে সে হোটেলে ফিরলো। এই সেই সময়, যখন হলঘরে তিন মূর্তি–এলিস ক্রেগ, মিস পীয়ারসন ও মেজর হার্ডি। পীয়ারসন। ও হার্ডি গুজ গুজ, ফুস ফুস করছে রাজ্যের গুজব, সমস্যা ও তাদের নিরসন নিয়ে। ক্রেগ তার কোট ও টুপি চেয়ারের ওপর ঝুলিয়ে রেখে একমনে উল বুনে চলেছে। দৃশ্যটা আদৌ দৃষ্টিনন্দিত কলেভিনের কাছে। সে নীচু স্বরে ক্রেগের সঙ্গে দু চারটে কথা সেরে একসময় রান্নাঘরে ঢুকে পড়লো। সেখানে লোরিং, কলেভিন তাকে বললো, কিট, আজ রাতে আর একবার এসো। খুব জরুরী।

    লোরিং-এর চাঁছাছোলা জিজ্ঞাসা, কোন বায়বীয় পরিকল্পনা নাকি?

    কলেভিন, না। নিরেট এবং বিশেষ কার্যকরী।

    শহরতলী যখন রাতের প্রভাবে মুমূর্য, তখন লোরিং এলো।

    কলেভিন, আমার মাথায় একটা দারুণ পরিকল্পনা এসেছে। মন দিয়ে শুনবে।

    আমি মন দিয়েই শুনে থাকি।

    কলেভিন, দেখো, ব্যাঙ্ক থেকে আমি টাকাটা সরাতে পারি। কিন্তু পুলিশের সমস্ত সন্দেহ হবে ব্যাঙ্কের দুই কর্মীর ওপর–আমি এবং মিস এলিস ক্রেগ।

    লোরিং (দেওয়াল ক্যালেন্ডারের দিকে চোখ ফিরিয়ে–সে গুড়ে বালি। তোমার ঘাড়েই গিয়ে পড়বে সন্দেহের সিংহভাগটা।

    ঠিক কলেভিন বলে, দাবার চালটা ঠিক ঠিক দিতে পারলে তবে পুলিশের চৈতন্যে অন্য ছায়া খেলা করবে। তাদের সবটুকু সন্দেহ গিয়ে পড়বে মিস ক্রেগের ওপর।

    লোরিং–হেঁয়ালি না করে খুলে বলল।

    আমরা মানে তুমি আমি–প্রমাণ করবো, মিস ক্ৰেগের একটি উচ্চাকাঙ্ক্ষী প্রেমিক আছে। এমন প্রেমিক যে মিস ক্রেগকে কাজে লাগিয়ে বড়লোক হবার স্বপ্ন দেখে।

    কেউ বিশ্বাস করবে না, এলিসের কোন প্রেমিক নেই।

    নেই তো কি হয়েছে? আমরা প্রমাণ করবে, তার একজন পুরুষ বন্ধু আছে।

    কি যে মাথামুণ্ডু বলছে বুঝছি না।

    দু চোখ জ্বলতে থাকে কলেভিনের, মিস পীয়ারসন আর মেজর হার্ডি হচ্ছেন গুজববাজ ও গল্পবাজ মানুষ। এরা কেবল গল্প বানায় না, বানানো গল্পকে কপ করে গিলেও নেয়। কেচ্ছা ইত্যাদির প্রতিক্রিয়া ওদের ওপর দারুণ। তুমি ঐ বুড়োবুড়ির কাছে গিয়ে বলবে, মিস ক্রেগ গোপনে একটি যুবকের সঙ্গে খুব ঘনিষ্ঠতা গড়ে তুলেছে। সেই বয়ফ্রেন্ডের সঙ্গে এলিস সুযোগ পেলেই এখানে সেখানে ঘুর ঘুর করে। তুমি হয়তো খেয়াল করেছে, এলিস অফিস থেকে ফিরেই হলঘরে কোট ও টুপিটা খুলে রেখে ভাড়া বাথরুম ছাদে পায়চারি করতে যায়। তুমি ঐ সময় কোট ও টুপিটা কিছুক্ষণের জন্য সরিয়ে রাখবে এবং বুড়ো বুড়িকে বলবে, এইমাত্র এলিস একটি যুবকের সঙ্গে কোথায় যেন বেড়াতে গেল। তারপর আবার এলিস ছাদ থেকে নামলে তার টুপিও কোট যথাস্থানে রাখবে। এই ধন্দময় কারবারটা তোমায় করতেই হবে, ডার্লিং।

    এবার লোরিং ভীষণ অস্থির।বেশ, বেশ, তাই না হয় করলুম, কিন্তু এর সঙ্গে নিরাপদে ব্যাঙ্কের টাকা সরাবার কি সম্পর্ক?

    কলেভিন বলে সম্পর্ক অতীব নিগূঢ়, যদিও পৃথিবীর চতুরতম লোকটাও এখানে থৈ পাবে না। ব্যাঙ্কের ভল্ট থেকে শেরিফ সাহেবের অতন্ত্র হুশিয়ারী ও তদারকি সত্ত্বেও টাকা যেদিন লোপাট হবে, সেদিন থেকে মিস এলিসও বেপাত্তা হয়ে যাবে। পুলিশ জানবে, ব্যাঙ্ক থেকে টাকা সরিয়ে মিস ক্রেগ তার প্রেমিকের সঙ্গে হাওয়া হয়ে গেছে। তার সেই প্রেমিকের গল্প আমি শোনাবো, তুমি শোনাবে। মিস পীয়ারসন শোনাবে। পুলিশ তখন অন্ধকারে হাতিয়ে বেড়াবে মিস ক্রেগ এবং তার বয়ফ্রেন্ডকে।

    লোরিং কালেভিনের পরিকল্পনা শুনতে শুনতে বিচলিত হয়ে পড়ে। তার ঠোঁট শুকনো, হাত কাঁপছে, টোক গিলছে, কি ভাবছে লোরিং? পিছিয়ে যাবেনাকি? কিন্তু পিছিয়ে যাবো বললেই তো যাওয়া যাবে না। নিজের নিরাপত্তার খাতিরে লোরিংকে সেই সুযোগ কলেভিন দেবে না। হতে পারে সে আকৰ্ষক রমণী। কিন্তু বিপদ বুঝলে কলেভিন তার গলার হাড়টা মটু করে ভেঙ্গে দিতে পারে। টাকা আমার চাই-ই, চাই। মিসেস লোরিং কাঁপা স্বরে বললো, আমাকে একটু হুইস্কি খাওয়াবে?

    নিশ্চয়। উঠে গিয়ে কলেভিন উত্তেজক পানীয় নিয়ে এলো।

    হুইস্কিটুকু একসঙ্গে গলায় ঢেলেমিসেস লোরিংয়ের যেন আরো উত্তেজনা বৃদ্ধি পায়, মুখ চোখ লাল, ঘন ঘন শ্বাসপ্রশ্বাসে তার বুক দুলছে।

    লোরিংয়ের কাধ ধরে ঝাঁকুনি দেয় কলেভিন। তুমি কি ঘাবড়ে গেলে?…কিন্তু এখন তো ভয়ে পিছিয়ে গেলে চলবে না। তুমি আমার সমস্ত পরিকল্পনা জেনে গেছে। তোমাকে এ অভিযানের শরিক হতেই হবে।

    তুমি কি আমাকে ভয় দেখাচ্ছো?

    কলেভিন চিবিয়ে চিবিয়ে বলে, তিন শ হাজার ডলারের জন্য একটা বা দুটো খুন এমন কিছু বড় ব্যাপার নয়। অন্ততঃ এ নিয়ে মাথা খারাপ করলে চলবে না। আর সত্যি কথা বলতে কি, এর আগেও আমি অনেক মানুষ খুন করেছি। ব্যাঙ্কে ঢুকবার আগে আমি মিলিটারিতে ছিলাম। উধ্বতনের হুকুম মানতে গিয়ে কত তরুণকে নির্বিচারে হত্যা করেছি। আর আজ দুর্দান্ত ভবিষ্যত গড়তে আর একবার এই হাতে রক্ত লাগাতে পারবো না? আমি অত গবেট ভীরু নই।

    দু হাতে মুখ ঢেকে লোরিং শুনছে। তারদিকে কলেভিন আর এক গ্লাস হুইস্কি এগিয়ে দেয়।

    লোরিং চোঁ করে সবটা গিলে নিলো। কেমন যেন অস্বাভাবিক হেঁচকি উঠছে। লোভাতুর দৃষ্টিতে বোতলটার দিকে চেয়ে স্বলিত স্বরে বললো, আমাকে আর একটু ভাবতে দাও। মাইরি, একটুখানি সময়

    ঠিক আছে। যা ভাববার আজকের রাতেই ভাববে। কাল সকালেই জবাব চাই।

    লোরিং টলতে টলতে নিজের ঘরে গিয়ে কপাটটা বন্ধ করে দিল।

    সিগ্রেট ধরায় কলেভিন। সিগ্রেটটা শেষ হলে বাথরুমে ঢুকে বেশ খানিকটা জল শরীরের ওপর বইয়ে সে একটা তোয়ালে পরে নিজের ঘরে ফিরে আসে। আবার একটা সিগ্রেট বের করে আয়নায় নিজের বিপুল প্রতিবিম্বকে দেখে কেমন যেন কামার্ত হয়ে ওঠে সে। সে অনেকগুলো রাত এখানে পার করেছে অথচ পাশের ঘরে…। সে পায়ে পায়ে ঐ বদ্ধ কপাটের দিকে গিয়ে হাতলটা ধরে মোচড় দেয় এবং

    কী আশ্চর্য! বদ্ধ দুয়ার খুলে গেছে। কলেভিনের বুকের মধ্যে যে বন্দী বাঘ এতদিন ক্রুদ্ধ আর্তনাদ ছেড়েছে, আজ সে বেরিয়ে এসেছে। কিছুক্ষণ সে ঘরে নিশ্চল দাঁড়িয়ে। মৃদুনীল আলো। স্বচ্ছ মশারির তলায় শুয়ে থাকা মিসেস লোরিংকে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে। পরনে গোলাপি নাইটি। বুক দুটো উঁচু হয়ে আছে। কোমরের কাছ থেকে শরীরটা একটু বেঁকে আছে, একটা হাঁটু মাথা তুলে বুঝি জানিয়ে দিচ্ছে, যে কোন শক্তিমান পুরুষের সঙ্গে দ্বিমুখী দ্বন্দ্বের জন্যে প্রস্তুত হয়ে আছে এই রমনী দেহ। লোরিং এবং কলেভিন-দুজন একে অপরের দিকে চেয়ে আছে। কলেভিন ধীরে ধীরে বিছানায় পৌঁছে বসে পড়লো। কলেভিন মশারির মধ্যে হাত ঢুকিয়ে লোরিংয়ের বাহু স্পর্শ করলো তারপর নাইটির তলায় ভরাট বুক অব্দি পৌঁছে গিয়েও কোন প্রতিরোধ না পেয়ে সত্যিই এক ক্ষুধার্ত বাঘের মতনমিসেস লোরিংয়ের দেহের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়লো।নাইটি ফাইটি কোথায় গুটিয়ে ফেলে নিজের তোয়ালেটা ছুঁড়ে ফেলে দিয়ে কলেভিন লোরিংয়ের যাবতীয় গভীরতাকে ছিঁড়ে ফুড়ে তপ্ত তৃপ্তির সন্ধান করতে থাকে। তার প্রয়াসের, উদ্দীপনার অন্ত নেই। কিন্তু মিসেস লোরিং আশ্চর্য নিষ্ক্রিয়, নির্বাক। এ সময় কোন প্রেমিকা যেভাবে সাড়া দেয়, সুখ ও তৃপ্তিতে সমান ভাগ বসাতে চায়, মিসেস লোরিংয়ের মধ্যে তা দেখা গেলনা। স্থলন-লগ্নে কলেভিনের মনে হলো, তার চৈতন্যে দোলা দিয়ে গেল সেই বিরক্তির অনুভূতি; আমি এই মুহূর্তে যেন এক বেশ্যা সংসর্গ সমাপ্ত করছি। কোন সাড়া নেই, পুরস্কার নেই,….যাচ্ছে তাই…..।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleব্ল্যাক অর্ডার (সিগমা ফোর্স – ৩) – জেমস রোলিন্স
    Next Article জেমস হেডলি চেজ রচনা সমগ্র ২ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)

    Related Articles

    জেমস হেডলি চেজ

    জেমস হেডলি চেজ রচনা সমগ্র ২ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)

    August 18, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }