Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    জেমস হেডলি চেজ রচনা সমগ্র ১ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)

    জেমস হেডলি চেজ এক পাতা গল্প2631 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৩. রোলো তার ডেস্কের পাশে

    রোলো তার ডেস্কের পাশে বিশাল আর্মচেয়ারে শুয়েছিল। ঠোঁটে জ্বলন্ত সিগারেট। কয়েকমিনিট আগে শেলি, গিলোরী আর ডাক্তার চলে গেছে। ওয়েডম্যানও চলে গেছে মিনিট পনের আগে।

    রোলো এখন জানে কেমন করে খেলাটা জমাতে হবে। বুড়ো ঘুঘু ডাক্তারটা প্রায় সারাক্ষণ কথার প্যাঁচে ওয়েডম্যানকে ভুলিয়ে রেখেছিল। ব্যাপারটা কি জানতে পারলে রোলো কি ডাক্তারকে খামোকা এক তৃতীয়াংশ দেবার প্রতিশ্রুতি দিত!

    দরজায় আস্তে ঠকঠক্ শব্দ হল।

    –ভিতরে এস।

    গিলোরী ভিতরে ঢুকল।

    –তোমার কি এসব পছন্দ হচ্ছে না গিলোরী? সত্যি কথা বল। দরজাটা বন্ধ করে দাও। ভয় পেওনা। বল আমাকে।

    গিলোরী মাথা নেড়ে বলল, এটা ভাল হচ্ছেনা।

    –তবুও তুমি কাজটা করবে বলছ?

    –হ্যাঁ।

    রোলোর মুখের হাঁ দিয়ে চুরুটের ধোঁয়া বেরিয়ে ভেসে বেড়াতে লাগল। তুমি এখনও মনে কর যে আমার কাছে তুমি ঋণী? সে সব কথা ভুলে যাও।

    গিলোরী মাথা নেড়ে বলল–আমি ভুলিনা।

    -তোমার মা চমৎকার মহিলা ছিলেন। তিনি এত সুন্দরী আর অহংকারী ছিলেন যে ক্রীতদাসি হয়ে থাকার অনুপযুক্ত। তাই আমি তোমার মাকে সেই ব্যবসায়ীর কাছ থেকে কিনে এনে স্বাধীন করে দিয়েছিলাম। তুমি এখনও কেন সেই ঋণ শোধ করার জন্যে এত উদগ্রীব?

    –তোমাকে বা অন্য কাউকেই আমার পছন্দ নয়। আমার দেশ হাইতিতে ফেরার জন্যে আমি খুব উদগ্রীব। অথচ ঋণ না শোধ করে কেমন করে যাই! এতদিনে যে সুযোগ এসেছে তা শুভ হোক বা অশুভ হোক! আমি আর অপেক্ষা করতে পারছি না, কিন্তু।

    — রোলো উৎসাহিত হয়ে বলল, ঐ ওয়েডম্যানটা বেশ পয়সাওলা।

    –কে টাকা পেল আর কে পেল না তা নিয়ে আমার কোন মাথাব্যথা নেই। অশুভত্ব ওখানে নয়। তোমরা আমাদের ধর্ম বিকৃত করেছ। ঠাট্টা করছ। এর থেকে ভালোর কিছু জন্ম হতে পারে না। যা আসবে তা অশুভ।

    –আমরা মরাটাকে জীবন্ত করে দেবার ভান করছি। কিন্তু তুমি বিশ্বাস করলে এটা তোমার পক্ষে সম্ভব। তুমি মিথ্যেবাদী।আর ওয়েডম্যান যদি তোমার কথায় বিশ্বাস করে তাহলে সে পাগল। আমি এর থেকে কিছু টাকা পয়সা হাতাতে চাই।

    ভাল হবে না।

    রোলো গিলোরীর দুঃখী দুঃখী গলার স্বরে অভিভূত হয়ে বলল, কি ঘটতে পারে বলে তুমি মনে কর!

    আমি ভবিষ্যতবাণী করতে পারি না। তবু আপনাকে সাবধান করে বলছি নিজের হাত পরিষ্কার রাখুন।

    রোলো দাঁত খিচোলো, তুমি বড় অদ্ভুত চরিত্রের। তোমাকে দেখে যা মনে হয়, তার থেকে বেশি জান বোধহয়। মরুক গে। চিন্তার কিছু নেই। যা ঝুঁকি নেবার ডাক্তার সামলাবে।

    গিলোরীর চোখে অদ্ভুত একটা দৃষ্টিফুটে উঠল। ঘড়ির দিকে তাকাল সে। ঘড়িতে রাত বারোটা কুড়ি মিনিট। আর কয়েক মিনিটের মধ্যেই ডাক্তার মরবে।

    রোলো বলে উঠল–পাগলের মতো কি যাতা বকছ!

    -আমি বাড়ি যাচ্ছি। আজ রাতে আমার আর করার কিছু নেই।

    দাঁড়াও। যাচ্ছো কোথায়? ডাক্তার মরবে এর মানেটা কি?

    গিলোরী পকেট থেকে একটা কাঠের পুতুল বার করে সিগার কেসটার গায়ে হেলান দিয়ে দাড় করাল।

    –পুতুলটা যে মুহূর্তে পড়বে, বুঝবে ডাক্তার মৃত।

    –আমায় ভয় দেখানোর চেষ্টা কোর না। কর্কশ গলায় চেঁচাল রোলো, তোমার ঐ বাঁদুরে চালাকি আমি অনেক দেখেছি। ডাক্তার মরতে যাবে কেন?

    –আমি ডাক্তারের মুখে মৃত্যুর ছায়া দেখেছি।

    ফোন বেজে উঠল। রোলো রিসিভার তুলল, হ্যালো।

    একটা চড়া গলা তার কানে ভীষণ জোরে আঘাত করতে লাগল।দয়া করে আপনি আস্তে বলুন। আমি কিছু শুনতে পাচ্ছিনা। কে?কি পাগলের মত সববলছেন? উত্তেজিত রোলো গিলোরীর হাতে রিসিভারটা দিয়ে বলল, দেখো তো কি বলছে।

    –মিঃ ওয়েডম্যান? একটু ধরুন।

    –ওয়েডম্যান! কি হয়েছে? কি বলছে? রোলো বিস্ফারিত হয়ে উঠল।

    –ওর ভাইয়ের মৃতদেহটা চুরি হয়ে গেছে, ও কি করবে ভেবে পাচ্ছে না।

    রোলো চেয়ার ছেড়ে লাফিয়ে উঠল, কি পাগলের মতো বকছো! তুমি ঠিক শুনতে পেয়েছো? মৃতদেহ কে চুরি করবে। ওটা ছাড়া তো আমাদের সব কিছুই ভেস্তে যাবে। কে করতে পারে এ কাজ। রোলো গিলোরীর দিকে তাকালো, ডাক্তারই আমাকে ভ্রাবলক্রসিং করছে নাতো? ওয়েডম্যানকে অপেক্ষা করতে বল আমি যাচ্ছি। আমরা এখুনি যাচ্ছি। সবাইকে জড়ো হতে বলো। ডাক্তারকে ডাক! বুছ বুচ কোথায়? বুচ! গাড়ি বার করতে বল।

    –ডাক্তার তো মরে গেছে!

    গর্জন করে উঠল রোলো, ফেলে দাও পুতুলটাকে। রোলো দেখল পুতুলটা কখন যেন পড়ে। গেছে।

    ফোনের ডায়াল ঘোরাল।

    না ধরছে না কেউ। হয়তো কারোর সঙ্গে দেখা করতে গেছে।

    –হ্যাঁ। মৃত্যুদূতের সঙ্গে।

    –চুপ কর কেলে নিগ্রো কোথাকার। যাও সবাইকে জড়ো কর।

    –গিলোরী চলে যেতে রোলো আবার ডায়াল ঘোরাল। না কেউ ফোন ধরছে না।

    শেলিকে ফোন করল রোলো।

    অনেকক্ষণ পরে শেলি ফোন ধরল।-কে?

    এতক্ষণ ফোন ধরছ না কেন?

    —কি চাও? আমি ঘুমোচ্ছিলাম। স্বরটা যেন অনেক দূর থেকে ভেসে আসছে।

    –ডাক্তার কোথায়? গিলোরী বলছে ডাক্তার নাকি মারা গেছে।

    -গিলোরী! তীব্র আর্তনাদ করে উঠল শেলি।চীৎকারটা এতটা আঘাত করল রোলোরকানকে যে রিসিভারটাহাত থেকে পড়তে পড়তে বেঁচে গেল। রোলো শুনতে পেল অদ্ভুত একটা গোঙানীর শব্দ আর তারপর মেঝেতে যেন কেউ ধম করে পড়ে গেল।-হ্যালো! হ্যালো শেলি। হ্যালো! কি হল? কোন জবাব নেই।

    গিলোরী ফিরে এসে জানাল–গাড়ি রেডি।

    –শেলি। শেলির বোধহয় কিছু হয়েছে। রোলো তার মোটা শরীর নিয়ে টুপী হাতে গাড়ির দিকে ছুটল।

    বড় প্যাকার্ড গাড়িটার স্টিয়ারিং-এ লংটম বসেছিল।

    গাড়ি ছুটল শেলির অ্যাপার্টমেন্টের দিকে।

    .

    সিঁড়ির মাঝপথেই শেলির সঙ্গে দেখা হল। রোলো দেখল শেলির মুখটা ছাইয়ের মত সাদা। চোখ যেন ঠিকরে বেরিয়ে আসছে। সারা মুখ লিপস্টিক-এ মাখামাখি।

    –শেলি। কি হয়েছে তোমার শেলি? রোলো ঝুঁকে চীৎকার করে উঠল।

    বেরিয়ে যাও। বেরিয়ে যাও এখুনি।

    রোলো আস্তে আস্তে তার বিশাল থাবা দিয়ে শেলির কাঁধে ঝাঁকুনি দিয়ে জিজ্ঞেস করল–কি। হয়েছে?

    শেলির মাথা এলিয়ে পড়ল। গোঙাতে গোঙাতে বলল সে, আমাকে একলা থাকতে দাও দয়া করে।

    রোলো তাকে পাজাকোলা করে তুলে বিছানায় ছুঁড়ে দিয়ে জিজ্ঞেস করলবল ডাক্তার সম্বন্ধে কি জান? ডাক্তার কোথায়?

    কাঁদতে কাঁদতে শেলি বলল-জানি না। জানি না। কিছু জানিনা।

    –ঠিক করে বল। তুমি নিশ্চয় কিছু জান।

    –তুমি চলে যাওঁ।

    –সময় নষ্ট করছ। দরজার কাছে দাঁড়িয়ে গিলোরী বলল।

    ক্ষেপে উঠে রোলো বলল–তুমি এখানে কেন এলে? কে আসতে বলল?

    –ওয়েডম্যান অপেক্ষা করছে। মনে হয় সেটা আরও দরকারী।

    রোলো শেলিকে ছেড়ে জ্বলন্ত দৃষ্টিতে বলল, তোমার ওসব ন্যাকামি ছেড়ে বুচ কোথায় আছে খোঁজ করে বলে দাও ওয়েডম্যানের ওখানে আসতে। দরকারি কাজ আছে আমার। তোমাকে কাল আমি দেখব। তারপরে গিলোরীকে পাশ কাটিয়ে তরতর করে নেমে গেল রোলো।

    বাথরুমটা পরিষ্কার কর শেলি। ওখানে মরার গন্ধ। আর কোন কথা না বলে গিলোরী তাড়াতাড়ি নেমে গেল।

    .

    বসবার ঘরে সেডরিক স্মাইথ অবাক হয়ে বলল, আচ্ছা তুমি তাহলে এখন অভিনয় ছেড়ে ডিটেকটিভ সার্জেন্ট।

    সুদর্শন যুবকটি জেরী লজ্জায় হেসে বলল, অভিনয় আর আমার হলনা। কোন প্রশংসা পেলাম না। সুতরাং

    সেডরিক, অনেকদিন পর তার বন্ধু দেখা করতে এসেছে বলে খুব খুশি।

    বিয়ারে শেষ চুমুক দিয়ে জেরী বলল, চলি, এখন আমায় থানায় যেতে হবে। মাঝে মধ্যে। আসবখন।

    ঘড়িতে এগারটা বাজল। তোমাকে আর আটকিয়ে রাখবো না। সেডরিককে উদ্বিগ্ন দেখাল। মেয়েটা এত ভাল ইদানিং কেমন যে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে, বুঝতে পারছি না। কি করছে সে এখন!

    জেরী বলল–বেশ তো, আইন ভাঙলে আমার কাছে আসতেই হবে। সত্যি বলতে কি সেডরিক আমি এখন একটা জব্বর কেসের আসায় দিন গুনছি।যদি দেখ কেউ কাউকে খুন করতে চাইছে আমাকে একটা ফোন করে দিও।

    জেরী চলে যেতে গ্লাসগুলো ধুয়ে শোবার ঘরের দিকে এগোল সেডরিক। হঠাৎ বেলটা বেজে উঠল। সেডরিক চমকে উঠল। রাত সওয়া এগারোটায় আবার কে এল?

    সিঁড়ির ধাপের উপর চোখ পড়তে সেডরিক দেখতে পেল ওখানে জো ক্রফোর্ড দাঁড়িয়ে। মিস হেডারের জন্যে আমি একটা জিনিস এনেছি। শীতল কঠিন দৃষ্টিতে সে তাকাল সেডরিকের দিকে।

    জো-কে সে এত রাতে আশা করেনি। সেডরিক পিছিয়ে এসে জিজ্ঞেস করল, কি? কি চাও তুমি রাত দুপুরে? হঠাৎ তার নজরে এলো একটা ট্যাক্সি আর একটা স্টিল ট্রাংক।

    –এটা কি নিয়ে যাব? ড্রাইভার জিজ্ঞেস করল।

    দাঁড়াও আমি ধরছি–জো বলল।

    –কি আছে এতে? ভয় ভয়ে প্রশ্ন করল সেডরিক।

    চুপ কর। ওর ঘর কোথায়?

    –তুমি কে? এসব কি?

    জো সেডরিককে চেপে ধরে কাছে টেনে নিয়ে আস্তে আস্তে বলল–অ্যাই মোটকু, বল্ ওর ঘর কোথায়? চুপচাপ ঘরটা দেখিয়ে দে।

    সেডরিক ভয়ে বাক্যহারা হয়ে ওপরে উঠতে থাকল। জো আর ড্রাইভার পেছন পেছন ট্রাংকটাকে বয়ে নিয়ে চলল।

    সুশানের ঘরের দরজা খুলে দিল। আলো জ্বালিয়ে সেডরিক বলল–সুশান নিশ্চয় জানে? তাড়াতাড়ি এখানে রেখে চলে যাও। এটা মেয়েদের ঘর, দাঁড়িও না।

    ওরা নীচে নেমে এলো। গাড়িতে চড়ে বসে জো সেডরিকের দিকে তাকিয়ে বলল, ওকে বলবে আমি না বলা পর্যন্ত ও যেন ট্রাংকটা না ছোঁয়।

    ঘর থেকে পালিয়ে সেডরিক রান্নাঘরে ঢুকল। এককাপ চা বানিয়ে আবার ঘরে গিয়ে বসল। না সুশানকে ব্যাপারটা জানাতেই হবে। মেয়েটা তার পছন্দ, তাই দুটো দিন তার বিশ্রী কেটেছে।

    ট্রাংকটার কথা মনে পড়তেই একটা বিচ্ছিরি গন্ধ নাকে লেগে রয়েছে মনে হল। গন্ধটা কিসের? কোথায় সে গন্ধটা আগে পেয়েছ? কি আছে ঐ ট্রাংকটার মধ্যে?

    রাত সাড়ে বারোটার সময় সুশান বাড়িতে ঢুকে সেডরিককে বসার ঘরে দেখে অবাক।-শুভ সন্ধ্যা মিঃ সেডরিক! আমি ভেবেছিলাম, আপনি বোধহয় শুয়ে পড়েছেন।

    গম্ভীরভাবে সেডরিক বলল তোমার সঙ্গে কথা আছে বলে বসে আছি। যদিও জানি ও ব্যাপারে আমার নাক না গলানো উচিত, তাহলেও আমার তোমার কাছে একটা ব্যাখ্যা দাবী করা অমূলক হবেনা।

    সুশান ভয় পেয়ে বলল–কেন মিঃ সেডরিক? কি ব্যাপার? আমি ঠিক বুঝতে পারছি না।

    দয়া করে দুমিনিট সময় আমার ঘরে এসে বস। আচ্ছা মিস্ হেডার ঐ হতচ্ছাড়া লোকটা কে, যে তোমার জন্যে চিঠি আর ট্রাংক রেখে যায়?

    সুশান তাকিয়ে রইল–ট্রাংক?

    -হ্যাঁ এক ঘণ্টা আগে রেখে গেছে সে। আমার সঙ্গে এমন ভাষায় কথা বলেছে, তোমার বন্ধু না হলে আমি পুলিশ ডাকতাম।

    পুলিশ? না না।

    সুশানকে সে আর আঘাত দিতে চাইল না।অবশ্য তোমাকে না জিজ্ঞেস করে তা করতাম না। তারপর একটু থেমে বলল–আমি একজন প্রাক্তন সৈনিক, একথা ভুলে যেও না। তাছাড়া ট্রাংকটা দেখে আমার কেমন যেন সন্দেহ হচ্ছে।

    –দেখছি, আমি গিয়ে দেখছি।

    তার আগে আমাকে এসবের একটা ব্যাখ্যা দিয়ে যাওয়া উচিত।

    সুশান হঠাৎ রেগে গিয়ে বলল–আমার ব্যক্তিগত ব্যাপারে নানা গলানোই আমি বেশি পছন্দ করি। তা না হলে আমি আপনাকে বোর্ডিং ছাড়ার নোটিশ দোব।

    সেডরিক সঙ্গে সঙ্গে নিজেকে সামলে নিয়ে বললনা, না, আমি দুঃখিত। আসলে আমি খুবই উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছিলাম।

    ঠিক আছে মিঃ সেডরিক। যা ঘটেছে তার জন্যে আমি দুঃখিত। মিঃ ক্রফোর্ডের সঙ্গে কথা বলে দেখব। সুশান ছুটে সিঁড়ি দিয়ে উঠতে থাকল। জো যে বলেছিল একটা স্টিলের বাক্স পাঠাবে তার বদলে ট্রাংক? ওয়েডম্যানকে ক্লাবে না আসতে দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ওয়েডম্যান এসেছিলেন। কি যে ব্যাপার!দরজা খুলতেই কানে এল টেলিফোন বাজছে। ফোনটা ধরতে গিয়েই নাকে বিচ্ছিরি গন্ধটা এল। সঙ্গে সঙ্গে শবযাত্রার ফুলের কথা মনে এল।হ্যালো!কালো ট্রাংকের দিকে সুশানের চোখ।

    –জো বলছি।

    –কি হয়েছে? ট্রাংকটাই বা পাঠালে কেন?

    –বেশি কথা না বলে শোন। ওয়েডম্যান আমাকে ধোঁকা দিয়ে ক্লাবে গিয়েছিল। ওর ভাইয়ের মরা দেহটা ঔষধ প্রয়োগে সুরক্ষিত করা হয়েছিল। ওরা ভেবেছিল ওটাকেই জীবন্ত করবে। রোলো ভাওতা মেরে কিছু টাকা বাগিয়ে নেবার তালে ছিল। এখন আমি দেহটা লুকিয়ে ফেলেছি। আর চালাকি চলবে না।

    -তুমি কি বলতে চাইছ জো?

    –ট্রাংকের ভেতরটা তোমার না দেখলেও চলবে।

    –না। সুশান চীৎকার করে উঠল।–ও জো প্লীজ।

    –আমি আর কিছু বলতে চাই না। মনে হচ্ছে কারা যেন আসছে। এক মুহূর্ত বিরতির পর জো আবার বলল, ওরা এসে গেছে। ওয়েডম্যান ডেকে পাঠিয়েছেন। ফোনের লাইনটা কেটে গেল।

    সুশান ট্রাংকটার দিকে তাকিয়ে ভয়ার্ত আর্তনাদ করে দু-হাতে চোখ ঢাকল। ফোনটা হাত থেকে খসে পড়ল।

    জো ফোনটা নামিয়ে দেখল রোলো আর গিলোরী ভাবলেশহীন চোখে তার দিকে তাকিয়ে। ওয়েডম্যানের চোখে বেদনার ছায়া।

    –এই হচ্ছে জো। আশা করি ও আমাদের সাহায্য করতে পারবে। জো তুমি কোথায় ছিলে? করনেলিয়াস চলে গেছে। কেউ তাকে নিয়ে পালিয়েছে। জো অনুভব করল রোলো তার দিকে সন্দেহের চোখে তাকিয়ে আছে।

    –গেছেন মানে কি? তিনি তো মারা গিয়েছেন। ওয়েডম্যান বললেন।

    রোলো ক্রেস্টারকে সান্ত্বনা দেবার ভঙ্গিতে বলল, তাকে ফিরিয়ে নিয়ে আসার দায়িত্ব আমার। তার আগে আমি জো-এর সঙ্গে কথা বলতে চাই। আপনি ক্লান্ত, বিশ্রাম নিন।

    গিলোরী ওয়েডম্যানকে শুতে যেতে সাহায্য করতে এগিয়ে এলো। প্রতিবাদ সত্ত্বেও তাকে নিয়ে চলে গেল। রোলো আর জো দুজন মুখোমুখি। তাহলে তুমিই জো। কাকে ফোন করছিলে এইমাত্র?

    –আমার বান্ধবীকে।

    বান্ধবীর নাম বল।

    –ওটা আমার নিজস্ব ব্যাপার। তুমি জানতে চাওয়ার কে?

    -তোমার মালিক কেন প্রশ্ন করল তুমি কোথায় ছিলে?তুমি কি বাইরে গিয়েছিলে? জিঘাংসা ভরা গলায় রোলো বলল।

    –তুমি আর নিগ্রোটা বেরিয়ে যাও এখান থেকে।

    –তোমার মালিক আমাদের ডেকে পাঠিয়েছেন।

    গিলোরী ফিরে এলো। রোলো প্রশ্ন করল-করনেলিয়াসকে তুমিই সরিয়েছ। তাই না জো?

    –ঐ মড়াটা নিয়ে আমার কি দরকার?

    –বেশি চালাক সেজোনা জো। ওয়েডম্যান মৃতদেহ ফেরত পাবার জন্যে প্রচুর খরচা করতে রাজি। সময় নষ্ট না করে এসো আমরা দুজন পার্টনার হই।

    –আমি জানলে তো!

    যার কাছে মৃতদেহটা রেখে এসেছে তার ফোন ছিল। তাই না?

    জোর মুখ দিয়ে কোন কথা বের হল না।

    –তোমাকে কি করে কথা বলিয়ে নিতে হয় আমার ভাল জানা আছে। কিন্তু আমি তা চাই না। আমি চাই তুমি আমার সঙ্গে সহযোগিতা কর।

    জানলে তো বলব। জো বলল।

    এই সময়ে কুচ ঠোঁটে সিগারেট ঝুলিয়ে জোর ঘরে ঢুকল।

    –ঠিক সময়ে এসে গেছে। এই হচ্ছে জো।

    হ্যাঁ। দেওয়ালে ঠেস দিয়ে বুচ বলল–আমাদের দুজনের আগেই দেখা হয়েছে।

    কালো জামা পরা লোকটাকে দেখে জো তার সপ্রতিভ হারালো। তার সাহস, আশা, শক্তি দৃঢ়তা গলে জল হয়ে গেল। জো ভয়ে কেঁপে উঠল।

    জো তুমি বলবে, না বুচের সঙ্গে তোমায় একা রেখে যাব? জো সঙ্গে সঙ্গে ভেবে নিল, বুচের মোকাবিলা করার মতো সাহস বা শক্তি তার নেই। অত্যাচার সহ্য করার মত ক্ষমতাও তার নেই। সে কি সব বলে দেবে? কিন্তু বললেই বুচ তাকে হত্যা করে সুশানের কাছে পাঠিয়ে দেবে। তারপর মৃতদেহটা বাগাবে। পরে হয়তো সুশান আর মোটা লোকটাকেও হত্যা করবে। তারপর ওয়েডম্যানের রক্ত শুষে ছিবড়ে করে ফেলবে। এ সমস্তই হবে তার দৃঢ়তার অভাবে। আর বুচও তাকে হয়তো ঘন্টার পর ঘণ্টা যন্ত্রণা দিয়ে মারবে। সে বড় কঠিন। মৃত্যুকে সে ভয় পায়না। মরতে তাকে হবেই। তাই পর ঘণ্টা যন্ত্রণা দিয়ে মারলেসুমই হবে তার দৃঢ়

    –বেশ আমি বলছি। মৃতদেহটা এ বাড়ির ওপরে আছে। ওপরে চলো। আমি দেখাচ্ছি।

    চালাকি করলে মরবে, রোলো ঝুঁকে পড়ে বলল।

    –ওপরে আছে। তোমরা সবাই চলো।

    না, আমরা এখানেই আছি। বুচ তুমি যাও। কিন্তু সতর্ক থেকে ছোকরার ধান্দা খারাপ আছে।

    চল। চালাকি করলে কান দুটো উপড়ে নেব। বুচ বলল।

    জো চুপচাপ সিঁড়ি দিয়ে উঠতে লাগল। তাকে যে মরতে হবে সে জানে কিন্তু তার অবর্তমানে সুশান কি তার চিঠির কথার মত কাজ করতে পারবে? তার যতটুকু করার সে করেছে।

    আস্তে চল, দৌড়বে না, বুচ বলল।

    সিঁড়ির মাঝপথে এসে জো ভাবল এবার একটা কিছু করা দরকার। কিন্তু হাঁটু দুটো দুর্বল লাগছে। হৃদপিণ্ডের শব্দে তার দম বন্ধ হয়ে আসছে। মাথা ঘুরছে। তারা সিঁড়ির মাঝামাঝি এসে গেছে। এরপর আর সিঁড়ি থাকবে না। একটু ভুল করলে সব নষ্ট হয়ে যাবে। যা থাকে কপালে। কিছু করতেই হবে–

    হঠাৎ সে ঘুরে দাঁড়িয়ে দুহাতে বুচের বুকে মারল এক ধাক্কা। বুচ চীৎকার করে উঠলো। বুচ জোর হাত ধরে টাল সামলাবার চেষ্টা করলে জো তার পেটে সজোরে এক লাথি কষাল। জোর হাত ফস্কে বুচ সিঁড়ি দিয়ে গড়াতে গড়াতে পড়তে থাকল।

    জো কোন দিকে তাকিয়ে একটা ছোট জানলারদিকে ছুটেচলল।জানলার পাশেছাদ। পেছনে বোধহয় রোলো চীৎকার করে ছুটে আসছে। জানলার ফ্রেমটা ধরে প্রচণ্ড জোরে ঝাঁকুনি দিল।নড়ছে না। ভয়ে জোরদম আটকে আসতে লাগল। শুনতে পেল রোলো গাঁক গাঁক করে ছুটে আসছে আর বুচ সিঁড়ি বেয়ে উঠে আসার প্রাণপণ চেষ্টা করছে। কিন্তু দীর্ঘদিনের ধুলো, রঙ আরনা খোলার জন্যে জানলাটা অনড়। জো কাঁধ দিয়ে জানলার কাঁচ ভেঙ্গে পাশের ছাদে লাফিয়ে পড়ল।

    বুচ দৌড়ে আসতে আসতে চীৎকার করে উঠল, থাম।

    জো তার কথায় কান না দিয়ে টালি আঁকড়ে তিন কোণা ছাদের প্রান্তে গিয়ে থামল। বুচ হিংস্র, আর সতর্কতায়পূর্ণ মুখটা বাড়াল। তার থেকে জোর দুরত্ব বড় জোর কুড়ি ফুট।

    গর্জন করে উঠল বুচ–তুমি আসবে, না আমি যাবো?

    জোর মাথা ঝিমঝিম করছে, তবু সে বুচকে দাঁত বের করে ভেংচাল। বুচ এখন আর তার কিছু করতে পারবে না।

    রোলো কাঁধ দিয়ে ধাক্কা দিয়ে বুচকে সরিয়ে দিয়ে জানলা দিয়ে উঁকি দিয়ে জো-কে দেখে বুচকে বলল–তখনই বলেছিলাম ছোকরাটাকে লক্ষ্য রাখ। এখন কি করবে?

    –আমি যাচ্ছি।

    -পাগল হয়েছে? ঐ ঢালু জায়গায় তোমার পা ফসকাবে। তারপর একটু নরম গলায় জোরে বলল, লক্ষ্মীছেলে কোন দুর্ঘটনা ঘটার আগে চলে এস।

    লাফ মারব সেও ভাল, কিন্তু ধরা পড়লেই আমাকে বলতে হবে।

    –রোলোর শিরদাঁড়া দিয়ে একটা শিহরণ খেলে গেল–বোকামী কোর না।

    না। যদিও ভয়ে, ঠাণ্ডায় জোর দাঁতে দাঁতে ঠোকাঠুকি হচ্ছিল।

    –রোলো ফিসফিসিয়ে বুচকে বলল, একটা দড়ি জোগাড় কর। ওটাকে ফাঁস লাগিয়ে ধরতে হবে। জো তুমি অকালে মারা পড়বে কেন, তার চেয়ে মড়াটা কোথায় বলে দাও, আমি তোমাকে দশ হাজার পাউন্ড দোব।

    তুমি জানো এরা আমার কি উপকার করেছে। তোমরা কোন চালাকি করে করনেলিয়াসের দেহ খুঁজে পাবেনা, কোন দিনই। এই জন্যই আমি মরতে চাই।

    বুচ দড়ি নিয়ে ফিরে এল। তুমি ছেলেটাকে কথা বলাতে থাক। আমি অন্য দিক থেকে দড়িটা ছুঁড়ছি।

    রোলো কপালের ঘাম মুছে বলল-সাবধান কিন্তু, ছোঁড়াটা পাগল। এ মরে গেলে মৃতদেহ আর পাওয়া যাবে না। রোলো ঝুঁকে পড়ে জোকে বলল, জো, আমরা তোমার সাহায্য ছাড়াই মৃতদেহ খুঁজে নোব, তাই তোমায় ছেড়ে দেবার মনস্থ করেছি। আমরা যাচ্ছি।

    –বিশ্বাস করি না।

    বাগানের দিকে তাকিয়ে দেখ, আমাদের চলে যেতে দেখতে পাবে।

    –তোমরা আবার ফিরে আসবে। এরকম সুযোগ হয়ত আমি আর পাবো না।

    –আমি কাগজে লিখে দিচ্ছি যে, আমরা জোকে একলা থাকতে দোব। বল ঝাঁপ দেবে না?

    জোর ঝাঁপিয়ে পড়ে মৃত্যুবরণ করতে ভয় লাগছিল। রোলোর লিখে দেওয়ার প্রতিশ্রুতিতে সে একটা আশার আলো পেল। কারণ জো যে সমাজ থেকে এসেছে, সই করা কাগজের ওপর গভীর আস্থা আছে তাদের।

    জো দেখল রোলো পকেট থেকে কাগজ আর কলম বার করে কি যেন লিখতে লাগল আর বলল-কিভাবে শুরু করব? কাকে সম্বোধন করব?

    জো বাঁচার আশায় এমনই বিভোর বুচ যে নল বেয়ে উঠে আসছে, তা খেয়াল ছিল না।

    রোলো কাগজটা জোরে জোরে পড়তে থাকল আর জো চোখের কোণা দিয়ে কিছু নড়তে দেখতে পেয়ে ঝটকা মেরে সরে যাওয়ার আগেই তার গায়ের ওপর দড়ির একটা ফাস আছড়িয়ে পড়ল। তাহলে এটাও চালাকি! এবার তাকে মরতেই হবে। মুহূর্তের মধ্যে সে দড়ির ফাসটা গলার ওপর নিয়ে এল।

    বুচ আর রোলোলা চিৎকার করে উঠল। গলায় ফাঁস এঁটে বসে যাচ্ছে। কিন্তু দেরী হয়ে গেছে। জোর মুখ সাদা। অসহায় মৃতদেহটা ঝুলে পড়ল।

    .

    সেডরিক স্মাইথ কোটটা খুলে শোবার আয়োজন করতে যাচ্ছে, হঠাৎসুশানের ভয়ার্ত চীৎকার শুনে সে সুশানের ঘরের দিকে এগিয়ে গেল। মিস হেডার! কি হয়েছে? কোন শব্দ নেই। সেডরিক সিঁড়ির দিকে এগিয়ে যেতে যেতে শুনতে পেল দড়াম করে একটা দরজা বন্ধ হল। চাবি লাগানোর শব্দ।

    -হে ভগবান! কি হয়েছে মিস্ হেডার? আমি তো ভয়ে মরতে বসেছিলাম।

    –তোমায় এখন কিছু বলার সময় নেই। আমায় ছেড়ে দাও। সিঁড়ি দিয়ে রাস্তায় নেমে গেল সে। কোথাও কোন বাড়িতে রাত দুটো বাজল। ফুলহ্যাম রোড ধরে পুটনী ব্রীজের দিকে ছোটা শুরু করল। জোর সঙ্গে দেখা করার চিন্তায় তার মন তোলপাড় করছে। ট্রাংকের মৃতদেহটা জোকে এখুনি নিয়ে যেতে বলবে সে। পুলিশের ঝাটে একমুহূর্তের জন্যও থাকবে না সে।

    একটা ট্যাক্সি ধরে গ্রীনম্যানে নেমে বিশাল পাথরের গেট পেরিয়ে ড্রাইভওয়ের ওপর দিয়ে বাড়িটার দিকে এগিয়ে চলল। ড্রাইভওয়েটা একটা বনের ভেতর চলে গেছে। বাড়ির কাছাকাছি আসতে একটা প্যাকার্ড গাড়ি নজরে এল। সঙ্গে সঙ্গে জোর কথা মনে পড়ল। পরক্ষণেই সে একটা ঘন ঝোঁপের আড়ালে লুকিয়ে উঁকি মেরে দেখতে পেল একটা লম্বা রোগা লোক ড্রাইভওয়েতে দাঁড়িয়ে আছে।

    এমনই সময় একটা গলার শব্দ তার কানে এল–ছুঁচোটাকে টেনে তুলতে পারছি না। দড়িটা কেটে দি, হতচ্ছাড়াটা নীচে পড়ুক।

    সুশান সবকিছুর অস্তিত্ব ভুলে ওপর দিকে তাকিয়ে রইল।কালো জামা পড়া লোকটা তেকোণা ছাদের ওপর দাঁড়িয়ে। দড়ির আগায় যে দেহটা ঝুলছে, তার চুল দেখে সুশানের চিনতে ভুল হলনা। হঠাৎ দেহটা দড়ি ছিঁড়ে মাটিতে আছড়িয়ে পড়ল। সুশান অনুভবকরল মাটির ওপর সে জ্ঞান হারিয়ে পড়ে যাচ্ছে। তারপর সব অন্ধকার।

    আবার সজাগ হয়ে চারিদিকে তাকিয়ে সে চিনতে পারল বুচ, গিলোরী আর রোলোকে। সবাই মৃতদেহকে ঘিরে জড় হয়ে দাঁড়িয়ে। শুয়ে শুয়ে নিঃসাড় ভোতা অনুভূতি নিয়ে সে বুঝতে পারল মৃতদেহটাকে কবর দেওয়া নিয়ে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়েছে। বুচ টমকে এক ধাক্কা মেরে কোদাল আনতে পাঠাল।

    গিলোরী বলল–কেউ যেন আমাদের লুকিয়ে লক্ষ্য করছে। আমি অনুভব করছি।

    রোলো বলল–কে? কোথায়?

    সুশান যে ঝোঁপের আড়ালে শুয়েছিল সেদিকে তাকিয়ে মৃতদেহটা নিয়ে টম আর গিলোরী এগিয়ে আসতে লাগল। বুচ আর রোলো কথা বলতে বলতে এগিয়ে আসতে লাগল।

    এক মুহূর্তের জন্য চিন্তা করে সে লাফিয়ে উঠে ঝোঁপঝাড় পেরিয়ে দৌড় দিল। শুনতে পেল একটা ভারী শরীর তার দিকে এগিয়ে আসছে। রোলোকে তার এত ভয় নেই, কিন্তু কালো জামা পড়া লোকটাকেই ভয়। ঝোঁপঝাড় পেরিয়ে ছুটতে লাগল। বুচও ছোটা শুরু করেছে।

    রোলোর হাতির মত ধুপধাপ ছুটে চলার জন্যে বুচ দিক ঠিক করতে পারছিল না। রোলোকে থামতে বলে বুচ কান পেতে শোনবার চেষ্টা করল। ডান দিকে সে শুনতে পেল সুশান জঙ্গলে পথ হাতড়াচ্ছে। সুশান খুব দ্রুত দৌড়তে লাগল। পিছনে বুশ। হঠাৎ সে ছোটা থামিয়ে একটা ঘন-ঝোপে ঢুকে গেল। বুচও সুশানের পায়ের শব্দ না পেয়ে দাঁড়িয়ে গেল। সুশান মাত্র বারগজ দূর থেকে তাকে লক্ষ্য করছে আর ভগবানকে প্রার্থনা জানাচ্ছে।

    বুচ বুঝল সে কাছাকাছি কোথাও লুকিয়ে আছে। চীৎকার করে বলল, আমি তোমায় দেখতে পাচ্ছি কিন্তু সুশানের দিকে বুচের পিঠ। সুশান বুঝল বুচ দেখতে পায়নি। সুযোগ বুঝে ঝোঁপ থেকে বেরিয়ে আবার উল্টো দিকে ছুটতে লাগল। কিন্তু রোলোর লৌহ কঠিন মুঠিতে তার হাত ধরা পড়ল। তাহলে তুমিই জো-এর বান্ধবী।

    রোলো গর্জন করে উঠল, বুচ, এদিকে এস। পেয়েছি। বুচের পায়ের শব্দ পেয়ে সুশান রোলোর মাংস ভেদ করা তীক্ষ্ণ দাঁতের কামড় বসালে রোলো হাত ছেড়ে দিল। সঙ্গে সঙ্গে ছোটা শুরু করে দিল সুশান। নিজের হরিণ গতিতে ছোটায় নিজেই অবাক। রোলোনুড়িপাথরে হোঁচট খেয়ে পড়ল। এখন সে গ্রীনম্যানের দিকে ছুটে চলেছে। হঠাৎ পেছনের পদধ্বনি মিলিয়ে গেল। সুশান থেমে গেল। পেছনে এক ছায়ামূর্তি তাকে লক্ষ্য করল। সামনে এক পুলিসম্যান বক্রদৃষ্টিতে তার দিকে তাকিয়ে চলে গেল।

    .

    জ্যাক ফ্রেসবী সন্দিগ্ধ চোখে সুশানের দিকে তাকিয়ে গোঁফে তা দিতে লাগল। মেয়েটা সারারাত বাড়ি ছিলনা, ওর নিশ্চয়ই স্নায়ু বিপর্যয় ঘটেছে।

    এগারটা কুড়ি হয়ে গেছে। জো আজ এখনও ফোন করেনি। অথচ মেয়েটা বাক্সটা চাইতে এসেছে। তবে কি জোর কিছু ঘটেছে? বাক্সটা কি দেবে? চালাকি করতে গিয়ে যদি জোর ফাঁদে পা দেয়?

    –কিসের বাক্স? যে কেউ এসে বাক্স চাইলেই দিতে হবে? আমার কি বাক্সর ব্যবসা! একটু খেলাবার চেষ্টা করল ফ্রেসবী।

    সুশান দৃঢ়ভাবে বলল–কোন্ বাক্স তা তুমি ভাল করেই জান। বাড়াবাড়ি করলে পুলিশের কাছে যাব।

    ফ্রেসবী ফিসফিস করে বলল, জো কি বলেছে? কি জান তুমি?

    –তা তুমিও জান আর আমিও জানি। ঐসব নোংরা ব্যাপার নিয়ে কথা বলতে আমার ভাল লাগছে না।

    –জো-এর কি হয়েছে?

    সুশান উঠে দাঁড়াল।–হয় বাক্সটা দাও নয়তো আমি চললাম। এখানে বাজে সময় নষ্ট করার সময় আমার নেই।

    –আহা। যদি জানতে পারতাম জোর কি হয়েছে তাহলে মেয়েটার মজা দেখাতাম। সেদিন মেয়েটাও একলা এসেছিল। অথচ জো এই বাড়িতেই ছিল, তাকে মৃতদেহটা টেনে নীচে নিয়ে যেতে দেখেছি। এটাই তার সর্বনাশের মূল। আজও যদি কেউ ঐরকম দেখে ফেলে। আজও–মেয়েটা সুন্দরী। ইচ্ছে হচ্ছে ধর্ষণ আর খুনের। বহু কষ্টে ফ্রেসবী নিজেকে সংযত করে বলল–এই নাও টিকিট। এটা গ্রীক স্ট্রিটের হেবিং অ্যান্ড হব নামে একটা দোকানে দশ শিলিং দিলে, ওরা তোমায় বাক্সটা দেবে।

    সুশান ছোঁ মেরে টিকিট নিয়ে বলল–আমি আবার আসব। তোমার সঙ্গে কথা আছে।

    ঘণ্টাখানেক পরে লায়ন্স টিপসে বসে বাক্সটা জোর পাঠানো চাবি দিয়ে খুলে সুশান অবাক হলো। এক গোছ টাকা আর তলায় একটা চিঠি। জো লিখছে, তুমি যখন এ চিঠি পড়বে আমি তখন মৃত। কালো জামা পরা লোকটা আমাকে ধমকী দিয়ে গেছে। ও আমাকে শেষ করার সঙ্গে সঙ্গে ওয়েডম্যানকে ছিবড়ে করার চেষ্টা করবে। পুলিসের ভয় দেখালেই ফ্রেসবী তোমায় সাহায্য করতে রাজি হবে তবে লোকটা বিপজ্জনক। তোমাকে ভয় দেখাবার চেষ্টা করলে তুমি শুধু ওকে বলবে, তুমি জান ভেরা কোথায়। তোমার মিথ্যেটা ও যেন বুঝতে না পারে। ব্যাস ঐ টুকুতেই কাজ হবে। ফ্রেসবী সম্বন্ধে অযথা জানার চেষ্টা কোরো না। অনর্থক ঝামেলায় পড়বে। যাই হোক পুলিশের কাছে যাবে না। তুমি ছাড়া ক্রেস্টারকে সাহায্য করার কেউ রইল না। এজন্যই টাকাটা দিলাম।

    সুশান বুঝতে পারল না, সে কিভাবে ক্রেস্টারকে সাহায্য করবে! তবে জো বিশ্বাসী লোক। বিশ্বাসীদের তার পছন্দ।

    তিনশো পাউন্ড! অনেক টাকা। ক্রেস্টারকে সাহায্য না করলে টাকাটাও তার প্রাপ্য হলো না।

    ট্রাংকটার কথা ভাবল সে। জো বলেছে মৃতদেহ যেন কেউ না পায়। কিন্তু মড়াটাকে ঘর থেকে সরাতে হবে।

    সেডরিক যদি খুলে দেখে ফেলে! ফ্রেসবীর কাছে সাহায্য চাইতেই হবে।

    –তুমি আবার এসেছে।? আমি কিছু করতে পারব না।

    –জো মারা গেছে, বলে ফ্রেসবীর মুখে সন্তুষ্ট ভাব লক্ষ্য করল। জো আমায় বলে গেছে ভেরা কোথায় আছে।

    –ফ্রেসবী ধপ করে বসে পড়ে বলল–আর কাকে বলেছে? তুমি আমাকে ব্ল্যাকমেল করতে চাইছ। তুমি আর বেশিদিন পৃথিবীর আলো দেখতে পাবে না।

    আমি আগেই সাবধান হয়ে গেছি। আমার ব্যাংক ম্যানেজারকে একটা চিঠি দিয়ে বলেছি, সাতদিন আমাকে দেখতে না পেলে ওটা খুলতে। ফ্রেসবী ধপ্ করে বসে পড়ে বলল–ভুল করলে। পুলিশ তোমায় দোসর ভাববে।

    –তুমি কি চাও আমি সব কথা পুলিশকে খুলে বলি?

    চায়ের কাপে চুমুক দিয়ে ফ্রেসবী বলল, আচ্ছা, কি চাও তুমি?

    সুশান ঝড়ের বেগে ওয়েডম্যান, করনেলিয়াস, রোলো, জো সকলের কথা বলে গেল। ওয়েডম্যান মিলিওনীয়ার, টাকার গন্ধ আছে এই ভেবে ফ্রেসবী বলল, আমায় কি করতে হবে?

    –মৃতদেহটা লুকোতে হবে।

    –পারব না।

    সুশান পঁচিশ পাউন্ড বার করে ফ্রেসবীকে বলল, বিনিময়ে এটা রাখ।

    –ওতে হবে না কাজ।

    ওতে যখন হবে না তখন হয় তোমায় বিনাপয়সায় কাজটা করতে হবে নয়তো পুলিসকে আমায় সব কথা জানাতে হবে।

    সুশান ভাবতে লাগল, ফ্রেসবী কি তাকে সাহায্য করবে?

    ফ্রেসবী ভাবল, মেয়েটা যদি এই ধরনের ব্যবহার করতে থাকে তবে ওকে খুন করতেই হবে।

    হঠাৎ ফ্রেসবী ঘুরে দাঁড়িয়ে বলল-দাও টাকাটা দাও।

    -কোথায় লুকোবে?

    –বিয়ারিং ক্রসে।

    -না ওটা গন্ধ ছড়াচ্ছে। সুশান বাইরে গিয়ে সিঁড়ি দিয়ে ঝুঁকে পড়ে দেখল কালো জামা পরা লোকটা আসছে।

    হাঁপাতে হাঁপাতে সে ফ্রেসবীর কাছে লুকোবার জন্য সাহায্য চাইতে ফ্রেসবী গোঁয়ারের মতো বসে রইল, তখন সুশান আলমারীর ভিতর গিয়ে লুকোলো।

    আর তখনই বুচ ঘরে ঢুকে ফ্রেসবীকে নরম গলায় প্রশ্ন করল, সুশান হেডার কে?

    ফ্রেসবী বুচের দিকে ধোঁয়া ছেড়ে চিন্তা করে নিল সাবধানে কথা বলতে হবে।

    –কে, সুশান? সুশান কি?

    ভাওতা দিও না চাঁদু, তুমি জান আমি কার কথা জিজ্ঞেস করছি।

    ফ্রেসবী মাথা ঝাঁকাল, আমার মনে পড়ছে না কোন্ হেডার?

    আমাদের সঙ্গে দুশমনী নিশ্চয়ই করতে চাও না! তাহলে চটপট বলে ফেলো, যাকে তুমি গিল্ডেড ক্লাবে পাঠিয়েছিলে।

    –ও! তার নাম তো সুশান হেডার নয়। বেটি, তার নাম বেটি ফ্রিম্যান। ফ্রেসবী বুঝল বুচ ধাপ্পাটা বোঝেনি।

    নাম যাই হোক! মেয়েটার সম্বন্ধে বলল।

    কাঁধ ঝাঁকিয়ে ফ্রেসবী বলল-আরে মেয়েরা আমার কাছে কাজের ধান্দায় আসে।বায়না দেয়। তাদের নাড়ীনক্ষত্র জানার আমার কি দরকার?

    মার্শ বলেছে তুমি মেয়েটার চাকরীর জন্যে খুব চাপ দিয়েছিলে।

    ফ্রেসবী বুঝল বুচ অবিশ্বাস করছেনা। দৃঢ়তার সঙ্গে বলল-কড়কড়ে পঁচিশ পাউন্ডের লোভ সামলানো যায়?

    দুজনে দুজনের দিকে তাকিয়ে কি ভাবল।

    বুচ বলল-তাহলে সত্যিই তুমি জান না সে কে? কোথায় পাবো তাকে?

    –কেন, কেন, কোন গণ্ডগোল?

    –তা জানি না তবে রোলো ঐ মেয়েটাকে খুঁজে পাওয়ার জন্যে একশ পাউন্ড খরচ করতে রাজি আছে। আজ রাতের মধ্যে ওটাকে না পাওয়া গেলে ঝামেলা হয়ে যাবে। তুমি খোঁজ দিতে পারলে টাকাটা পাবে।

    ফ্রেসবী একবার আলমারীটার দিকে তাকিয়ে ভাবল, না থাক হতচ্ছাড়ীটা ব্যাংকের ম্যানেজারের কাছে চিঠি দিয়ে রেখেছে।

    রোলো এত টাকা কেন খরচ করতে চাইছে?

    –তোমার অত সতর কি দরকার। এর পর ক্লাবে মেয়ে ঢোকাবার আগে আমায় জানাবে। নইলে তোমার ব্যবস্থা করে ছাড়বো।

    ফ্রেসবী ভয়ে ভয়ে বলল–ঠিক আছে মাইক। আমি খোঁজ করব।

    বুচ চলে যেতেও সুশানকে ডাকলো না। গভীর চিন্তায় ডুবে আছে সে। মড়াটাকে নিয়েই এত কাণ্ড। আবার অনেক টাকার মামলা। মড়াটার জন্যেই মেয়েটার খোঁজ।মড়াটা তার হাতের মুঠোয়। চেষ্টা করলে মোটা উপার্জন করা যায়।

    সুশান বেরিয়ে এলো বিবর্ণ মুখে।

    –সবই শুনেছ নিশ্চয়ই। ঠিক আছে এসো আমরা দুজনে মিলেমিশে কাজ করব। আমার মাথায় একটা চমৎকার বুদ্ধি এসেছে। মড়াটা কোথায় লুকোবে!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleব্ল্যাক অর্ডার (সিগমা ফোর্স – ৩) – জেমস রোলিন্স
    Next Article জেমস হেডলি চেজ রচনা সমগ্র ২ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)

    Related Articles

    জেমস হেডলি চেজ

    জেমস হেডলি চেজ রচনা সমগ্র ২ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)

    August 18, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }