Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    জেমস হেডলি চেজ রচনা সমগ্র ১ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)

    জেমস হেডলি চেজ এক পাতা গল্প2631 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৭. হাসপাতালের সিঁড়ি দিয়ে

    ০৭.

    হাসপাতালের সিঁড়ি দিয়ে নামতে নামতে ম্যাক্সের মনে হল, সে আগে যত বড়লোক ছিল এখন তার দুগুণ।

    কারণ সুলিভ্যানরা কেউ ব্যাঙ্কে টাকা রাখত না। টাকাটা থাকত ম্যাক্সের বাবার কাছে। কথা ছিল যে আগে মরবে তার ভাগটা অপর অংশীদার পাবে। এখন পেশাদারী খুনের কাজ থেকে সরে সে একটা পাখির ব্যবসা করতে পারে।

    সে ভাবল যে ক্যারল তার কিছুই করতে পারবে না। কারণ মেরি প্রেনটিস সেজে যে ক্যারল ফ্র্যাঙ্কের মৃত্যু ঘটিয়েছে এটা সে লিনডারে সঙ্গে কথা বলে জানতে পেরেছে।

    তার অবশ্য কিছু হবে না। কারণ তার কাছে মেয়েদের কোন দাম নেই।

    এই বলে সে গাড়ির দরজা খুলল। গাড়িতে উঠতে গিয়ে দেখল ফেস্টিয়ারিং-এর ঠিক নীচে একটা টকটকে লাল অর্কিড পড়ে আছে। ফুলটার দিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতে তার চোখটা সামান্য কুঁচকে উঠল।

    কেউ কি বিনা কারণে এত দামী ফুলটা তার গাড়ির মধ্যে ফেলে গেলো নাকি এর কোনও কারণ আছে।

    যাইহোক সে গাড়িতে উঠে গাড়ি স্টার্ট করে দিল।

    পাহাড়ের উপর একটা কাঠের বাড়ির সামনে গাড়ি থামলো। বাড়ির নাম নিরালা। বাড়িটা বেশ পুরনো।

    এটা ম্যাক্সের বাড়ি। এখানে ওর বাবা থাকে। সে তিরিশ বছর সার্কাসের ক্লাউন হয়ে কাজ করেছে। নাম তার ইজমি গিজা।

    ম্যাক্সকে সে রীতিমতো ভয় করে চলে। যেমন চলতো ম্যাক্সের মাকে। কারণ ইজমি গিজা শান্তিপ্রিয় লোক।

    ম্যাক্স গাড়ি থেকে নেমে এগিয়ে এল। তার বোতামের ঘরে একটা টকটকে লাল অর্কিড।

    সে বলল, ফ্র্যাঙ্ক মারা গেছে।

    তাহলে এখানেই সব কিছুর ইতি।

    ইস, এখন আমাদের দুজনের টাকাই আমার। এই কথাই ছিল।

    ইজমি বলল, আমার অবস্থার কিছু হেরফের হবে কি?

    জানিনা, তোমার কথা ভেবে দেখার সুযোগ পাইনি। ওসব ছোট-খাট ব্যাপারগুলো পরে ভেবে দেখবো। তুমি কি এখানে থাকতে চাও?

    হ্যাঁ আমি এখানে থাকতে ভালবাসি।

    তারপর ম্যাক্স ইজমিকে সব কথা খুলে বলল, সে আরও বলল, মেয়েটা এখানেই আছে এই শহরেই। ফ্র্যাঙ্ক বলেছিল ওঁর পর এবার আমার পালা। এ ব্যাপারে তোমার কি মনে হয়।

    কথাটা তুমি আমাকে না বললেই ভালো করতে, এই বলে ইজমি বাড়ির ভেতরে চলে গেল।

    এরপর ম্যাক্স গাড়ি থেকে দুটো বড় ব্যাগ বের করে বাড়ির দোতলায় একটা চোরা কুঠুরির মধ্যে ঢুকল। তারপর সেই ঘরের একটা আলমারীর মধ্যে লুকনো দুটো পুরনো চামড়ার ব্যাগ বের করে আনল।

    পরবর্তী আধ ঘণ্টা পাঁচ এবং দশ ডলারের একগাদা বান্ডিল গোনায় ব্যস্ত হয়ে রইল ম্যাক্স। এখন সে রীতিমতো ধনী।

    একটু পরেই ওর বাবা বলল ওরা ফোন করে ফ্র্যাঙ্কের অন্ত্যেষ্টির ব্যাপারে বলছিল।

    ও ব্যাপারে আমার কোন উৎসাহ নেই। ফুলটুল পাঠানোর কোনও ব্যাপার নেই।

    কিন্তু ওরা বলছে একগাদা ফুল এসে পৌঁছেছে। তুমি ওগুলো নিয়ে কি করতে চাও?

    কি ফুল?

    লাল অর্কিড। তার সঙ্গে একটা কার্ডও এসেছে। তাতে লেখা আছে ক্যারল ব্লানডিশ ও স্টিঙ লারসনের পক্ষ থেকে।

    রাতের খাওয়া শেষ করে ম্যাক্স বলল, আমি কালই এখান থেকে চলে যাবো।

    ইজমি এঁটো বাসনগুলো নিয়ে দরজার দিক থেকে ফিরতেই বাগানের কোণ থেকে কুকুরগুলো ডেকে উঠলো।

    ওটা অমন ডাকছে কেন ম্যাক্স বলল।

    ইজমি বাগানে দেখতে গেল। দেখল কুকুরটার চোখ আতঙ্কে দিশেহারা। তার মনে হল বাড়ির সামনে যেন একটা চলন্ত ছায়ামূর্তি। ভাবল কল্পনা। সে বাড়ি ফিরে এলো।

    তারপর ইজমি আর ম্যাক্স আগুনের কাছে বসে ছিল। একটু পরেই একটা অস্পষ্ট ক্যাচশব্দ উঠল। ইজমি বললে শুনলে কিছু?

    একটা শব্দ হল বলে তো মনে হল, ম্যাক্স বলল।

    তারপর ওরা দুজনেই একটা অস্পষ্ট পদধ্বনি শুনতে পেল।

    ইজমিকে বসতে বলে ম্যাক্স পিস্তল হাতে নিয়ে দরজাটা খুলল। বাইরে বারান্দা ঘন অন্ধকারে, তলিয়ে আছে। সে খুব উৎকর্ণ হয়ে সিঁড়ি দিয়ে উঠতে লাগল। সিঁড়ির মাথায় উঠে সিঁড়ির লাইটটা জ্বালিয়ে দিল। ঘরে কেউ নেই। কিন্তু আবার কুকুরটা ডেকে উঠলো। সে দৌড়ে জানলা দিয়ে বাগানে তাকাল। দেখল একটা চলন্ত ছায়ামূর্তি।

    হঠাৎ ম্যাক্স আতঙ্কিত হয়ে আলমারির দিকে ছুটে গেল। দেখল চোরাকুঠুরী খোলা। তার সবকিছু চুরি হয়ে গেছে।

    প্রথমে তার মনে হচ্ছিল তার বুঝি নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে যাবে। সে অজ্ঞান হয়ে যাবে। সে চোরাকুঠুরীর মধ্যে হাত ঢুকাল দেখল একটানরম জিনিষ। বাইরে বের করে দেখল একটা অর্কিড। লাল অর্কিড।

    ইজমি ছুটে এসে দেখল, ম্যাক্স মৃগী রোগীর মতো মেঝেতে গড়াগড়ি খাচ্ছে। তার মুখে আঁচড়ের দাগ, তার থেকে রক্ত ঝরছে। ঠোঁটের কোণে গ্যাজলা।

    .

    বিশাল একটা নিয়ন আলোর বিজ্ঞাপন পার্ম বে হোটেলের একমাত্র বৈশিষ্ট। সেটা সানটো-রিডার যে কোন অংশ থেকেই স্পষ্ট দেখা যায়। তাই যে সব ভ্রমনার্থী প্রথমবার সানটোরিড়াতে আসে তারা ভাল হোটেল মনে করে এখানে এসেই ওঠে।

    পাম বের স্থায়ী বাসিন্দার সংখ্যাও যথেষ্ট। এডি রিগান যখন প্রথম সানটোরিড়াতে এসে পদার্পণ করে তখন অন্য ভ্রমণার্থীদের মতো সেও পাম বের নিয়ণ আলোতে বিভ্রান্ত হয়ে এখানে এসে ঘর নিয়েছিলো। শীঘ্রই সে বুঝতে পারে, যে হোটেলটা অত্যন্ত বাজে। একেবারে তৃতীয় শ্রেণীর। কিন্তু সে তো নিজেও তখন তৃতীয় শ্রেণীর তাই সে ওই ঘরটায় থেকে যায়।

    সেদিন রাতে ম্যাক্স যখন আবিষ্কার করলো যে তার সব জমানো টাকা চুরি গেছে, তার ঘণ্টা খানেক পরে এডি পাম বে হোটলের নোংরা ঘরে বসে স্কচ হুইস্কি খাচ্ছিল। হোটেলের সবাই জানতো, ফ্র্যাঙ্কের মৃত্যুর প্রত্যক্ষ কারণ এডি। সে যে না জেনেই সেখানে গিয়ে হাজির হয়েছিল তা কেউ বিশ্বাস করছে না কারণ লিনডার সঙ্গে তার প্রেম ছিল।

    লিনডা বা এডি কেউই পুলিশকে মেরি প্রেনটিসের সম্বন্ধে কিছু বলেনি। ওরা ভেবেছিল ওর কথা জানালে পুলিশ ভাববে তিনজনে মিলে কাজটা করেছে।

    এডি স্থির করেছিল এর পর যতদিন না পুলিশ তার আর লিনডার উপর আগ্রহ হারিয়ে ফেলে ততদিন তারা আলাদা থাকবে।

    ফ্র্যাঙ্ক লিনডার জন্য কোন অর্থসম্পদই রেখে যাননি শুনে এডি আতঙ্কিত হয়ে উঠল। এখন থেকে লিনডার জন্য তার টাকা রোজগার করতে হবে। এখন বেশ বড় রকমের একটা দাও মারা প্রয়োজন।

    খানসামা এসে ওর খালি গ্লাস ভর্তি করতে করতে বলল, একবার পিছনে তাকান।

    ঘাড় ফিরিয়ে এডি দেখলো, প্রধান ফটক পেরিয়ে হোটলের রিসেপশান ডেস্কের দিকে একটা মেয়ে এগিয়ে চলেছে। মেয়েটি লম্বা, ছিপছিপে গড়ন, দেখতে মিষ্টি। মাথায় অবাক করে দেবার মতো একরাশ লাল চুল।

    এডি মৃদু শিস দিয়ে বলল, এসব সরিয়ে রাখো, ব্যাপারটা একটু দেখতে হচ্ছে। এডি লক্ষ্য করল মেয়েটির হাতে দুটো চামড়ার ব্যাগ।

    লিফটের দিকে যখন মেয়েটি এগিয়ে গেল তখন এডির মনে হল মেয়েটিকে কোথায় যেন দেখেছে।

    সে জিজ্ঞেস করল, মেয়েটা কে হে?

    নাম লিখেছে ক্যারল রানডিশ।

    এডি চমকে উঠেভাবল আরে এই মেয়েটার কথাই তো পেপারে বেরিয়েছিল।ওর দাম কয়েক লক্ষ ডলার। মেয়েটা নাকি পাগল!

    এডি বললো, নাঃ একটু চেখে দেখতে হচ্ছে সে ক্যারলের ঘরের নম্বরটা জেনে নিল।

    এদিকে ক্যারলকে পৌঁছে দিয়ে চাপরাশী বলল, খাবার কি এখানে খাবেন, আর কি খাবেন যদি বলে দেন ভাল হয়।

    খাবার এখানেই এনো। যা কিছু হলেই চলবে। তুমি এখন যাও। এই বলে মাথার শিরা টিপে চেয়ারে বসে রইল।

    কিছুক্ষণ এভাবে ও চুপচাপ বসে রইল। মনে হল ও বুঝি অজ্ঞান হয়ে যাবে। ও যখন ম্যাক্সকে হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে আসতে দেখেছে, সেই তখন থেকেই ওর পেটে কিছু পড়েনি।

    বারান্দায় ঘুরেফিরে এডি সময় কাটাচ্ছিল। হঠাৎ দেখল যে একটা খানসামা খাবারের ট্রে হাতে ক্যারলের ঘরের দিকে যাচ্ছে। সে তখন তার থেকে খাবারটা নিয়ে ক্যারলের ঘরে ঢুকল।

    সে দেখল মাথা টিপে গুটিসুটি মেরে একটা চেয়ারে ক্যারল বসে আছে।

    সে এডিকে দেখে বলল, খাবারটা রেখে তুমি যাও। ঠিক তখনই মেঝের উপর রাখা ব্যাগের উপর চোখ পড়ল এডির। একটা ব্যানারের গায়ে লেখা ফ্র্যাঙ্ক ফুর্ট। ঠিক এই সময়ে কি একটা কারণে ক্যারল হাত নাড়ল। তাতে ওর কব্জির কাছে কাটা দাগটা স্পষ্ট দেখতে পেল এডি। সে চমকে উঠে বুঝল এই মেয়েটাই মেরি প্রেনটিস।

    কিন্তু ক্যারল তাকে চিনতে পারার আগেই সে ঘর থেকে বেরিয়ে এল। বুঝলো যে ব্যাগের মধ্যে ফ্র্যাঙ্ক ও ম্যাক্সের জমানো সম্পদ ভর্তি।

    ক্যারল ঠিক করেছিল ম্যাক্সকে আরও কয়েকটা দিন জিইয়ে রেখে তিলে তিলে মারবে।

    ঠিক সেই মুহূর্তে ব্যাগ দুটোর কথা ক্যারলের মনে পড়ল। ব্যাগ খুলে দেখলো তাতে থরে থরে নোট। সে ব্যাগটা ছুঁড়ে ফেললো মেঝেতে নোট ছড়িয়ে পড়ল। ঠিক এমন সময়ে এডি ঘরে ঢুকল। দেখলো মেঝেতে ছড়ানো নোট।

    ক্যারলকে বলল–চিনতে পারো।

    ক্যারল মৃদুস্বরে বলল—বেরিয়ে যান।

    মেরি প্রেনটিস নামে নিজের পরিচয় দিয়েছে এমন একটা মেয়েকে পুলিশ খুঁজছে। খুনের অভিযোগ আর তার যথেষ্ট প্রমাণও আছে।

    তাতে আমার কি?

    দেখো তুমি ঢাকবার চেষ্টা করো না। তুমিই মেরি প্রেনটিস। আমি তোমার কব্জিতে কাটা দাগ দেখেছি। আর তুমিই গ্লেনভিউ মেন্টাল স্যানিটোরিয়ামের প্রাক্তন রোগীনি ক্যারল ব্লানডিশ লক্ষ লক্ষ ডলারের মালিক। এখন আমি এ টাকাগুলো নিয়ে যাচ্ছি। পরে তুমি আমাকে বড় অঙ্কের চেক দেবে না হলে আমি তোমায় পুলিশে ধরিয়ে দেব। বল তোমার কি মতামত?

    আপনি বেরিয়ে যান।

    বেরিয়ে যাবার আগে এ টাকাগুলো নিয়ে যাচ্ছি।

    এগুলো তোমার টাকা নয়।

    টাকা কুড়িয়ে নেবার জন্য এডি নিচু হতেই ক্যারল চুল্লি খোঁচানোর শিকটা দিয়ে সর্বশক্তি দিয়ে এডির মাথায় আঘাত করল। তবে আঘাতটা এডির মাথায় লাগল না। কাঁধে লাগল।

    এর জন্য একটু পরেই এডি ক্যারলকে টেনে মেঝেতে শুইয়ে এলোপাথাড়ি মারতে লাগল।

    কিন্তু একটু পরেই ক্যারল নিজেকে ছাড়িয়ে দরজার সামনে পৌঁছল। দরজায় চাবি দিয়ে দিল।

    এডি বলল, চাবি খোল না হলে তোকে এর শাস্তি ভোগ করতে হবে।

    কিন্তু কথা না বলে সে এগিয়ে গিয়ে এডিকে আক্রমণ করল। এডি তখন বাঁচবার জন্য একটা চেয়ার তুলে ক্যারলের মাথায় আঘাত করল। নিস্তেজ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ল ক্যারল।

    এডি ভাবল খুন করে ফেলেছি। তার সারা শরীর ঠাণ্ডা হয়ে গেল।

    সে ভাবল পুলিশ ওকে খুঁজে পেলেই আমাকে ফাঁসিতে লটকে দেবে।

    হঠাৎ আগের কথা মনে পড়লো। হ্যাঁ একমাত্র গ্যাসই তাকে এই বিপদ থেকে উদ্ধার করতে পারে।

    টেলিফোন তুলে সে বলল, গ্যাস শীঘ্রি এখানে চলে এসো।

    গ্যাস এসে বলল, একি? মরে গেছে নাকি?

    জানি না।

    এডি বলল, মেয়েটা পালাত আমি ওকে না মারলে।

    গ্যাস মেঝেতে বসে ক্যারলকে ভাল করে দেখল তারপর বলল খুলিটা একেবারে গুড়ো হয়ে গেছে। এত জোরে মারলে কেন?

    আমি নিজে বাঁচার জন্য করেছি।

    ওসব কথা তুমি পুলিশকে শুনিয়ো। আমি ভাবছি হোটেলের কথা। পুলিশ তো ঘটনাটা জানলেই হোটেলের দরজা বন্ধ করে দেবে।

    ঈশ্বরের দোহাই গ্যাস ওকে বের করে কোথাও ফেলে দিয়ে এসো।

    আমি শেষে আমার হাতে হাত কড়া পরাব আরকি।

    গ্যাস তুমি বন্দোবস্ত কর। মেঝেতে দেখো বিশ হাজারের বেশি আছে এগুলো তুমি নাও।

    গ্যাস বলল, মেয়েটাকে সরিয়ে দিলে ওগুলো দিয়ে দেবে বলছ।

    হ্যাঁ শুধু একটু তাড়াতাড়ি সরিয়ে দাও।

    তাহলে এবার যাও এডি। বেশ কিছুদিন তোমার এই আঁচড়ানো থোবড়খানা দেখতে চাই না। তোমার এই বদনখানা দেখলেই কিন্তু পুলিশ সন্দেহ করবে। আমি ওকে কর্মচারীদের জন্য আলাদা যে লিফট আছে তাতে করেনীচে নামিয়ে কোনো গাড়িতে তুলে কোনো জায়গায় ফেলে আসবো।

    .

    সানটোরিডা মেমোরিয়াল হসপিটালে মন্টগোমারি ওয়ার্ডের বিরাম কক্ষে বসেছিল ইজমি গিজা।

    ওরা অ্যাম্বুলেন্সে চাপিয়ে ম্যাক্সকে নিয়ে এসেছিল।

    ইজমির ধারণা, ম্যাক্সকে সন্ন্যাসরোগে আক্রমণ করেছিল। এ রোগের ধারা তাদের গুষ্টিতে আছে।

    নার্স এসে ঘরে ঢুকল। মহিলাকি বলবে ভেবেইজমি ভীত হল। মস্তিষ্কের রক্তক্ষরণ সম্পর্কিত কোন কথা বলেছিলেন মহিলাটি। শরীরের বাম অংশে পক্ষাঘাতের স্পষ্ট প্রমাণ।

    ইজমি বলল, কিন্তু অবস্থা কি খুবই খারাপ? বাঁচবে তো?

    আপনি কয়েক মিনিটের জন্য ওর সঙ্গে দেখা করতে পারেন।

    ঘরে ঢুকে ইজমি দেখলো, ম্যাক্স বিছানায় শুয়ে আছে। তার মুখ দিয়ে অবিরত গোঙানির আওয়াজ বেরোচ্ছে।

    জানলার পাশে দাঁড়িয়েছিল নার্স হেন্যিকি, লম্বা কালো চেহারা, অদ্ভুত ভাবলেশহীন মুখ। ইজমি ম্যাক্সকে বলল, তুমি শিঘ্রী ভাল হয়ে উঠবে।

    নার্স ইজমিকে ধরে বাইরে নিয়ে এলো। কারণইজমি কাঁদছিল। সেবলল,নার্স ওকে যথাসম্ভব যত্ন করবেন। ও আমার ছেলে।

    ইজমি টানা বারান্দা দিয়ে এগিয়ে চলল। বারান্দার দুধারে সারি সারি দরজা। প্রতিটা দরজার গায়ে ছোট্ট করে নামের ফলক টাঙানো।

    হঠাৎ পায়ের শব্দ শুনে ইজমি দেখল একজন দীর্ঘকায় পুরুষ একটি সুন্দরী মেয়েকে নিয়ে বারান্দা দিয়ে এগিয়ে আসছে। উল্টোদিকে একটা দরজা ঠেলে ওরা ভেতরে ঢুকলো। তারপরে দরজা বন্ধ করে দিল। কৌতূহলী হয়ে ওই ঘরের নামের ফলকটা পড়ার জন্য এগিয়ে গেল ইজমি। কিন্তু নামটা পড়ে সে চমকে উঠলো।

    হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে থাকা অজ্ঞান ক্যারলের দিকে তাকিয়ে ছিল ভিডা এবং ম্যাগার্থ। ডাক্তার ওর নাড়ির গতি পরীক্ষা করছিলেন।

    ডাক্তার বলল আশাকরি আমি আপনাকে ঘরে পাঠিয়ে ভালই করেছিলাম। আমি অবশ্য ক্যারল ব্লানডিশের কথা কাগজে পড়েছিলাম। যখন জানতে পারলাম যে এ মেয়েটি কে, তখন আমার মনে পড়লে আপনি ওর ব্যবসায়ের কার্যনির্বাহী নিযুক্ত। তাই ভাবলাম খবরটা আপনাকে জানিয়ে দিই।

    ম্যাগার্থ বলল–অবস্থা খুবই খারাপ, না?

    কান্টোর বলল–আমি হলে বলতাম আশা নেই। তবে ভাগ্য ভাল, দেশের সব চাইতে বড় মস্তিষ্ক বিশারদ ডাক্তার ক্র্যাপলিয়েন কিছুক্ষণের মধ্যেই আমাদের এখানে এসে পৌঁছচ্ছেন। উনি অস্ত্রোপচার করবেন বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তার ধারণা, ওকে তিনি বাঁচাতে পারবেন।

    ভিডা ম্যাগার্থের হাত আঁকড়ে ধরল।

    ডাক্তার ক্র্যাপলিয়ন মনে করেন না যে ওর কোন গুরুতর ক্ষতি হয়েছে। হাড় অবশ্য ভেঙেছে। সম্ভবতঃ দুর্ঘটনার ফলে ওর মস্তিষ্কে আঘাত লেগেছিল কিন্তু অস্ত্রপচার হলে রোগী আবার তার স্মৃতিশক্তি ফিরে পাবে।

    ম্যাগার্থ বিচলিত হল, তার মানে আমাকেও ওর মনে থাকবে না?

    না।

    ডাক্তার কান্টোরকে খুব আশাবাদী মনে হল, তিনি বললেন আর আধঘণ্টার মধ্যেই অপারেশন শুরু হবে। আপনারা হয়তো পুলিশের সঙ্গে দেখাসাক্ষাৎ সেরে আবার এখানে ফিরে আসবেন।

    .

    সানটোরিডাতে মাঝে মাঝেই অদ্ভুত সব আগন্তুকদের আবির্ভাব হয়।

    রেল স্টেশনের পত্রিকা বিক্রেতা ওল্ড জো এদের সবাইকেই দেখেছে। কিন্তু ওকে জিজ্ঞেস করলেও বলবে মিস ললিমিডোজের মতো এমন অদ্ভুত আগন্তুক সেআরকখনো দেখেনি।

    ভিডা ও ম্যাগার্থের সঙ্গে একই ট্রেনে সানটোরিডাতে এসে পৌঁছেছিলো মিস ললি। ক্যারলকে লিনডার ছবিটা দেখানোর পর থেকে ও বিবেকদংশনে ভুগছিল। ও কেন সুলিভ্যানদের মতো দুটো পাষণ্ডের সঙ্গে মোকাবিলা করার জন্য ওকে একা ছেড়ে দিল। মিস ললি কেন ওর সঙ্গী হল না।

    এভাবে দিন চারেক চিন্তা করার পর যদি ক্যারলকে সানটোরিডাতে পাওয়া যায় এই আশায় খালি ট্রেনে চেপে বসল। বহুদিন সে ট্রেনে চাপে না। কারণ সবাই তার দিকে অদ্ভুতভাবে তাকায়।

    ওল্ড জো জানতে চেয়েছিল কোন সাহায্য লাগবে কিনা?

    মিস ললি বলেছিল ও ক্যারল ব্লানডিশকে খুঁজতে এসেছে।

    ওন্ড জো কোনো কথা না বলে একটা পত্রিকা এগিয়ে দিয়ে পত্রিকার একটা স্তবকের উপর ওর দৃষ্টি আকর্ষণ করল। তাতে লেখা ছিল যে সানটোরিড়া হসপিটালের সামনে আহত অবস্থায় ক্যারল ব্লানডিশকে পাওয়া গেছে। অবিলম্বে ওকে অস্ত্রপচার করা হবে।

    রাস্তার উল্টোদিকে ইজমি গিজাকে খুড়িয়ে যেতে দেখে শেষ অবধি মন দিয়ে খবরটা পড়তে পারল না মিস ললি। দীর্ঘ পনের বছরের ব্যবধানেও ওকে চিনতে পেরেছিল সে। ইজমি যেখানে আছে সেখানে ম্যাক্সও থাকবে এই ভেবে সে এগিয়ে গেল।

    .

    রুদ্ধ বেদনা ও হতাশ রাগ নিয়ে বিছানায় শুয়ে ছিল ম্যাক্স। সে কিছু করতে পারছে না মেয়েটাকে। দরজা খোলার শব্দে সে দেখল অন্য একটা নার্স ঘরে ঢুকল।

    তারা দুজন কথা বলতে লাগল। একজন নার্স অন্য আরেকজন নার্সকে বলল অন্য রোগীটার কি খবর বল। ও কি সত্যিই ক্যারল ব্লানডিশ নাকি?

    হ্যাঁ মেয়েটা খুব মিষ্টি, মাথায় সুন্দর লাল চুল ডাক্তার চমৎকার অপারেশন করেছে ও আবার ভাল হয়ে উঠবে।

    উত্তেজনায় ম্যাক্সের দম বন্ধ হয়ে গেল, সে প্রাণপনে নিজেকে সংযত করে রাখল।

    ম্যাক্স ভাবল যদি চলতে পারতাম। কিন্তু তার আগে নার্সটাকে শায়েস্তা করতে হবে।

    ওকে সরাতে পারলে ক্যারলকে শেষ করা যাবে। নার্সটা মুখ নীচু করে ওকে বলল কিছু চাই আপনার। বাগে পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ও মেয়েটাকে চেপে ধরে গলায় মরণফাঁস দিয়ে দিল, ওর হাত দিয়ে।

    মেয়েটা শেষ হয়ে যাওয়ার পর ম্যাক্স ভাবল যা করার এখনি করতে হবে হাতে বেশী সময় নেই।

    সে অনেক কষ্টে নিজের শরীরে শক্তি সঞ্চয় করে হামাগুড়ি দিয়ে নীচে নেমে এল। মসৃণ মেঝের উপর বাঁ হাত আর বাঁ পা টেনে টেনে সে কেশ দ্রুত গতিতেই এগিয়ে চলল।

    বারান্দার এধার থেকেওধার পর্যন্ত গুঁড়ি মেরে চলার সময় নেই ম্যাক্সের। ভাবলো কপাল ঠুকে উল্টো দিকের দরজাতেই ঢুকে পড়বে সে। দেখবে যদি ক্যারল থাকে সেখানে।

    মেঝেয় কান পেতে ম্যাক্স উৎকর্ণ হয়ে রইল। কিন্তু সেই মুহূর্তে সমস্ত বাড়িটা একেবারে নিঝুম। এরপরেই লিফটের ঝোড়ো আওয়াজ আর কোনও সাড়াশব্দ নেই।

    বুক ভরে একটা নিঃশ্বাস নিয়ে দরজা খুলে বারান্দার দিকে গুটি মেরে এগুতে লাগল ম্যাক্স।

    .

    ইজমি বলল–এখন ওকে দেখলে তুমি আর অতটা ভয় পেতে না, জানি ছেলেটা ভাল না। কিন্তু এখন ও খুব অসুস্থ।

    মিস ললি তবু একইভাবে দুহাত মুঠো করে পায়চারি করতে লাগল অস্থির হয়ে।

    একটা ছোট হোটেলে বসে কথা হচ্ছিল।

    মিস ললি বললো, তোমার চেয়ে ওকে আমি ভাল চিনি, ওর ওপরে তোমার দুর্বলতা আছে।

    তাই তুমি ওর দোষ ঢাকার চেষ্টা করছে। কিন্তু ও একটা শয়তান। ফ্র্যাঙ্কও তাই ছিল।

    যাইহোক ললি ও তো এখন পক্ষাঘাতে অবশ হয়ে গেছে।

    কিন্তু ও ম্যাক্স আর কেউ না। ওর উল্টো দিকের ঘরটাতেই মেয়েটা রয়েছে, ভাবতেও আমার ভয় লাগে। এত কাছাকাছি ও যদি জানতে পারে।

    কিন্তু ও তো কোনোদিনও হাঁটতে পারবে না।

    সুটকেস খুলে একটা ভারি ছোরা বার করল মিস ললি।বলল এটা ম্যাক্সের অনেকগুলো ছোরার মধ্যে একটা, আমি রেখে দিয়েছিলাম। আর ও ছোরা দিয়ে করতে পারে না এমন কোন কাজ নেই। হাঁটতে না পারলেও ও ছোরা ঠিক ছুঁড়তে পারবে।

    মিস ললি বলল, আমি হাসপাতালে যাচ্ছি। না গেলে ঠিক শান্তি পাচ্ছি না।

    কিন্তু কেন যাচ্ছ? তুমি কি বলে দেবে ও কি করেছে?

    হ্যাঁ বলে ওদের সাবধান করে দেবো।

    ওদের কিছু বলল না, ম্যাক্স খুব অসুস্থ, একটু দয়া করো ললি।

    কিন্তু ও আমাকে দয়া করেনি।

    কিন্তু এখন ও অসুস্থ, ও সুস্থ হলে ওকে নিয়ে কোথাও দূরে চলে যাব।

    এমন ছেলের জন্ম দিয়েছিলে কেন। আমি তোমাকে আগেই সাবধান করে দিয়েছিলাম। তবু তুমি কেন অমন একটা মেয়েকে বিয়ে করলে। মিস ললি ফেটে পড়লো।

    ইজমি বলল, তুমি ঠিকই বলেছ তখন তোমার কথা শুনলে ভাল করতাম।

    ইজমি ঘরেবসে রইল।দরজা খুলে মিস ললি বেরিয়ে গেল।ওমনে মনে বললো ম্যাক্সশয়তান, কিছু না কিছু শয়তানি করার চেষ্টা ও করবেই।

    অন্ধকার রাস্তায় বেরিয়ে একখানা ট্যাক্সি ধরে মিস ললি সেটাতে চেপে বসলো। যখন ও সানটোরিডা মেমোরিয়ালহসপিটালে পৌঁছল তখন মিনারের ঘড়িতে ঢং ঢংকরে এগারোটা বাজল।

    সদর দরজার দারোয়ান ঘৃণা ও বিরক্তি মেশানো মুখে মিস ললির দিকে তাকিয়ে দৃঢ় স্বরে কললো, এখন কারুর সঙ্গে দেখা হবে না। কাজেই কাল আসতে হবে।

    লোকটা মিস ললির মুখের ওপরে দরজা বন্ধ করে নিজের অফিস ঘরে ফিরে গেল।

    বিশাল বাড়িটার হাজার হাজার জানলা দিয়ে আলো ছড়িয়ে পড়ছে। এ বাড়িরই কোন একটা ঘরে রয়েছে ম্যাক্স। উল্টো দিকের ঘরে ক্যারল।

    মিস ললি যেন অমঙ্গলের পূর্বাভাস অনুভব করতে পারছিল। ম্যাক্সকে ও চেনে। ম্যাক্স যদি জানে যে ক্যারল এত কাছে আছে, তাহলে সে যেভাবে হোক ক্যারলকে শেষ করে দেবে।

    .

    উল্টো দিকের দরজার গোড়ায় পৌঁছে হাতের ভরে শরীর উঁচু করে নামের ফলকের দিকে তাকালে ম্যাক্স।

    ফলকে নাম লেখা ক্যারল ব্লানডিশ। সঙ্গে সঙ্গে তার শরীরে যেন উষ্ণরক্ত স্রোত বয়ে গেলো।

    তাহলে মেয়েটা এখানেই আছে। ঘরের ভিতর ঢুকে ম্যাক্স দরজা বন্ধ করে দিল।

    সমস্ত ঘরটা আধো অন্ধকার, শুধু খাটের ঠিক ওপরে একটা নীল আলো জ্বলছে। প্রথমে অস্পষ্ট হলেও ও দেখলো ঘরে একটা চেয়ার আর একটা এনামেল করা টেবিল রয়েছে।

    গুড়ি মেরে খাটের কাছে এগিয়ে গিয়ে ও দেখলো খাটটা বেশ উঁচু। ডান হাতে ভর রেখে উঁচু হয়ে সে দেখল বিছানায় ক্যারল শুয়ে আছে। মাথায় ব্যান্ডেজ জড়ানো। দেখে মনে হয় বুঝি তার মৃত্যু হয়েছে কিন্তু আসলে তা নয় নিঃশ্বাসের তালে তালে তার বুকের মৃদু ওঠা নামা দেখে বোঝা যায় যে সে জীবিত।

    তার এত কাছে শিকার তবুও নাগালের বাইরে। সে ভাবল যে কোন উপায়েই হোক মেয়েটাকে শেষ করতেই হবে।

    ম্যাক্স নিজেকে আরাম কুর্সির দিকে টেনে নিয়ে চললো। তক্ষুনি তার মনে হল কেউ ওদিকে আছে।

    বারান্দা দিয়ে মিস ললি বেদম বেগে ছুটে আসছিল। কেউ ওকে হাসপাতালে ঢুকতে দেখেনি। ইজমি বলেছিল ম্যাক্স চারতলায় আছে। ও জানতে জরুরী ব্যবহারের সিঁড়িতে চট করে কারো সঙ্গে দেখা হবার সম্ভাবনা কম। তাই এই পথেই ও উঠে এসেছে।

    প্রথমে ও ম্যাক্সকে দেখবেবলে মনস্থ করেছিল। ইজমি যেমন বলেছে ম্যাক্স যদি সেরকম অসুস্থ আর অসহায় হয়ে থাকে, তবে আসল কথাটা ও আর ভাঙবেনা।

    সহসা একটা দরজায় ম্যান্সের নাম দেখতে পেল ললি। সে ঘরে ঢুকে দেখলো একটা নার্স বিছানায় মরে পড়ে আছে। বিছানা ফাঁকা সেখানে কেউ নেই। সে তখন বুঝতে পারলে কি হতে চলেছে। সে দৌড়ে বিপরীত দিকের কেবিনে ঢুকে পড়ল।

    অন্ধকারের মধ্যেও ম্যাক্স তৎক্ষণাৎ ওকে চিনতে পারলো। সে জানতো আবছা আলোয় প্রথমেই মিস ললি তাকে দেখতে পাবে না। ম্যাক্স ললির দিকে এগিয়ে চলল কিন্তু কাছাকাছি। পৌঁছন মাত্রই মিস ললি তাকে দেখে ফেলল।

    আতঙ্কে দিশেহারা হয়ে মিস ললি পিছিয়ে এলো। কিন্তু এর মধ্যে ম্যাক্সও পোশাকের প্রান্ত ভাগ চেপে ধরেছে। মিস ললি মুহূর্তের মধ্যে নীচু হয়ে হাতে ধরা ছুরিটা দিয়ে তীব্র আঘাত করলো ম্যাক্সকে।

    কিন্তু ম্যাক্সও ইতিমধ্যে কাঁধের কাছে এক প্রচণ্ড ঘুষি মেরে মিস ললিকে ধরাশায়ী করে ফেললো।

    ম্যাক্স অনুভবকরলো তার আহত স্থান বেয়ে রক্ত নেমে আসছেপ্রবল গতিতে। ছোরার হাতলটা সে হাতের মুঠোয় পেয়েছে। সে অস্ত্র চালাতে অতি সুদক্ষ।

    ইতিমধ্যে মিস ললি উঠে দাঁড়িয়েছে।

    ছোরাটা তুলে সে মিস ললিকে ঠিক বুকের মাঝে আঘাত এনে শেষ করে ফেলল। এরপর সে এগিয়ে গেল ক্যারলের খাটের দিকে। কিন্তু মিস ললির বুকের মধ্যে থেকে সে কিছুতেই ছোরাটা তুলতে পারলো না। সেই শক্তিটুকুও নেই।

    অতর্কিতে ম্যাক্সের পুরোনো দিনের কথা মনে পড়লো। এখান থেকে সাদা চাদরে মোড়া ক্যারলের নরম গলাটা স্পষ্ট দেখা যায়। কিন্তু ছোরাটা না তুললে সে কি দিয়ে আঘাত করবে। সেটা ভোলার জন্য সে বাটটা ধরল ঠিক তখনই অন্ধকার থেকে ম্যাগার্থ বেরিয়ে এলো বলল, ম্যাক্স তুমি বড্ড দেরী করে ফেলেছে, আর তুমি এ কাজ করতে পারবে না।

    পরক্ষণেই মেঝের ওপরে ঠিকরে পড়ে ম্যাক্স লুটিয়ে পড়ল। ম্যাগার্থ বলল এসো বন্ধু আমি তোমার জন্য অপেক্ষা করে আছি।

    মৃত্যুর আগে ম্যাক্সের মনে এটুকুই তৃপ্তি যে সে ছোরাটা আদৌ ছাড়েনি। তার সুনাম ব্যর্থ হয়নি। একটু পরেই দীর্ঘশ্বাস ফেলে ক্যারল চোখ মেলে তাকাল। যে বীভৎসতা মেঝের ওপর ওকে ঘিরে রেখেছিল ও বিছানা থেকে তা দেখতে পাচ্ছিলনা। অতীত ওর মন থেকে সম্পূর্ণ মুছে গেছে। আবার ওর কাছে কেউ আসবে এই আশা নিয়ে সে অপেক্ষা করে রইল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleব্ল্যাক অর্ডার (সিগমা ফোর্স – ৩) – জেমস রোলিন্স
    Next Article জেমস হেডলি চেজ রচনা সমগ্র ২ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)

    Related Articles

    জেমস হেডলি চেজ

    জেমস হেডলি চেজ রচনা সমগ্র ২ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)

    August 18, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }