Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    জেমস হেডলি চেজ রচনা সমগ্র ১ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)

    জেমস হেডলি চেজ এক পাতা গল্প2631 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১০. রিপোর্টটা নিয়ে অনেক আলোচনা

    ১০.

    হারমাস সেদিন সন্ধ্যের একটু আগেই প্রু টাউনে ফিরে এলো। সকালে ঘণ্টা দুয়েক ম্যাডক্স এর ঘরে কাটিয়ে এসেছেন। সেই রিপোর্টটা নিয়ে অনেক আলোচনা হয়েছে। কি করতে হবে, কিভাবে কোন পথে এগোতে হবে, এ বিষয়ে ম্যাডক্স কিছু প্রস্তাব দিয়েছেন। সুতরাং আর কালক্ষেপ না করে হারমাস ফিরে এসেছে প্রু টাউনে।

    হোটেলে তার নির্দিষ্ট কামরায় এসে হাতের ব্যাগটা রেখে তিনি আবার বেরোলেন। সোজা এলেন কোর্ট রোড হাউস রেস্তোরাঁয়।

    শহর থেকে মাইল তিনেক দূরের এই রেস্তোরাঁ, আধুনিক সাজ-সজ্জায় কেতাদুরস্ত। শহরের অভিজাত শ্রেণীর লোকেরা এখানে নিয়মিত যাতায়াত করে। খাবার-দাবার খুব একটা আহামরি নয়। বরং খাবার আন্দাজে দাম বেশী।

    হারমাস রেস্তোরাঁ সংলগ্ন পানশালায় এসে বসলেন। পানশালাটি প্রায় ফাঁকা তখনও ভিড় জমতে শুরু করেনি। হাতের ইশারায় পানশালার একমাত্র নিগ্রো ওয়েটারকে ডেকে হুইস্কির অর্ডার দিলেন তিনি। বললেন, রেস্তোরাঁয় যেন তারজন্য একটি টেবিল আগে থেকেই সংরক্ষিত করে রাখার ব্যবস্থা হয়।

    ওয়েটার চলে যেতে টেবিলের ওপর থেকে সেদিনের প্রু টাউন গেজেটের সান্ধ্য সংস্করণখানি তুলে চোখের সামনে মেলে ধরলেন হারমাস। প্রথম পৃষ্ঠায় বারলো খুন সম্পর্কিত হাজারো খুঁটিনাটি খবর। পঞ্চাশ হাজার ডলার ইনসুরেন্সের খবরটাও বেশ ফলাও করে ছাপা হয়েছে।

    ওয়েটার পানীয় নিয়ে ফিরে এল। হারমাস কাগজে চোখ বোলাতে বোলাতে খানিকটা আত্মগতভাবেই বললেন ওঃ কি সাংঘাতিক। নিশ্চিন্তে কোথাও যে বেড়াতে যাবো আজকাল তারও উপায় নেই।

    টেবিলে গেলাস এবং বোতল সাজাতে সাজাতে ওয়েটারটা মাথা নাড়লো, তা যা বলেছেন। ওরা যখন ঘটনার আগে এখানে বসে হুইস্কি খাচ্ছিলেন তখন কি একবারও ভেবেছি…

    কারা? তুমি কাদের কথা বলছে?

    কাদের আবার, এ বারলো আর তার বউ। দুজন তো ঘটনার রাতে এখানে এসেছিলেন।

    তাই নাকি আশ্চর্য! গেলাস তুলে হারমাস ছোট চুমুক দিলেন। কি দুঃখের ব্যাপার। তা যাবি যা, জেসন গ্লেন-এর মতো অমন নির্জন জায়গায় কেন? আরও তো কত ভাল ভাল ঘোরবার জায়গা আছে।

    বেচারা স্বামীটি ঠিক এই কথাই সেদিন বলেছিলেন তিনি কিছুতেই যাবেন না। স্ত্রীর সঙ্গে কথা কাটাকাটি শুরু হল। এক নাগাড়ে বিশ মিনিট ধরে তর্ক চলল। তারপর তিনি অনিচ্ছাসত্ত্বেও রাজী হলেন। অমন সুন্দরী বউ একবার বললে হাজার দশেক কানমলা খেতেও আপত্তি হবার কথা না।

    তাহলে জেসনস গ্লেন-এ যাবার তেমন কিছু ইচ্ছে বারলোর ছিল না, তাই তো?—

    তা কথাবার্তা শুনে তো আমার সেরকমই মনে হলো, রেস্তোরাঁয় ডিনার সেরে দুজনে এখানে এলেন হুইস্কি খেতে। রাত তখন সাড়ে নটার মতো হবে। কথায় কথায় দুজনের শুরু হলো তক্ক। দুজনেই গলা তুলে চেঁচামেচি শুরু করে দিলেন। আমি তো ভয়ে অস্থির, শেষ অবধি হাতাহাতি শুরু হয়। তা ততদূর আর গড়ালো না। বারলো শেষে নিমরাজী গোছের হলেন। মিসেস বারলো তাকে বসিয়ে রেখে গেলেন মেয়েদের বাথরুমে। মিনিট দশেক পর সেখান থেকে তিনি বেরিয়ে এলেন। তারপর দুজন হাত ধরাধরি করে গাড়িতে গিয়ে উঠলেন।

    ইস! মিসেস বারলো যদি স্বামীর কথা একবারও শুনতেন। মেয়েদের এই জন্যই লাই দিয়ে মাথায় তুলতে নেই। তুললেই বিপদ, কেউ বাঁচাতে পারবে না। গেলাসের অবশিষ্ট পানীয়টুকু এক চুমুকে শেষ করে হারমাস উঠে বলল যাই, খাওয়ার পাটটা চুকিয়ে আসি। বেশি রাত করে কি লাভ? বিল মিটিয়ে বড় বড় পা ফেলে তিনি রেস্তোরাঁর দিকে গেলেন।

    খাবার টেবিলের দিকে না গিয়ে রেস্তোরাঁর দিকের দরজা পথে তিনি মেয়েদের বাথরুমের দিকে এগোলেন। একজন নিগ্রো পাহারাদার তাকে বাধা দিলো।

    পকেট থেকে মানিব্যাগ বার করে পাঁচ ডলারের একখানা নোট বের করলেন হারমাস, চোখ তুলে তাকিয়ে বললেন, টেলিফোন বুথটা কোথায়?

    সে ছোঁ মেরে নোটখানা নিয়ে পকেটে পুরলো, দাঁত বের করে হেসে বলল পাশেই স্যার।

    ডায়াল ঘোরালে লাইন পাওয়া যায় না অপারেটরকে বলতে হয়।

    অপারেটরের সঙ্গে আমার একবার দেখা করিয়ে দিতে পারো? হারমাস পকেট থেকে নিজের কার্ড বের করে তার হাতে দিলেন। একখানা পাঁচ ডলারের নোটও সেই সঙ্গে দিলেন, এটা কিন্তু তোমার নয় ওর। ওর সঙ্গে কয়েকটা কথা বলার খুব দরকার।

    ঠিক আছে স্যার। কার্ডখানায় চোখ বুলিয়ে সে মুখ তুললো, আমি এখুনি সব ব্যবস্থা করে দিচ্ছি। আমার সঙ্গে আসুন। একটু এগিয়ে একটি ছোট ঘরের দরজা ঠেলে সে ভেতরে ঢুকলো। তার পেছনে পেছনে হারমাসও ঢুকলেন।

    টাইপ মেসিনের সামনে তন্বী এক যুবতী বসে আছে। হাতের নাগালের মধ্যে তার টেলিফোনের সুইচবোর্ড। চুলের রং তামাটে, নিখুঁত সুন্দর মুখ। ওরা দুজন ঘরে ঢুকতে সে মুখ তুলে তাকাল। নিগ্রোটি এগিয়ে এসে হাতে কার্ড এবং পাঁচ ডলারের নোটখানা দিয়ে কি যেন বলল মিস মে কে। তারপর হারমাসের দিকে তাকিয়ে বলল আমাদের মিস মে খুব ভাল মেয়ে, আপনারা কথা বলুন স্যার, আমার একটু কাজ আছে, আমি যাই। সে ঘর থেকে বেরিয়ে গেল।

    এগিয়ে গিয়ে একখানা চেয়ার টেনে বসল হারমাস। একটা সিগারেট ধরালেন। তারপর চোখ তুলে তাকালেন। মিস মে বিশেষ কিছু নয়, একটা ছোট্ট খবরের জন্য আপনার কাছে এসেছি। আচ্ছা বুথ থেকে যে সব ফোন বোজ বাইরে যায়, তার কোনো বিবরণ কি আপনি রাখেন?

    বিবরণ, মানে?

    মানে এই ধরুন কি কি নম্বর আপনার কাছে চাওয়া হল, কতক্ষণ কথা বললো, লাইন পেল কিনা ইত্যাদি।

    রাখি, কিন্তু ব্যাপারটা কি, পুলিসের ঝঞ্জাট নাকি? না না, সে সব কোন ঝামেলা নেই। আপনি নিশ্চিন্তে থাকতে পারেন। খবরটা খুবই সাধারণ, গত ত্রিশে সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে নটা নাগাদ এক মহিলা এখান থেকে একটা ফোন করেছিলেন। সেই ফোনের বিবরণটুকু আমার চাই।

    হাত বাড়িয়ে সুইচ বোর্ডের পাশের তাক থেকে একটা ছোট্ট নোটবই নিয়ে এলো সে। পাতা উলটে ত্রিশে সেপ্টেম্বরের পৃষ্ঠাটি বের করল। আগাগোড়া পৃষ্ঠাটায় চোখ বুলিয়ে সে মুখ তুললো, ই পেয়েছি মনে হচ্ছে। এটাই সেটা। মেয়েছেলের গলার ফোন বলে এখনো মনে আছে। তাছাড়া সে রাতে তেমন একটা ব্যস্ত ছিলাম না। সন্ধ্যে থেকে মাত্র চারটে লাইন চাওয়া হয়েছিল। প্রথম তিনটে সাতটা থেকে সাড়ে আটটার মধ্যে, চতুর্থটা নটা চল্লিশ নাগাদ। নম্বরটা হল–কিন্তু পাঁচ ডলারে তো এতো কথা বলা যায় না।

    মানি ব্যাগ খুলে আর একখানা পাঁচ ডলারের নোট এগিয়ে দিলেন হারমাস। মে নোটটা নিয়ে ব্যাগে পুরলো। মৃদু হাসল তারপর বলল নম্বরটা হলো, এমউড ৬৮০০৯।

    আচ্ছা এক কাজ করুন এটা ছাড়া বাকি নম্বর তিনটেও আমাকে একটা ছোট কাগজে টুকে দিন।

    মে টুকে দিলো। কাগজটা নিয়ে ধন্যবাদ জানিয়ে হারমাস ঘর থেকে বেরিয়ে গেলেন। খাওয়া শেষ হলে রাস্তায় বেরিয়ে একটা ওষুধের দোকান থেকে ফোন করলেন তিনি জেনসনকে।

    জেনসন ঘরে নেই ফোন ধরল একজন সার্জেন্ট। নিজের পরিচয় দিয়ে হারমাস তাকে বললো, আচ্ছা এমউড ৬৮০০৯ এই নাম্বারের ফোন যেখানে আছে তার ঠিকানাটা চাই।

    সার্জেন্ট বলল এক মিনিট দেখে বলছি।

    কিছুক্ষণ পরে ওপাশ থেকে সাড়া মিললো ফোনটা একটা টেলিফোন বুথের। ৫৭ নং হাইওয়ের পাশেই বুথটা।

    ঠিক আছে। ধন্যবাদ, রাখছি। হারমাস ফোন নামিয়ে রেখে দিলো।

    রাত দশটা নাগাদ হারমাস জেনস-এর অফিসে গেলেন। জেনসন তখন ফোনে কার সঙ্গে যেন কথা বলছিলেন। হারমাসকে দেখে সংক্ষিপ্ত দু-চার কথার কথা শেষ করে ফোন নামিয়ে রেখে তিনি মুখ তুললেন, বলো কি খবর?

    ম্যাডক্স-এর সঙ্গে কথা বলে এলাম। আমাকে সহযোগিতার জন্যে তিনি তোমাকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। এখন বলল এদিকের সমাচার কি?

    অত্যাধিক পরিশ্রম আর ক্লান্তির চিহ্ন জেনসনের চোখে মুখে। দু-আঙুলে কপালের শিরা টিপে ধরে বললো–এদিকের সমাচার, কিছুদিন আগে সেই ক্যালটেক্স পেট্রোল পাম্পের পুলিশ টম স্যাঙ্কয়িস্ট সেই রিভালভারের গুলিতে মরেছিল সেই একই রিভালভারের গুলিতে বারলেও মরেছে।

    স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললেন হারমাস, তারপর?

    তারপর আর কি, আমরা শহরের সব টাকমাথা লোকের খোঁজে উঠে পড়ে লেগেছি, সেই রিভালভারের খোঁজও চালিয়ে যাচ্ছি। আমার দপ্তরের প্রায় সব লোককেই এই কাজে লাগিয়ে দিয়েছি।

    আচ্ছা জেনসন, পেট্রোল পাম্প থেকে কতটাকা ডাকাতি হয়েছিল, বলো তো?

    তিন হাজারের কিছু বেশি।

    ডাকাতের কোনো বর্ণনা… ।

    হা, হা লম্বা, কোট পরা-ও ভালো কথা কদিন আগে মার্লবোরো হোটেলের ম্যানেজার আমায় এক ডায়েরি করে গেছে, তাদের হোটেল থেকে একটা ওভারকোট আর একটা টুপি নাকি চুরি গেছে। টুপিটা পালকের। ডাকাতের মাথাও নাকি পালকের টুপি ছিল। আগে ভেবেছিলাম ডাকাতটা বাইরের লোক। হাইওয়ে ধরে মোটরে যাবার সময় সেটা থামিয়ে ডাকাতি করে চম্পট দেয়। কিন্তু এখন দেখছি সেসব না, ডাকাতটা শহরেরই কেউ।

    ডাকাতের বর্ণনাটা তুমি কার কাছে পেয়েছে।

    পাম্পের কর্মচারী হ্যারি ওয়েবার-এর কাছ থেকে। এমনও হতে পারে যে চোখের সামনে খুন, লুঠতরাজ দেখে সে ঘাবড়ে গিয়েছিল। কি বলতে হয়তো তাই কি বলে বসেছে। হয়তো ডাকাত এবং আমাদের সেই টাকমাথা উন্মাদ একই লোক।

    হতে পারে। অসম্ভব কিছু নয়।..

    শোনো এক কাজ করা যাক। আগামীকাল সকালে আমাকে নিয়ে একবার তুমি জেসনস্ গ্লেন এ চলল। আমার মাথায় একটা মতলব আছে। দেখি, কতদূর কি করতে পারি। না হয় অনর্থক তোমার খানিকটা সময়ই নষ্ট হবে।

    না, না, সময় নষ্ট কিসের। ভালোই হল আমার নিজেরও একবার ওখানে যাবার ইচ্ছে ছিল। তা তোমার মতলবটা কি?

    ধীরে বন্ধু ধীরে। হারমাস উঠে দাঁড়ালো। আস্তে আস্তে সবই জানতে পারবে, তাহলে ওই কথাই রইলো, কাল সকালে আমরা যাচ্ছি। চলি, মৃদু হেসে তিনি ঘর থেকে বেরিয়ে গেলেন।

    .

    বড় রাস্তা ছেড়ে প্লেন-এর ধুলো মাটির পথের দিকে সবে গাড়ির মোড় ফিরিয়েছেন জেনসন, হারমাস হাত তুললেন থামো থামো।

    জেনসন সজোরে ব্রেক চেপে গাড়ি থামালেন। সপ্রশ্ন দৃষ্টিতে তাকালেন হারমাস-এর দিকে।

    হারমাস হেসে বললেন খেলা তো এখান থেকেই শুরু হে? তোমার গাড়ির চাকায় আগেকার পায়ের ছাপ-টাপ মুছে যাবার আগে একবার রাস্তাটা পায়ে হেঁটেই পরখ করে দেখি।

    প্রস্তাবটা বেশ যুক্তিযুক্ত। দুজনেমনে। আগাগোড়া মাটির রাস্তা।কাদা তখনো শুকোয়নি। কয়েক পা এগিয়েই নরম মাটিতে চাকার ছাপ দেখা গেলো।

    বাঃ বাঃ মেঘ না চাইতেই জল। সোলাসে চেঁচিয়ে উঠলেন হারমাস, এরকম দাগ যদি ঘটনাস্থলের আশেপাশেকোথায় পাওয়া যায় তাহলে বুঝবো, আমাদের সময় শুধু শুধু নষ্ট হচ্ছে না। দাগটা ভালো করে দেখো, চাকার বাঁ দিকটা প্রায় ক্ষয়ে গেছে। সুতরাং এ দাগ আবার দেখলে না চেনার কোন কারণই নেই।

    জেনসন ভালো করে দাগটা পরীক্ষা করে মুখ তুললোহ তা অবশ্য নেই কিন্তু….।

    এখানে আর কিন্তু নয় চলো এগোই।

    দুজনে ফিরে এসে গাড়িতে বসলেন। জেনসন্ গাড়ি ছাড়লেন। ঘুরে ঘুরে পাহাড়ের গা বেয়ে উঠে যাওয়া সরু রাস্তা ধরে উঠতে লাগলো গাড়ি। অবশেষে একসময় উপত্যকায় এষে গাড়ি থামিয়ে দুজনে নামলেন।

    প্রায় এক ঘন্টা খোঁজাখুঁজির পর চাকার দাগ নজরে এলো। জেনসনই দাগটা প্রথম দেখলো। হারমাসকে তিনি চীৎকার করে ডাকলেন এদিকে এসো হারমাস, পেয়েছি।

    ছুটতে ছুটতে হারমাস এলেন, আলবাত পেতেই হবে, কই দেখি।

    হারমাস হমড়ি খেয়ে দাগের ওপর ঝুঁকে পড়লেন। খুটিয়ে খুটিয়ে ভালো করে দেখে ঘাড় নাড়লেন। বুঝলে জেনস আততায়ী গাড়িটাকে এই ঝোঁপের আড়ালে লুকিয়ে রেখেছিল। এমনভাবে রেখেছিল যাতে চট করে নজরে না পড়ে।

    সেটা না হয় বুঝলাম কিন্তু ওটা যে খুনীর চাকার দাগ সেটা বুঝলে কি করে?

    কিভাবে বুঝলাম তার ব্যাখ্যা অবশ্য আমি করতে পারবো না। তবে হ্যাঁ, একটা কাজ করতে পারি আমার যুক্তির পক্ষে আমি আমার এক মাসের মাইনে বাজি রাখতে পারি। তোমার মনে আছে মিসেস বারলোকে জিজ্ঞেস করায় তিনি বলেছিলেন যে তার স্বামীই তাকে এখানে আনতে বাধ্য করেছিল।

    হ্যাঁ মনে থাকবে না কেন?

    আমি কাল কোর্ট রোড হাউস রেস্তোরাঁয় গিয়েছিলাম। পানশালার নিগ্রো ওয়েটারটির সঙ্গে অনেক কথাই হলো। সে বললো বারলো মোটেই গ্লেন-এ আসতে চায়নি, মিসেস বারলেই আগাগোড়া পীড়াপীড়ি করেছিলেন এখানে আসার জন্য এবং স্ত্রীর কথাতেই তিনি,অনিচ্ছাসত্ত্বেও এখানে আসতে রাজী হন। স্বামীকে রাজী করাতে গিয়ে দুজনের তর্কাতর্কি নাকি একসময় হাতাহাতির পর্যায়ে পৌঁছেছিল। সে যা হোক। বারলো রাজী হতে মিসেস বারলো গিয়ে ঢুকলেন মেয়েদের বাথরুমে এবং মিনিট দশেক পর দুজনে হাত ধরাধরি করে বেরোলেন।

    বাথরুমে গিয়ে দশ মিনিট কাটানোর কোন মানেই হয় না। আমার মনে কেমন যেন একটা সন্দেহ হল।

    তাহলে কি উনি টেলিফোনে কারো সঙ্গে কথা বলেছিলেন। গেলাম অপারেটরের ঘরে। অপারেটার বলল, রাত নটা চল্লিশ নাগাদ তার কাছে এমউড ৬৮০০৯, এই লাইনটি চাওয়া হয়েছিল। খোঁজ-খবর নিয়ে জানলাম,নম্বরটা এখানে আমার একটু আগে দেখাবড় রাস্তার পাশের টেলিফোন বুথের নম্বর। সুতরাং দুয়ে দুয়ে চার। ম্যাডক্স এক্ষেত্রেও যথারীতি নির্ভুল। যতদুর মনে হয় মিসেস বারলো এবং তার প্রেমিক দুজনে মিলে বারলোকে খুন করেছে। প্রেমিকটি আগে থেকেই এখানে এসে অপেক্ষা করছিল। ফোনে তাকে মিসেস বারলো আসার খবর দেয়। সে ঝোঁপের আড়ালে গাড়ি লুকিয়ে রেখে অপেক্ষা করতে থাকে। এবং ওরাও যায়, পৌঁছবার সঙ্গে সঙ্গে সে বারলোকে হত্যা করে।

    তারপর সেই প্রেমিকটি প্রেমিকাকে গাড়ি থেকে নামিয়ে চোয়ালের হাড়ে ঘুষি মেরে সরিয়ে দিয়ে ধর্ষণ করে, এই তো তুমি বলতে চাও?না হারমাস, এটা একেবারে ছেলেমানুষী যুক্তি হয়ে যাচ্ছে।

    এক্ষেত্রে আমি তর্ক না করে ম্যাডক্স-এর কথার পুনরাবৃত্তি করবো। তিনি আমাকে বলেছেন, পঞ্চাশ হাজার ডলারের জন্য তিনি অমন ধর্ষিত ও আক্রান্ত হতে রাজী।

    সে তোমার ম্যাডক্স রাজী হতে পারেন কিন্তু একজন মহিলার পক্ষে সেটা সম্ভব নয়।

    সম্ভব বন্ধু সবই সম্ভব। ডিটেকটিভ এজেন্সির সেই দশ পৃষ্ঠা রিপোর্টটা এখানে আসার আগে আমি পড়ে এসেছি। আচ্ছা, মেয়েতো নয় একখানা চীজ। জেল বললো, বেশ্যাবৃত্তি বলল, সব দিক দিয়েই সমান ওস্তাদ। বারলোকে বিয়ে করার আগে রাভায় রাস্তায় খদ্দেরকুড়িয়ে বেড়াত। ম্যাডক্স ঠিকই বলেছেন ওর মতো মেয়ের পক্ষে টাকা রোজগারের জন্য অসাধ্য কিছুই নেই।

    তাহলে তুমি বলছো সেই উন্মাদ যৌনবিকারগ্রস্ত লোকটাই ওর প্রেমিক?

    না, আমার মনে হয়, পেট্রোল পাম্পের খুন এবং বারলো খুন এ দুটো সেই প্রেমিকটিরই কাজ। বারলোর খুনের সময় উন্মাদের কাণ্ডকারখানাটাকে সে মূলধন করেছে। এজন্যই পাম্পের সেই পুলিস এবং বারলো, এরা দুজন একই পিস্তলের গুলিতে মারা গেছে।

    হারমাস, তবুও একটা কিন্তু থেকে যায়। পঞ্চাশ হাজার ডলার যার হাতের মুঠোয় সে তিন হাজার ডলারের জন্য ছুঁচো মেরে হাত গন্ধ করতে যাবে কেন?

    হ্যাঁ তা ঠিকই। এখনও অনেক জট খোলা বাকি আছে। সব একে একে ছাড়াতে হবে। এক কাজ করা যাক। চলল, আমরা আবার মিসেস বারলোর কাছে যাই। উনি এর মধ্যেই একবার মিথ্যে বলেছেন, আর একবার দেখাই যাক।

    বেলাশেষের স্নান রোদ ঘরের দেয়ালে ইড়ি-মিড়ি এঁকেছে, আলোর আলপনা, মেগ জানালায় বসে আছে। তার মুখে রোগভোগের ক্লান্তি, শরীরে অবসাদ। হারমাস এবং জেনসন এসে ঘরে ঢুকলেন।

    মিসেস বারলো আপনাকে আর একটু কষ্ট দিতে এলাম। জেনসন্ কোনোরকম ভূমিকা না করে বললো, শুনলাম দু-এক দিনের মধ্যেই নাকি আপনি এখান থেকে ছাড়া পাবেন।

    মেগ-এর নীল চোখের তারা একটু কেঁপে উঠল, দুজনের চোখে দৃষ্টি বুলিয়ে সে মাথা নীচু করলো। হ্যাঁ, ডাক্তার আমাকে বলেছেন।

    হারমাস এক পা এগিয়ে এলেন, মাথা নীচু করে দু হাতের তালু দেখলেন। বললেন মিসেস বারলো আপনি সেদিন বলেছিলেন আপনি এবং মিঃ বারলো কোর্ট রোডহাউস রেস্তোরাঁয় নৈশভোজ শেষ করে গিয়েছিলেন জেসন গ্লেন-এ। আপনার স্বামীই নাকি আপনাকে যেতে বাধ্য করেন, কি তাই তো?

    হ্যা

    আপনার কি প্লেনে যাবার তেমন ইচ্ছে ছিল না?

    না ছিল না। আমি বারবার তাকে বলেছিলাম, জায়গাটা নিরাপদ না, ভালো না। কিন্তু কে কার কথা শোনে। হেসেই উড়িয়ে দিলো আমার কথা। নেশা আমরা দুজনেই করেছিলাম। কিন্তু ফিল এর নেশাটা সেদিন বোধহয় একটু বেশী হয়ে গিয়েছিল।

    হারমাস চোখ তুলে তাকালো তাহলে ওর ইচ্ছাতেই আপনারা গিয়েছিলেন। আপনার তেমন কোন ইচ্ছেই ছিল না।

    না ছিল না। চোখ তুলেই চোখ নামিয়ে নিলো মেগ।

    বেশ, আর একটা প্রশ্ন, জেসন গ্লেন-এ পৌঁছে আপনারা কি কোনো গাড়ি বা অন্য কাউকে দেখতে পেয়েছিলেন?

    না, তখন কেউ ছিল না।

    পৌঁছবার কতক্ষণ পর আপনারা আক্রান্ত হন?

    মিনিট পাঁচেক কি দু-এক মিনিট বেশীও হতে পারে।

    যদি আগাগোড়া ঘটনার একটা সংক্ষিপ্ত বিবরণ দেন সুবিধে হয় আমাদের।

    আমি আর ফিল কথা বলছিলাম হঠাৎ একঝলক আগুন, শব্দ, ফিল মুখ থুবড়ে পড়ে গেলো। চোখ তুলেই আমি দেখতে পেলাম সেই লোকটাকে। আমার দিকে পিস্তল উচিয়ে আমাকে নেমে আসতে বললো। নেমেই আমি এলোপাথাড়ি ছুটলাম। কিন্তু লোকটা তিন লাফেই পেছন থেকে এসে আমাকে জাপটে ধরলল। বাধা দেবার চেষ্টা করলাম, বেপরোয়া হাত-পা ছুঁড়লাম। ওর টুপিটা মাথা থেকে খসে পড়লো, তখনই মাথা জোড়া টাকটা চোখে পড়ল।

    মিসেস বারলো এক মিনিট। জেনস হাত তুললেন, টাকের ব্যাপারটা আচ্ছা এমন তো নয় যে লোকটা খুব ফরসা মাথার চুল ধবধবে সাদা চাঁদের আলোয় আপনার হয়তো টাক বলে মনে হয়েছে।

    না, ভুল আমার হয়নি, লোকটার মাথা জোড়া টাক।

    আবার তাকে দেখলে আপনি চিনতে পারবেন?

    হ্যাঁ কেন পারবো না। পারবো।

    বেশ তারপর কি হলো?

    কিছুক্ষণ ধস্তাধস্তি চললো। পিস্তলের গুতো দিয়ে সে আমার মুখে আঘাত করলো, তারপর ভয়ে উত্তেজনায় দু-হাত মুঠো করলো মেগ, জ্ঞান হতে দেখি, আমার জামা-টামা সব ছেঁড়া। যন্ত্রণায় সমস্ত শরীর যেন ছিঁড়ে যাচ্ছে। টলতে টলতে উঠে গাড়ির কাছে এলাম, ফিল একই ভাবে মুখ থুবড়ে পড়ে আছে। তার শরীর বরফের মতো ঠাণ্ডা। কোনোক্ৰমে এলাম বড় রাস্তায় আমি। তারপর আর পারলাম না, ব্যস্, এটুকু ছাড়া আর কিছুই আমার মনে নেই। পরে জ্ঞান হতে চোখ মেলে দেখি, এই ঘরের বিছানায় আমি শুয়ে। শরীরে প্রচণ্ড যন্ত্রণা।

    মেগ থামতে ঘরে নামলো এক অখণ্ড নীরবতা। হারমাস মাথা নীচু করে কি যেন ভাবলেন কয়েক মুহূর্ত, তারপর মুখ তুলে বললেন মিসেস বারলো, মৃত্যুর দশদিন আগে আপনার স্বামী পঞ্চাশ হাজার ডলারের এক বীমা করিয়েছিলো আমাদের কোম্পানির কাছে। কোম্পানির পক্ষ থেকে এ প্রসঙ্গে আপনাকে কয়েকটা প্রশ্ন করতে পারি। তাহলে নিশ্চয়ই অন্যায় কিছু হবে না। জানেনই তো এরকম পরিস্থিতিতে স্বভাবতই মনে কিছু প্রশ্ন আসে, আর প্রশ্ন এলেই তার…

    আর প্রশ্ন করে কি হবে। মেগ-এর গলার স্বর করুন শোনল, যে গেলে তাকে তত আর ফেরাতে পারবো না।

    সবই বুঝি মিসেস বারলো। তবু তদন্তের খাতিরে আমার এ ধৃষ্টতাটুকু আপনি ক্ষমা করবেন। আচ্ছা মিসেস বারলো আপনি নিশ্চয়ই আপনার স্বামীকে খুব ভালবাসতেন তাই তো?

    সে কথা কি বলার অপেক্ষা রাখে মিঃ হারমাস।

    না, তা নয়। তবে আপনারা কি স্বামী স্ত্রীর মতোই বসবাস করতেন?

    প্রশ্ন শুনে মেগ-এর চোখে আগুন ঝরে পড়লো। সে বলল মিঃ জেনস প্লীজ আপনার এই চালাক সাথীটি ক্রমশই আমার পক্ষে অসহ্য হয়ে উঠছেন, এসব প্রশ্নের জবাব দিতে আমি বাধ্য নই।

    ঠিক বলেছেন মিসেস বারলো, একেবারে খাঁটি কথা বলেছেন। হারমাস বললেন আমি জানি, এসব প্রশ্ন অত্যন্ত ব্যক্তিগত। উত্তর দেওয়া না দেওয়া সম্পূর্ণ আপনার ইচ্ছার উপর নির্ভরশীল। তবু, ঐ যে বললাম, তদন্তের খাতিরে এমন দু-একটা অন্যায় প্রশ্ন আমাদের না করে উপায় নেই। সে যাকগে, এখন বলুন, মিঃ বারলোর সঙ্গে কি সেদিন তার পিস্তলটা ছিল?

    না, মেগ-এর চোয়াল শক্ত হল, কিন্তু এ প্রশ্ন কেন?

    এমনিই, আমার দু-একজন পিস্তল-চালক বন্ধু যখন কোথাও বেড়াতে যান, সঙ্গে সব সময় পিস্তল রাখেন। তা আপনার স্বামীর অমন অভ্যাস ছিল নাকি?

    ছিল না বলেই তো জানি, তবে ইদানিং যদি অবশ্য…..

    পিস্তলটা কি বাড়িতেই আছে?

    জানি না, কিন্তু ফিল-এর কথা এর মধ্যে আসছে কেন?

    প্রয়োজন আছে বলেই আসছে, মিসেস বারলো কিনা প্রয়োজনে আপনার মতো অসুস্থ কোন মহিলাকে প্রশ্নের পর প্রশ্ন করে বিরক্ত করা যে ঠিক না এটুকু জ্ঞান অন্ততঃ আমার আছে। তাহলে পিতলটা বাড়িতেই পাবো?

    না পাবেন না, ফিল অনেকদিন আগেই কাকে দিয়ে দিয়েছে।

    দিয়ে দিয়েছেন! কাকে দিয়ে দিয়েছেন?

    কাকে জানি না। হয়তো বিক্রী করে দিয়েছে, তিনি কতদিন আগে একথা বলেছিলেন?

    ঠিক মনে নেই।

    কতদিন? একমাস…ছমাস?

    ছ-মাস নয়। একটু ভাবলো নদশ মাস হবে হয়তো।

    ঠিক আছে মিসেস বারলো। আপাততঃ এটুকুই। পরে আবার দেখা হবে।

    সিঁড়ি বেয়ে নামতে নামতে জেন-এর কোমরে কনুই দিয়ে খোঁচা দিলো হারমাস, কি কেমন দিলাম। বাবা, স্টিভ হারমাসের পাল্লায় পড়েছে এত সহজে ছাড়াছাড়ি নেই। আমাদের এখন প্রথম কাজ ওর প্রেমিকটিকে খুঁজে বার করা।

    হারমাস পকেট থেকে একটা সিগারেট বের করে ঠোঁটে ঠেকালেন। হঠাৎ জেনসনের দিকে তাকিয়ে বললেন ওর সেই প্রেমিক যুবক নিশ্চয়ই ওর বাড়িতে যেত। আর বাড়িতে যা ধুলো তাতে নিশ্চয়ই হাতের ছাপ পড়ে থাকবে। তুমি তোক পাঠিয়ে দাও। ওরা গিয়ে যতগুলো হাতের ছাপ পায় তুলে আনুক। পিতলের বাক্সটারও ছাগ নিতে বলল।

    জেনসন ঘাড় নেড়ে সম্মতি জানালেন। দুজনে মিলে হোটেলে এলো। হারমাস বললো ও ভালো কথা প্রু টাউনে স্মল আর্মস্ ক্লাবটা কে চালায় হে? তাকে পাবোই বা কোথায়?

    ক্লাবেই পাবে। সাইকার স্ট্রীটে ক্লাব। হ্যারি সিমুর সম্পাদক।

    হারমাস গুডনাইট জানিয়ে হোটেলে ঢুকে গেলেন।

    হারমাস নিজের কার্ডখানা এগিয়ে দিলেন। হ্যারি সিমুর চেয়ার ছেড়ে উঠে হাত মিলিয়ে বললেন, বলুন আপনার জন্য কি করতে পারি?

    বিশেষ কিছু নয় মিঃ ফিলিপ বারলোর রিভলভার সম্পর্কে দু-একটা সংবাদ আমাকে সংগ্রহ করতে হচ্ছে। শুনলাম বারলো নাকি তার রিভলভারটা ন-দশ মাস আগে কাকে দিয়ে দিয়েছেন, আপনি এ বিষয়ে কিছু জানেন?

    সিমুর বলল, দিয়ে দিয়েছে! একথা আপনাকে কে বললো, সে তো রিভলভার হাতছাড়া করবার লোক নয়। তারতো একজোড়া রিভলভার ছিল। ৩৮ বোরের অত ভালো রিভলভার সচরাচর দেখা যায় না। একটা রিভলভার আমি ওর কাছ থেকে গত সপ্তাহে নিয়েছিলাম।

    আচ্ছা মিঃ সিমুর আপনাদের টিপ পরীক্ষার জায়গা কোনটা? সেখানে বারলো যে পিস্তলটা দিয়ে টিপ পরীক্ষা করেছিলেন তার কয়েকটা কার্তুজ কি এখনও খুঁজে পেতে পারি।

    হা হা কেন পাওয়া যাবে না।

    ঠিক আছে ধন্যবাদ।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleব্ল্যাক অর্ডার (সিগমা ফোর্স – ৩) – জেমস রোলিন্স
    Next Article জেমস হেডলি চেজ রচনা সমগ্র ২ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)

    Related Articles

    জেমস হেডলি চেজ

    জেমস হেডলি চেজ রচনা সমগ্র ২ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)

    August 18, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }