Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    জেমস হেডলি চেজ রচনা সমগ্র ১ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)

    জেমস হেডলি চেজ এক পাতা গল্প2631 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০১. বাড়িটা খুঁজে পাওয়া গেল

    দি প্যাশনেট গার্ল

    ০১.

    অবশেষে বাড়িটা খুঁজে পাওয়া গেল।

    সামনের রাস্তাটি খুব একটা চওড়ায়। দু-খানা গাড়ি প্রায় ছোঁয়াছুঁয়ি করে কোনক্রমে পাশাপাশি যেতে পারে। বাড়ির দুপাশে কাটা ঝোঁপের বেড়া। ওঃ বাড়ি বটে একটা!

    বাড়িতে ঢোকার পথে রাস্তাটা বরাবর গিয়ে শেষ হয়েছে। এক পাশে ছোট নেমপ্লেটে লেখা–মোঁ রিপোজ।

    বাড়ির নামটা কিন্তু বেশ। অ্যানসন গাড়ির ইঞ্জিন বন্ধ করে নামলো। পকেট থেকে রুমাল বের করে কপালের ঘাম মুছলো। দেখল প্রধান ফটক আর বাড়ির মাঝখানে অনেকটা ফাঁকা চত্ত্বর। সীমানা বরাবর সার দিয়ে দাঁড়িয়ে গাছে ওক আর পামগাছ। বেশ শান্ত পরিবেশ।

    বাগানটা খুব সুন্দর। ঘাসের জাজিম পাতা যেন।কি সুন্দর ঘাস,কত যত্নের কেয়ারী। একপাশে পাড় বাঁধানো ছোট্ট একটা ফোয়ারা। এখানে-সেখানে ছোট ছোট গোল বা ত্রিভুজাকৃতি ফুলের বাগান। কি তাদের রঙ-রূপ! হঠাৎ দেখলে মনে হয় কোনও পুষ্প প্রদর্শনীর আসর। বাঃ অপূর্ব!

    ফটক থেকে সোজা একটা নুড়ি বিছানো পথ চলে গেছে, শেষ হয়েছে বাড়ির দরজায়। কিন্তু বাড়িটা দেখে সে খুব অবাক হল।

    বাড়িটা বাগানের তুলনায় একেবারেই বেমানান।বাড়িটা যতনা কুতসিৎ,বাগানটা ততই সুন্দর। তার কুশ্রীতা চোখে লাগার মতো। ছোট্ট দোতলা বাড়ি। নোনা ধরে বাড়িটার ইট বেরিয়ে পড়েছে, টালির চাল। বাড়ির রং এক কালে সবুজ ছিল। তার গায়ে কিছু চিহ্ন ছিল। কারণ বৃষ্টি রোদ তার রং কেড়ে নিয়েছে। জানালার ফ্রেমে ধুলো জমেছে। চালের অধিংকাশই ভাঙ্গা।

    কি আশ্চর্য! এমন সুন্দর বাগান আর বাড়ির কি দশা। যত্ন-আত্তি করার কেউ নেই। যাক গে বাড়ির কথা পরে ভাবা যাবে, এখন কাজটাই আসল।

    বিবর্ণ অ্যাটাৰ্টিটা খুলে অ্যানসন চিঠিটা বের করলো। সে চিঠিখানা খুলে মেলে ধরলো চোখের সামনে–

    মোঁ রিপোজ,
    প্রু টাউন

    ন্যাশানাল ফাইডেলিটি ইনসুরেন্স করপোরেশন,
    ব্রেন্ট।
    মহাশয়,

    অনুগ্রহ করে আপনাদের কোনও একজন প্রতিনিধি যদি এই সপ্তাহের যে কোনও দিন বেলা বারোটা থেকে চারটের মধ্যে আমার সঙ্গে দেখা করতে আসেন, তাহলে খুব ভাল হয়।

    আমার স্বামীর খুব ইচ্ছা, এক হাজার ডলার দামের আমার কিছু অলঙ্কার তিনি আপনাদের কোম্পানীর কাছে ইনসিওর করবেন।
    ইতি
    মেগ বারলো।

    অ্যানসন চিঠিটা ভাজ করে পকেটে রাখলো। ভোলা ফটক পেরিয়ে বাড়ির ভেতরে ঢুকল।

    আকাশে পুঞ্জ পুঞ্জ কালো ধোঁয়ার মত মেঘ, মেঘের আড়ালে সূর্য। দিগন্তে বেলা শেষের দু-এক চিলতে স্নান বিচ্ছুরিত আলোর রশ্মিতে দিনের অন্তকালের সূচনা। আর ঘণ্টা দুয়েকের মধ্যেই হয়তো বৃষ্টি নামবে।

    অ্যানসন দরজায় কড়া নাড়লো। একবার দুবার তিনবার। একটু পরেই দরজা খুলে গেল। দরজার ওপাশে দাঁড়িয়ে এক অতি অপূর্ব সুন্দরী নারী। পত্র লেখিকা স্বয়ং মেগ বারলো।

    অ্যানসন রুদ্ধ বিস্ময়ে স্তব্ধ ও হতবাক হয়ে গেল। এত সৌন্দর্য সে এর আগে কখনো দেখেনি। এ কি স্বর্গের তিলোত্তমা, না….

    অ্যানসনের মনে মেগের এই ছবি অ্যানসনের মৃত্যুর আগের মুহূর্ত অবধি চিরস্থায়ী এক ছবি এঁকে রেখেছিল। সে ভুলতে পারেনি।

    অ্যানসন নারী সম্পর্কে বরাবরই একটু দুর্বল। মাত্র চোদ্দ বছর বয়সে প্রথম সে এর স্বাদ পায়। তারপর থেকে সে নিত্যনতুন মেয়ের স্বাদ নিতে থাকে। যত বয়স বাড়তে থাকে ততই তার নারীর প্রতি নেশাও বেড়ে যায়। আয়ের বেশীর ভাগই ঐ পথে খরচ হয়ে যেত। ঠাটবাট বজায় রাখা তাই অসম্ভব হয়ে পড়তো। সুতরাং অন্য পথের সন্ধান দেখতে হলো।

    সেই অন্য পথ হল জুয়া। সামান্য অর্থের বিনিময়ে বিরাট কিছু রোজগারের এমন সহজ সুন্দর পথ আর আছেই বা কি?

    অ্যানসন পাকা জুয়াড়ী হয়ে উঠলো। জুয়ার টেবিলে বসে সে হিসেব-নিকেশের ধার ধারতো না। পকেটের শেষ নয়া পয়সা পর্যন্ত অন্যের পকেটে তুলে দিয়ে চলে আসতো। ঘাটতি পূরণের জন্য মোটা সুদে এর-ওর থেকে টাকা ধার করতে হতো। শোধ দেওয়া আর হতো না। ধারের অঙ্ক ক্রমশঃ বাড়তো।

    চাকরীটা ছিলো বলে তাও খানিকটারক্ষা। সেন্যাশানাল ফাইডেলিটি ইনসুরেন্স করপোরেশনের ফিল্ড অফিসার। ব্রেন্ট, ল্যামস্ ভিল এবং প্রু টাউন, এই তিনটে শহর তার তত্ত্বাবধানে। এসব জায়গায় বেশ অবস্থাপন্ন লোকেদের বাস। বেশির ভাগ লোকেরই জমিজমা আছে। তাই ক্ষেতের শস্য থেকে নিজের জীবন সবকিছুই বিমা করতে চায়। তাই মাইনে ছাড়াও কমিশন হিসাবেও মাস গেলে মন্দ রোজগার হয় না।কিন্তু হলে কি হবে, সে যে তিমিরে, সেই তিমিরে। তার একটি পয়সাও জমেনি। ধারের উপর ধার। ধারের অঙ্ক বাড়তে বাড়তে মাথার চুল অবধি ধারে বিক্রি হয়ে আছে।

    এই তো, ব্রেন্ট ছেড়ে প্রু টাউনে আসার আগের দিনই একটা টেলিফোন এল। জো ডানকান এর ফোন।

    সেই ফ্যাসফেসে গলার স্বর সেই ভঙ্গিতেই জো বলল অ্যানসন, হিসেবটা একবার শুনবে নাকি?

    হিসেব, হ্যাঁ তা কেন শুনবো না।

    তাহলে শোনো হাজার ডলার আসল। আর সুদ, তাও কিন্তু কম নয়। পুরো হিসেবটা এখনও করা হয়নি। শনিবারের মধ্যে আসলটা অন্ততঃ মিটিয়ে দিও। অনেক দিন হয়ে গেলো। যদি শনিবারও টাকা না পাই তাহলে বাধ্য হয়েই শনিবার গেলারকে পাঠাতে হবে।

    গেলার মানে গেলার হোগান। ডানকান-এর দেহরক্ষী এবং তার ব্যবসায়ের টাকা আদায়কারী। একসময় সে ছিল ক্যালিফোর্নিয়ার বিখ্যাত মুষ্ঠিযোদ্ধা, লাইট হেভিওয়েট চ্যাম্পিয়ান।টাকা আদায় হলে মুখে টু শব্দটিও করবে না। কিন্তু না হলে দেনাদারের শরীরে ও ওর হাতের একটা চিরস্থায়ী চিহ্ন রেখে যাবেই যাবে। অ্যানসনের অবশ্য হাজার দেড় হাজার ডলারের জন্য তেমন চিন্তা নেই। সেরকম হলে টেলিভিশনের সেটটা বা গাড়িটা বিক্রি করে অ্যানসন সহজেই টাকাটা জোগাড় করতে পারবে। কিন্তু আসল চিন্তা স্যাম বার্নস্টেনকে নিয়ে। সে স্যামের কাছ থেকে মোট আট হাজার ডলার নিয়েছে। স্যাম কোর্টের কাগজে সই-সাবুদ করিয়ে নিয়ে টাকাটা দিয়েছে। শোধ দিতে হবে আগামী জুন মাসে। অবশ্য জুন আসতে এখনও দেরী আছে। তবুটাকার অঙ্কটাও তো খুব বড়। টাকাটা নিয়ে কিই বা লাভ হল। একদিনেই সব উড়ে গেল। আট হাজারকে আট লাখ বানাবার জন্য খোঁজখবর নিয়ে সে একটা ঘোড়ার পিছনে টাকাটা লাগালো। কিন্তু সে ঘোড়া এক থেকে দশের মধ্যেও স্থান পেল না।

    আজ মঙ্গলবার। শনিবার আসতে এখনও পাঁচ দিন বাকি।শনিবার ডানকান-এর মুখবন্ধ করতে হবে। সেটা অবশ্য খুব একটা অসুবিধে হবে না। কিন্তু স্যাম তার আট হাজার ডলার, অবশ্য জুন মাস আসতে এখনও অনেক দেরী আছে।

    সপ্তাহের শুরুতেই সবঝুট-ঝামেলা। কোথায় খুশীমনে কাজ করবো, মাল খাবো, মেয়ে নিয়ে ফুর্তি করবো তা নয়, কেবল টাকা টাকা টাকা। যে কোনও উপায়ে টাকাটা জোগাড় করতেই হবে।

    দরজা খুলে মেগ বারলো দাঁড়িয়ে আছে। তার নীল চোখের তারায় জিজ্ঞাসা!

    আচ্ছা কত বয়েস হবে মেগ-এর। আমার সমান না দু-এক বছরের ছোট। ওঃ কি একখানা চেহারা, দুর্দান্ত, দারুণ ফিগার।

    অ্যানসনের শিরায় শিরায় যেন ঝড় বয়ে গেল। তার রক্তে শিহরণ খেলে গেল। সে মেগকে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখতে লাগল।

    লম্বা, তার চেয়ে ইঞ্চিখানেক লম্বাই হবে। চওড়া কাধ, সরু কোমর, দীর্ঘ সুঠাম দুটো পা। তার পরনে কমলালেবু রঙের সোয়েটার, পায়ের হাঁটু অবধি কালোমোজা। একমাথা সোনালী চুল সবুজ ফিতেয় বাধা, স্ফীত মুখগহ্বর, পুরু ঠোঁট, ছোট সরু বাঁকানো নাক। সব কিছু মিলিয়ে মেগ অপরূপা। পুরুষের হৃদয়ে কামনার-আগুন জ্বালাতে সে অপ্রতিদ্বন্দ্বী।

    অ্যানসন এতো রূপ এর আগে কোনদিন দেখেনি।

    মেগ-এর চোখ থেকে জিজ্ঞাসার ভাবটা অদৃশ্য হল। সে মৃদু হেসে বলল আপনি। আপনাকে তো ঠিক চিনতে পারলাম না।

    অ্যানসন মুহূর্তে বাস্তবে ফিরে এলো। সে স্বাভাবিক ভাবে হেসে বললো, আমি জন অ্যানসন, ন্যাশানাল ফাইডেলিটি ইনসুরেন্স করপোরেশন থেকে আসছি। আপনিই তো মিসেস বারলো? আপনার চিঠি পেয়ে…।

    আসুন আসুন, ভেতরে আসুন?

    অ্যানসন মেগ-এর পেছন পেছন ভেতরে ঢুকলো। ছোট একখানা হলঘর পেরিয়ে বদ্বার ঘরে এলো।

    ঘরখানি বেশ বড়সড়। এক পাশে বেশ বড় একটা অগ্নিকুণ্ডে আগুন জ্বলছে। অগ্নিকুণ্ডের সামনে বিরাট এক সোফা, ঘরের কোণায় একটা টেবিল। তার উপর একটা ছোট টাইপরাইটার, অনেক সাদা কাগজ, কয়েকটি কার্বনের বাক্স এবং একটা ওয়েবস্টার ডিক্সনারী।

    অ্যানসন ঘরে পা দিয়েই বেশ অবাক হল। মেঝেতে ধুলো জমে আছে, আসবাবপত্রও ধুলিমলিন। বাড়ির বাইরের মতো ভেতরেও অযত্ন-অবহেলার ছাপ। সব যেন কেমন ছন্নছাড়া, সব কিছুতেই অগোছালো ভাব।

    অগ্নিকুণ্ডের কাছে মেগ ঘুরে দাঁড়াল। তার সঙ্গে অ্যানসনের চোখাচুখি হল?

    একরকম জোর করেই অ্যানসন তার থেকে দৃষ্টি সরিয়ে নিল। তারপর সে জানলার কাছে গিয়ে বাগানের দিকে তাকাল,বলল,বাগানটা কিন্তু খুব সুন্দর। বাগানের মতো বাগান বটে একখানা।

    আমার স্বামী আপনার কথা শুনলে খুশী হতেন, বাগানই ওর ধ্যানত্ম-জ্ঞান।

    অ্যানসন ঘুরে দাঁড়িয়ে বলল, ধ্যানজ্ঞান মানে কি?

    মানে ঐ আর কি। তিনি সবসময় ঐ বাগান বাগান করেই গেলেন। এখন আপনি ওনাকে পাবেন শহরের ঐ ফ্রামলের দোকানে।ওদের ওখানের ফুল-বিভাগের উনিই সর্বেসর্বা। কিন্তু একি, আপনি দাঁড়িয়ে কেন সোফায় বসুন।

    অ্যানসন ইতঃস্তত করেও সোফার একপ্রান্তে বসে পড়লো। মেগ তার চেয়ে হাত খানেক দূরে, বসল। তার প্রসাধনের মিষ্টি গন্ধ নিয়ে মৃদু বাতাস ভেসে এল। অ্যানসন বুক ভরে গ্রহণ করল।

    হ্যাঁ, তা যা বলতে যাচ্ছিলাম আমার স্বামী ফিল চায় আমি আমার গয়নাগুলো ইনসিওর করে ফেলি। কিন্তু আমার মনে হয় না যে ওগুলোর ইনসিওর করার মতো দাম আছে। ওর সঙ্গে এই নিয়ে অনেক তর্ক অনেক কথা কাটাকাটি। কিন্তু না, ওর ওই এক গো। ইনসিওর করাতেই হবে।

    আহা বছরে এক হাজার ডলারের প্রিমিয়াম কত পড়বে। কারণ কিনা এর ধারণা ওগুলোর দাম এক হাজার ডলার। আমার অবশ্য বিশ্বাস হয় না।

    আহা গয়নাগুলো একবার এনে আমাকে দেখাতে পারেন।

    নিশ্চয়ই এখুনি নিয়ে আসছি।

    সারা দেহে হিল্লোল তুলে মেগ ঘর থেকে বেরোলো। তার হাঁটার ভঙ্গিটাও কি সুন্দর অ্যানসন ভাবলো।

    একটু পরেই একটা ছোট রঙচটা গয়নার বাক্স নিয়ে মেগ ফিরে এলো। এসে সোফায় বসে বাক্সর ঢাকনা খুলল। দেখে অ্যানসন যথেষ্ট হতাশ হল। বাক্সে সস্তা দরের সব গিলটির গয়না।

    সে অবাক বিস্ময়ে চোখ তুলে বলল, ব্যাস।

    হ্যাঁ, এই সব।

    কিন্তু এগুলোর দাম হাজার ডলার তত দূরে থাক পঞ্চাশ ডলারের বেশি হবে বলে মনে হয় না।

    মেগ এই কথা শুনে খিলখিল করে হেসে উঠল। বলল আমিও তো তাই মনে করি বলে অ্যানসনের পাশে বসে পড়ল। দুজনের হাতে হাত ছুঁয়ে গেল। আর এতেই অ্যানসনের দেহে শিহরণ খেলে গেল।

    মেগ হাসি থামিয়ে বলল, আমি ফিলকে আগেই বলেছিলাম যে পুরনো গয়নার দাম আজকাল আর পাওয়া যায় না। আমার কথা ও বিশ্বাসই করল না। আপনার মূল্যবান সময় নষ্ট করলাম। কিছু মনে করবেন না।

    না না মনে করার কি আছে। মুখে একথা বললেও মনে মনে অ্যানসন একটু বিরক্ত হল। সেবলল তা গয়না ছাড়াও তোইনসিওর করার আরো অনেক জিনিস আছেমিসেস বারলো। যেমন বাড়ি, বাগান, অগ্নিবিমা, বলুন না এসেছি যখন একটা কিছু করে যাই।

    মিঃ অ্যানসন সে সব অনেক আগেই হয়ে গেছে। বাড়িটা আমার দিদিশাশুড়ীর, মরার আগে তিনি সবরকম ইনসিওরই করিয়ে গেছেন।

    তাহলে তো সব মিটেই গেল। ঠিক আছে আমি তাহলে চলি।

    যাবেন, আচ্ছা কিন্তু একটু দাঁড়িয়ে যান মিঃ অ্যানসন। যখন আপনি এসেইছেন তখন অন্য একটা কাজে আমাকে একটু সাহায্য করে যান।

    বলুন না কি কাজ।

    সে মনে মনে ভাবল ভালই হলো। আরো কিছুক্ষণ থাকার একটা সুযোগ পাওয়া গেল। এমন সুন্দরী মহিলার সংস্পর্শে যতক্ষণ থাকা যায় ততক্ষণই লাভ।

    মেগ একটু ইতঃস্তত করে বললো, মানে আমি একটা ছোট গল্প লিখেছি। লিখেছি মানে লিখবো বলে ভেবেছি আর কি। গল্পটা ইনসুরেন্সের ব্যাপার নিয়ে। কোথাও কোনো বাদ-টাদ হয়ে গেল কিনা, এই নিয়ে আপনার সঙ্গে একটু আলোচনা করতাম।

    অ্যানসন টাইপ মেসিনের দিকে ঘাড় তুলে তাকিয়ে বলল ও আপনি বুঝি ছোট গল্প লেখেন?

    ঐ লেখার চেষ্টা করি আর কি। কিছু তো একটা করতে হবে। সময় তো আর কাটতে চায় না। তবে এখনও কোথাও কোন গল্প পাঠাইনি। তাছাড়া ফিল-এর রোজগারও তেমন বেশী নয়। যদি লিখে দু-দশটা টাকা রোজগার করতে পারি, তাহলে হাত খরচ করা যায়। আচ্ছা একটু বসুন আমি বরং আপনার জন্য একটু হুইস্কি নিয়ে আসি। আশাকরি আপত্তি নেই। এ ছাড়া অবশ্য আমার । আর কিছু নেই।

    ঘড়ি দেখলো অ্যানসন, পাঁচটা বাজে এখন একটু হুইস্কি হলে মন্দ হয় না, সে হেসে বলল, না আপত্তির কি? চলবে।

    মেগ হুইস্কি আনতে গেল। অ্যানসন ভাবতে বসলো, কথাবার্তা শুনে মনে হলো যে বিবাহিত জীবনে মেগ সুখী নয়। কারণ স্বামীর রোজগার নেই। এছাড়া স্বামী বেশিক্ষণ সময়ও দেয় না। তাই সময় কাটানোর জন্য সে গল্প লিখতে শুরু করেছে নাকি টাকা রোজগারের ব্যাপারটাই বেশী দরকারী।

    মেগ দু-গ্লাস পানীয় নিয়ে ঘরে ঢুকলো। একটা গ্লাস অ্যানসনের হাতে তুলে দিয়ে আর একটা নিজে নিয়ে অগ্নিকুণ্ডের কাছে মেঝেয় গিয়ে বসল।

    ঘরে আলো সে জ্বাললো না। যদিও সন্ধ্যা নেমেছে। ঘরে ঘনায়মান অন্ধকার। খোলা জানলা দিয়ে এক ঝলক শীতল বাতাস ভেসে এলো। অ্যানসন হুইস্কির গ্লাসে চুমুক দিলো। তার চোখে তন্ময় ভাব। সে মেগ-এর দিকে একদৃষ্টে তাকিয়ে রইল।

    আমার গল্পের প্রধান চরিত্র একটা মেয়ে-আগুনের দিকে তাকিয়ে বলল মেগ। মেয়েটির অনেক টাকা চাই, অনেক টাকা। তার প্রেমিক যুবকটি এক বিমান বন্দরের টিকিট ক্লার্ক। মেয়েটি অবাক ভাবনাচিন্তা করে একদিন এক জীবনবীমা করে বসল। বীমার মূল্য দুলক্ষ ডলার। এবার শুরু হল প্রতীক্ষা। সে এবং সেই যুবকটি অপেক্ষায় রইল কবে একটা বিমান দুর্ঘটনা ঘটে। ছ-মাস পরে একটা বিমান দুর্ঘটনা হল। যুবকটি খবর পেয়েই সঙ্গে সঙ্গে যাত্রী তালিকায় মেয়েটির নাম বসিয়ে দিল। অন্যান্য সব নিয়মকানুন লেখা টিকিটের টাকা নেওয়ার রসিদে মেয়েটার নাম বসানো ইত্যাদি সব কাজই সে সেরে ফেললো। মেয়েটি শহর ছেড়ে দূরে গ্রামে গিয়ে বসবাস শুরু করলো। এরপর যুবকটির প্ররোচনায় পূর্ব সিদ্ধান্ত অনুসারে মেয়েটির বোন দিদির মৃত্যু সংবাদ জানিয়ে দুলক্ষ ডলার দাবী করে চিঠি লিখলো বীমা কোম্পানিকে। যুবকটির কাছ থেকে সংগৃহীত দিদির মৃত্যু-সম্পর্কিত যাবতীয় প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সে পাঠালো বীমা-দপ্তরে। গ্লাসে ছোট একটা চুমুক দিয়ে মেগ অ্যানসনের দিকে ফিরলো, এই হলো আমার গল্পের খসড়া। খুঁটিনাটি তথ্যের দিকগুলো অবশ্য ভালভাবে সাজিয়ে-গুছিয়ে লিখতে হবে। এখন আপনার কাছে আমার প্রশ্ন, যেটুকু বললাম আপনাকে, তাতে ওরা টাকা পাবে, না পাবে না?

    অ্যানসন গত বারো বছর চাকরী জীবনে অনেক দেখেছে। বীমা-কোম্পানির কাছ থেকে ছলেবলে কৌশলে টাকা আদায়ের হাজারো ফিকির তার প্রায় কণ্ঠস্থ। প্রত্যেক সপ্তাহেই হেড অফিস থেকে ছাপানো বুলেটিন আসে এসব ফন্দি-ফিকিরের হাজারো কাহিনী উল্লেখ করে। বীমার দাবী পূরণের বিভাগটির সর্বেসর্বা হলেন ম্যাডক্স তিনি এ ধরণের জাল-জোচ্চুরি ধরার ব্যাপারে ওস্তাদ এবং তার বিভাগের প্রত্যেকটা লোকই এ ব্যাপারে হুঁশিয়ার।

    গত তিন মাস ধরে এমন অদ্ভুত অদ্ভুত কলাকৌশলের কথা অ্যানসন নিজেও যে ভাবেনি তা নয়। কারণ দেনাপাওনা মিটাতে কিছু উপরি টাকা না হলেই নয়? কিন্তু যতবারই ভেবে ভেবে কিছু একটা খাড়া করেছে ততবারই মনে পড়েছে ম্যাডক্স-এর চেহারা, তার তীক্ষ্ণ দৃষ্টি, তার ক্ষুরধার বুদ্ধি। সে বুঝেছে যে দুনিয়ার তাবৎ লোককে ফাঁকি দিতে পারলেও ম্যাডক্সকে সে কোনও ক্রমেই ঠকাতে পারবে না। তিনি তাঁর অভ্যস্ত চোখে এক নজর দেখেই ঘটনাটা ধরে ফেলবেন।

    অ্যানসন গ্লাসে চুমুক দিয়ে বলল যে আইডিয়াটা ভাল, কিন্তু গল্প হিসাবেই চলবে বাস্তবজীবনে চলবে না–অচল, অসম্ভব।

    মেগ অবাক হয়ে বলল-কেন অসম্ভব কেন?

    কারণ প্রথমত টাকার অঙ্কটা অত্যন্ত বেশী। আমাদের কোম্পানির নিয়ম পনেরো হাজারের বেশী কোনো দাবী এলেই আগাগোড়া বিষয়টি খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখা। ধরুন মেয়েটি আমাদের কোম্পানিতেই বীমা করেছে। যেই তার কোন বোন চিঠি দেবে, অমনি ঐ সংক্রান্ত যাবতীয় কাগজপত্তর পাঠিয়ে দেওয়া হবে দাবী পূরণের দপ্তরে। এই দপ্তরের সর্বময় কর্তাব্যক্তিটি এই একই কাজ করছে গত বিশ বছর ধরে। এসব কায়দা তার একেবারে মুখস্থ। তিনি কাগজপত্র দেখলেই বুঝতে পারবেন যে দাবীটা একেবারে ভুয়ো। মেয়েটির বোনের চিঠি পেয়েই তার মনে একগাদা প্রশ্ন জাগবে–এরকম সাধারণ একটা মেয়ে কেন তার জীবন এতো বেশী টাকায় বীমা করতে গেল? টাকাটা কি পাবে তার বোন? কেন পাবে? সব মিলিয়ে কুড়িজন ঝানুলোক আছে তার দপ্তরে। তাদের দুজনকে তিনি এসব প্রশ্নের উত্তর জানতে পাঠিয়ে দেবেন ব্যাস আর দেখতে হবে না, সাতদিনের মধ্যে মেয়েটির সম্বন্ধে তিনি যাবতীয় খবর পেয়ে যাবেন। যুবকটিরও খোঁজ পাবেন। তারপর আর কি, ঠেলা সামলাও এবার। না মিসেস বারলো বাস্তব জীবনে আপনার এ গল্প গল্পই। অন্ততঃ ম্যাডক্স বা তার মতো লোক যেখানে আছেন, সেখানে এ চেষ্টা করা নেহাৎ বাতুলতা।

    মেগ কাঁধ ঝাঁকিয়ে বলল, ইস্ ভেবেছিলাম বেশ জব্বর একখানা গল্প ভেবেছি, হলো না। সে উঠে অগ্নিকুণ্ডে একখণ্ড কাঠ গুঁজে দিল, তাহলে বীমা কোম্পানিকে ঠকানো ভারী শক্ত, কি বলেন?

    নেহাতই কথার পিঠে কথা তবুও অ্যানসন চমকে উঠলো, হ্যাঁ তা শক্ত তো বটেই। তবে

    তবে? তবে কি? মেগ জ্বলন্ত মুখে বলল।

    তবে একেবারে অসম্ভব, এমনও নয়। তেমন তেমন জুটি হলে পারা যায়।

    মেগ হেসে বলল, তার মানে আপনিও এনিয়ে ভাবনা চিন্তা করেছেন। বেশতো আমাকে ভাল দেখে একটা আইডিয়া দিন না গল্প লিখি। তারপর ছাপা হলে যা টাকা পাওয়া যাবে দুজনে ভাগাভাগি করে নেবে।

    অবশিষ্ট পানীয়টুকু খেয়ে অ্যানসন অনিচ্ছাসত্বেও উঠে দাঁড়াল। বলল–আজ আর নয় আজ আসি।

    মেগও উঠে দাঁড়াল। তার শরীরে আবার অ্যানসনের চোখ এঁটে গেল। মেগ বললো–যদি তেমন কিছু আইডিয়া মাথায় আসে তাহলে চলে আসবেন এখানে। হুইস্কি খেতে খেতে বেশ আলোচনা করা যাবে দুজনে।

    অ্যানসন মাথা চুলকে বলল–কিন্তু আপনার স্বামী তিনি তো আমার আসাটা অপছন্দ করতে পারেন।

    –হ্যাঁ তা পারে। কারণ ফিল খুব একটা মিশুকে নয়। তবে সোমবার আর বৃহস্পতিবার এই দুটো দিন আমি একলাই থাকি। এ দুদিন ও বাড়িতে থাকে না। একটা নৈশ বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করে। রাতটা এক বন্ধুর সঙ্গে সেখানেই কাটায়।

    অ্যানসনের হাতের তালু ঘেমে উঠলো ও তাই নাকি তাহলে…

    তাহলে আপনি যদি কোনো আইডিয়া পেয়েই যান ঐ দুদিনের যে কোনও একদিন সোজা এখানে চলে আসুন। রাতে আমি এই দুদিন একাই থাকি। ভুলবেন না কিন্তু সোম আর বৃহস্পতি। মেগ এগিয়ে গিয়ে দরজা খুলল, আচ্ছা আপনার স্বামীর কি কোন জীবনবীমা আছে?

    না ওর ওসবে বিশ্বাস নেই। মেগ অল্প হেসে বলল, আপনার তেমন সুবিধা হবে না। আগে আরো কত সেলসম্যান এসেছে কত বুঝিয়েছে। কিন্তু ফিল বীমার ধার দিয়েও যায় নি।

    অ্যানসন নুড়ি-বিছানো রাস্তায় পা রাখলো, আচ্ছা, চলি তাহলে। ধন্যবাদ তেমন কিছু মাথায় এলে আপনাকে জানাবো।

    মেগ মৃদু হেসে বলল আপনাকে অনর্থক ভোগালাম।

    বৃষ্টি বড় বড় ফোঁটায় পড়তে শুরু করেছে। অ্যানসনের সেদিকে খেয়াল নেই। সে শিস্ দিতে দিতে এগলো গাড়ির দিকে।

    মেগ জানালার পর্দার আড়াল থেকে তাকে গাড়িতে উঠতে দেখলো। ইঞ্জিন চালু করে গাড়ি ছাড়লো অ্যানসন। শেষবারের মতো একবার ঘাড় ঘুরিয়ে বাড়িটাকে দেখলো, তারপর দৃষ্টির আড়ালে অন্তর্হিত হল।

    গাড়ির শব্দ মিলিয়ে যেতেই মেগ জানালার ধার থেকে সরে তাড়াতাড়ি ঘরের কোণে রাখা ফোনটার দিকে এগিয়ে গেল। রিসিভার তুলে ডায়াল করলো।

    একটু পরে ওপাশের সাড়া মিললো। ভারী পুরুষ কণ্ঠ ভেসে এলো দূরাভাষে, কে? কাকে চাই?

    মেগ বলছি-ফাতনা নড়ছে।

    একটু বিরতি। সেই গলা আবার ভেসে এলো–টোপটা গিলতে দাও। ভাল করে গিলুক, তারপর হঠাৎ টান মারবে, বলে ফোন রেখে দিল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleব্ল্যাক অর্ডার (সিগমা ফোর্স – ৩) – জেমস রোলিন্স
    Next Article জেমস হেডলি চেজ রচনা সমগ্র ২ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)

    Related Articles

    জেমস হেডলি চেজ

    জেমস হেডলি চেজ রচনা সমগ্র ২ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)

    August 18, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }