Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দশটি রহস্য উপন্যাস – প্রণব রায়

    প্রণব রায় এক পাতা গল্প1004 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কুয়াশার রাত – ৫

     ৫

    বিকেল থেকেই দীপু বায়না ধরেছে, ‘রাণুমাসির বিয়েতে নেমন্তন্ন খেতে যাব।’ মিতালি কান দেয়নি। কিন্তু সন্ধের পর তার বায়না আদুরে কান্নার পর্যায়ে উঠল। ঠাকুরকে রাতের রান্না বুঝিয়ে দিতে দিতে, মিতালি দীপুর একঘেয়ে কান্না শুনতে পেল: ‘ওরে আমি রাণু মাসির বিয়েতে যাব রে। ওরে আমি নেমন্তন্ন খাব রে।’

    রান্নাঘর থেকে শোবার ঘরে এসে দাঁড়াল মিতালি।

    এই, চুপ কর!

    কোঁকড়া চুলের গোছা দুলিয়ে দীপু বললে, আগে রাণুমাসির বিয়েতে চলো, তবে চুপ করব।

    না, আমাদের যেতে নেই।

    কেন যেতে নেই? আমাদের তো নেমন্তন্নর চিঠি পাঠিয়েছে।

    পাঠাক। তবু আমাদের যেতে নেই। আমরা যাব না।

    দীপু তৎক্ষণাৎ আবার সুর ধরলে, ওরে আমি রাণুমাসির বিয়েতে —ইত্যাদি।

    বাইরের অন্ধকার বারান্দায় ভূতের মতো চুপ করে বসে ছিল কুন্তল। আলো জ্বালেনি। বাড়ি থেকে বেরুনো আজকাল প্রায় বন্ধ করে দিয়েছে। সারাটা দিন বহুবার পড়া বইগুলো আবার ওলটায়, নয়তো চুপচাপ কি যেন ভাবে। গভীর রাতে কখনও ঘুম ভেঙে গেলে মিতালি দেখেছে, অন্ধকার বারান্দায় একা একা বিনিদ্র কুন্তল পায়চারি করে বেড়াচ্ছে। প্রেসিডেন্সি জেলে সেই কালাপানি—যাত্রী ‘দায়মলি’দের মতো। দীপুর কান্না শুনে কুন্তল উঠে ঘরে এসে দাঁড়াল। অসীম বিরক্তিতে মিতালি তখন দীপুর কান ধরে ধমকাচ্ছে, চুপ কর বলছি—চুপ কর—

    কুন্তল আস্তে আস্তে বললে, দীপু নেমন্তন্ন খেতে ভালোবাসে, রাণুদের ওখানে গেলেই তো হয়।

    দীপুর কান ছেড়ে দিয়ে, মিতালি সংক্ষেপে জবাব দিল, না।

    গেলে ক্ষতিটা কি? রাণু তোমার আপন খুড়তুতো বোন, সামাজিকতার দিক থেকেও—

    কি এক মর্মান্তিক জ্বালায় মিতালির দুই চোখ দপ করে জ্বলে উঠল। ধাতব গলায় বললে, কোন মুখে বলছ শুনি? বিয়েবাড়িতে যাব দশজনের টিটকিরি শুনতে? আমাদের আবার সামাজিকতা কি? আমরা সমাজের বাইরে, আমরা হাড়ি—মুচিরও অধম!

    আগুনের হলকার মতো মিতালি ঘর ছেড়ে বেরিয়ে গেল। বাপ—মায়ের কথা—কাটাকাটিতে ঘাবড়ে গিয়ে দীপু কিছুক্ষণ থেমেছিল, মা চলে যেতেই সানাইয়ের পোঁ ধরার মতো সেও ছেড়ে দেওয়া সুর তোড়ে ধরলে, ওরে আমি ইত্যাদি।

    নিমেষে কুন্তলের মাথার মধ্যে কি যেন ঘটে গেল। আলনা থেকে টেনে নিল দীপুরই প্যান্টের বেলট। তারপর সপাং করে একটা আওয়াজ, আর একটা আর্ত—চিৎকার! দ্বিতীয় বার হাতখানা তুলতেই আর একটা হাত এসে বেলট চেপে ধরল।

    ‘থাক। তোমার হাতের মার ও সইতে পারবে না—মরে যাবে।’ চোখে—মুখে অপরিসীম ঘৃণা আর বিতৃষ্ণা নিয়ে মিতালি চরম কথাটা উচ্চচারণ করলে, ‘খুনির হাত কিনা!’

    কি বললে?—গলা চিরে চিৎকার করে উঠল কুন্তল। প্রচণ্ড ভূমিকম্পে তার পায়ের তলায় মেঝেটা যেন দুলছে। অবশ হাত থেকে খসে পড়ল বেলটটা। তারপর অসমছন্দে পা ফেলে ফেলে ঘর থেকে বেরিয়ে গেল অন্ধকার বারান্দায়—বারান্দা থেকে সিঁড়িতে—সিঁড়ি থেকে রাস্তায়—

    মিতালি ডাকলে না।

    * * *

    পথেরও শেষ নেই, চলারও শেষ নেই যেন। আকাশে একটি তারা থেকে অনেক তারা উঠল, তবু কুন্তল ঘুরছে পথে পথে। খুনির হাত! যে—হাত একদা পিয়ানোর ওপর বিদ্যুৎলীলায় খেলে বেড়াত। যে—হাতের সরু লম্বা আঙুল দেখে মিতালী নিজেই বলেছিল, ‘তোমার আঙুলগুলো মোজার্টের মতো—টিপিক্যাল আর্টিস্টের হাত!’ সেই শিল্পীর হাত সত্যই আজ খুনির হাত হয়ে গেছে, নইলে দীপুর কচি গায়ে এ হাত আঘাত হানল কি করে?

    পথ চলতে চলতে কুন্তলের মনে হল, আশেপাশে সবাই যেন বাঁকা চোখে তাকাচ্ছে তার দিকে, আর ফিসফিস করে বলছে, ওই দেখ খুনি!

    সামনের দেয়ালে দৃষ্টি পড়তেই কুন্তল থমকে গেল। বাণী চিত্রমের ‘পুষ্পবাসর’ ছবির একটা রঙিন পোস্টার। রক্তের মতো লাল টকটকে হরফগুলো জ্বলছে—’সুরশিল্পী কুন্তল চ্যাটার্জি’।

    দেখতে দেখতে হঠাৎ ‘সুরশিল্পী’ কথাটা মিলিয়ে গিয়ে ফুটে উঠল ‘খুনী’? হিংস্র হয়ে উঠল কুন্তলের চোখ দুটো। দু—পা এগিয়ে একটানে চড়চড় করে ছিঁড়ে ফেললে পোস্টারখানা। আর, ঠিক সেই মুহূর্তেই তার ঘাড়ে কে যেন হাত রাখলে। সেই হাতে উষ্ণ বন্ধুতার স্পর্শ। কুন্তল মুখ ফিরিয়ে তাকাতেই লোকটা হাসল। মিষ্টি প্রসন্ন হাসি। হেসে বলল, আরে বা! চিনতে পারছ না নাকি? আমি রমেন বোস হে!

    অবাক হয়ে চেয়ে রইল কুন্তল।

    রমেন বললে, মনে পড়ে সেন্ট জেভিয়ার্সে সেই ফাদার জোশেফ, ডিবেটিং ক্লাবে তোমার—আমার সেই কথার লড়াই, গ্রীষ্মের ছুটির আগে সেই থিয়েটার—একবার ‘অ্যাজ ইউ লাইক ইট’ নাটকে তুমি সাজলে রোজালিন্ড আর আমি ওরল্যান্ডো। কি হে, ভুলে গেছো নাকি দোজ গ্রিন ইয়ার্স অফ আওয়ার লাইভস?

    ধীরে ধীরে মিলিয়ে আসতে লাগল কুন্তলের মুখের কুঞ্চন। নিভে এল দু—চোখের খরদ্যুতি। একটা ক্লান্ত নিশ্বাস ফেলে উদাস গলায় বললে, কিছুই ভুলিনি রমেন।

    বহুদিন দেখা নেই, তোমার ওখানে যাব ভাবছিলাম। পথে দেখা হল, ভালোই হল। জরুরি কাজ নেই তো এখন? চলো আমার ওখানে, বেশ জমিয়ে আড্ডা দেওয়া যাক। ট্যাক্সি।

    কোনো কথা বলবার অবকাশ না দিয়ে কুন্তলকে ট্যাক্সিতে তুলে নিলে রমেন।

    চৌরঙ্গি দিয়ে যেতে যেতে রমেন হঠাৎ বলে উঠল, ড্রাইভার সাহেব, একটু বাঁয়ে রাখো। আমার র্যাশন নিতে হবে।

    রাস্তার বাঁয়ে একটা স্টোর্স, বড় বড় করে সাইনবোর্ডে লেখা—ওয়াইন অ্যাণ্ড প্রভিসন। ‘জাস্ট এ মিনিট’ বলে রমেন নেমে গেল।

    ব্রাউন পেপারে মোড়া একা বোতল হাতে দোকান থেকে বেরোতেই তার কানে ভেসে এল, ‘শ্যারাবী যা—যা—যা।’

    মনে মনে গানটার তারিফ করে এদিক—ওদিক তাকাতেই রমেন দেখলে, পাশেই একটা গ্রামোফোনের দোকান। এক মুহূর্ত কি যেন ভাবলে সে, তারপর ট্যাক্সি লক্ষ্য করে বললে, একবার নেমে আয় তো কুন্তল, দু—একটা রেকর্ড বেছে দিবি।

    দোকানে ঢুকে রমেন বললে, বিলিতি রেকর্ড রাখেন?

    দোকানি সবিনয়ে নিবেদন করলে, আজ্ঞে রাখি।

    কিছু অর্কেস্ট্রার রেকর্ড শোনান তো!

    খান দুয়েক রেকর্ড বাজাবার পর রমেন জিজ্ঞেস করলে, জ্যাক স্টিফেনের লেটেস্ট অর্কেস্ট্রা আছে?

    ঘাড় নেড়ে দোকানি মেশিনে চাপাল জ্যাক স্টিফেনের সিম্ফনি অর্কেস্ট্রা। আর, রুদ্ধনিশ্বাসে রমেন দু—চোখের দৃষ্টি কেন্দ্রীভূত করে চেয়ে রইল কুন্তলের মুখের পানে। কিন্তু এ কি দেখছে সে? শান্ত সমাহিত মুখ, স্বপ্নগভীর দুই চোখ। জ্যোৎস্নারাতের সমুদ্রে মতো উদ্বেলিত সুর—মূর্ছনায় ডুবে গেছে শিল্পীর আত্মা। রেকর্ড থামলে ধীরে ধীরে কুন্তল বললে, অপূর্ব? এইখানাই নাও।

    ট্যাক্সিতে ফিরে এসে রমেন অন্যমনস্ক হয়ে পড়ল। যে ঘরে জ্যাক—স্টিফেনের অর্কেস্ট্রা বাজে, সেখানে আর যেই পারুক, কুন্তল চ্যাটার্জি খুন করতে পারে না কখনও। আইনের চোখে এটাকে হয়তো একটা বড় রকমের সাফাই হিসাবে খাড়া করা যায়। তবু মনে মনে জোর পাচ্ছে না রমেন। আসল রহেস্যের কিনারা হল কই? ২৬ মাঘের সেই কুয়াশার রাতে কুন্তল কেন গিয়েছিল ফ্রি স্কুল স্ট্রিটের ম্যানসনে? কেন? কেন? কেন?

    কুয়াশার রাত কি কাটবে না?

    * * *

    দুটি সিগারেট থেকে নীলচে ধোঁয়ার দুটি সাপ কুণ্ডলী পাকিয়ে উঠছে। ড্রয়িংরুমে সবুজ ঘেরাটোপে ঢাকা আলোর নিচে মুখোমুখি বসে আছে দুই বন্ধু।

    ফ্রি স্কুল স্ট্রিটের ম্যানসনে তুমি ঘটনার রাতে গিয়েছিলে, এ—কথা আদালতে স্বীকার করতে গেলে কেন কুন্তল?

    পারলাম না রমেন—মিথ্যে বলার চেষ্টা করেও সত্যটাই বেরিয়ে গেল।

    রমেনের গলা সহৃদয়তার কোমল হয়ে এল: তোমার মতো একটা আর্টিস্টের পক্ষে খুবই স্বাভাবিক। কিন্তু তোমার স্বীকারোক্তি তোমারই বিপক্ষে কতখানি গেছে, তা বোঝ?

    বুঝি?

    ওই বাড়িতে তুমি কি সে—রাতে প্রথম গিয়েছিলে?

    না। আগেও যেতাম।

    আগেও যেতে! (দুর্বার কৌতূহলে রমেনের দুই চোখ দীপ্ত হয়ে উঠল) কার কাছে কুন্তল? নর্তকী শোভার কাছে?

    না। চোখেই দেখিনি তাকে।

    তবে কেন যেতে, কার কাছে যেতে?

    কুন্তলের মুখে ছায়া পড়ল। বললে, ও—কথা জিজ্ঞেস কোরো না রমেন, জবাব দিতে পারব না।

    ছায়া রমেনের মুখেও পড়ল। তবু কণ্ঠে আরও সহৃদয়তা এনে বললে, আমি তোর পুরনো বন্ধু, আমাকে বলতে বাধা কিসের?

    এতক্ষণ সহজ ভাবে কথা বলছিল কুন্তল, হঠাৎ মনে মনে শামুকের মতো গুটিয়ে গেল। বললে, ও প্রশ্ন থাক।

    ‘ছেলেমানুষী করিস নে কুন্তল।’ রমেন উঠে এসে কুন্তলের পাশে বসল, ‘মিতা আর দীপুর’ মুখ চেয়ে বলতেই হবে তোকে। না বললে, প্রমাণ না দিলে আদালত বিশ্বাস করকে কেন যে, ঘটনার রাতে শোভা ইম্যানুয়েলের ঘরে তুই ছিলি না? বল কার ঘরে ছিলি—কে সে?

    ‘না—না—না, বলতে পারব না আমি—বলার উপায় নেই।’ কুন্তলের কঠিন মুখখানা লাল হয়ে উঠল এক অবরুদ্ধ আবেগে। কয়েক সেকেন্ড চুপ করে থেকে বলে উঠল, তার সঙ্গে আমাদের পারিবারিক ইজ্জৎ জড়িয়ে আছে রমেন—প্রকাশ হলে আমার স্বর্গগত বাবর নামে কলঙ্ক পড়বে!

    তারপর হঠাৎ উঠে ঘরের বাইরে অন্ধকারে মিলিয়ে গেল।

    * * *

    সে—রাতে ল্যান্সডাউন রোডের একটি বাড়ির ড্রয়িংরুমে ভোর অবধি বাতি জ্বলেছিল, আর চিন্তামগ্ন একটি মানুষের অস্থির পদচারণার বিরাম ছিল না।

    অনেক সিগারেট ছাই হল। নিঃশেষ হয়ে গেল স্কচের পুরো বোতল। রমেন বোসের চিন্তা তবু শেষ হল না। সারারাত ধরে সে ভেবেছে কুন্তলের শেষ কথাগুলো: ‘তার সঙ্গে আমাদের পারিবারিক ইজ্জৎ জড়িয়ে আছে—প্রকাশ হলে আমার স্বর্গগত বাবার নামে কলঙ্ক পড়বে!’

    এতখানি আশ্চর্য রমেন জীবনে হয়নি। কেননা, কুন্তলের পরলোক—গত বাবা অধ্যাপক কমলেশ চাটুজ্যেকে সে ব্যক্তিগত ভাবেই জানত। সেন্ট জেভিয়ার্স থেকে রিপনে এসে সে তাঁর ছাত্র হয়েছিল দু’বছর। সাহিত্যের অধ্যাপক হিসাবে কমলেশ চাটুজ্যের যতটা খ্যাতি ছিল, নৈতিক আদর্শের দিক দিয়েও তাঁর সুনাম ছিল ততখানি। কিন্তু কি এমন ঘটেছিল তাঁর মতো মানুষের জীবনে, যার কলঙ্কিত ইতিবৃত্ত সারাজীবন ধরে লুকিয়ে বেড়াচ্ছে তাঁর ছেলে? এমন কে আছে ফ্রি স্কুল স্ট্রিটের সেই ফ্ল্যাট—বাড়িটায়, যার সঙ্গে জড়িয়ে আছে চাটুজ্যে—পরিবারের ইজ্জৎ? যার পরিচয় প্রকাশ পেলে কলঙ্ক পড়বে স্বর্গগত কমলেশ চাটুজ্যের মতো আদর্শবাদীরা নামে? কে সে? জানা কি এতই অসম্ভব?

    অদ্ভুত জেদ ওই ইডিয়ট কুন্তলটার। কিছুতেই বললে না। ঠিক আছে, জেদ রমেন বোসেরও কম নয়। শেষ অবধি সে চেষ্টা করে দেখবে রহস্যভেদ করা যায় কিনা। ভাগ্যের কাছে শেষ সুযোগ চেয়ে নেবে খুনি আসামি কুন্তল চ্যাটার্জিকে বাঁচিয়ে, মিতালির মুখে হাসি ফোটাবার।

    হ্যাঙার থেকে কোটটা নিয়ে কাঁধে ফেলল রমেন। জানালা দিয়ে সকালের রোদ এসে লুটিয়ে পড়েছে ঘরের মেঝেয়। সারারাত জেগে মাতালেরও দু’চোখ জ্বালা করছে। তা হোক, এখুনি যেতে হবে। সময় নেই। আগামীকাল কুন্তলের বিচারের শেষ দিন।

    * * *

    শুধু পাঁচ টাকার একখানা নোট। তাতেই কাজ হবে রমেন জানত। দুনিয়াটা কার বশ? দুনিয়া টাকার বশ।

    ফ্ল্যাট ভাড়ার সন্ধানে এসেছি বলায় রমেনকে দারোয়ান প্রথমে হাঁকিয়েই দিতে চেয়েছিল, ‘না, একভি কামরা খালি নেই এ বাড়িতে। সতোরোটা ফেলাট, সব ভর্তি।’ তারপর নোটখানা হাতে পেয়ে সুর বদলে গেল, হ্যাঁ, খালি আছে একটা—তিনতলায় ওই পচ্ছিম দিকে। লেকিন বাবুসাব, আজকাল ভারি কড়াকড়ি হয়েছে ভাড়া দেওয়ার ব্যাপারে।

    কেন দারোয়ানজী?

    এপাশে ওপাশে। তাকিয়ে চুপি চুপি দারোয়ান বললে, চারতলায় সেদিন একটা নাচওয়ালী খুন হয়েছে।

    তাই নাকি?—রমেন যেন ভয়ানক ঘাবড়ে গেল : বাড়িটা তাহলে ভালো নয় বলো?

    না, না, বাড়ি খারাপ নয় বাবুসাব। তবে অমন দু—একটা খারাপি হয়েই থাকে ফেলাট—বাড়িতে।

    ভাড়াটেরা লোক কেমন?

    বিলকুল ভদ্দর আদমি!

    সবাই ফিরিঙ্গি নাকি? না, অন্য জাত আছে?

    সবরকম আছে বাবুসাব—এ বাড়িটা মানুষের চিড়িয়াখানা। এই ধরুন চারতলায় থাকে ব্যাঙ্কের হিন্দুস্থানি মেমসাহেব, তিনতলায় সিন্ধি, দু—তলায় অফসর মাদ্রাজি আর ফলওয়ালা পাঞ্জাবি—

    মনে মনে রমেন বলে উঠল, চুলোয় যাক চিনা সিন্ধি মাদ্রাজি পাঞ্জাবি। তারপর উৎসুক হয়ে জিজ্ঞেস করল, কোনও বাঙালি নেই।

    জরুর আছে। দোতলার ন’ নম্বর ফেলাটে এক বুঢঢি বাঈ থাকে আর তার লেড়কা।

    বটে! এক বুড়ি মহিলা আর তার ছেলে! কত বয়েস ছেলের? কি করে?

    দারোয়ানের চোখে সংশয় দেখা দিল : এত খবরে আপনার কাজ কি বাবুসাব?

    রমেন সামলে নিলে, বাঙালি কিনা, তাই খোঁজ নিচ্ছি।

    পাগড়িটা জুত করে বাঁধতে বাঁধতে দারোয়ান বললে, কাল আইয়ে বাবুসাব। আমায় এখন মালিকের অফিসে যেতে হবে ভাড়ার রসিদ আনতে। কুছু ভাববেন না, ফেলাট আপনাকে জরুর পাইয়ে দেব, লেকিন হামার দস্তরীটা—

    হেসে গোঁফ চুমরে দারোয়ান রাস্তায় নেমে গেল, আর ফ্রি স্কুল ফ্রিটের সতেরো ফ্ল্যাটওয়ালা সেই প্রকাণ্ড ম্যানসনের সামনে দাঁড়িয়ে ভাবতে লাগল রমেন। কি করবে সে এখন? ভাগ্যের কাছে শেষ সুযোগ নেবে? দেখাই যাক না অন্ধকারে ঢিল ছুড়লে কোথায় গিয়ে লাগে।

    সামনেই সিঁড়ি। উঠে গেল রমেন। ন—নম্বর ফ্ল্যাটের দরজা খুঁজে নিতে বেশি দেরি হল না। আস্তে আস্তে টোকা দিলে কয়েকটা। একটু পরেই অল্প ফাঁক হয়ে গেল দরজার কপাট দুটো। দেখা গেল সাদা শাড়িপরা নিরাভরণা একটি বয়স্কা মহিলাকে। বৃদ্ধা না বলে প্রৌঢ়া বলাই উচিত। মাথার চুলে সবে রূপালি ছাপ। লেগেছে, রোগক্লিষ্টা হলেও চামড়া এখনও লোল হয়নি। শান্ত সংযত চেহারা তবু অত্যন্ত গৌরবর্ণ শীর্ণ মুখের রেখায়, ঘন—কালো টানা চোখের কালিপড়া কোলে, পাতলা, লালচে ঠোঁটের বঙ্কিমায় বিগত রূপ—যৌবনের কয়েক পৃষ্ঠা ইতিহাস যেন পড়তে পারলে রমেন।

    কে?

    আমি কুন্তল চ্যাটার্জির কাছ থেকে এসেছি।

    অবাক হয়ে চেয়ে রইলেন মহিলা। তারপর আশ্চর্যরকম মিষ্টি গলায় বললেন, চিনতে পারলাম না তো!

    চিনতে পারলেন না। প্রফেসর কমলেশ চ্যাটার্জির ছেলে কুন্তল।—প্রত্যেকটি কথা স্পষ্ট করে উচ্চচারণ করলে রমেন।

    চলন্ত একটুকরো মেঘ সরে গেল কি মহিলার মুখের ওপর দিয়ে? না রমেনের চোখের ভুল?

    তেমনি শান্ত মধুর স্বরে মহিলাটি বললেন, তোমার বোধ হয় ভুল হয়েছে বাবা।

    কয়েক মুহূর্ত স্তব্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে রইল। কথা হারিয়ে গেল তার। ভুল! সত্যিই কি ভুল হল তার জীবনে অঙ্ক কষায়? উত্তর তো মিলছে না!

    দরজা বন্ধ করার জন্যে কপাটে হাত দিলেন মহিলা। হঠাৎ আবেগের সঙ্গে বলে উঠল রমেন, আগামীকাল কুন্তলের ফাঁসির হুকুম হবে। তাই তার শেষ কথাটা জানতে এসেছিলাম। ভুল হয়ে থাকলে, আমায় মাপ করবেন।

    ছোট্ট একটা নমস্কার করে রমেন সিঁড়ির দিকে এগিয়ে যেতেই পেছন থেকে সেই আশ্চর্য মিষ্টি গলার ডাক এল, শোনো।

    ফিরে তাকাল রমেন। কি এক রুদ্ধ ব্যাকুলতায় মহিলাটির মুখের রেখাগুলি কাঁপছে।

    ভেতরে এসো।

    যেন সকালের রোদ লেগে ঝলমলিয়ে উঠল রমেনের রাতজাগা ক্লান্ত মুখ। না, ভুল হয়নি জীবনের অঙ্কে। মিলেছে উত্তর।

    চৌকাঠ পার হয়ে ভেতরে পা দিতেই মহিলা বললেন, দরজাটা বন্ধ করে দাও বাবা। তোমার সঙ্গে নিরিবিলিতে কথা বলতে চাই।

    * * *

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদেরি হয়ে গেছে – প্রচেত গুপ্ত
    Next Article মহাভারতের মহারণ্যে – প্রতিভা বসু
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }