Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    জেমস হেডলি চেজ রচনা সমগ্র ১ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)

    জেমস হেডলি চেজ এক পাতা গল্প2631 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১. সেন্ট জন্স নদীর ধারে

    হ্যাভ এ নাইস-নাইট

    ০১.

    জ্যাকসনভিলের সেন্ট জন্স নদীর ধারে স্বল্পালোলাকিত একটা ঘিঞ্জী বারে দুজন লোক একটা টেবিলে বসে খুব নীচু স্বরে কথা বলছিল। মোটামতন বারম্যান ছাড়া আশেপাশে কেউ ছিল না।

    ডানদিকে বসা লোকটার নাম এড হ্যাডন–শিল্পদ্রব্য চোরাকারবারীদের রাজা। লোকটা একজন প্রথম শ্রেণীর পরিকল্পনাকারী। হাবেভাবে চলা ফেরায় যেন এক অবসরপ্রাপ্তধনীব্যবসায়ী। ভদ্রলোকের মতন নিয়মিত ট্যাক্স দেয়। আজ প্যারিসের ফ্ল্যাটে থাকছে তো কাল থাকছে লন্ডনে কিংবা দক্ষিণ ফ্রান্সের কোন অভিজাত এলাকায় নিজস্ব ফ্ল্যাটে। তার নেতৃত্বে অত্যন্ত সুসংহত ভাবে কাজ করে চলেছে চোরদের একটা বিরাট দল। প্রতিটি চুরির পিছনেই কাণ্ড করছে তার চমৎকার পরিকল্পনা। আর প্রত্যেকটা কাজ থেকেই সে লুটছে বিরাট-মুনাফা।

    হ্যাডনকে দেখে কোন সেনেটর বা সেক্রেটারী অফ স্টেটস্ ভাবাটা ভুল নয়। লম্বা শক্ত সমর্থ চেহারা। মাথা ভর্তি ধূসর রঙের চুল। সুন্দর মুখে সবসময়েই একটা বিনয়ী হাসি লেগে রয়েছে। তার এই আপাত সুন্দর চেহারার পেছনে রয়েছে অত্যন্ত ক্ষুরধারসম্পন্ন এবং ধূর্ত এক মাথা। তার ডানদিকের পাশে বসা লোকটির নাম লু ব্রাডে। অন্ধকার জগতে তার নাম এক নম্বর শিল্প-চোর হিসেবে। পঁয়ত্রিশ বছরের ছিপছিপে চেহারা। মাথায় ছোট ছোট করে ছাঁটা চুল। পিঙ্গ ল বর্ণের চঞ্চল চোখ দুটি। যে কোন ধরনের তালা খোলার দক্ষতা ছাড়াও তার আর একটা গুণ রয়েছে। সে হচ্ছে ছদ্মবেশ ধারণ করা। তার মুখের চামড়া রবারের মতন। মুখের ভেতরে কয়েকটা প্যাড ঢোকালেই তার চেহারা অন্যরকম হয়ে যায়। নিজেই সে পরচুলা বানিয়ে নেয়। গোঁফ লাগালে মনেই হয় না সেটা আসল না নকল। প্যাড লাগানো জামাকাপড় পরলে তাকে মোটাসোটা ভুড়িওয়ালা তোক মনে হয়। তার ছদ্মবেশ ধারণ করার এই অপূর্ব দক্ষতার জন্য আজ পর্যন্ত তার নাম পুলিশ রেকর্ডে নেই। যদিও পুলিশ তাকে ধরবার জন্য হন্যে হয়ে ঘুরছে।

    এই দুটি লোক একসঙ্গে অনেক অন্ধকার জগতের কাজ করেছে এবং এই মুহূর্তে তারা তাদের ঠিক আগের কাজটার সমালোচনা করছে। কাজটা ছিল ওয়াশিংটন মিউজিয়াম থেকে ক্যাথারিন দি গ্রেটের আইকম চুরি করা। সামান্য কিছু ভুলের জন্য তারা কাজটায় ব্যর্থ হয়েছিল।

    হ্যাডন একটা সিগারেট ধরিয়ে বলল, আমার অনেক টাকার লোকসান হয়ে গেছে ঐ কাজটায়, লু। অবশ্য সে জন্য আমি কেয়ার করি না। একবার হার তো পরের বার জিত তো আছেই। তখন লোকসানটা পুষিয়ে নিলেই হল। ঠিক বলছি কিনা?

    ব্রাডে মাথা নাড়ল।তোমার মাথায় কোন ফন্দি এসেছে বলে মনে হচ্ছে?

    আমি একদম বাধ্য না হলে চুপচাপ বসে থাকিনা। এবারের কাজটা বিরাট। অবশ্য তার জন্য ঠিকমতন প্রস্তুতি নেওয়াদরকার।আমাদের প্রথমকাজ একটাভাল দল তৈরীকরা এইকাজটার জন্য। সেই তালিকার প্রথমেই তোমার নাম আছে। আগামী তিন সপ্তাহের জন্যে তুমি কি খালি আছ?

    ব্রাডে ধূর্তের হাসি হেসে বলল, তুমি যখনই আমাকে চাইবে তখনই পাবে, এড।

    হা। মাথা নাড়ল এড হ্যাডন। তা ঠিক। কারণ, তুমি জান যে আমি যখন কোন কাজ নিই, তা হল প্রচুর অর্থে থাবা বসান। আমি যখন আইকম চুরির পরিকল্পনা করেছিলাম–সেই সময় আমি প্যারাডাইজ সিটির বে হোটেলেছিলাম। প্রচুর খরচা হয়েছিল অবশ্য। এখন এই হোটেলটার একটা বিশেষত্ব আছে। এটা বলতে গেলে পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে দামী ডিলুক্স হোটেল। শুধুমাত্র অপরিমেয় অর্থের মালিকরাই এই হোটেলে থাকতে পারে। আর সত্যি কথা বলতে কি সেরকম অর্থবান লোক অনেক আছে বলে এই হোটেলটায় সবসময়েই ভীড় লেগে থাকে।

    ব্রাডে ভ্রূ কুঁচকিয়ে বলল, তুমি ওখানে ছিলে?

    –নিশ্চয়। আমি বড়লোকদের সাথে ওঠানামা করি আর সেইখান থেকেই আমার পরিকল্পনা গড়ে ওঠে। খরচা হয় বটে। তবে তার দাম উঠে আসে। এই হোটেলটা থেকেও আমি একটা মগজের ধোরাক পেয়েছি। হ্যাডন সিগারেটে শেষ টান দিয়ে ছাইটা ঝেড়ে আবার বলল, জন ডুল্যাক নামে এক ফরাসী ভদ্রলোক ঐ হোটেলটার মালিক। লোকটা জানে ব্যবসা করতে। তাকে দেখতে সুন্দর, সম্ভ্রান্ত এবং খদ্দেররাও তাকে পছন্দ করে। সে বেছে বেছে কর্মচারী রাখে এবং সেরা জিনিস পছন্দ করে। আমি হোটেলে কোন স্যুট জোগাড় করতে না পেরে একতলায় কিছু দুকামরার ঘর রয়েছে, সেখানে ছিলাম। অবশ্য সেগুলোও ডিলুক্স।আমি সারা হোটেলটায়মানে লাউঞ্জে, তিনট রেস্তোরাঁয় আর সুইমিং পুলে ঘুরে বেড়াবার সুযোগ পেয়েছিলাম।তারপর একটু থেমে হ্যাডন ব্রাডেকে লক্ষ করে গম্ভীরভাবে বলল, সত্যিই হোটেলটা ভয়ানক ধরণের পয়সাওলা লোকে ঠাসা।

    ব্রাডে মন দিয়ে সব শুনছিল।

    তোমার আর বলার দরকার হবেনা, পুরুষরা যখন ধনী হয় তখন তাদের স্ত্রীরা একে অন্যের সঙ্গে দেখানোর প্রতিযোগিতায় নেমে পড়ে। এই প্রতিযোগীতায় দামী জামাকাপড় ছাড়াও থাকে অলংকারের প্রদর্শন। এইসব নির্বোধ মেয়েমানুষগুলো যারা নিজেদের জীবনে এক ডলারও রোজগার করেনি তারাই তাদের স্বামীর কাছে লক্ষ লক্ষ ডলারের গয়না দাবী করে এবং পেয়েও থাকে। হোটেলের সবচাইতে দামী রেস্টুরেন্টে ডিনারের সময়টা একটা দেখার মতম দৃশ্য। মেয়েরা হীরে, মণি, মুক্তো দিয়ে নিজেদের মুড়ে ডিনার খেতে আসে। আমি জীবনে একটা ঘরের মধ্যে অত মণি মুক্তোর সমারোহ আর দেখিনি। এক এক জন মহিলা প্রায় ষাট, সত্তর লক্ষ ডলারের গয়না পরে আসে।

    ব্রাডে একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলল, অতীব চমৎকার। তারপর?

    হ্যাডন সিগারেটে একটা টান দিয়ে বলল, তাই আমার মনে হয়েছে হোটেলে যদি একটা দাও বসাতে পারি, তাহলে লাভের অঙ্কটা বিরাট হয়।

    যাট লক্ষ ডলার? ব্রাডে প্রশ্ন করল।

    আরও বেশী হতে পারে, তবু ষাটই বলা ভাল।

    ব্যাপারটা আকর্ষণীয়।তারপর মাথা চুলকে বলল, কিন্তু হোটেলে কিভাবেদাও মারবে,এড। ব্যাপারটা একটু বুঝিয়ে বলবে?

    খুব স্বাভাবিক, চট করে তুমি বুঝতে পারবে না, লু। কারণ, তুমি স্মার্ট চালাক চতুর ঠিকই। কিন্তু মগজটা আমার। তুমি কাজ কর আর বুদ্ধি যোগাই আমি। তাই তো তোমার আমার জোটটা এত ভাল।

    বেশ কাজের কথায় এস। ষাট যদি হয়, তবে আমার ভাগে কত আসবে?

    কুড়ি। অন্যান্য খরচা সব আমার। ঠিক আছে?

    বেশ। কিন্তু মালগুলো যখন সরাব, সেগুলো কে সামলাবে?

    বিরাট হৈ চৈ হবে ঠিকই। চারিদিকে খোঁজ খোঁজ শুরু হয়ে যাবে। তাই ভাবছি ঠিক তক্ষুণি মালগুলো শহরে থেকে না সরিয়ে কেনড্রিকের কাছে জমা রাখব। কেনড্রিক আমাদের একনম্বরের বিশ্বাসী লোক। দেখি ওর সাথে কথা বলি।

    ব্রাডে মুখ কুঁচকিয়ে বলল ঐ মোটা লোকটাকে আমি ঘেন্না করি।

    ওসবে কিছু যায় আসে না।

    বেশ! কিন্তু কাজটা করবে কী ভাবে? প্ল্যানটা বল।

    হ্যাডন বারম্যানকে আরও দুপেগ মদ দিয়ে যাবার জন্য বলল। বারম্যান চলে যাবার পরে সে বলল, লু, তবে শোন–ঐ হোটেলের সিকিউরিটিটা দারুণ। প্রত্যেক হোটেল বাসিন্দাকে একটা স্ক্যামলারতালাওলা বাক্স দেওয়া হয়। রাতে বোর্ডাররা তাদের মূল্যবান জিনিসপত্র এবং অলংকার ঐ বাক্সে রেখে দেয়। স্ক্যামলার তালার নম্বর শুধুমাত্র ঐ বোর্ডারই জানে। এরপর দুজন সিকিউরিটি গার্ড এসে সব বাক্স জড়ো করে হোেটলের সিন্দুকে নিয়ে রাখে। বুঝতে পারছ?

    মাথা নাড়ল ব্রাডে। স্ক্যামলার তালা? ই, হেসে বলল, আমার কাছে ওসব জলভাত।

    সুতরাং, বুঝতে পারছ ঐসব ধনী অলস লোকগুলো যখন শুতে যায়, হোটেলের সিন্দুক ভর্তি থাকে অমূল্য সম্পদে।

    হোটেলের সিন্দুকটা কিরকম দেখতে? কোথায় রাখা আছে?

    –সেটা দেখে নিতে হবে।

    –ঠিক আছে, এখন সিকিউরিটির ব্যবস্থাটা বল।

    হোটেলে দুজন ডিটেকটিভ আছে। তারা পালা করে হোটেলের তদারকি করে।এবং দেখে মনে হয় যথেষ্ট যোগ্যতাসম্পন্ন। রাত নটার সময় অস্ত্রধারী দুজন সিকিউরিটি গার্ড আসে এবং তারা রাত দুটো পর্যন্ত পাহারা দেয়। দুজনেই যুবক এবং শক্ত ধরনের। হোটেলের কলরব স্তব্ধ হয়ে আসে রাত প্রায় তিনটের সময়। কিন্তু কখনও কখনও রাত চারটেয় বোর্ডার আসে। আমার মনে হয় সিন্দুক খোলার আদর্শ সময় হবে রাত তিনটের সময়। আমি এখন আর বিশদভাবে কিছু বলতে পারব না। বাকিটুকু তোমায় দেখে এবং বুঝে নিতে হবে।

    -তার মানে আমাকে হোটেলে থাকতে হবে?

    এছাড়া অন্য কোন উপায় নেই। আমি তোমার সম্মতির অপেক্ষা না করেই একজন ট্রাভেল এজেন্টকে দিয়ে ঐ হোটেলের এক তলার একটা ঘর ভাড়া নিয়েছি। মোটা টাকাও জমা দিয়েছি। তুমি আগামী সপ্তায় কর্নেলিয়াম ভান্স নাম নিয়ে ঐ হোটেলে গিয়ে উঠবে। তুমি যে ধনী তার প্রমাণ স্বরূপ একটা রোলস রয়েলসের ব্যবস্থা করেছি। তুমি ছদ্মবেশ নেবে একজন ধনীবৃদ্ধ অশক্ত লোকের যে হুইল চেয়ারে চলাফেরা করে। সঙ্গে থাকবে একজন পুরুষ নার্স। কারোর সাথে মেলামেশা করবেনা এবং হোটেল কতৃপক্ষকে জানিয়ে দেবে তুমি একান্তে থাকতে চাও। তোমার হোটেল বাবদ আমার খরচ খরচা পড়বে পনের হাজার ডলার। ঘরের ভাড়াই দিনে আটশো ডলার। মদ খেতে পারবে না। সাধারণ খাবার খাবে। না হলে বিল আকাশ ছোঁয়া হবে। কি রাজী?

    ব্রাডে মাথা নাড়ল।

    -তোমার কাজটা হবে সিন্দুকটা খুঁজে বার করে খোলা। তোমার একজন সাহায্যকারী থাকবে যে রোলসটা চালাবে আর লোকজনদের সাথে মিলে মিশে খবর জোগাড় করবে। সেও তোমায় সাহায্য করবে সিন্দুকটা খুঁজে বার করতে এবং অপারেশনের সময় বাক্সগুলো সরাতে এই হচ্ছে মোটামুটি প্ল্যান। এবার বাকিটা তুমি ঠিক করে নেবে।

    –তুমি বলছ যে রাতে একজন ডিটেকটিভ পাহারাতে থাকে?

    –হ্যাঁ।

    দুজন অস্ত্রসমেত প্রহরীও থাকে?

    –ওদের নিয়ে তুমি চিন্তা কোর না। কারণ, আমি জানি যে প্রথমেই এই ডিটেকটিভ আর প্রহরী দুজনের ব্যবস্থা করা দরকার। সে ব্যবস্থাও আমি করেছি।

    –তাই যদি করে থাক, তাহলে ভাল। এবার পুরুষ নার্সের ব্যাপারে আমার আপত্তি আছে। এসব ব্যাপারে একজন সুন্দরী যুবতী নার্স বেশী কাজে লাগবে–হোটেলের যত্রতত্র সে ঘুরে বেড়াতে পারবে এবং প্রয়োজনীয় খবরও জোগাড় করতে পারবে।

    –তুমি তোমার গার্লফ্রেণ্ডের কথা নিশ্চয়ই বলছ। সে তুমি ঠিক কর। তুমি পাবে মোট কুড়ি। তার থেকে যদি ভাগ দিতে চাও দেবে।

    কিন্তু ঐ ডিটেকটিভ আর গার্ড দুজনের ব্যবস্থা কি ভাবে করছ?

    হ্যাডন বলল, ঘুম পাড়ানী গুলি দিয়ে। এই দ্যাখ, বলে হ্যাডন তার পায়ের কাছে রাখা ব্রিফকেসটা তুলে নিয়ে তার থেকে একটা এয়ার পিস্তলের মতন যন্ত্র বার করল–দ্যাখ, এতে ছটা গুলি ভরা আছে। তোমাকে শুধু লক্ষ্য স্থির করে ট্রিগার টিপতে হবে। ছঘন্টার মতন লোকটা ঘুমিয়ে থাকবে।

    আমার বিশ্বাস হচ্ছে না, ব্রাডে বলল। হ্যাডন হাসল। দেখতেই পাবে, তুমি তো পিস্তল চালাতে পার।

    –না, আমি ওসব মোটে পছন্দ করি না।

    –তাহলে অভ্রান্ত টিপ আছে এরকম একজন লোক আমাকে জোগাড় করতে হবে। সেই লোকই তোমার গাড়ি চালাবে, গার্ডগুলোর ব্যবস্থা করবে আর বাক্স সরাবার সময় তোমায় সাহায্য করবে। এবার পিস্তলের ব্যাপারটা আমি তোমায় দেখাব।

    হ্যাডন বারম্যানকে ডাকল,বারম্যান এসে বিলের টাকাপয়সা নিয়ে পেছন ফিরতেই, হ্যাডন পিস্তলটা তুলে ট্রিগার টিপল। অস্পষ্ট ববকরে একটা শব্দ হল। বারম্যান দুহাতে তার ঘাড় চেপে হ্যাডনের দিকে বহু কষ্টে একবার তাকাবার চেষ্টা করল।হ্যাউন কিন্তু তখন তার ব্রিফকেস গোছাতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। দেখতে দেখতে বারম্যানটির হাঁটু দুটো মুড়ে এল এবং সে আস্তে আস্তে মেঝের উপর এলিয়ে পড়ল।

    -দেখলে? বিশ্বাস হল? কত তাড়াতাড়ি কাজ করে দেখলে?

    চোখ বড় বড় করে ব্রাডে অচৈতন্য বারম্যানটির দিকে তাকিয়ে রইল।

    চোদ্দ বছর বয়েস থেকেই ম্যাগী শ্লজ পুরুষদের কাছে এক আতংকস্বরূপ হয়ে উঠেছিল। এখন তেইশ বছর বয়সে সে পুরুষদের কাছে নিউট্রন বোমার মতই ভয়ংকর। সত্যিই সব দিক থেকে সে অপূর্ব সুন্দরী। পর্ণমুভি ব্যবসায়ীরা তাকে ব্যবহার করার জন্য পাগল হয়ে উঠেছিল। বেশ্যাগিরিতে সে ধাপে ধাপে উপরে উঠে এমন জায়গায় গিয়ে পৌঁছেছে যে সে এখন তার মনের মানুষকে নিজেই বেছে নেওয়ার ক্ষমতা রাখে। তার সঙ্গে লুব্রাডের দেখা এবং প্রথম দর্শনেই প্রেম।

    ব্রাডে মনস্থির করে নিয়েছে যে ম্যাগীকে সে চোখের জলে পটিয়ে নেবে। ম্যাগীর চেয়ে লাস্যময়ী নার্সের কথা সে চিন্তাই করতে পারে না।

    *

    ব্রাডের সাড়া পেয়ে দরজা খুলে দিল ম্যাগী। আর প্রায় বাঘিনীর মতন ঝাঁপিয়ে পড়ল ব্রাডের ওপর।

    আধঘণ্টা পরে বিধ্বস্ত ব্রাডে বিছানায় শুয়ে শুয়ে ভাবছিল ম্যাগীর অসাধারণ ক্ষমতার কথা।

    একটু ড্রিংক করলে কেমন হয়, ডার্লিং? ব্রাডে বলল।

    নিশ্চয়। ম্যাগী বিছানা ছেড়ে নেমে পড়ল। ব্রাডে অনেকক্ষণ নিরীক্ষণ করল ম্যাগীকে তার চলাফেরা সবকিছু। নাহ ম্যাগীই এই কাজে আদর্শ হবে।

    ম্যাগী ফিরে আসলে ব্রাডে বলল, প্যারাডাইস সিটিতে সপ্তাহ খানেক কাটালে কেমন হয়?

    ম্যাগী চোখ বড় বড় করে বলল, যেখানে সব কোটিপতিরা বাস করে?

    –হ্যাঁ।

    –তুমি যেতে চাও?

    যাব না মানে? ওখানে কী দামী দামী হোটেল সমুদ্রতীরে- এসবের লোভ ছাড়া যায়?

    -আস্তে ম্যাগী আস্তে। আমি ওখানে একটা কাজ করতে যাচ্ছি। তুমি যদি আসতে চাও আমাকে সাহায্য করতে হবে।

    নিশ্চয়ই তোমাকে সাহায্য করব। যে কোন কাজ করতে রাজি তোমার জন্য। আমি তোমাকে পাগলের মতন ভালবাসি।

    –ম্যাগী। তাহলে একটা সত্যি কথা শোন আমি কখনই এ্যান্টিক ব্যবসায়ী ছিলাম না।

    খক খক করে হেসে উঠল ম্যাগী, সে আমি জানি আমাকে ফাঁকি দেওয়া অত সোজা না।

    বাঃ, তুমি তো বেশ চালাক মেয়ে হে। আসলে আমি একজন পেশাদার চোর, কথাটা বলে ব্রাডে ম্যাগীর দিকে তাকাল প্রতিক্রিয়া দেখার জন্য।

    –তার মানে তুমি রবিন হুডের মতন। ধনীদের থেকে চুরি করে গরীবদের বিলিয়ে দাও।

    দীর্ঘশ্বাস ফেলে ব্রাডে বলল, না। আমি চুরি করে নিজের পকেট ভর্তি করি।

    তাই নাকি? আমিও অনেকবার ভেবেছি রবিন হুডের মাথাটা দেখান দরকার। আমি ধনী বুড়োদের ব্যাগ থেকে অনেক টাকা হাতিয়েছি তাঁরা ঘুমিয়ে পড়লে। এটাও তো চুরি–তাই না?

    ব্রাডে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলল। বাধা অতিক্রম করা গেছে। এখন দরকার ম্যাগীকে তৈরী করে নেওয়া।

    ব্রাডে ম্যাগীকে পরিকল্পনাটা খুলে বলল, তোমার কাজ হবে সিন্দুকটা খুঁজে বার করা। কর্মচারীদের আর ডিটেকটিভকে ভোলানো।

    ম্যাগী হাততালি দিয়ে বলল, কোন অসুবিধে হবে না। আমি সব ম্যানেজ করে নেব।

    ব্রাডে ম্যাগীর দিকে তাকিয়ে ভাবল প্রয়োজন হলে ম্যাগী কবরে শোয়া লোককেও তাতিয়ে তুলতে পারে।

    -তাহলে?

    –তাহলে? ঠিক থাকল সব ম্যাগী ব্রান্ডের সাথে হাত মেলাল।

    .

    জীবনের পঞ্চাশ বছরের মধ্যে কুড়িবার জেলে কাটিয়ে এসে আর্ট ব্যানিয়েন এমন উপলব্ধি করেছে যে অপরাধের শাস্তি অপরিহার্য।

    জেলে বিভিন্ন দাগী এবং সেরা অপরাধীদের সাথে মিশে এখন ব্যানিয়েন নতুন ধান্ধার কথা চিন্তা করছে। এতে দুপক্ষেরই লাভ হবে।

    বৌয়ের সহযোগিতায় সে অন্ধকার জগতে একটি বিশেষ এজেন্সিখুলে বসেছে। সে দেখেছে যে হলিউডেরও ঐরকম একটা এজেন্সি আছে যারা নানান লোকজন ও আর্টিস্টের যোগান দেয়। পরিকল্পিত অপরাধ সংঘটিত করতে অন্ধকার জগতেও যোগান দিতে হয় সঠিক মেয়ে বা ছেলে। ব্যানিয়েনের তালিকায় এরকমঅজস্র অপরাধীর নাম রয়েছে, যারা বিভিন্ন পরিস্থিতিতে বিভিন্ন কাজ করার দক্ষতা রাখে। চাহিদা মাফিক লোকের যোগান দেওয়া বা যোগাযোগ ঘটিয়ে দেওয়াই ব্যানিয়েনের কাজ। টেলিফোনে এই কাজ চলে। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সে অপেক্ষা করে টেলিফোনের আওয়াজের জন্য। তার বৌ বেথ পাশের ঘরে বসে উল বোনে। যখনই একটা কল আসে সে তক্ষুনি তাদের খাতা থেকে উপযুক্ত লোকটির নাম ঠিকানা হাজির করে তার স্বামীর কাছে। লোকটির যা পারিশ্রমিক তার দশ ভাগ পাবে ব্যানিয়েন। ওতে এই কবছরে সে ভালই রোজগার করেছে। পুলিশের নজর এড়াবার জন্য অফিস ঘরের দরজায় লাগানো রয়েছে দি ওয়ার্ল্ড ওয়াইড বাইবেল রিডিং সোসাইটি।

    ব্যানিয়েনের বাবা-মা ছিল ছোট ধরনের চাষী। কিন্তু ব্যানিয়েন চাইত টাকা। সতের বছর বয়সে সে নিউইয়র্ক চলে যায়। সেখানেবছর দুয়েক অর্ধাহারে থাকার পর ব্যাঙ্কের সিন্দুক ভাঙ্গার অপরাধে দুজন লোকের সঙ্গে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার দুবছর জেল হয়। তার বাপ-মার মৃত্যুর পর তার ছোট ভাই মাইক সৈন্যবিভাগে যোগ দেয়। ব্যানিয়েনের মতে ওটা জানোয়ারের জীবন। কিন্তু ভাইকে সে ভালবাসত। মাইক তার সাথে জেলখানায় দেখা করত–কোনদিন তাকে সমালোচনা করেনি বা শোধরাবার চেষ্টা করেনি। দুভাইয়ের মধ্যে অটুট একটা বন্ধন ছিল। ব্যানিয়েন মনে মনে ছোট ভাইকে প্রশংসা করত আর এখন ব্যানিয়েন যখন উপলব্ধি করল ক্রাইম ডাজ নট পে, সে নতুন ভাবে চিন্তা ভাবনা শুরু করল। চল্লিশ বছরের এক মহিলাকে বিয়ে করল। নাম বেথ। বাবা হত্যার দায়ে জেল খাটছে, মা নিউগলিঙ্গে একটা বেশ্যালয় চালায়।

    অফিসে বসে নানান কথা ভাবতে ভাবতে ভাইয়ের কথা মনে পড়ল বানিয়েনের। মাইকের সত্যিই খুব দুঃসময় চলেছে–এমন দুঃসময় যেন কোন শত্রুরও না হয়। মাইক সার্জেন্টের পদে প্রমোশন পাবার পরেই বিয়ে করে এবং ক্যালিফোর্নিয়ায় বদলী হয়ে যায়। বছর দুয়েক দুজনের কোন দেখাসাক্ষাত নেই। চিঠি টিঠি লেখা তাঁর পোয় না।

    দু-সপ্তাহ আগে হঠাৎ মাইকের ফোন আসে। সে ব্যানিয়েনের সাথে দেখা করতে চায়, একা।

    -ঠিক আছে, বেথকে কোথাও পাঠিয়ে দেব।

    তাহলে রাত আটটার মধ্যে দেখা করব।ব্যানিয়েনের দুশ্চিন্তা হয়।

    সেই দিনের সাক্ষাৎকারের কথা ভাবলেই ব্যানিয়েন বিষণ্ণ হয়ে পড়ে। কলিংবেলের শব্দ শুনে দরজা খুলে সে তার ভাইকে চিনতেই পারেনি। আগে ভাইয়ের চেহারা দেখে তার হিংসে হত। আজকের মাইকের চেহারা সেদিনের মাইকের প্রেতাত্মা যেন। রোগা, গাল তুবড়িয়ে গেছে। চোখ বসে গেছে। মুখে একটা হতাশার ছাপ।

    মাইক তার জীবনের বিগত দুবছরের কাহিনী শুনিয়েছিল।

    বিয়ের এক বছরের মধ্যে তাদের এক কন্যা-সন্তানের জন্ম হয়। মাইকের স্ত্রী মেয়েকে দেখা শোনার জন্য কাজ ছেড়ে দেয়। তার একার রোজগারে কোনরকমে দিন চলছিল।

    কন্যাটি জড়ভরত। কোনদিন লিখতে-পড়তে পারবে না–অনেক কষ্টে কথা বলতে পারবে। যা হোক, সন্তান যখন আমাদের তার ভার আমাদেরই বইতে হবে। সে জন্য আমরা প্রস্তুত ছিলাম–মাইক বলে, কিন্তু

    –কিন্তু কি?

    –তিন সপ্তাহ আগে মেরী গাড়ি চাপা পড়ে মারা গিয়েছে।

    ব্যানিয়েন চমকে উঠে বসল।

    এসব কথা আমাকে আগে জানাওনি কেন?

    –কি লাভ? এখন মেরী না থাকাতে আমি আমার মেয়েকে আমার ব্যারাকের কাছে একটা বোর্ডিং হাউসে রেখেছি। এতদিন পর্যন্ত এইভাবেই চলছিল, কিন্তু আর পারছি না।

    –তোমার কি টাকার দরকার মাইক? আমি তোমায় সাহায্য করতে পারি। কয়েকশ ডলার দিতে পারি।

    না, আমার কম করে পঞ্চাশ হাজার ডলার চাই।

    ব্যানিয়েন অবাক হয়ে মাইকের দিকে তাকাল, অত টাকা দিয়ে তুমি কি করবে?

    –টাকাটা ক্রীসের চিকিৎসার জন্য। ক্রীসের হার্টে একটা গোলমাল আছে। ডাক্তার বলছে পনের বছরের বেশী বাঁচবে না। ক্ৰীসকে বাঁচাতে গেলে ঐ অঙ্কের টাকাটা চাই।

    মাইক, তুমি তো রোজগার করছ। মাসে মাসে টাকাটা দিলেও তো হয়।

    -কিন্তু আমিও পাঁচ-ছ মাসের বেশী বাঁচব না।

    আর্ট ব্যানিয়েন চমকে উঠল।

    মারা যাবে, কি যা তা বলছ, মাইক ব্যানিয়েনের দিকে তাকিয়ে বলল, তার টারমিনাল। ক্যানসার হয়েছে। খানিকক্ষণ চুপ করে মাইক বলল, বছর দুই আগে আমার একটা যন্ত্রণা হত–আবার ভাল হয়ে যেত। কিন্তু মেরী মারা যাবার পর সাংঘাতিক যন্ত্রণা শুরু হয়। বাধ্য হয়ে ডাক্তার দেখাই। দিন দুয়েক হল রিপোর্টটা পেয়েছি। আমার আয়ু আর পাঁচ কি ছয় মাস।

    -হে ভগবান, তুমি অন্য ডাক্তার দেখাও।

    -কোন লাভ নেই। যাক গিয়ে, কাজের কথা শোন। তুমি তো নানান কাজের জন্য লোক নাও। আমায় এমন কাজ দিতে পার যাতে আমি পঞ্চাশ হাজার ডলার পেতে পারি। খুন করতেও আমি পারি। আর কটা মাসই বা বাঁচব। ক্রিসের জন্য আমি সব করতে পারি।

    রুমাল দিয়ে কপালের ঘাম মুছেআর্টবলল, এত দামের কাজ তোআমার কাছে নেই।তাছাড়া তুমি নতুন লোক। তোমার ক্রিমিনাল রেকর্ডও নেই। তোমার মতন অনভিজ্ঞকে এত বড় কাজ কে দেবে?

    আমি তোমার ওপর নির্ভর করে আছি। আমি মাস খানেকের ছুটি নিয়ে এসেছি। তুমি একটা উপায় করে দাও মাইক ব্যানিয়েনের হাত চেপে ধরল।

    –বেশ আমি দেখব। কিন্তু কথা দিতে পারছি না, আর্ট বিমোহিতের মত বলল।

    যাবার সময় মাইক আবার মিনতি করল।

    আর্ট চেষ্টা করেছিল। কিন্তু কেউই মাইকের মতন একজন অপেশাদারকে কাজ দিতে রাজি নয়।

    আজ সকালে বসে আর্ট ভাবছিল কি করা যায়। সে কি তার শেয়ারের কাগজগুলো বিক্রী করে মাইককে টাকাটা দেবে। কিন্তু বেথ রাজি হবে না।

    একটা সপ্তাহ কেটে গেছে। আর্ট মাইকের জন্য কিছুই করে উঠতে পারেনি। কিন্তু ভাইয়ের অসহায় চোখদুটো তাঁর সামনে সবসময়ই ভেসে উঠছে। কিছু একটা করতেই হবে।

    আর্টের চিন্তাসূত্র ছিঁড়ে গেল। বেথ ঘরে ঢুকে বলল–এড হ্যাডন তোমাকে ডাকছে।

    আর্ট সঙ্গে সঙ্গে তৎপর হয়ে উঠল। হ্যাডম তার এক নম্বরের খদ্দের। টাকা পয়সার ব্যাপারেও তার হাত খুব দরাজ।

    রিসিভার তুলে ব্যানিয়েন বলল, হ্যালো মিঃ হ্যাডন, বলুন আপনার জন্য কি করতে পারি?

    -শোন আর্ট। আমার এমন একজন লোক দরকার যে দেখতে ভাল। অব্যর্থ লক্ষ্য। রোলস চালাতে পারে এবং সোফারের অভিনয় করতে পারে।

    এটা কোন ব্যাপারই নয় মিঃ হ্যাডন। লোক আমার রেডি আছে, কাজটা কি বলবেন?

    বেশ বড় ব্যাপার। আমি ষাট হাজার দেব।

    উত্তেজনায় আর্ট চোখ বন্ধ করে ফেলল।

    –কোন ব্যাপারই নয় মিঃ হ্যাডন।

    –লোকটার নাম কি?

    –আমার ভাই। গুলিতে তার অব্যর্থ লক্ষ্য এবং তার টাকার দরকারও আছে। তার উপর আপনি সম্পূর্ণ ভরসা করতে পারেন।

    –তার পুলিশ রেকর্ড?

    –কোন রেকর্ড নেই। বর্তমানে সে আর্মিতে একজন বন্দুক প্রশিক্ষক। তাকে দেখতে সুন্দর, কথাবার্তাও চমৎকার। আমি তার হয়ে গ্যারান্টি দিচ্ছি, চোখ বুজে আর্ট বলে ফেলল। যদিও সে জানে কাজে গড়বড় হলে হ্যাডনের মতন খদ্দেরকে তাকে হারাতে হবে।

    হ্যাডন বলল, তুমি যদি গ্যারান্টি দাও, তাহলে আমার কিছু বলার নেই। তাকে বলবে, তেইশ তারিখেরবিবার সকাল দশটায় সে যেন বে হোটেলেমিঃ কর্নেলিয়াস ভান্সের কাছে রিপোর্ট করে।

    বন্দুকের ব্যাপারটা?

    –ভান্স তাকে সেটা দেবে। তবে খুনোখুনির ব্যাপার নেই এতে।

    টাকা কখন পাওয়া যাবে?

    -কাজ শেষ হলে। দুএকমাস লাগবে। বড় ব্যাপার। মুখ বন্ধ রাখবে। না হলে ব্যবসার জগত থেকে তোমাকে সরতে হবে।

    হ্যাডন ফোন রেখে দিল।

    এসময় বেথ ঝড়ের মতন ঘরে ঢুকে চিৎকার করে বলল, তোমার কি মাথা খারাপ হয়েছে–লিস্টে তো কত লোকের নাম রয়েছে

    আর্ট চেঁচিয়ে বলল, চুপ কর। ও আমার ভাই। আমায় ওকে সাহায্য করতেই হবে।

    আর্ট-মিরাডোর হোটেলে মাইককে খবরটা দিল।

    মাইক শুনে খুশী হয়ে বলল, আমি জানতাম আমি তোমার ওপর ভরসা করতে পারি। তুমি চিন্তা কোরনা, তোমার সম্মান আমি রাখবই। আমি ঠিক সময়ে হোটেলে পৌঁছে যাব। কিন্তু টাকা?

    –তুমি ভেবনা, তোমার হোটেলে আমি এখনই তিন হাজার ডলার পাঠিয়ে দিচ্ছি। সোফারের পোশাকটা উঁচু দরের হওয়া চাই। আমার খদ্দের খুব দামী।

    কিছুক্ষণ চুপ করে মাইক বলল, তাহলে খুনের ব্যাপার নেই এর মধ্যে।

    –তাই তো বলল।

    –ঠিক আছে আর্ট। ধন্যবাদ। আমার উপর ভরসা রাখতে পার, মাইক ফোন রেখে দিল।

    আর্ট ভাবল, সে তো ভগবান নয়। কিন্তু ভাইকে সাহায্য তো সে করতে পারছে, এতেই সে খুশী।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleব্ল্যাক অর্ডার (সিগমা ফোর্স – ৩) – জেমস রোলিন্স
    Next Article জেমস হেডলি চেজ রচনা সমগ্র ২ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)

    Related Articles

    জেমস হেডলি চেজ

    জেমস হেডলি চেজ রচনা সমগ্র ২ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)

    August 18, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }