Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    জেমস হেডলি চেজ রচনা সমগ্র ১ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)

    জেমস হেডলি চেজ এক পাতা গল্প2631 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১২. বাড়ি তল্লাশি

    ১২.

    বুদ্ধিটা হারমাসের মাথাতেই এলো। বললো এক কাজ করো জেনস মিসেস বারলো বাড়ি ফেরার আগেই আমরা আর একবার ওদের বাড়িটা তল্লাশি করে আসি।

    কিন্তু কি জন্য তল্লাশি?

    বাঃ পিস্তল দুটো খুঁজতে হবে না?

    বারলোর বাড়িতে গিয়ে বারলোর ঘরখানা দুজনে আতিপাতি করে খুঁজতে লাগলেন।

    হারমাস কার্পেট তুলে মেঝের প্রতিটা অংশ ঠুকে ঠুকে পরীক্ষা করলো। হঠাৎ একখানা কাঠ হাতের চাপে সরে গেল। হারমাস পকেট থেকে টর্চ বের করলেন। হাত ঢুকিয়ে কুঠুরি থেকে একে একে সব কটা জিনিসই তিনি বার করে আনলেন। ৩৮ বোরের রিভলভার, রবারের দুটি পিণ্ড এবং একটি সাদা মানের টুপি।

    তিনি স্নানের টুপিটার দিকে এক দৃষ্টে তাকিয়ে বিড়বিড় করে বললেন টাক মাথা উন্মাদ, তারপর জেনসনের দিকে তাকিয়ে বললেন আমার হিসেবে একটুও ভুল হয়নি। বারলেই তোমার সেই গ্লিন হিল-এর খুনী। এই তার অস্ত্র আর ছদ্মকেশ।

    জেনসন পুলিস দপ্তরে ফোন করলেন। লোকজন এসে পলিথিনের প্যাকেট, টুপি, রবারের পিণ্ড নিয়ে চলে গেল। ব্যালিস্টিক রিপোর্টে জানা গেল এই অস্ত্র দিয়েই গ্রিন হিল এর হত্যাকাণ্ড সমাধা হয়েছিল।

    .

    তখন সন্ধ্যে ছটা। অ্যানসন অফিস থেকে বেরোতে যাবে হারমাস এসে ঢুকলেন।

    হারমাস বলল আমি শুনলাম মিঃ বারলোকে নাকি আপনি বলেছিলেন যে নগদে প্রিমিয়াম দিলে পাঁচ শতাংশ ছাড় পাওয়া যায়।

    না মিঃ হারমাস আমি ছাড়ের কথা ভুলেও বারলোকে বলিনি। আর বলবোই বা কেন? কোম্পানীর নিয়মের বাইরে কথা বলবার এক্তিয়ার তো আমার নেই।

    কিন্তু মেরিওয়েদার তো বলেছেন যে বারলো নাকি পাঁচ হাজারের বীমা করেছেন এবং এর প্রিমিয়াম দেবার জন্য দেড়শ ডলার ব্যাঙ্ক থেকে তুলেছেন।

    আমি অতোশত জানি না মশায়। একটা চিঠি পেলাম, গেলাম দেখা করতে। তিনি বললেন পঞ্চাশ হাজারের বীমা করাবেন, করালাম। হতে পারে উনি পরে মত বদলে বেশি টাকার পলিশি করার সিদ্ধান্ত নেন।

    আচ্ছা মিঃ অ্যানসন আপনাকে দেখা করতে বলার সেই চিঠিটা সেটা একটু দেখাবেন।

    দুঃখিত মিঃ হারমাস। কাজ শেষ হয়ে গেলে চিঠিগুলো আর আমরা রাখি না।

    আচ্ছা মিঃ অ্যানসন গত তিরিশে সেপ্টেম্বর রাতে আপনি কোথায় ছিলেন?

    কেন, এ প্রশ্ন কেন?

    এমনিই জানতে ইচ্ছে করছে।

    একটা ডাইরি বের করে পাতা উল্টে অ্যানসন বললে তিরিশে সেপ্টেম্বর আমি অফিসেই ছিলাম। রাত এগারোটা অবধি একটানা কাজ করেছি। তারপর বাড়ি ফিরে গেছি। বিশ্বাস না করলে দারোয়ানকে জিজ্ঞেস করতে পারেন।

    না না, তা কেন করতে যাবো। দেখুন মিঃ অ্যানসন ভেবে চিন্তে দেখলাম টাকা দিতে আমরা বাধ্য। আপনার কথাই ঠিক। জেল খেটেছে বলে টাকা আটকানো ঠিকহবে না। তাছাড়া সবচেয়ে বড় কথা হলো টাকাটা না দিলে এখানকার ব্যবসা আমাদের খুবই ক্ষতিগ্রস্ত হবে। ম্যাডক্স আসুক। আমি দরকার হলে তার সঙ্গে লড়ে যাবো।

    ম্যাডক্স এখানে আসছেন নাকি, কবে?

    আজ সন্ধ্যায়। আচ্ছা আপনি আজ বাড়িতে থাকবেন তো?

    হ্যাঁ কাজ শেষ করে বাড়িতেই যাবো।

    হারমাস উঠে দাঁড়ালেন। বললেন ওঃ আপনাদের এখানকার দোকানদার গুলো দেখছি জিনিসপত্রের গলাকাটা দাম নেয়। নইলে দেখুন এই একটা পেপার ওয়েট, এই বলে একটা পলিথিনে মোড়া পেপার ওয়েট বার করে অ্যানসনের হাতে দিল, বলল দেখে বলুন তো এটার কত দাম হতে পারে।

    পলিথিনের মোড়ক খুলে অ্যানসন পেপার ওয়েটটা হাতে নিয়ে দেখে বলল কত আর বড়জোর দশ ডলার।

    আর বলছি কি মশাই, কান মূলে একুশটি ডলার নিল। বলে মোড়কটা অ্যানসনের কাছ থেকে পকেটে পুরে হারমাস গুডনাইট জানিয়ে বিদায় নিলেন।

    অ্যানসন ভাবলেন ছিঃ ছিঃ মেগ কি কাণ্ডটাই না করলো। আমাকে লুকিয়ে…আগে জানলে এ পথে আর পাই বাড়াতাম না।

    একটু পরে ঘরে ঢুকলো জাড় জোন্স।

    আরে জোন্স কেমন আছো?

    আপনার সঙ্গে একটা জরুরী কথা ছিল।

    কাল বললে হয় না।

    না। মিঃ অ্যানসন আপনি স্টিভ হারমাসকে চেনেন তো। একটু আগে উনি আপনার সম্বন্ধে আমাকে নানারকম প্রশ্ন করছিলেন।

    আমার সম্বন্ধে।

    আমি ওকে বলে দিয়েছি যে তিরিশ তারিখ রাত এগারোটা অবধি আপনি অফিসেই ছিলেন টাইপ করছিলেন, কি ঠিক বলিনি?

    হ্যাঁ ঠিকই তো বলেছে। বেশ এটা না হয় কাটালো। কিন্তু পুলিসের লোক আসলে কি বলবো?

    একই কথা বলবে।

    কিন্তু পুলিসের কাছে মিথ্যে বলার যে অনেক অসুবিধা। সে রাতে তো আপনি অফিসে ছিলেন না।

    এ কথা কেন বলছ জোন্স?

    সে রাতে সিগারেট খেতে গিয়ে দেখি যে প্যাকেটটা খালি। ভাবলাম যাই আপনার কাছ থেকে সিগারেট নিয়ে আসি। দরজা ধাক্কালাম, নাম ধরে ডাকলাম সাড়া নেই। তারপরে সঙ্গের চাবি দিয়ে দরজা খুলে ভেতরে ঢুকলাম দেখি আপনি নেই। টেপ চলছে। ওঃ শব্দখানা দারুণ।

    অ্যানসনের কপালে বিন্দু বিন্দু ঘাম জমে উঠল। ফাঁসির দড়ি আর এড়ানো গেল না।

    অ্যানসন ম্লান হাসল। তুমি ঠিকই ধরেছ। তবে বারলোর মৃত্যুর ব্যাপারে আমার কোন হাত নেই।

    সে জানি, আপনি ভদ্রলোক আপনি খুনের ব্যাপারে থাকবেনই বা কেন, এবার কিন্তু আমি পুলিসের কাছে সত্য কথাই বলবো। তা আপনার তাতে কোনো অসুবিধে হবে কি?

    হ্যাঁ তা একটু অসুবিধে হবে বৈ কি, আসলে একজন গৃহবধূর সঙ্গে লটপট চলছে বুঝলে।

    বুঝলাম, আসলে মেয়েদের ব্যাপারে ভাগ্যটা আপনার বরাবরই ভালো। ঠিক আছে আমি নয় একটু ভেবে দেখি পুলিসের কাছে কি বলবো।

    অ্যানসন বলল এক কাজ করো জোন্স তোমাকে আমি একশো ডলার দিচ্ছি তুমি বরং ব্যাপারটা ভুলে যাও।

    ভুলে যেতে তো আমিও চাই কিন্তু আমার এক হাজার চাই তাহলে ভুলে যেতে পারি, কারণ বউ অসুস্থ তার চিকিৎসার জন্য অনেক টাকা চাই। তাহলেই আমি সব ভুলে যাবো।

    না জোন্স ব্ল্যাকমেল করতেই এসেছে। আনসন বলল আমি হাজার ডলার কোথা থেকে পাবো।

    না মিঃ অ্যানসন ওর কম আমার হবে না। ঠিক আছে, অ্যানসন ইতস্ততঃ করলে দিন দুয়েক সময় দাও, আমাকে, আমি তোমায় হাজার ডলারই দেবো।

    অ্যানসনের চোখ দুটো জ্বলে উঠল। এরপর সে গেলো হর্নবির দোকানে গাড়ির চাকার দাম মেটাতে।

    হর্নবি বললো পুলিস এসে জানতে চাইছিল কে চাকা পাল্টেছে কবে পাল্টেছে, আমি আপনার কথা বললাম।

    ভালই করেছ বলেছে।

    .

    ম্যাডক্স বলল দ্যাখো অ্যানসনকে আমি কোনদিনই সুনজরে দেখিনি। সব সময় ওর চোখ যেন জুলজুল করছে।

    জেনসন একটা সিগারেট ধরালো। হারমাসও চুপ করে রইল তারা দুজন এখন শ্রোতা, ম্যাডক্স বক্তা।

    ম্যাডক্স বলল, তাহলে আমরা জানলাম, মিসেস বারলোর শোবার ঘরে অ্যানসনের অবাধ যাতায়াত ছিল। বারলোর রিভলভারের বাক্সটায় তার হাত পড়েছিল। ফে ললি আমাদের বলেছে মেয়েমানুষ আর ঘোড়ার পিছনে টাকা উড়িয়ে অ্যানসন নিঃস্বহায় হয়ে পরেছিল। বাজারে অনেক দেনাও করেছিল। মনে হয় মেগই অ্যানসনকে রিভলভার দেয় সেই রিভলভার দিয়ে অ্যানসন পেট্রল পাম্পে ডাকাতি করে বারলোর প্রিমিয়াম ও নিজের দেনা শোধ করে। গাড়ির চাকাও অ্যানসন বদল করেছে। যাও অ্যানসনকে অ্যারেস্ট করো।

    না, ওকে অ্যারেস্ট করার আগে আমাদের আরো ভাবতে হবে। অন্যভাবে কায়দা করে ওকে ধরতে হবে। আপনি গিয়ে মিসেস বারলোর দাবীটা মিটিয়ে দিন।

    কি বলছ হারমাস?

    হারমাস বলল অ্যানসনকে আমি বলেছি আমরা মিসেস বারলোর দাবী পূরণের চেষ্টা করবো, আর বললেই তো আপনাকে টাকা দিতে হচ্ছে না। শুধু মুখে বলুন।

    তারপর।

    তারপর আর কি নাটক জমবে। মেগ অ্যানসনকে একটা পয়সা দিতেও রাজী হবে না।

    ঝগড়া ঝাটি হাতাহাতি চলবে, আমরা বারলোর বাড়ীর গোপনস্থানে ছোট মাইক্রোফোন আর টেপ রেখে আসবো, ব্যস খেল খতম। তখন আর ওরা ছাড়া পাওয়ার পথ পাবে না।

    ম্যাডক্স-এর মুখে হাসি ফুটে উঠল। সে বলল বুঝলে জেনস এই জন্যই আমার হারমাসকে এত ভাল লাগে।

    অ্যানসন বড় চঞ্চল হয়ে উঠেছে। সারা ঘরময় পায়চারি করে বেড়াচ্ছে। হঠাৎ ফোন বেজে উঠল অ্যানসন দৌড়ে গেল।

    হ্যালো, হারমাস বলছি। ম্যাডক্স মিসেস বারলোকে টাকা দিতে রাজী হয়েছেন।

    ধন্যবদ, অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে। মনটা বেশ হালকা লাগছে।

    স্বাভাবিক, আপনারই তো মক্কেল, আচ্ছা খাওয়াটা কিন্তু পাওনা রইল, এখন ছাড়ছি।

    .

    মেগ হাতের শিকটা দিয়ে আগুনটা একটু খুচিয়ে দিল। ঘরটা ক্ষণিকের জন্য উজ্জ্বল আলোয় ভরে গেল।

    মেগ ঘরের চারিদিকে তাকাল। একদিনে ঘরটা একটুও বদলায়নি। এখন শুধু সে আর গেলার।

    বিকেলে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়ে সে সোজা এখানে চলে এসেছে, এসেই গেলারকে ফোন করেছে। সে দশটা নাগাদ আসবে।

    গেলার এলে সে গেলারের বুকে ঝাঁপিয়ে পড়ে কাঁদতে শুরু করল, গেলার তাকে সরিয়ে দিয়ে বলল টাকা কবে পাচ্ছো?

    জানি না।

    অ্যাটর্নীকে ফোন করেছিলে?

    না।

    মেগ মুখ তুলে বলল–কিন্তু অ্যানসন তার কি হবে।

    কিছুই হবে না। আগের মতই ইনসিওর করাবে। মেয়ে আর ঘোড়ার পিছনে টাকা ওড়াবে, সে পরে ভাবা যাবে।

    না, পরে নয় জেরী, অ্যানসন বলল আর টাকা বলো দুই-ই তোমার, তুমিই সামলাবে আমি পারবো না।

    টাকা পেলে তুমি সব টাকা আমার হাতে তুলে দেবে। ও এলে ওকে এক পয়সাও দেবো না।

    না অত সহজে হবে না জেরী ও একটা খুনে, দু-দুটো খুন করলো।

    খুন করা যেন মুড়ি মুড়কি না? চুপ করে বলছি তখন থেকে শুধু এক কথা। দেবো ঘা কতক লাগিয়ে আর যদি বেশী প্যানপ্যান করো তো।

    দরজায় কড়া নাড়ার শব্দ হল। গেলার বললো এসময় আবার কোন নাগর এলো।

    যাও দেখে এসে গিয়ে।

    আবার কড়া নাড়ার শব্দ হল। আগন্তুক অধৈৰ্য্য হয়ে পড়েছে।

    অ্যানসন ফটকের বাইরে গাড়ি রেখে নুড়ি বাঁধানো পথ ধরে এগোল। বাগানে চাঁদের আলো ছড়িয়ে পড়েছে। কয়েকটা গাছে ফুল ফুটেছে, সে যেন ফুটতে হয় তাই ফোঁটা। সেই দীপ্তি আর নেই। মাথা চাড়া দিয়ে আগাছাও কিছু উঠেছে।

    রাত সাড়ে এগারোটা। বসবার ঘরে আলো জ্বলছে। সে এগিয়ে কড়া নাড়ল। কয়েক মুহূর্ত নীরব কোনো সাড়া নেই। তারপর মেগ দরজা খুলে দিল। মেগ দাঁড়িয়ে রইল দরজার ওপাশে।

    সেই প্রথম দিনের মেগ, তার স্বপ্নের রাণী। শুধু সেদিনের নীল চোখের কোলে আজ কদিন আগেকার দুর্ঘটনার ক্ষতচিহ্ন।

    মেগ বলল এমন অসময়ে তুমি! না না তুমি, এখন যাও বলে দরজা বন্ধ করতে গেল।

    অ্যানসন হাঁটু দিয়ে এক গোত্তা মারল মেগের পেটে, মেগ ছিটকে মেঝেতে পড়ে গেল। অ্যানসন ঘরে ঢুকলো। তারপর বসার ঘরে ঢুকল।

    দেখল দুটো খালি গ্লাস টেবিলে পড়ে রয়েছে। বুঝতে পারল যে সে ছাড়াও আরও একজন বাইরের কেউ এ বাড়ীতে আছে।

    পকেটে হাত ঢুকিয়ে সন্তর্পনে দু-আঙ্গুলে রিভলভারের নলটা আবার স্পর্শ করলো।

    পায়ে পায়ে মেগ এসে ঘরে ঢুকল, তার চোখের দৃষ্টিতে আতঙ্ক, চোয়াল শক্ত। মেগ জানলা বন্ধ করে বলল তুমি কি চাও?

    অ্যানসন মেগের দিকে তাকিয়ে বলল মেগ তুমি তাহলে আগাগোড়া আমাকে ধোঁকা দিয়েছে। তুমি বেশ্যা, জেল ফেরত কয়েদী জানলে এতদূর এগোতাম না।

    তুমি এখান থেকে বেরিয়ে যাও।

    না। আমাদের বোঝাপড়া এখনও শেষ হয়নি। তুমি কি জানো তোমার এই অন্যায়, অতীত ইতিহাস সব কিছু জানা সত্ত্বেও কোম্পানী আগামীকাল তোমাকে পঞ্চাশ হাজার ডলার দিচ্ছে।

    মেগ কি একটা বলতে গিয়ে বলল না। সে অ্যানসনের দিকে তাকাল। তারপর বুক ভরে শাস নিল।

    অ্যানসন বলল তোমার নিশ্চয়ই মনে আছে মেগ এই কাজে নামার আগে আমাদের মধ্যে শর্ত ছিল যে আমি বারলোকে দিয়ে ইনসিওর করাবো, তাকে খুন করবো তারপর টাকা পেলে অর্ধেক টাকা সমেত তুমি আমার হবে। কিন্তু এখন আমি শুধু অর্ধেক টাকা চাই। তোমাকে চাই না। মেগ এর চোখে ঘৃণার ছায়া নামলো। এখন আর অ্যানসনকে তার ভয় নেই। তার কাছেই আছে গেলার। সে বলল–তুমি একটা আধলাও পাবে না। যা করবার করতে পারো।

    অ্যানসন বলল–বোকামি কোরো না মেগ। আমার টাকা আমাকে দিতে তুমি বাধ্য, যদি না দাও তাহলে….

    রান্নাঘরের দরজাটা খুলে গেল। গেলার হাসতে হাসতে বেরিয়ে এল, এই যে দোস্ত তা মেয়েদের ওপরে না করে আমার সঙ্গে এসো না সমানে সমানে হয়ে যাক।

    গেলার এগিয়ে এলো। মেগ ধীরে ধীরে পিছলো। অ্যানসন অবাক চোখে গেলারকে দেখলো, ও তাহলে এই ব্যাপার।

    অ্যানসন বলল বীর গেলার হেগান এবং শ্রীমতী মেগ বারলো বাঃ জুটিটা দেখছি বেশ। তোমাকেই পুলিস হন্যে হয়ে খুঁজে বেড়াচ্ছে বারলো হত্যার অপরাধে।

    ছিঃ ছিঃ অমনভাবে বোলনা, প্রথমে সেই রকমই মনে হচ্ছিল, কিন্তু আমার জব্বর অ্যালিবাই এর সামনে আর তারা মুখ খুলতে পারেনি। এখন তারা অন্য পথ ধরেছে। তোমারও তো সে রাতের জব্বর অ্যালিবাই আছে তাই না?

    আমার কথা আমাকেই ভাবতে দাও। শোন পঁচিশ হাজার ডলার আমার চাই। কারণ শুরু থেকে কাজটা আমাকেই করতে হয়েছে। সুতরাং পঁচিশ হাজার আমি পেতেই পারি।

    গেলার হো হো করে হেসে বলল, পঁচিশ হাজার, শোনো দোস্ত, তোমার খেল খতম। জন অ্যানসন আমাদের কাছে এখন একটা মাটির ঢেলা, ইচ্ছে হলে পায়ে চেপে গুঁড়িয়ে দিতে পারি, ছুঁড়ে ফেলতে পারি।

    অনর্থক টাকার আশা কোরো না। সত্যি কথা বলতে গেলে সবই মেগ এর কৃতিত্ব, টাকাও তাই পুরোটা ওর।

    অ্যানসন বলল-মেগই তাহলে সব করেছে, সব ওরই প্রাপ্য।

    আলবাত। তুমি কি ভাবো সবাই তোমার মত ভেড়া?

    মেগ বলল আঃ জেরী কি আবোল-তাবোল বকছো আর এত কথার দরকারই বা কি?

    দরকার আছে বৈকি মেগ। ছাগলটাকে সব বুঝিয়ে দিই, তা দোস্ত টাকার কথা ভুলে যাও পরে দেখা হলে তোমাকে নয় একটা সিগারেট কিনে দেবো।

    কিন্তু পুলিস তোমাকে ধরলো কি ভাবে? কেনই বা ভাবলো যে তুমি বারলোকে খুন করেছে।

    দেখো কাণ্ড তাও জানো না। ওরা যে এ বাড়ীতে এসে হাতের ছাপ, টাকা সব তুলে নিয়ে গেছে। বসার ঘর, শোবার ঘর, দেয়াল আলমারী কিছু বাদ দেয়নি। আমার হাতের ছাপ তারা এখান থেকেই পেয়েছে। তোমারটাও পেয়েছে হয়তো। তা পেল তো বয়েই গেল। আমার ভাল অ্যালিবাই আছে।

    অ্যানসন বলল শোবার ঘরের ছাপও ওরা নিয়ে গেছে।

    জেনসন তো সেরকমই বলল। অ্যানসনের হঠাৎ মনে হলো যে সে বড় অসহায়। সে যেন, ভীষণভাবে ঠকে গেছে। হারমাস-এর কথা তার মনে পড়ল। সেদিন সেই পেপার ওয়েটটা আমাকে দেখতে দিল। আমিও কিছু না ভেবে হাত দিলাম। তাতে আমার হাতের ছাপ পড়েছে। পুলিশ দপ্তরে আমার হাতের ছাপ। মেগের ঘরে কয়দিন আমিও রাত কাটিয়েছি সেখানেও হাতের ছাপ পড়েছে। এছাড়াও আমার বিরুদ্ধে পুলিসের কাছে আরও প্রমাণ আছে। গাড়ির চাকা পাল্টাবার ব্যাপার। ব্যাঙ্ক ম্যানেজারের বৃিতি। এখন আর ম্যাডক্স এর বুঝতে বাকী নেই। কে মেগ এর প্রেমিক।

    তার মস্তিস্কের কোষে কোষে যেন আগুন ছড়িয়ে পড়ল।

    দু-হাতে মাথার চুল মুঠো করল অ্যানসন, ধপাস্ করে সোফায় বসে পড়ল।

    ইস্ কি বোকামিই না করেছি, হারমাস আগামীকাল টাকা দেবে বললো অমনি আমি ছুটে এলাম। আসবো যে এত জানা কথা, ম্যাডক্স আর হারমাস নিশ্চয়ই তা বুঝে আগে থেকে কোন ব্যবস্থা নিয়েছে, আমিও তাতে ধরা দিয়েছি।

    সে ভয় মিশ্রিত দৃষ্টি নিয়ে চারিদিকে কি যেন খুঁজতে লাগল। গেলার এবং মেগ অ্যানসনের ব্যাপার দেখে অবাক হল। অবশেষে গেলার বলল দেখো বন্ধু….

    অ্যানসন তাকে হাত তুলে থামতে বললো। উঠে ঘরের প্রতিটা অংশ পরীক্ষা করতে লাগল।–সে দেয়াল আলমারীর দরজা খুলে, রান্নাঘরে ঢুকে সব জায়গা পরীক্ষা করতে লাগল।

    অবশেষে জিনিসটা খুঁজে পাওয়া গেল। জানলার পাশের টেবিলে রাখা রেডিওর কাঁচের পেছনে রয়েছে ছোট মাইক্রোফোনটা, সরু ফিতের মতো কালো জানলা গলে বাইরের অন্ধকারে মিশে গেছে।

    অ্যানসন একদৃষ্টে মাইক্রোফোনটার দিকে তাকিয়ে রইল। আর না, খেল খতম। ম্যাডক্সকে বোকা বানাতে গিয়ে আমি কঁসির দড়ি গলায় পরলাম।

    গেলার বলল,বড়ো নাটক শুরু করলে দেখছি। তোমার কি হল?

    অ্যানসন তাকে হাত তুলে থামতে বলে তাকে ইশারায় মাইক্রোফোনটা দেখাল। গেলার পায়ে পায়ে এগিয়ে গেল।

    গেলার যেন বিশাক্ত সাপের মুখে পড়েছে। সে হাঁ করে মাইক্রোফোনটার দিকে তাকিয়ে রইল।

    মেগ এগিয়ে এসে উঁকি মারল। তার মুখ থেকে প্রবল চীৎকার বেরিয়ে এলো।

    অ্যানসন বলল আর কোনো উপায় নেই। আমরা ধরা পড়ে গেছি। গেলার, ম্যাডক্স বড় চালাক হে। কেমন ফাঁদটি পেতেছে। আর আমরা ফাঁদে পা দিয়েছি।

    গেলার বলল আমার কিছু হবেনা। তোমাদের যা হবার হবে। কারণ আমার অ্যালিবাই জব্বর।

    অ্যানসন বলল বুঝলে মেগ পাপ কখনও চাপা থাকে না। ঈশ্বরের এই পৃথিবীতে আমরা বড় অসহায়। টেপরেকর্ডারে সব ধরা পড়ে গেছে। আমাদের কথা বার্তাই আমাদের গলায় ফাঁসির দড়ি পরাবে। তবে ফাঁসির দড়ি পরবার আগে আমি নিজেই নিজেকে মুক্তি দেব এই বলে অ্যানসন নিজেকে গুলি করল। তার মৃতদেহ লুটিয়ে পড়ল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleব্ল্যাক অর্ডার (সিগমা ফোর্স – ৩) – জেমস রোলিন্স
    Next Article জেমস হেডলি চেজ রচনা সমগ্র ২ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)

    Related Articles

    জেমস হেডলি চেজ

    জেমস হেডলি চেজ রচনা সমগ্র ২ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)

    August 18, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }