Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    তরাই – সমরেশ বসু

    সমরেশ বসু এক পাতা গল্প176 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৯. আকাশে আলো

    প্রায় ভোরবেলা, তখনও আকাশে আলো পরিষ্কার হয়ে জেগে ওঠেনি, শহরের আলো নিভে যায়নি, ওরা এসে শিলিগুড়ি শহরে পৌঁছুল।

    নারায়ণ বলল, এখন আর অফিসের দিকে না গিয়ে বাড়ির দিকেই যাওয়া যাক।

    উদিত নারায়ণদের বাড়ি চেনে। সুতপা বলল, হ্যাঁ, বাড়িতে ওঠাই ভাল, আমার একটু কোথাও থামা দরকার।

    নারায়ণদের বাড়ির সামনে গাড়ি দাঁড়াল। দারোয়ান জেগে ছিল। সে দরজা খুলে দিল। সুতপা জানতে চাইল বাথরুম কোথায়। নারায়ণ বউদিকে ডেকে তুলে, তার হাতে সুতপাকে দিয়ে এল। নীচে এসে উদিতকে বলল, মেয়েটা তোর প্রেমে পড়ে গেছে একেবারে।

    তার কথা শেষ হবার আগেই, বাড়ির সামনে একটা জিপ এসে দাঁড়াল। শিলিগুড়ি পুলিশের জিপ। উদিত দেখল একজন অফিসার নেমে, নারায়ণের ট্রাকটা দেখল। ঘরের দিকে এগিয়ে এল। চেনা অফিসার। জিজ্ঞেস করল, এ ট্রাকটা কখন এল?

    নারায়ণ বলল, এই তো আসছে।

    ড্রাইভার কোথায়?

    তাড়াতাড়ি উদিত বলল, মিহির ট্রাক রেখেই বাড়ির দিকে গেল, সেই চালিয়েছে।

    কোথা থেকে ট্রাকটা এল এখন?

    মানিকচক, মালদহ।

    এ গাড়িতে কোনও মেয়ে ছিল?

    উদিত বলল, না তো, কী ব্যাপার?

     

     

    অফিসার উদিতকে চেনে না, বলল, থাকার কথা। খবর আমরা আগেই পেয়েছি। কিন্তু ট্রাকটা শিলিগুড়ি ঢোকবার আগে ধরতে পারিনি। আর কে কে ছিল ট্রাকে।

    নারায়ণ এক বার উদিতকে দেখে বলল, এ আর আমি।

    কিন্তু নারায়ণবাবু এ ট্রাকে নিশ্চয়ই একজন মেয়ে ছিল। যদি জানেন তা হলে বলুন, তা না হলে, ব্যাপার অনেক দূর গড়াবে। যে মেয়ের কথা আমি বলছি, তার নাম নয়ন সিনহা। আজ তিন দিন ধরে, তার জন্য কলকাতা থেকে তরাই পর্যন্ত, ওদিকে বাগডোগরা এয়ারপোর্ট, সবখানে জাল ফেলে রাখা হয়েছে, যাতে তাকে ধরা যায়। আমাদের কাছে খবর হচ্ছে, এই নম্বরের, এই মিলিটারি মাঝারি ট্রাকে তাকে দেখা গেছে।

    উদিত বলল, আমাদের কী লাভ বলুন মিথ্যে কথা বলে। আমরা নিশ্চয়ই তাকে ইলোপ করতে চাইনি বা, এরকম কোনও মেয়েকে আমরা চিনিই না।

    অফিসার বলল, ইলোপ করবেন কেন। তাকে হাতে রাখতে পারলে, অনেক টাকাও রোজগার করতে চাইবে। কোটিপতির মেয়ে। যে তাকে ধরে রাখবে, সেই কিছু টাকা চেয়ে বসবে। কিন্তু আইনের সঙ্গে হাত মিলিয়ে কেউ ধরিয়ে দিতে পারলে, নিশ্চয়ই টাকা পাবে, অনেক টাকাই পাবে। আর চালাকি করলে, তখন সেটা দুষ্কৃত বলে ধরা হবে।

     

     

    নারায়ণ উদিত কিছুই বলল না। অফিসার বলল, তা হলে আপনারা কিছুই জানেন না?

    নারায়ণ বলল, না আমি তো কিছুই বুঝতে পারছি না।

    নারায়ণদের বিরাট প্রতিপত্তি। অফিসার বিশেষ কিছু না বলে, খালি বলল, ট্রাকটা যেন আর কোথাও পাঠাবেন না, আপনারা দুজনে বাড়ি ছেড়ে কোথাও যাবেন না।

    অফিসার চলে গেল। নারায়ণ আর উদিত অবাক হয়ে পরস্পরের দিকে তাকাল। এ সময়ে সুতপা নেমে এল। উদিত আচমকা বলল, আপনার নাম নয়ন সিনহা।

    সুতপা চমকে উঠল। নারায়ণ পুলিশের কথা বলল। সুতপা ভয়ার্ত মুখে বলল, তা হলে আর আমি এক মুহূর্ত এখানে থাকতে চাই না। আমার পালানো দরকার।

    উদিত বলল, ব্যাপার কী?

     

     

    সুতপা বলল, পরে সব বলব, আপনি আমাকে মেটেলিতে পৌঁছে দিন।

    কিন্তু কী করে যাব! চারদিকে আপনার জন্য জাল ফেলা হয়েছে।

    এখনও একটু অন্ধকার আছে। অন্য একটা গাড়ি নিয়ে, আমরা মেটেলিতে যেতে পারি।

    উদিত নারায়ণের দিকে তাকাল। নারায়ণ বলল, একটা জিপ ব্যবস্থা হতে পারে, কিন্তু কোন পথে যাবি?

    উদিত বলল, আমার মনে হয়, সেবক ব্রিজ দিয়ে গেলে, ওদিকে ধরে ফেলবে। কারণ ভাববে ওদিক ছাড়া রাস্তা নেই। আমরা যদি জলপাইগুড়ি হয়ে বার্নেস দিয়ে আবার উজোন যাই মেটেলিতে, ধরতে পারবে না।

    ঠিক বলেছিস।

    উদিত বলল, কিন্তু আমার জানা দরকার, আমি এমন কোনও অপরাধ করছি কি না। যেটা আমাকে অপমানিত করবে।

     

     

    সুতপা ওর হাত ধরে বলল, আপনি কোনও অপরাধই করছেন না। শেষে সব জানতে পারবেন, হয়তো আপনি ঈশ্বরের আশীর্বাদ পাবেন। পরে সবই আপনাকে আমি বলব।

    আর দেরি না করে, নারায়ণের গ্যারেজ থেকে জিপ বের করল উদিত। সব দেখেশুনে সুতপাকে নিয়ে বেরিয়ে পড়ল, জলপাইগুড়ির পথে।

    .

    সকাল নটার মধ্যেই বার্নেস পেরিয়ে, মালবাজারের রাস্তায় পড়ল। মেটেলির চা বাগান অঞ্চলে, ওরা যখন পৌঁছল তখন প্রায় বারোটা। সুতপার কথানুযায়ী মেটেলির পাহাড়ে টিলার ওপরে, যে বিশাল বাংলো প্রাসাদে এসে ওরা উঠল, উদিত সেটাকে প্রচুর চা বাগানের মালিক, টি-কিং দীপেন্দ্র সিংহের বাংলো বলেই জানে। দীপেন্দ্র সিংহ মারা গিয়েছেন কয়েক মাস। তাঁর স্ত্রী এখন এখানে আছেন।

    সুতপা দৌড়ে বাংলোয় ঢুকল। চাকর দারোয়ান আয়া লোকজন সব হইহই করে উঠল। আর পিছনে পিছনে এল আরও কয়েকটা গাড়ি। সবই পুলিশের এবং অন্যান্য আরও কিছু।

     

     

    প্রথমেই একজন অফিসার এসে, উদিতের হাত চেপে ধরল। আর সেই মুহূর্তেই বাংলোর বারান্দায়, সুতপাকে দেখা গেল এক মহিলার সঙ্গে। তিনি সুতপাকে জড়িয়ে ধরেছিলেন। তিনি পুলিশ অফিসারকে বললেন, ওকে ছেড়ে দিন, আমার কাছে আসতে দিন। এই আমার মেয়ে আমার কাছে।

    পুলিশ অফিসার অবাক হয়ে উদিতকে ছেড়ে দিল। উদিত বারান্দার দিকে এগিয়ে গেল।

    সমস্ত ঘটনার আকস্মিকতায়, উদিত বিস্মিত এবং চমকিত। যদিও, সমস্ত ঘটনা ওর এখনও জানা হয়নি। ইতিমধ্যেই যা ঘটেছে, তাতেই ও অবাক। সুতপা এখন আর সুতপা নয়, নয়ন সিন্হা বলাই উচিত। উদিতের পক্ষে যেন বিশ্বাস করাই কঠিন, তরাইয়ের বিখ্যাত চা ম্যানুফ্যাকচারার, যাকে টি-কিং বলা হত, সেই ডি সিনহা–অর্থাৎ দীপেন্দ্র সিংহের বিলাসবহুল বাংলোয় ও বসে আছে। আর নয়ন সেই দীপেন্দ্র সিংহেরই একমাত্র মেয়ে। যাকে বলা যায় কোটিপতির মেয়ে। এখন নারায়ণের কথা ওর বিশেষভাবে মনে পড়ছে। নারায়ণ যে বার বার বলেছিল, নয়নের মুখ তার চেনা চেনা লাগছে, সেটা মিথ্যা না। নারায়ণ নিশ্চয়ই এর আগে নয়নকে দেখেছে। নানা কারণেই, নারায়ণ মেটেলিতে এসেছে। নয়নও নিশ্চয়ই অনেক বার শিলিগুড়িতে গিয়েছে এবং সবাই এক ডাকেই, ডি সিনহার মেয়েকে চিনতে পেরেছে। শুধু শিলিগুড়িতে কেন, আরও অনেক জায়গাতেই হয়তো নয়নকে দেখা গিয়েছে।

     

     

    সমস্ত ঘটনা জানবার জন্য, উদিতের মনে তীব্র কৌতূহল জেগে উঠল। নয়নের কাছ থেকেই সমস্ত ঘটনা জানতে হবে। কিন্তু আপাতত তার সুযোগ নেই। বসবার ঘরে, প্রায় একটা সভা বসে গিয়েছে। জেলা পুলিশের বড় কর্তা পর্যন্ত হাজির। তা ছাড়া অন্যান্য অফিসাররাও আছেন। টি-এস্টেটের বড় বড় কর্মচারীরাও রয়েছেন।

    উদিত দেখল, নয়নের মা, মিসেস হেমলতা সিনহা এক ব্যক্তিত্বশালিনী মহিলা। সকলের ওপরেই যে তাঁর বিশেষ প্রতিপত্তি, তা তাঁর ব্যবহারেই বোঝা গেল। যদিও, এই মুহূর্তে তিনি খুশি ও আবেগে ভরপুর। সবাইকে চা-খাবারে আপ্যায়ন করে, সকলের কাছেই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করলেন, ধন্যবাদ জানালেন। জেলা পুলিশের বড় কর্তাকে বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানালেন। বললেন, আমার মেয়েকে ফিরে পাবার ব্যাপারে, আপনারা যথেষ্ট সাহায্য করেছেন।

    জেলার কর্ণধার গাম্ভীর্যের মধ্যেই একটু হেসে বললেন, আমরা মিস সিনহাকে নিরাপদে এখানে নিয়ে আসার যথেষ্ট চেষ্টা করেছি, তবে ব্যাপারটা আমাদের হাতে ছিল না।

    বলে তিনি উদিতের দিকে কুটি করে তাকালেন। বললেন, আমি এই উদিতবাবুর কোনও পরিচয় জানি না। মালদহ থেকে শিলিগুড়িতে খবর আসে যে, একটি মেয়েকে নিয়ে, দুজন যুবককে একটি ট্রাকে রওনা হতে দেখা গেছে। কিন্তু কোথায় তারা রওনা হয়েছে, সে খবর সঠিক জানা যায়নি। পরে অবিশ্যি আমরা জানতে পেরেছি, ট্রাকটি শিলিগুড়িতেই এসেছে। ট্রাকটিকে অনুসরণ করে আমরা ঠিক জায়গাতেই গেছলাম। কিন্তু পুলিশের কাছে উদিতবাবুরা মিথ্যে কথা বলেছিলেন। মিস সিনহার কথা উদিতবাবু অস্বীকার করেছিলেন। এক্ষেত্রে তার উচিত ছিল, পুলিশের কাছে সারেন্ডার করা।

     

     

    উদিত অপ্রস্তুত হয়ে, সকলের দিকে একবার তাকাল। নয়ন বলে উঠল, সেটা উদিতবাবুর দোষ নয়, আমিই বারণ করেছিলাম।

    জেলা কর্ণধার একটু নরম সুরে, সম্ভ্রমের সঙ্গে বললেন, সেটা আপনি ঠিক করেননি মিস সিনহা।

    প্রথমত আপনার মায়ের অনুরোধে, সমস্ত ব্যাপারটাই গোপন ছিল। তিনি চাননি, কলকাতার আত্মীয়ের বাড়ি থেকে আপনি যে পালিয়েছেন, সেটা এ অঞ্চলে জানাজানি হোক। কিন্তু ধরে নেওয়া হয়েছিল আপনি যে ভাবেই হোক, এদিকেই আসবেন। সেইজন্য আজ চার দিন ধরে, আমরা সবখানে আপনার জন্য জাল পেতেছিলাম। বাগডোগরা এয়ারপোর্ট থেকে সমস্ত ঘাঁটিতে। আপনার নিরাপত্তার জন্যই।

    নয়ন লজ্জিতভাবে বলল, আমি সত্যি দুঃখিত।

    জেলা কর্ণধার হাসলেন। তাঁকে একটু বিব্রতও দেখাল। বললেন, অবিশ্যি এক হিসাবে ভালই হয়েছে। আমরা ব্যাপারটা গোপন রাখতে চাইলেও, একেবারে গোপন থাকেনি। কিছু বাজে এলিমেন্ট খবরটা পেয়ে যায়। কী ভাবে পায় তা জানি না। তাদের সোর্স কলকাতাও হতে পারে। তারাও আপনার পিছু নিয়েছিল। ওদের দুটো উদ্দেশ্য থাকতে পারে। এক, আপনাকে এখানে পৌঁছে দিয়ে, আপনার মায়ের কাছ থেকে মোটা টাকা পুরস্কার পাওয়া। অথবা, কলকাতায় নিয়ে যাওয়া।

     

     

    উদিতের সঙ্গে নয়নের এক বার চোখাচোখি হল। নয়ন ঠোঁট টিপে হাসল। বলল, তাদের বোধ হয় ইংলিশবাজারেই আমরা দেখেছি।

    হ্যাঁ, সেখান থেকেই, তারা আপনাদের পিছু নিয়েছিল। তারা তোক খুব মারাত্মক, মার্ডারাস ওয়েপনস তাদের সঙ্গে ছিল। তাদের উদ্দেশ্য ছিল, দরকার হলে রক্তারক্তি করেও আপনাকে ছিনিয়ে নেবে।

    নয়নের চোখে আতঙ্ক ফুটে উঠল। মিসেস সিনহা শঙ্কিত গলায় বলে উঠলেন, ভগবান বাঁচিয়েছেন।

    জেলার কর্ণধার উদিতের দিকে তাকালেন। বললেন, সেটা অবিশ্যি উদিতবাবুরই কৃতিত্ব। উনি নির্ভয়ে খুব জোরে গাড়ি চালিয়েছিলেন। ওদের চিৎকারে বা ধমকে থামেননি, বা ওদের সাইড দেননি। কিন্তু, সামনে পুলিশের জিপ দেখেও নামেনি। আর একটু হলে পুলিশের জিপ খানায় পড়ে চূর্ণ বিচূর্ণ হয়ে যেত।

    উদিতের চোখের সামনে সেই দৃশ্য ভেসে উঠল। ও নয়নের দিকে এক বার দেখল, মাথা নিচু করল। জেলা কর্ণধার বললেন, কিন্তু যারা পিছু নিয়েছিল, তারা সেই প্রথম জানল, ঘটনার পিছনে পুলিশ ঢুকে পড়েছে। তখন তারা সরে পড়ে। এনি হাউ, এখন আমরা ধরে নিচ্ছি, যা হয়েছে, তা মঙ্গলই হয়েছে। মিস সিনহা নিরাপদে পৌঁছেছেন।

     

     

    বলে তিনি উঠে দাঁড়ালেন। তাঁর সঙ্গে প্রায় সকলেই। মিসেস সিনহা বললেন, সেজন্য আমি আপনাদের সকলের কাছেই কৃতজ্ঞ।

    একে একে সকলেই বিদায় নিলেন। উদিতের মনে হল, ওর-ও এবার বিদায় নেওয়া উচিত। ও বাইরের বারান্দার দিকে এগিয়ে গেল। মিসেস সিনহা বলে উঠলেন, তুমি কোথায় যাচ্ছ?

    উদিত বলল, আমি এখন শিলিগুড়ি ফিরে যাব।

    মিসেস সিনহা ঘাড় নাড়িয়ে বললেন, অসম্ভব। তুমি আমার নয়নকে ফিরিয়ে এনেছ। তোমাকে আমি এখন ছাড়তে পারব না। তুমি ঘরে গিয়ে বসো।

    নয়ন তখন সকলের সঙ্গে নমস্কার বিনিময়ে ব্যস্ত। উদিত সেদিকে একবার দেখল।

    মিসেস সিনহা আবার বললেন, তুমি বসো, আমি নয়নকে ডেকে দিচ্ছি।

     

     

    উদিত একটু লজ্জা পেল মিসেস সিনহার কথা শুনে। মুখ ফিরিয়ে ঘরের মধ্যে ঢুকল। অবিশ্যি সমস্ত ঘটনাটা আনুপূর্বিক জানবার কৌতূহল ওর রয়েছে। তা ছাড়া, এভাবে যে ছাড়া পাবে না, সেটা ও বুঝতে পারছে। কিন্তু নারায়ণের গাড়ি নিয়ে এসেছে। বেশি সময় ওর পক্ষে এখানে থাকা সম্ভব নয়। আজকের মধ্যেই ফিরে যেতে হবে।

    উদিত এসে বসতে না বসতেই নয়ন এসে ঘরে ঢুকল। জিজ্ঞেস করল, আপনি নাকি এখনই শিলিগুড়ি ফিরে যাবেন বলছেন?

    উদিত বলল, আমার কর্তব্য তো শেষ হয়েছে।

    নয়ন বলল, আপনার হয়তো হয়েছে, আমার তো হয়নি। ধরেছি যখন, এত সহজে ছাড়ছি না।

    কথাটা বলেই, নয়নের মুখে রং ধরে গেল। লজ্জা পেয়ে চোখের পাতা এক বার নামাল। কিন্তু তেমন কোনও আড়ষ্টভাব নেই।

     

     

    উদিত বলল, কিন্তু নারায়ণদের গাড়িটা নিয়ে এসেছি।

    নয়ন বলল, তা হোক। নারায়ণবাবুদের একটা গাড়ি নয়, অনেক গাড়ি আছে। বলেন তো, আপনার বন্ধুকে ডেকে পাঠাই।

    উদিতের চোখ উজ্জ্বল হয়ে উঠল। বলল, নারায়ণ এলে খুব ভাল হত। একসঙ্গে ফিরে যেতাম।

    নয়ন বলল, নারায়ণবাবুরও তা হলে সন্দেহ ঘুচত। উনি তো আপনাকে অনেক বারই বলেছেন, আমার মুখটা ওঁর চেনা চেনা লেগেছে।

    উদিত অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করল, সে কথা আপনি শুনতে পেয়েছেন?

    নয়ন মুখে কিছু না বলে, ঠোঁট টিপে হাসল। বোঝা গেল, শুধু এই কথাই নয়, নারায়ণের অনেক কথাই নয়ন শুনেছে। উদিত লজ্জায় ঠোঁট কামড়ে ধরল। নয়নের চোখের দিকে তাকাল। নয়নের চোখে হাসির ঝিলিক। বলল, আমি নারায়ণবাবুকে ট্রাঙ্ককল করছি। আমাদেরই একটা গাড়ি এখুনি পাঠিয়ে দিচ্ছি ওঁকে নিয়ে আসবার জন্য। আমাদের জন্য না থাকেন, বন্ধুর টানে থেকে যান।

    নয়নের হাসির মধ্যে একটু অভিমানের রেশও রয়েছে। উদিত বলল, তা কেন। আপনাদের জন্যই থেকে যাব। তবে নারায়ণ এলে ভাল হয়।

    নয়ন বলল, আমারও ভাল লাগবে।

    তারপরেই সে ব্যস্ত হয়ে উঠে বলল, এখন চলুন তো। তাড়াতাড়ি চান করে জামাকাপড় বদলে খেয়ে নিয়ে শুতে যাবেন। কাল সন্ধে থেকে একটানা গাড়ি চালিয়েছেন।

    উদিত একটু অবাক হয়ে বলল, সবই করব, কিন্তু জামাকাপড়ও বদলাব কী করে। আমি তো কিছুই নিয়ে আসিনি।

    নয়ন বলল, আপনার গায়ে মানিয়ে যাবার মতো পায়জামা-পাঞ্জাবি দিতে পারব। আসুন।

    কেমন করে তা সম্ভব উদিত জানে না। ও নয়নকে অনুসরণ করল।

    .

    উদিত বাথরুমে ঢুকল। মোজাইকের মেঝে আর চীনামাটির টালির দেওয়াল, পুরোপুরি আধুনিক স্নানের ঘর। সেখানে পাট করা নিভাঁজ ধোয়া পায়জামা-পাঞ্জাবি তোয়ালে সবই ছিল। তেল সাবান শাম্পু থেকে কিছুই বাদ নেই। এ রকম বিলাসে অভ্যস্ত থাকলেও, মনটা বেশ খুশি হয়ে উঠল।

    চান করে বেরিয়েই নয়নের সঙ্গে ওর দেখা। ঝি-চাকরেরা আশেপাশে থাকলেও, উদিতকে দেখাশোনার সব দায়িত্ব নয়নের নয়ন ওকে একটি ঘরে নিয়ে গেল। সেখানে খাটে মোটা গদির বিছানা এবং ড্রেসিংটেবিল।

    নয়ন বলল, মাথা আঁচড়ে খেতে চলুন।

    উদিত বলল, একলা খেতে যাব? আপনি আপনারা?

    আমি পরে।

    আপনিও তো সেই কাল সন্ধে থেকে ঘুরে বেড়াচ্ছেন।

    তা হোক। মেয়েদের তাতে কষ্ট হয় না। আপনি খেয়ে শুতে আসবেন, তারপরে আমার ব্যবস্থা।

    উদিত জানে, মেয়েরা এ ব্যাপারে একটু বেশি কষ্টসহিষ্ণু। কিন্তু এ ধরনের পরিবারের মেয়েদের ক্ষেত্রে, সেটা ওর জানা নেই।

    নয়ন আবার বলল, আপনার বন্ধুকে ট্রাঙ্ককল করা হয়ে গেছে। গাড়িও বেরিয়ে গেছে। রাত্রের খাবার সময়ের আগেই পৌঁছে যাবেন।

    উদিত বলে উঠল, আপনি দেখছি সবই খুব তাড়াতাড়ি করতে পারেন।

    নয়ন ঘাড় বাঁকিয়ে বলল, যথা?

    উদিত থমকে গেল। সহসা একটু অপ্রস্তুতও। তারপরে বলল, এই কাজকর্মের কথা বলছি।

    নয়ন ঘাড় নেড়ে, চোখে ঝিলিক হেনে বলল, আর কিছু নয় তো?

    বলেই পিছন ফিরল। দু পা গিয়ে, আবার উদিতের দিকে ফিরে ডাকল, আসুন।

    উদিত তাকে অনুসরণ করল। মনে মনে বলল, হ্যাঁ, আরও কিছু। তাড়াতাড়ি মন চুরি করতেও পারে এই মেয়ে।

    খাবার ঘরে মিসেস সিনহা আগেই বসে ছিলেন। উদিতকে ডেকে বসালেন, এসো বাবা, বসো।

    খেতে বসে প্রধানত, মানিকচক থেকে মেটেলি পর্যন্ত আসার বিষয়েই কথা হল। উদিতের থেকে নয়ন বেশি বলল, মিসেস সিনহা বারবারই উদিতকে বললেন, ভগবানই নয়নকে তোমায় জুটিয়ে দিয়েছিলেন। তা না হলে, আমার নয়নকে ফিরে পেতাম কি না কে জানে।

    উদিত বিব্রত লজ্জায় প্রতিবাদ করল। মিসেস সিনহা সে কথা বোধ হয় শুনতেই পেলেন না। উদিতকে বারে বারে আশীর্বাদ করলেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleস্বর্ণচঞ্চু – সমরেশ বসু
    Next Article অলিন্দ – সমরেশ বসু

    Related Articles

    সমরেশ বসু

    প্রজাপতি – সমরেশ বসু

    December 2, 2025
    সমরেশ বসু

    গঙ্গা – সমরেশ বসু

    December 2, 2025
    সমরেশ বসু

    বিবর – সমরেশ বসু

    December 2, 2025
    সমরেশ বসু

    অকালবৃষ্টি – সমরেশ বসু

    December 2, 2025
    সমরেশ বসু

    নয়নপুরের মাটি – সমরেশ বসু

    December 1, 2025
    সমরেশ বসু

    শ্রীমতি কাফে – সমরেশ বসু

    December 1, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }