Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    জেমস হেডলি চেজ রচনা সমগ্র ১ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)

    জেমস হেডলি চেজ এক পাতা গল্প2631 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৪. প্রেমের শয্যায় মার্ক গারল্যান্ড

    ০৪. প্রেমের শয্যায় মার্ক গারল্যান্ড

    জন ডোরির প্রকাণ্ড ভিলা পাহাড়ের ওপরে। বিরাট ঝুল বারান্দার মুখ পাহাড়ের দিকে, প্রত্যেকটা জানালার টবে ফুল ফুটেছে, চারপাশে পাইনের ছায়া।

    ছজন সোলজার অটোমেটিক রাইফেল হাতে বাড়িটা পাহারা দিচ্ছে। তাদের চীফ সার্জেন্ট প্যাট ওলীয়ারি। প্রকাণ্ড মাংসল চেহারা, লাল মুখ-লোকটার সঙ্গে একটা হিংস্র অ্যালসেশিয়ান কুকুর থাকে।

    ডোরির চাকর ডায়ালো গারল্যান্ড, জিনি আর এরিকার সুখ সুবিধের দিকে নজর রেখেছে। ডাক্তার ফরেস্টারকে ফোন করে জিনিরোশ নার্সকে এখানে রাখার জন্য ডোরি অনুমতি নিয়েছে।

    গারল্যান্ডের সঙ্গী সিয়া এজেন্ট জ্যাক কারম্যান বিদায় নিয়ে প্যারী যাবার সময় জিনিকে বলেছে :

    সিস্টার গারল্যান্ডের দিকে নজর রাখবেন। ওকে বিশ্বাস করা যায় না।

    নজর রেখেছে বৈকি জিনি। আমি যদি এরিকার মত সুন্দরী হতাম, ছোট্ট দুটো পাছায় হাত রেখে টেরাসে জিনি বলে, আমি যদি ব্লন্ড হতাম। তুমি আমাকে পছন্দ করতে?

    গারল্যান্ডের শক্ত মাংসল কাঁধ, ঋজু, মেরুদণ্ড চামড়ার বাদামী রং পেছন থেকে দেখতে দেখতে জিনি বুঝতে পারে, ভালোবাসা কারে কয়।

    জয়ালো তোমাকে নিস শহরে নিয়ে যাবে। কিন্তু তুমি আরামে এখানে থাকো এটাই চাই। ডোরির টাকায় ইচ্ছেমত কেনাকাটা করো। ইচ্ছে হলে একটা ব্লন্ড কিনে দেখতে পারো তোমাকে, কেমন দেখায়। আমার কিন্তু এমনিতেই তোমাকে ভালো লাগে–

    .

    ‘ও’ লীয়ারি, সোভিয়েত আর কমুনিষ্ট চীন দুদেশের স্পাইরাই পেছনে লেগেছে। ওরা যদি একটা বোমা ছুঁড়ে গেটটা উড়িয়ে দেয়।

    তাতে কোন ফয়দা হবে না। ড্রাইভের ওই কোনে আমার দুজন এজেন্ট মেসিনগান নিয়ে লুকিয়ে আছে।

    আমার সঙ্গে লোডেড পিস্তল থাকলে ভালো হতো।

    ইয়া, পয়েন্ট থারটি-এইট ক্যালিবারের পিস্তল আর কার্তুজের তিনটে ক্লিপ গারল্যান্ডের হাতে তুলে দেয় ওলীয়ারি।

    গারল্যান্ড নিশ্চিন্তে টেরাসে এসে বসে।

    সিনজানো বিটারের ককটে।

    ডিনার?

    অ্যাভোকাদো,কাঁকড়া, রসুন দিয়ে জিগো। দামী মদ। পৎ লেহভে কী। বাতাবী লেবুর সরবৎ।

    এই তো জীবন।

    হাই!

    আগুন লাল স্লীভলেস পোষাক পরা ব্লন্ড যুবতীকে দেখে চমকে উঠে মার্ক।

    এক বোতল পেরক্সাইড ঢেলে রং করেছি, জিনি হাসে।

    তোমাকে দারুণ দেখাচ্ছে। মার্ভেলাস।

    এরিকার থেকেও ।

    জিনি ডিয়ার, ও আমার বউ।

    তাহলে আমিও তোমার বউ।

    নাঃ, বয়েস বড্ড কম। কতো?

    আমার উনিশ বছর হলো।

    ইয়া, ইয়া, আমার বয়স তো তোমার দ্বিগুণ

    চটেমটে ভেতরে চলে যায় জিনি।

    রাত সাড়ে নটায় এরিকা ওলসেনের জ্ঞান ফেরে।

    আমি কোথায়? তুমি কে?

    আমি তোমার স্বামী মার্ক। তুমি আমার বাড়িতে।

    স্বামী? বাড়ি? আমার তো কিছু মনে নেই,ব্লন্ড রূপসী চোখ বুজে বলে।

    সুন্দর, কালো, আঙুরের মতো।

    কি বললে? জিনিষটা কি? চমকে বলে গারল্যান্ড। সুন্দর আঙুরের মতো জিনিষটা কি?

    আবার চোখ খুলে, জানি না তো। তুমি কে বললে?

    ডার্লিং এরিকা, তোমার স্বামী মার্ক।

    মার্ক? তোমার নাম! আমার নাম এরিকা? ঘরে ফিরেছি? বেশ তো–আবার ঘুমিয়ে পড়ে।

    সেদিন রাতে…

    দূরে আলোর মালা। টেরাসে মার্কের পাশে এসে দাঁড়ায় জিনি।

    এরিকা ঘুমুচ্ছে। কালকের পরে ওর আর নার্সের দরকার হবে না। আমি হাসপাতালে ফিরে যাবো। তুমি এরিকার স্বামীর ভূমিকায় অভিনয় করবে

    জিনি, এটা আমার কাজ, পয়সা নিয়েছি

    আমি শুতে যাচ্ছি। গুড নাইট।

    গারল্যান্ড শোবার আগে বাথরুমে ঢুকে ঠাণ্ডা জলে স্নান করে নগ্ন শরীরে পোষাক হাতে বেডরুমের দরজা খোলে।

    মার্ক,

    মেয়েলী গলায় ফিস ফিস শব্দ

    প্লীজ…আলো জ্বেলো না…

    জিনি!

    আর তোমাকে পাবো না। মেয়েটা সেরে উঠলে তুমি আর আমার দিকে তাকাবে না।

    চাঁদের আলোয় দেখা যাচ্ছে, জিনি চাদরটা জড়িয়ে বিছানায় বসে

    প্লীজ মার্ক তুমি আমাকে ঘেন্না করো না।

    জিনি ডার্লিং, আমি তোমাকে কোনদিন ঘেন্না করবো না, উদোম উলঙ্গ পুরুষ জিনির শরীর থেকে চাদরটা সরিয়ে স্লীম তরুণীর শরীর আলিঙ্গনে বাঁধে।

    কিন্তু এই কি তুমি চাও?

    তোমাকে চাই বলেই আমি লজ্জা ভুলেছি-না চাহিতে যারে পাওয়া যায়–সেই অপরূপ উপহার মার্ক বুকে তুলে নেয়।

    *

    সোভিয়েত রাশিয়ার স্পাই। ইয়র্ক পোস্টের সাংবাদিক হ্যারী হোয়াইটল বছরে তিনবার প্যারীতে আসে। সিয়ার প্যারী শাখার সর্বেসর্বা জন ডোরির পারসোন্যাল অ্যাসিস্টান্ট মার্সিয়া ডেভিস তার পুরনো দিনের বান্ধবী।

    ওরা লা ত্যুর দ্যারজে রেস্তোরাঁয় ডিনার খেয়েছে। ফলে দ্য সল্ কার্দিনাল এবং সুফলেই ভালতেইস-ডিনারের দুটো পদই ওরা চমৎকার রান্না করে।

    মার্সিয়া তুমি বিয়ে করছো না কেন?লম্বা স্মার্ট দীঘল চেহারার যুবক হ্যারী ট্যাক্সিতে ওঠার সময় বলে, ক্রিস্টমাসে আসছে তো?

    জানো, আম নিজেকেই প্রশ্ন করি, আমি কেন বিয়ে করছি না?

    হ্যারী বিয়ে করতে চায়? ট্যাক্সিটা যাবার পর মার্সিয়া ভাবে। ডোরির অফিসের চাকরী ক্লান্তিকর। কিন্তু ইয়র্কে নিজের দেশে ঘরসংসার পাততে ভালো লাগবে।

    খুশী হয়ে গানের সুর ধরে অন্ধকার লবি দিয়ে লিফটে ওঠে মার্সিয়া। চারতলার ঘরে।

    তালাটা টেনে চাবিতে চাপ দিতে তবে খোলে। তালাটা কাল সারাতে হবে। এখন সে মিনিট কুড়ি শুয়ে বই পড়বে, তারপর ঘুমুবে।

    আলো জ্বেলেই সে চমকে উঠে। ইস্পাতের ধারালো ফলা তার গলা ছুঁয়ে যায়।

    ইউ বীচ! হিংস্ব চিতার মতো গর্জে ওঠে স্মারনফ। টু শব্দ করলে তোর গলা কেটে ফেলবো।

    মালিক আর্মচেয়ারে বসে রাশিয়ান সিগারেট খাচ্ছে। বসুনমিস ডেভিস, মালিক ভদ্রভাবে বলে, আমাদের সময় খুব কম। এরিকা ওলসেন কোথায় আছে? ব্যক্তিগতভাবে মেয়েদের শারীরিক নির্যাতন আমি পছন্দ করিনা। কিন্তু আমার সঙ্গীর মত অন্যরকম। আপনি ঠিকঠাক উত্তর না দিলে আমার সঙ্গীর হাতে ছেড়ে দিতে বাধ্য হবো। ডোরি এরিকা ওলসেনকে কোথায় রেখেছে? বলুন–

    মার্সিয়া সিয়ার অনেক ফাইলেই সোভিয়েত রাশিয়ার সব থেকে বিপজ্জনক স্পাই মালিকের ছবি দেখেছে। চট করে ভেবে নেয়, গারল্যান্ড তো আগেই মালিককে বলেছে, এরিকাকে মার্কিন দূতাবাসে রাখার প্ল্যান করেছে ডোরি।

    এরিকাকে মার্কিন দূতাবাসে রাখা হয়েছে।

    মুশকিলটা কি জানেন? আমাদের এক এজেন্ট, সিয়ার স্পেশাল এজেন্ট জ্যাক কারম্যানকে নিস্ এয়ারপোর্ট দেখেছে। কারম্যান ডোরির স্পেশাল এজেন্ট। ডোরি কারম্যানকে পাঠিয়েছিল গারল্যান্ডকে নজর রাখতে। সুতরাং এরিকা কোৎ দ্য আজীর-এর কোথাও আছে। ঠিক কোথায় আছে এরিকা?

    গো টু হেল। কাঁচের অ্যাসট্রে ছুঁড়ে কাঁচের জানালা ভেঙ্গে দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করছিল মার্সিয়া। ঘাড়ে প্রচণ্ড চোট লেগে অজ্ঞান হয়ে পড়ে।

    ওর ধান্দা খারাপ দেখে স্মারনফ ওর ঘাড়ে হাতের তালুর ধার দিয়ে ক্যারেটে চপ মেরেছে।

    মালিক ঘুরে ঘুরে ঘরটা দেখে, সুন্দর ঘর। এই ঘরটা যদি আমার হতো। বিশেষ করে ম্প্রিংগারের আঁকা ওই স্কেচটা। পাখীরা উড়ছে। মস্কোয় নিজের বিশ্রী ফ্ল্যাটের কথা মনে হতেই ঘেন্না হয়।

    ততক্ষণে পকেট থেকে সিরিঞ্জ বার করে মার্সিয়ার শিরায় চড়া ডোজে স্কোপোলামিন ইনজেকশন স্মারনফ দিয়েছে।

    আধঘণ্টা পরে মার্সিয়া ঘুমের মধ্যে কথা বলে। এরিকা আর মার্ক গারল্যান্ড এজ-এ ডোরির বাগান বাড়িতে আছে। বাড়িটার নাম ভিলা হেলিয়স। ওহ্যালোরানের ছজন সান্ত্রী বাড়িটা পাহারা দিচ্ছে–

    এবার তোমার দুঃখের কথা তাই না? মেয়েটা দেখতে ভাল—

    অন্ধকারে সব বেড়াল আর সব মেয়েমানুষই এক দেখায়। স্মারনফ বলে, পৃথিবীতে একটা মেয়েমানুষ কমলে কিছুই হয় না।

    পাঁচ মিনিট অপেক্ষা করো,বলে, মালিক লিফটে নেমে এদিক ওদিক তাকিয়ে গাড়িতে স্টার্ট দেয়।

    স্মারনফ মার্সিয়াকে দাঁড়াতে সাহায্য করে। তোমার একটু ঠাণ্ডা হাওয়া দরকার।

    -খোলা ফ্রেঞ্চ উইন্ডো দিয়ে মার্সিয়াকে ব্যালকনিতে নিয়ে যায়।

    ওষুধের ঘোরে ঘুমে ঢুলুঢুলু চোখে মার্সিয়া রেলিং ধরে দাঁড়ায়।

    স্মারনফ দেখে, আশে পাশের অন্য কোন ব্যালকনিতে কেউ নেই। নীচে রু দ্য লা তুরে এর জনশূন্য পথ।

    মার্সিয়ার পিছনে স্মারনফ দাঁড়িয়ে ওর পায়ের গোছ দুটো ধরে ওপর দিকে টান দেয়।

    চারতলা থেকে যখন সেনীচে দাঁড় করানো গাড়ীর ছাদে পড়ে–তখন লাশটার ঘাড়, মেরুদণ্ড ও ডান হাতের হাড় ভেঙে গেছে।

    *

    কম্যুনিষ্ট চীন বনাম কমুনিষ্ট রাশিয়া

    ডোরির ফোন।

    আমার সেক্রেটারী মিস মার্সিয়া ডেভিস আধঘণ্টা আগে খুন হয়েছে। তার ফ্ল্যাটের জানলা দিয়ে তাকে কেউ রাস্তায় ফেলে দিয়েছে। তার হাতের শিরায় ইনজেকশনের দাগ। সম্ভবতঃ আমাদের শত্রুরা তাকে কোপোলামিন ইনজেকশন দিয়ে এরিকা ওলসেনের ঠিকানা জেনেছে।

    এটা বোধ হয় সোভিয়েত স্পাই মালিকের কাজ।

    আমারও তাই মনে হয়। এরিকাকে তুমি টের্যাসে যেতে দিও না। পাহাড়ের ওদিক থেকে কেউ গুলি করতে পারে।

    আমি ওদিকে একজন গার্ড রাখবো। ভালো কথা, এরিকা কালো আঙ্গুরের মত কি একটা জিনিষের কথা বলছে, তুমি কুং-এর ফাইলটা পাঠাও তো–

    ফোন রেখে গারল্যান্ড সার্জেন্ট ওলীয়ারিকে ডাকে।

    সার্জেন্ট, পাহাড়ের ওধারে একজন লোক আর একটা কুকুরকে পাহারায় রাখো

    তুমি তো জানো গারল্যান্ড, পাহাড়ে ওঠার কোন রাস্তা নেই। পেছনের রাস্তা ও ভিলার মধ্যে পাহাড়। আমাদের পেছনের দিকটা সম্পূর্ণ নিরাপদ

    ‘ও’ লীয়ারী। এটা আমার অর্ডার। ওখানে একটা লোক আর একটা কুকুর থাকবে।

    ঠিক আছে।

    ইতিমধ্যে…

    সমুদ্রের ধারের একটা ছোট ভিলায় ডোরির ভিলার ম্যাপের সামনে ঝুঁকে পড়েছে মালিক। স্মারনফ ও স্থানীয় সোভিয়েত এজেন্ট পেট্রোভকা।

    পেট্রোভকা বলে, সামনের গেট ছাড়া কোন রাস্তা নেই, ছজন সশস্ত্র সান্ত্রী আছে—

    মালিক বলে, পেছনের এই উঁচু রাস্তাটা থেকে পাহাড়ে নামার কোন সুঁড়িপথ নেই?

    ম্যাপে তো নেই—

    ম্যাপে না থাকলে, আছে কিনা খোঁজ নাও।

    .

    একটু পরে…

    এস্টেট এজেন্ট এনরি ঘুমের অফিসে পেট্রোভকা। আপনি মঁসিয়ে ডোরির ভিলার পিছন দিকে জমি কিনতে চান? জমি আছে, তবে জল নেই।

    সে হবে এখন। কিন্তু পেছন দিক থেকে পাহাড়ে নামার রাস্তা আছে কি?

    রাস্তা একটা ছিল, পুরনো স্কেচ ম্যাপ দেখায় মে, তবে এখন কেউ ব্যবহার করে না। অতএব, এবড়ো খেবড়ো, পিছল, আলগা মাটি…

    এরই মধ্যে…

    নিসের ভিঙ্গ ফ্রোঁসে গিরিবর্ত পেরিয়ে ছোট একটা হোটেলে পৌঁছেছে কমুনিস্ট চীনের তিন স্পাই–পার্ল কুও, সাদু মিচেল, জো জো চ্যানডি। হোটেলউলি রুবি কুও পার্লের মাসী।

    জো জো চ্যানডি খোঁজ নিল যে আর্মি পাহারা দিচ্ছে। কি করে ঢোকা যাবে, মার্কিন ফৌজের লোক আছে। অ্যালসেশিয়ান কুকুরও আছে। সামনে উঁচু দেয়াল। মেয়েটা ভিলা থেকে না বেরোলে কিছু করা যাবে না। বাড়ির পেছন দিকটায় পাহাড়। সামনের গেট থেকে ভিলাটা ভালো দেখাই যায় না।…

    তুমি আমাদের গ্রুপের সবচেয়ে বুদ্ধিমান লোক। এখন তুমি ঠিক করো, কি করতে হবে…

    পার্ল গিয়ে রুবির সঙ্গে কথা বলে। ফিরে এসে বলে,

    মাসী বলছে পাহাড়ের পেছনের উঁচু রাস্তা থেকে পাহাড়ে উঠে ভিলার পিছনদিকে যাবার; একটা সঁড়িপথ আছে। এখন ওটা ব্যবহার হয়না ।

    কিন্তু ওরা যদি রাস্তাটার কথা জেনে থাকে?যদি পেছনের রাস্তায় ওদের সান্ত্ৰীবাকুকুর থাকে?

    পার্ল বলে, একজন সান্ত্রী বা একটা কুকুরে কিছু হয় না, জো-জোর কাছে পয়েন্ট টোয়েনটি টু টেলিস্কোপিক রাইফেল আর সাইলেন্সার আছে–

    ভায়োলিনের কেসের ভেতরে টেলিস্কোপিক রাইফেলকে খোলা দুভাগে পার্টস আর সাইলেন্সার রাখা আছে। দুটোই জাপানী ব্রান্ডের সকাল ৪টা ৫৫র ফ্লাইটে নিয়ে এসেছে সস্তা ফুলকাটা ফ্ৰকপরা এক চাইনিজ যুবতী। ভায়োলিনের কেসের ভেতরে রাইফেলের পার্টস। পুলিশ কোন সন্দেহ-ই করেনি।

    রাইফেলের পার্টসগুলো ফিট করে সাইলেন্সার লাগিয়ে দুরের একটা গাছের দিকে নিশানা ঠিক করতে করতে চ্যান্ডি বলে, ধরে নাও, মেয়েটা মরেই গেছে।

    এরই মধ্যে…

    .

    মার্ক গারল্যান্ডের কথা মাফিক বাধ্য হয়ে ভিলার পিছনদিকের পাহাড়ের পেছনের যে রাস্তাটা গ্রাদ কার্নিশের দিকে গেছে, সেখানে পাহারা দিতে একজন সান্ত্রী পাঠিয়েছে সার্জেন্ট ওলীয়ারি।

    ট্যুরিস্ট বাসগুলো দুপুরবেলা একের পর এক আঁকাবাঁকা রাস্তা বেয়ে পাহাড়ের চড়াইয়ে উঠছে। ফটো তোলার জন্য মাঝে মাঝে থেমে থেমে চলেছে।

    সান্ত্রী ডেভ ফেয়ারফ্যাক্স জীপে বসে বিরক্ত চোখে ট্যুরিস্টদের দেখছে। তার অ্যালসেশিয়ান কুকুরটা জীপের পেছনের সীটে। কড়া রোদে পাহারা দিতে না হলে এতক্ষণে সে তার ইয়ার দোস্তদের সঙ্গে জুয়া খেলে সব টাকা জিতে নিতে পারতো।

    টাকাটা ওর দরকার। কদিন আগেই ভিইফ্রাস বন্দরে এক ফরাসী যুবতীর সঙ্গে তার আলাপ হয়েছে। কিন্তু নেভীর ছোকরাদের সঙ্গে মেয়ে পটানোর ব্যাপারে প্রতিযোগিতায় নামা খুব শক্ত ব্যাপার। ওরা জাহাজ থেকে নামলেই খুপসুরৎ মেয়েগুলো ওদের ঘিরে ধরে।

    তিনটে ট্যুরিস্ট বাস রাস্তা দিয়ে চলে গেল। একটা লোক পুরু কাঁচের পাসনে চশমাওলা, পাচার মত মুখ বাসের জানলা থেকে ঘাড় উঁচিয়ে জীপের ফটো তুললো। ওকে মুখ ভ্যাঙায় ফেয়ারফ্যাক্স।

    অসহ্য গরমে জীপ চলছে। বাড়ির সামনের ছায়াঢাকা বাগানটা কতো ঠাণ্ডা। লাইন দিয়ে টুরিস্ট বাস চলছে। ওভারটেক করতে পারছে না।

    কালো রঙের ৪০৪ মডেলের একখানা গাড়ি শ্লথ ট্রাফিকের স্রোতের মধ্যে, এক সুন্দরী ভিয়েনামী মেয়ে ড্রাইভ করছে। ওর পাশে সেই রোগা ছোট কুকুতে চোখ লোকটা। পেছনের সীটে নোংরা অগোছালো পোষাকে তরুণ বীটনিক সঙ্গে একটা ভায়োলিন।

    পার্ল ফিসফিস করে বলে, বাঁদিকে।

    সাদু আর জো জো ফৌজী জীপ দেখে চমকে ওঠে, তবে কি ইয়াঙ্কিরা সঁড়ি পথটার কথা জেনে গেছে।

    জো জো নিজের পয়েন্ট থারটি এইট পিস্তলটা সাদুকে দেয়। সাদু তাড়াতাড়ি ট্রাউজারের ওয়েস্ট ব্যান্ডে পিস্তলটা লুকিয়ে রাখে।

    সে ভয় পাচ্ছে।

    ইয়াঙ্কি সান্ত্রীর নজরের আড়ালে রাস্তার বাঁকের মোড়ে পৌঁছে পার্ল গাড়ীর বাইরে হাত দেখিয়ে সিগন্যাল দেয়। সে গাড়ি থামাতেই পেছনে ট্রাফিকের ধীরবহমান স্রেত থামে।

    পার্ল বলে, তাড়াতাড়ি–আধঘণ্টা পরে আসবো, ক্যামেরাটা নিতে ভুলো না।

    সাদু ১৬ মিলিমিটার মুভি ক্যামেরা নিয়ে নামে। তার সঙ্গী জো জোর কাছে একটা ভায়োলিন আর একটা হ্যাঁঙারস্যাকের ভেতরে খাবার আর মদ।

    দীর্ঘদিন অব্যবহারে পাহাড়ী সঁড়িপথ ঘাস আর ঝোঁপঝাড়ে ঢাকা। জীপ যেখানে দাঁড়িয়েছে, সেখান থেকে কয়েকশ মিটার দূরে সঁড়িপথের মুখ।

    ফেয়ারফ্যাক্স এক লহমার জন্যে চোখ খুলে দেখলো, দুটো লোক–ওদের একজন মুভি ক্যামেরা নিয়ে পাহাড়ের ওপর থেকে নীচের ফটো তুলছে। সে ভাবে, ট্যুরিস্ট।

    আর একটা ট্যুরিস্ট বাস এসে সাদু ও জীপের মাঝখানে যেই আড়াল করেছে, তখন সেই রাস্তা বদলে সঁড়িপথে ঢুকে পড়ে সাদু ও জো জো। ফেয়ারফ্যাক্স দেখেনি কিন্তু অন্য ট্যুরিস্টরা তাদের দেখেছে।

    ট্যুরিস্ট বাস যাচ্ছে, ফেয়ারফ্যাক্স রেডিওর নব ঘোরাচ্ছে, ক্যামেরা আর ভায়োলিন হাতে লোক দুটোর দিকে কোন খেয়ালই করেনি।

    ডোরির ভিলা দেখতে পেয়ে সাদু নিশ্চিন্ত হয় যে কোনও সান্ত্রী নেই, আবার বড় রাস্তায়। ফিরে আসে।

    এরই মধ্যে জো জো এমন জায়গায় পৌঁছেছে যেখান থেকে নীচে ডোরির ভিলার ওপর তলার সমতল ঝুল বারান্দা দেখা যাচ্ছে। টেলিস্কোপে দেখে সে, টেরাসের প্রত্যেকটা পাথর স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে।

    .

    বেলা ১টা-৩০মিনিট..

    ..স্থানীয় সোভিয়েত স্পাই পেট্রোভকা জানে। এতক্ষণে মালিক অধৈর্য হয়ে উঠেছে। পেছনের বড় রাস্তা থেকে সঁড়িপথ পাহাড় বেয়ে গেছে। সে ম্যাপে দেখেছে। কিন্তু কোথায়! বড় রাস্তার মোড়ে গাড়ি দাঁড় করিয়ে সে দেয়াল ডিঙিয়ে পাহাড় বেয়ে নামছে। মাঝে মাঝে পা পিছলে যাচ্ছে, শেষ পর্যন্ত সে পুরনো দিনের পায়ে চলা সরু পাহাড়ী রাস্তাটা খুঁজে পায়।

    একটা নুড়ি পাথর গড়িয়ে পড়ে। নিঃশব্দে ঝোঁপের মধ্যে ঢুকে হামাগুড়ি দিয়ে বসে জো জো। এদিকে কে যেন আসছে। রাইফেলের ট্রিগারে আঙ্গুল স্থির করল।

    হাতে সাত পয়েন্ট তেষট্টি মিলিমিটার ক্যালিবারের মসার পিস্তল : সরু পাহাড়ী রাস্তা দিয়ে সোভিয়েত রাশিয়ার স্পাই পেট্রোভকা নামছে। কনিষ্ট চীনের পেশাদার খুনী জো জো চ্যানডির রাইফেলের পয়েন্ট টোয়েনটি টু বুলেটে পেট্রোভকার কপালের হাড় চুরচুর হয়ে যায়।

    জো জো. রাইফেলটা আবার লোড করে। তারপর পেট্রোভকার লাশটা ঝোঁপের মধ্যে লুকিয়ে রাখে।

    সমুদ্র সৈকতের ছোট্ট ভিলায় তখনো পেট্রোভকারের জন্যে অপেক্ষা করছে দুই সোভিয়েত স্পাই মালিক আর স্মারনফ।

    *

     যখন ভাঙলো মিলন মেলা

    মার্ক গারল্যান্ডের খুব ভোরে ঘুম ভাঙে।

    আমি নিজের ঘরে যাচ্ছি, প্রেমের শয্যায় উঠে বসেছে নার্স জিনি রোশ। কাল সে চুলে পেরক্সাইড ঢেলেছে। এখন বহু চুল অগোছালো। তার নগ্ন পিঠ, কোমর ও নিতম্ব পেছন থেকে গারল্যান্ড দেখে। জিনিকে জড়িয়ে ধরে সে ওকে বুকে টেনে নেয়।

    এখনই যেয়ো না।

    না, প্লীজ, জিনি উঠে দাঁড়ায়, তোমার বয়স আমার দ্বিগুণ।

    আমার সয়ে যাবে, যদি তুমি সইতে পারো

    ভেবে দেখবো

    আবার কবে দেখা হবে

    হাসি চেপে জিনি বলে, আমি তো হাসপাতালেই থাকবো। হাসপাতালটা তো পালিয়ে যাচ্ছেনা।

    ব্রেকফাস্টে কফি, অরেঞ্জ জুস, ডিম, হ্যাম, ব্লু ট্রাউট মাছ। ডোরির পয়সায় ব্রেকফাস্ট মন্দ লাগেনা গারল্যান্ডের।

    জিনি এসে খবর দেয়, এরিকার ঘুম ভেঙেছে। ও টেরাসে যেতে চাইছে।

    সুইডিস রূপসীর পরনে আজ নীল পোক।

    হ্যালো মার্ক, চলো, সমুদ্রে সাঁতার কাটবো

    না ডার্লিং, ডাক্তার বলেছে, চড়া আলোয় বেরোনো একদম বারণ, তাহলে তোমার স্মৃতি ফিরবে না।

    মার্ক, সত্যিই তুমি আমার স্বামী?

    ম্যারেজ সার্টিফিকেট দেখবে?

    আমাদের কবছর বিয়ে হয়েছে?

    তিন বছর।

    বাচ্চা হয়নি কেন?

    এখনো আমরা ঠিকমতো সংসার পাতার সুযোগ পাইনি।

    তোমার বিজনেস?

    হ্যাঁ, আই, বি, এম-এর হয়ে কম্পুটারের ব্যবসা করি।

    তাহলে তোমার বাগানে ফৌজী পাহারা কেন?

    দু একদিনের মধ্যে ফ্রান্সের অর্থমন্ত্রী এখানে আসছে। গতমাসে কে যেন ওঁকে বোমা ছুঁড়ে মারতে চেয়েছিল। ওরই নিরাপত্তার জন্যে..পিকিং-এর কথা তোমার মনে পড়ে এরিকা?

    পিকিং? এরিকার হাত দুটো মুঠো করা, না পিকিং আমার ভালো লাগেনি, হ্যাঁ ভালো লেগেছিল…কালো আঙ্গুর…সোনালী ড্রাগন…আমার কাছে ছিল…আমার আর কিছুমনে পড়ছেনা।

    অনেকক্ষণ পরে…

    গারল্যান্ড একা ঘরে বসে চীনা রকেট বিজ্ঞানী ফেং হো কুং-এর ফাইল পড়ছে। ফাইলের শেষের দিকে…দ্য আর্ট অ্যান্ড দ্য কন্যাসার ম্যাগাজিনের কাটিং,…কুং পরিবারের মূল্যবান পাথর ও অলঙ্কারের সংগ্রহশালায় আছে পৃথিবীর একমাত্র কালো মুক্তো। তৃতীয় শতাব্দীতে এই মুক্তোর মালিক ছিল চীনের প্রাচীর যে তৈরী করেছে সেই শি হুয়াং তি। ১৭৫৩ খৃঃ এই মুক্তো কুং পরিবারের দখলে আসে। সেই থেকেই মুক্তোটা ওদের দখলেই রয়েছে…

    তাই কালো আঙুরের কথা বলছিল এরিকা?

    একটু পরেই…

    মতেকার্লোর বুলেভার্দ দ্য মূল্যায় জুয়েলারীর ব্যবসায়ী জ্যাক ইউ-কে এক কালে ব্ল্যাকমেলের হাত থেকে বাঁচিয়েছিল মার্ক।

    ইউ, আঙুরের মতো দেখতে কালো মুক্তোর ব্যাপারে কিছু বলতে পারো?

    হ্যাঁ, ওটা কুং পরিবারের সম্পত্তি, পিকিং-এ আছে।

    কুং-এর মুক্তোটাই পৃথিবীর একমাত্র কালো মুক্তো। পারস্য উপসাগরের তৃতীয় শতাব্দীতে কোন জেলে এই মুক্তো পেয়ে শি হুয়াং তি-কে বিক্রী করে। একটা থিওরী আছে। মুক্তোটা কালো হওয়ার কারণ অক্টোপাসের কালো থুতু ঝিনুকের মধ্যে ঢুকেছিল। কুং পরিবার মুক্তোটার মালিক হওয়ার পর ১৮৮৭তে ফেং হো কুং-এর বাবা ওদের পাথর ও জুয়েলারীর একটা ছবিওলা ক্যাটালগ ছাপায়।

    ইউ অনেক খোঁজার পর ক্যাটালগটা বার করে। এই দেখো, কালো মুক্তোর ফটো

    বড় আঙুরের মত সাইজের কুচকুচে কালো মুক্তো সোনার তৈরী ড্রাগনের পিঠে বসান।

    ফটোটা খুঁটিয়ে দেখে গারল্যান্ড বলে, ধরো কুং এটা গোপনে বিক্রী করতে চায়। তোমার কোন খদ্দের আছে, যে কিনতে পারবে? কতো দাম দেবে?

    অন্ততঃ তিরিশ লাখ ডলার। কিন্তু গারল্যান্ড, ব্যাপারটা কি? কুং কি সত্যিই ওটা বেচতে চায়?

    এখন না পরে বলবো।

    গারল্যান্ড ভেবেছে, ডোরির কাছে কালো মুক্তোর ব্যাপারে কিছু বলবে না।

    গারল্যান্ড ডোরির ভিলায় ফিরে ডোরির ফোন পায়।

    তোমার কথামত অ্যাস্টের্গ হোটেলে খোঁজ নিয়ে জানলাম, সেখানে মেয়েটা নাওমি হিল নামে ঘর ভাড়া নিয়েছিল। কিন্তু দুটো সুটকেসের মধ্যে একটা পাওয়া গেছে, আর একটা কোথায় গেল?

    গারল্যান্ড ভাবলো, কালো মুক্তো…নিখোঁজ দুনম্বর স্যুটকেস…

    জিনি, তুমি টের্যাসে রোদ পোয়াবে না?

    যাচ্ছি। এরিকা খুব সুন্দরী তাই না?

    তুমি ও সুন্দরী, ওকে জড়িয়ে তোমার এমন কিছু আছে ওর যা নেই

    জিনিষটা কি?

    আজ রাতে বলবো।

    বেশ, ফ্রেঞ্চ উইনডো দিয়ে টেরাসে যায় জিনি।

    ঠিক তখনই…।

    ভিলার পেছনে টেরাসের মুখোমুখি পাহাড়ের ওপরে কম্যুনিস্ট চীনের ফরাসী স্পাইচক্রের পেশাদার খুনী জো জো চ্যানডি গরমের চোটে কোট খুলেছে। শার্টের হাতা গুটিয়েছে। হ্যাঁভারস্যাক থেকে মদের বোতল বার করে আধ বোতল মদ গিলেছে। আরও গরম লাগছে; মদের বদলে কোকাকোলা আনা উচিত ছিল। চার ঘণ্টার মধ্যে কেউ আসেনি। সে রুটি বার করে কামড় দেয়, হঠাৎ তার শরীর শক্ত হয়ে ওঠে। রুটি ফেলে সে রাইফেল তোলে।

    এতোক্ষণে

    মাথায় ব্লন্ড চুল, পরনে বিকিনি,–মেয়েটা টের্যাসে দাঁড়িয়ে চামড়ায় সানট্যান স্প্রে করছে রাইফেলের টেলিস্কোপিক সাইটে দেখা যাচ্ছে। নার্স জিনির চুল কালো। এরিকা ওলসেনের চুল সোনালী। অতএব–এই এরিকা।

    টেলিস্কোপিক সাইটের ক্রশসেকশন মেয়েটার কপালের মাঝখানে স্থির হয়।

    মেয়েটা নিশ্চল দাঁড়িয়ে আছে।

    নিঃশব্দে, নিশ্বাস বন্ধ করে জো জো ট্রিগার টেপে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleব্ল্যাক অর্ডার (সিগমা ফোর্স – ৩) – জেমস রোলিন্স
    Next Article জেমস হেডলি চেজ রচনা সমগ্র ২ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)

    Related Articles

    জেমস হেডলি চেজ

    জেমস হেডলি চেজ রচনা সমগ্র ২ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)

    August 18, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }