Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দশটি রহস্য উপন্যাস – প্রণব রায়

    প্রণব রায় এক পাতা গল্প1004 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কুয়াশার রাত – ৮

    ৮

    তারপর থেকেই মোড় ঘুরে গেল তার জীবনের।

    ভিড়ে গেল সে নীলকান্তর দলে। যোগাযোগটাও হয়ে গেল সহজেই। স্কুলের ছুটির পর সেদিন ফটকের বাইরে চুপ করে দাঁড়িয়েছিল বৃজলাল। বাড়ি ফিরতে ইচ্ছে নেই। অথচ কোথায় যাওয়া যায়, তাও মনে মনে খুঁজে পাচ্ছিল না।

    পিঠের ওপর একখানা হাত পড়ল আলগোছে। বৃজলাল তাকিয়ে দেখলে নীলকান্ত। নীলকান্ত তার চেয়ে মাত্র বছর দুই—তিনের বড়, তবু তার চোখের কোল দুটো বসা। সেই কোটরে বসা চোখ নাচিয়ে নীলকান্ত বললে, কি হে গুড বয়, চুপচাপ দাঁড়িয়ে কেন?

    এমনি।

    বাড়ি যাবে না? মা যে দুধু—ভাতু নিয়ে বসে আছে।

    বৃজলালের মনটা এক মুহূর্তে তেতো হয়ে গেল। মা কোনোদিনই বিকেলে তার জন্যে বাড়িতে বসে থাকেন না, এ সময় তিনি থাকেন থিয়েটারে।

    একটা অদ্ভুত বেপরোয়া মন নিয়ে বৃজলাল নীলকান্তকে জিজ্ঞেস করল, তোরা কোথায় যাস ছুটির পর?

    আমরা? আমরা আড্ডা দিতে যাই। সে খোঁজে তোমার কাজ কি সোনার চাঁদ?

    চল তোদের সঙ্গে যাই।

    নীলকান্তর কোটরে বসা চোখ দুটো স্থির হয়ে রইল কয়েক মুহূর্ত, তারপর সবস্মিয়ে বলে উঠল, তুই যাবি—আমাদের আড্ডায়!

    নীলকান্তর পেছনে দাঁড়িয়েছিল উমাপতি আর বিলাস ওরফে বিলে।

    তারা হই হই করে উঠল। বলিস কি রে গুড বয়! আমাদের দলে ভিড়লে তুই খারাপ হয়ে যাবি যে!

    বৃজলাল গম্ভীর হয়ে শুধু বললে, খারাপই হব আমি। কোথায় যাবি চল।

    চলতে চলতে নীলকান্ত বললে, বুঝেছি, মনটা তোর বিগড়ে আছে আজ। আচ্ছা দাঁড়া, মন ভাল করে দিচ্ছি।

    নীলকান্তর পকেট থেকে বেরোল সিগারেটের একটা প্যাকেট। একটা নিজের মুখে গুঁজে আরেকটা বৃজলালকে দিলে। বললে, নে টান।

    কয়েক সেকেন্ডের জন্য থতিয়ে গেল বৃজলাল। সিগারেট!

    নীলকান্ত মুখ টিপে হেসে বললে, কি সোনার চাঁদ, খারাপ হওয়ার সাধ মিটে গেল?

    বিলে ফস করে বৃজলালের হাত থেকে সিগারেট নিয়ে নিজে ধরিয়ে বললে, আরে দুর, তুই একটা নাড়ুগোপাল! যা যা, মায়ের কোলে বসে দুধু—ভাতু খা গে যা!

    নিজেকে অত্যন্ত ছোট মনে হল বৃজলালের। কেমন যেন অপমানিত বোধ হল। তীব্র চোখে চেয়ে বিলেকে ধমকে উঠল, থাম।

    তারপর বিলের মুখ থেকে জ্বলন্ত সিগারেটটা আচমকা নিয়ে একটা টান দিলে সে। টেনেই কিন্তু কেশে ফেললে।

    নীলকান্ত হেসে বললে, জিতা রহো বেটা। দু’দিনেই অভ্যেস হয়ে যাবে।

    চলতে চলতে তারা এল একটা পার্কে। ছোট পার্ক, নিরিবিলি। একটা ঝোপের আড়ালে বসল তারা। বিলের পকেট থেকে বেরিয়ে এল এক জোড়া তাস, শুরু করলে সে ভাঁজতে। এসে জুটল আরও দুটি ছোকরা। চেহারাতেই মালুম তারা কোন শ্রেণীর।

    বিলে বৃজলালকে শুধোলে, ক্যাশ আছে পকেটে?

    আছে কিছু। কেন?

    তা হলে তোকেও তাস দেব।

    কি খেলা?

    তে—তাস।

    বিলে তিনখানা করে তাস দিলে প্রত্যেককে। মাঝখানে পড়তে লাগল পয়সা। শুরু হয়ে গেল তাসের জুয়া। পুড়তে লাগল অনেক সিগারেট। দু’—তিন দানেই খেলাটা শিখে ফেললে বৃজলাল।

    খারাপ হওয়ার পথে সেই প্রথম তার হাতেখড়ি।

    ছবির মতো সব যেন দেখতে পাচ্ছে বৃজলাল। সন্ধে অবধি পার্কে কাটিয়ে তারা গেল একটা সস্তা রেস্তোরাঁর কেবিনে। নীলকান্ত তার খাতার মধ্যে থেকে মোটা একখানা খাম বার করে বললে, আজ যা দেখাব, দেখে তোদের তাকে লেগে যাবে মাইরি।

    সবাই ঝুঁকে পড়ল খামখানার ওপর। তার ভেতর থেকে বেরোল খান কয়েক নিষিদ্ধ ফরাসি ছবির কার্ড। দেখে বৃজলালের কান লাল হয়ে উঠল, তবু চোখদুটো বারবার গিয়ে পড়তে লাগল ছবিগুলোর ওপর।

    নীলকান্ত আর সঙ্গীদের মধ্যে হাসাহাসি চলতে লাগল। চলতে লাগল অশ্লীল কথা আর রসিকতা। বিলাস একটা বিশ্রী গান ধরে দিলে। আর সব কিছুর মাঝে ষোলো বছরের নিষ্পাপ কিশোর বৃজলাল বসে বসে ভাবতে লাগল, কাল থেকে এদের সঙ্গে সে আর কথাও বলবে না।

    কিন্তু খারাপ হওয়ার পথটা ঢালু। একবার সে পথে পা দিলে তরতর করে’ নেমে যাওয়া ছাড়া উপায় থাকে না। বৃজলালের অভিজ্ঞতা অন্তত তাই বলে।

    পরদিন স্কুলের ছুটির পর বৃজলাল আবার গেল নীলকান্তদের আড্ডায়। তার পরের দিনও। তারপর থেকে রোজ নিয়মিত! নীলকান্ত তার প্রাণের বন্ধু হয়ে উঠল।

    সিগারেট টানতে আর তার কাশি আসে না। তে—তাস খেলায় সে পাকা হয়ে উঠল। ফরাসি নিষিদ্ধ ছবি দেখলে আর কান লাল হয় না। কেউ অশ্লীল রসিকতা করলে বৃজলাল তার জবাব দিতে পারে।

    তাসের জুয়ায় প্রায়ই সে হারত। ফলে মায়ের দেরাজে প্রায়ই তার হাত পড়ত। কখনো বা স্কুলের বই দু’—একখানা পুরানো বইয়ের দোকানে চলে যেত। তবু জুয়ার আড্ডায় বৃজলালের কামাই হত না একদিনও।

    কিন্তু মায়ে দেরাজ একদিন বন্ধ হয়ে গেল, ফুরিয়ে এল স্কুলের পাঠ্য বই। মুশকিল পড়ে গেল বৃজলাল, খুঁজতে লাগল উপায়।

    উপায়ও মিলে গেল একসময়। সহজেই।

    ক্লাসে সেদিন সুধীরের দামি ফাউন্টেন পেনটা হারিয়ে গেল। অনেক খোঁজাখুঁজি, দরোয়ান চাকর ঝাড়ুদারকে অনেক জেরা। তবু পাওয়া গেল না।

    বিকেলে পার্কে গিয়ে বিলে তাদের বললে, দাঁড়া, এখুনি আসছি।

    অদূরে একটা বেঞ্চে আধাবয়সী এক ভদ্রলোক বসেছিলেন। বিলে তাঁর কাছে এগিয়ে গেল। যাবার আগে মাথার চুলগুলো এলোমেলো আর মুখখানা অত্যন্ত করুণ করে’ নিলে। পকেট থেকে একটা পেন বের করে ভদ্রলোককে বললে, বাড়িতে ছোট বোনের বড় অসুখ স্যার, ওষুধ কিনতে পারছি না। কলমটা নিয়ে যদি পাঁচটি টাকা দেন—

    বৃজলাল আশ্চর্য হয়ে দেখল, কলমটা সুধীরের।

    মিনিট কয়েকের মধ্যেই বিলাস পাঁচটাকার একখান নোট হাতে বিজয়—গর্বে ফিরে এল। নীলকান্ত বললে, শাবাশ বেটা!

    সন্ধের পরে আড্ডা থেকে বাড়ি ফিরছিল বৃজলাল। বাসে ছিল ভিড়। বৃজলালের গা ঘেঁষে দাঁড়িয়েছিল একটি সাহেবি পোশাকপরা ভদ্রলোক। কোটের বুক পকেটে সোনার ক্যাপওয়ালা পার্কার। বৃজলালের হঠাৎ বিলাসের কথা স্মরণ হল। নিসপিস করতে লাগল তার হাতের আঙুলগুলো। অথচ বুকের মধ্যে কেমন একটা অস্বস্তি।

    কোথা দিয়ে কি যে হয়ে গেল। হঠাৎ ঘণ্টা বাজিয়ে বাস ভাল করে থামবার আগেই বৃজলাল নেমে পড়ল।

    তার পকেটের মধ্যে তখন সেই সোনার ক্যাপওয়ালা পার্কার! হাতের আঙুলগুলো তখনো কাঁপছে থরথর করে।

    কিন্তু তারপর থেকে আর কাঁপত না হাত। বদলে যেত না মুখের ভাব। বাহবা দিয়ে বন্ধুরা বলত, ওস্তাদ। বেশ লাগত শুনতে।

    ভালো বৃজলাল এমনি করেই একদিন খারাপ হয়ে গেল।

    .

    অনেকদিন অবধি মা টের পাননি কিছুই। কিন্তু চোখ এড়ায়নি ফাদার রেক্টারের!

    শুধু স্বভাবের নয়, মুখের চেহারায়ও পরিবর্তন ঘটেছিল বৃজলালের। কিশোর বয়সের স্নিগ্ধ কমনীয়তা মুছে গিয়ে মুখে ক্রমশ ফুটে উঠছিল একটা রুক্ষ চোয়াড়ে ভাব। রং ফর্সা বলেই চোখের কোলে অস্পষ্ট কালো ছাপটা বেশি স্পষ্ট দেখাত।

    ফাদার রেক্টর তাকে বিশেষভাবে লক্ষ করতেন। বৃজলালের ওপরেই তাঁর আশা ছিল সবচেয়ে বেশি। কিন্তু ক্লাসের মাসিক পরীক্ষায় ক্রমেই অবনতি হতে লাগল তার। শেষ অবধি বার্ষিক পরীক্ষায় দেখা গেল বৃজলালের ফল যা অবশ্যম্ভাবী, তাই হয়েছে। ফেল করেছে সে।

    রেক্টর তাকে ডেকে সেদিন অনেক কথাই বলেছিলেন। তাঁর কথার মধ্যে শাসন ছিল যতখানি, স্নেহ ছিল তার চেয়ে বেশি। কিন্তু সবটাই তিক্ত লেগেছিল বৃজলালের।

    স্কুলের নিয়ম অনুসারে চিঠি গেল বাড়িতে। বৃজলালের মায়ের নামে।

    সেই দিন জানতে পারলেন মা। লক্ষ পড়ল ছেলের ওপর। প্রচণ্ড আঘাতে চুরমার হয়ে গেল তাঁর বিশ্বাস। সেই সঙ্গে তাঁর ভবিষ্যতের আশা স্বপ্ন সুখের কল্পনা। রাগে আর হতাশায় বহু তিরস্কার তিনি করেছিলেন ছেলেকে। চোখের জলও ফেলেছিলেন।

    ধরা পড়ে সেদিন লজ্জা অনুতাপ অনুশোচনা সবই হয়েছিল বৃজলালের। এবার থেকে পড়াশুনোয় মনে দেবে, আবার ভাল হবে বলে মনে মনে শপথও করেছিল। কিন্তু ভাল সে আর হয়নি। হতে পারেনি। নীলকান্তর দল তাকে অক্টোপাসের মতো জড়িয়ে ধরেছিল। তাকে পেয়ে বসেছিল জুয়ার নেশায়।

    সুতরাং দিন যেমনই চলছিল, তেমনই চলতে লাগল।

    একদিন স্কুলও ছাড়তে হল। জন নামে একজন ফিরিঙ্গি সহপাঠীর হাতের রিস্টওয়াচ একদা খোয়া গেল। টিফিনের ঘণ্টায় ঘড়িটা খুলে রেখে জন ‘ভলি বল’ খেলছিল, তারপর আর পায়নি!

    ঘটনাটা জন চুপচাপ রেক্টরকে জানায়। রেক্টর শুনে কিছুই বললেন না বটে, কিন্তু ছুটির একটু আগে হঠাৎ ক্লাসে এসে বৃজলালকে ডেকে নিয়ে গেলেন নিজের অফিস ঘরে। ব্যাপারটা এমনই আচমকা যে, বৃজলাল সাবধান হওয়ার অবকাশ পায়নি।

    তল্লাসি করতেই তারা মোজার ভেতর থেকে বেড়িয়ে পড়ল জন’—এর ঘড়ি।

    আবার চিঠি গেল তার মায়ের কাছে। চুরির অপরাধে বৃজলালকে স্কুল থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হল।

    বৃজলাল চোর হয়েছিল আগেই। এবার হল দাগি চোর।

    স্কুলের চিঠি শুধু তার মা নয়, তার বাবাও দেখেছিলেন। দেখে কি বলেছিলেন তার মাকে, বৃজলালের মনে আছে : ‘আমি তো’ বলেছিলাম, ভালমন্দ হওয়ার বীজ মানুষ তার রক্তে নিয়ে জন্মায়।’

    আজ কিন্তু বৃজলালের মনে হয়, ভুল—তার বাবার কথা অত্যন্ত ভুল। জন্মকালে সব শিশুর রক্ত একই রকম থাকে। বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তার চারপাশের পরিবেশ অনুসারে কারও রক্তে ভাল বীজ, কারও রক্তে মন্দের বীজ বোনা হয়ে যায়। সেজন্যে কোনো শিশুই দায়ী নয়।

    সেতো’ আর পাঁচটা ছেলের মতোই ভাল হয়ে জন্মেছিল। লেখায় পড়ায় আচারে ব্যবহারে, সততায় সভ্যতায় ভাল হয়েই উঠছিল। তবে কেন সে খারাপ হয়ে গেল?

    কেন সে হয়ে উঠল অশিক্ষিত অসৎ চরিত্রহীন? একি তার বিধিলিপি? না। বৃজলাল তার সমস্ত জীবন দিয়ে বুঝেছিল সেদিন একটু যত্ন একটু স্নেহ একটু ভালবাসা পেলে সে হয়তো খারাপ হয়ে যেত না। বড় হয়ে ওঠার পর তার উদাসীন বাপ আর অভিনেত্রী মায়ের কাছ থেকে সে তো পায়নি।

    মিশনারি স্কুলের ছাত্র ছিল সে, বাইবেল পড়তে হয়েছিল। আজ তাই মনে হয় বৃথাই মানবপুত্র পাপীর স্বপক্ষে আবেদন জানিয়ে গেছেন। আজও দুনিয়ায় কেউ শোনেনি তার কথা। শুনতে চায়ও না। অপরাধীকে ঘৃণা করে সবাই। তাই যারা মন্দ, যারা অপরাধী, তারাও মনে প্রাণে ঘৃণা করে তাদের, যারা জীবনে ভাল হওয়ার সুযোগ পেয়েছে।

    কিন্তু এসব কথা ভেবে আর কি হবে? কি লাভ ভাল হওয়ার কথা ভেবে? খারাপ হওয়ার রাস্তা বড় ঢালু। একবার নামতে শুরু করলে আর ওঠা যায় না।

    স্কুল থেকে তাড়িয়ে দেওয়াতে সুবিধেই হল বৃজলালের। পুরোপুরি খারাপ হওয়ার সুযোগ পেয়ে গেল।

    ছোট বৃজলাল ক্রমশ বড় হল। সেই সঙ্গে জুয়া থেকে বড় জুয়ায় তার প্রোমোশন হল। মানে তাসের আড্ডা থেকে ঘোড়দৌড়ের মাঠ। ছোট চুরি থেকে বড় চুরিতে হাত পাকল। আর সিগারেট থেকে উন্নতি হল মদে।

    প্রথম যেদিন মদের গন্ধ পেয়েছিলেন মা, সেদিন আহত বিস্ময়ে দুটি মাত্র কথা বেরিয়েছিল তাঁর মুখ দিয়ে, তুই মাতাল! এতটা অধঃপাতে গেছিস!

    দ্রব্যগুণে সেদিন বৃজলালেরও মুখ খুলে গেল। সোজা জবাব দিল, নটী মায়ের ছেলে মাতাল জোচ্চেচার ছাড়া আর কি হবে?

    ছেলের মুখে এ জবাব কোনও মা—ই আশা করে না। বৃজলালের মা পাথর হয়ে গিয়েছিলেন শুনে। একটি কথাও তিনি আর বলেননি। শুধু মিনিট খানেক নিঃশব্দে তাকিয়ে থেকে তিনি ঘর ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন।

    বৃজলাল আজও স্পষ্ট দেখতে পায় মায়ের সেই মুখখানি।

    দ্বিতীয়বার জিন—এর গেলাস নিঃশেষ করে বৃজলাল তৃতীয় পেগ অর্ডার দিলে। হলদে সিগারেটের প্যাকেটটা শূন্য হয়ে গেছে। ফেলে দিয়ে পকেট থেকে নতুন একটা প্যাকেট খুললে। মনে মনে বললে, গুলি মারো পুরনো দিনের চিন্তায়। সে কি হত—কি হতে পারত, কাজ কি সে কথা ভেবে? বৃজলাল জুয়ারি নেশাখোর চোর এই হল সবচেয়ে স্পষ্ট সত্য। এই পরিচয়ই থাক। দুনিয়ার ভালো মানুষদের সে কেয়ার করে না।

    * * *

    তিনটের পর জজ সাহেব আবার এসে আসনে বসলেন। ধীরে ধীরে সাক্ষী সন্ধ্যামালতী এসে দাঁড়ালেন ডাকে। রমেন বোস প্রশ্ন করল, আচ্ছা, মনে করে বলুন তো সে—রাতে চারতলার ফ্ল্যাট থেকে কুণাল যখন নেমে এসেছিল, সে সময় তার গায়ে কি ছিল?

    তারও গায়ে ছিল সবুজ কোট, লাল টাই।

    কুণালও তাই পরেছিল! কেন?

    মাস দুই আগে কুন্তলের জন্মদিন উপলক্ষে ওদের দু’ভাইকে একই পোশাক তৈরি করিয়ে দিয়েছিলাম। সেদিন সন্ধেবেলা এক পার্টিতে যাবে বলে দু’জনে একই পোশাক পরেছিল।

    ও! সিঁড়ি দিয়ে নেমে এসে কুণাল কি করলে?

    আমায় দেখে বললে, ‘শোভাকে আমি খুন করে ফেলেছি, পুলিশ এলে দরজা খুলো না।’ ঘরে ঢুকতে যাচ্ছিল, আমি বাধা দেওয়ায় নিচে নেমে গেল। আর আসেনি।

    সমস্ত আদালত যেন দমবন্ধ করে শুনছে। মিনিট খানেক চুপ করে রইল রমেন বোস। তারপর গাঢ় স্বরে বললে, আর আমার প্রশ্ন নেই সন্ধ্যামালতী দেবী। পারেন তো ক্ষমা করবেন আমাকে।

    তাঁকে ধরে একখানা চেয়ারে বসিয়ে দিয়ে, এজলাসের সামনে এসে দাঁড়াল রমেন বোস। অতি ধীরে ধীরে খাদের গলায় বলতে শুরু করলে :

    মি লর্ড! জেন্টলমেন অফ দি জুরি! সাক্ষী সন্ধ্যামালতী দেবীর সব কথাই আপনারা শুনলেন। আমি বলেছিলাম, সত্যানুসন্ধানে আদালতকে সাহায্য করব, আশা করি, আমি তো পেরেছি। আমার বিজ্ঞ সহযোগী মিস্টার ভাদুড়ি বলেছেন, নরহত্যা পৃথিবীর জঘন্যতম পাপ। মানুষ খুন করা জঘন্যতর পাপ কিনা জানি না, তবে পৃথিবীর সবচেয়ে স্বাভাবিক পাপ, ইতিহাস তা বলে। আদি মানুষের জন্মের সঙ্গে সঙ্গে এই পাপেরও জন্ম হয়েছিল, আর আজও যে এই পাপ ঘটছে, তার প্রমাণ আমরা আজ আদালতে পেয়েছি। মানুষের সভ্যতা আর কিছুই করতে পারেনি—মানুষ—খুনের সংখ্যাকে বাড়িয়ে আদর্শবাদের যুদ্ধ বা বিশ্বযুদ্ধ নাম দিয়েছে মাত্র। তাই আজকের মানুষের কাছে মানুষ—খুনটা অতি সাধারণ অপরাধ।

    রমেন বোস জুরিদের বেঞ্চের কাছে গিয়ে দাঁড়াল : কিন্তু এই অপরাধের বিচার করতে গিয়ে যদি কোনও নিরপরাধ মানুষ দণ্ডিত হয়, সেটাই হবে অসাধারণ অপরাধ। সেক্ষেত্রে বিচারক হয়ে যাবেন খুনি। আজকের বিচার—সভাকে তাই আমি সতর্ক করে দিতে চাই। সন্ধ্যামালতীদেবীর সাক্ষ্য থেকে জানা গেল যে, নর্তকী শোভা ইম্যানুয়েলকে খুন করেছে কুন্তল চ্যাটার্জি নয়, নেশাখোর জুয়াড়ি কুণাল চ্যাটার্জি। একই বাপের সন্তান হওয়ার দরুণ বা যে কোনও কারণেই হোক, কুন্তল কুণালের দেহের গড়ন একই ধাঁচের। লম্বাতেও দুজনে প্রায় সমান। আর সে—রাতে সবুজ কোট আর লাল টাইয়ের মিলটা যে নিতান্তই দৈবের ঘটনা নয়, তাও সাক্ষীর মুখে শুনলেন। এক্ষেত্রে যমুনা লালার ভুল করা খুব স্বাভাবিক নয় কি?

    এখন, সন্ধ্যামালতী দেবী যা সাক্ষ্য দিয়েছেন, তা সত্য কিনা—তা প্রমাণের অপেক্ষা রাখে কিনা, এই নিয়ে আইনের প্রশ্ন উঠতে পারে। আমি কিন্তু আইনের তর্ক তুলব না। কেননা আইনের চেয়ে মায়ের অশ্রুজল অনেক বড়। পৃথিবীতে কোনো মা—ই নিজের ছেলেকে মিথ্যে করে খুনের দায়ে জড়াতে পারে না। আর আমার বলার কিছু নেই। মাননীয় জুরিদের আমি অনুরোধ করছি, একবার ওই মহীয়সী মায়ের চোখের জলের দিকে তাকাতে। ওই চোখের জল বলছে, লক্ষ অপরাধীর শাস্তি হোক, কিন্তু জগতে একটিও নিরপরাধ যেন শাস্তি না পায়।

    রমেন বোস থামল। তার শেষ কথাগুলো আদালত—ঘরের দেয়ালে দেয়ালে প্রতিধ্বনিত হতে লাগল।

    জুরিরা উঠে গেলেন মন্ত্রণা—কক্ষে। ফিরে এলেন পাকা দেড় ঘণ্টা পরে।

    আদালত রুদ্ধনিঃশ্বাসে অপেক্ষা করছে।

    জজসাহেব প্রশ্ন করলেন, জেন্টলমেন অফ দি জুরি, আপনাদের সিদ্ধান্ত কি? আসামি দোষী, না দির্দোষ?

    নির্দোষ।

    সন্ধ্যামালতী দুর্বল পায়ে টলতে টলতে এগিয়ে গেলেন আদালত—ঘরের একধারে লোহার খাঁচার দিকে—যার মধ্যে কুন্তল তখনও দাঁড়িয়েছিল উদভ্রান্তের মতো।

    অশ্রুভেজা মুখে অপূর্ব হেসে সন্ধ্যামালতী ডাকলেন, কুন্তল!

    কুন্তল শুধু বললে, মা! তারপর চোখ দিয়ে জল গড়িয়ে এল।

    * * *

    দুপুর গড়িয়ে বিকেল। বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা। কিন্তু হংকং কাফের কিবা দুপুর, কিবা রাত। জাহাজি মাল্লাদের কৃপায় সব সময়ই জমজমাট।

    বৃজলাল এখনও বসে আছে নিজের অতীতের সঙ্গে মুখোমুখি হয়ে। জিন—এর পঞ্চম পেগ পার হয়ে ষষ্ঠে এসে পৌঁছেছে। মেয়ে—পুরুষে গিসগিস করছে পানশালা। বৃজলাল কিন্তু নিজের মধ্যে একা।

    লেখাপড়া চুলোয় গেল, রয়ে গেল জুয়া আর মদের নেশা। কিন্তু নেশা মানেই খরচ। মায়ের বাক্স আর গয়না ভেঙে কিছুদিনের চলল, তারপর আর চলে না। বৃজলাল অগত্যা জাহাজে কাজ খুঁজতে লাগল। মাল্লার কাজ।

    মাল্লার কাজটা উপলক্ষে মাত্র, আসল লক্ষ্য হল চোরা—কারবার—যার নাম স্মাগলিং। এতদিনে বৃজলাল একটা মনের মতো কাজ খুঁজে পেল। কি দোষ তার? টাকার দরকার দুনিয়ায় সকলেরই। আর সোজা পথের চেয়ে বাঁকা পথে টাকা আসে অনেক, অনেক বেশি। সে হাত গুটিয়ে বসে থাকবে কেন বোকার মতো?

    জাহাজের কাজে ঢুকে পড়ল বৃজলাল। আর সেই সূত্র ধরেই সীমেনস ক্লাবে প্রথম দেখা তার সঙ্গে।

    বৃজলালের ভাবনা হঠাৎ থমকে থেমে গেল। যার সঙ্গে দেখা হয়েছিল তার নামটা সে মনে মনেও উচ্চচারণ করতে পারল না—যেন অদৃশ্য কান দিয়ে কেউ শুনে ফেলবে!

    কিন্তু তার লম্বাটে সুঠাম দেহটা আজ দেড়মাস ধরে কেবলই তার চোখের সামনে ঘুরে বেড়াচ্ছে। বৃজলাল আজও স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছে, সীমেনস ক্লাবের ডায়াসের ওপর সে নাচছে। ঢেউয়ের মতো ছন্দিত হচ্ছে তার মজবুত দেহ। ফুলে ফুলে উঠছে খাটো ঘাঘরা। রঙিন স্পট লাইটের ফোকাসে দেহের রেখায় রেখায় হাতছানি দিচ্ছে তার বন্য যৌবন।

    দেশ—বিদেশের বন্দরে অনেক মেয়ে দেখেছে বৃজলাল, কিন্তু এমন মেয়ে তার চোখে পড়েনি কখনো। মদের গেলাসে চুমুক দিতে ভুলে গিয়েছিল সে।

    কিন্তু কে জানত একেবারে হাতের নাগালের মধ্যে এসে যাবে। মেয়েটা! হঠাৎ একদিন দেখা হয়ে গেল তাদেরই ফ্ল্যাট—বাড়ির সিঁড়িতে। বৃজলাল উঠছিল, মেয়েটা নামছিল। গুচ্ছ গুচ্ছ রেশমি চুলের নীচে ঝকঝকে কালো চোখ তুলে তাকিয়েছিল একবার, তারপর টকটকে লাল ঠোঁটের ফাঁকে একটু অকারণ হেসে নেমে গিয়েছিল।

    দারোয়ানের কাছে বৃজলাল খবর পেল, মেয়েটা নতুন ভাড়াটে। তারপর আলাপ জমতে কতক্ষণ? বাপ—মা আর কিছু না দিন, চেহারাটা দিয়েছেন বৃজলালকে। তারই দৌলতে মেয়েদের ভালবাসার দোরগোড়ায় পৌঁছে যেতে তার আটকাত না। তাদের ফ্ল্যাট—বাড়ির নতুন ভাড়াটের দরজাও খুলে গেল তার জন্যে। পাগল হয়ে গেল মেয়েটা বৃজলালকে পেয়ে।

    ভালবাসা—টাসা বৃজলাল অবিশ্যি বুঝত না, তবু মনে মনে সে একদিন ঠিক করে ফেললে, এবার সে নেশা ছেড়ে দেবে, ভালো হবে, ভদ্রলোক হবে। মেয়েটাকে নৈলে যখন তার চলবেই না, তখন বিয়েই করে ফেলবে রেজিস্ট্রি করে।

    সুন্দরী মেয়ের পাল্লায় পড়লে মানুষ কত বোকা হয়!

    রেজিস্ট্রেশনের দিন পর্যন্ত ঠিক হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু এক লহমায় ভেস্তে গেল, সবই—যেমন ক’রে ভেস্তে যায় তাসের খেলা।

    মেয়েটার বিছানায় একদিন সে একটা বেল্ট দেখতে পেল। বেল্টটা বৃজলালের চেনা—উজ্জ্বল নিকেলের বকলসে ইংরেজি ‘ডি’ অক্ষরটা মীনে করা। ‘ডি’ মানে ডিক জোন্স, তার প্রাণের বন্ধু। জাহাজে শুয়োরের মাংস চালান দেয়। টাকার কুমির। কিন্তু খাল তো’ বৃজলাল নিজেই কেটেছিল গত বড়দিনে মেয়েটার সঙ্গে ডিকের আলাপ করিয়ে দিয়ে। তারপরের ব্যাপারটা সংক্ষিপ্ত। একটা রিভলভারের খোঁজেই বেরিয়েছিল বৃজলাল, তাড়াতাড়িতে তার মুঠোয় এসে গেল পাৎলা একখানা চিনে ছুরি।…তাই সই! কিন্তু আফশোস এই যে, চকচকে ফলাটা লাল হয়ে উঠল শুধু একজনের রক্তেই। ডিকের রক্ত লাগল না, সে তখন ব্যাংককের জাহাজে।

    সে রক্তের দাগ তো কবে মুছে ফেলেছে বৃজলাল, তবু কেন বারবার চোখ পড়ে নিজের হাতখানার দিকে। মরা মানুষ কেন তাড়া করে বেড়ায় রাতদিন?

    অস্থির হয়ে উঠল বৃজলাল। অন্যমনস্ক চোখ দু’টো চঞ্চল হয়ে উঠেই আটকে গেল হল—এর দরজার ওপর। দুটো পুলিশ অফিসার শিকারি কুকুরের মতো অপরাধীর গন্ধ শুঁকছে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে।

    নিঃশ্বাস বন্ধ করে তৈরি হয়ে রইল বৃজলাল। কিন্তু না, এগিয়ে এল না তার দিকে, বাইরে থেকেই চলে গেল।

    বিড় বিড় করে বলে উঠল বৃজলাল, কুত্তার বাচ্চচা!

    তারপর স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে আধ—খাওয়া জিন—এর গেলাসটা মুখে তুলে লম্বা একটা চুমুক দিলে। আর ঠিক সেই মুহূর্তেই তার পাশ থেকে কে যেন বলে উঠল, গুড ইভনিং কুণাল চ্যাটার্জি! শোভা ইম্যানুয়েলের খুনের দায়ে আমি তোমাকেই খুঁজছি।—উঁহু পালাবার চেষ্টা কোরো না, বাইরে পুলিশ হাজির।

    পাথরের চোখের মতো স্থির দৃষ্টি মেলে কুণাল দেখলে, নিখুঁত নেভি সুট পরা লম্বা চওড়া এক সেলার তার পাশে দাঁড়িয়ে। মুখে হাসি, হাতে রিভলভার।

    আশ্চর্য, লোকটা পাশের টেবিলেই এতক্ষণ বসেছিল গোটাকতক বিয়ারের বোতল নিয়ে।

    সেলারটা আবার বলল, নিজের পরিচয়টা না দিলে খারাপ দেখায়। আমি একজন ডেপুটি কমিশনার অফ পুলিশ।

    তারপর কুণালের টেবিল থেকে গোল্ডফ্লেক সিগারেটের প্যাকেট ছেঁড়া সোনালি রিবনের ফাঁস—বাঁধা একটা গোল—রিং কুড়িয়ে নিয়ে শুধু বললে, এসো—

    কাচের গেলাসটা কুণালের আড়ষ্ট হাত থেকে পড়ে চুরমার হয়ে গেল।

    * * *

    রায় বেরোল পরদিন। আসামি কুন্তল চ্যাটার্জির বেকসুর খালাসের অর্ডার।

    দরজাটা খুলেই রেখেছিল মিতালি। আর নিজে দাঁড়িয়ে ছিল বারান্দায়, কোলের কাছে দীপুকে নিয়ে। যেমন ভঙ্গিতে সেই সাতাশে মাঘের সকালে কুন্তলকে বিদায় দিয়েছিল।

    সিঁড়িতে পায়ের আওয়াজ হল। দরজার কাছে এসে দাঁড়াল কুন্তল আর রমেন। মিতালির মুখে তখন রোদ—বৃষ্টির খেলা। কুন্তলকে ভেতরে ঠেলে দিয়ে রমেন দরজার কপাট দুটো টেনে দিলে আস্তে আস্তে! তারপর শিস দিতে দিতে নেমে গেল।

    এখুনি একবার অ্যাটার্নি সেনের অফিসে যেতে হবে। আরও একশো টাকার বিশেষ দরকার এখন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদেরি হয়ে গেছে – প্রচেত গুপ্ত
    Next Article মহাভারতের মহারণ্যে – প্রতিভা বসু
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }