Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    জেমস হেডলি চেজ রচনা সমগ্র ১ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)

    জেমস হেডলি চেজ এক পাতা গল্প2631 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৩. সিভিউ হোটেলের সামনে

    ০৩.

    মাইক ব্যানিয়েন সিভিউ হোটেলের সামনে ট্যাক্সির ভাড়া মিটিয়ে দিল। তারপর রিসেপশনের দিকে এগিয়ে গেল।রিসেপশনের ছিমছাম পোশাক পরা বয়স্ক ভদ্রলোকটি অভ্যর্থনার হাসি হাসল।

    মিঃ ভাল আমার জন্য অপেক্ষা করছেন।

    –আপনি কি মিঃ লুকাস?

    —হ্যাঁ।

    আর্ট তাকে বলে দিয়েছিল তার নাম টেড লুকাস। ঐ নামেই হোটেলে রিজার্ভেশন করা আছে।

    রিসেপশনিস্ট ফোন তুলে কার সঙ্গে কথা বলল।

    মিঃ ভান্স আপনার জন্য অপেক্ষা করছে।

    দোতলা, দুনম্বর ঘর। আপনার ঘর চার তলার বার নম্বর। ব্যাগটা যদি রেখে যান আপনার ঘরে পৌঁছে দেব।

    মাইক এলিভেটরের দিকে এগিয়ে গেল। প্লেন চড়া আর ব্যাগ বওয়ার জন্য তার ভেতরের যন্ত্রণাটা আবার শুরু হয়েছে। মাঝে মাঝে মনে হয় সে সত্যিই মরবে না। কিন্তু আজ এত যন্ত্রণা হচ্ছে, মনে হচ্ছে, সে নিজেকে মিথ্যে স্তোক দিচ্ছে।

    সে দুনম্বর ঘরের দরজায় টোকা দিল। ভেতর থেকে একটা কড়া গলা তাকে ভেতরে আসতে বলল।

    .

    লু ব্ৰাডে একটা হুইল চেয়ারে বসেছিল। মাইক দেখল একটা রোগা পাতলা বৃদ্ধ তার সামনে বসে আছে।

    ম্যাগী পর্যন্ত তার ছদ্মবেশ ধরতে পারেনি। গতকাল রাতে ঘরে ঢুকে ব্রাডেকে দেখে ম্যাগী লজ্জিত হয়ে মাফ করবেন বলে ফিরে যাচ্ছিল। তাকে স্টেলা জ্যাকি নাম নিতে বলা হয়েছিল।

    ব্রাডে তার পরিচিত গলায় বলল–আরে এসো এসো সুন্দরী।

    ম্যাগী চোখ বড় বড় করে ব্রাডের দিকে তাকিয়েছিল।

    ব্রাডে ম্যাগীকে বলেছিল নতুন লোকটির ওপর লক্ষ্য রাখতে। ম্যাগী তাই শোবার ঘরের দরজাটা একটু ফাঁক করে ওদের কথাবার্তা শুনছিল।

    মাইককে লু ব্ৰাডে ঠাণ্ডা চোখে জরিপ করছিল। একটু পরেই সে সহজ হয়ে গেল। না, বেশ শক্তপোক্ত লোক। শৃঙ্খলা বোধের একটা আভা বেরোচ্ছে লোকটার মধ্যে থেকে। কিন্তু গর্তে বসা। চোখদুটোর দিকে তাকিয়ে একটু চিন্তায় পড়ল ব্রাডে। অবশ্য দৃঢ় মুখ আরশক্তিশালী চোয়াল রেখা দেখে সে নিশ্চিন্ত হল।

    মাইককে বৃদ্ধের গলায় ব্রাডে বলল তুমিই মাইক ব্যানিয়েন-তোমার নিজের সম্বন্ধে আমাকে বল। মাইক সরাসরি তাকাল ব্রাডের দিকে। এই বৃদ্ধের মধ্যে কি একটা ছলনা রয়েছে।

    আমি এখানে একটা কাজ করতে এসেছি। আপনি আমার সম্বন্ধে জানতে চাইবেন না–আমিও চাইব না আপনার সম্বন্ধে কিছু জানতে।

    কথাগুলো ব্রাডের পছন্দ হল। তবে আরেকটু ওকে বাজিয়ে নেওয়া দরকার, সে ভাবল।

    –শুনেছি তোমার লক্ষ্য অব্যর্থ। একটু দেখতে চাই।

    এই সময় ম্যাগী শোবার ঘর থেকে বেরিয়ে হাততালি দিয়ে বলল–চমৎকার লোক।

    –এস আমরা একটু ড্রিংক করে নিই। ব্রাডে মাইকের সাথে ম্যাগীর পরিচয় করিয়ে দিল। তার এলাকার নামও বলে দিল।

    ব্রাডে বলল, তোমাকে ঠকাবার জন্য দুঃখিত। তবে তোমাকে পরীক্ষা করে নেওয়ার দরকার ছিল। আমি সন্তুষ্ট, ম্যাগী তুমি?

    ম্যাগী বলল লোকটার পেশীগুলো কি সতেজ।

    ব্রাডে হাসল–ম্যাগীর সঙ্গে তোমার মানিয়ে নিতে সময় লাগবে, মাইক। আমারও লেগেছিল।

    মাইক এবার নিজেকে প্রস্তুত করে নিয়েছে। পেশাদারী গলায় সে বলল, আমাকে কি করতে হবে মিঃ ভান্স?,

    –আমি একজন অথর্ব বৃদ্ধের ভূমিকায় অভিনয় করছি। ম্যাগী আমার নার্স। তুমি আমার সোফার। তোমার ইউনিফর্ম নিয়ে এসেছ?

    –এনেছি।

    –বেশ, এবার আমাদের প্ল্যান শোন।

    ব্রাডে কুড়ি মিনিট ধরে মাইককে ব্যাপারটা বোঝাল। বলল, তোমাকে এক বিশেষ ধরনের পিস্তল চালাতে হবে। তাতে কেউ মারা পড়বেনা। পিস্তল থেকে একটা বর্শা প্রহরীদের ঘাড় লক্ষ্য করে ছুঁড়বে। এছাড়া সিন্দুক থেকে বাক্সগুলো সরাবার কাজে আমাকে সাহায্য করতে হবে। এর জন্যে তুমি পাবে পঞ্চাশ হাজার ডলার। ম্যাগী ঘর থেকে পিস্তলটা নিয়ে এস।

    মাইক বলল, আপনি জানতে চাইছিলেন আমার লক্ষ্য অব্যর্থ কিনা বলে মাইক ঘরের চারিদিকে তাকিয়ে দেখল কুড়ি ফুট দূরে একটা ছবি ঝুলছে। সে ম্যাগীর আনা পিস্তলটা নিয়ে বলল, বাঁ দিকের ছেলেটির ডান চোখ দেখতে পাচ্ছেন?

    মাইক বসা অবস্থায় পিস্তলটা তুলল, তুলে ট্রিগার টিপল। বব করে একটা আওয়াজ হল।

    -দেখুন।

    ব্রাডে হুইল চেয়ার ছেড়ে ছবিটার কাছে গিয়ে দেখল বাঁ দিকের ছেলেটির ডান চোখে ওষুধ মাখানো বর্শাটা বিঁধে রয়েছে।

    .

    সময় এখন বেলা এগারোটা চল্লিশ মিনিট। স্প্যানিস হোটেলের চারপাশে বেয়ারারা ককটেল ভর্তি ট্রে নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছিল। ডেক চেয়ারে বসে ধনীরা আঙ্গুলের ইশারায় তাদের ডেকে মাঝে মাঝে পান করছিল।

    উইলবার ওয়ারেনটনের সকালের সাঁতার কাটা শেষ হয়ে গিয়েছিল। তার পাশের্তার স্ত্রী মারিয়া একটা বিকিনি পরে বসে বসে নভেল পড়ছিল। মারিয়া সন্ধ্যাবেলায় সাঁতার কাটে। সকালে নয়। তারপর একঘণ্টা ধরে মেক-আপ করে রাতে দেরী করে খেতে যায়।

    উইলবার দুবার মার্টিনি পান শেষ করেছে। এখন তার নিজেকে ফুরফুরে লাগছে। তার মধুচন্দ্রিমা খুবই সফল হয়েছে। এই হোটেলের ব্যবস্থা অতি চমৎকার। কিন্তু মারিয়া হচ্ছে সেই ধরণের মহিলা যারা সবসময়েই সার্ভিস নিয়ে অনুযোগ করে। বর্তমানে তার অনুযোগ রয়েছে এই হোটেলে বড্ড বেশী সংখ্যায় বুড়ো মানুষ রয়েছে।

    উইলবার তাকে বলেছে বে হোটেল জগতের মধ্যে সবচাইতে দামী আর ভাল হোটেল। এই বৃদ্ধেরা খুবই ধনী। তাই তো এখানে থাকবার টাকা জোগাড় করতে পেরেছে। আমাদের ভাগ্য ভাল যে বাবা টাকাটা জুগিয়েছেন।

    নাক কুঁচকিয়ে মারিয়া বলল, যেন মনে হচ্ছে কবরখানায় রয়েছি।

    –আমরা অন্য জায়গায় চলে যেতে পারি। কিন্তু সে সব জায়গা কি তোমার পছন্দ হবে? রিভেজে যেতে পারি।

    –রিভেজ! ওটা তো একটা বস্তী উইলবার উঠে দাঁড়িয়ে বলল, বাবাকে ফোন করতে যাচ্ছি।

    –হে ভগবান! রোজ কি তোমার বাবাকে ফোন না করলে চলে না?

    –তিনি আমার ফোনের অপেক্ষা করেন। আমার বেশী দেরী লাগবে না।

    উইলবার রোজই বাবার সঙ্গে কথা বলে। সে জানে বাবা তার ব্যবসা সংক্রান্ত কথা বলার জন্য মুখিয়ে থাকেন। আর তার বাবা নিঃসঙ্গ। তিনি চান সে তাড়াতাড়ি ডালাসে ফিরে যাক আর তাকে একটি নাতি উপহার দেয়। কথাপ্রসঙ্গে সে মারিয়াকে বলেছিল যে বাবা তাদের জন্য ডালাসে একটা ডিলুক্স বাড়ি কিনেছেন। বাড়িটা পুরো সাজান, পরিচারক-পরিচারিকারয়েছে, দুটো গাড়ি, সুইমিং পুল এবং একটা ছোট পার্কও আছে।

    –কে ডালাসের মত গর্তে বাস করতে চায়? আমি প্যারিস বা ভেনিসে যেতে চাই,মারিয়া বলেছিল।

    উইলবার শান্তভাবে বলেছিল, কিন্তু আমার কাজের জায়গা যে ডালাস, মারিয়া। আমরা পরে প্যারিসে যাব।

    মারিয়া রেগেমেগে কোন উত্তর দেয়নি। পেন্ট হাউসে ঢুকে বসবার ঘরে গেল উইলবার। সেখান থেকে বাবাকে ফোন করল।

    বল, গিলাস ওয়ারেনটন বললেন, কেমন চলছে?

    –চমৎকার, বাবা। তুমি কেমন আছ?

    –প্রচুর কাজ। আমি কিছুস্টক বিক্রি করেছি, ভাল লাভ হয়েছে। আরবদের সঙ্গে কিছু কথাবার্তা চলছে।

    –ভালই চলছে তাহলে।

    –তোমার বউ কেমন আছে? সন্তানসম্ভবা হল কি?

    উইলবার জোরে হাসল। আমাদের একটু সময় দাও, বাবা। পুরোদস্তুর সংসারী হওয়ার আগে পৃথিবীটা একটু দেখে নিতে দাও।

    গিলাস ওয়ারেনটন হতাশ হয়ে বলল, ঠিক আছে, তোমরা কবে আসছ?

    –দুসপ্তাহের মধ্যে।

    –আমি আমার কাজের কিছু বোঝা হালকা করতে চাই। বাড়িটার কথা মারিয়াকে বলেছ। আশা করি, ওর পছন্দ হবে।

    -বলেছি, শুনে খুব খুশি হয়েছে।

    –তা তো হবেই। খরচ পড়েছে তিরিশ লক্ষ ডলার। একটু অসন্তোষের গলায় বললেন গিলাস ওয়ারেনটন। যা হোক, তোমাদের আনন্দেই আমার আনন্দ। আমার বোর্ড মিটিং আছে। এখন রাখছি। ভাল থেক।

    উইলবার যখন ফোনে কথা বলছিল, অনিতা বাথরুম পরিস্কার করতে করতে সব শুনছিল। বাবাঃ কি বড়লোক এরা। এই ছেলেটিই তেল রাজ্যের রাজা হবে একদিন। অনিতা দীর্ঘশ্বাস ফেলল।

    অনিতা আগের দিন সারা রাত ঘুমায়নি। ম্যানুয়েলের বোটের সামনে ঘিঞ্জি কেবিনের মধ্যে ম্যানুয়েল আর ফুয়েনটেসের সঙ্গে সে কয়েকঘণ্টা কথা বলেছে। প্রথমে সে পেড্রোকে সাহায্য করার জন্য ফুয়েনটেসকে অনুরোধ করেছিল। কিন্তু ফুয়েনটেসকাধাকিয়ে বলল, আমি কি করতে পারি। আমাকেই পুলিশ খুঁজছে। আমিই বরং কিছু টাকা জোগাড় করে পালাবার ধান্দা করছি।

    -তুমি এখানেই নিরাপদ ফুয়েনটেস, ম্যানুয়েল বলল, আমি আমার বন্ধুদের বিপদে ফেলিনা।

    -পেড্রোও তত তোমার বন্ধু ছিল, অনীতা বলল।

    আমার নয় ফুয়েনটেমের।

    ফুয়েনটেস বিরক্তভাবে হাত নেড়ে বলল–আমি কিছুই করতে পারব না। সে পুলিশের হেফাজতে এবং আহত। আমি কি করতে পারি?

    অনিতা এবার তার প্রস্তাবটা রাখল। দুজনে মনোযোগ দিয়ে শুনল। ফুয়েনটেস হঠাৎ চেঁচিয়ে বলল–তোমার কি মাথা খারাপ হয়ে গেছে? তুমি চলে যাও, আর এখানে এস না।

    ম্যানুয়েল হাত দিয়ে ফুয়েনটেসকে থামতে বলল–না, এর মধ্যে সম্ভাবনা আছে। তুমি ঠাণ্ডা হয়ে বস।

    -পাগলামো, স্রেফ পাগলামো। ফুয়েনটেস গজগজ করতে লাগল।

    ফুয়েনটেস পঞ্চাশ লক্ষ ডলারের কাজ আমার কাছে পাগলামো মনে হয় না।

    অনিতা ঝাঁকড়া চুলওলা নিষ্ঠুর চোখের লোকটার দিকে তাকাল। হয়তো এর ওপর নির্ভরকরা চলে।

    ম্যানুয়েল অনিতার দিকে তাকাল। আমাকে ভালভাবে ব্যাপারটা বুঝতে দাও। তোমার পরিকল্পনা হল আমরা হোটেলের পেষ্ট হাউসটা দখল করে উইলবার ও তার বউকে মুক্তিপণের জন্যে আটকিয়ে রাখি।

    হা উইলবারের বাবা কোটিপতি। আর সেতার ছেলেকে ভীষণ ভালবাসে। পঞ্চাশ লক্ষ ডলার ছেলের বিনিময়ে কিছুই নয় তার কাছে।

    –কিন্তু পেন্টহাউস দখল করব কি করে?

    ফুয়েনটেস উত্তেজিত হয়ে বললো–একদম পাগলী। ওখানে সশস্ত্র প্রহরীরা আছে।

    –আঃ তুমি থাম। বল, পেন্টহাউস দখল কি করে করব?

    আমার সাহায্যে। অনিতা বলল, আমি ঐ হোটেলে কাজ করি। ওখানে সুরক্ষার কি ব্যবস্থা কি ভাবে প্রহরীদের চোখ এড়াতে হবে, সব আমি বলে দেব। অনিতা ফুয়েনটেসের দিকে তাকিয়ে বলল–তোমাকে পুলিশ খুঁজছে। তুমি কি এখানে মাসের পর মাস থাকতে পারবে? ভাব একবার, পেন্টহাউস দখল করলে তুমি হোটেলের কাছ থেকে খাবার, মদ, সিগারেট সবকিছু চাইতে পার। কারণ, তোমাদের হেফাজতে ওয়ারেনটনরা আছে।

    ফুয়েনটেস আস্তে আস্তে বলল–তুমি নিশ্চিত আমাদের পেন্টহাউসে ঢোকাতে পারবে?

    অনিতা বুঝল এরা টোপ গিলেছে। সে সহজ স্বরে বলল–আমার কাছে দরজা এবং পেন্টহাউসের ডুপ্লিকেট চাবি আছে।

    ম্যানুয়েল বলল ব্যাপারটা আমার পছন্দ হয়েছে। কিন্তু আমাদের একজন তৃতীয় লোক চাই। আমরা জানিনা কতদিন ওখানে থাকতে হবে। একজন জাগবে একজন ঘুমোবে তা হয় না।

    আমি-ই হব সেই তৃতীয়জন অনিতা বলল।

    ম্যানুয়েলের পছন্দ হল না তোমার বাইরে থাকাটাই ভাল।

    কিন্তু অনিতা দৃঢ়স্বরে বলল–আমিই সেই তৃতীয় জন হব। খুব শিঘ্রী পুলিশ আমার খোঁন্সে আসবে। তখন পেন্টহাউসের চাকরীও আমার থাকবে না। যা করবার তাড়াতাড়ি কর।

    ম্যানুয়েল মাথা নেড়ে বলল–ঠিক আছে, আমাদের একটু ভাবতে দাও। কাল রাতে এখানে এস।

    কাল রাতের মধ্যেই সিদ্ধান্ত নেবে।

    –ঠিক আছে। অনিতা ম্যানুয়েলের দিকে তাকিয়ে বলল, আমার একটা শর্ত আছে। তা হলেই পেন্ট হাউসে তোমাদের ঢোকাব।

    মুক্তিপণের শর্তের সাথে পেড্রোর মুক্তির কথাও থাকবে। টাকা পয়সা তোমরা ভাগ করে নিও। কিন্তু পেড্রো যেন আমাদের সাথে হাভানায় যেতে পারে।

    ফুয়েনটেস আবার উত্তেজিত হয়ে চেঁচিয়ে বলল–তোমার মাথা খারাপ। পেড্রো আহত। আর দুদুটো সে খুন করেছে। পুলিশ ওকে কিছুতেই ছাড়বে না।

    -চুপ কর। ম্যানুয়েল গর্জে উঠল।

    মিসেস সারটেসশর্তটা খুব কঠিন। কিন্তু অসম্ভব নয়। একবার যদি আমরা পেন্টহাউসের দখল নিতে পারি,আমরাসবরকমশর্তরাখতে পারব।আমি তোমাকেকথাদিচ্ছি, আমরা আপ্রাণ চেষ্টাকরব যাতে পেড্রোও আমাদের সাথে হাভানায় যেতে পারে। আমার কথার দাম সবাই জানে।

    অনিতা ঠাণ্ডা চোখে বলল–ম্যানুয়েল আমি বোকা মেয়ে নই। আমার একমাত্র লক্ষ্য আমার স্বামীকে ফিরে পাওয়া। সময় যখন আসবে–তখন যদি দেখি পুলিশ পেড্রোকে ছাড়ছেনা, আমি ঐ ওয়ারেনটন আর ওর পাজী বউটাকে খুন করব। একথাগুলো ওদের জানিয়ে দিও। না পারলে আমিই বলব।

    ম্যানুয়েল সপ্রশংসদৃষ্টিতে হতবাকের মতন অনিতার দিকে তাকিয়ে থাকল। একজনশক্তিশালী মেয়ে বটে। এ যা মুখে বলছে, কাজেও তা করবে।

    -হ্যাঁ। ওতে কাজ হতে পারে। কাল এস। প্রথমেই তোমার স্বামীর খবরটা নিতে হবে। তারপর আমাদের পরিকল্পনা ঠিক করতে হবে।

    অনিতা উঠে দাঁড়াল।

    স্প্যানিশ বে হোটেলের দিনের ডিউটিরিসেপশনক্লার্কক্লভেরবয়সপঁয়ত্রিশ বছর। লম্বা, দোহারা শ্যামলা রঙের সুপুরুষ। সকাল থেকে ডেস্কে বসে লাউঞ্জে ধনীবুড়ো লোকগুলিকে দেখে দেখে সে ক্লান্ত হচ্ছিল। হঠাৎ তার সামনে আবির্ভাব হল সাদা পোশাক পরিহিত চমৎকার এক রমনী।

    ম্যাগী নার্সের পোশাক পরে ক্লভের সামনে এসে দাঁড়িয়েছিল। সে বুঝল ক্লভ প্রথম দেখাতেই কাত হয়েছে।

    মিঃ কর্নেলিয়াস ভ্যান্সের একটা রিজার্ভেশন আছে–মোহিনী স্বরে সে বলল।

    ক্লভ এতক্ষণ হাঁ করে তাকিয়েছিল। তারপর নিজেকে সামলিয়ে নিয়ে অভিবাদন করল। বিগলিত স্বরে বলল– মিঃ ভান্স? নিশ্চয়। তিন নম্বর ব্যালেতে।

    ধন্যবাদ। কিন্তু অথর্ব বৃদ্ধটি বাইরেই রয়ে গেছেন। আমি তাঁর হয়ে সই করতে পারি কি? বলে মোহময়ী হাসি হাসল ম্যাগী।

    পারভিন ক্লভ টুসকি দিয়ে দুজন লোককে ডাকল। বলল–আপনি সই করতে পারেন। আর এরা দুজন আপনাকে ঘরে নিয়ে যেতে সাহায্য করবে।

    ম্যাগী সই করে মাতাল করা একটা হাসি উপহার দিয়ে দুজন বেলবয়ের সঙ্গে বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা রোলস রয়েসের দিকে এগোল।

    পারভিন তখনও সম্মোহিতের মতন ম্যাগীর যাওয়া দেখছিল। হঠাৎ হোটেলের মালিক মিঃ ডুলাক এসে প্রশ্ন করলেন।

    –মেয়েটি কে, পারভিন।

    –গুড মর্নিং, মিঃ ডুলাক। মিঃ কর্নেলিয়াস ভান্স এই হোটেলে থাকতে এসেছেন। ঐ মেয়েটি ওর নার্স।

    –ও, হ্যাঁ। মিঃ ভ্যান্স তো পঙ্গু। তবে কেমন নার্স রাখতে হয় তিনি তা জানেন।

    জোরে হাসল পারভিন। যা বলেছেন স্যার।

    ডুলাক চলে গেলনা। লাউঞ্জে বসে থাকা বোর্ডারদের সঙ্গে কথা বিনিময় করতে করতে সুইমিং পুলের দিকে এগিয়ে গেল।

    ডিলুক্স ব্যালেটে পৌঁছেই লু ব্রাডে, ম্যাগী আর মাইক শ্যাম্পেন বার করে বসল।

    .

    অনিতা, আবার ম্যানুয়েলের ঘিঞ্জি বোটটার কেবিনে উঠে এল। ম্যানুয়েল বলল–কাজটা আমরা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তোমার স্বামীর খবর পেয়েছি। তার এখনও জ্ঞান ফেরেনি। তবে বেঁচে যাবে। ডাক্তাররা খুবই চেষ্টা করছে। চিন্তা কোরনা, অনিতা।

    অনিতাকে হাত মুঠো আর চোখ বন্ধ করতে দেখে ম্যানুয়েল ভাবল, লোকটার কি ভাগ্য। এমন বউ পেয়েছে।

    ম্যানুয়েল জানাল পুলিশরা পেড্রোর পরিচয় বার করবার অনেক চেষ্টা করেছে, কিন্তু পারেনি এখনও। আমাদের লোকজন মুখে কুলুপ এঁটে আছে। অতএব আমাদের পরিকল্পনা কার্যকরীকরার যথেষ্ট সময় রয়েছে?

    অনিতা উদ্বিগ্ন ভাবে ম্যানুয়েলের দিকে তাকাল। তারপর সন্দিগ্ধভাবে জিজ্ঞেস করল–আমার স্বামী বাঁচবে তো?

    –হ্যাঁ, বেঁচে যাবে। ঐহসপিটালে আমার এক বন্ধু রয়েছে। সে বলছে, পেড্রো মারাত্মক আহত তবে বেঁচে যাবে।

    অনিতার চোখ দিয়ে জল গড়িয়ে পড়ল। কিন্তু সে সঙ্গে সঙ্গে হাত দিয়ে তা মুছে ফেলল।

    ম্যানুয়েল বলল, পেড্রো ভ্রমণ করার মন সুস্থ হওয়া পর্যন্ত আমাদের অপেক্ষাকরতে হবে। তাহলে দেখছ, আমি শুধু টাকার চিন্তা করছি না তোমার স্বামীর জন্যও ভাবছি। আমাদের এমন চাপ সৃষ্টি করতে হবে যাতে পুলিশ পেড্রোকে ছেড়ে দেয়।

    কেমন চাপ? অনিতা প্রশ্ন করল।

    –স্প্যানিশ বে জগতের সেরা হোটেল। ঐ হোটেলটা না থাকলে শহরের অর্ধেক আয় কমে যাবে। সুতরাং ডুলাক নিজেই পেড্রোকে ছাড়াবার প্রাণপন চেষ্টা করবে।

    ধর, পুলিশ যদি তোমার ধাপ্পায় না বিশ্বাস করে?

    ম্যানুয়েল একটু হাসল, আমি কখনও ধাপ্পা দিই না। আমি একটা শক্তিশালী বোমা হোটেলের মধ্যে রাখব। তোমাকে তার উপযুক্ত জায়গা খুঁজে দিতে হবে।

    অনিতা বলল সত্যিই তোমার কাছে বোমা আছে?

    কয়েকদিনের মধ্যেই আমি দুটো বোমা পাব। এ বিষয়ে আমি কথাবার্তা বলে রেখেছি। প্রথম বোমাটা সাধারণ, সামান্যই ক্ষতি হবে। দ্বিতীয় বোমাটা শক্তিশালী। পেন্টহাউস দখল করে একটা বেতারের সাহায্যে হোট বোমাটা ফাটিয়ে ডুলাককে জানিয়ে দেওয়া হবেআমরা মিথ্যে কথা বলছি না।

    অনিতা উৎসাহিত হয়ে বলল, চমৎকার প্ল্যান। তুমি সত্যিই সত্যনিষ্ঠ লোক। আমি বোমা দুটো কোথায় লুকোব?

    রান্নাঘরে।রান্নাঘর উড়ে যাওয়ার মানে হোটেলও বন্ধ। ডুলাককে একথাবললে সেনিশ্চয়ই ঘাবড়ে যাবে। তবে কাজটা সহজ নয়। কিন্তু তোমার স্বামীকে তো বাঁচাতেই হবে।

    অনিতা কিছুক্ষণ বসে ভাবল। তারপর উঠে পড়ে বলল- ঠিক আছে, আমি বোমা দুটো লুকোবার জায়গা খুঁজে বার করব। ধন্যবাদ।

    অনিতা চলে যাওয়ার পর ফুয়েনটেস বলল, পেড্রোর জন্য ভাবনা করার কি দরকার। পঞ্চাশ লক্ষ ডলার আমাদের পেলেই হল। ঐসব বোমাটোমা রাখার প্ল্যান বাতিল কর।

    ম্যানুয়েল ব্যস্ত স্বরে বলল, আরে আমি ওকে কথা দিয়েছি। পেড্রোকে আমাদের সাথে নিতে। হবে।

    ফুয়েনটেস বলল, দাঁড়াও বোমার ব্যাপারে কে তোমার সঙ্গে থাকবে?

    ম্যানুয়েল বলল, তাহলে বন্ধু বন্দরে বেরিয়ে পড়া পুলিশ তোমাকে ধরে নিক। হয় আমি যা বলব তাই তোমাকে করতে হবে, নয়তো নিজের পথ দেখ।

    ফুয়েনটেস বুঝল ম্যানুয়েলের কথা শোনা ছাড়া তার আর কোন উপায় নেই, ব্যাজার মুখে বলল, বেশ, আমি রাজি।

    ম্যানুয়েল ফুয়েনট্রেসের কঁধ চাপড়ে বলল তা হলে এস আমরা এই উপলক্ষে পান করি। তবে মনে রেখ আমার সঙ্গে কাজ করব বলে যে আমার পান করার সঙ্গ দেয়–সেটা তখন তার কাছে এক অলঙ্ঘনীয় চুক্তি হয়ে দাঁড়ায়।

    ফুয়েনটেস নিঃশ্বাস ফেলে বলল, আমি বুঝতে পারছি।

    .

    মিয়ামি থেকে আসা দুজন ডিটেকটিভ আর প্যারাডাইস সিটির আটজন ডিটেকটিভ মোট দশ জন ডিটেকটিভ উপকূল অঞ্চল তন্ন তন্ন করে খুঁজছিল ফুয়েনটেসকে ধরবার জন্য। সঙ্গে পেড্রোর ছবিও ছিল যদি কেউ তাকে শনাক্ত করতে পারে।

    কিন্তু ম্যানুয়েলের নির্দেশ অনুযায়ী সবাই মুখে কুলুপ এঁটে রইল।

    লেপল্কি অনেক ভেবেচিন্তে ঠিক করল ম্যানুয়েলের সঙ্গে সে দেখা করবে।

    দুটো নৌকোর মাঝে ম্যানুয়েলের নৌকোটা নোঙরকরা ছিল। একটা কাঠের পাটাতনও পাতা ছিল। ম্যানুয়েলের বোটে স্বল্প আলো দেখে পাটাতনের ওপর থেকে লেপস্কি চেঁচাল–এই ম্যানুয়েল, আমি পুলিশের লোক কথা বলছি।

    কেবিনে তখন ম্যানুয়েল আর ফুয়েনটেস তাদের নতুন চুক্তির উপলক্ষ্যে পান করছে।

    ফুয়েনটেসের মুখ ভয়ে বিবর্ণ হয়ে গেল। পুলিশ, ম্যানুয়েল, পুলিশ

    ম্যানুয়েল তাকে আশ্বস্ত করে বেরিয়ে এল।

    -তুমিই টেরেস ম্যানুয়েল? লেপস্কি কর্কশ স্বরে বলল।

    –আজ্ঞে হ্যাঁ। ওটাই আমার নাম। কিন্তু কি ব্যাপার যদি বলেন।

    –রবার্টেন ফুয়েনটেল কোথায়?

    –মানে, আমার বন্ধু রবার্টেন?

    –হ্যাঁ, সে কোথায় বল। নয়তো হত্যার সহযোগী হিসেবে তোমাকেও চালান করে দেব।

    অবাক হবার ভান করে ম্যানুয়েল বলল–হত্যার সহযোগী? মানে কি বলছেন স্যার, আমি বুঝতে পারছি না। আমার বন্ধু গতরাতে আমার কাছে এসেছিল। খুব উত্তেজিত দেখাচ্ছিল তাকে। আমার কাছে হাভানা যাবার জন্য একশো ডলার চাইল। আমি বিনা বাক্যব্যয়ে টাকাটা দিয়ে দিয়েছিলাম আর সে নৌকা করে হাভানায় পাড়ি দিল।

    –কোন বোটে?

    –আমি জানিনা। আমাদের অনেক বন্ধুই নৌকো নিয়ে মাছ ধরতে বা অন্য ব্যবসার খাতিরে হাভানায় যায়। আমরা কিউবানরা এইসব ব্যাপারে পরস্পরকে সাহায্য করি।

    লেপস্কি গম্ভীর স্বরে বলল, আমার মনে হচ্ছে সে এখন তোমার নৌকার মধ্যে রয়েছে।

    –মিঃ অফিসার। এখানে লোকে আমাকে সত্যবাদী মানুষ বলে জানে। তবে আপনি আমার নৌকা তল্লাশি করে দেখতে পারেন। আশা করি আপনার কাছে সার্চ ওয়ারেন্ট আছে।

    লেপস্কি মুশকিলে পড়ল। যদি সেফুয়েনটেসকে নৌকায়না পায় তাহলেশয়তানটাকর্তৃপক্ষের কাছেনালিশকরবে।অনাধিকারপ্রবেশ।ওসবঝঞ্জাটেনাপড়ে বরঞ্চ চীফেরকাছেরিপোর্টকরাভাল।

    –আমার ঘুম পাচ্ছে। গুড নাইট অফিসার। ম্যানুয়েল পাটান তুলে নিল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleব্ল্যাক অর্ডার (সিগমা ফোর্স – ৩) – জেমস রোলিন্স
    Next Article জেমস হেডলি চেজ রচনা সমগ্র ২ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)

    Related Articles

    জেমস হেডলি চেজ

    জেমস হেডলি চেজ রচনা সমগ্র ২ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)

    August 18, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }