Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    জেমস হেডলি চেজ রচনা সমগ্র ১ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)

    জেমস হেডলি চেজ এক পাতা গল্প2631 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৬. একটা ক্যাডিলাক

    ০৬.

    স্টিঙ লারসনের মৃত্যুর একমাস পরে এক অলস অপরাহ্নে গ্রাস হিলের বাড়ির সামনে একটা ক্যাডিলাক এসে থামলো।

    ভিডা জানলার ধারে বসে ছিল। ম্যাগার্থ গাড়ি থেকে নেমে ভিডাকে জড়িয়ে চুমু খেল।তারপর, দুজনে একসঙ্গে বাড়ির ভেতর যেতে যেতে বলল, মেয়েটার সব বন্দোবস্ত ঠিক করে ফেললাম। ও যা ঝাটের কাজ, তা আর কি বলবো।

    ও কেমন আছে?

    ঠিক সেই আগের মতন। সর্বদা কেমন কঠিন ভাব, ওকে দেখে আমার ভয় লাগে।

    এখনও কি ও আগের মতো গুম মেরে থাকে?

    হ্যাঁ, আমি কোনও দিকেই ওর আগ্রহ ফেরাতে পারছি না। চেষ্টা করেছিলাম যাতে খবরের কাগজ ওর হাতে না পড়ে। কিন্তু জানি না কি করে কাগজটা পেয়ে ও নিজের সম্বন্ধে সব কথাই জেনে ফেলেছে। তারপর দরজা বন্ধ করে ঘন্টার পর ঘণ্টা ও পায়চারি করেছে।

    দুদিন আগে তোক কি দুদিন পরে হোক খবরটা ও জানতোই। তবে এভাবে জানা ঠিক হল না। যাক এখন তো সব ব্যবস্থাই হয়ে গেছে। ও এখন চল্লিশ লাখ ডলারের মালিক। হার্টম্যান পালিয়েছে। যাই মেয়েটার সঙ্গে দেখা করে আসি। এখনও নিজের স্বাধীনতা ও সম্পত্তি দুই পেয়ে গেছে। আমার মনে হয় ও এখন আমাদের ছেড়ে চলে যাবার পরিকল্পনা করছে। তুমি ওকে একটু বুঝিয়ে বল ও একা। বাইরে ওর নিজের কেউ নেই।

    জানালার সামনে ক্যারল বসে ছিল। ম্যাগার্থ ঘরে ঢুকতে ও মুখ ফিরিয়ে নিল। তবু ম্যাগার্থ ওর পাশের চেয়ারে বসে বলল, ক্যারল তুমি এখন এক ধনবতী যুবতী। কাগজপত্র সব আমার সঙ্গে আছে একবার দেখে নেবে।

    না, আপনি বলছিলেন আমি এখন একজন ধনবতী মহিলা। কিন্তু কতটা ধনী?

    চল্লিশ লক্ষ ডলার–অনেক টাকা। তুমি খুশী?

    আমি খবরের কাগজে আমার সম্বন্ধে পড়েছি। আমার মায়ের মৃত্যুর জন্য দায়ী একটা পাগল খুনী আমার বাবা।

    দ্যাখো ক্যারল কাগজের সব কথা বিশ্বাস করতে নেই। এর জন্য তুমি নিজেকে যন্ত্রণা দিয়ো না। ভিডা আর আমি তোমাকে সাহায্য করতে চাই।

    ক্যারল বলল, আপনাদের আমার সঙ্গে থাকতে ভয় করে না। আমি তো পাগল।

    থামো এসব কথা আমি শুনতে চাই না। তুমি এমন করছো কেন। সামান্য কেঁপে উঠে ক্যারল পেপারটা ফেলে দিল। তারপর উঠে দাঁড়িয়ে পায়চারি করতে লাগল।

    না না আপনি দয়া করে আর কিছু বলবেন না। আমি জানি আমি পাগল। আমি আপনাদের দুজনের কাছে কৃতজ্ঞ। আমি জানি আপনারা দুজন আমার ভাল চান।

    এখন আমাকে একা থাকতে দিন, হয়তো আমি, আপনার কিংবা ভিডার কেবল ক্ষতি করে ফেলবো। ক্যারল বলল, আমি মনস্থির করে ফেলেছি, কাল আমি এখান থেকে চলে যাবো। কিন্তু যাবার আগে আমি সকলকে দিয়ে কয়েকটা কাজ করিয়ে নিতে চাই।

    কিন্তু তুমি কোথায় যাবে? তোমার ঘরবাড়ি বলতে কোনও বস্তু নেই, তুমি তো আর উধাও হয়ে যেতে পারো না।

    এসব আলোচনা করে আমরা বৃথা সময় নষ্ট করছি। আপনি কি আমার বিষয় সম্পত্তির ভার নিতে রাজী আছেন? টাকাপয়সার ব্যাপারে আমি কিছু বুঝিও না, বুঝতে চাইও না। আমি একজন উকিলের সঙ্গে কথা বলেছি। উনি এসব রক্ষণাবেক্ষণের জন্য আমাকে একজন লোক নিযুক্ত করতে বলেছেন। আমার দাদুর অনেকগুলো ব্যবসার মালিকানা এখন আমার হাতে। সেসব ক্ষেত্রে আপনি কি আমার প্রতিনিধি হতে রাজী আছেন?

    ম্যাগার্থ অবাক হয়ে বলল, আমার যা সাধ্য আমি করব।

    হ্যাঁ এর জন্য আপনি ভাল মাইনে পাবেন।

    ক্যারল বলল, আমি এখুনি দু-হাজার ডলার চাই, পেতে পারি? আর একটা গাড়ি আমার জন্য কিনে আনবেন?

    ঠিক আছে তুমি যা বলছে তাই করবো তবে যাওয়ার আগে আর একবার ভেবে দেখলে হতো না।

    না, আমি আমার পরিকল্পনা ছকে ফেলেছি। আপনি এখন যান, দয়া করে ভিডাকে বলে দেবেন যে আজ আমি আর কারো সঙ্গে দেখা করতে চাই না। কাল সকালেই আমি এখান থেকে চলে যাব।

    ম্যাগার্থ শেষবারের মতো চেষ্টা করল, আচ্ছা ক্যারল, আমার ওপর কি তোমার কোনই আস্থা নেই। হয়তো আমি তোমাকে সাহায্য করতে পারতাম। লোকদুটো যখন তোমার শত্রু হয়ে রয়েছে তখন কেন তুমি একা একা চলে গিয়ে নিজের বিপদ ডেকে আনতে চাইছো?

    না, যা করার তা আমি একাই করবো। কেউ আমাকে সাহায্য করতে পারবে না।

    বেশ বলে ম্যাগার্থ বেরিয়ে গেল।

    ক্যারল জানলার পাশে বসেকপালের দুধার চেপে ধরল। তারপর মৃদু অথচ স্পষ্ট করে বলল, স্টিঙ, সোনা আমার যেখানেই থাকো তুমি আমাকে ভালবেসো। ওরা যেমন তোমার প্রতি খারাপ ব্যবহার করেছে আমিও তেমনি ওদের প্রতি নিষ্ঠুর ব্যবহার করব। ওদের শাস্তি দেওয়া ছাড়া আমার আর কোন অভিলাষ নেই।

    .

    পরদিনও সমানে বৃষ্টি পড়ছিল। কাদামাখা একখানা কালো রঙের ক্রাইসলার কুপ দুরন্ত চড়াই ভেঙে এগিয়ে আসছিলো টেক্স শেরিফের খামার বাড়ির দিকে।

    কাঠের সিঁড়ি বেয়ে ওপরে উঠেদরজার হাতল ধরে ঘর খোলবার চেষ্টা করলো ক্যারল। দরজা ভেতর থেকে চাবি বন্ধ।

    বেশ কয়েকবার আঘাত করার পর ভেতরে হালকা পায়ের শব্দ শোনা গেল।

    মিস ললির কণ্ঠস্বর শোনা গেল, কে?

    ক্যারল ব্লানডিশ। আমি আপনার সঙ্গে একটু কথা বলতে চাই।

    তুমি ফিরে এলে কেন? তুমি ভিতরে আসতে পারবে না। আমি একা থাকতে চাই।

    আমি সুলিভ্যানদের খুঁজছি।

    কিন্তু বোকা মেয়ে ওরা তো তোমাকেই খুঁজছে।

    ওরা আমার ভালবাসার লোককে মেরে ফেলেছে। আমি ওদের ছাড়ব না।

    ও তুমি প্রতিশোধ নিতে চাও। ভিতরে এস।

    ওরা কোথায় আছে আপনি জানেন?

    না, আর জানলেই বা কি করতাম। তুমিই বা কি করবে? ওরা যত ক্ষিপ্রই হোক আমি ওদের শাস্তি দেবোই।

    দ্যাখো ম্যাক্স আমার দাড়ি কেটে নিয়েছে, বলতে বলতে মিস ললির চোখ দিয়ে দুফোঁটা জল গড়িয়ে পড়ল।

    কেন কাটল?

    কারণ আমি তোমাকে যেতে দিয়েছিলাম। এর থেকে ওরা যদি আমায় মেরে ফেলত তাহলে ভাল হত। কিন্তু জানত যে এতেই আমি বেশী কষ্ট পাবো। তুমি চলে যাবার দুদিন পরে ম্যাক্স আর ফ্র্যাঙ্ক এসেছিল। কিন্তু ফ্র্যাঙ্ক গাড়িতে বসেছিল। ওকে আমি দেখিনি।

    গাড়িতে বসে ছিল তার কারণ ও অন্ধ। স্টিঙকে খুন করার পর আমি ওকে অন্ধ করে দিয়েছিলাম।

    ওরা যাবার সময় ওপরের যে ঘরটায় ওদের জিনিসপত্র রাখতে সেখান থেকে সব নিয়ে চলে যায়। ঘরটা একবার দেখবে? সেখানে একটা ছবি পড়েছিল। ওরা যাবার পর ওটা কুড়িয়ে পাই। আমি তুলে রেখেছি।

    ছবিটা একটা মেয়ের। মাথার কালো চুল মাঝখানে সিথি করে আঁচড়ানো। পুরু ঠোঁট শরীরে। এমন একটা কন্য-সৌন্দর্য যে তাকে দেখলে পুরুষমানুষ সহজে ভুলতে পারবে না। ছবির নীচে আড়াআড়ি করে সাদাকালিতে আঁকাবাঁকা অক্ষরে লেখা, প্রিয় ফ্র্যাঙ্ককে লিনডা।ছবিউলটে পেছনে চিত্রগ্রাহকের ছাপটা দেখে নিলো ক্যারল কেনেথ কার, ৩৯৭১ মেইন স্ট্রীট, সানটোরিডা।

    মিস ললি বললো, তুমি ওকে খুঁজে বার করো। তাহলেই তুমি ফ্র্যাঙ্ককে খুঁজে পাবে। কারণ এর কাছে ফ্র্যাঙ্ক যাবেই।

    .

    প্রশান্ত মহাসাগরের তীরে কোটিপতিদের লীলাভূমি এই ছোট্ট অথচ ঘন বসতিপূর্ণ শহর, সানটোরিডা। এখানকার অনেক বাসিন্দা জাল, জোচ্চুরি, ব্ল্যাক মেইলিংইত্যাদি নানা অসৎ উপায়ে সচ্ছলভাবেই জীবন কাটায়।

    লম্বা-চওড়া সুদর্শন পুরুষ এডি রিগান। মাথায় কালো কোকড়ানো চুল, রোদে পোড়া গায়ের রং, অনেক মেয়েকেই আকর্ষণ করে। যে সব ধনবতীবয়স্কা মহিলা এখানেআনন্দ উপভোগ করতে আসে এডি তাদের সঙ্গ দেয় তাদের সঙ্গে প্রেম প্রেম খেলা করে। এবং এই থেকে তার ভালই আয় হয়।

    লিনডার সঙ্গে নিতান্ত আকস্মিকভাবেই এডির পরিচয় হয়েছিল।

    এক মধুর বিকেলে বয়স্কা মহিলাদের সন্ধানে চোখ খোলা রেখে এডি সমুদ্রতীরে অলসভাবে সময় কাটছিল। হঠাৎ সূর্য মানের জন্য লিনডা সমুদ্র থেকে উঠে এল।

    লিনডার যে ধরনের শরীর তা স্নানের পোশাকেই ভাল মানায়। তাই সেই দেহবল্লরী দেখে মুহূর্তের মধ্যে বয়স্কা মহিলাদের চিন্তা মাথা থেকে হটিয়ে দিল এডি।

    এডি অনেক সুন্দরী দেখেছে। কিন্তু এমনটি আর দেখেনি। সে এগিয়ে এসে লিনডার সঙ্গে ভাব করলো। লিনডাও এডির মতো সুপুরুষ সঙ্গী পেয়ে খুশিই হয়েছিল।

    হয়ত এডির সুন্দর মুখ, রোদে পোড়া চামড়া তাকে আকর্ষণ করেছিল। যাইহোক কিছুদিনের মধ্যেই ওদের বন্ধুত্ব গাঢ় হয়ে উঠল।

    এডি ভেবেছিল, অতীতের ঘটনার মতো এবারও সপ্তাহের শেষাশেষি লিনডার সৌন্দর্য তার কাছে বাসি ফুলের মতো বিবর্ণ হয়ে উঠবে। কিন্তু তার বদলে সে দেখল যে সে দিনরাত তার কথাই ভাবছে। এমনকি সে লিনড়াকে বিয়েও করতে চায়।

    লিনডার বিলাসবহুল জীবনযাত্রা দেখে এডি অবাক হয়ে গিয়েছিল। ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য একটা সমুদ্রতট ছাড়াও সুন্দর একটা বাংলোর মালিক লিনডা।

    লিনডার পোশাক-আষাক বাড়ির আসবাবপত্র, এমনকি লিনডার চড়বার জন্য একটা ঝলমলে নীল রঙা রোডমাস্টার বুইক আছে যেটা চালিয়ে ও যখন তখন ঘুরতে বেরিয়ে পড়ে। এসব সে কোথায় পেয়েছে?

    লিনডা বলে যে তেলের ব্যবসায়ী ধনী মামার কাছ থেকে উত্তরাধিকার সূত্রে সে এসব পেয়েছে। যদিও এডি কথাটা বিশ্বাস করেনি। সে ভেবেছিল যে লিন্ডা একমাত্র তাকেই ভালবাসে তাই সত্যিকারের উত্তরটা সে ভাবতেও পারেনি। সে জানতো না যে লিনডার এই সব বিলাসবৈভবের মূলে আছে তার এক প্রেমিক। এখানে যে খুব কমই আসে।

    বছরে মাত্র চার কি পাঁচবার লোকটা আসে। লোকটাকে খুব বিশ্রী লাগলেও লিনডা সব মেনে নেয় কারণ না হলে এই সব সুখ তার হাতছাড়া হয়ে যাবে। ও কখনও সুলিভ্যান ব্রাদার্সের কথা শোনেনি। ও ভাবতেও পারবেনা সে যাকে ফ্র্যাঙ্ক বলে ডাকে সে সুলিভ্যান ব্রাদার্সের একজন।

    লিনডার সঙ্গে ম্যাক্সের মাত্র দুবার দেখা হয়েছে। ম্যাক্সকে দেখে ভয় হয়। আর লিনডা যে সুলিভ্যানদের মধ্যে একজনের রক্ষিতা সেকথা জানতে পেরে এডিও সব আগ্রহ প্রথমেই হারিয়ে ফেলল। সুলিভ্যানদের সম্পর্কে অনেক কথা শুনলেও তাদের একজনকেও সে দেখেনি।

    আজ এই উষ্ণ রৌদ্রময় বিকালে ওস্যান বুলেভার্ড ধরে ঘি আর টুকটুকে লাল রঙা রোডস্টার যেটা এডিকে এক বয়স্কা বান্ধবী দিয়েছিল সেটা চালিয়ে আসতে আসতে এডির মনে হচ্ছিল সত্যি জীবন কি মধুর!

    বেলা সাড়ে তিনটার কয়েক মিনিট পরে লিনডার বাংলোতে পৌঁছে এডি দেখলো, লিন ফুলের বাগানে ঘুরে বেড়াচ্ছে।

    লিনডা এডিকে দেখে বলল আমি এখুনি ভাবছিলাম যে তুমি আসবে কিনা। বিকেলে একটু সাঁতার কাটতে গেলে কিন্তু দিব্যি মজার হতো।

    এডি লিনডাকে আদর করতে করতে বলল, এখন না। বিকেলে ছটা নাগাদ জলটা বেশ ঠাণ্ডা হয়ে উঠবে, ততক্ষণ আমরা অপেক্ষা করবো।

    তাহলে চলল ভিতরে বসে চা খাই।

    প্রস্তাবটা এডির পছন্দ হলো।ওরাকাঁচের দরজা ঠেলে ঘরে এসে সোফার উপর বসল।লিনডা বলল ঘণ্টা বাজলেই চাকর চা নিয়ে আসবে।

    কিন্তু এই মুহূর্তে এডির চা খাওয়ার একটুও আগ্রহ নেই। না এখন চা নয় এই বলে লিনডাকে কোলে নিয়ে দোতলার একটা ঘরে চলে গেল।

    লিনডা বলে আমাকে ছোঁবে না বলছি। এখন আমরা বাইরে স্নান করতে যাবো।

    সবই হবে চা খাওয়া, স্নান করা তবে আগে তোমাকে একটু আদর করি এই বলে লিনডাকে জড়িয়ে ধরল।

    লিনডা বলল, দেখো আমাকে ছেড়ে দাও। জোর কোরো না, কিন্তু এডি এসব কথায় কানই দিল না।

    সময় এগিয়ে চলল। প্রথমে এডির ঘুম ভাঙল। পেশল বাহুদুটো ছড়িয়ে আড়মোড়া ভেঙ্গে ও চোখ খুলল। পরক্ষণেই ওর পাকস্থলিটা যেন একটা ডিগবাজি খেয়ে উঠলো।

    এডি দেখল বিছানার কাছে বসে একটা লোক ওদের দিকে তাকিয়ে আছে। তার মনে হলো যেন স্বপ্ন দেখছে। লোকটার পোশাক কালো, মুখটা সাদা পাথরের মতো কঠিন।

    এডির দৃঢ় আকর্ষণে লিনডা চমকে উঠে জেগে গেল। পরক্ষণেই কালো পোশাক পরা লোকটাকে চিনতে পেরে আতঙ্কে ওর গলার স্বর বন্ধ হয়ে গেল।

    ম্যাক্স মৃদুস্বরে বলল, লিনডা তোমার নাগরটিকে বেরিয়ে যেতে বল। তোমার সঙ্গে আমার কথা আছে।

    এডি বেরিয়ে গেল যাওয়ার আগে সে লিনডার দিকে তাকালও না। কারণ ম্যাক্স তাকে ছুরি দিয়ে তালু কেটে দিয়েছিল। লিনডা বলল–এডি আমাকে ছেড়ে যেও না। কিন্তু এডির কানে সে কথা ঢুকল না।

    ছুরিটা পকেটে রেখে দিয়ে ম্যাক্স একটা রেশমী চাদর লিনডার দিকে ছুঁড়ে দিয়ে বলল, নাও এটা গায়ে জড়িয়ে নাও।

    কাঁপা হাতে চাদরটা জড়িয়ে নিতে নিতে লিনডা ভাবল যে ম্যাক্স নিশ্চয়ই ফ্র্যাঙ্ককে সব কথা বলে দেবে। এখন ফ্রাঙ্ক কি করবে। তাকে লাথি মেরে বাড়ি থেকে বার করে দেবে। তবে কি এই বিলাস বৈভব সব কিছু হারিয়ে আবার আগেকার জীবনে তাকে ফিরে যেতে হবে!

    ম্যাক্স দেওয়ালে হেলান দিয়ে একটা সিগারেট ধরাল। বলল, ফ্র্যাঙ্কের থেকে টাকা নিয়েও লোকটাকে না ঠকালে চলছিল না। আমি তো ওকে আগেই সাবধান করে দিয়েছিলাম কিন্তু ও তোমার মধ্যে কি দেখেছে ওই জানে। এখন থেকে তোমার খরচের টাকা তোমাকেই রোজগার করে নিতে হবে।

    লিনডা বলল, দেখো আর কখনও এমন হবেনা। তুমি ওকে বলো না। ও আমাকে ভালবাসে। শুনলে কষ্ট পাবে।

    ঠিকই বলেছ। আর কখনও এমন হবে না। ফ্র্যাঙ্ককে আমি কিছু বলব না, ওর জীবনও নষ্ট করবো না। শোনা, ফ্র্যাঙ্ক চিরদিনের মতো এ বাড়িতে চলে এসেছে। তুমি ওর সঙ্গে থাকবে, ও যা বলে করবে। ওর সঙ্গে বেড়াতে যাবে, দাড়ি কামিয়ে দেবে, পোশাক গুছিয়ে রাখবে, কাগজপত্র পড়ে শোনাবে। মোট কথা সবসময় তুমি ওর পাশে থেকে ওকে সাহায্য করার চেষ্টা করবে। তোমার চোখ দিয়ে ও সবকিছু দেখবে।

    আমার চোখ দিয়ে দেখবে মানে? ওর নিজেরই তো দুটো চোখ আছে।

    ম্যাক্সের মুখে এক টুকরো হাসি ফুটে উঠল। তারপর ও লিনডার কাছে এসে ওর চুলের গোছা ধরে বলল, কোনও রকম চালাকি করলে আমি তোমাকে শেষ করে ফেলবো। আমি কিন্তু মাত্র একবারই সাবধান করেছি। যদি তুমি পালিয়ে যাওবা ওর সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করতাহলে অ্যাসিড দিয়ে তোমার মুখ পুড়িয়ে দেবো। ও চিরকালই বোকা ও তোমার মধ্যে কি দেখেছিল কে জানে ও তোমাকেই চায়।

    দরজা খুলে ম্যাক্স বেরিয়ে গেলো, বললো এসো ফ্র্যাঙ্ক। ও তোমার জন্য অপেক্ষা করছে।

    একটু পরেই ফ্র্যাঙ্ক ঘরে এসে ঢুকল। দৃষ্টিহীন চোখদুটো চশমার কালো কাঁচের আড়ালে লুকোনো, হাতে লাঠি। মেদবহুল মুখে উপবাসীজাআকাঙ্ক্ষার সঙ্গে আত্মবিশ্বাসের করুণ ছায়া।

    ফ্র্যাঙ্ক হাত বাড়িয়ে বলল, দেখো লিনডা আমি বাড়িতে ফিরে এসেছি।

    পরের দুটো সপ্তাহ লিনডার জীবনে দুঃস্বপ্নের মতো কাটল। জীবনের শেষ দিন অবধিও এই দিনটার কথা ভুলতে ও পারবে না।

    ফ্র্যাঙ্কের অজস্র চাহিদার আর বিরাম নেই।ফ্রাঙ্ক সর্বদাই ওকে কিছু পড়ে শোনাতে বলে।নয়তো ওর পাশে চুপ করে বসে থাকতে বলে পরবর্তী প্রয়োজন পালন করার জন্য। চোখের দৃষ্টি চলে যাওয়াতে ও এখন আরো ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেছে। এখন ও লিনডার শারীরিক সৌন্দর্য দেখতে পায় না এর জন্য ওর আকর্ষণী শক্তি ফ্র্যাঙ্কের ওপর কোনও কাজ করছে না। এখন ফ্র্যাঙ্ক ওকে কোনও পোশাকও কিনতে দেয় না। বলে ওসব পরে তোমাকে কেমন লাগছে তা যদি আমি দেখতেই না পাই তাহলে কিনে কি লাভ। লোকটা এখন ভীষণ কিপ্টে হয়ে উঠেছে।

    ব্যক্তিগত সময় বলতে এখন আর লিনডার কিছু নেই। সবসময়েই ফ্র্যাঙ্ক লিনডাকে খোঁজে। অথচ ম্যাক্সের ভয়ে ও ফ্র্যাঙ্ককে ছেড়ে পালাতেও পারছে না।

    ও এডির সঙ্গে দেখা করার জন্য ছটফট করছিল। তাই বড় আবেগময় ভাষায় ও এডিকে চিঠি লিখেছিল, এডিও যন্ত্রণায় পাগল, ও নিজেও আগে বুঝতে পারেনি যে লিনডাকে ছেড়ে থাকতে ওর এত কষ্ট হবে।

    লিনডার শয়নকক্ষে ম্যাক্সের সেই নাটকীয় অবির্ভাবের ষোল দিন পরে এক ক্লান্ত অপরাহ্নে একটি বয়স্কা মক্কেলের আসার আশায় একটা রেস্তোরাঁয় বসে এডি সময় কাটাচ্ছিল। হঠাৎ লক্ষ্য করলো একটা মেয়ে তার অদূরেই একটা টুল নিয়ে টেনে বসলো। ওরা দুজন ছাড়া এখন আর কোনও খদ্দের নেই। অভ্যাসের বসে মেয়েটিকে দেখল সে। মেয়েটির পরনের পোশাক নোংরা হলেও রুচিশীল। মাথায় ছোট টুপির আড়ালে একরাশ কালো চুল এলিয়ে রয়েছে। চোখে মোটা ফ্রেমের চশমা। তবু সে দেখলে যে মেয়েটির শরীরের গড়ন সত্যি সুন্দর।

    একটু পড়েই সে শুনলো মেয়েটা দোকানীর সঙ্গে কথা বলছে।

    মেয়েটি বলছে আমি একটা অল্প সময়ের কাজ খুঁজছি। ধরুন কেউ সন্ধ্যেবেলার জন্য সঙ্গিনী খুঁজছেন? অথবা কারো বাচ্চার দিকে নজর রাখার লোক দরকার। এমন কারো কথা আপনার জানা আছে।

    দোকানদার আনড্রু মানুষকে সাহায্য করার জন্য সর্বদা উৎসুক। অবেশেষে বলল তবে এই ছোট্ট শহরে অধিকাংশ লোকেরই বাচ্চাকাচ্চা নেই।

    মেয়েটি কফি নাড়তে নাড়তে বলল, আসলে আমি একটা কাজ করছি। তবে মাইনে খুব একটা সুবিধার নয়। বলল আমার নাম মেরি প্রেনটিস, ইস্ট স্ট্রীটে থাকি। লিখে দেবো?

    তারপর একটু থেমে বলল, কোনও অন্ধ মানুষের যদি সঙ্গী প্রয়োজন হয় তাহলেও আমাকে জানাবেন ও বিষয়ে আমার শিক্ষাগত যোগ্যতা আছে।

    ঠিক আছে জানাবো। তবে সানটোরিড়াতে অন্ধ মানুষ বড় একটা নেই। তেমন কেউ আছে। বলেই আমি জানি না। তবে আমি লক্ষ্য রাখবো।

    এডি মেয়েটাকে রেস্তোরাঁ থেকে বেরিয়ে যেতে দেখলো। হঠাৎ তার মাথায় একটা চিন্তা খেলে গেল। সে দোকানদারকে বলল, আভু মেয়েটার নাম ঠিকানা আমাকে দাও তো। আমি একজন অন্ধ মানুষকে চিনি তার একজন মহিলার সঙ্গদরকার।

    সেদিনই রাত এগারোটার সময় এডি লক্ষ্য করলো, পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী বাড়ি থেকে কিছু দূরে তার জন্য লিনডা অপেক্ষা করছে।

    প্রথম কয়েকটা মুহূর্ত দুজন দুজনকে আবেগে জড়িয়ে ধরে থাকলো। তারপর এডি বলল শোন লিনডা, আমাদের হাতে বেশি সময় নেই। এভাবে বেশিক্ষণ লোকটার চোখে ধুলো দিয়ে থাকা যাবে না। এর মধ্যে আমি একটা প্ল্যান করেছি।

    লিনডা বলল–আমি জানতাম তুমি কিছু না কিছু একটা ব্যবস্থা করবে। নাহলে হয়তো কবেই আত্মহত্যা করতে যেতাম।

    শোন আমি একটা মেয়ের সন্ধান পেয়েছি। মেয়েটি সঙ্গিনী হবার কাজ খুঁজছে। তুমি ফ্র্যাঙ্ককে বুঝিয়ে বল যে মাঝে মাঝে এ ধরণের পরিবর্তন ওর ভালই লাগবে। দু-তিন দিন বইপত্র পড়ার জন্য মেয়েটাকে রাখবার জন্য তুমি ফ্র্যাঙ্ককে রাজী করিয়ে ফেল।

    লিনডা চোখ ঘুরিয়ে বলল, তাতে আমার লাভ কি? তুমি কি ভেবেছো যে তাকে পেয়ে ও আমাকে ছেড়ে দেবে?

    লিনডা একটা জিনিস তুমি ভুলে যাচ্ছো ও এখন তোমার রূপযৌবন দেখতে পায়না। এখন তাই নতুন মেয়ের কণ্ঠস্বর শুনতে পেলে ও খুশীই হবে। তারপর কিছুদিন পরেই ও একা হতে চাইবে। তখন ওই তোমাকে বাইরে যেতে বলবে। আর আমার সঙ্গে তুমি দেখা করতে পারবে।

    কিন্তু এতে তো অনেক সময় লেগে যাবে এর মধ্যে ম্যাক্স এসে যাবে। সেটা আমি চাই না।

    দেখো লিনডা, তুমি যদি ঠিকমতো চাল দিতে পারো, ওর সঙ্গে ঝাঁঝিয়ে কথা বল তাহলে ও কিছুদিন পর নিজেই তোমাকে চোখের বিষ হিসেবে দেখবে।

    লিনডা হাত চেপে বলল–আমি চাই ও মরুক। অতএব অনিচ্ছা সত্ত্বেও রাজী হল।

    এক সপ্তাহ ধরে সাবধানে এডির কথামত চলে ও ফ্র্যাকের কাছে কথাটা তুলল। ও এমনভাবে মেরি প্রেনটিসের বর্ণনা দিতে লাগল (যাকে ও এখনও দেখেই নি) যাতে ফ্র্যাঙ্ক উদ্দীপ্ত হয়ে উঠল। গত সপ্তাহে সে ফ্র্যাঙ্কের সঙ্গে খুবই খারাপ ব্যবহার করেছে। তাই নতুন কাউকে দেখার জন্য সে উদগ্রীব হয়ে উঠল।

    পরদিন সন্ধ্যেবেলায় মেরি প্রেনটিস এলো। লিনডা মলিন পোশাক পরা মেয়েটাকে দেখে স্বস্তি পেল। দৃষ্টিশক্তি থাকলে ফ্র্যাঙ্ক দ্বিতীয়বার ওর দিকে তাকাত না।

    খুব সাধারণ দেখালেও মেরি প্রেনটিসের বড় বড় সবুজ চোখদুটোর সৌন্দর্য সত্যিই অতুলনীয়। কিন্তু মলিন পোশাক আর প্রসাধনহীন মুখ সে সৌন্দর্য ঢেকে দিয়েছে।

    ফ্র্যাঙ্কের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেবার সময় মেয়েটি সামান্য বিচলিত হয়ে পড়ল। সেই অবস্থাতেই ওদের একসঙ্গে রেখে লিনডা বেরিয়ে গেল।

    সেদিন মেয়েটা চলে যাবার পরেই ফ্র্যাঙ্কের মধ্যে লক্ষণীয় পরিবর্তন দেখতে পেল লিনডা। পরের সপ্তাহ থেকে প্রতি সন্ধ্যাতে ডিনার শেষ করে ফ্র্যাঙ্ককে পত্রিকা পড়ে শোনানোর জন্য মেরি প্রেনটিস এ বাড়িতে এসেছে।

    পরের সপ্তাহেই ফ্র্যাঙ্ক বলল লিনডা তুমি বাইরে ঘুরে এসো। আমাকে পড়ে শোনানোর জন্য তো মেরি প্রেনটিস রয়েইছে। অতএব সে রাতে মেরি প্রেনটিস বই পড়ে শোনাতে সে বলল, মিস লি বাড়িতে নেই?

    না, ফ্র্যাঙ্ক মুচকি হাসল। আমি তোমার সঙ্গে খানিকটা সময় একান্তে কাটাতে চাইছিলাম। কেন জানো নিশ্চয়ই।

    জানি। আমার কাছে এসো।

    না এখানে নয়। এটা মিস লির বাড়ি। যদি আমার বাড়িতে আসেন তাহলে আলাদা কথা।

    ফ্র্যাঙ্ক রাজী হলে মেরি তাকে গাড়িতে চাপিয়ে গাড়ি স্টার্ট করে দিল। সে বলল, তাড়াতাড়ি চলো মনি, দেখবে আমি তোমাকে কত সুখ দেবো।

    ধীরে ধীরে বড় রাস্তার ওপরে একটা ল্যাম্পপোস্টের কাছে গাড়ি থামাল মেরি।

    ফ্র্যাঙ্ক বলল–আমরা কি পৌঁছে গেছি?

    হ্যাঁ, এই তোমার শেষ যাত্রা।

    আমি এখন তোমাকে খুন করতে নিয়ে যাচ্ছি।

    তুমি কে?

    আমি ক্যারল ব্লানডিশ।

    আতঙ্কে অন্ধ ফ্র্যাঙ্ক গাড়ি থেকে নেমে ছুটতে লাগল। সহসা চারিদিকে অনেক চিৎকার আর অনেক গাড়ির ব্রেক চাপার শব্দ পেল।

    একখানা লাল রোড মাস্টার দ্রুতগতিতে এগিয়ে এল, গাড়িতে বসে ছিল লিনডা আর এডি। এডি ব্রেক কষার চেষ্টা করলেও শেষ রক্ষা হল না। গাড়ির সামনের ধাক্কায় ফ্র্যাঙ্ক ছিটকে রাস্তায় পড়ল। পরক্ষণেই একটা ট্রাক ওকে পিষে দিয়ে গেল।

    ওয়ালটনভিল হাসপাতালের রবারের চাদর মোড়া বারান্দা দিয়ে নার্সকে অনুসরণ করে ম্যাক্স এগিয়ে গেল।

    দুমিনিটের বেশি কিন্তু নয়।

    ঘরে ঢুকে বিছানায় শোয়া ফ্র্যাঙ্কের দিকে তাকাল ম্যাক্স।

    ক্যারল ব্লানডিশ বলেছে প্রথমে আমি তারপর তুমি হাঁপাতে হাঁপাতে ফ্র্যাঙ্ক বলল। এরপর ফ্র্যাঙ্ক চিরদিনের মতো স্তব্ধ হয়ে গেল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleব্ল্যাক অর্ডার (সিগমা ফোর্স – ৩) – জেমস রোলিন্স
    Next Article জেমস হেডলি চেজ রচনা সমগ্র ২ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)

    Related Articles

    জেমস হেডলি চেজ

    জেমস হেডলি চেজ রচনা সমগ্র ২ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)

    August 18, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }