Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    March 20, 2026

    মায়া, আজটেক ও ইনকা সভ্যতা – আবদুল হালিম

    March 20, 2026

    কালীগুণীন ত্রাহিমাম – সৌমিক দে

    March 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার এক পাতা গল্প127 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ব্রাহ্মণ-ব্রাহ্মণী

    ১

    এক যে ছিল ব্রাহ্মণী, আর তার যে ছিল পতি,—ব্রাহ্মণীটি বুদ্ধির ঘড়া, ব্রাহ্মণ বোকা অতি! কাজেই সংসারের যত কাজ ব্রাহ্মণীরই হত করতে, ব্রাহ্মণ শুধু খেতেন বসে, ব্রাহ্মণীর হত মরতে। ব্রাহ্মণীটি যে,—রণচণ্ডী!-নথের ঝাঁকিতে নাক ছিঁড়ে।-মাথার চুলে তৈল নাই, গা-গতরে খৈল নাই, ‘নিত্য ভিক্ষা তনু রক্ষা’, তার উপর আবার বামুনের চাটাল চাটাল কথা। জ্বালাতন-পালাতন বামনি ধান ঝাড়ে, তার তুষ ফেলে, কি, ধান ফেলে!

    এমন সময় ব্রাহ্মণ গিয়া বলিল,—’বামনি, আজ বুঝি পিটে করবি না?’

    কুলো মুলো ফেলিয়া খ্যাংরা নিয়া ব্রাহ্মণী গর্জে উঠিল,—’হ্যাঁ, পিটে করতেই বসেছি! চাল বাড়ন্ত হাঁড়ি খট খট-এক কড়ার মুরোদ নাই, পিটা-খেকোর পুত পিটা খাবে!-বেরো আমার বাড়ি থেকে!’

    গর্জনে উঠান কাঁপে, গাছ থরথর পক্ষী উড়ে;-ব্রাহ্মণ ভাবলেন,—

    ‘কী? ব্রাহ্মণী, তার গালি সইব এত আমি?

    তা হবে না!’

    তখনি রাগে হলেন বনগামী!

    ২

    বনে বনে ঘোরেন, এমন সময় এক সন্ন্যাসীর সঙ্গে ব্রাহ্মণের দেখা। সকল কথা শুনিয়া, সন্ন্যাসী, ব্রাহ্মণকে আপন আশ্রমে নিয়া গেলেন।

    আশ্রমে গিয়া ব্রাহ্মণ সন্ন্যাসীর কাছে লেখাপড়া শিখেন।

    কান নড়বড় বুড়ো বামুন
    মুনির কাছে পড়েন কেমন?
    এ বেলা পড়েন,—’ক-চ-প-অ-অ-অ!’
    ও বেলা পড়েন,—’খ-চ-ফ-অ-অ-অ!’
    দিনে পড়েন,—’হগড়ং ডগড়ং বগ বগ বগড়ম।’
    রাতে পড়েন,—’চং, ছং, খঁরঁরঁঅম-ঘড়-ড় ঘড়ম!’ নাকের ডাকে গলার ডাকে নিশি ভোর!

    এইরকম করিয়া ব্রাহ্মণ খুব অনেক বিদ্যা শিখিয়া ফেলিলেন।

    শিখিয়া-শুখিয়া ব্রাহ্মণ-

    মনে মনে, ভাবিলেন-আমি হনু একজন!
    বিদ্যেয় এখন ছড়াছড়ি যাবে যশ ধন!
    তখন-বামনির সে বিষমুখ দেখতে না আর হবে,—
    হাঃ! হাঃ!
    তখন আমি কোথায় রব, আর বামনি কোথা রবে!
    ভারি স্ফূর্তি।-কীসের আবার সন্ন্যাসীর কাছে বলা-টলা!-
    খুঙ্গি পুঁথি লাঠি চাটি বাঁধিয়া পুঁটুলি
    ‘জয় জগদম্বা!’ বামুন, দেশে গেলেন চলি।

    ৩

    ভাদ্দুরে রোদ, তাল পাকে, মাটি পাথর ফাটে,—সন্ধ্যা বেলায় ব্রাহ্মণ আপন গাঁয়ের সীমায় আসিলেন।-‘ঠিক তো!-রাজার বাড়ি তো যাবই তো, তা মরিল কি রইল, বামনিটাকে একবার দেখে গেলেও-হয়।’

    একটু রাত হইয়াছে, তখন ব্রাহ্মণ, বাড়ির আঙিনায় উঠিয়াছেন।

    ছ্যাঁক ছ্যাঁক শব্দ বামুন, শুনতে পেলেন কানে,—
    ‘বামনি ভাজেন তালের বড়া, বুঝি অনুমানে!’

    ব্রাহ্মণ চুপ করিয়া কানাচে কান পাতিয়া রহিলেন।

    ‘ক-টা হল ছ্যাঁক?-মনে মনে ল্যাখ।
    চার, পাঁচ, সাত, আট-এক কুড়ি এক।’

    তখন আর ‘ছ্যাঁক’ নাই;-ব্রাহ্মণী হাত-পা ধুইয়া যেই বাহিরে আসিলেন,

    ব্রাহ্মণ ডাকিলা উচ্চে,—’ব্রাহ্মণী আছ বাড়ি?
    এবার আমি শিখে এলাম বিদ্যে ভারী ভারী!’

    চমকিয়া ব্রাহ্মণী ছুটিয়া আসিয়া দেখেন-সারা অঙ্গে তিলক ফোঁটা ব্রাহ্মণ আসিয়া হাজির! ব্যস্তে স্বস্তে ব্রাহ্মণী বলিলেন,—’এতদিন কোথায় ছিলে?’

    ব্রাহ্মণ বলিলেন,—’ব্রাহ্মণী! আমি খুব ভারী ভারী বিদ্যা শিখিয়া আসিয়াছি, তাই তোকে বলিয়া যাইতে আসিয়াছি!’

    ব্রাহ্মণী বলিলেন,—’দূর পাগল!’

    ব্রাহ্মণ বলিলেন,—

    ‘জানিসনে তাই বলছিস অমন, নইলে এতক্ষণ
    এককুড়ি এক বড়া সাজিয়ে দিতিস নেমন্তন।’

    ‘অ্যাঁ? তুমি কী করে জানিলে?’

    ব্রাহ্মণ বলিলেন,—’বামনি!-

    ওই তো বিদ্যের মা জননী! বল্লেম আমি গণে;-
    যেখানে যে ভাজুক বড়া সবি আমার মনে!’

    শুনিয়া ব্রাহ্মণী অবাক!-‘আহা, আহা, সত্যি কি, সত্যি কি?’

    ব্রাহ্মণী মনের আনন্দে-

    ছুটে গিয়ে যত পাড়ার লোকের কাছে কয়,—
    ‘বামুন এল বিদ্যে শিখে, যেমন বিদ্যে নয়।’

    পাড়ার লোকে আশ্চর্য!-আসিয়া দেখে,—

    মেলাই পুঁথি খুলে বামুন ঘন টিকি নাড়ে
    হং লং বং চং লম্বা বচন ঝাড়ে-
    সেসব কি যে-সে বোঝে? সকলের চমক লাগিয়া গেল।
    দেখতে দেখতে সারা গাঁয়ে রাষ্ট্র হল যে,
    চমৎকার বিদ্যে বামুন শিখে এসেছে।

    ৪

    খুব জাঁকে দিন যায়। এর হাত গণেন, ওর চুরি গণেন, দেশে দেশে ব্রাহ্মণের বিদ্যার নামে জয় জয় উঠিল।

    একদিন, মতি ধোপার গাধা হারাইয়াছে।-মতি ব্রাহ্মণের দুয়ারে আসিয়া ধরনা দিল-

    ‘বলে দাও দেবতা আমার উপায় হবে কী গো-
    সবে ধন হারিয়েছি খোঁড়া গাধাটি গো।’

    ব্রাহ্মণ বলিলেন,—

    ‘চুপ থাক-এখন আমি চণ্ডীপুজো করে
    তবে এসে বলব বসে থাকগে ওই দোরে।’

    না খাইয়া না দাইয়া মতি দুয়ারে পড়িয়া রহিল।

    ব্রাহ্মণ ঘরে গিয়া বলেন,—’বামনি এখন কী করি?-দাও তো দেখি ছাতাটা।’

    ছাতা নিয়া ব্রাহ্মণ ঝাঁ ঝাঁ রৌদ্রে সারা মাঠ ঘুরিয়াও গাধা পাইলেন না। তখন-

    হাঁপাতে হাঁপাতে এসে, ক্ষুণ্ণ অতি মন,
    বলিলেন,—’ওরে মতে! বলি তোরে শোন-
    আজ গাধাটা পাবি নাকো, যা,
    চণ্ডী রেগেছেন বড়ো কী জানি কী করে;
    কাল এসে গাধা তুই নিয়ে যাস ঘরে।’

    দেবীর রাগের কথায় মতি
    ভয়ে ভয়ে চলে গেল।
    তখন সূয্যি ডুবে গেছে,
    তারপর রাত্রি হয়ে এল।

    ব্রাহ্মণের চিন্তা বড়ো,—’বুঝি এইবার
    হায় হায় ভেঙে যায় সব ভুরিভাড়।’

    রাত্রি হইল; বসিয়া বসিয়া মাথে হাত ব্রাহ্মণ ভাবিতে লাগিলেন,—

    ‘যত বিদ্যা খুঙ্গি পুঁথি এইবার ফাঁক
    জগদম্বা! কী করিলে!-বিষম বিপাক!’

    ভাবিয়া ভাবিয়া ব্রাহ্মণ ঘুমাইয়া পড়িলেন।

    অনেক রাত্রে, বার আঙিনার কোণে কীসের শব্দ! ব্রাহ্মণ ধড়ফড় করিয়া জাগিয়া উঠিলেন,—

    ‘বামনি বামনি শুনছ,—ওটা হল কীসের শব্দ?’

    ব্রাহ্মণী,—

    ‘হাঁ হাঁ-বুঝি চোর এসেছে-করতে হবে জব্দ।’

    ব্রাহ্মণটি আবার চোরের নামে ভয় খেতেন; কাঁদো-কাঁদো সুরে বলিলেন,— ‘বামনি, তবে আমি নুকুই!’

    ব্রাহ্মণী বলিলেন,—’তাই তো! এতই বড়ো পণ্ডিত?-এত পণ্ডিতি ঢলাইয়া কাজ নাই, আমি আলো ধরছি, চোর ধরবে চলো।

    পরের চোর গণে নিত্য বেড়ান বাড়ি বাড়ি,
    আপন ঘরে সেঁধোলে চোর, করেন তড়বড়ি।’

    কী করেন বামুন, ‘জারে লোহা কোঁকড়’, ডরে ভয়ে কেন্নটি, ঘরে থাকলে রাবণে মারে, বাইরে গেলে রামে মারে,—দশ আঙুলে পৈতা জড়াইয়া ‘দুর্গা,—দুর্গা, -জগদম্বা’ জপিতে জপিতে ব্রাহ্মণ চোর ধরিতে গেলেন।

    ‘ওই যে চোর, ধরো না!’ ধাক্কা দিয়া বামনি বামুনকে ঠেলিয়া দিল!-

    ‘গ্যাঁ-গ্যাঁ-গ্যাঁ-ঘ্যাঁ-অ্যাঁ-অ্যাঁ-অ্যাঁ।’

    ‘ওমা!-ও আবার কী!’

    প্রদীপ নিয়া গিয়া ব্রাহ্মণী দেখেন-

    ওমা-এটা তো চোর নয় গো মা-
    উবড়ো থুবড়ো পড়ে আছে মস্ত গাধাটা!
    বামুনে-গাধায় ঝড়-কম্পন, কুকুর-কুণ্ডলী!
    হুমড়ি খেয়ে যখন বামুন উপড়ে পড়ল আসি,
    গলায়-দড়া খোঁড়া গাধার লেগে গেছে ফাঁসি।
    গাধার গলায় ঘড়ঘড়, বামুন করেন ধড়ফড়-
    চোখ উলটে পড়ে, বামুন হয়েছে হাঁ;-
    বামনি উঠলেন চেঁচিয়ে-‘হায়! কী হল গো মা!’

    পাড়ার লোক ছুটিয়া আসে,—’কী, কী, কী হয়েছে,—ভয় নাই!’

    ব্রাহ্মণী বলিলেন,—’না না, কিছু না এই গাধাটা দেখছিলেম।’

    -তাড়াতাড়ি ব্রাহ্মণী গাধা নিয়া খুঁটিতে বাঁধিলেন, বামুনকে নিয়া বিছানায় শোয়াইলেন,—তেল, জল, ফুঁ-বাতাস,—সকলে আসিয়া বলে, ‘কী, কী হইয়াছে কী?’

    ব্রাহ্মণী বলিলেন,—

    ‘এমন কিছু না,—ঠাকুর বসেছিলেন জপে,
    গণে এনে মতির গাধা এই শুয়েছেন তবে।
    হারানো গাধা গণে আনা শক্ত কম তো নয়?-
    তাই একটু অস্থির আছেন জ্যোতিষ মহাশয়।’

    কী আশ্চর্য! মন্ত্রের জোরে হারানো গাধা আসিয়া উপস্থিত!

    সকলে অবাক!

    এত তেল জল বাতাস! মূর্ছা ভাঙতেই ‘চোর! চোর!’ বলে বামুন উঠিয়া বসিল! ব্রাহ্মণী বলিলেন,—

    ‘চোর কোথায় তোমার মাথা,—

    ওই দেখো না মতির গাধা খুঁটিতে বাঁধা।’

    ব্রাহ্মণ বলিল,—’গাধা?-কই, কই মতেকে ডাকো!’

    তাড়াতাড়ি ব্রাহ্মণী বলেন,—’চুপ করো, চুপ করো-এত রাত্রে মতে! ওগো বাছারা, রাত গেল, তোমরা এখন বাড়ি যাও,—বামুন ঘুমুক।’ সকলে চলে গেল। বামুন জিজ্ঞাসেন,—’তাই তো বামনি, হয়েছিল কী!’

    পরদিন মতি আসিয়া দেখে,—গাধা! মতি লম্বা গড়াগড়ি-আঙিনার অর্ধেক ধুলাই, মতি, খাইয়া ফেলিল!

    এখন, অমনি বামুনের কাপড় কাচে-তারপর মতি-

    এ আশ্চর্য কথা আরও ঘটা ছটা দিয়ে-
    রটনা করিল সব গাঁয়ে গাঁয়ে গিয়ে

    তখন-

    ব্রাহ্মণের ধন্য ধন্য পল দেশময়।-
    ক্রমে এ কাহিনি রাজ-কর্ণগোচর হয়।

    ৫

    রাজকন্যার লক্ষ টাকার হার পাওয়া যায় না। কত জ্যোতিষ, কত পণ্ডিত আসিয়া হার মানিল। ‘রুই কাতলার আটকাট সবই কেবল মালসাট’- শেষে ডাক বামুনকে।

    ঢেঙা ঢেঙা পাইক, এ-ই এ-ই আসাসোঁটা!-বামুন ভাবেন ‘ভালো ভালো ছিলাম বোকা, কপালের না জানি লেখা’-খাঁড়ার তলে ধাড়ি ছাগল, কাঁপিতে কাঁপিতে বামুন রাজসভায় গেলেন।

    রাজার হুকুম,—

    ‘হার গণে দিতে পার পাবে পুরস্কার,
    নইলে বামুন শেষকালে বাস কারাগার।’

    সিধা পত্র চুলোয় যাক, পূজা অর্চনা মাথায় থাক, ব্রাহ্মণ বলিলেন,— ‘মহারাজ, দু-দিন সময় চাই।’

    ‘আচ্ছা।’

    দিনের মতন দিন গেল, রাত এল,
    এক ঘরে, বামুনের ঠাঁই
    ঘটি ঘটি জল খায় বামুন করে আইঢাই,—
    ‘হায় মাগো জগদম্বা, বিপাকে ফেলিলি,
    ছায়ে পোয়ে সর্বনাশ, প্রাণে ধনে নিলি
    কী করি উপায় মাগো, কী করি উপায়-
    জগদম্বা! এই তোর মনে ছিল হায়!’

    রাজবাড়ির জগা মালিনী, জগদম্বা নাম-সেইখান দিয়া যাচ্ছিল,—

    খপ করে থামে জগা-ধুকু ধুকু প্রাণ।

    আর কথা, আর বার্তা-‘দোহাই ঠাকুর, দোহাই বাবা!-যা বলো বাবা তাই করি-রাজার কাছে যেন আমার নামটি কোরো না!’ জগা ছুটিয়া গিয়া বামুনের দুই পা সাপটিয়া পড়িল।

    বামুন চমৎকার!-‘এ আবার কী!-কে তুমি, কে তুমি! আমি কী করেছি- আমাকে কেন?’

    ‘না বাবা ঠাকুর, তুমি সব জেনেছ, আমি আর এমন কর্ম করব না;- দোহাই বাবা, আমাকে রক্ষা করো, লোভে পড়ে আমি রাজকন্যার হার নিয়েছিলাম।-দোহাই বাবা, পায়ে তোর পড়ি বাবা!’

    তখন বুঝিল ব্রাহ্মণ, কী করে কী হল-

    ‘জগদম্বা’ নাম নিতে জগা ধরা দিল!

    তখন, ব্রাহ্মণের ধড়ে এল প্রাণ,—ধীর সুস্থির মহাপণ্ডিত হইয়া বলিলেন, -‘যা করেছিস, করেছিস, তোর ভয় নাই, হাঁড়ির ভিতর যেন হার থাকে; রাখ নিয়া খিড়কি পুকুরের পাঁকে; তাতে যেন ভুলটি না হয়।’

    দুই চক্ষের জল ছেড়ে, জগা বাঁচে,—তখনি হার নিয়া খিড়কি পুকুরে রাখিয়া আসিল।

    পরদিন,—গা-ময় তিলক ছাপা চিতা বাঘের ঠাকুর-জামাই,—তিন নামাবলি গায়ে, তিন নামাবলি গলায়, বড়ো বড়ো রুদ্রাক্ষের মালা, ফুলের ভারে টিকি ঝোলা, খুঙ্গি, পুঁথি, ছাতি, লাঠি, সকল নিয়া ব্রাহ্মণ রাজার সভায় গিয়া উপস্থিত।

    টিকি নাড়ে মন্ত্র পড়ে, ভঙ্গি ছঙ্গি কত
    এ-পুঁথি ও-পুঁথি খোলে পুঁথি শত শত!

    গণিয়া গণিয়া আঙুল ক্ষয়,—কত শত খড়ি পাতে, কত শত মাটি আঁকে,—অনেক ক্ষণের পর,—

    ‘শুনো শুনো মহাশয়! পেয়ে গেছি হার,
    নিশ্চয় সে রহিয়াছে পুকুরে তোমার।’

    ‘খোঁজ খোঁজ!’-পুকুরের জল দই,—কিন্তু হার মিলিল কই?-রাজা বলেন,—

    ‘হা রে হা রে, চতুরালী করেছ বচন,
    না রাখ প্রাণের ভয়, কেমন ব্রাহ্মণ!’

    ‘দোহাই মহারাজ!’-ভ্যাঁ করে বামুন কাঁদে আর কি,—

    ‘আমার ভুল নাই,—মহারাজ, তবে সত্যি এ সব জগদম্বার কাজ!’

    রাজা বলিলেন,—’ঠিক!-হতে পারে দশার দশা, আচ্ছা, নাহয় আবার খোঁজো!-তা, বামুনকে বাঁধো, যেন না পালায়।’

    আবার খোঁজ খোঁজ-

    কাদার তলেতে এক পাওয়া গেল ভাঁড়;
    ভেঙে দেখে, ঝলমল হার মাঝে তার।

    পাওয়া গেল, পাওয়া গেল! বামুনের বাঁধ খুলে গেল,

    সিংহাসন ছেড়ে রাজা পড়ে এসে পায়-
    ‘আজ হতে হইলা তুমি পণ্ডিত সভায়।’

    আনন্দে ব্রাহ্মণ মূর্ছাই গেল। এবার কিন্তু সে চোর ধরার মূর্ছা নয়।

    তা না হোক তা ভালোই,—তার পর? তারপর?

    ধন রত্ন, মণি মোতি, ছড়াছড়ি যায়
    নিত্য গিয়া বসে ব্রাহ্মণ, রাজার সভায়।
    দিকে দিকে হতে আসে পণ্ডিত বড়ো বড়ো,
    আমাদের পণ্ডিতের নামে ভয়ে জড়সড়।
    রাজা দেন পাদ্য অর্ঘ্য রানি দেন পূজা,
    জগা নিত্য জোগায় ফুল,—
    ঠাকুর পূজেন দশভূজা।

    তখন-

    ত্রিতল প্রাসাদে সেই আগের ব্রাহ্মণ
    সোনার খাটেতে রন করিয়া শয়ন।

    আর-

    তেলে ভাণ্ডার ভেসে যায়, গায়ে ধরে না গয়না,
    ব্রাহ্মণী তো ভারি খুশি,—হেসে ছাড়া কয়-ই না।

    এখন-

    রোজই বামুন পিটা খায়-
    ‘আহা লক্ষ্মী অতি।’
    শুনে বামনি হেসে কুটিকুটি,—মনের সুখে-
    পতিসেবা করিতে লাগিলা সুখে সতী।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমায়া, আজটেক ও ইনকা সভ্যতা – আবদুল হালিম

    Related Articles

    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    ঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    August 25, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    March 20, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    March 20, 2026
    Our Picks

    ঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    March 20, 2026

    মায়া, আজটেক ও ইনকা সভ্যতা – আবদুল হালিম

    March 20, 2026

    কালীগুণীন ত্রাহিমাম – সৌমিক দে

    March 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }