Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ত্রিধারা – সমরেশ বসু

    সমরেশ বসু এক পাতা গল্প488 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৩. মহীতোষ তেমনি কাগজ পড়ছেন

    মহীতোষ তেমনি কাগজ পড়ছেন একাকী। দ্বিতীয় প্রাণী নেই সেখানে। এক মুহূর্তে থমকে পরদা সরিয়ে সুমিতা বাইরের বারান্দায় ছুটে এল। কেউ নেই গেটে। নিঃশব্দ পাষাণপুরীর লৌহনিগড়। ঘুম ভাঙানো সোনার কাঠি নিয়ে সেই রাজপুত্র এসে দাঁড়ায়নি সেখানে। কুতূহলী জনতার কেউ কেউ বারেক চোখ ফিরিয়ে গেল ওর দিকে। শুনতে পেল, বিলাস ডাকতে এসেছে বাবাকে বাইরের ঘরে। খাবার দেওয়া হয়েছে।

    সুমিতা দাঁড়িয়ে রইল বারান্দায় অনেকক্ষণ ধরে। রাস্তার দিকে তাকিয়ে তাকিয়ে জ্বালা করে উঠল চোখ দুটি। হঠাৎ রবিদার উপরেই বড় অভিমান হতে লাগল ওর।

    বিলাস ডাকল, আসুন ছোড়দিমণি খাবার দেওয়া হয়েছে।

    সুমিতা ফিরে তাকিয়ে বলল, ওরা সবাই গেছে।

    বিলাস বলল, হ্যাঁ।

    সুমিতা বলল, যাচ্ছি।

    বিলাস চলে গেল। সুমিতা দাঁড়িয়ে রইল তেমনি। কিছুতেই যেতে পারছে না। অথচ এখন আবার ঘরে যাওয়ার জন্যে প্রাণটা ছটফট করে মরছে। শেষ পর্যন্ত গেটের মায়া ছেড়ে ও খাবার ঘরে এসে ঢুকল। ততক্ষণে মেজদির খাওয়া হয়ে গেছে। ও ওর হাতের ঘড়িটি দেখে বলল, বাবা, আর দেরি কোরো না তোমরা। সময় বিশেষ নেই।

    মেজদির গলায় কথাটি যেন একটি নির্মম দৈববাণীর মতো শোনাল। কারুর আসার জন্যে, কোনও সংবাদের জন্যেই আর সময় নেই। সুমিতার দিকে এক বার দেখে বেরিয়ে গেল মেজদি। অন্যদিন হলে নিশ্চয় জিজ্ঞেস করত, কোথায় ছিলে এতক্ষণ খাবার ফেলে?

    জবাব দিতেন হয়তো বাবা, রুমনো সাহেবার দেখছি খাবার কথা মনেই থাকে না।

    মুখোমুখি বসেছে বড়দি আর বাবা। অস্থির ছটফটে মানুষ হয়েও বাবা আজ একেবারে শান্ত হয়ে গেছেন। বাবার সেই আড়ালের অসহায় করুণ অবস্থাটা আজ যেন প্রকাশ হয়ে পড়েছে অনেকখানি। তবু বাঁ হাতের পাঁচটা আঙুলে চলেছেন টেবিল ঠুকে, আর চেয়ে চেয়ে দেখছেন বড়দিকে। ডান হাতে ওভালটিনের কাপ ধরে রয়েছেন।

    বেশ বোঝা যায়, বড়দি কোনওরকমে স্যান্ডেলটি পায়ে গলিয়ে বেরিয়ে এসেছে। কপালের উপর এসে পড়েছে রুক্ষ চুলের গোছা। সিঁথিতে সিঁদুরের আভাস। মাথা নিচু করে নিঃশব্দে চুমুক দিচ্ছে চায়ের কাপে চুমুক দেওয়ার সময় ওর ঘাড়ের নীচে অনেকখানি উন্মুক্ত পিঠ দেখা যাচ্ছে।

    বাবা আর বড়দি যেন দুটি নতুন মানুষ। কেউ কাউকে চেনে না, অথচ মুখোমুখি বসতে হয়েছে, কিন্তু অপরিচয়ের সংকোচে, যেন দুজনেই আড়ষ্ট। কে আগে কথা বলবে, সেইটিই সমস্যা।

    সুমিতার কী বিড়ম্বনা! বেচারিকে এই নির্বাক আড়ষ্ট আবহাওয়ার মধ্যেও প্রত্যহের মতোই খেতে হবে হাপুস হুপুস করে, নিশ্চিন্ত ছোট মেয়েটির মতো। বড়দির খাবার প্রায় তেমনি পড়ে আছে। কেবল রুটির কোণটি একটু ভাঙা! তারপর হঠাৎ মনে হল, হয়তো ওর জন্যেই বাবা বড়দি কথা বলতে পারছে না। ওর উপস্থিতিই বোধ হয় কাজের কথায় বাদ সাধছে। ভাবতেই ও বড়দির পাশে বসে গোগ্রাসে গিলতে লাগল খাবার। কিন্তু সে যে ওর গলা দিয়ে নামবার আগেই বুক থেকে কী একটি বস্তু ঠেলে উঠতে লাগল ওপরে। ঠেলে উঠতে লাগল আর টনটন করে উঠল চোখের শিরাগুলি, তবু জোর করে চোয়াল নেড়ে চিবুতে লাগল।

    ও জানে না, এই ভঙ্গিই ওর ধরা পড়ার পক্ষে কতখানি। বোঝেনি, এ বাড়িতে আজ সবাই যতখানি অস্বাভাবিক হয়ে উঠছে, ও হয়ে উঠেছে তার চেয়ে অনেক বেশি। সকলের ঝড় উঠেছে বুকে, ওপরে রয়েছে নিথর। ওর থরথরানি ভিতরে বাইরে।

    মহীতোষ হঠাৎ বললেন, সকালবেলা শুধু ওই জামাটা গায়ে দিয়েছিস? ঠাণ্ডা লাগবে যে?

    সুমিতা চোখ তুলে তাকাল। না, ওকে বলছেন না। বাবা তাকিয়ে রয়েছেন বড়দির দিকে।

    বড়দিকে এতক্ষণ পরে হঠাৎ বড় লজ্জিত হয়ে উঠতে দেখা গেল। বলল, না, এ জামা বেশ গরম আছে।

    যেন অনেক দূর থেকে কথা বলছে বড়দি। সুমিতা তাকাল মহীতোষের দিকে! কিন্তু মহীতোষ তখন মাথা নিচু করে, আরও জোরে দ্রুত টেবিল ঠুকছেন। ওঁর গোঁফ দাড়ি কামানো প্রশস্ত মুখের পেশি দীপ্ত স্ফীত হয়ে উঠেছে। সারা মুখটি হয়ে উঠেছে আরও বিশাল রক্তাভ। যেন কী কথা রয়েছে মনের মাঝে। তারই বোবা অভিব্যক্তি উঠেছে ফুটে, ফুলে ফুলে উঠছে ভিতর থেকে। সহসা সুমিতার দৃষ্টি পড়ল, ওদের দুজনের কাপ-ই শূন্য হয়ে গেছে। তবু আছে বসে। ওর বসে থাকাটা দৃষ্টিকটু হয়ে উঠল হঠাৎ নিজের কাছেই। গরম চা-ই চোখ কান বুজে গিলে ও উঠে দাঁড়াল। কিন্তু ডাইনে বাঁয়ে সামনে, কোনওদিকেই যাওয়ার পথ খুঁজে পেল না, পিছন দিকে বাগানে যাওয়ার ছোট দরজা দিয়ে বেরিয়ে গেল। বেরিয়ে গিয়েও নেমে যেতে পারল না। একটু পাশে সরে দাঁড়িয়ে রইল বারান্দার উপর। কে যেন পায়ে এঁটে দিল স্ক্রু। কান পেতে রইল ঘরের গহন হৃদয়ে।

    কিন্তু ওরা দুটিতে তেমনি নীরব মুখোমুখি। কতক্ষণ থাকবে। থাকতে তো পারবে না। সুমিতা এই বয়সের মন দিয়ে অনুভব করেছে, ওঁদের দুজনের মধ্যে বন্ধুত্ব কত গভীর। ওঁরা তো শুধু বাপ আর মেয়ে নয়, আরও কিছু কথায়-গল্পে কাজে, সুখে-দুঃখে, পরস্পরের সঙ্গী। সেই সঙ্গে মেজদিও অবশ্য আছে। তিন জনের কত অতীত দিনের গল্প ও কাহিনী, পুরনো দিনের কত কথা, কত জায়গা, কত বন্ধু জুড়ে আছে মনে। সুমিতার কাছে সেগুলি সবই অচেনা বিস্ময়কর গল্প। শেষের দিকের দু-একটি অস্পষ্ট ছায়া হয়তো ভেসে ওঠে ওর চোখে। বাবার চাকরির শেষ কয়েকটি বছরের দিল্লি, তার আগে সিমলা প্রবাসের অস্পষ্ট ছবি সে সব। বড়দি মেজদি বাবার কাছে সে সব জীবন্ত। যেন সেদিনের কথা।

    সেই সব দিনগুলিই ওঁদের পরস্পরকে অনেকখানি কাছাকাছি ও ঘনিষ্ঠ করে দিয়েছে। এই বন্ধুত্বে সুমিতার ঠাঁই যেমন নেই, তেমনি মনে মনে বড়দি মেজদির প্রতি ওর হিংসেও একটু আছে। এই হিংসে তখুনি কান্নায় উদ্বেল হয়ে ওঠে, যখন ওঁরা মায়ের কথা বলেন। কত হাসি, কত কান্না, কত ঝগড়া কত খুঁটিনাটি ছোটখাটো বিচিত্র সব ঘটনায় পরিপূর্ণ ওদের জীবন।

    বাবা যদি বলেন, সেবারে মনে আছে তো উমনি, যেবারে আমাদের ডিপার্টমেন্টের খোদ কর্তা হয়ে এলেন মিঃ ওয়েবস্টার

    বড়দি চোখ বড় করে বলবে, ওয়েবস্টার?

    বাবাঃ হ্যাঁরে সে-ই যে সিমলায়—

    মেজদি একটু গম্ভীরভাবে হেসে বলবে, তুমি বোধ হয় মিঃ ওয়াইলডেভের কথা বলছ?

    বাবা যেন দুই দিদিরই সমবয়সি এমনিভাবে ঘাড় দুলিয়ে বললেন, হ্যাঁ হ্যাঁ হ্যাঁ…

    অমনি ওঁরা সবাই হেসে উঠবে। বড়দি বলবে, তুমি আজকাল সব ভুলে যাচ্ছ বাবা। বাবা সেটা স্বীকার না করে বলবেন, তোর মনে আছে, ওয়াইলডেভটা কী পরিমাণ পাগল ছিল।

    মেজদি তেমনি গম্ভীর স্বরেই হেসে বলবে, নইলে আর মাকে চেয়েছিল নাচ শেখাতে?

    তখন চকিতে এক বার বড়দির দিকে তাকিয়ে বাবা বলবেন, তোর মাকে না-পেরে শেষটায় উমনিকে নিয়ে পড়ল।

    বড়দির মুখে একটু হালকা লাল রং-এর ছোঁয়া লাগবে। বলবে, ওয়াইলডেভ মানুষটি কিন্তু খুব খাঁটি ছিল। নেটিভ বলে কোনওদিন নাক সিঁটকোয়নি আমাদের।

    বাবা হ্যাঁ তোকে বেশ নাচ শিখিয়ে তুলেছিল। তোর মা খালি আমাকে বলত, কী বিপদ! মেয়েকে তো নাচ শেখাচ্ছ, ওদিকে সাহেব যে তোমার মেয়েকে ছেড়ে থাকতেই চায় না।

    আর এক বার বড়দির মুখটি একটু লাল হবে। মেজদি ওয়াইলডেভের সেই গানটি সুর না করে বলে উঠবে, আই লকড মাই হার্ট অ্যান্ড থু ভার দি কী….

    ওই ছোট্ট গানের কলিটি বলার মধ্য দিয়ে কী যে ঘটে যাবে! সুমিতা কিছু বোঝবার আগেই ওঁরা তিনটিতে খুন হয়ে যাবে হেসে। মেজদি আবার বলবে, বেচারি ওয়াইলডেভ!

    হাসিটি উচ্চকিত হয়ে উঠবে আবার দ্বিগুণ স্বরে।

    তারপর যেন খানিকটা করুণা করেই সুমিতার দিকে তাকিয়ে বাবা বলবেন, রুমনো তখন হাঁটি হাঁটি পা পা। সাহেব দেখেছে তো দশ বার আছাড় খেয়ে, চেঁচিয়ে গিয়ে জড়িয়ে ধরত ওর মাকে।

    কিন্তু ওই তিনজনের মাঝে তাতে একাত্ম হতে পারে না সুমিতা। সেই বাবা আর বড়দি বসে আছে মুখোমুখি। কিন্তু কথা নেই কারুর মুখে। এত বড় ব্যথার নির্বাক মুহূর্ত বোধ হয় কোনওদিন আসেনি ওঁদের জীবনে।

    .

    কিন্তু কেউ কথা না বলুক, বাবা না বলে পারবেন না। সুমিতা যে বাবাকে দূর থেকে দেখেছে, তা-ই ও মহীতোষকে চিনেছে আরেক রকমভাবে। ওঁর এই অবসরপ্রাপ্ত জীবনে কলকাতায় বন্ধুর সংখ্যা খুবই কম। তাঁর সবচেয়ে বড় সঙ্গী বড়দি আর মেজদি। আর বাবার কী গভীর ভালবাসা! সে ভালবাসার মধ্যে বাবার যত আনন্দ, ঠিক ততখানি যেন বেদনা আছে মিশে। বড় বেশি ঘনিষ্ঠতার মধ্যে সেটুকু দিদিরা কতখানি অনুভব করেছে, ও জানে না। কিন্তু বাবাকে বড় কাঙাল মনে হয়েছে ওর। দিদিদের এই দ্বিপ্রহরের রৌদ্রালোকে বাবা ওঁর সায়াহ্নের ছায়াটিকে আলো মাখামাখি করে রাখতে চেয়েছেন। চেয়েছেন, কিন্তু সব সময়ে পারেননি। বড়দির বিয়ের পর সেই সায়াহ্নের ছায়ায় সন্ধ্যার গাঢ়তা দেখা দিয়েছিল। যখন বড়দি গিরীনদাদের বাড়ি চলে যেত। মেজদি চলে যেত কলেজে কিংবা ওদের ছাত্র আন্দোলনের কাজে, তখন বাবার সঙ্গে মুখোমুখি হত সুমিতা। এ সেই বড়দি মেজদির বাবা নন, রুমনির বাবা। সকালবেলার দেখা সন্ধ্যার সঙ্গে। দুজনের মাঝে কেমন একটি স্বল্প কথার প্রসন্নতা বিরাজ করে তখন। একজনের কাছে পড়ে আছে অনাগত সারা বেলার সুখ-দুঃখের বিচিত্র জীবন। আরেকজনের সামনে আগতপ্রায় রাত্রির নিস্তব্ধতা। এক জন ফিরে তাকান শুধু পিছনের দিকে, সামনের দিকে আরেকজন। কেবল পার্থক্য ঘটে গেছে একটি বিষয়ে। সুমিতা বাবার এই রূপের সঙ্গে একাত্ম করতে পেরেছে নিজেকে। সবদিক দিয়ে সেজন্যে সে একটু চাপা হয়ে গেছে বেশি। আর ঠিক সেই কারণেই তার অনুভূতির তীব্রতাও বেশি।

    কিন্তু সেদিনের সায়াহ্নের বেদনার মধ্যে মহীতোষের এই জীবনের একটি স্বাভাবিক আনন্দ ছিল। সেটুকুর চিহ্নও আজ নেই।

    সুজাতার দিকে তেমনি করেই দেখছেন মহীতোষ। ওঁর ব্যথা-আড়ষ্ট মুখে একটি অস্পষ্ট অপরাধের ছায়া পড়েছে যেন। খানিকক্ষণ পর হঠাৎ জিজ্ঞেস করলেন, উমনো ঘুমোসনি মনে হচ্ছে সারা রাত।

    মহীতোষের গলায় কেমন একটু শঙ্কার আভাসও রয়েছে। সুজাতা এক মুহূর্ত দ্বিধা করে বলল, ঘুমিয়েছি তো!

    বাইরের জীবনের রীতিনীতি যা-ই থাক, বাপে-মেয়েতে কোনওদিন এ বাড়িতে মন নিয়ে লুকোছাপা হয়নি। রাত্রি জাগরণ চিহ্নিত যে মুখ সুজাতা বিশ্বের কোথাও লুকিয়ে রাখতে পারবে না, সেই মুখ নিয়ে আজ সবচেয়ে কাছের মানুষকে ও সত্যি কথা বলতে পারছে না। সে-ই তো সবচেয়ে বড় শঙ্কা মহীতোষের। বললেন, দেখে কিন্তু মনে হচ্ছে না।

    বলে এক নিমেষ জবাবের অপেক্ষা করে আবার বললেন, উমনো, তুই যদি বলিস, তবে আমি নিজেই একবার গিরীনের কাছে না হয় যেতুম।

    বিদ্যুৎস্পৃষ্টের মতো চমকে উঠল সুজাতা। সোজা হয়ে বসতে গিয়ে আঁচল লুটিয়ে পড়ল টেবিলের উপর। বুকের উপর চিকচিক করে উঠল সোনার হারটি। সারা মুখে রক্ত ছুটে এল। বলল, কেন?

    পেছনের খোলা দরজার পাশে, বাগানের বারান্দায় ঠিক বড়দির মতোই চমকে উঠল সুমিতাও। এ যে ওর কাছে আশাতীত। এ যেন সেই সায়াহ্নের বাবার কথা। বিষণ্ণ করুণ অসহায়।

    মহীতোষ বললেন, হয়তো বড় দেরি করে ফেলেছি, তবু মনে হচ্ছে, আমি আমার কর্তব্য বোধ হয় ঠিক করে উঠতে পারিনি।

    এবার আর তেমন করে চমকে উঠল না সুজাতা। বলল, কেন তোমার মনে হচ্ছে এ কথা?

    কেন তা জানিনে। কেবলি ভাবছি, তোর মা থাকলে কী করত। আমি তো তার কিছুই বুঝিনে। আমি শুধু তোর অপমান অভিমানের মুখ চেয়েই এত দিন চলেছি। তোর জীবনের আর একটি দিক তো আমি ভেবে দেখিনি উমনো।

    সুজাতা বিস্মিত অনুসন্ধিৎসু চোখে বাবার দিকে তাকিয়ে বলল, জীবনের সেই দিকটা কি অপমান মেনে অভিমান পুষে বজায় রাখতে হবে বাবা?

    সহসা কোনও কথা জোগাল না মহীতোষের মুখে। মেয়ের মুখ থেকে ওঁর নিজেরই সংশয়াম্বিত প্রশ্নটি যেন প্রতিধ্বনিত হয়ে উঠল। উনি নিজে ছিলেন এক নিম্ন মধ্যবিত্ত ঘরের দরিদ্র কেরানির ছেলে। ওই জীবনটি পার হয়েছিলেন এক অভাবিত অধ্যবসায়ের ভিতর দিয়ে। সে অধ্যায়ের হৃদয়ের গোপন রক্তক্ষয়ের কথা ওঁর সন্তানেরা কেউ জানে না। এখনও উত্তর কলকাতায় ওঁর বিধবা বড় বউদি আছেন, আরও আছেন কিছু জ্ঞাতি-গোষ্ঠী। সেখানে ছেলেবউ, মেয়ে-জামাই, সব মিলিয়ে এক জীর্ণ দেয়াল-ঘেরা নিশ্ৰুপ আশাহীন জীবনের ছায়ার সমারোহ দেখেছেন। মহীতোষ যে দিগন্তে পাড়ি দিয়েছেন, সেখানকার সঙ্গে উত্তর কলকাতার বাড়ির কোনও মিলই নেই। সেই দিগন্তের পরিণতি ওঁর এই জীবন, এই রুচিবোধ, এই স্বাধীন সত্তা। একদিন যখন উনি ভেবেছিলেন, সুজাতা রবিকে বিয়ে করতে চায়, তখন সেখানে হস্তক্ষেপের কোনও প্রয়োজন বোধ করেননি কিন্তু নিজের মনের কাছে তো নেই কোনও ফাঁকি। রবি উচ্চ সমাজের ছেলে, কিন্তু প্রাইভেট কলেজের গরিব অধ্যাপক। তা ছাড়া রাজনীতিও করে। তারপর সুজাতা যখন বেছে নিল বড়লোক গিরীনকে, তখন মনে মনে তারিফ করেছিলেন। এই তারিফের মধ্যে কতখানি সমাজ-মন, কতখানি স্নেহের মন ছিল ভেবে দেখেননি। কিন্তু এ জীবনে অপমানের সঙ্গে আপস না করার যে রীতি, তাকেও অস্বীকার করতে পারেননি।

    সুজাতার কথায় কয়েক মুহূর্ত চুপ করে থেকে বললেন, কিন্তু উমনো, অপমান চিরকাল থাকে না। সুজাতা বলল, চিরকাল থাকবে কি না সে ভরসা তো আমি পাইনি বাবা।

    মহীতোষ জানেন, সে ভরসা দেওয়ার মালিক একমাত্র গিরীন। বললেন, উমনো, জীবনে ক্ষমা জিনিসটি কিন্তু ছোট নয়।

    কয়েক নিমেষ সুজাতার রক্তাভ ঠোঁট দুটি চেপে শক্ত হয়ে রইল। বাবার দিকে চকিতে এক বার তাকিয়ে চোখ ঘুরিয়ে নিল অন্যদিকে। ওর ক্লিন্ন চোখের পরিখার ওপরে বিষাদ কিন্তু কেমন একটি শ্লেষের ঝিলিক হানছে। বলল, ক্ষমা তো আমার কাছে কেউ চায়নি।

    সে কথা এত সহজে বলা যায় না উমনো। এখানে ক্ষমা কেউ ঘটা করে, দশজনের সামনে চাইতে পারে না, কিংবা এক কথায় ছুটে এসে হাত ধরে ক্ষমা চাওয়া যায় না, করাও যায় না। সেটা ভাঁড়ামি হয়ে যায়। তাদের দুজনের ঘর করার মধ্য দিয়ে ক্ষমা চাওয়া, ক্ষমা করা কখন হয়ে যেত, তা হয়তো তোরাও জানতে পারতিসনে।

    সুজাতার মুখ আরও গম্ভীর হয়ে উঠল। ভ্রু কুঁচকে টেবিলের দিকে তাকিয়ে বলল, সেই ঘটনার পরেও এক বছর তো আমি সেখানেই ছিলুম। কই, তখন তো তেমন কিছু ঘটেনি। তারপরেও কেটেছে অনেক দিন। তখনকার চিঠিপত্রগুলির কথা তো ভুলে যাওনি! তোমার এ কথার আভাসও তাতে এক বিন্দু পাইনি আমি!

    তখন তোমাদের দুজনেরই মন বিদ্বেষে ভরা।

    আজ-ই বা মিতালি কোথায় দেখলে?

    মহীতোষ দেখলেন, সুজাতার নাসারন্ধ্র উঠছে ফুলে ফুলে। কঠিন রেখায় বেঁকে উঠেছে ঠোঁট। চোখদুটি দপ দপ করছে। আবার বলল সুজাতা, বাবা, সবটাই শেষ পর্যন্ত ন্যায় অন্যায়ের প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে। কোনও অন্যায় তো আমি করিনি। তবে আমি কেন যেচে মান, কেঁদে সোহাগ করতে যাব?

    মহীতোষের এক চোখ করুণ, আরেক চোখে দ্যুতি। মেয়ের এই দৃপ্ত তেজস্বিনী মূর্তি ওঁর স্নেহান্ধ হৃদয়কে গর্বিত করে তোলে। সবকিছুর ওপরে দাঁড়িয়ে আছে ওঁর স্নেহ ও ভালবাসা। এত কথা বলছেন, ওরই দুঃখের ভয়ে, সুখের আশায়। তাঁর রক্তমাংসের আত্মজন এই মেয়েদের সুখ সান্নিধ্যের আশাতেই নিজের জীবনের এই শেষ প্রহরের হেঁকে ডেকে ছুটে বাঁচবার বাসনাটুকু নিহিত রয়েছে। সুজাতার চোখে মুখে বিতৃষ্ণার বহ্নিচ্ছটা দেখে উনি সহসা আর আগের কথার পুনরাবৃত্তি করতে পারলেন না।

    এমন সময় সুগতা এল সময়ের তাড়া দিতে। এসে কিছু বলতে পারল না। মহীতোষ তখন স্নেহ-শঙ্কিত গলায় বলছেন, কিন্তু তুই কাল সারা রাত ঘুমোসনি উমনি। তোকে দেখে যে আমি শান্তি পাচ্ছিনে।

    সুজাতা ওর বাবার দিকে ফিরে তাকাল না। মুখ অন্যদিকে ফিরিয়ে বলল, ঘরে বাইরে এ অপমান তো একটুখানি নয়। তাকে আমি সহ্য করে উঠতে পারছিনে।

    কথাটি শুনে মহীতোষের বুকের মধ্যে মোচড় দিয়ে উঠল। সহ্য করতে না পারার কষ্ট যদি এমনি করে ফুটে ওঠে সুজাতার মধ্যে তা হলে আগামী দিনের অবস্থা কী হবে।

    কিন্তু সুজাতার কষ্টের মধ্যে বিক্ষোভের সুরটুকু ওর কানে ঢোকেনি। কথার মধ্যেকার জ্বলুনিটুকু পারেননি ধরতে! আজকে যাকে ওর জীবনের একটি অধ্যায়ের পরিসমাপ্তি ধরে নিয়েছে, তার মধ্যে যেন নিজের মনের তীব্র ধিক্কারকে প্রতিফলিত হতে দেখেনি!

    সুজাতা আবার বলল, তা ছাড়া আমি এখনও নিশ্চিন্ত হতে পারছিনে, জজ শেষ পর্যন্ত কী রায় দেবেন। যদি আমার বিপক্ষে যায়–

    মহীতোষ দ্রুত ঘাড় নেড়ে উঠলেন। বললেন, অনিলবাবু আমাকে সে ভরসা খুব জোরের সঙ্গেই দিয়েছেন। রায় যে তোর পক্ষে আসবে, এ বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই। জজ মিঃ ব্যানার্জির মর‍্যালিটির বিষয়ে সবাই সশ্রদ্ধ।

    অনিলবাবু সুজাতার পক্ষের উকিল।

    সুজাতা বলল, কিন্তু ধর, যদি অন্য রকমই ঘটে।

    তার জন্যে অন্যরকম ব্যবস্থাও আছে।

    ঠিক এই মুহূর্তেই টেবিলে লুটোনো আঁচলটি ঘাড়ের উপর ফেলে সুজাতা দ্রুত রুদ্ধ গলায় বলে উঠল, কিন্তু তুমি রবিকে কেন পাঠিয়েছ ওর কাছে?

    চকিতে পাংশু হয়ে উঠল মহীতোষের মুখ। তারপর ফ্যাকাশে করুণ অসহায় হয়ে উঠল ওঁর বিশাল মুখটি। কী বলবার জন্যে মুখ তুলতেই সুজাতা আবার বলে উঠল, কেন তুমি এমন করে আমাকে হীন করে দিলে? বলতে বলতে ওর বড় বড় কালো চোখের কোণে জল জমে উঠল। অরুদ্ধ গলায় ফিসফিস করে বলতে লাগল না থেমে, হয়তো রবি ভেবেছে, আমি বলেছি, তাই তুমি ওকে যেতে বলেছ।

    মহীতোষ অসহায়ভাবে আত্মরক্ষার চেষ্টা করে বললেন, না উমনো, রবি সে কথা ভাববে না।

    রবি না ভাবুক যার কাছে পাঠিয়েছ সে তা-ই ভাববে। হাসবে মনে মনে, বিদ্রূপ করবে। ভাববে আমিই কেঁদে কাঙাল হয়ে পাঠিয়েছি, আমিই ভেঙে পড়তে চেয়েছি তার অন্যায় অহংকারের কাছে।

    মহীতোষকে যেন কেউ গলা টিপে ধরেছে। ওঁর গলায় মুখে পেশি ও শিরা স্ফীত আকুঞ্চিত হচ্ছে। চোয়াল কাঁপছে, কিন্তু কিছু বলতে পারছে না।

    স্বল্পবাক গম্ভীর সুগতা কারুর পক্ষেই কোনও কথা বলতে পারছে না। স্নান করতে যাওয়ার আগে ওর বাঁধনখোলা বিনুনি এলো-চুল ছড়িয়ে পড়েছে ঘাড়ে পিঠে। ও সুজাতার অপমান অনুভব করছে তীব্রভাবে। আর বাইরের বারান্দায় দাঁড়িয়ে সুমিতা কাঁপছে থরো থরো। ওর মনের আকাশ জুড়ে মেঘের পরে মেঘ এল ধেয়ে। অলক্ষের এই লতাটি বিস্মিত কান্নায় উঠল চমকে চমকে। এ কী হল! যে বাতাসটুকু আঁচ করেছিল ও কিছুক্ষণ আগে, সে শুধু নতুন মেঘের আমন্ত্রণের জন্যে! যে আশাটুকু ছিল তা তো হলই না, এ বাড়ির এই ছায়ার কোলে কোলে দেখল নিঃশব্দে পা বাড়িয়েছে আর এক ছায়া। বিভীষিকার মতো দেখল, ওদের ত্রিপদী ছন্দ অবিন্যস্ত হয়েছে।

    বুকের শঙ্কা ও ভার নিয়ে পালাবার জন্যে পা তুলল ও। আবার শুনতে পেল বড়দি বলছে, তুমি হয়তো তোমার কর্তব্য ভেবে পাঠিয়েছ। কিন্তু তা কর্তব্য হবে না। তুমি আমাকে বড় করেছ, মানুষ করেছ, সেইটুকু তো তোমার কর্তব্য করেছ। তুমি তো আমাকে কারুর গলগ্রহ তৈরি করনি। তবে তোমার ভাবনা কী?

    বাবা যেন চাপা গলায় প্রায় কেঁদে উঠলেন, কী বলছিস তুই উমনো। আমি তোকে কার গলগ্রহ ভাবব।

    যারই হোক, আমি কারুরই গলগ্রহ হব না বাবা।

    উমনো, তুই আমার গলগ্রহ হবি ভেবে আমি রবিকে পাঠিয়েছি? তুই এ কথা বিশ্বাস করিস?

    জবাবে শুধু অস্ফুট একটু কান্নার শব্দ শোনা গেল। বড়দির গলার শব্দ। আবার কান্নাভাঙা গলা শোনা গেল, না, তা ভাবিনি।

    তারপর গাঢ় স্তব্ধতা। সুমিতার মনে হল, এখুনি ওর রুমনি জীবনের সমস্ত বেড়াটি ভেঙে ওঁদের কাছে গিয়ে পড়ে ঝাঁপ দিয়ে।

    মেজদি বলল, তোমরা ওঠো, বিলাস আসছে।

    সুমিতা দ্রুত কম্পিত পায়ে নেমে গেল বাগানের মধ্যে। ঘুরে, বাইরের ঘরের দিকে যেতে গিয়ে দাঁড়াল থমকে। দেখল, লোহার গেট খোলা হয়েছে নিঃশব্দে। রবিদা দাঁড়িয়ে আছেন ওর দিকে চেয়েই। নিমেষে কী ঘটে গেল ওর বুকে। দারুণ ভয়ের মাঝে নির্ভয়ের দেখা পেয়ে, দুই বেণী দুলিয়ে ও ছুটে গেল রবিদার দিকে।

    রবিদাও পা দিয়েছিলেন বাগানের দিকেই। মাঝপথে ও দুহাতে জাপটে জড়িয়ে ধরল রবিদাকে।

    উজ্জ্বল শ্যামবর্ণ দোহারা পুরুষ রবি। গায়ে ঢিলে-হাতা খদ্দরের পাঞ্জাবি। বুদ্ধিদীপ্ত কমনীয়তা সারা মুখে। কিন্তু বড় শান্ত, সময়ে সময়ে কেমন যেন সুন্দর হাসির মাঝে একটু বিষণ্ণতার ছোঁয়াচ থাকে লেগে।

    রবির কাছে ওর মনের কোনও সংকোচ নেই। লজ্জা নেই কোনও এই সবে বাড়ন্ত দেহের। দুহাত দিয়ে রবিদাকে জড়িয়ে ধরে জিজ্ঞেস করল উৎকণ্ঠাভরে, কী বলেছেন গিরীনদা?

    রবি চমকে উঠল যেন একটু। তারপর মুখখানি ভরে উঠল নিরাশায়। সুমিতার মাথায় হাত রেখে বলল, ভাল কিছু বলেননি রুমনি।

    সুমিতার চোখ ফেটে জল এসে পড়ল। বলল, তবে কী হবে রবিদা?

    রবির বিস্ময়ের চমক কাটল না। এমন করে কোনওদিন সুমিতাকে কথা বলতে শোনেনি। না শুনুক, কিন্তু এমন করে অলক্ষের বেদনা চেপে রাখা যায় না আর। একমাত্র রবিদা ছাড়া তার আর কেউ যে নেই।

    রবি বললে, সে তো এখন কিছু বলা যাবে না। দেখি কী হয়।

    ও বলল, রবিদা আমার একটু গিরীনদাকে দেখতে ইচ্ছে করছে।

    রবি এক মুহূর্ত ভেবে বলল, বেশ তো যেয়ো!

    তারপর ও রবির পিছন পিছন ঘরে গিয়ে ঢুকল। নিজে ছুটে গিয়ে খবর দিল, রবিদা এসেছেন।

    মেজদি বললেন, ডেকে নিয়ে এসো।

    রবি এসে দেখল, বড়দি মেজদি বাবা তিনজনেই দাঁড়িয়ে আছেন চুপচাপ।

    বাবা বললেন, কী খবর রবি?

    রবি কী ভেবে বললে, গিরীনের সঙ্গে আমার দেখা হয়নি কাকাবাবু।

    সকলেই মুখ চাওয়াচায়ি করল, বড়দি ছাড়া। সকলের আগে বেরিয়ে গেল বড়দিই। তৈরি হওয়ার পালা এবার সবারই।

    সকলের পরে স্নান সেরে সুমিতা বাথরুম থেকে বেরিয়ে আসতেই মেজদি প্রথমে বলল, রুমনি, তুমি তৈরি হয়ে নাও, আমাদের সঙ্গে যাবে।

    মেজদির মুখের দিকে অবাক হয়ে তাকাতে গিয়ে হঠাৎ লজ্জায় লাল হয়ে উঠল ও। কাপড় পরতে পালাল বড়দির ঘরের দিকে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅপরিচিত – সমরেশ বসু
    Next Article শালঘেরির সীমানায় – সমরেশ বসু

    Related Articles

    সমরেশ বসু

    প্রজাপতি – সমরেশ বসু

    December 2, 2025
    সমরেশ বসু

    গঙ্গা – সমরেশ বসু

    December 2, 2025
    সমরেশ বসু

    বিবর – সমরেশ বসু

    December 2, 2025
    সমরেশ বসু

    অকালবৃষ্টি – সমরেশ বসু

    December 2, 2025
    সমরেশ বসু

    নয়নপুরের মাটি – সমরেশ বসু

    December 1, 2025
    সমরেশ বসু

    শ্রীমতি কাফে – সমরেশ বসু

    December 1, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }