Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দশটি রহস্য উপন্যাস – প্রণব রায়

    প্রণব রায় এক পাতা গল্প1004 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কে তুমি – ৫

    পাঁচ

    দেখাটা এমন হঠাৎ হয়ে যাবে, দুজনের কেউই আশা করেনি।

    দেখা হল লিন্ডসে স্ট্রিটের ওপর। নিউ মার্কেটের বড় ফটকের সামনে। সন্ধ্যা তখন হয়—হয়। নরেন এসেছিল সিগারেট কিনতে। আর, পলি কিছু সিল্ক! প্যাসেঞ্জার নামিয়ে দিয়ে একখানা ট্যাক্সি খালি হতেই দু’পাশ থেকে এগিয়ে এল দুজনে। পলি আর নরেন।

    পলিই প্রথমে কথা কইলে: তুমি!

    আশ্চর্য হয়ে গেছ?—নরেন বললে।

    পলি কেমন আড়ষ্ট হয়ে গিয়েছিল। সহজ হবার চেষ্টা করে বললে, না, আশ্চর্য হব কেন! ভালো তো?

    তুমি কেমন?—নরেন পালটা প্রশ্ন করল।

    ভালো। ট্যাক্সিটা তুমিই নিয়ে যাও। চৌরঙ্গীর মোড়ে গেলে আমি আর একখানা পেয়ে যাব।

    ট্যাক্সির ওপাশ থেকে নরেন ঘুরে এপাশে এল। তারপর বললে, কি হবে অন্য ট্যাক্সি নিয়ে? চলো, তোমায় পৌঁছে দিই।

    পলি বলতে চাইল, আমি একাই যাব; কিন্তু বলবার আগেই পিছনের দরজাটা খুলে দিয়ে নরেন বললে, উঠে পড়ো।

    গাড়িতে উঠতেই হল পলিকে। নরেন উঠে দরজা বন্ধ করে দিলে। প্রশ্ন করলে, কোথায় যাবে?

    বাড়ি।

    ড্রাইভারকে নরেন বললে, পার্ক সার্কাস।

    গাড়ি স্টার্ট নিতেই নরেন আবার বললে, তোমাদের ওখানেই যাব ভাবছিলাম।

    পলি ওদিকে মুখ ফিরিয়ে বসেছিল। ফিরে তাকিয়ে বললে, হঠাৎ?

    এমনি। দেখা করার ইচ্ছে হল বলে।

    পলি অস্ফুটে বললে, আশ্চর্য!

    সিগারেটের টিনটা খুলতে খুলতে নরেন বললে, কি আশ্চর্য? তোমার সঙ্গে দেখা হওয়াটা, না তোমাকে দেখার ইচ্ছেটা?

    মৃদু স্বরে পলি বললে, দুটোই।

    লাইটার জ্বেলে নরেন একটা সিগারেট ধরালে। বললে, তা তুমি বলতে পার পলি। এই ক’বছর অনেক জায়গায় ঘুরতে হয়েছে আমাকে। নইলে মাঝে মাঝে দেখা হত।

    রাস্তার দিকে তাকিয়ে পলি বললে, হলে লাভ কি হত?

    জীবনে লাভটাই তো সব নয়! নরেন বললে।

    হঠাৎ সমস্ত শরীরে একটা ঝাঁকানি দিয়ে পলি তাকালে নরেনের দিকে। বললে, জীবনে লাভ ছাড়া আর কিছু বোঝ তুমি?

    অন্তত লোকসানটা বুঝি। নরেন জবাব দিলে।

    সে লোকসান তো অপরের।

    পলির দিকে একটু ঝুঁকে নরেন বললে, নিজেরও কম নয়।

    পলি আবার মুখ ফিরিয়ে রাস্তার দিকে তাকাল। নরেন দেখতে পেল না, পলির দুই চোখ আগুনের মতো দপ করে জ্বলে উঠেই ধীরে ধীরে কুয়াশায় ঝাপসা হয়ে এল।

    .

    সৈয়দ আমির আলি অ্যাভিনিউ দিয়ে যেতে যেতে ট্যাক্সিটা বাঁ দিকে ঝাউতলা রোডে ঢুকল। কিছু দেশি খ্রিস্টান আর কিছু মুসলমানের বাস এখানে। এই পাড়াতেই ফ্ল্যাট নিয়ে থাকেন মিসেস নীরজা নস্কর। নীরজা নস্কর, পাসকরা ধাত্রী। পলি তাঁর একমাত্র কন্যা।

    ট্যাক্সির ভাড়া মিটিয়ে নরেন ঢুকল পলিদের ফ্ল্যাটে। এখানে তার আসা নতুন নয়। তবু এখানকার আসবাবের পরিবর্তনটুকু তার চোখ এড়াল না। নতুন পুরু গালিচার ওপর দামি সোফাসেটটি সাজানো। ড্রয়িংরুমের দেওয়ালগুলো পর্যন্ত দামি বাহারি কাগজ দিয়ে মোড়া। তিন বছর আগে ছিল না এসব। এ তিন বছরে নীরজা নস্করের পশার বেড়েছে নিশ্চয়।

    নরেনকে পলি বলল, বসো, আসছি।

    শুধু শাড়িটা বদলে ফিরে এল পলি। সাধারণ সৌজন্যের সঙ্গে প্রশ্ন করল, চা খাবে?

    এতক্ষণে নরেন ভালো করে দেখার সুযোগ পেল পলিকে। রংটা আগের চেয়ে আরও মাজা—মাজা হয়েছে। মাথায় চুলগুলি তেমনি বব করা। সাধারণ মেয়েদের চেয়ে বেশি লম্বা বলে পলিকে একটু ছিপছিপে মনে হতো। এখন চর্বির একটা পাতলা আস্তরণ লেগেছে গায়ে। সুখ আর সচ্ছলতার চিহ্ন পলির সর্বাঙ্গে।

    নরেন বললে, ঠিক চা খেতে আসিনি। তোমার সঙ্গে কথা আছে পলি।

    কথা! আমার সঙ্গে! পলির সরু করে কামানো ভ্রূ দুটো ধনুক হয়ে উঠল। একটা সোফার হাতলে বসে বললে, কথা তো আমরা একদিন শেষ করে দিয়েছিলাম। আদালতের সামনে।

    আর একটা সিগারেট ধরালে নরেন। বললে, কথা কখন ফুরোয়, কখন আবার শুরু হয়, কেউ জানে না। আদালতের সামনে তিন বছর আগে যা বলেছিলাম, সেটাই আমার শেষ কথা নয় পলি।

    সোফার গায়ে হেলান দিয়ে বললে, বেশ বলো শুনি।

    নরেন উঠে দাঁড়িয়ে ঘরের এদিক থেকে ওদিক একবার পায়চারি করল। ঘরের ছবিগুলো একবার দেখল, ফুলদানি থেকে একটা ফুল ছিঁড়ল অকারণে। তারপর আবার ফিরে এল সোফার কাছে। ঠান্ডা গলায় যতটা সম্ভব আবেগ দিয়ে বললে, আমি আমার ভুল বুঝতে পেরেছি পলি। আর সে ভুলের জন্যে এই তিন বছরে কম শাস্তি পাইনি।

    কি বলতে চাও? পলির গলাটা কেঁপে উঠল।

    নরেন পলির কাছে আরও এক—পা এগিয়ে এল। বললে, তোমায় ছেড়ে থাকা আমার পক্ষে আর সম্ভব নয় পলি। বার বার তোমায় ভুলতে চেষ্টা করেছি, পারিনি। ভুলতে পারিনি শিশু টুটুলের মুখখানা। আমার ভালোবাসা আজও মরেনি পলি। আমায় তুমি আরেকটি বার সুযোগ দাও। সুযোগ দাও তোমাকে আর টুটুলকে নিয়ে জীবনটাকে নতুন করে গড়ে তোলার।

    হাত বাড়িয়ে নরেন পলির একখানা হাত ধরলে। ঘা—খাওয়া সেতারের তারের মতো সে—হাতখানা কাঁপছে।

    এক ঝটকায় হাতখানা ছাড়িয়ে নিল পলি। তারপর কয়েক পা সরে গিয়ে বললে, আর তা হয় না।

    কেন হয় না পলি?

    মুখ ফিরিয়ে পলি বললে, তোমার আমার ভালোবাসার মীমাংসা আদালতেই হয়ে গেছে। তার জের টানা আর চলে না।

    নরেন এসে দাঁড়াল পলির ঠিক পিছনে। তার কাঁধে একখানা হাত রেখে বললে, ভুল করলে কি ক্ষমা নেই?

    ক্ষমা?

    চকিতে ফিরে দাঁড়াল পলি। দুই চোখে জল আর বিদ্যুতের আগুন নিয়ে বলতে লাগল, শয়তানেরও লজ্জা থাকে, তোমার তাও নেই নরেন। বিয়ের পর দুটো বছর যেতে না যেতেই আদালতের সামনে যাকে ত্যাগ করতে পেরেছিল, ভালোবাসার ছল করে যার যথাসর্বস্ব চুরি করে পালাতে তোমার বাধেনি, আজ এসেছ তারই কাছ থেকে ক্ষমা চাইতে! ভেবেছ আগের মতোই তোমার সব দোষ মেনে নেব আমি? ভুল করেছ নরেন, পলি আর ততটা বোকা নয়।

    শক্ত স্নায়ুর লোক নরেন। নইলে এত বড় অপমানের পরেও তার মুখের একটি পেশী কাঁপল না কেন? স্বাভাবিক ঠান্ডা গলায় সে বললে, আমি দুঃখিত পলি। তুমি অমন উত্তেজিত হবে জানলে একথা তুলতাম না। যাকগে, পুরোনো বন্ধু হিসেবে কিছু সাহায্য চাইতে পারি কি তোমার কাছে?

    কি সাহায্য চাও?

    ভেবেছিলাম বলব না, কিন্তু না বলে আমার উপায় নেই। কিছু টাকার বড় দরকার।

    ভুরু দুটো তুলে পলি বললে, টাকার দরকার? তোমার?

    নরেন বললে, হ্যাঁ, আমারই দরকার। একদিন তুমি আমায় সত্যিই ভালোবেসেছিলে, তাই আজ—

    বাধা দিয়ে পলি বললে, ওকথা থাক। মেয়েদের সবচেয়ে দুর্বলতার জায়গায় ঘা দিয়ে টাকা আদায় করাই যে তোমার পেশা, সেটা জানতে আমার বাকি নেই। কিন্তু আমি দুঃখিত নরেন, টাকা আজকাল আমার মায়ের হাতেই থাকে।

    নরেনের চোখ দুটো পাথরের চোখের মতো কয়েক মুহূর্ত স্থির হয়ে রইল পলির দিকে। তারপর সহজ ঠান্ডা গলায় বললে, ও, তাহলে তোমায় আর বিরক্ত করব না। টুটুল কোথায়? একবার দেখে যেতাম। আশা করি এতে তোমার আপত্তি হবে না।

    ঘাড় বেঁকিয়ে পলি তাকাল নরেনের দিকে। তিন মাস বয়সে যাকে ফেলে তুমি চলে গিয়েছিলে, আজ আবার তাকে দেখতে চাও কেন?

    নরেন বললে, ত্যাগ করলেও সে আমারই ছেলে। ছেলেকে দেখার অধিকার কি বাপের নেই?

    সে অধিকারের মান তুমি কতটুকু রেখেছ? তবু ডাকছি টুটুলকে। দেখে যাও, যে ফুলের কুঁড়িকে তুমি তোমার নিষ্ঠুর খেয়ালে ফেলে চলে গিয়েছিলে, আমি কেমন করে তাকে আগলে রেখেছি।

    বলতে বলতে গলা ধরে এল পলির। ছাপিয়ে উঠল জলভরা চোখের কোল।

    হাতের রুমালে ভিজে চোখ দুটো বেশ মুছে পলি ডাক দিলে, আয়া, বেবিকো লাও।

    মায়ের আওয়াজ পেয়ে টুটুল নিজেই এল। ছোট্ট ট্রাইসাইকেল চালিয়ে। তারপর একলাফে নেমে একদৌড়ে ছুটে এসে জড়িয়ে ধরল পলির হাঁটু দুটো। হাসি—হাসি কচি মুখখানা তুলে বললে, মামি, চকোলেট এনেছ?

    মাতৃত্বের মহিমায় পলির মুখ আলোকিত হয়ে উঠল। টুটুলের মাথায় হাত বুলিয়ে বললে, এনেছি টুটুল! কিন্তু এখন নয়, কাল সকালে।

    নরেন স্থির দৃষ্টিতে দেখতে লাগল। এই টুটুল! একমাথা কোঁকড়ানো চুল। হৃষ্টপুষ্ট নধর দেহ। ভাসা ভাসা ডাগর চোখ। দেখলে যে কোন বাপ—মায়ের বুকে জড়িয়ে ধরতে ইচ্ছে হয়। কিন্তু আশ্চর্য, টুটুলকে দেখতে দেখতে নরেনের মনে পড়ে গেল, সপ্তাহ দুয়েক আগে খবরের কাগজে দেখা একটা বিজ্ঞাপন।

    হঠাৎ নরেনের দিকে চোখ পড়তেই টুটুল কি যেন বলতে গিয়ে থেমে গেল।

    দু’হাত বাড়িয়ে নরেন ডাকলে, এসো টুটুল!

    টুটুল কিন্তু এল না। পলির হাঁটু দুটো তেমনি আঁকড়ে ধরে শুধু বললে, না।

    নরেন আবার ডাকলে, খেলনা দোব, এসো।

    কিন্তু এত বড় প্রলোভনও টুটুলকে টলাতে পারল না। মাকে ছেড়ে সে একরকম ছুটেই বাড়ির ভেতরে চলে গেল। পড়ে রইল ট্রাইসাইকেলটা।

    পলির মুখে একটু শ্লেষের হাসি দেখা গেল। বললে, এমনিই হয় নরেন। বাপ যদি ছেলেকে না চায়, ছেলেও বাপকে চায় না। এটা প্রকৃতির প্রতিশোধ।

    স্থির দৃষ্টিতে ভেতরের দরজার দিকে তাকিয়ে ছিল নরেন। হঠাৎ যেন চমক ভেঙে যাওয়াতে পলির দিকে তাকিয়ে বললে, আচ্ছা, গুড নাইট। তারপর বাইরের দিকে পা বাড়াল। কিন্তু যাওয়ায় পড়ল বাধা। ঠিক সেই মুহূর্তে বাইরের দরজা দিয়ে ঢুকল নরেনের অচেনা একটি ভদ্রলোক। পরনে সিল্কের হাফ শার্ট আর ট্রাউজার। মজবুত জোয়ান চেহারা। বয়সে নরেনের চেয়ে দু—এক বছর কমই হবে।

    লোকটিও থমকে দাঁড়িয়ে পড়ল নরেনকে দেখে। চঞ্চল হয়ে উঠল পলি। তাড়াতাড়ি বলে উঠল, এসো বিজয়। তারপর নরেনের দিকে তাকিয়ে বললে, বিজয় বিশ্বাস—আমার বন্ধু।

    হাসিমুখে বিজয় বিশ্বাস পলিকে প্রশ্ন করলে, আর ইনি?

    নরেন দাশ, মানে—

    পলির গলা হঠাৎ আটকে গেল।

    অদ্ভুত সেই যান্ত্রিক হাসি হেসে নরেন পাদপূরণ করলে, পলির শত্রু।

    তারপর আর দাঁড়াল না।

    .

    পরদিন একটা লোকাল ট্রেন থেকে নরেনকে নামতে দেখা গেল উত্তরপাড়া স্টেশনে। পকেট থেকে খবরের কাগজ থেকে কাটা একটা বিজ্ঞাপন বের করে নিজের মনেই সে পড়লে। তারপর শহরের দিকে এগিয়ে গেল বিজ্ঞাপনদাতার সন্ধানে।

    ঠিকানা বের করতে বিশেষ বেগ পেতে হল না নরেনকে। কেননা বিজ্ঞাপনদাতা উমেশ মজুমদার উত্তরপাড়া মিউনিসিপ্যালিটির ভূতপূর্ব চেয়ারম্যান। তাঁর দু—মহলা বাড়ি দেখে তাঁর ব্যাঙ্ক—ব্যালেন্সটা আন্দাজ করা যায় সহজেই।

    বিজ্ঞাপনের টুকরোটা দেখিয়ে নরেন প্রশ্ন করলে, এ বিজ্ঞাপন কি আপনি দিয়েছেন?

    উমেশবাবু বললেন, হ্যাঁ।

    নরেন বললে, আমি এই জন্যই এসেছি।

    আপনার নাম? উমেশবাবু প্রশ্ন করলেন।

    নরেন্দ্রনাথ দাশ। আপনি যা চাইছেন, তার জন্যে কত টাকা দিতে পারেন, জানতে পারি কি?

    উমেশবাবু বললেন, পছন্দ হলে দশ হাজার পর্যন্ত পারি। তবে মুশকিল হয়েছে কি নরেনবাবু, যিনি পছন্দ করবেন, তিনি উপস্থিত এখানে নেই। মানে আমার স্ত্রী মিহিজামে গেছেন চেঞ্জে। মাসখানেক বাদেই তিনি ফিরবেন। তিনি ফিরে আসা অবধি আপনি যদি অপেক্ষা করতে পারেন—

    বেশ, তাই হবে। মাসখানেক পরেই আসব। নমস্কার।

    নরেন উঠে পড়ল।

    আরও হপ্তাখানেক পরে তাকে দেখা গেল এলাহাবাদ স্টেশনে নামতে।

    মুখে—চোখে প্রবল বিতৃষ্ণা নিয়ে সুধা বললে, আবার এসেছ কেন?

    সিগারেটের টিনটার গায়ে আঙুলের মৃদু মৃদু টোকা দিতে দিতে নরেন বললে, আমি কেন আসি, তোমার তো অজানা নয় সুধা। তবে আশ্চর্য হবার ভান করছ কেন?

    প্রত্যেকটি কথা যেন কেটে কেটে উচ্চচারণ করলে সুধা: টাকা আমি আর দোব না।

    তা বললে কি চলে সুধা? হাজার টাকায় কতদিন আর চলে? আমি আবার অল্প খরচে কষ্ট করে থাকতে পারি না। দু’হাত ভরে খরচ করতে না পারলে বাঁচার কোনো মানেই হয় না আমার কাছে। এবার কিছু বেশিই দিও সুধা!

    তেমনি কেটে কেটে উচ্চচারণ করলে সুধা : একটি পয়সাও দেব না আমি। দিতে পারব না।

    একটা সিগারেট ধরালে নরেন। তারপর লাইটারটাকে লুফতে লুফতে বললে, দেখো, চোরদের মধ্যেও একটা সততা থাকে, আর তুমি কিনা আমার কারবারের পার্টনার হয়ে বলছ লাভের অংশ দোব না? এই কি তোমার উচিত হল সুধাময়ী?

    সুধা জবাব দিলে, তোমার পাপের কারবারের পার্টনার হতে চাই না আমি। তুমি যাও।

    জিব আর তালুর সংযোগে চুক চুক করে আক্ষেপসূচক শব্দ করলে নরেন। বললে, পাপের কারবার! পাপ তুমি কাকে বলছ সুধা? বুদ্ধি খাটিয়ে রোজগার করা পাপ! রীতিমতো প্ল্যান করে বুদ্ধি খাটিয়ে এ কারবারে নেমেছি আমরা। পাপ কোথায় এর মধ্যে? আর নেহাতই সংস্কারের বশে একে যদি পাপ বলো, তবে এ বাড়িতে এসে তুমিই বা কোন পুণ্যটা করেছ শুনি?

    সুধা বললে, পাপ যদি করে থাকি, তবে একটা পাপেরই অপরাধ আমার থাক। যখন—তখন তোমাকে টাকা দিয়ে পাপ আর বাড়াব না।

    নরেন বললে, বাংলা ছেড়ে এলাহাবাদে এসে তোমার বুদ্ধি গুলিয়ে গেছে দেখছি। নইলে এমন কথা বলতে পারলে কি করে! যখন—তখন তুমি টাকা দেবে বলেই তো তোমাকে এখানে পাঠানো। নইলে কি তুমি একা একা সুখী থাকবে বলে তোমায় জয়ন্তী সাজিয়ে পাঠিয়েছি? যাও টাকা নিয়ে এসো, আমার তাড়া আছে।

    মরিয়া হয়ে সুধা বললে, টাকা যদি না দিই, তুমি কি করতে পার?

    চেয়ার ছেড়ে উঠে এল নরেন সুধার সামনে। তারপর তার সেই ভয়ঙ্কর ঠান্ডা গলায় বললে, টাকা না দিলে জাল জয়ন্তী সান্যালের মুখোশ খুলে দোব। আর বেরিয়ে পড়বে জালিয়াত সুধাময়ী সোম। তখন আদালতের সামনে থেকে, সমাজের সামনে থেকে, দুনিয়ার সামনে থেকে কোথায় মুখ লুকোবে তুমি, মাথা ঠান্ডা করে সেটা আগে ভেবে দেখো সুধাময়ী। তাছাড়া সেই চিঠির তাড়া এখনো আছে।

    বিবর্ণ মুখে সুধা বললে, আমি ধরা পড়লে তুমিও কি রেহাই পাবে ভেবেছ?

    নরেন ফিরে গিয়ে আবার চেয়ারে বসল। বললে, সে—চিন্তা আমার, তুমি তোমার চিন্তা করো।

    চুপ করে রইল সুধা। আর সিগারেট টেনে যেতে লাগল নরেন।

    বড় দেওয়াল ঘড়িটা একটানা আওয়াজ করতে লাগল টক টক টক। সুধার মনে হল, আওয়াজটা উঠছে তার হৃৎপিণ্ড থেকে।

    সিগারেটের টুকরোটা পায়ের তলায় পিষে ফেলে নরেন এক সময় বললে, দিতে যদি তোমার নিতান্তই অসুবিধা হয়, তাহলে টাকাটা সুজিতের কাছ থেকেই নিতে হবে! বাড়িতে আছে নাকি সে? না অপেক্ষা করব?

    নিষ্প্রাণ গলায় সুধা বললে, কত টাকা পেলে তুমি আমাকে রেহাই দেবে?

    পাঁচ হাজার দিলেই ভালো হয়। অভাব তো নেই তোমার!

    পাঁচ হাজার!

    বেশ, উপস্থিত হাজার তিনেক হলেও চলবে।

    উপস্থিতের কথা নয়, ভবিষ্যতের কথা বলছি।

    ভবিষ্যতের কথা কে বলতে পারে বলো? তবে আমার কারবার যদি ভালোই চলে, তাহলে অবশ্য তোমাকে ঘন ঘন বিরক্ত করার দরকার হবে না। এই ধরো, আসছে মাসে হাজার দশেক টাকার একটা বিজনেস হবার কথা আছে। সেটা হয়ে গেলে কিছুকাল দিব্যি নিশ্চিন্ত।

    লাইব্রেরি ঘর থেকে নিঃশব্দে বেরিয়ে গেল সুধা। ফিরে এল সবুজ রঙের একখানা চেক হাতে নিয়ে। নরেনকে দিয়ে বললে, তিন হাজারই দিলাম।

    চেকখানা ভাঁজ করতে করতে নরেন বললে, আমি জানতাম টাকা তুমি দেবেই। আচ্ছা, আসি।

    সমস্ত শরীরটাকে শক্ত ঋজু করে সুধা বললে, হ্যাঁ, এসো। তোমার এই যাওয়াই যেন শেষ যাওয়া হয়। জীবনে আর কোনোদিন এখানে আসার চেষ্টা করো না। এলে তুমিও বাঁচবে না, আমিও না।

    সুধার আগুনবরণ মুখের পানে তাকিয়ে থাকতে থাকতে সেই অদ্ভুত যান্ত্রিক হাসি দেখা দিল নরেনের মুখে। বললে, আমায় ভয় দেখাচ্ছ তুমি? তারপর ধীরে—সুস্থে ভাঁজ করা চেকখানা পকেটে পুরে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে বেরিয়ে গেল ঘর থেকে।

    দুলতে লাগল লাইব্রেরি ঘরের পর্দাটা।

    .

    স্বর্ণময়ী প্রশ্ন করলেন, তুই কিছু জানিস বাবা?

    সুজিত বললে, কি বিষয় মা?

    চিন্তার ছায়া পড়ল স্বর্ণময়ীর মুখে। বললেন, বউমার কথা জিজ্ঞেস করছি বাবা। দিন দিন ও যেন কেমন হয়ে যাচ্ছে। কথা কম বলে, না ডাকলে সাড়া পাওয়া যায় না, সদাই কেমন অন্যমনস্ক ভাব। বউমার কি হয়েছে, আন্দাজ করতে পারিস কিছু?

    এক মুহূর্ত চুপ করে থেকে সুজিত বললে, মা হয়ে তুমি যদি আন্দাজ করতে না পারো, আমি কি পারব?

    স্বর্ণময়ী বললেন, কি জানি বাবা! এক এক সময় মনে হয়, ও নিশ্চয় লুকিয়ে লুকিয়ে কাঁদে। কি যে ওর দুঃখ—বলেও না, বুঝিও না। মেয়েটাকে ভালোবেসেছি বলেই তো এত ভাবনা আমার।

    চুপ করে রইল সুজিত। স্বর্ণময়ীও যেন ডুবে গেলেন নিজের চিন্তায়।

    হঠাৎ এক সময় সুজিত বললে, আচ্ছা মা, বউদি যদি তোমার পুত্রবধূ না হয়ে আর কেউ হত, তুমি তাকে এতখানি ভালোবাসতে?

    অবাক হয়ে স্বর্ণময়ী বললেন, সেকি রে! বউমা আর কেউ হতে যাবে কেন?

    ধরো যদি কোনো পরের মেয়ের হত—সান্যাল বাড়ির সঙ্গে যার কোনো সম্পর্কই নেই—

    অপূর্ব মমতার আভা ছড়িয়ে পড়ল স্বর্ণময়ীর সারা মুখখানিতে। ক্ষীণ হেসে ধীরে ধীরে বললেন, স্নেহ ভালোবাসা কি আপন—পর বাছে রে পাগল? জয়ন্তী যেদিন এ বাড়িতে প্রথম এল, আমার অলোকের বউ না হলে সেদিন কি হত জানি না, কিন্তু আজ আর তাকে পর বলে ভাববার ক্ষমতা আমার নেই বাবা। কিন্তু এ—কথা কেন সুজিত?

    সুজিতের কপালেও চিন্তার রেখা দেখা দিল। কতকটা যেন নিজের মনেই বললে, বউদির মধ্যে কি যেন একটা রহস্য লুকোনো আছে।

    উদ্বিগ্ন মুখে স্বর্ণময়ী বলে উঠলেন, কি রহস্য?

    সেটা যে কি, তা আমিও জানি না মা। তবে সে রহস্য চাপা থাকবে না, একদিন না একদিন প্রকাশ পাবেই।

    কফির পেয়ালাটা শেষ করে সুজিত চলে গেল। আর স্বর্ণময়ীর বুকের ভেতরটা যেন তোলপাড় করে উঠল।

    .

    কলিংবেলটা প্রথমবার যখন বাজল, পলি তখন খেয়াল করেনি। দ্বিতীয়বার বাজতেই সচকিত হয়ে উঠল সে। দুধের গ্লাসটা টুটুলের হাতে দিয়ে বললে, নিজে নিজে খেয়ে ফেলো তো মণি, আমি আসছি এখুনি।

    সিঁড়ি দিয়ে একতলায় নামতে নামতে পলির মুখে দুষ্টু হাসির আভাস দেখা দিল। যে এসেছে, সে বিজয় ছাড়া আর কেউ হতেই পারে না। নিশ্চয় সিগারেট কেস ফেলে গেছে। নয়তো রিস্টওয়াচ। সত্যি এমন ভুলো লোক এই বিজয়! এমন কি কাজে বেরোবার সময় পলিকে যা দিয়ে যাবার কথা, এক একদিন তাও সে ভুলে যায়। আর ফিরে আসতে হয় মাঝ রাস্তা থেকে।

    দরজা খুলতে খুলতে পলি বললে, হঠাৎ ফিরে এলে যে বিজয়? তুমি বুঝি—

    মুখের কথা হারিয়ে গেল পলির। আগন্তুক ঠান্ডা গলায় বললে, ফিরে আসাটা হঠাৎই হল বটে। তবে বিজয় নয়, আমি।

    চুপ করে দাঁড়িয়ে রইল পলি।

    নরেন বললে, ভেতরে গিয়ে বসতে বলবে না?

    পলি শুধু বললে, এসো।

    ড্রইংরুমে গিয়ে একটা বড় কাগজের বাক্স সোফার ওপর নামিয়ে রাখল নরেন। তারপর সোফার হাতলের ওপর বসে বললে, ভয় নেই, কোন আর্জি নিয়ে আসিনি আজ। কোনো পুরোনো কথাও তুলব না।

    হঠাৎ এদিকে এলে যে? পলি প্রশ্ন করল।

    নরেন জবাব দিলে, হঠাৎ আসা আর হঠাৎ চলে যাওয়াই তো আমার স্বভাব পলি!

    একটু অসহিষ্ণু হয়ে পলি বললে, আমি এখুনি বেরোব ভাবছিলাম—

    বেরোবে? কোথায়?

    কাছাকাছি একটা কিন্ডারগার্টেন স্কুল হয়েছে, টুটুলকে পৌঁছতে যাব।

    মিনিট পনেরো অপেক্ষা করতে পারি।

    যথেষ্ট। তার আগেই চলে যাব আমি।

    পকেট থেকে সিগারেট বের করে একটা ধরাল নরেন। তারপর ধোঁয়া ছেড়ে বললে, তোমায় অভিনন্দন জানাতে এলাম পলি।

    পলির ভ্রূ দুটো অল্প বাঁকা হয়ে উঠল। বললে, অভিনন্দন! কিসের জন্যে?

    আর্মি অফিসার বিজয় বিশ্বাসের সঙ্গে তোমার শুভ বিবাহের জন্যে। প্রার্থনা করি, তোমার দ্বিতীয় দাম্পত্য জীবন সুখের হোক।

    এক মুহূর্তের জন্যে পলির মুখের সমস্ত রং হারিয়ে গেল। পরক্ষণেই স্বাভাবিক হবার চেষ্টা করে বললে, এ খবর কোত্থেকে শুনলে?

    হালকা গলায় নরেন বললে, হঠাৎ দৈববাণী হল আকাশ থেকে।

    হসপিটালে মার সঙ্গে দেখা হয়েছিল বোধ হয়?

    তোমার অনুমান সত্যি। সুখবরটা মিসেস নস্করের মুখ থেকেই পেলাম। শুনলুম, ক্যাথলিক মতে তোমাদের বিয়ে হয়েছে। কিন্তু খবরটা আগের বার আমায় জানালেই পারতে। লুকোচুরির দরকার কি ছিল? তোমাদের প্রেমের পর্বে আমি বাধা দিতাম না নিশ্চয়ই!

    পলির মুখখানা লাল হয়ে উঠল হঠাৎ। বললে, খবরটা তোমাকে জানাতেই হবে—এমন কোনো বাধ্যবাধকতা আছে কি?

    সিগারেটে একটা টান দিয়ে নরেন বললে, তুমি আবার আমাকে ভুল বুঝছ পলি। বিশ্বাস করো, তোমার দ্বিতীয় বিবাহে আমি সুখীই হয়েছি।

    উদ্দীপ্ত গলায় পলি বলে উঠল, তুমি সুখী হও না হও, আমি জানতে চাই না। আমি নিজে সুখী হয়েছি—এইটুকুই জানি। আমার যে নারীত্বকে তুমি দু’পায়ে দলে চলে গিয়েছিলে, বিজয় তাকেই মর্যাদা দিয়েছে, ভালোবেসেছে।

    বাঁকা চোখে পলির দিকে তাকিয়ে নরেন প্রশ্ন করলে, আর তুমি?

    কি জানতে চাও আমার সম্বন্ধে? বিজয়কে ভালোবাসি কিনা? বাসি বইকি! যে আমার সমস্ত শূন্যতা পূর্ণ করেছে, তাকে ভালোবাসব না? আমি তো ইট কাঠ পাথর নই!

    সোফা ছেড়ে নরেন একবার ঘরের ওধার অবধি পায়চারি করে এল নীরবে। তারপর বললে, লেফটেন্যান্ট বিজয় বিশ্বাসকে ধন্যবাদ। তোমাকে সুখী করতে পেরেছেন বলে। প্রার্থনা করি, প্রথম প্রেমের সমাধির ওপর তোমার নতুন সুখের ঘরকন্না চিরস্থায়ী হোক।

    হাতের ছোট্ট রিস্টওয়াচের দিকে একবার তাকিয়ে নিয়ে পলি বললে, সেটা তো আগেই ঘটা করে জানিয়েছ। আর কিছু বলার আছে কি? টুটুলের স্কুলের সময় হয়ে এসেছে।

    কাগজের বাক্সটা নরেন খুলল। বেরোল দম—দেওয়া খেলার এঞ্জিন একটা। বললে, টুটুলের কথা মনে পড়ল বলেই এলাম। একবার পাঠিয়ে দাও। তাকে এটা দিয়েই চলে যাব।

    পলি ডাক দিতেই টুটুল ছুটে এল। নরেন ততক্ষণে দম দিয়ে এঞ্জিনটাকে ছেড়ে দিয়েছে মেঝের ওপর। শিস দিয়ে ছুটে চলেছে গাড়িটা।

    বড় বড় চোখে লোভ আর সরলতা নিয়ে দেখতে লাগল টুটুল।

    নরেন বললে, তুমি চালাবে টুটুল? চালাও না!

    আগের বার মাকে ছেড়ে টুটুল এগোয়নি নরেনের কাছে। আজ কিন্তু এগিয়ে এল নির্ভয়ে। পলিকে নরেন বললে, বিয়ের খাওয়াটা তো ফাঁকি দিলে, আজ অন্তত এক কাপ চা দিয়ে নেমন্তন্ন রক্ষে করো!

    আর একবার রিস্টওয়াচের দিকে তাকিয়ে পলি ভেতরে চলে গেল। মুখ ফিরিয়ে নরেন তাকাল টুটুলের দিকে। মেঝেয় হাঁটু গেড়ে বসে টুটুল খেলনা—এঞ্জিনে দম দিচ্ছে উৎসাহের সঙ্গে।

    এই তো সুযোগ!

    .

    হিটারে চা করতে তিন—চার মিনিটের বেশি লাগল না।

    চায়ের পেয়ালা হাতে নিয়ে পলি যখন আবার ড্রইংরুমে এল, সেখানে তখন কেউ নেই। নরেনও নেই, টুটুলও নেই।

    পড়ে আছে শুধু খেলনা—এঞ্জিনটা। আর টেবিলের ওপর খোলা চিঠি একখানা।

    চায়ের পেয়ালাটা রেখে কাঁপা হাতে পলি চিঠিখানা তুলে নিল:

    টুটুলকে নিয়ে চললাম। কোন নিঃসন্তান দম্পতির হাতে তাকে দিলে হাজার দশেক টাকা লাভের আশা আছে। চিন্তা করো না, টুটুল সেখানে সুখেই থাকবে।

    মিছে পুলিশে খবর দিও না। আইনের সাহায্য নিয়ে লাভ নেই। কেননা, দ্বিতীয় বিবাহের পর টুটুলের ওপর তোমার আইনগত অধিকার তুমি হারিয়েছ। আর হারিয়েছ বলেই টুটুলকে আমি নিশ্চিন্তে নিয়ে যেতে পারলাম। তোমার দ্বিতীয় বিবাহের জন্যে আরেকবার ধন্যবাদ।

    নতুন জায়গায় গিয়ে তোমাকে ভুলে যেতে, আশা করি টুটুলের বেশি দিন লাগবে না।

    চিঠিখানা হাতে ধরে পলি দাঁড়িয়ে রইল কাঠ হয়ে। টুটুল বলে একবার চিৎকার করতে গেল, গলা দিয়ে আওয়াজ বেরোল না। তারপর হঠাৎ চারদিক ধোঁয়ায় ঝাপসা হয়ে একাকার হয়ে গেল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদেরি হয়ে গেছে – প্রচেত গুপ্ত
    Next Article মহাভারতের মহারণ্যে – প্রতিভা বসু
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }