Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    জোঁকা – কাসেম বিন আবু বাকার

    কাসেম বিন আবুবাকার এক পাতা গল্প63 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    জোঁকা

    সেলিমদের গ্রাম থেকে প্রায় এক মাইল দূরে মাঠের মাঝখানে একটা পুকুর। প্রায় একশ বছর বেশ বড় পুকুর আছে। পুকুরটার নাম নতুন আগে কাটান হলেও এখনও সেই পুকুরকে আশপাশের গ্রামের লোকজন কেন নতুন পুকুর বলে, তা কেউ বলতে পারে না। সব থেকে আশ্চর্যের বিষয়, এতকাল আগের কাটান পুকুর ভরাট না হয়ে গভীর রয়ে গেছে। ছেলেবেলায় ছোট চাচার মুখে সেলিম শুনেছিল, ঐ পুকুরে জোঁকা আছে। জোঁকা নাকি একবার জমিদার বংশের একজনকে স্বপ্নে তার ছোট ছেলেকে ভোগ চেয়েছিল। অর্থাৎ ছেলেটাকে এক দুপুরে ঐ পুকুরের পানিতে ফেলে দিতে হবে। আরো বলেছিল, যদি তোর ঐ ছেলেকে ভোগ না দিস, তা হলে ঐ পুকুরে তোদের বংশের যে নামবে সে আর উঠে আসবে না। সেই থেকে জমিদার বংশের লোকেরা ঐ পুকুরের ধারে কাছে যায় না। কথাটা গোপন থাকে না। আশপাশের গ্রামের লোকজন জেনে যায় এবং তারাও ভয়ে কেউ ঐ পুকুরের ধারে কাছে যায় না। সেলিম যখন ক্লাস সেভেনে পড়ে তখন পাড়ার সমবয়সি চার-পাঁচজনকে নিয়ে একদিন সেই পুকুর দেখতে গিয়েছিল।

    পুকুরের চারদিকের পাড় বেশ চওড়া। কোনো ফল-পাকড়ের গাছ নেই। ছোট ছোট জঙ্গলী গাছে ভর্তি। পুকুরের পানি কাকের চোখের মতো স্বচ্ছ। পাড়ের কাছে ও দূরে অনেক শালুক গাছ। পুকুরের পানির দিকে তাকাতে গা ছম ছম করে উঠেছিল। পুকুরটার উত্তর পাশে খাল। খালের উত্তর পাড়টা ইউনিয়ন বোর্ডের বেশ চওড়া রাস্তা। সেলিমদের দেখে একজন পথিক হাঁক দিয়ে বলেছিল, এই ছেলেরা, তোমরা ওখানে কি করছ? পুকুরের পানিতে যেন কেউ নেম না। জান না, ঐ পুকুরে জোঁকা আছে? নামলে টেনে নিয়ে যাবে।

    বড় হওয়ার পর অনেকবার পাড়ার ছেলেদের নিয়ে ঐ পুকুর পাড়ে গিয়ে আড্ডা দিয়েছে সেলিম। তখন দেখেছে গ্রীষ্মকালে রাখালরা গরু চরাবার সময় গরুদের পানি খাওয়াতে ও রাখালদের হাঁটু পানিতে নেমে পানি খেতে। একদিন সেলিম একটা রাখালকে পানি খেতে দেখে জিজ্ঞেস করল, তুমি যে পুকুরে নেমে পানি খাচ্ছ, এতে তো জোঁকা আছে? তোমার পা ধরে যদি টেনে নিয়ে যায়?

    রাখালটা পাড়ে উঠে এসে বলল, আমিও সে কথা জানি। যারা পুকুরটা কাটিয়েছিল, তাদের বংশের কেউ নামলে জোঁকা তাকে নিয়ে যাবে, অন্য কেউ নামলে নেবে না। তবে ভয় যে একদম করে না তা নয়। কিন্তু কি করব? বাড়ি অনেক দূরে তেষ্টা নিয়ে বাড়ি যাওয়া সম্ভব নয়। তাই বাধ্য হয়ে পুকুরে নামতে হয়। তা ছাড়া বাড়িতে পানি খেতে গেলে গরু হারিয়ে যাবে। তখন যার গরু তাকে কি জওয়াব দেব?

    সেলিম বলল, কিছুতে করে বাড়ি থেকে পানি আনতে পার না? রাখালটা বলল, কিসে করে আনব? কলসী নিয়ে তো মাঠে গরু চরান যায় না।

    সেলিমের ছোট চাচা যখন বলেছিলেন ঐ পুকুরে জোঁকা আছে, তখন সেলিম জিজ্ঞেস করেছিল? জোঁকা কি জিনিস?

    ছোট চাচা বলেছিলেন, জোঁকা হল জিন। আল্লাহ মানুষকে মাটি দিয়ে তৈরী করেছেন। আর জিনকে আগুন দিয়ে। জিনেরা যেমন ডাঙ্গায় বাস করতে পারে, তেমনি পানিতেও বাস করতে পারে। তারা বড় বড় তামার পাতিলে কাঁচা টাকা রেখে সেগুলো কোনো বড় পুকুরে বা দিঘীর তলায় লুকিয়ে রাখে। তাই বড় হয়ে অনেক সময় একা ঐ পুকুর পাড়ে গিয়ে বসে বসে ছোট চাচার কথাগুলো চিন্তা করত সেলিম।

    তারপর অনেক বছর কেটে গেছে। সেলিমদের গ্রামের পশ্চিম প্রান্তে সাধু খাঁ নামে একজন লম্বা-চওড়া খুব শক্তিশালি লোক ছিল। তার সাত ছেলে, সাত মেয়ে। ছেলে-মেয়েরাও বাবার মতো লম্বা-চওড়া ও শক্তিশালী। ছেলেদের মধ্যে আবুল সবার বড়। সব ভাইয়েদের মধ্যে সে ছিল খুব দুরন্ত। সাধু খাঁ মারা যাওয়ার পর ভাইয়েদের সঙ্গে বাস্তু নিয়ে মনোমালিন্য হতে আবুল স্ত্রী ও ছেলেমেয়ে নিয়ে ঐ নতুন পুকুর পাড়ে এসে ঘর-বাড়ি করে বাস করতে থাকে। সেলিম তখন স্ত্রী, ছেলেমেয়ে নিয়ে ঢাকায় থাকলেও দু’তিন বছর অন্তর অন্তর দেশের বাড়িতে বেড়াতে যেত। কিন্তু আবুল যে নতুন পুকুর পাড়ে ঘর-বাড়ি করে স্ত্রী ও ছেলেমেয়েদের নিয়ে বাস করছে জানতে পারে নি। ১৯৯৬ সালে সেলিম একা গিয়ে প্রায় মাস খানেক গ্রামের বাড়িতে ছিল। সে সময় ওর চাচাত ভাবি, সে আবার ওর বড় মামার মেয়ে। তার সঙ্গে গল্প করতে করতে নতুন পুকুরের কথা উঠতে ভাবি বলল, তুমি জান না, আবুল মামা অনেক বছর হল স্ত্রী-ছেলেমেয়ে নিয়ে সেখানে বাস করছে। নতুন পুকুরে দমকল বসিয়ে পানি ছিঁচে মাছ ধরে বিক্রি করে পাড় মেরামত করেছে, নানারকম ফল-পাকড়ের গাছও লাগিয়েছে। সে সব গাছ এখন ফলছে। সাধু খাঁকে পাড়া সুবাদে সেলিম নানা ও তার ছেলেদের মামা বলত। সব ভাইয়েদের মধ্যে আবুল মামা সেলিমকে ভীষণ স্নেহ করত।

    ভাবির কথা শুনে সেলিম খুব অবাক হয়ে ভাবির মুখের দিকে অবিশ্বাস্য দৃষ্টিতে চেয়ে রইল।

    সেলিমের অবস্থা দেখে ভাবি মৃদু হেসে বলল, খুব অবাক হয়েছ না? শুনে আমরাও খুব অবাক হয়ে একদিন দেখতে গিয়েছিলাম।

    সেলিম বলল, ঐ পুকুরে তো জোঁকা আছে! যে পুকুরে জোঁকা থাকে, তার পানি তো ছেঁচা যায় না। আবুল মামা ছিঁচল কি করে?

    ভাবি বলল, আমি সে কথা তোমার ভাইয়াকে জিজ্ঞেস করতে অনেক কিছু বলেছিল। অত কথা আমার মনে নেই। তোমার ভাইয়াকে জিজ্ঞেস করে জেনে নিও।

    সেলিম ভাইয়াকে জিজ্ঞেস না করে পরের দিন সকালে নাস্তা খেয়ে আবুল মামার কাছে সব কিছু জানার জন্য রওয়ানা হল। সেখানে পৌঁছে পুকুর পাড়ের পরিবেশ দেখে আর একবার অবাক হল। দক্ষিণ দিকের পাড় ছাড়া তিন দিকের পাড়ে অনেকগুলো ঘর-বাড়ি। মাটি ফেলে পাড়গুলো অনেক চওড়া করা হয়েছে। তিন পাড়ে তিনটে গোয়াল ঘর। গোয়াল ঘরের সামনে গরু-ছাগল বাঁধা। প্রত্যেক ঘরের সামনে অনেক খানি করে উঠোন। আবুল উঠোনে বাঁশের ঝুড়ি বনুছিল। সেলিম কাছে গিয়ে সালাম দিয়ে বলল, আমাকে চিনতে পারছেন মামা?

    প্রায় বিশ বছর পর আবুল মামাকে সেলিম চিনতে পারলেও তাকে চিনতে আবুলের একটু সময় লাগল। হাতের কাজ বন্ধ করে সালামের উত্তর দিয়ে সেলিমের দিকে কিছুক্ষণ তাকিয়ে থেকে বলল, তুমি আফ্রিদা বুবুর ছেলে সেলিম না?

    হ্যাঁ মামা, আমি সেলিম।

    আবুল মামা সামনে একটা টুল দেখিয়ে বসতে বলে উৎফুল্ল কণ্ঠে বেশ উঁচু গলায় বলল, এই তোমরা কে কোথায় আছ, তাড়াতাড়ি এখানে এস, ঢাকা থেকে আমার এক ভাগ্না এসেছে।

    কিছুক্ষণের মধ্যে সব ঘর থেকে ছেলে, মেয়ে, জামাই ও নাতি নাতনিরা এসে সেলিমের চারপাশে দাঁড়িয়ে কৌতুহল দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইল।

    আবুল মামা সবার সঙ্গে সেলিমের পরিচয় করিয়ে দিয়ে বলল, জান সেলিম, আমি তোমাদের ঘরে গিয়ে আফ্রিদা বুবুর কাছে তোমার খবর নেই। তুমি দু’তিন বছর ছাড়া কয়েক দিনের জন্য এসে চলে যাও, সে কথাও জানি। মনে করেছিলাম, আমাদের কথা তুমি ভুলেই গেছ।

    সেলিম বলল, আপনার কথা ভুলি নি মামা। পনের বিশ দিনের ভিসা নিয়ে আসি, সবার সঙ্গে দেখা করতে যাওয়া হয়ে উঠে না।

    কবে এসেছ?

    পরশু দিন।

    এবারে কতদিন থাকবে?

    এক মাসের ভিসা নিয়ে এসেছি। কাল ভাবির কাছে শুনলাম, আপনি অনেক বছর আগে এখানে এসে বাস করছেন। পুকুরও কাটিয়েছেন। এই পুকুর সম্পর্কে ছোটবেলা থেকে অনেক কথা শুনে এসেছি। তাই আপনার কাছে সবকিছু জানার জন্য এলাম।

    আবুল মামা হেসে উঠে বললেন, তুমি যা শুনেছ আমিও তা শুনেছি। তবে বিশ্বাস করি নি। তারপর মামিকে উদ্দেশ্য করে বলল, সেলিমকে কিছু খেতে দাও।

    সেলিম বলল, নাস্তা খেয়ে এসেছি, এখন কিছু খাব না। ফিরে যাওয়ার সময় না হয় কিছু খাব। এখন বলুন, এখানে এসে যে বসবাস করছেন, কোনো রকম অসুবিধা হচ্ছে না? তা ছাড়া পুকুর কাটানোর ব্যাপারটা শুনেও খুব অবাক হয়েছি।

    আবুল মামা সবাইকে চলে যেতে বলে ঝুড়ি বোনার কাজ শুরু করে বলল, সে সব অনেক কথা, বলতে অনেক সময় লাগবে।

    সেলিম বলল, যতই সময় লাগুক আপনি বলুন।

    আবুল মামা বলতে শুরু করল, তুমি বোধ হয় তখন বাংলাদেশে চলে গেছ। আমি প্রথমে এখানে একটা বেড়ার ঘর করে তোমার মামি ও দু’টো ছোট ছেলেমেয়ে নিয়ে থাকতে লাগলাম। আর বন জঙ্গল কেটে তরিতরকারীর চাষ করতাম। বর্ষাকালে খালে পাটা মেরে মগরী ও বড় বড় পাং বসিয়ে মাছ ধরে প্রচুর আয় করতাম। একবার শীতকালে যখন খালের পানি একদম কমে গেল তখন একদিন জিওল মাছ ধরার জন্য পালা দিলাম। রাত বারটার সময় তোমার মামিকে নিয়ে এসে দেখি, পালাতে প্রচুর জিওল মাছ লাফিয়ে পড়েছে। আমি বড় বালতি নিয়ে এসেছিলাম। সেটা মাছে ভরে যেতে তোমার মামিকে বললাম, তুমি এখানে থাক, আমি মাছটা রেখে আসি। তোমার মামি বলল, এত রাতে একা এখানে থাকতে আমার খুব ভয় করবে। আমিও তোমার সঙ্গে যাই। সে দিন ছিল পূর্ণিমার রাত। বললাম, কিসের ভয়? ঐতো ঘর দেখা যাচ্ছে। আমি যাব আর আসব। তারপর আমি মাছের বালতি নিয়ে ঘরে বড় গামলায় পানি দিয়ে মাছগুলো তাতে ঢেলে একটা টিন চাপা দিচ্ছি, এমন সময় তোমার মামির ভয়ার্ত চিৎকার একবার শুনতে পেলাম। আমি দৌঁড়ে এস দেখি, তোমার মামি অজ্ঞান হয়ে পড়ে আছে। তাকে পাঁজাকোলা করে ঘরে নিয়ে এসে মাথায় পানি ঢেলে জ্ঞান ফিরিয়ে জিজ্ঞেস করলাম, কি হয়েছিল বলতো? বলল, তুমি চলে যেতে আমি তোমার দিকে তাকিয়ে ছিলাম। তারপর পালার দিকে তাকিয়ে দেখি বিরাট দৈত্যের মতো কে একজন খালের দু’পাশে দু’পা রেখে নিচু হয়ে হাত দিয়ে পালা থেকে মাছ তুলে তুলে খাচ্ছে। আমি ভয়ে চিৎকার করে উঠি। তারপর কি হয়েছে জানি না। বললাম, কই, আমি গিয়ে তো কিছুই দেখলাম না। অবশ্য তোমার চিৎকার আমি শুনেছি। ঠিক আছে, তুমি ঘরেই থাক। আমি খাল পাড়ে যাই। তোমার মামি তো কিছুতেই যেতে দেবে না। শেষে সে ঘুমিয়ে পড়ার পর আমি যাই। তারপর থেকে আজ পর্যন্ত তোমার মামি কিছুই দেখে নি। আর আমিও কোনো কিছুই দেখি নি।

    সেলিম জিজ্ঞেস করল, গোসল করেন কোথায়?

    কেন? ঐ পুকুরে। অবশ্য বছর দুই তোমার মামি পুকুরে নেমে গোসল করে নি। ঘাটে বসে বাটি ডুবিয়ে নিজে গোসল করেছে আর ছেলেমেয়েদেরকেও করিয়েছে। এখন তো সবাই পুকুরে সাঁতার কেটে গোসল করে।

    সেলিম আবার জিজ্ঞেস করল, পুকুর কাটালেন কি করে? শুনেছি, যে পুকুরে জোঁকা থাকে, সে পুকুরের পানি নাকি ছিঁচে শেষ করা যায় না?

    আমিও শুনেছি; কিন্তু বিশ্বাস করি নি। তাই চিন্তা করলাম, বহুকাল আগের কাটান পুকুর, নিশ্চয় প্রচুর নানা পদের বড় বড় মাছ আছে। পুকুরটা ছিচেঁ মাছ বিক্রি করে পুকুর কাটিয়ে পাড় বাঁধব, নানা রকম গাছপালা লাগাব। চিন্তা করলে তো হবে না, পুকুরটা ছিঁচতে অনেক টাকা লাগবে। তখন টাকা পয়সা তেমন আমার ছিল না। তাই ইচ্ছা থাকলেও উপায় ছিল না। এই তো মাত্র বছর পাঁচেক আগে আল্লাহ আমার আশা পূরণ করেছে। ততদিন আরো ছেলেমেয়ে হয়েছে। নাতি নাতনি হয়েছে। ছেলে ও জামাইদের সঙ্গে আলাপ আলোচনা করে একদিন চারপাড়ে চারটে দমকল বসিয়ে পানি ছিঁচতে শুরু করলাম। প্রথম দিন সকাল থেকে রাত বারটা পর্যন্ত দমকল চালিয়ে দেখি প্রায় তিন হাত পানি কমে গেছে। ভাবলাম, এবার মেশিন বন্ধ রাখি। কাল সকাল থেকে আবার চালাব।

    সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখি, যতটা পানি কমে ছিল, ঠিক ততটা আবার ভরে গেছে। তিন দিন দমকল চালিয়ে একই রকম হতে দেখে আমারও শোনা কথার উপর বিশ্বাস জন্মাল। কি করব না করব ভেবে একদিন দমকল বন্ধ রাখলরাম। ঐ দিন রাতে স্বপ্নে দেখলাম, কে যেন একজন আমাকে বলছে, বছরের পর বছর ছিঁচলেও তুই পুকুর শুকাতে পারবি না। যদি আমার কথা শুনে সেই মতো কাজ করিস, তা হলে তোর ইচ্ছা পূরণ হবে।

    বললাম, কি করতে হবে বলুন, আমি করব।

    কাল সকালে আধ মন ভালো রসগোল্লা পুকুরে ছুঁড়ে ছুঁড়ে ফেলবি। তারপর দমকল চালাবি। চব্বিশ ঘন্টা চালিয়ে বন্ধ করে দিবি। দেখবি অনেকটা পানি কমে গেছে। তখন দক্ষিণ পশ্চিম কোনে পানির কিনার ধরে বিশ ফুট লম্বা ও দশ ফুট চওড়া ইটি দিয়ে গেঁথে পাকা চৌবাচ্চা করবি। তারপর যখন দেখবি চৌবাচ্চা আপনা থেকে পানিতে ভরে গেছে তখন দম কল চালাবি। আর শোন, দমকল এক মিনিটও বন্ধ রাখবি না। পাঁচ দিন পাঁচ রাত এক নাগাড়ে চললে পুকুর শুকিয়ে যাবে। মাছ ধরার পর যদি পুকুরের পাঁক দিয়ে পাড় মেরামত করতে চাস করবি। তারপর একদিন রাত বারটার সময় ঐ চৌবাচ্চার পুকুরের দিকের দেয়াল ভেঙ্গে দিলে পানিতে পুকুর ভরে যাবে।

    স্বপ্নটা দেখার পর ঘুম ভেঙ্গে গেল। তারপর আর ঘুম হল না। বাকি রাতটুকু জেগে কাটালাম। সকালে ফজরের নামায পড়ে বাজারে গিয়ে আধমণ রসগোল্লা কিনে এনে পুকুরে ছুঁড়ে ছুঁড়ে ফেললাম। তারপর চারটা দমকল স্টার্ট দিলাম। চব্বিশ ঘন্টা পর সব দমকল বন্ধ করে দিলাম। দেখলাম, পানি অনেকটা কমেছে। তখন রাজ মিস্ত্রি এনে পুকুরের দক্ষিণ পশ্চিম কোনে বিশ ফুট লম্বা ও দশ ফুট চওড়া চৌবাচ্চা করলাম। তারপর সেটা পানিতে ভরার অপেক্ষায় রইলাম। পরের দিন সকালে চৌবাচ্চা পানিতে ভরে রয়েছে দেখে চারটে দমকল আবার চালিয়ে দিলাম। একটানা পাঁচ দিন পাঁচ রাত দমকল চলার পর পরের দিন বেলা বারটার দিকে পুকুরের পানি একেবারে কমে গেল। সব ছেলেমেয়ে ও জামাইদের নিয়ে মাছ ধরতে শুরু করলাম। বড় বড় রুই, কাতলা, মৃগেল, কালবোস, চিতল, বোয়াল ও ভেটকী মাছ প্রায় সাত আটমণ হল! সেগুলো বাগনানে মাছের আড়তে পাঠিয়ে দিলাম বিক্রি করা জন্য। তারপর শিঙ্গি, মাগুর, কই, সোল মাছও প্রায় একমন ধরা হল। রাত হয়ে গিয়েছিল বলে সেগুলো বড় বড় গামলায় জিলিয়ে রেখে বান ও পেকাল মাছ ধরার জন্য দু’টো হ্যাসাক লাইটের ব্যবস্থা করলাম। রাত বারটা পর্যন্ত প্রচুর বান, প্যাকাল ধরে সবাই খুব ক্লান্ত হয়ে পড়লাম। গোসল করে খেয়েদেয়ে পশ্চিম দিকের পাড়ে খেজুর পাটি বিছিয়ে বিশ্রাম নেওয়ার সময় বড় ছেলে আলিকে বললাম, তুই জেগে থাক, আমরা কিছুক্ষণ ঘুমিয়ে নিই। ফজরের সময় আমাদের জাগাবি। নামায পড়ে বান, প্যাকাল মাছ আবার ধরব। তখন না হয় তুই ঘুমাস।

    মেয়েরা ছোট ছেলেমেয়ে নিয়ে ঘরের ভিতর ঘুমাল। আর আমরা ঘরের বাইরে পুকুর পাড়ে ঘুমিয়ে পড়লাম। রাত সাড়ে তিনটের সময় আলির আর্তচিৎকারে আমার ঘুম ভেঙ্গে গেল। আলি আমাদের কাছ থেকে একটু দূরে একটা জল চৌকিতে বসে ছিল। আর হ্যাসাক লাইট দু’টো দু’পাশের পাড়ে জ্বলছিল। চিৎকার শুনে আলির দিকে তাকিয়ে দেখি, জল চৌকিতে আলি বসে নেই। তাড়াতাড়ি করে সে দিকে গিয়ে দেখি, আলি দক্ষিণ পূর্ব কোনের অল্প দূরে লম্বা হয়ে পড়ে আছে। কাছে এসে নাম ধরে ডেকে সাড়া না পেয়ে গায়ে হাত রেখে নাড়া দিয়ে বুঝতে পারলাম অজ্ঞান হয়ে গেছে।

    ততক্ষণে অন্য ছেলেরা ও জামাইরা এসে গেছে। তাদেরকে আলির অজ্ঞান হওয়ার কথা বলে মাথায় পানি ঢালতে বললাম।

    কিছুক্ষণ পানি ঢালাল পর আলির জ্ঞান ফিরে এল। আমি জিজ্ঞেস করলাম, কি হয়েছিল? তুই অমন করে চিৎকার করে উঠেছিলি কেন?

    আলি কিছুক্ষণ সবাইয়ের মুখের দিকে তাকিয়ে থেকে বলল, তোমরা সবাই ঘুমিয়ে পড়ার পর আমারও ঘুম পাচ্ছিল। তাই বেশ কিছুক্ষণ হাঁটা হাঁটি করে এসে জল চৌকিতে বসে পুকুরের দিকে তাকাতে দেখতে পেলাম, খানা বাড়িতে যেরকম তামার বড় বড় ডেগচীতে রান্না হয়, সে রকম একটা ডেগচী কাদা ফুঁড়ে বেরিয়ে দক্ষিণ পূর্ব দিকের পাড়ের কোন দিয়ে উঠে চলে যাচ্ছে। প্রথমে আমার মনে হল, আমি স্বপ্ন দেখছি না তো? ভালো করে চোখ রগড়ে আবার পুকুরের দিকে তাকালাম, দেখি ঐ রকম আর একটা ডেগচী আগেরটার মতো ঐ একই দিকে চলে যাচ্ছে। এভাবে আরো একটা ডেগচী চলে যেতে দেখে ভাবলাম, ডেগচী তো আর নিজে নিজে চলে যেতে পারে না, নিশ্চয় লোকজন ধরে নিয়ে যাচ্ছে। হঠাৎ মনে হল, আমি হয়তো ঘুমিয়ে পড়েছিলাম, সেই সময় পাশের গ্রামের লোকজন এসে বান, প্যাকাল মাছ ধরে ডেগচীতে ভরে নিয়ে চলে যাচ্ছে। ভালো করে তাকিয়েও কোনো লোকজন দেখতে পেলাম না। তবু আমি পা পা করে এগিয়ে গেলাম; কিন্তু লোকজন তো দূরের কথা তিনটে ডেগচীও নেই। হঠাৎ দৈত্যের মতো বিকট চেহারার একজনকে দাঁতমুখ খিঁচিয়ে আমার দিকে আসতে দেখে ভয়ে আমি চিৎকার করে উঠি। তারপর কি হয়েছে জানি না।

    তখন আমার দাদির কথা মনে পড়ল, “দাদি একদিন বলেছিল এই নতুন পুকুরে ও রায় দিঘীতে জোঁকা আছে। জোঁকারা পাঁকের ভিতর ডেগচীতে করে ধনদৌলত লুকিয়ে রাখে। আরো বলেছিল, জোঁকা হল জিন। জিনেরা পানির নিচেও যেতে পারে।”

    এখন আলির কথা শুনে বুঝতে পারলাম, জিনেরা তাদের ধনদৌলতের ডেগচী তুলে নিয়ে রায় দিঘীতে চলে গেছে। রায় দিঘীর কথা এজন্য মনে হল, এখান থেকে ঐ দিঘী এক মাইল দক্ষিণে। তখন সবাইকে দাদির মুখে শোনা কথা বলে বললাম, আলি যদি ডেগচী দেখার জন্য ঐদিকে না যেত, তা হলে জিন ওকে ভয় দেখাত না। তারপর আমরা কেউ আর ঘুমালাম না। ফজরের সময় হতে নামায পড়ে পুকুরের ঐ কোনের দিকে গিয়ে ডেগচীগুলো পাঁকের উপর দিয়ে যাওয়ার স্পষ্ট দাগ দেখতে পেলাম। সবাইকে বললাম, আলি যা দেখেছে তা সত্য। তবে এখন আর ভয় পাওয়ার কিছু নেই বলে আমি প্রথমে পুকুরের কাদায় নেমে প্যাকাল মাছ ধরতে শুরু করলাম। আমার দেখাদেখি সবাই আবার মাছ ধরতে নামল। প্রায় সারাদিন মাছ ধরলাম। বিকেলের দিকে গত কালের ধরা জিলোনো জিওল মাছ ও আজকের ধরা মাছ মিলিয়ে প্রায় তিন মণ হল। ঘরে খাওয়ার জন্য আধমণের মতো রেখে সব মাছ আড়তে বিক্রি করার জন্য পাঠিয়ে দিলাম। মাছ বিক্রির টাকা দিয়ে প্রায় একমাস পুকুরের পাঁক তুলে চারদিকের পাড় মেরামত করি ও পাড়ের উপরে ফেলি। তারপর একদিন রাত বারটার সময় চৌবাচ্চার পুকুরের দিকের দেয়াল ভেঙ্গে দিলাম। সকালে উঠে সবাই দেখলাম পানিতে পুকুর ভরে গেছে।

    তারপর মামা মামিকে ডেকে সেলিমকে নাস্তা দিতে বললেন।

    সেলিম নাস্তা খেতে খেতে বলল, আশপাশের গ্রাম তো এখান থেকে এক মাইল দূরে। ঐ এক মাস পানি কোথায় পেলেন?

    আবুল মামা বলল, ঐ চৌবাচ্চা থেকে বালতিতে করে পানি তুলে সবাই গোসল করেছি, খেয়েছি ও কাপড়-চোপড় ধোয়া-ধুয়ী করেছি।

    এটা খুব আশ্চার্য ঘটনা, তাই না মামা?

    হ্যাঁ, খুব আশ্চার্য ঘটনা। তবে রায়দিঘী কাটানর ঘটনা আরো আশ্চার্যজনক।

    অবাক কণ্ঠে সেলিম বলল, রায়দিঘীও কাটান হয়েছে?

    তবে আর বলছি কি?

    ঘটনাটা বলুন না মামা শুনি।

    আবুল মামা বলতে শুরু করল, রায়দিঘী যে কয়েকশ একর জায়গা নিয়ে তা তো তুমি জান। দিঘীটার পশ্চিম পাড় ছাড়া বাকি তিন দিকে প্রচুর লোকজন বাস করে। তারা ঐ দিঘীর পানি সব রকমের কাজে ব্যবহার করে। কতকাল আগে কে দিঘীটা কাটিয়েছিল, তা কেউ বলতে পারে না। দিঘীর মাঝখান দিয়ে প্রায় তিন ভাগ চর পড়ে গিয়েছিল। বছর তিনেক আগে সরকার মাছ চাষ করার জন্য দিঘীটা কাটাবার টেন্ডার আহবান করে। কিন্তু এত বড় দিঘী কাটাতে কত কোটি কোটি টাকার দরকার? তাই কেউ টেন্ডার সাবমিট করল না। শেষে সরকার নিজে কাটাবার ব্যবস্থা করে ঠিকাদার নিযুক্ত করল। ঠিকাদার যখন আট দশটা দমকল বসাল পানি ছেঁচার জন্য তখন সেও আমার মতো স্বপ্ন দেখল। তবে তাকে পাঁচমণ মিষ্টি দিঘীর পানিতে ফেলতে বলেছিল। আর দিঘীর পূর্বদিকের পাড়ের কিনারে পঞ্চাশ ফুট লম্বা ও ত্রিশ ফুট চওড়া পাকা চৌবাচ্চা করতে বলেছিল। দিঘীটা কাটাতে প্রতিদিন পাঁচশ লোক কাজ করত। কাজ শেষ করতে সময় লেগেছিল প্রায় দেড় বছর। তিন পাড়ের মানুষ ঐ পঞ্চাশ ফুট লম্বা ও ত্রিশ ফুট চওড়া চৌবাচ্চার পানি দেড় বছর ব্যবহার করেছে। দিঘী কাটার পর কাজ যেদিন শেষ হল। তার পরের দিন সকালে অবাক হয়ে সবাই দেখল, চৌবাচ্চা নেই; আর পুরো দিঘীতে পানি থৈ থৈ করছে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleভালোবাসি তোমাকেই – কাসেম বিন আবুবাকার
    Next Article অমর প্রেম – কাসেম বিন আবুবাকার

    Related Articles

    কাসেম বিন আবুবাকার

    ক্রন্দসী প্রিয়া – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    জানি তুমি আসবে – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    কি পেলাম – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    কালোমেয়ে – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    একদিন অপরাহ্নে – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    কে ডাকে তোমায় – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }