Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার এক পাতা গল্প127 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সোনার কাঠি রূপার কাঠি

    ১

    এক রাজপুত্র, এক মন্ত্রীপুত্র, এক সওদাগরের পুত্র আর এক কোটালের পুত্র-চার জনে খুব ভাব।

    কেহই কিছু করেন না, কেবল ঘোড়ায় চড়িয়া বেড়ান। দেখিয়া, শুনিয়া রাজা, মন্ত্রী, সওদাগর, কোটাল, বিরক্ত হইয়া উঠিলেন; বলিয়া দিলেন,—’ছেলেরা খাইতে আসিলে ভাতের বদলে ছাই দিয়ো।’

    মন্ত্রীর স্ত্রী, সওদাগরের স্ত্রী, কোটালের স্ত্রী কী করেন? চোখের জল চোখে রাখিয়া, ছাই বাড়িয়া দিলেন। ছেলেরা অবাক হইয়া উঠিয়া গেল।

    হাজার হোক পেটের ছেলে; তার সামনে কেমন করিয়া ছাই দিবেন? রানি তাহা পারিলেন না। রানি পরমান্ন সাজাইয়া, থালার এক কোণে একটু ছাইয়ের গুড়াঁ রাখিয়া ছেলেকে খাইতে দিলেন।

    রাজপুত্র বলিলেন,—’মা, থালে ছাইয়ের গুঁড়া কেন?’

    রানি বলিলেন,—’ও কিছু নয় বাবা, অমনি পড়িয়াছে।’

    রাজপুত্রের মন মানিল না; বলিলেন-‘না, মা, না বলিলে আমি খাইব না।’ রানি কী করেন? সকল কথা ছেলেকে খুলিয়া বলিলেন।

    শুনিয়া, রাজপুত্র মায়ের পায়ে প্রণাম করিয়া, উঠিলেন।

    চার বন্ধুতে রোজ যেখানে আসিয়া মিলেন, সেইখানে আসিয়া সকলে সকলকে জিজ্ঞাসা করিলেন, ‘আজ কে কেমন খাইয়াছ?’

    সকলেই মুখ চাওয়া-চাওয়ি করেন। তখন রাজপুত্র বলিলেন,—’ভাই, আর দেশে থাকিব না, চলো দেশ ছাড়িয়া যাই।’

    ‘সেই ভালো!’ চারিজনে চারি ঘোড়া ছুটাইয়া দিলেন।

    ২

    ঘোড়া ছুটাইতে ছুটাইতে ছুটাইতে ছুটাইতে, চার বন্ধু এক তেপান্তরের মাঠের সীমায় আসিয়া পৌঁছিলেন।

    মাঠের উপর দিয়া চার দিকে চার পথ।

    কে কোন দিকে যাইবেন? ঠিক হইল,—কোটালের দক্ষিণ, সওদাগরের উত্তর, মন্ত্রীর পশ্চিম আর রাজপুত্রের পুব। তখন সকলে মাথার পাগড়ির কাপড় ছিঁড়িয়া চার পথের মাঝখানে চার নিশান উড়াইয়া দিলেন,—’যেই যখন ফিরুক অন্য বন্ধুদের জন্য এইখানে আসিয়া বসিয়া থাকিবে।’

    চার ঘোড়া চার পথে ছুটিল।

    সারা দিনমান চারজনে ঘোড়া ছুটাইলেন, কেহই কোথাও গ্রাম, নগর, বন্দর, বাড়ি কিছুই দেখিলেন না; সন্ধ্যার পর আবার সকলেই কোন এক একই জায়গায় আসিয়া উপস্থিত!

    সে মস্ত এক বন! রাজপুত্র বলিলেন,—’দেখো, আমরা নিশ্চয় রাক্ষসের মায়ায় পড়িয়াছি; সাবধানে রাত জাগিতে হইবে! কিন্তু ক্ষুধায় শরীর অবশ, দেখো কিছু খাবার পাওয়া যায় কি না।’

    সকলে ঘোড়া বাঁধিয়া খাবার সন্ধানে গেলেন।

    বনে একটিও ফল দেখা যায় না, কোনো জীবজন্তু দেখা যায় না, কেবল পাথর কাঁকর আর বড়ো বড়ো বট পাকুড় তাল শিমুলের গাছ।

    হঠাৎ দেখেন, একটু দূরে এক হরিণের মাথা পড়িয়া রহিয়াছে। সকলের আনন্দের সীমা রহিল না; কোটালের পুত্র কাঠ কুড়াইতে গেলেন, সওদাগরের পুত্র জল আনিতে গেলেন, মন্ত্রীপুত্র আগুনের চেষ্টায় গেলেন, রাজপুত্র একটা গাছের শিকড়ে মাথা রাখিয়া গা ছড়াইয়া শুইয়া পড়িলেন।

    রাজপুত্র ঘুমে। কাঠ নিয়া আসিয়া কোটাল দেখেন, আর বন্ধুরা আসে নাই। কাঠ রাখিয়া কোটাল হরিণের মাথাটি কাটিতে গেলেন।

    তরোয়াল ছোঁয়াইয়াছেন-আর অমনি হরিণের মাথার ভিতর হইতে এক বিকটমূর্তি রাক্ষসী বাহির হইয়া কোটাল আর কোটালের ঘোড়াটিকে খাইয়া, আবার যেমন হরিণের মাথা তেমনি হরিণের মাথা হইয়া পড়িয়া রহিল।

    জল আনিয়া সওদাগর দেখেন, কাঠ রাখিয়া কোটাল-বন্ধু কোথায় গিয়াছে। সওদাগর হরিণের মাথা কাটিতে গেলেন। সওদাগর, সওদাগরের ঘোড়া রাক্ষসীর পেটে গেল।

    মন্ত্রী আসিয়া দেখেন, জল আসিয়াছে, কাঠ আসিয়াছে, বন্ধুরা কোথায়? ‘আচ্ছা, মাংসটা বানাইয়া রাখি।’

    ‘বাঁচাও বাঁচাও!-বন্ধু, কোথায় তোমরা-

    -জন্মের মতো গেলাম!’

    মন্ত্রিপুত্রের চিৎকারে রাজপুত্র ধড়মড় করিয়া উঠিয়া বসিলেন। দেখেন,—কী সর্বনাশ,—রাক্ষসী! রাক্ষসী মন্ত্রীপুত্র আর মন্ত্রীপুত্রের ঘোড়া খাইয়া রাজপুত্রের ঘোড়াকে ধরিল। তরোয়াল খুলিয়া রাজপুত্র দাঁড়াইলেন; রাজপুত্রের পক্ষীরাজ চেঁচাইয়া বলিল,—’মহারাজ, পলাও পলাও, আর রক্ষা নাই!’ রাজপুত্র বলিলেন,—’পলাইব না-বন্ধুদের খাইয়াছে, রাক্ষসী মারিব!’ রাজপুত্র তরোয়াল উঠাইলেন,—চোখ আঁধার, হাত অবশ। রাক্ষসী আসিয়া রাজপুত্রকে ধরে ধরে,—বনের গাছ পাথর চারিদিক হইতে বলিয়া উঠিল,—’রাজপুত্র, পলাও, পলাও!’ তখন রাজপুত্র, দিশা হারাইয়া, যে দিকে চক্ষু যায়, দৌড়াইতে লাগিলেন।

    রাজপুত্র এক রাজার রাজ্য ছাড়িয়া আর এক রাজার রাজ্যে,—তবু রাক্ষসী পিছন ছাড়ে না। তখন নিরুপায় হইয়া রাজপুত্র সামনে এক আম গাছ দেখিয়া বলিলেন,—’হে আম গাছ! যদি তুমি সত্যকালের বৃক্ষ হও, রাক্ষসীর হাত হইতে আমাকে রক্ষা করো।’ আম গাছ দু-ফাক হইয়া গেল, রাজপুত্র তাহার মধ্যে গিয়া হাঁফ ছাড়িলেন।

    রাক্ষসী গাছকে কত অনুনয় বিনয় করিল, কত ভয় দেখাইল, গাছ কিছুই শুনিল না। তখন রাক্ষসী এক রূপসি মূর্তি ধরিয়া সেই গাছের তলায় বসিয়া কাঁদিতে লাগিল।

    সেই দেশের রাজা, বনে শিকার করিতে আসিয়াছেন। কান্না শুনিয়া রাজা বলিলেন,—’দেখো তো, বনের মধ্যে কে কাঁদে?’ লোকজন আসিয়া দেখে, আম গাছের নীচে এক পরমা সুন্দরী মেয়ে।

    মেয়েটিকে রাজা রাজপুরীতে নিয়া গেলেন।

    ৩

    রাজা সেই বনের মেয়েকে বিবাহ করিলেন। রানি হইয়া রাক্ষসী ভাবিল,—’সেই রাজপুত্রকে কেমন করিয়া খাই! ভাবিয়া রাক্ষসী, সাত বাসি পান্তা, চৌদ্দ বাসি তেঁতুলের অম্বল খাইয়া অসুখ বানাইয়া বসিল। তাহার পর রাক্ষসী বিছানার নীচে শোলাকাটি পাতিল। পাতিয়া সেই বিছানায় শুইয়া রঙ্গিমুখ ভঙ্গি করিয়া চোখের তারা কপালে তুলিয়া, একবার ফিরে এ-পাশ, একবার ফিরে ও-পাশ।

    রাজা আসিয়া দেখেন, রানি খান না, দান না, শুকনো ঘরে জল ঢালিয়া চাঁচর চুলে আঁচড় কাটিয়া, রানি শুইয়া আছেন। দেখিয়া রাজা জিজ্ঞাসা করিলেন,—’এ কী রানি! কী হইয়াছে?’

    কথা কি ফোটে? ‘কোঁকাইয়া কোঁকাইয়া’ কত কষ্টে রানি বলিল।-‘আমার হাড়মুড়মুড়ির ব্যারাম হইয়াছে।’

    রানির গড়াগড়িতে বিছানার নীচের শোলাকাটিগুলা মুড়মুড় করিয়া ভাঙিতেছিল কিনা? রাজা ভাবিলেন।-‘তাই তো? রানির গায়ের হাড়গুলো মুড়মুড় করিতেছে!-হায় কী হইবে!’

    কত ওষুধ, কত চিকিৎসা; রানির কী যে-সে অসুখ? অসুখ সারিল না। শেষে রানি বলিল,—’ওষুধে তো কিছু হইবে না, বনের সেই আম গাছ কাটিয়া তাহার তক্তার ধোঁয়া ঘরে দিলে তবে আমার ব্যারাম সারিবে।’

    রাজাজ্ঞা, অমনি হাজার হাজার ছুতোর গিয়া আম গাছে কুড়ুল মারিল!-গাছের ভিতরে রাজপুত্র বলিলেন,—’হে বৃক্ষ, যদি সত্যকালের বৃক্ষ হও, তো আমাকে একটি আমের মধ্যে করিয়া ওই পুকুরের জলে ফেলিয়া দাও’, অমনি গাছ হইতে একটি আম টুব করিয়া পুকুরের জলে পড়িল; তখনি এক রাঘব বোয়াল সেটিকে খাবার মনে করিয়া এক হাঁয়ে গিলিয়া ফেলিল।

    ছুতোরেরা আম গাছটি কাটিয়া লইয়া গিয়া তাহার তক্তা করিয়া রানির ঘরের চারিদিকে খুব করিয়া ধোঁয়া দিতেছে! কিন্তু রানি সব জানিতে পারিল; বলিল,—’নাঃ, এতেও কিছু হইল না। সেই পুকুরে যে রাঘব বোয়াল আছে, তাহার পেটে একটি আম, সেই আমটি খাইলে আমার অসুখ সারিবে।’

    সিঙ্গি জাল, ধিঙ্গি জাল, সব জাল নিয়া জেলেরা পুকুরে ফেলিল; রাঘব বোয়াল ধরা পড়িল। পেটের ভিতর আম, আমের ভিতর রাজপুত্র বলিলেন,— ‘হে বোয়াল, যদি তুমি সত্যকালের বোয়াল হও, তো আমাকে একটি শামুক করিয়া ফেলিয়া দাও।’ বোয়াল রাজপুত্রকে শামুক করিয়া ফেলিয়া দিল। জেলেরা বোয়াল আনিয়া পেট চিরিয়া কিছুই পাইল না।

    রাজা ভাবিলেন,—’আর রানির অসুখ সারিল না!’

    ৪

    এক গৃহস্থের বউ নাইতে গিয়াছে, রাজপুত্র শামুক তাহার পায়ে ঠেকিল। গৃহস্থের বউ শামুকটি তুলিয়া আছাড় দিয়া ভাঙিতেই ভিতর হইতে রাজপুত্র বাহির হইল। গৃহস্থের বউ ভয়ে জড়সড়। রাজপুত্র বলিলেন,—’বউ, ভয় করিয়ো না, আমি মানুষ,—রাক্ষসের ভয়ে শামুকের মধ্যে রহিয়াছি। তুমি আমার প্রাণ দিয়াছ, আজ হইতে তুমি আমার হাসন সখী।’

    রাজপুত্র হাসন সখীর বাড়িতে আছেন।

    রানি সব জানিল; রাজাকে বলিল,—’আমার অসুখ তো আর কিছুতেই সারিবে না, আমার বাপের দেশে হাসন চাঁপা নাটন কাটি, চিরণ দাঁতের চিকন পাটি, আর বারো হাত কাঁকুড়ের তেরো হাত বিচি আছে, সেইগুলি আনাইলে আমার অসুখ সারিবে।’

    ‘কে আনিবে, কে আনিবে?’

    ‘অমুক গৃহস্থের বাড়ি এক রাজপুত্র আছে, সেই আনিবে।’

    অমনি হাজার হাজার পাইক ছুটিল।

    চারিদিকে রাজার পাইক; হাসন সখী ভয়ে অস্থির। রাজপুত্র বলিলেন,—’হাসন সখী, আমারি জন্যে তোমাদের বিপদ, আমি দেশ ছাড়িয়া যাই।’

    বাহির হইতেই, পাইকেরা-রাজপুত্রকে ধরিয়া লইয়া গেল! রাজার কাছে যাইতে রাজপুত্র বলিলেন,—’মহারাজ! রানি আপনার রাক্ষসী;-রাক্ষসীর হাত হইতে আমাকে বাঁচান।’

    শুনিয়া রাজা বলিলেন,—’মিথ্যা কথা।-তাহা হইবে না, রানির বাপের দেশে হাসন চাঁপা নাটন কাটি, চিরণ দাঁতের চিকন পাটি, আর বারো হাত কাঁকুড়ের তেরো হাত বিচি আছে, সেই সব তোমাকে আনিতে হইবে।’

    রাজা এক পত্র দিয়া রাজপুত্রকে পাঠাইয়া দিলেন।

    ৫

    কী করিবেন, রাজপুত্র চলিতে লাগিলেন। কোথায় সে হাসন চাঁপা নাটন কাটি, কোথায় বারো হাত কাঁকুড়ের তেরো হাত বিচি-কোথায় সে রানির বাপের দেশ?-রাজপুত্র ভাবিলেন-‘হায়! রাক্ষসীর হাত হইতে কীসে এড়াই!’ রাজপুত্র, যেদিকে চক্ষু যায় চলিতে লাগিলেন।

    কত দিন কত রাত চলিতে চলিতে, একজায়গায় আসিয়া রাজপুত্র দেখেন, এক মস্ত পুরী। রাজপুত্র বলিলেন,—’আহা! এতদিনে আশ্রয় পাইলাম।’

    পুরীর মধ্যে গিয়া মানুষজন কিছু দেখিতে পান না,—খুঁজিতে খুঁজিতে এক ঘরে দেখেন, সোনার খাটে গা রুপার খাটে পা এক রাজকন্যা শুইয়া আছেন। রাজপুত্র ডাকাডাকি করিলেন,—রাজকন্যা উঠিলেন না! তখন রাজপুত্র দেখেন, বিছানার দুই দিকে দুইটি কাটি-শিয়রের কাটিটি রুপার, পায়ের দিকের কাটিটি সোনার। রাজপুত্র শিয়রের কাটি পায়ের দিকে নিলেন, পায়ের দিকের কাটি শিয়রে নিলেন! রাজকন্যা উঠিয়া বসিলেন।-‘কে আপনি!-দেব না দৈত্য, দানব না মানব,—এখানে কেমন করিয়া আসিলেন?-পলাইয়া যান,—পলাইয়া যান,—এ রাক্ষসের পুরী।’

    রাজপুত্রের প্রাণ শুকাইয়া গেল।-‘এক রাক্ষসের হাত হইতে আসিলাম, এখানেও রাক্ষস!-রাজকন্যা, আমি কোথায় যাই?’

    রাজকন্যা বলিলেন,—’আচ্ছা, আপনি কে, আগে বলুন।’

    রাজপুত্র সকল কথা বলিলেন, তারপর বলিলেন-‘আমি তো সেই রাক্ষসী-রানির হাত আজও এড়াইতে পারিলাম না, তা এ রাক্ষসের পুরীতে এমন একা রাজকন্যা কেন?’

    রাজকন্যা বলিলেন,—’এই পুরী আমার বাপের; রাক্ষসেরা আমার বাপ-মা-রাজ-রাজত্ব খাইয়াছে, কেবল আমাকে রাখিয়াছে। যদি আমি পলাইয়া যাই, সেই জন্য বাহিরে যাইবার সময় রাক্ষসেরা সোনার কাটি রুপার কাটি দিয়া আমাকে মারিয়া রাখিয়া যায়।’

    শুনিয়া রাজপুত্র ভাবিতে লাগিলেন, কী করিয়া দুইজনে রাক্ষসের হাত হইতে এড়াইবেন।

    ‘আঁই লোঁ মাঁই লোঁ, মাঁনুষের গঁন্ধ পাঁই লোঁ।

    ধঁরে ধঁরে খাঁই লোঁ!-‘

    সেই সময় চারিদিক হইতে রাক্ষসেরা শব্দ করিয়া আসিতে লাগিল। রাজকন্যা বলিলেন,—’রাজপুত্র, রাজপুত্র-শিগগির আমাকে মারিয়া ফেলিয়া, ওই যে শিবমন্দির আছে, ওরই মাঝে ফুল-বেলপাতার নীচে গিয়া লুকাইয়া থাকুন।’

    ‘আঁই লোঁ মাঁই লোঁ’ করিয়া রাক্ষসেরা আসিল। বুড়ি রাক্ষসী রাজকন্যাকে বাঁচাইয়া, বলিল,—

    ‘নাঁতনি লোঁ নাঁতনি! মাঁনুষ মাঁনুষ গঁন্ধ কঁয়-

    মাঁনুষ আঁবার কোঁথায় রঁয়?’

    রাজকন্যা বলিলেন,—’মানুষ আবার-থাকিবে কোথায়; আমিই আছি, আমাকে খাইয়া ফেলো।’

    বুড়ি বলিল,—’উঁ হুঁ নাঁতনি লোঁ, তাঁ কিঁ পাঁরি!-এঁই নে নাঁতনি তোঁর জঁন্যে কঁত খাঁবার এঁনেচি।’ নাতনিকে খাওয়াইয়া-দাওয়াইয়া, বুড়ি আর সকল রাক্ষস, নাকে কানে হাঁড়ি হাঁড়ি সরষের তৈল ঢালিয়া নাক ডাকাইয়া ঘুমাইয়া পড়িল। রাজকন্যা, আয়ির মাথার পাকা চুল তোলেন আর ডেলা ডেলা এক-এক উকুন দুই পাথরের চাপ দিয়া কটাস কটাস করিয়া মারেন।

    রাজকন্যার রাত এই ভাবেই যায়।

    পরদিন আবার রাজকন্যাকে মারিয়া রাখিয়া রাক্ষসেরা চলিয়া গেল। রাজপুত্র বাহির হইয়া আসিয়া রাজকন্যাকে জিয়াইলেন, দুইজনে স্নান খাওয়া-দাওয়া করিলেন। রাজপুত্র বলিলেন,—’রাজকন্যা। এভাবে কতদিন থাকিব? আজ যখন বুড়ি আসিবে, তখন দুই কথা ছল ভাণ করিয়া, ওদের মরণ কীসে আছে, তাই জিজ্ঞাসা করিয়ো।’

    আবার রাক্ষসেরা আসিলে, রাজপুত্র শিবমন্দিরে গিয়া লুকাইলেন। রাজকন্যাকে খাওয়াইয়া-দাওয়াইয়া বুড়ি খাটের উপর বসিল।-রাজকন্যা বলিলেন,—’আয়ি, লো আয়ি, কত রাজ্য ঘুরিয়া হাঁপাইয়া হুঁপাইয়া আইলি, আয় একটু বাতাস করি, পাকা চুল দু-গাছ তুলিয়া দি!’

    ‘ওঁ মাঁ লোঁ মাঁ লঁক্ষ্মী!’ বুড়ি হাসিয়া চোখ দুইটা কপালে তুলিয়া বলিল,— ‘হ্যাঁ লোঁ হ্যাঁ নাঁতনি, পাঁ-টা তোঁ কঁট কঁটই কঁচ্ছে। এঁকটু টিঁপিয়া দিঁবি?’

    ‘তা আর দিব না আয়িমা?’ হাঁড়িভরা সরষের তৈল আয়ির পায়ের ফাটলে দিয়া রাজকন্যা আয়ির পা টিপিতে বসিলেন।

    পা টিপিতে বসিয়া রাজকন্যা চোখে তেল দিয়া কাঁদেন,—এক ফোঁটা চোখের জল বুড়ির পায়ে পড়িল। চমকিয়া উঠিয়া জলফোঁটা আঙুলের আগায় করিয়া নিয়া জিভে দিয়া লোনা লাগিল, বুড়ি বলিল,—’নাঁতনি তুঁই কাঁদছিস-কেঁন লোঁ, কেঁন লোঁ? তোঁর আঁবার দুঃঁখু কীঁসের?’

    রাজকন্যা বলিলেন,—’কাঁদি আয়িমা, কবে বা তুই মরিয়া যাইবি, আর সকল রাক্ষসে আমাকে খাইয়া ফেলিবে।’

    কুলার মতো কান নাড়িয়া মূলার মতো দাঁত বাহির করিয়া হাসিয়া আয়ি বলিল-‘ওঁরে আঁমার সোঁনার নাঁতনি, মোঁদের কিঁ মঁরণ আঁছে যেঁ মঁরিব? এ পিঁত্থিমির মোঁদের কিঁচ্ছুতে মঁরণ নাঁই!-কেঁবল ওই পুঁকুরে যেঁ ফঁটিকস্তঁম্ভ আঁছে, তাঁর মঁধ্যে এঁক সাঁতফণা সাঁপ আঁছে; এঁক নিঁশ্বাসে উঁঠিয়া ওই সোঁনার তাঁল গাছের তাঁল পাতা খাঁড়া পাঁড়িয়া যঁদি কোঁনো রাঁজপুত্র ফঁটিকস্তঁম্ভ ভাঙিয়া সাঁপ বাঁহির কঁরিয়া বুঁকের উঁপর রাঁখিয়া কাঁটিতে পাঁরে, তঁবেই মোঁদের মঁরণ।-তাঁ মাঁটিতে যঁদি এঁক ফোঁটা রঁক্ত পঁড়ে, তোঁ এঁক-এঁক ফোঁটায় সাঁত-সাঁত হাঁজার কঁরিয়া রাঁক্ষস জঁন্ম নিঁবে!’

    শুনিয়া রাজকন্যা বলিলেন,—’তবে আর কী আয়িমা! তা, কেউ পারিবে না, তোরাও মরিবি না;-আমারও আর ভাবনা নাই। আচ্ছা আয়িমা! অমুক দেশের রাজার রানি যে রাক্ষসী, তার আয়ু কীসে আয়িমা? আর হাসন চাঁপা নাটন কাটি চিরণ দাঁতের চিকন পাটি, বারো কাঁকুড়ের তেরো হাত বিচি কোথায় পাওয়া যায় আয়িমা?’

    আয়ি বলিল, ‘আছে লোঁ নাঁতনি আঁছে! যেঁ ঘঁরে তোঁর বাঁপ থাঁকত সেঁই ঘঁরে আঁছে, আঁর সেঁ ঘঁরে যেঁ এঁক শুঁক, তাঁরই মঁধ্যে আঁমার মেঁয়ে সেঁই রাঁনির প্রাঁণ! কাঁউকে যেঁন কঁস নেঁ নাঁতনি, সঁব তোঁ আঁমি তোঁকেই দেঁব।’

    পরদিন বুড়ি সকল রাক্ষস নিয়া বাহির হইল; বলিয়া গেল,—’নাঁতনি লোঁ, আঁজ আঁমরা এঁই কাঁছেই থাঁকিব।’ যেদিন, রাক্ষসেরা দূরের কথা বলে, সেদিন কাছে কাছে থাকে, যেদিন কাছের কথা বলে, সেদিন খুব দূরে দূরে যায়। রাক্ষসেরা চলিয়া গেলে রাজপুত্র আসিয়া রাজকন্যাকে বাঁচাইয়া সকল কথা শুনিলেন। তখনি, স্নান-টান করিয়া কাপড়চোপড় ছাড়িয়া শিবমন্দিরে ফুল-বেলপাতা অঞ্জলি দিয়া, রাজপুত্র নিশ্বাস বন্ধ করিয়া তাল গাছে উঠিয়া তালপত্র খাঁড়া পাড়িলেন। তারপর পুকুরে নামিয়া স্ফটিকস্তম্ভ ভাঙিয়া দেখেন, সাতফণা সাপ। রাজপুত্র সাপ নিয়া উপরে আসিলেন। পৃথিবীর সকল রাক্ষসের মাথা টনটন করিয়া উঠিল;-যে যেখানে ছিল রাক্ষসেরা ছুটিয়া আসিতে লাগিল।-আলুথালু চুল, এই লম্বা লম্বা পা ছুড়িতে ছুড়িতে বুড়ি সকলের আগে ছুটিয়া আসে-

    ‘আঁই লোঁ মাঁই লোঁ, নাঁতনি লোঁ নাঁতনি লোঁ,—

    তোঁর মঁনে এঁই ছিল লোঁ!

    তোঁর মুঁণ্ডুটা চিঁবিয়া খাঁই লোঁ!’

    আর মুণ্ডু খাওয়া! রাজকন্যা বলিলেন,—’রাজপুত্র, শিগগির সাপ কাটিয়া ফেলো!’

    বুকের উপর রাখিয়া তালপত্র খাঁড়া দিয়া রাজপুত্র সাপের গলা কাটিয়া ফেলিলেন। এক ফোঁটা রক্তও পড়িতে দিলেন না।

    সব ফুরাইল, যত রাক্ষস পুকুরপাড়ে আসিতে আসিতেই মুণ্ডু খসিয়া পড়িয়া গেল।

    রাজপুত্র রাজকন্যা হাঁপ ছাঁড়িয়া ঘরে গেলেন। এক কুঠুরিতে হাসন চাঁপা নাটন কাটি, চিরণ দাঁতের চিকন পাটি, সব রহিয়াছে, আর এক শুক পাখি ছটফট করিয়া চেঁচাইতেছে। সব লইয়া রাজপুত্র বলিলেন,—’রাজকন্যা, আমার দেশে চলো।’

    রাজকন্যাকে একখানে রাখিয়া, রাজপুত্র, রানির ওষুধ আর শুকটি নিয়া রাজার কাছে গেলেন,—’মহারাজ, আজ একবার সভা করিবেন, আমি রানির অসুখ সারাইব।’

    ভারি খুশি হইয়া রাজা সভা করিয়া বসিলেন। রাজপুত্র কাটি, পাটি, চাঁপা, কাঁকুড় সভায় রাখিলেন। সকলে দেখে, কী আশ্চর্য! রাজপুত্র বলিলেন,—’মহারাজ, রানিকে নিজে আসিয়া এইগুলি নিতে হইবে।’

    রানির তো ওদিকে হাড়মুড়মুড়ি গিয়া কলজে-ধড়ফড়িব্যারাম হইয়াছে-‘ছেলেটা তো তবে সব নাশ করিয়া আসিয়াছে! আজ ওকে খাব! রাজ্য খাব!’-

    রাজ্য খা!-সভার দুয়ারে রানি পা দিয়াছে, আর রাজপুত্র বলিলেন,—’ও রাক্ষসী, আমাকে খাবি?-এই দেখ!’-রাজপুত্র খাঁচা হইতে শুকটিকে বাহির করিয়া একটানে শুকের গলা ছিঁড়েন আর কি!-রাক্ষসী বলিল-‘খাঁব না, রাঁখ রাঁখ! তোঁর পাঁয়ে পঁড়ি!’-রানির মূর্তি কোথায়, দাঁত-বিকটি রাক্ষসী!-

    রাজা, সভার সকলে থরথর কাঁপেন।

    রাজপুত্র বলিলেন,—’দে, আমার কোটাল বন্ধু দে, কোটাল বন্ধুর ঘোড়া দে! দে, আমার সওদাগর বন্ধু দে, সওদাগর বন্ধুর ঘোড়া দে! মন্ত্রীবন্ধু, মন্ত্রীবন্ধুর ঘোড়া দে, আমার ঘোড়া দে!’

    রাক্ষসী হোয়াক হোয়াক করিয়া একে একে সব উগরিয়া দিল! তখন রাজপুত্র বলিলেন,—’মহারাজ, দেখিলেন, রানি রাক্ষসী কি না?’-

    -‘এইবার রাক্ষসী-নিপাত যাও!’

    শুকের গলা ছিঁড়িল-রাক্ষসী গ্যাঁ গ্যাঁ করিয়া পড়িয়া মরিয়া গেল! রাক্ষসীর মরণ,—মরিতে মরিতেও মরণকামড়ি-রাজার সিংহাসন ধরিয়া টান মারে আর কি!-সার সার করিয়া রাজা বাঁচিয়া গেলেন।

    ঘাম দিয়া সকলের জ্বর ছাড়িল। রাজা বলিলেন,—’ধন্য তুমি কোথাকার রাজপুত্র! যত ধন চাও, ভাণ্ডার খুলিয়া নিয়া যাও।’

    রাজপুত্র বলিলেন,—’আমি কিছুই চাই না,—এতদিনে রাক্ষসীর হাত হইতে সকলে বাঁচিলাম,—এখন আমরা দেশে যাইব।’ রাজা শুনিলেন না, ভাণ্ডার খুলিয়া সকল ধন রত্ন বাহির করিয়া দিলেন।

    রাজকন্যাকে লইয়া রাজপুত্র, রাজপুত্রের তিন বন্ধু, দেশে গেলেন।

    পৃথিবীতে যত রাক্ষস জন্মের মতো ধ্বংস হইয়া গেল।

    দেশে গিয়া রাজপুত্রেরা, বাপ-মায়ের আদরে, সুখে দিন গণিতে লাগিলেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমায়া, আজটেক ও ইনকা সভ্যতা – আবদুল হালিম
    Next Article বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    Related Articles

    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    ঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    August 25, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Our Picks

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }