Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ত্রিধারা – সমরেশ বসু

    সমরেশ বসু এক পাতা গল্প488 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৪. বিলাস ট্যাকসি নিয়ে এল

    বিলাস ট্যাকসি নিয়ে এল ডেকে। সবাই তৈরি হয়েছে বেরুবার জন্যে। বিলাসের রান্না করাই সার হয়েছে। খাবার টেবিলে কোনওরকমে সবাই বসেছিল এক বার। কিন্তু খাওয়া কারুরই ঠিক হয়নি। যার কোনওদিকে না তাকিয়ে খাবার কথা ছিল মন দিয়ে, সেই সুমিতাও পারেনি খেতে।

    ওর মন জুড়ে যে এত উৎকণ্ঠা, এত অস্বস্তি ছিল, রবিদাকে পেয়ে কয়েক মুহূর্তের কান্নার আবেগে সেই বন্ধ হৃদয়ের দরজাটি গেল খুলে। যা উপচে পড়েছে, তাকে লুকিয়ে রাখার কোনও প্রশ্ন নেই। লুকিয়ে রাখতেও পারেনি।

    কিন্তু ওর স্নান করতে যাওয়ার ফাঁকে যেন কী একটা ঘটে গেছে। বাথরুম থেকে বেরিয়ে আসতেই মেজদির চাউনি ও কথা শুনেই বিস্মিত লজ্জায় হঠাৎ মুখ ঘুরিয়ে পালাতে হয়েছিল। কিন্তু পালাবার উপায় ছিল না। সকলেই ওর দিকে ফিরে ফিরে দেখেছে কয়েকবার। বড়দি, মেজদি, বাবাও। কী যে ছিল সেই দেখার মধ্যে। তখন মনে হচ্ছিল, রবিদার পিঠে গু করে একটি কিল মেরে, ওঁরই বুকে মুখ লুকিয়ে বলে, কী বলেছেন আপনি ওদের। যেন সেই অলক্ষিত লতাটির সন্ধান পেয়ে গেছে ওরা, তাতে সবাই খুশি হয়েছে কি না বোঝা গেল না। অবাক যে হয়েছে, সেটুকু চাপা থাকেনি।

    সুমিতা যেটুকু জানে না, সেটুকু হল, ওর অনুপস্থিতিতে রবি বলেছিস সুগতাকে, তোমরা সবাই চলে গেলে, সুমিতা একলা এ বাড়িতে থাকতে পারবে না।

    রবিদার কথার মধ্যে কী ছিল, সহসা আর প্রতিবাদ করতে পারেনি কেউ। মহীতোষ বলে উঠেছিলেন, ঠিকই বলেছ রবি, ঝুমনো তো মাঝপথে নেমে যাবে। ওদের কী জরুরি সভা আছে উনিভার্সিটিতে। রুমনোটা ওর বড়দির সঙ্গে থাকতে পারবে।

    ট্যাকসিতে ওঠার সময়ে রবিদা দাঁড়িয়ে রইলেন। সুমিতা ততক্ষণে বড়দি মেজদির মাঝখানে গিয়ে বসেছে জড়সড় হয়ে। মহীতোষ উঠতে গিয়েও দাঁড়ালেন থমকে। বললেন, কই রবি, তুমি সামনের দিকে ওঠো।

    সুমিতা লক্ষ করে দেখেছে, রবিদা অনেকক্ষণ থেকেই কেমন বিমর্ষ হয়ে উঠেছেন। বাবার কথা শুনে চকিতে এক বার দেখে নিলেন বড়দিকে। কুণ্ঠিত হেসে বললেন, আমার যাওয়ার কি দরকার আছে কাকাবাবু? রবিদার কথা শুনে বাবাও এক বার বড়দির মুখের দিকে দেখলেন। বললেন, তোমার নিজের দিক থেকে যদি কোনও বাধা থাকে, তা হলে কিছু বলার নেই। কিন্তু আমি ভেবেছিলুম, তুমি আমাদের সঙ্গে থাকবে।

    কিন্তু এই কথার মাঝখানে বড়দি একটি কথাও বললে না। ও তাকিয়ে আছে সামনের দিকে, স্থির চোখে। বাবার সঙ্গে কথা বলার পর, সে-ই যে নীরব হয়েছে, তারপর থেকে মুখ খোলেনি এক বারও। অন্যান্যদিন রবিদার সঙ্গে এতক্ষণে কত কথা হয়ে যায়। কত কথা যে ওরা বলে। চিরদিন ভেবে ভেবে অবাক হয়েছে সুমিতা, ওদের দুজনকে কথা বলতে দেখে। যেন দুজনের কথা বলা কোনওদিন শেষ হবে না।

    কিন্তু, এ পরিবারের অন্তরঙ্গ বন্ধুর মতো আজও রবিদা খাবার ঘরেই বসেছিলেন সকলের সঙ্গে। বাবা আর মেজদির সঙ্গে কয়েকটি কথা হয়েছে। সেই কথার ফাঁকে ফাঁকে সবাইকে লুকিয়ে অনেক বার রবিদা বড়দির দিকে তাকিয়েছেন। সুমিতার মনে হয়েছে, বড়দির আনত চোখও যেন লক্ষ করছিল সেটুকু। এমনকী, রবিদার ভাব-ভঙ্গি দেখে দু-একবার ওকে তাকাতেও হয়েছে। তবু বড়দির গলা থেকে একটি কথাও বেরোয়নি। যেন সে নিজেকে ক্রমেই শক্ত করেছে।

    মেজদি বলে উঠল, তুমি চলো রবিদা। বলছিলে, সাড়ে বারোটায় তোমার ক্লাস আছে। ওখান থেকে চলে যেয়ো কলেজে।

    মেজদির দিকে তাকাতে গিয়ে আর এক বার চোখ পড়ল সুজাতার দিকে। তার দিকে তখন সকলেরই চোখ পড়ছে গিয়ে। বোঝা গেল, বড়দিরও অস্বস্তি হচ্ছে। স্থির চোখের পাতা নড়েচড়ে উঠল কয়েক বার। বাঁ হাত থেকে ভ্যানিটি ব্যাগটি ডান হাতে নিয়ে, রবিদার দিকে তাকিয়ে কোনও রকমে বলল খুব নিচু গলায়, চলো না।

    লোহার গেট ধরে দাঁড়িয়েছিল বিলাস। আরও দূরে লক্ষ করলে দেখা যেত, বাইরের ঘরের জানালার পরদার আড়ালে ঝি অচলার মুখখানি। বিকৃত মুখে তার একটি অশ্রদ্ধার ভাব। বিলাসের কাছে শুনেছে যে, বড় মেয়ে তার স্বামীর সঙ্গে ছাড়াছাড়ির জন্যে কোর্ট কাছারি করছে। ভাবছিল, হবে না। এত বাইরের ছেলে-ছোকরার ভিড় যে বাড়িতে, সে বাড়ির মেয়েরা ছাড়াছাড়ি না করবে কেন?

    ওপাশে, ডেপুটি বাড়ির দোতালায় বারান্দায় দাঁড়িয়েছিল প্রৌঢ়া গিন্নি আর ছোট মেয়ে। মেয়েটি সুমিতারই সহপাঠিনী। বয়সে দু-এক বছরের বড়। নাম তাপসী। তাকিয়ে যেন মজা দেখছে।

    রবিদা উঠে গিয়ে বসলেন ড্রাইভারের পাশে। সুমিতা জানত, বড়দির ওই বলাটুকুর জন্যই দাঁড়িয়েছিলেন রবিদা। ওদের দুজনের মধ্যে ওটা ভদ্রতা কিংবা সামাজিকতার ব্যাপার নয়, সম্পর্কের সংকোচ ও আড়ষ্টতা। বাইরে মস্ত বড় মানুষ রবিদা। অধ্যাপনা আর রাজনীতির ক্ষেত্রে অনেক সম্মান ওঁর। যখন বড়দির সামনে এসে দাঁড়ান, তখন আর বাইরের সেই মানুষটিকে চেনা যায় না। মনে হয়, বড়দির একটি অঙ্গুলি সংকেতের জন্য সর্বক্ষণ অপেক্ষা করে আছেন উনি। এর মধ্যে সুখ ও আনন্দ আছে কতখানি তা জানে না সুমিতা। কিন্তু, দুজনের মাঝখানে, কোথায় কোন অদৃশ্য একটি ব্যথার ছোট কাঁটা যেন আছে লুকিয়ে। তাকে চোখে দেখা যায় না। তাকে অনুভব করা যায় না বড়দির দিকে তাকিয়ে। রবিদার সান্নিধ্যে এলে খচখচানিটুকু টের পাওয়া যায়।

    গাড়ি এসে পড়েছে ট্রাম রাস্তার উপরে। রোদে স্নান করে উঠেছে সারা শহরটি। ট্রামের ঘর্ঘর, বাসের চিৎকার, প্রাইভেট গাড়ির হর্ন, রিকশার ঠুনঠুন, মানুষের কলরবে কেমন এক সচকিত উল্লাসে উদ্দাম হয়ে উঠেছে রাস্তাঘাট। যুদ্ধের পর দাঙ্গার অবরোেধ সবে কাটিয়ে উঠেছে শহর। তার ছাপ লেগে আছে। এখনও এখানে সেখানে। দেয়ালে দেয়ালে, দাঙ্গা আর সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে পোস্টারে গেছে ছেয়ে। কোনওটিতে গান্ধীজির শান্তির বাণী, কোনওটিতে সাম্প্রদায়িক রণহুংকার ক্রিস মিশনের বিরুদ্ধে জেহাদ কোনওটিতে। এ-আর-পি ওয়ার্ডেন পোস্টগুলির সামনে সেই নীল কুর্তা মানুষগুলির জটলা নেই আর। শুধু সরিয়ে নেওয়ার অবসর পাওয়া যায়নি এখনও সাইনবোর্ডগুলি। এখানে সেখানে এখনও জরুরি শেলটারের প্রাচীরগুলি রয়েছে দাঁড়িয়ে।

    গাড়িতে সবাই চুপচাপ। সবাই বাইরের দিকে তাকিয়ে রয়েছে। আড়চোখে দেখল এক বার বড়দিকে। বড়দি স্নান করেনি। আঁচড়ে নিয়েছে সামনের চুলগুলি। সাবান ধোয়া মুখে একটু হিমানীর প্রলেপ মাত্র। সাদা রং-এর কাশ্মীরি সার্জের ব্লাউজের সঙ্গে পরে এসেছে আঁশপাড় সাদা তাঁতের শাড়ি।

    বিয়ের এক বছর আগে এমনি সাদা জামাকাপড় খুব এত বড়দি। সে সব খদ্দরের জামাকাপড়। তখন সুমিতা সবদিক থেকেই অনেক ছোট। ওর স্কুলের বইয়ের আশেপাশে আর যে সমস্ত ভগবতী আর দেশনেত্রীদের বহু বিচিত্র চমকপ্রদ কাহিনীগুলি থাকত, সেইসব নায়িকাদের সঙ্গে হুবহু মিশিয়ে ফেলত বড়দিকে। বড়দি মেজদি আর রবিদার মুখে নানান কথা শুনে শুনে, ওর বুকের মধ্যে এক অস্পষ্ট আগুনের আঁচ লেগেছিল। কেমন একটি অস্পষ্ট ঘৃণা ও বিদ্বেষে ফুলত মনে মনে। কে যে শত্রু, কার বিরুদ্ধে এত রাগ, তা-ই ভাল করে জানত না সুমিতা। এই উত্তাপের পিছনে বড়দির সেই মূর্তিখানি আসল। বড়দি তখন ধ্যানের নায়িকা।

    তখন রবিদার সঙ্গে রোজ বাইরে যেত বড়দি। রবিদার সঙ্গেই সারাক্ষণ। সেই স্রোতে মেজদিও ভেসে গিয়েছিল। কত ছেলে আসত বাড়িতে। সকলের মধ্যে বড়দিকে দেখাত রানির মতন। সেদিনের রবিদা আর বড়দি, আর আজকের এই দুই বন্ধুতে কত তফাত।

    সবচেয়ে চরম হয়েছিল, বড়দির জেলে যাওয়া। সারা কলকাতাটাই যেন বড়দির জন্যে ব্যাকুল হয়ে উঠেছিল। বাড়িতে পুলিশ তছনছ করছে। মেজদি গেছে পালিয়ে। কী ভাগ্যি, বাবা তখন অবসর নিয়েছেন চাকরি থেকে। জেল হয়েছিল রবিদারও।

    পনেরো দিন পরেই জেল থেকে বেরিয়ে এল বড়দি। ছ মাস পরে রবিদা। গিরীনদার সঙ্গে আলাপ হয়েছিল বড়দির, জেলে যাওয়ার আগেই। রবিদা এসে দেখলেন, গিরীনদা এ বাড়ির প্রত্যহ আসরের একজন। রবিদা আসার পরেই তো পাকাপাকি হল বিয়ের কথা।

    তখনও সুমিতা রবিদার হাসির দিগন্তে বিষণ্ণতার অস্তাভা দেখেছে। যেটুকু ও আজও জানে না, সেটুকু সেদিনও জানত না যে, রবিদার দীপ্ত চোখের কোণ থেকে কোন শিখাঁটি নিভে গেছে একেবারে। সে শিখাঁটি নিভে গেলে বাইরেটাকে তো অন্ধকার করে না। যেখানটাতে ঘনীভূত হয় অন্ধকার, সে জায়গাটি থাকে সকলের অগোচরে। যেখানে বেদনা যত, তত জমে নিজের ধিক্কার। রবিদার মতো মানুষেরা সেইখানটি ঢেকে রেখে হেসে বেড়ান দশজনের সামনে।

    সুমিতা জানত না, বিয়ের আগে যেদিন বড়দি রবিদাকে বলেছিল, রবি, আমি তোমার ওপর অন্যায় করছি না তো?

    তীব্রবেগে রক্ত প্রবাহ ছুটে এসেছিল রবির মুখে। কী তীব্র হাসি ফুটেছিল তার ঠোঁটে। যেন আগুন জ্বলছিল দপ দপ করে। বলেছিল, আমার ওপর? না, না, তেমন দুরাশা তো আমি কোনওদিন করিনি উমনো। তা হলে তো স্পষ্ট করে তোমাকে বলতে পারতুম কোনওদিন।

    ঠিক সেই মুহূর্তেই ওরা দুজনেই চোখ ফিরিয়ে নিয়েছিল দুজনের কাছ থেকে। সেই দুরাশা থাকলে স্পষ্ট করে বলতে পারত রবি? এত বড় মিথ্যে কথাটা কেউ বোধ হয় চোখে চোখে তাকিয়ে বলতে পারেনি, শুনতেও পারেনি।

    এর বেশি বলতে পারেনি কেউ কিছু। রবি বাইরে বেরিয়ে এসে দেখেছিল, রাত্রের নির্জন রাস্তায়, একটি বাড়ির ছায়ায় যেন ঘাপটি মেরে পড়ে আছে গিরীনের মস্ত বড় গাড়িটি।

    বড় রাস্তায় এসে আর এক বার হেসেছিল রবিদা। ভুল, সবটাই একেবারে ভুল। চোখে আগুন, ঠোঁটে আগুন যে রুদ্রাণীর হাতের পতাকা নিয়ে সবার আগে রবিদা মৃত্যু-উল্লাসে যাবেন ছুটে, সেই রুদ্রাণী ধরেছে রানির বেশ। সত্যি, একটুও বিদ্বেষ হয়নি রবির। ভেবেছিল, এ ছাড়া কী উপায় আছে সুজাতার। ও যেভাবে মানুষ হয়েছে, যে মন নিয়ে বেড়েছে, ঠিক সেই পথই নিয়েছে বেছে। ওইদিকেই সুজাতার সীমান্ত। তার ওপারে রবির আগুনের শিখায় কাঁপা অস্পষ্ট দিগন্তে কী আছে, কে জানে। বুকের মধ্যে কেঁপে উঠেছিল রবির। কী এক সর্বনাশের হাত থেকেই না সুজাতা বাঁচিয়ে দিয়েছে তাকে, বেঁচেছে নিজে। হয়তো, পরে না পেত ওর রুদ্রাণীকে, না পারত রানির মতো সমাদর করতে। তখন ধুলো মাখামাখি করে দাঁড়াতে হত দুজনকে দশজনের সামনে। কী অপমান!

    আজ তো সুজাতা ধুলো মেখে দাঁড়ায়নি। দাঁড়িয়েছে রানির মতোই। রবিকে সে ধরেওনি, ছাড়েওনি। নিজের মনকে চোখ টিপে ছলনার মধ্য দিয়ে ও স্বীকার করেনি গিরীনকে। ও যেন চিরকাল ধরেই প্রতীক্ষা করছিল গিরীনের। যেদিন এসে গিরীন চাইল, দু হাত বাড়িয়ে দিয়েছিল।

    রানি বলেই, রানির মতো বেরিয়ে এসেছে আজ।

    এলোমেলো হয়ে উঠেছিল সুমিতার অস্পষ্ট মন। কোন বেশটি যে বড়দির সত্যি, সেটা বুঝে উঠতে পারেনি। ওই জেলে যাওয়ার বেশ, না গিরীনদার সামনের বেশ। যদিও কোনওটাই ওকে ক্ষুণ্ণ করেনি।  মনে হয়েছিল বড়দি যেন একটি স্বাধীন সুন্দর পুতুল। কখনও এই বেশে, কখনও ওই বেশে বেড়ায় সেজে।

    কিন্তু কোথা থেকে কী ঘটে গেল। সুমিতার মনে পড়ল সেই বিশ্রী সংবাদটির কথা। গিরীনদার চেহারার সঙ্গে কোনওদিন ঘটনাটির মিল খুঁজে পায়নি। স্পষ্ট মনে পড়ছে, বড়দিকে লেখা, সুমিতার লুকিয়ে দেখা গিরীনদার সেই পত্রটি।–তোমাকে প্রতারণা আমি কোনওদিন করতে চাইনি। যার বিষয় নিয়ে তুমি এতটা ক্ষিপ্ত হয়েছ, সে আমার বিবাহিতা স্ত্রী নয়। তখন আর সামনাসামনি নয়, দূর থেকে ওরা পত্রে পত্রে আয়ুধ নিক্ষেপ করছে পরস্পরের প্রতি।

    আর একটি গিরীনদার পত্র–তার সঙ্গে তো আমি কোনও সম্পর্কই রাখিনি। তোমার হিতৈষী সংবাদদাতারা আমার নামে মিথ্যে কথা বলছেন তোমাকে।

    স্ত্রীর অধিকারে যে সব গালাগাল আমাকে দিয়েছ, আমার অতি বড় শত্রুও কোনওদিন তা দেয়নি। সেই জন্যই বলছি, ছোট মুখে বড় কথায় আমার বড় ঘৃণা।

    পড়তে পড়তে মনে হত, সুমিতার বুকের তন্ত্রী ছিঁড়ে পড়বে। একে তো লুকিয়ে দেখার কাঁপুনি, তার ওপরে সেই ভয়ংকর কথাগুলি। এলোমেলোভাবে মনে পড়ছে সেই সব পত্রের কথা-হ্যাঁ, তোমার সঙ্গে দেখা হওয়ার আগে তার সঙ্গে আমার কোনও সম্পর্কেরই শৈথিল্য ছিল না। সে কথা এখনও বলছি। তাতে তোমার যত ঘৃণা এবং রাগই হোক, এ সত্য স্বীকার না করে পারছিনে। কিন্তু সে সুন্দরী এবং বিদুষী কি না অনর্থক এ প্রশ্ন করে আমাকে খোঁচা দেওয়ার কোনও প্রয়োজন ছিল না। হ্যাঁ, সে আমার রক্ষিতা ছিল। তুমি লিখেছ, আমার মতো নীচ সবই করতে পারে। তা ঠিক, সুতরাং তার রূপ ও বিদ্যার কথা থাক। তোমাকে যে পেয়েছিলুম, সেটা তো অস্বীকার করতে পারবে না। একটি কথা, পত্র লেখালেখি পরস্পরের প্রতি ঘৃণাটাই বাড়ালে। সুতরাং আর থাক। তবে আমার বিশ্বাস, তোমার অধিকারে আমি কোনওরকমেই হস্তক্ষেপ করিনি। তোমার ফিরে আসার পথ পরিষ্কার। আর তা না চাইলে সেটাকেও অপরিষ্কার করে রাখতে রাজি নই আমি।

    আবার

    তার কাছে আর যাব কি না যাব, কিংবা, আমি আমার পুরনো জীবন ত্যাগ করব কি না, তোমার ওই ক্ষিপ্ত ক্রুদ্ধ প্রশ্নের মুখে আমি তার কোনও জবাবদিহি করতে পারব না। হ্যাঁ, যত দিন প্রয়োজন বুঝব, তত দিন তাকে আর্থিক সাহায্য না করে পারব না। তবে এত দিনে তোমার সঙ্গে আমার ব্যাপারটা পারিবারিক অপমানের শেষ সীমায় এসে পড়েছে। তুমি ফিরে না এলে আমাদের বংশে একটি নতুন অধ্যায় রচনা করতে হবে আমাকে। আমি কোনও কিছুকেই আর ঝুলিয়ে রাখতে পারব না।

    কত কথা সেই পত্রাবলীর। তারই পরিণতির সর্পিল পথ বেয়ে এখনও চলতে হচ্ছে।

    হঠাৎ গাড়িটি দাঁড়াল। চমকে তাকাল সুমিতা। মেজদি নেমে যাচ্ছে। ব্যস্ত ছুটন্ত চৌরঙ্গি। ইংরেজি ছবিঘরের ভিড়। ভিড় চারদিকে সাদা, কালো মেয়ে পুরুষের। মাথার উপরে গম্বুজের কপালে ঘুরছে। সময়ের কাঁটা। কাঁচের গায়ে গায়ে ঝুলছে রকমারি জামা ও প্রসাধন সামগ্রী।

    গাড়ি থেকে নেমে দাঁড়াল মেজদি। বেশে ওর বৈরাগ্য, ভঙ্গিতে রাজেন্দ্রাণী। নেমে দাঁড়াতেই দেখা গেল, হাতের জ্বলন্ত সিগারেটটি ফেলে দিয়ে লম্বা লম্বা পা ফেলে আসছে মৃণাল। মেজদির বন্ধু, একসঙ্গে পড়েছে। গত বছর পাশ করেছে মৃণাল। মেজদি পরীক্ষা দিতে পারেনি।

    সে এসে আগে রবিদার দিকে চেয়ে হাসল একটু। তারপরে হঠাৎ মুখখানি করুণ করে তাকাল বড়দির দিকে। যেন শবযাত্রার সামনে এসে দাঁড়িয়েছে। বড়দিও হাসল একটু। মেজদি বলল বড়দিকে, দিদি, আমি তা হলে যাচ্ছি।

    বড়দিকে কেমন অন্যমনস্ক লাগছিল। ঘাড় কাত করে বলল, আচ্ছা। মহীতোষ ফিরে তাকিয়ে বললেন, আজ একটু তাড়াতাড়ি ফিরিস ঝুমনো।

    মৃণালের পাশ ঘেঁষে ফিরতে গিয়ে মেজদি বলল, চেষ্টা করব বাবা।

    বাবা ওদের দুজনকেই দেখছিলেন। মৃণাল আর মেজদিকে।

    গাড়ি বেরিয়ে গেল। হঠাৎ সমস্তটাই যেন সুমিতার স্বপ্নের ঘোরে ঘটে গেল। বাবা, বড়দি, মেজদি, রবিদা, সবাইকেই ভালবেসেছিল সুমিতা। তার জন্যে ওর জীবনে নিরঙ্কুশ সুখ ছিল না। কীভাবে, কোনদিক দিয়ে কতগুলি বিচিত্র সুখ-দুঃখ গড়ে উঠেছিল ওর মনে। সেই মন, মানুষের এমন বৈচিত্র্য দেখে সভয়ে কেঁদে উঠেছে, কেঁপে উঠেছে। আজ মৃণালকে মেজদির পাশে দেখে, অন্যদিনের মতো খুশিতে ও উপচে উঠতে পারল না। এখনও বিত্ত ও অবস্থা দিয়ে সুখ-দুঃখ রচনা করার পথে পা বাড়াতে পারেনি সুমিতা। খালি ভয় আজ, মানুষ তার নিজের হাসি নিজেই দেয় ধুয়ে শেষ করে। মানুষের জীবনধারণের মধ্যে কোথায় কতগুলি মহাসর্বনাশ আছে লুকিয়ে। আর মানুষ তাকে কেমন করে যেন নিজেই ডেকে নিয়ে আসে। কী করে বলবে ও, মৃণালকে দেখলে মেজদির গম্ভীর পাতলা ধারালো ঠোঁটের কোণে একটি বিচিত্র হাসির রেখা দেখতে পায় কেন? একদিন পেয়েছিল গিরীনদার সামনে বড়দিরও। তারপর ওই পত্রগুলি। যার প্রতিটি লাইনের ফাঁকে ফাঁকে অদৃশ্য রয়ে গেছে আসল কথাগুলি। ফুটে উঠেছে শুধু ক্ষিপ্ত, অবুঝ, অপমানকর কতগুলি মিথ্যা কথার সারি।

    রাস্তাঘাট, গাড়ির গতি, ভেতরে বাবা, বড়দি,রবিদা, সব মিলিয়ে ঘোর কাটল না ওর স্বপ্নের। কেবল একটি মর্মভেদী কান্না ঠেলে উঠতে লাগল বুক থেকে।

    সুমিতার গল্প-সাহিত্য, হাসি-খেলা-গানের সহজ পথ দলে দুমড়ে ভাঙছে চোখের সামনে। সবটাই এত বড় মিথ্যে এই সংসারে?

    এই ঘোরের মধ্য দিয়েই গাড়ি কোর্টে এল। কখন উঠে গেল বার লাইব্রেরিতে। উকিল অনিলবাবু বক বক করে গেলেন। কালো গাউন পরা শকুনের মতো উড়ে উড়ে যেন চলেছে কতগুলি মানুষ। আশেপাশে ডাইনে বাঁয়ে, সর্বত্র তাদের ছায়া। জোড়া জোড়া চোখ এসে গিলছে বড়দিকে, সুমিতাকে, সবাইকে। আলমারিতে, বইয়ে, আলোছায়াতে সর্বত্রই যুদ্ধমান তীক্ষ্ণদৃষ্টি। চারদিকের এক মহাসমারোহ এখানে যেন ঘিরে আসছে এক বিশালকায় খঙ্গ নিয়ে। বড়দি আর গিরীনদার মাঝখানের সমস্ত তন্ত্রীকে ছিন্নভিন্ন করে দিতে।

    ভয় নিয়ে, কান্না চেপে, কখন রবির সঙ্গে এসে দাঁড়াল সুমিতা নীচের গাড়ি ভিড় করা লনের একপাশে, সে খেয়ালটুকুও নেই। তারপর হঠাৎ ও চমকে দেখল, একটি গাড়ির দরজা খুলে নামছেন গিরীনদা। ও অস্ফুট গলায় বলে উঠল, গিরীনদা।

    রবি বলল, কই?

    তারপর দুজনেই নিঃশব্দে চেয়ে দেখল, গিরীনদা নেমেছেন গাড়ি থেকে। সেই গিরীনদা! দেখে কাঁপছে সুমিতার বুকের মধ্যে। হয়তো ডাক দিয়ে বসবে। ঠিক তেমনি, টাই আঁটা, কোট পরা, ফিটফাট গিরীনদা। তবু যেন সব মিলিয়ে কিছু অবিন্যস্ত। চোখ থেকে গগলস নামিয়ে ড্রাইভারকে কী বলে চলে গেলেন ওপরে। দেখতেও পেলেন না ওঁর রুমনো সাহেবাকে, বন্ধু রবিকে।

    হঠাৎ রবির গলার স্বরটি কেমন গাঢ় হয়ে উঠল। সুমিতার ঘাড়ে হাত দিয়ে বলল, আমরা এখানেই। দাঁড়াই রুমনি কেমন।

    -হ্যাঁ।

    আবার বলল, কী ভাবছ রুমনি?

    কী ভাবছে সুমিতা? বড় ভয় পেল, চোখ ফেটে জল আসবে এখুনি। তবুও হাসল। হেসে রুদ্ধ গলায় বলল, বলব রবিদা?

    অবাক হয়ে বলল রবি, বলো না।

    সুমিতা সেই অসহজ পথের নির্মমতার যন্ত্রণা নিয়ে, সহজ পথের কথাটাই বলে ফেলল নির্ভয়ে। ঢোঁক গিলে, হেসে বলল, আচ্ছা রবিদা, যদি গিরীনদা এখুনি বড়দির কাছে গিয়ে দাঁড়ান হেসে?

    রবি চমকে উঠে বলল, অ্যাঁ? কিন্তু সুমিতা তখন ফিসফিস করে যেন স্বপ্নের ঘোরে বলেই চলেছে, যদি গিরীনদা গিয়ে বড়দির হাত ধরে টেনে নিয়ে যান। যদি বড়দিটা কেঁদে ফেলে সত্যি সত্যি গিরীনদার সঙ্গে চলে যায়। ওরা সব ঝগড়া ভুলে যদি সেই আগের মতো হয়ে যায়। সেই আগের মতো হাসতে হাসতে, ঠিক আগেরই মতো ওই গাড়িতে চলে যায়।..

    সমস্ত গলাটি ভরে উঠল সুমিতার হাসি কান্নার সুধায়। রবি কয়েক মুহূর্ত কথা বলতে পারল না। খানিকক্ষণ নীরবতার পর সুমিতাকে কাছে টেনে, মাথায় হাত বুলিয়ে, চাপা স্বরে বলল, ঠিক বলেছ রুমনি, ঠিক। এর চেয়ে ভাল আর কিছু হয় না।

    রবিদা আর সুমিতা দুজনেই আচ্ছন্ন হয়ে রইল ওদের ঘোরে। কতক্ষণ এমনি আচ্ছন্ন হয়েছিল কে জানে। সময়ের মনে সময় পার হয়ে গেল। এই দুজনে নিঃশব্দ অথচ দ্রুত নিজের নিজের মনে অদৃশ্য ধারায় চলে গেল কোন সুদুরে। চমক যখন ভাঙল, দেখল গিরীনদা চলে যাচ্ছেন গাড়ি নিয়ে। তবে? তবে কী হল? একটু পরেই নেমে এল বড়দি বাবার সঙ্গে। পাশে পাশে উকিল অনিলবাবু। দেখল, বড়দির রংহীন সাদা শাড়িটাতে আগুন লেগেছে যেন। ওর সারা চোখেমুখে একটি অস্বাভাবিক দীপ্তি। একটি অদ্ভুত চাপা তীব্র হাসির ধারে চমকাচ্ছে ওর চোখমুখ। এমনকী, ওর চলবার ভঙ্গিটি পর্যন্ত আরও দৃপ্ত খরো হয়ে উঠেছে।

    .

    অনিলবাবু বিদায় নিলেন হাসতে হাসতে। কিন্তু বাবাকে তেমনি অসহায় করুণ দেখাচ্ছে।

    কাউকে কিছুই বলতে হল না। বোঝা গেল, সেই অমোঘ পরিণতি ঘটে গেছে। সুমিতার সব স্বপ্ন ভেঙে, একটি ছিন্ন পত্রের মতো নেমে এল বড়দি। গিরীনদা গেছেন তার আগেই। রাজশক্তি দিয়ে ওদের বিচ্ছেদ আজ সম্পূর্ণ হয়েছে। বড়দি বলল, তোমরা বাড়ি যাও বাবা, আমি এক জায়গায় ঘুরে যাব।

    বাবা যেন ভয় পেয়ে চমকে উঠে বললেন, কোথায়?

    বড়দি: অনেক দিন অমলাদের বাড়ি যাইনি। আজ একটু ঘুরে যাব।

    বাবা ছেলেমানুষের মতো করুণ গলায় বললেন, আজ থাক উমনো, অন্যদিন যাস।

    বড়দি ওর সেই দীপ্ত হাসিমুখেই বলল, না বাবা, আমার বাড়ি যেতে এখুনি ইচ্ছে করছে না। তোমরা যাও আমি সন্ধ্যার আগেই ফিরব।

    তারপর রবিদার দিকে ফিরে, নিজের হাতঘড়ি দেখল। বলল, এ কী, তুমি কলেজ কামাই করে ফেললে? সাড়ে বারোটায় তোমার ক্লাস ছিল যে?

    রবিদা অপ্রস্তুত গলায় বললেন, হ্যাঁ, আজ আর যাওয়া হল না।

    বড়দি এক মুহূর্ত দুরের দিকে তাকিয়ে আবার বলল, বাবা, তুমি চলে যাও, আমি পরে যাচ্ছি।

    বলে ও চলে গেল। দৃপ্ত পদক্ষেপে, ওর সাদা শাড়িতে আগুন ছড়িয়ে যেন গেল চলে। একটু পরে, এরা তিনজনেও অগ্রসর হল। খানিকটা এগিয়ে রবিদা বললেন, আমি আজ চলি কাকাবাবু। কাল পরশু বাড়িতে যাব। তারপর সুমিতা বাবার পাশাপাশি হেঁটে চলল।

    তখনও অফিস আদালতের ছুটি হতে কিছু বাকি। মাঘের রোদে কাঁপছে অনাগত চৈত্রের দীপ্তি। রাস্তায় ভিড় কম। ট্রামবাসগুলি ফাঁকা ফাঁকা।

    বাবা বললেন, রুমনো, চ, বাগবাজারে তোর জ্যাঠাইমার কাছে যাই আজ একটু।

    রুমনির কথা বলতে ভয় হল। অন্য কিছু নয়, ওর সমস্ত রুদ্ধ কান্না ভেঙে পড়বে বলে। সম্মতি জানাল ঘাড় কাত করে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅপরিচিত – সমরেশ বসু
    Next Article শালঘেরির সীমানায় – সমরেশ বসু

    Related Articles

    সমরেশ বসু

    প্রজাপতি – সমরেশ বসু

    December 2, 2025
    সমরেশ বসু

    গঙ্গা – সমরেশ বসু

    December 2, 2025
    সমরেশ বসু

    বিবর – সমরেশ বসু

    December 2, 2025
    সমরেশ বসু

    অকালবৃষ্টি – সমরেশ বসু

    December 2, 2025
    সমরেশ বসু

    নয়নপুরের মাটি – সমরেশ বসু

    December 1, 2025
    সমরেশ বসু

    শ্রীমতি কাফে – সমরেশ বসু

    December 1, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }