Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    জেমস হেডলি চেজ রচনা সমগ্র ১ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)

    জেমস হেডলি চেজ এক পাতা গল্প2631 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৩. পাহাড়তলী অঞ্চলে টিলার গায়ে

    ০৩.

    নর্থ ব্রিজের উত্তর দিকে পাহাড়তলী অঞ্চলে টিলার গায়ে বড়লোকদের ভূসম্পত্তি ছড়ানো পাহাড়ী পথ ধরে এই অঞ্চলের একটা সুরম্য অট্টালিকার দিকে নিজের ক্যাডিলাকখানা নিয়ে ছুটে যাচ্ছিল ফিল ম্যাগার্থ।

    ভিডা, নর্থ ব্রিজে খারাপ মেয়ে হিসাবেই পরিচিত। সে ফুর্তি নিয়েই জীবন কাটায়। সে বড়লোক। সে পাঁচ হাজার একরের এক কমলালেবুর বাগান অতি দক্ষতার সঙ্গে পরিচালনা করে এই অর্থ উপার্জন করে।

    সুসজ্জিত সদর দরজার সামনে গাড়ি থামিয়ে ম্যাগার্থ তার ঘড়ির দিকে তাকাল। ঘড়িতে রাত তিনটে বেজে পাঁচ মিনিট। তারপর সে ফুল ভরা উঠোন পেরিয়ে ভিডার ঘরের জানালায় উঁকি মেরে বলল, জেগে আছো না কি?

    বিছানা থেকে কোনোরকম সাড়া না পেয়ে ভেতরের অন্ধকারের দিকে তাকাল ম্যাগার্থ। কিন্তু ভিডার বিরাট বিছানা ছাড়া আর কিছু নজরে এলো না। তখন সে বিছানার সামনে গিয়ে লেপের ভেতর নিজের একখানা হাত ঢুকিয়ে দিল। ভিডা সঙ্গে সঙ্গে চাপা আর্তনাদ করে জেগে উঠল। তারপর আলো জ্বেলে দিল।

    ভিডা বলল, তুমি এরকমভাবে আমাকে না জাগিয়ে আর একটু ভদ্রভাবে আমাকে জাগাতে পারতে ফিল।

    ভিডা বলল আমি ভাবি তোমার মধ্যে আমি কি দেখলাম। এই বলে নিজেকে আয়নায় দেখে বললো যাই বল আমি কিন্তু সুন্দরী।

    ম্যাগার্থ একটু মুচকি হেসে বলল, তুমি তো বলল যে আমাকে দেখে সবসময়েই খুশি হও। তারপর কাবার্ড থেকে এক বোতল মাল বের করে সে বলল এ তো দেখছি তলানী পড়ে আছে। খুকুমণি আর একটু বেশি করে রাখলেই পারো।

    ভিডা বললো রাখবো। তারপর ম্যাগার্থের দিকে তাকিয়ে সেখুশি হল।ম্যাগার্থ সত্যিই সুপুরষ।

    এরপর ম্যাগার্থ পানীয় শেষ করে বিছানায় ভিডার খুব ঘনিষ্ঠ হয়ে বলল, আমি একটা বড়সড় দাঁও মারার তালে আছি। ঠিক মতো গুছিয়ে কাজটা করতে পারলে আমার কপাল খুলে যাবে আর তাহলে তোমাকে বিয়েও করতে পারবো। অতএব যা বলছি তা মন দিয়ে শোনো।

    আমি ক্লানডিশ বাড়ির মেয়েকে খুঁজছি।

    তুমি– কি বলছো?

    না না। তোমার চিন্তার কিছু নেই। এটা একটা ব্যবসায়িক ব্যাপার। কালকের সকাল থেকে ছদিন বাদে মেয়েটা ওর সম্পত্তি পেয়ে যাবে। মেয়েটাকে খুঁজে বের করে যদি ওর সম্পত্তি খুঁজে পেতে সাহায্য করি তাহলে ও নিশ্চয়ই আমার ওপর কৃতজ্ঞ থাকবে। মেয়েটাকে এখানে নিয়ে এসে জানতে চাইবো যে ষাট লাখ ডলার দিয়ে ও কি করবে, আমি ওর টাকা দিয়ে ওকে বাড়ি কিনে দেবো, গাড়ি কিনে দেবো, তারপর একজন ক্যামেরাম্যানকে সঙ্গে নিয়ে বেরিয়ে পড়বো, ব্যাপারটা কি রকম হবে বল দেখি।

    ভিভা ক্লান্তভাবে বললো, তোমার অনেক অর্থহীন পরিকল্পনার মধ্যে এটাও একটা। মেয়েটা যে সাংঘাতিক, ওর যে মাথা খারাপ, সেটা কি মনে আছে?

    ওসব কথায় আমি দমছিনা। মেয়েটাকে আমি দিব্যি সামলাতে পারবো, মেয়েটার নার্সের সঙ্গে আমি কথা বলেছি। ও বলেছে মেয়েটার মনে দুটো ভাগ। মাঝেমাঝেই ওকে রোগটা আক্রমণ করে। তবে বাকি সময় ও বেশ মিষ্টি স্বভাবের মেয়ে হয়েই থাকে। আর একটা মিষ্টি স্বভাবের মেয়ের উপর নজর রাখার জন্য আমাকে খুব ভালই মানিয়ে যায়।

    তুমি একটা ইঁদুর। এই বলে ভিডা কম্বলের তলা থেকে ম্যাগার্থের দিকে লাথি ছুঁড়ল।

    ম্যাগার্থ বলল বাধা দিও না। শোনো মেয়েটার অছিদের মধ্যে সাইমন হার্টম্যান বলে একটা বুড়ো,স্যানাটোরিয়ামে গিয়ে হাজির হয়েছিল।নার্সটা বলল, ক্যারল পালিয়ে গেছে বলে লোকটা রাগে আধপাগল হয়ে গেছিল। ও বুঝতে পেরেছিল যে ওর অছিগিরি আর টিকবে না, ষাট লাখ ডলার ওর হাত দিয়ে গলে বেরিয়ে যাচ্ছে। আমার মনে হয় হার্টম্যান যাতে ষাট লাখ ডলার আত্মসাৎ করতে পারে তাই মেয়েটাকে পাগলাগারদে আটকে রাখা হয়েছে। আসলে মেয়েটা সেরকম ভয়ঙ্কর নয়।

    ভিডা বলল, বাজে কথা বলল না। জন ব্লানডিশই এরকম ব্যবস্থা করে গিয়েছিল।

    ওর সম্বন্ধে ব্লানডিশের কোন আগ্রহই ছিল না। যা করার ওই হার্টম্যানই করেছে। একটা লোক ওর কুকুরকে পেটাচ্ছিল বলে ক্যারল তার উপর ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। তাই ওকে পাগলা গারদে পুরে রাখা হল।

    কিন্তু মেয়েটা তো সাংঘাতিক। ও ট্রাক ড্রাইভারের কি দশা করেছিল মনে আছে?

    সেটা ও ওর ইজ্জত বাঁচানোর জন্য করেছিল। এক একটা মেয়ের কাছে এটা খুব গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার। তুমি অবশ্য এই ব্যাপারটা বুঝবে না।

    আজ রাত্তিরে কালো রঙের একটা বিরাট প্যাকার্ডে আমি দুটো লোককে দেখলাম। ওরা ব্লু মাউন্টেন সামিটের শেয়াল খামারের মালিক স্টিঙ লারসনের খোঁজখবর নিচ্ছিলো।

    ভিডা বলল, আমি স্টিঙকে দেখেছি, ও খুব সুন্দর। ও লোক দুটো বোধহয় সুলিভ্যান ব্রাদার্স ম্যাগার্থ বলল, ওরা দুই পেশাদার খুনে।

    ভিডা অবাক হয়ে বললো তার মানে।

    আমাকে বলতে দেবে কিনা।

    ধরো তুমি কাউকে খুন করতে চাও, তবে সুলিভ্যানদের সঙ্গে যোগাযোগ করলে ওরা তোমার কাজটা খতম করে দেবে, তোমার কাজ শুধু ওদের টাকা গছিয়ে দেওয়া।

    আমি লারসনের ফার্মে গিয়েছিলাম, সেখানে দেখলাম কেউ নেই। ঘরে ঢুকে আমি এই জিনিষটা পেলাম, একটা রুমাল বিছানায় রেখেও বলল, আমি বাজি রেখে বলতে পারি এটা ক্যারল ব্লানডিশের সম্পত্তি। দ্যাখো এক কোণে ওর নামও লেখা আছে। আরো একটা জিনিষ ওখানে পেলাম ডাক্তার-ট্রেভার্সের শশাফেয়ারের কোট, সেটা ক্যারল পাগলাগারদ থেকে পালাবার সময় নিয়ে গিয়েছিল।

    মনে হয় লারসন আর মেয়েটা একসঙ্গে ছিল। সুলিভ্যান ব্রাদার্সরা ওদের ঘরছাড়া করেছে।

    যাক গে এখন ভোর হবার আগে অবধি আমি বিশ্রাম নিতে চাই। আর বিশ্রাম মানে একেবারে বিশ্রাম বুঝেছো।

    .

    ক্যারল প্যাকার্ডের স্টিয়ারিং চেপে বসেছিল। ওর হৃৎপিণ্ড জুড়ে যেন বরফের হিম কাঠিন্য, ড্যাশবোর্ডের আলোয় স্টিঙের ফ্যাকাশে মুখ ও পরিষ্কার দেখতে পাচ্ছিল। স্টিও চোখ বন্ধ করে পড়ে আছে। ভাবল সুলিভ্যানদের আওতা থেকে বেরিয়ে আসবার পরেই ও গাড়িটা থামাবে।

    সঙ্কীর্ণ রাস্তায় গাড়ি চালানো অসম্ভব। তাও সে তীব্র গতিতে গাড়ি চালাচ্ছিল। এর পরে ও হাইওয়েতে উঠল একটা পরিত্যক্ত কাঠগোলা চোখে পড়ল, ও সেখানে গাড়িটা থামাল।

    এরপর ও স্টিঙের দিকে ঝুঁকে পড়ল। ও ভাবল যে স্টিঙের যদি মৃত্যু হয় কি হবে। স্টিঙের মাথাটা কোলে নিয়ে মনে হল ভীষণ ভারি আর প্রাণহীন।ও চীৎকার করে উঠতে গিয়েও নিজেকে সামলে নিল। এরপর বহু কষ্টে ও স্টিকে গাড়ি থেকে নামিয়ে পাইন পাতার ওপরে শুইয়ে দিল।

    এরপর কোট খুলে ওস্টিঙের বুকে হাত রাখলো,বুঝলল যে অতিক্ষীণ ভাবেহৃৎপিণ্ড চলছে। স্টিঙ যে এখনও বেঁচে আছে এই ভেবেও কিছুটা নিশ্চিত হল।

    কিছুক্ষণ পরে স্টিঙ ক্ষীণভাবে চোখ তুলে তাকালে ক্যারল বলল, স্টিঙ তোমারকি খুব কষ্ট হচ্ছে? দেখি যদি রক্তপড়া বন্ধ করতে পারি।

    স্টিঙ যন্ত্রণায় মুখটা কুকড়ে বলল যে বুকের মধ্যে খুব যন্ত্রণা হচ্ছে।

    ক্যারল বলল, স্টিঙ তুমি মরতে পার না। আমি তা সহ্য করতে পারবো না।

    ক্যারল কেঁদে বলল কিভাবে তোমার যন্ত্রণা কমবে। আমি সাহায্যের জন্য কার কাছে যাবো। তোমায় কোথায় নিয়ে যাবো।

    স্টিঙ বিড়বিড় করে বলল, ডাক্তার ফ্লেমিং। সোজা পয়েন্ট ব্রিজে নেমে বাঁ দিকের দুনম্বর বাঁকে। রাস্তার পাশে ছোট বাড়ি। মাইল কুড়ি দূরে, এছাড়া আর কেউ নেই। কোনরকমে এই কথাগুলো বলেই স্টিঙ আবার অজ্ঞান হয়ে গেল।

    ক্যারল ভাবলো কুড়ি মাইল দূরেই ডাক্তার ডাকতে যাবো। এছাড়া যখন আর কোন উপায় নেই, সে ভাবল স্টিঙকে সঙ্গে নিয়ে যাবে। তারপর স্টিঙের এখন নড়াচড়া করলে ক্ষতি হবে এই ভেবে তাকে সেখানে রেখে সে দ্রুত গাড়ি চালিয়ে ফ্লেমিংকে আনতে রওনা হল।

    পয়েন্ট ব্রিজ অবধি কিভাবে গিয়েছিল তা ক্যারলের মনে নেই। পয়েন্ট ব্রিজে পৌঁছতেই বাইরের কোন ঘড়িতে রাত আড়াইটের ঘণ্টা বাজলো। সে খুব সহজেই ডাক্তারের বাড়ি খুঁজে পেল। সে দরজায় আঘাত করতে মাঝবয়সী এক মহিলা এসে দরজা খুলে দাঁড়ালো। বিবর্ণ ড্রেসিং গাউন পরা, চুলগুলো অগোছালো।

    মহিলা বলল, অত শব্দ করছিলে কেন।

    ক্যারল বলল, একজন খুব অসুস্থ। আমি ডাক্তারবাবুর সঙ্গে দেখা করতে চাই।

    এখানে কিছু লাভ হবে না। ডাক্তারবাবু অসুস্থ তিনি যেতে পারবেন না।

    কিন্তু ডাক্তারবাবু না গেলে তো বাঁচানো যাবে না।

    না বাঁচবে তো আমি কি করবো?

    তুমি অন্য কোথাও যাও। এই বলতে বলতেই মহিলা ক্যারলের বাঁহাতের মনিবন্ধের কাটা জায়গাটার দিকে তাকিয়ে দেখে গলার সুর নরম করে বলল, তুমি ভেতরে এসো দেখি যদি তোমার সঙ্গে যাওয়ার জন্য ডাক্তার বাবুকে রাজি করাতে পারি।

    ক্যারল মহিলার হঠাৎ পরিবর্তনে ভয় পেলেও শুধু স্টিঙকে বাঁচাতে হবে এই ভেবে ভিতরে ঢুকলো।

    তুমি বস, আমি ডাক্তারবাবুকে বলছি। দেরী হবে না।

    মহিলা বেরিয়ে গেল। একটু পরেই ও বুঝতে পারলো যে ও ফাঁদে পা দিয়েছে।

    ক্যারল শুনতে পেল মহিলা বলছে, আরে গ্লেনভিউর সেই পাগলীটা নিচের তলায়। সেই যাকে সবাই খুঁজছে।

    কি বলছো তুমি পুরুষকণ্ঠের উত্তর এলো। কিন্তু মেয়েটা যে সাংঘাতিক, কি করে ওর কাছে যাবো।

    যাও বলছি। তুমি নিজেই জানো, তুমি ফোন করতে পারবে না। মেয়েটাকে ধরতে পারলেই পাঁচ হাজার ডলার পুরষ্কার।

    ক্যারল দুচোখ বন্ধ করে ফেললো। ও ভাবলো বোধহয়–স্বপ্ন দেখেছি। কিন্তু ও শুনতে পেল টেলিফোনের ঘন্টি আর একজোড়া এলোমেলো পায়ের শব্দ কেউ সিঁড়ি বেয়ে নীচে নেমে আসছে। ক্যারল মনে মনে ভাবল এ বাড়ি থেকে পালাতেই হবে।

    এর মধ্যেই সামনের দরজাটা খুলে গেল। একটা লোক ঢুকল। লোকটার মাথায় টাক। বাঁকানো নাক।

    নাকি সুরে লোকটা বলল, শুনলাম তুমি নাকি মুশকিলে পড়েছ। বলো আমাকে কি করতে হবে।

    ক্যারল বললো, আমি ভুল করে ফেলেছি। আপনাকে আমার প্রয়োজন নেই।

    বুড়ো বলল, অত তাড়াহুড়ো করো না। বুড়ো হলেও আমি ভাল ডাক্তার তুমি বরং এখানেই থেকে যাও আমরাও তাই চাই। একটু কফি খাও।

    এর মধ্যেই মহিলা ঘরে ঢুকলো। স্বামীকে বলল, তুমি কিন্তু ওর সঙ্গে যাবে।

    কিন্তু মেয়েটা মত পালটে ফেলেছে।

    ক্যারল বলল–আমি এখন যাবো।

    মহিলা বলল, যাও তুমি পোষাক পরে নাও। আমি এর মধ্যে ওর জন্য এক কাপ কফি করে আনি।

    ক্যারল বললনা, না আমি এখান থেকে যেতে চাই।

    মহিলা কঠিন দৃষ্টিতে বলল, আমরা জানি তুমি কে। কাজেই তুমি এখান থেকে যেতে পারবে না।

    ক্যারল দরজার দিকে দৌড়ে গেল কিন্তু সেখানে চাবি লাগানো। হঠাৎ একটা ছোট দরজা ভেজানো দেখলো ক্যারল। হাতলে টান দিতেই দরজাটা খুলে গেল। মহিলা ওকে ছুটে এসে ধাক্কা মারতেই ক্যারলের পায়ের তলা থেকে মাটি সরে গেল।

    .

    শেরিফ ক্যাম্প নিজের অফিসে ছোট্ট খাঁটিয়াতে বসে নাক ডাকছিল। কিন্তু সহকারী স্টামের ঝাঁকুনিতে সে উঠে বসল।

    কি ব্যাপার?

    ওরা ওকে খুঁজে পেয়েছে।

    তার মানে মেয়েটাকে কেউ খুঁজে পেয়েছে। কে পেলো?

    ডাক্তার ফ্লেমিং। উনি ফোন করে ওর বাড়িতে যেতে বললেন তাড়াতাড়ি।

    হার্টম্যান সঙ্গে সঙ্গে তৈরী হয়ে স্টামকে বলল, পত্রিকার লোকদের ডেকে পাঠাও। তারপর তাদের নিয়ে তুমিও এসো। আমি আগে যাচ্ছি।

    সাইমন হার্টম্যান ঘুমোতে পারছিলেন না। হোটেলের বিলাসবহুল ঘরে বসে বসে মদ খাচ্ছিলেন। ছোট খাটো শক্ত ধাঁচের চেহারা ওঁর। ওঁর রাতের ঘুম উড়ে গেছিল। নিউ ইয়র্কের একদা অন্যতম শ্রেষ্ঠ সলিসিটার ফার্ম সাইমন হার্টম্যান অ্যান্ড রিচার্ডসের প্রধান অংশীদার ছিলেন এই হার্টম্যান। কিন্তু রিচার্ডস অবসর নেবার পর থেকেই ব্যবসায় ভাঙ্গন শুরু হয়। ঠিক তখনই ব্লানডিশ মারা যায়। গঠিত হয় ব্লানডিশ অছি পরিষদ। রিচার্ড আগ্রহ হারিয়ে ফেললো। অছিহিসেবে তখন সব দায় হার্টম্যানের হাতেই পড়লো।

    এই জন্যই ক্যারল পালিয়ে যাওয়াতে সে প্রায় পাগল হতে বসেছিল। কারণ ক্যারল যদি ফিরে এসে সম্পত্তি দাবী করে। অবশ্য এর মধ্যেই তিনি অনেকটা সম্পত্তি উড়িয়ে দিয়েছেন।

    হার্টম্যান ভাবল আর মাত্র ছদিনের মধ্যে যদি মেয়েটাকে না পাওয়া যায় তাহলে তার কপাল ভাঙ্গবে।

    এর মধ্যেই ফোন বেজে উঠলো। অপর প্রান্ত থেকে স্টাম বলল ডাক্তার ফ্লেমিং মেয়েটাকে খুঁজে পেয়েছেন।

    তিনি কোন জায়গায় থাকেন?

    স্টাম তাকে বুঝিয়ে বলল। হার্টম্যান ওভার কোটটা পরে উঠে দাঁড়ালেন ফ্লেমিং-এর বাড়ি যাওয়ার জন্য।

    .

    পয়েন্ট ব্রিজ রেল ইয়ার্ডের একটা কাফের কাছে একটা খালি ট্রাক এসে থামলো।

    ড্রাইভার বললো আপনাদের এখানেনামলে চলবে। সুলিভ্যানরা বলল খুব চলবে। বলে নেমে গেলো। ফ্র্যাঙ্ক বলল, আমাদের কপাল ভালই বলতে হবে। দিব্যি ট্রাকটায় চেপে আসতে পারলাম।

    বেশি বকো না। এই বলে ম্যাক্স সামনের কাফেটায় ঢুকে গেল।

    কাউন্টারের সামনে বসে ওরা কফির অর্ডার দিল।

    পরিচারিকা কফি আনতে ফ্র্যাঙ্ক মনে মনে ভাবল মেয়েটার শরীরটা চমৎকার। সে ভাবল ম্যাক্সের সঙ্গে আলোচনা করবে কিন্তু মনের ইচ্ছা মনেই রাখল কারণ ম্যাক্সের তার মতো মেয়েছেলেতে আগ্রহ নেই।

    মেয়েটা সুলিভ্যানদের দেখেই বিচলিত হল।

    ম্যাক্স বলল, জানিনা লোকটা মরেছে কিনা যদিও আমি দুদুবার গুলি চালিয়েছি। ওর মরা একান্ত দরকার কারণ ও আমাদের কাজের সাক্ষী।

    তারপর হাই তুলে বলল, সে যাই হোক এখন তো আমাদের একটু ঘুমানো দরকার কিন্তু কোথায় ঘুমাবো।

    মেয়েটাকে জিজ্ঞেস করে দ্যাখো ও মনে হয় বলতে পারবে, ফ্র্যাঙ্ক বলল।

    ম্যাক্স মেয়েটাকে বলল, এদিকে কোথাও শোবার জায়গা পাওয়া যাবে?

    মেয়েটা বলল, রাস্তার মোড়ে কয়েদখানার পাশেই একটা হোটেল আছে।

    আচ্ছা এখানে হাসপাতালটা কোথায়। হাসপাতাল তো এখানে নেই। সবচাইতে কাছের হসপিটাল এখান থেকে পাঁচ মাইল দূরে ওয়ালটনভিলে।

    ম্যাক্স বলল, চল ফ্র্যাঙ্ক। একটু ঘুমাতেই হবে।

    কিন্তু রাস্তার মোড়ে এসে থমকে গেল ওরা। ওখানে কি হচ্ছে!

    শেরিফ ক্যাম্পকে তাড়াতাড়ি কয়েদখানার সিঁড়ি ভেঙ্গে নামতে দেখে ওরা খানিকটা পিছিয়ে গেল। দেখল গ্যারেজ থেকে গাড়ি বের করে শেরিফ ব্যস্ত ভাবে বেরিয়ে গেল।

    মনে হচ্ছে কিছু একটা হয়েছে।

    ঘুম চুলোয় যাক আগে দেখতে হবে কি ব্যাপার।

    .

    বিছানার পাশে টেলিফোন বাজতে শুরু করল।ভিডাবলল, বাজুক ধরবোনা। মনে হয় আমার কোনো প্রেমিকের টেলিফোন।

    বাজে কথা থামাও, টেলিফোনটা আমারও হতে পারে।বলে ম্যাগার্থ ফোন ধরতে হাত বাড়াল।

    কিন্তু তুমি যে এখানে আছে কেউ জানে না।

    আমার পত্রিকায় সম্পাদক মশাই সব জানেন।

    ম্যাগার্থ বলল, হ্যালো

    ম্যাগার্থ নাকি হে?

    ম্যাগার্থ সম্পাদকের গলা চিনতে পারলো। সম্পাদক বলল-ওই মেয়েছেলেটাকে নিয়ে শুয়ে আছ নাকি?

    আর কি নিয়ে শোবো। ঘোড়া?

    শোন বিছানা ছেড়ে ওঠো। ওরা সেই ব্লানডিশ কন্যাকে পেয়ে গেছে। তুমি ক্যামেরা নিয়ে ওখানে চলে যাও তুমি না যাওয়া অবধি শেরিফ কিছু করবে না। ওর ইচ্ছে মেয়েটাকে গ্রেপ্তার করার সময় ওর একটা ফটো তোলা হোক।

    এক্ষুণি যাচ্ছি। ওঃ ভগবান শেষ অবধি ওরা মেয়েটাকে পেয়ে গেলো। মেয়েটাকে ওরা পাগলা গারদে পুরলে আমার বাড়া ভাতে ছাই পড়বে। নাঃ ওকে আমার বাঁচাতেই হবে।

    ডাক্তার ফ্লেমিং-এর বাড়ির সদর দরজা আর খিড়কির দরজার মাঝের সঙ্কীর্ণ বারান্দাটুকু লোকে লোকারণ্য। ফিল ম্যাগার্থ ক্যামেরা নিয়ে পেছনের দরজার গায়ে হেলান দিয়ে দাঁড়িয়ে ছিল।

    ক্যাম্প বলল, ম্যাগার্থ আমি মেয়েটাকে বের করে আনলেই ছবি তুলে ফেলবে।

    এখনও বের করেননি, বলা তো যায় না মেয়েটাই হয়ত আপনাকে বার করে আনবে।

    ক্যাম্প-চোরাকুঠুরী দরজায় আঘাত করে বললো, আমরা জানি, তুমি ভেতরেই আছো। তুমি ভাল চাও তত বেরিয়ে এসো।

    এদিকে ক্যারল অন্ধকার চোরাকুঠুরিতে আরো খানিকটা সেঁটিয়ে গেল। ও ঘরের চারিদিকে হাতরে বুঝেছিল যে এই একটা দরজা ছাড়া বেরোনোর আর কোন পথ নেই। নিজেকে মুক্ত করার জন্য ও মরীয়া হয়ে উঠলো কারণ না হলে স্টিঙকে বাঁচানো যাবে না। তারপর ক্যাম্প সজোরে, ধাক্কা মেরে দরজাটা খুলে দিতেই ক্যারল একটা শিক দিয়ে ঘরের সুইচ নিভিয়ে দিল। ফিউজ নষ্ট করে দিলো।

    ক্যাম্প ঘরের মুখে উঁকি দিয়ে বলল, বেরিয়ে এসো বলছি।

    হার্টম্যান বলল যান, ভেতরে গিয়ে মেয়েটাকে ধরে আনুন। তবে দেখবেন ও যেন ব্যথা না পায়। জর্জ স্টীম কেটে পড়ার তালে ছিল। ক্যাম্প তাকে ডাকতে সে বলল, আমি নীচে নামছি না। আমার পাগলকে খুব ভয় লাগে।

    তখন ম্যাগার্থ বলল, আমি আপনার সঙ্গে যেতে রাজি। তখন শেরিফ আর ম্যাগার্থ ঘরের মধ্যে ঢুকল গাঢ় অন্ধকারে তারা কিছুই দেখতে পেল না।

    ক্যারল শেরিফের হাত ধরে হ্যাঁচকা টান মারল; শেরিফ সামনে মুখ থুবড়ে পড়ে গেল। আর ম্যাগার্থও লোকজনের মধ্যে বিভ্রান্তি বাড়িয়ে তোলার জন্য এক বীভৎস চীৎকার করে উঠলো। জর্জ স্টীমের গায়ে গিয়ে সজোরে পড়লো মাগার্থ। সে আবার সিপাইদের ঘাড়ে লাফিয়ে পড়লো।

    ম্যাগার্থ চীৎকার করে বললো, সাবধান মেয়েটা কিন্তু আমাদের মধ্যেই এসে পড়েছে সমস্ত জায়গাটা যেন কিছুক্ষণের জন্য বিভ্রান্তি, অরাজকতা, এবং আতঙ্কের রাজত্ব হয়ে রইলো।

    সেটুকুই ক্যারলের পক্ষে যথেষ্ট ছিল। সে বারান্দায় বেরিয়ে এসে সদর দরজার কাছে হৈ চৈ শুনে খিড়কির দরজা খুলে পেছনের বাগানে বেরিয়ে পড়লো। ম্যাগার্থ ওকে দেখতে পেয়ে দ্রুত অনুসরণ করলো।

    ক্যারল বাগানের পথ দিয়ে অন্ধের মতো ছুটছিলো। ছুটতে ছুটতে একসময় একটা গাছের মোটা শিকড়ে পা আটকে পড়ে গেল ও।

    এক মুহূর্ত নিস্পন্দ হয়ে পড়ে ছিল ক্যারল। তারপর উঠে বসতে যেতেই ম্যাগার্থ ওর সামনে ঝুঁকে দাঁড়াল।

    ম্যাগার্থ বলল, ভয় পাবেন না, আমি আপনাকে সাহায্য করতে চাইছি। আমিই আপনাকে পালাতে সাহায্য করেছিলাম।

    ক্যারল ম্যাগার্থকে দেখে ভরসা পেল। বলল, আপনি কে?

    আমি ফিল ম্যাগার্থ, কাগজের লোক। আপনিও তো ক্যারল ব্লানডিশ তাই না।

    জানিনা একটা দুর্ঘটনা হয়েছিল তারপর কিছু মনে নেই। স্টিঙের দারুণ চোট লেগেছে। ওকে বাঁচাতে হবে আপনি আমাকে সাহায্য করবেন?

    স্টিঙ লারসন? ম্যাগার্থ চোখ কুঁচকে বললো।

    হ্যাঁ, আপনি ওকে চেনেন।

    কিন্তু ওর কি হয়েছিলো? ওই কালো পোষাক পড়া লোক দুটো কি? হ্যাঁ, ওরা ওকে গুলি • করেছে।

    ম্যাগার্থ বলল, সত্যিই কি আপনি জানেন না যে আপনি কে?

    না, তবে যদি সাহায্য করতে চান আর সময় নষ্ট না করে আমার সঙ্গে আসুন। পাহাড়ের ওপর দিকে একটা কাঠগোলায় আমি ওকে রেখে এসেছি।

    আচ্ছা আমি গাড়ি নিয়ে আসছি আপনি জঙ্গলের মধ্যে লুকিয়ে থাকুন।

    ফিল গাড়ি আনতে গেল। ক্যারল এখন সম্পূর্ণ একা, একটু পরেই তার ভয় করতে লাগল মনে হল ওর সঙ্গে গেলেই ভাল হত। এই মনে করে সে এগোতে লাগল। সহসা তার গতি বন্ধ হয়ে গেল।

    বিরাট একটা গাছের গুঁড়ির পেছন থেকে একটা পুরুষালি টুপির ওপরের অংশ দেখা গেল। এর পরেই কালো ওভার কোট আর কালো স্নাউচ টুপি পরা একটা লোক গাছের আড়াল থেকে বেরিয়ে এসে ক্যারলের পথ আটকে দাঁড়াল।

    লোকটা ম্যাক্স, সে বলল, দেখো ঝামেলা কোরোনা। তোমাকে আমার দরকার।ক্যারল অস্ফুট আর্তনাদ করে উল্টো দিকে অন্ধের মতো ছুটতে লাগল। কিন্তু সেখানে ফ্র্যাঙ্ক ছিলো।

    ক্যারল দাঁড়িয়ে পড়লো। ওর হৃৎপিণ্ডের গতি বন্ধ হয়ে গেলো।

    ক্যারল বলল, আমাকে ছুঁয়োনা। দয়া করে চলে যাও।

    ম্যাক্স বললো, তোমাকে আমাদের দরকার। আর লারসন কোথায় তাকেও আমাদের দরকার।

    আমি কিছু জানি না।

    সবই জানবে। কি করে মেয়েদের মুখ থেকে কথা বার করতে হয় তা আমি ভালই জানি।

    ক্যারল চীৎকার করে বলল, ছেড়ে দাও আমাকে। ফ্র্যাঙ্ক এক লাফে এগিয়ে এসে ক্যারলের চুলের গোছা ধরে টেনে নিয়ে বললো। ম্যাক্স ওকে ভাল করে পেটাও। ম্যাক্স সজোরে ক্যারলকে আঘাত করলো।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleব্ল্যাক অর্ডার (সিগমা ফোর্স – ৩) – জেমস রোলিন্স
    Next Article জেমস হেডলি চেজ রচনা সমগ্র ২ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)

    Related Articles

    জেমস হেডলি চেজ

    জেমস হেডলি চেজ রচনা সমগ্র ২ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)

    August 18, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }