Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দশটি রহস্য উপন্যাস – প্রণব রায়

    প্রণব রায় এক পাতা গল্প1004 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    লাল নীল – ৩

    তিন

    কপার টাউনের ক্লাক হাউস এখনও দেখা হয়নি আপনার। চলুন, আজ সন্ধ্যাবেলা যাই।

    ধলাই পাহাড়ের কোলে ঘেঁষে অনেকখানি জমির ওপর এই ক্লাব হাউস। চারপাশে বাগান, টেনিস কোর্ট, সাঁতারের বাঁধানো চৌবাচ্চচা। ভেতরে বিলিয়ার্ড রুম আছে—আছে বার, ডান্স—ফ্লোর। কপার টাউনের মানুষগুলো দেশি, কিন্তু তাদের জীবনযাত্রা বিদেশি। দিনে তারা এই যন্ত্র—নগরীর যন্ত্র, আর রাতে রক্তমাংসের মানুষ। সন্ধ্যা সাতটার পর থেকে এ জায়গাটা ক্রমশ সরগরম হয়ে ওঠে। রাত বারাটো—একটা অবধি।

    কপার টাউনের ক্লাব হাউস কিন্তু সবার জন্যে নয়। মোটা মাইনের কৌলীন্য যাদের আছে, শুধু তাদেরই জন্য—তারাই মেম্বার হতে পারে। নিচু মহলের লোক যারা—অর্থাৎ মজদুর, তাদের জন্যও আমাদের ব্যবস্থা আছে। লেবার—ব্যারাকের কাছাকাছি একটা মহুয়ার দোকানে তারা রোজ ছুটির পর আমোদ কিনতে যায়। আসলে কিন্তু ক্লাব আর মহুয়ার দোকানে কোনো তফাত নেই—তফাত কেবল পোশাকের, ভাষার আর বোতলের লেবেলের।

    আজকের রাতটা বেশ ঝরঝরে। আকাশও পরিষ্কার। অয়ন বোসকে ক্লাবের ফটকে দেখা গেল। মেম্বারশিপের চাঁদা নিয়মিত দেওয়া সত্ত্বেও অয়ন নিয়মিত ক্লাবে আসত না। আসত মাঝে মাঝে খেয়াল হলে। তার মদ্যপানের শখ আছে—অভ্যাস নেই, তাই নিয়মিত আসার দরকারও হত না। ইদানীং নিত্য আসে। আসার একটা গোপন উদ্দেশ্যও আছে। এই ক্লাবের মধ্যে কপার টাউনের উঁচু মহলকে একসঙ্গে পাওয়া যায়, নেশার ঝোঁকে মনের কথার লেনদেন হয়, নকল সভ্যতার মুখোশগুলো মুখ থেকে মাঝে মাঝে খসে পড়ে। অন্যের অসতর্ক মুহূর্তের অপেক্ষায় অয়ন সতর্ক হয়ে থাকে।

    অয়নের সঙ্গে আপনিও ভেতরে চলে যান।

    ডান্স হল থেকে মিউজিকের আওয়াজ আসছে। বার থেকে উচ্চচকণ্ঠের হাসি—কলরব, বিলিয়ার্ড রুম থেকে টুকরো টুকরো কথাবার্তা। কোন ঘরে যাবেন আপনি? অয়নের সঙ্গে যখন এসেছেন তখন তার পিছু পিছু ‘বারে’ই ঢুকে পড়ুন।

    আজকের আসর জমজমাট। কোণের একটা টেবিলে তাসের জুয়া চলছে—ডন রিভাস সঙ্গীদের সঙ্গে ‘পোকার’ খেলছে। এক পেগ জিন ফরমাস করে অয়ন এসে জুটল সেই টেবিলে।

    হ্যালো ডন।

    হ্যালো বোস!

    আজ তোমার ‘লাক’ কেমন?

    ডন মুখ বিকৃত করে বললে, বুড়ি স্ত্রীর মতো—একদম ঠান্ডা।

    ডনের রসিকতাগুলো প্রায়ই আদি রসাত্মক। হাত পেতে সে আবার বললে, কিছু ক্যাশ ধার দাও না। দেখি, তোমার মতো নওজোয়ানের পয়ে আমার বুড়ি স্ত্রী গরম হয় কিনা।

    হল ফাটিয়ে হেসে উঠল ডন। পকেট থেকে দশ টাকার একখানা নোট বের করে অয়ন বললে, সবে মাসের চোদ্দ তারিখ, মাইনেটা এরই মধ্যে ফুঁকে দিলে?

    ডন তাস খেলতে খেলতে বললে, কি করি বলো? আমার হাতে এলেই টাকাগুলোর পাখা গজায়।

    বয় জিন দিয়ে গেল। ডন বললে, আওর এক পেগ—বোস সাবকা অর্ডার।

    গ্লাসটা ডনের দিকে এগিয়ে দিয়ে অয়ন বললে, ক্লাবের চাঁদা তোমার ছ’ মাস বাকি, ‘বারে’র বিল একগাদা পড়ে আছে, তোমার দর্জি তাগাদ করে করে হায়রান! তোমার মত এমন বেহিসেবী মানুষ আর দেখি না।

    এক চুমুকে গ্লাস খালি করে ডন বললে, দুনিয়ায় বোকারাই হিসেব করে। আরে, জীবনটা এক পেগ জিনের মতো। ডেসটিনি—নিয়তি কখন এক চুমুকে সাবাড় করে দেবে কে জানে। দেখলে তো, মিসেস গুপ্তার কী হল। বিয়ের রাতেই খতম। হিসেব মিলল কি?

    অয়ন ডনের মুখের পানে লক্ষ করলে। কিন্তু লক্ষ করার মতো কোনো চিহ্ন নেই। অয়ন বললে, জীবন সম্পর্কে তোমার ফিলজফি শুনতে ভালো, কিন্তু এতে বদনাম হয় যে! তুমি একটা ফ্যাক্টরির ম্যানেজার, অথচ চারদিকে তোমার দেনা! লোকে বলবে কি বলো তো?

    ডন বললে, নেভার মাইন্ড বোস। দু—চার দিনের মধ্যেই একটা ফালতু মোটা টাকা পেয়ে যাচ্ছি, সব দেনা এবার মিটিয়ে দেব—পাই টু পাই।

    বাই জোভ। মোটা টাকা ফালতু পেয়ে যাচ্ছ। কোত্থেকে? উৎসুক গলায় অয়ন বললে।

    ডন গম্ভীর হয়ে বললে, টাকা দুনিয়ায় ছড়ানো রয়েছে, কুড়িয়ে নিতে পারলেই হল। আমি যখন হংকং—এ ছিলাম, চার হাতে টাকা কামিয়েছি, বুঝলে বোস?

    তাই নাকি! হংকং—এ ছিলে তুমি। কি কাজ করতে?

    মুচকে হেসে ডন জবাব দিলে, ধর্মযাজকের কাজ!—হ্যালো কান্তা!

    দেখা গেল, বারে কান্তা এসেছে। টেবিলের কাছে এগিয়ে এসে প্রশ্ন করলে, ডক্টর দাসকে দেখেছ?

    বিলিয়ার্ড রুমে।

    কান্তা আর দাঁড়াল না। ব্যস্তভাবেই চলে গেল।

    অয়ন বললে, এক হাত টেবল—টেনিস খেলে আসি।

    .

    কিন্তু টেবল—টেনিসের ঘরের পথ মাড়াল না অয়ন। কান্তার পিছু পিছু গিয়ে ঢুকল বিলিয়ার্ড—ঘরে।

    ধীরাজ দাস আর সাহানী ‘স্কিটল’ খেলছে। কান্তাকে দেখে ডাক্তার বললে, এক্সকিউজ মি মিস্টার সাহানী, কান্তার সঙ্গে একটা জরুরি কথা সেরেই আসছি। এই যে অয়ন, মিস্টার সাহানীর সঙ্গে আমার হয়ে খেলো তো।

    বেরিয়ে গেল কান্তার সঙ্গে ধীরাজ ডাক্তার। কিন্তু কী কথা থাকতে পারে কান্তার সঙ্গে ডাক্তারের, যা প্রকাশ্যে বলা যায় না?

    একবার ‘কিউ’ চালিয়েই অয়ন ‘উঃ’ বলে উঠল।

    কি হল? সাহানী প্রশ্ন করলেন।

    ডান হাতের কব্জিটা মচকে গেছে কিনা—

    বটে। তবে থাক।

    ধন্যবাদ দিয়ে অয়ন পায়ে পায়ে বারান্দায় বেরিয়ে এল। কোথায় গেল ওরা? এদিক—ওদিক তাকাল সে। বাগানে গেছে নাকি?

    বারান্দা থেকে নেমে এক—পা এক—পা করে এগোতে লাগল অয়ন। ঝিলমিল রাত, শুক্লপক্ষ শুরু হয়েছে। ঘাস—জমির ওপর হাঁটতে হাঁটতে বাগানের এধার—ওধার লক্ষ করলে সে। মরশুমী ফুলের বেডে পাশে, মার্বেল মূর্তির ধারে, লতাকুঞ্জের তলায়। কোথাও নেই।

    হাঁটতে হাঁটতে বাগানের শেষ প্রান্তে চলে এল অয়ন। এদিকে শুধু ধলাই পাহাড়। ফেরা যাক তাহলে।

    কিন্তু ফিরে আসতে আসতে একটা জায়গায় অয়নের পা আটকে গেল। কান সজাগ করে শুনতে লাগল সে। আওয়াজ আসছে একটা প্রকাণ্ড ঝাউয়ের আড়াল থেকে।

    আজকাল আমার কোয়ার্টারে আর যাও না কেন?

    ধীরাজ ডাক্তারের স্বভাব—নীরস গলা।

    সময় পাই না।

    কান্তার গলা চিনতে অয়নের ভুল হল না।

    বাজে কথা রাখো। সময় পাও না, না আমাকে এড়িয়ে যেতে চাও?

    কান্তার গলার স্বর একটু তীব্র হল : যদি তাই চাই, দোষ কি? ভুলে যাচ্ছ কেন তুমি পঞ্চাশের কাছে, আর আমি এখনও তিরিশ পার হইনি। তুমি কি আশা করো জীবনভর আমি তোমায় নিয়ে থাকব?

    হ্যাঁ, তাই থাকবে। তোমায়—আমায় এই শর্তই ছিল।—ধীরাজ ডাক্তারের নীরস গলা আরও বিশ্রী শোনাল। বলতে লাগল, সাত বছর আগে বম্বে শহরে কলবা দেবীর এক বস্তিতে তুমি পচে মরছিলে। লেখাপড়া কিছু শিখেছিলে, কিন্তু কাজ ছিল না। দু’—বেলা পেট ভরে খাওয়া জুটত না। সেই নর্দমা থেকে তুলে এনে তোমাকে আমি খাইয়ে পরিয়ে নতুন করে গড়লাম, সমাজের উঁচু তলায় ঠাঁই দিলাম। আর, তুমি এমনি বেইমান যে আজ আমাকেই পুরোনো জুতোর মত ছুড়ে ফেলে দিতে চাও।

    কে বললে এসব কথা?

    তুমি কি মনে করো কান্তা, আমি ঘাসে মুখ দিয়ে চলি? লুকিয়ে লুকিয়ে তুমি কার সঙ্গে ভিড়েছ আমি জানি না ভেবেছ?

    তোমাদের লুকোচুরি খেলা আমি সব জানি।

    কি জানো তুমি?

    তোমার ভালবাসার নতুন খদ্দের জুটেছে—চড়া দাম হেঁকেছে সে। তাই যৌবনের দেমাকে তুমি আমাকে আর পাত্তা দিচ্ছ না।

    ধীরাজ ডাক্তারের গলায় যেন করাতের ধার।

    তার সঙ্গে তুমিই তো মিশতে বলেছিলে। বলোনি?

    স্বার্থের জন্য বলেছিলাম, কিন্তু সেই সুযোগ নিয়ে তলে তলে তুমি নিজের আখের গুছিয়ে নেবে, সেটা কি ভেবেছিলাম? আমি জানতে পেরেছি, পাসপোর্টের দরখাস্ত করেছ তোমরা—শিগগিরই তোমরা দুজনে বিদেশে পালাচ্ছ। তোমায় আমি সাবধান করে দিচ্ছি কান্তা, এতটা বাড়াবাড়ি কোরো না! জেনে রাখো, তোমার তাসের ঘর আমি এক ফুঁয়ে উড়িয়ে দিতে পারি। লালী গুপ্তা বেশি দিন মরেনি, আর ঝাউবনী থানাও বেশি দূরে নয়, তোমার ভালোবাসার লোককে এক মুহূর্তে ফাঁসিয়ে দেব!

    কান্তার গলা শোনা গেল না। বেশ কয়েক সেকেন্ড। তারপর হঠাৎ হেসে বললে, আচ্ছা পাগল তুমি দাস! বাড়াবাড়ি না হয় একটু করেইছি, কিন্তু সে তো তোমার—আমার স্বার্থের জন্যে। সুখে থাকতে হলে টাকার দরকার হয় না? আর, তুমি আমাকে কি না বললে!

    অভিমানে কান্তার গলা বুজে এল।

    আমাকে ভাঁওতা দেবার চেষ্টা কোরো না কান্তা।

    ধীরাজ ডাক্তারের গলা একটু নরম শোনাল।

    কান্তার গলা শোনা গেল, তোমাকে আমি ভাঁওতা দেব। একথা তুমি বলতে পারলে। বেশ, কাল থেকে দেখো আমি তার সঙ্গে মেলামেশাই ছেড়ে দেব।

    ঠিক?

    উত্তরে মৃদু একটা চুম্বনের শব্দ শোনা গেল। কান্তা বললে, রাগ পড়েছে তো? চলো ক্লাবে যাই, কেউ হয়তো এসে পড়বে।

    ধীরাজ দাস আর কান্তা ঝাউয়ের আড়াল থেকে বেরোতেই, অয়ন চট করে ঝাউয়ের আড়ালে সরে গেল। আকাশ—পাতাল ভাবতে লাগল সে অনেকক্ষণ। এইমাত্র সে যা শুনল, হীরা সিংকে জানানো বিশেষ দরকার। তার ঘরে হীরা সিংয়ের আসার অপেক্ষায় বসে না থেকে থানায় যাওয়াই ভাল।

    দ্রুত পায়ে বাগান পার হয়ে অয়ন গেটের দিকে চলল। কিছু দূর থেকেই সে দেখতে পেল, চেনা স্টুডিবেকার গাড়িখানা সাঁ করে গেটের মধ্যে ঢুকল। লালী মারা যাওয়ার পর নীলাদ্রি গুপ্ত এই প্রথম ক্লাবে এল। লালীর শোকটা নীলাদ্রির মনে গভীরভাবে লেগেছিল নিশ্চয়, লোকজন বন্ধু—বান্ধবের সঙ্গ তাই এড়িয়ে চলত। কিন্তু শিলাই নদীর বন্যাবেগ যেমন আস্তে আস্তে থিতিয়ে আসে, মানুষের শোকের বেগও তাই।

    নিজের ছোট্ট মরিসখানাতে উঠে বসে স্টার্ট দিলে অয়ন।

    .

    হীরা সিং বললে, রহস্যের অন্ধকারে একটু যেন আলোর ইসারা দেখতে পাচ্ছি অয়ন। তুমি যা বললে, তা থেকে এইটুকু স্পষ্ট হয়েছে যে, মিসেস লালী গুপ্তার খুনির সঙ্গে ধীরাজ ডাক্তার আর কান্তা দুজনেই রীতিমতো জড়িত। আর, এও বোঝা যাচ্ছে যে, কান্তার নতুন প্রণয়ী যে, সেই হচ্ছে খুনি। নইলে ধীরাজ ডাক্তার কান্তাকে ভয় দেখাতো না। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, কার সঙ্গে কান্তার গোপন প্রণয়ের সম্পর্ক গড়ে উঠেছে? কে সে?

    অয়ন বললে, ডন রিভাস হতে পারে। কেননা, সে হচ্ছে আমাদের পয়লা নম্বর সন্দেহভাজন ব্যক্তি। কান্তার মতলব বিদেশে পালাবে প্রেমিকের সঙ্গে—হয়তো ঘর বাঁধবে সেখানে। বিদেশি লোক, জোয়ান বয়স, মোটামুটি সুপুরুষ—ভগবান জানেন, কি করে তার হাতে ফালতু মোটা টাকা আসে—কান্তার মতো নোংরা চরিত্রের মেয়ের কাছে ডন আদর্শ নাগর নয় কি?

    কিন্তু তুমি বলেছিলে না, নীলাদ্রি গুপ্তের ওপর কান্তার দুর্বলতা আছে?

    সেখানে সুবিধে নেই দেখে কান্তার মত বদলাতে কতক্ষণ? বুড়ো ধীরাজ ডাক্তারের পায়ে জীবন—যৌবন সঁপে দেওয়ার চেয়ে হয়তো ডনকেই সে মন্দের ভালো হিসেবে বেছে নিয়েছে। আচ্ছা, হীরা সিং, ওরা তো পাসপোর্টের চেষ্টা করছে। তুমি পাসপোর্ট অফিস থেকে খবর নিতে পারো না?

    হীরা সিং বললে, পারি। কিন্তু যদি নাম ভাঁড়িয়ে থাকে? এই ধরনের লোকেরা তাই করে। একমাত্র ধীরাজ ডাক্তারের কাছ থেকেই খুনির নামটা আদায় করা যেতে পারে। কিন্তু আদায় করতে হলে ডাক্তারকে অ্যারেস্ট করতে হয়।

    অয়ন সাগ্রহে বললে, তাই করো হীরা সিং—দেরি না করে দু’নম্বর সাসপেক্ট ধীরাজ দাসকেই গ্রেফতার করো। কান্তা অত্যন্ত চতুর মেয়ে, বুড়োর চোখে ধুলো দিয়ে, কবে বিদেশে পালিয়ে যাবে কে জানে—খুনিকে ধরার কোনও আশাই আর—

    অয়নের কথা চাপা দিয়ে টেলিফোনটা ঝনঝন করে বেজে উঠল। হীরা সিং রিসিভার তুলে নিলে, ইয়েস, ঝাউবনী পুলিশ—স্টেশন—ইন্সপেক্টর হীরা সিং বলছি—

    তারপরেই ইন্সপেক্টরের মুখ মেঘলা থমথমে হয়ে উঠল। রিসিভার নামিয়ে রাখতেই অয়ন বললে, কি হল?

    আসামি ফাঁকি দিয়েছে।—হীরা সিং জবাব দিলে।

    তার মানে?

    ধীরাজ ডাক্তার এইমাত্র মোটর—অ্যাক্সিডেন্টে চোট পেয়েছে।

    বাঁচবে কিনা সন্দেহ!

    .

    না, ধীরাজ দাস বাঁচল না। পরদিনই মারা গেল।

    ভোরের দিকে অল্পক্ষণের জন্য জ্ঞান ফিরে এসেছিল। হীরা সিংহের প্রশ্নের জবাবে ডাক্তার শুধু বললে, গাড়ির টাই—রডটা খোলা ছিল—জানতে পারিনি। রাস্তার বাঁকের মুখে—

    আর কিছু বলতে পারেনি সে। এইটুকুই তার শেষ জবাববন্দি।

    হীরা সিং অয়নকে বললে, স্টিয়ারিং হুইলের সঙ্গে চাকার সরাসরি যে যোগ থাকে, তা টাই—রডের সাহায্যে। এ—কথা যারা মোটর চালায়, তারা সবাই জানে। টাই—রড খোলা। এর মানে কি বলতে পারো?

    অয়ন বললে, চুপিসারে কেউ খুলে রেখেছিল। এছাড়া অন্য মানে হয় না।

    রাইট।—ডাক্তার কিছু না জেনে গাড়িতে স্টার্ট দিয়ে চালিয়েছিল। কিন্তু রাস্তায় বাঁকের মুখে স্টিয়ারিং ঘুরিয়ে দেখে চাকা ঘুরছে না। তখন আর সামলাবার উপায় নেই। ঢালু পাহাড়ি রাস্তায় গাড়ি ডাইনে না বেঁকে সোজা গিয়ে পড়ল পাশের খাদে। সুতরাং, একে অ্যাক্সিডেন্ট বলবে, না খুন বলবে?

    অয়ন বললে, কিন্তু আমি ভাবছি, এই খুনের মধ্যেও কী অদ্ভুত বুদ্ধির পরিচয়! ধীরাজ ডাক্তারের মুখে টাই—রডের কথা না শুনলে সকলেই ভাবত এটা নিছক একটা দুর্ঘটনা—পরিকল্পিত খুন বলে কেউ সন্দেহই করত না। খুনি অসাধারণ বুদ্ধিমান!

    হীরা সিং বললে, তা তো বুঝলাম। কিন্তু সেই যে তোমাদের বাংলায় ছড়া আছে—হারাধনের ছেলেদের মধ্যে এখন তাহলে রইল বাকি দুই! ডন রিভাস আর কান্তা। এই দুজনের ওপর এখন আরও সজাগ চোখ রাখতে হবে।

    অয়ন বললে, আচ্ছা, কান্তাকে জেরা করলে হয় না?

    হীরা সিং মাথা নেড়ে বললে, তাতে ফল কিছু হবে বলে মনে হয় না অয়ন। খুনিই যদি কান্তার নাগর হয়, তবে প্রণয়ীর সঙ্গে বেইমানি সে করবে না। মাঝখান থেকে খুনি হুঁশিয়ার হয়ে যাবে। তার চেয়ে নজর রাখা যাক, সমস্ত এয়ারপোর্টে খবর দিয়ে রাখি, ওরা ভাগবার চেষ্টা করলে একসঙ্গে দুজনকেই ধরা যাবে।

    কিন্তু দিন দুই বাদে এমন একটা ব্যাপার ঘটল, যা অয়নের ধারণার বাইরে। শুধু অয়ন নয়, আমার—আপনার—সমস্ত কপার টাউনের ধারণার বাইরে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদেরি হয়ে গেছে – প্রচেত গুপ্ত
    Next Article মহাভারতের মহারণ্যে – প্রতিভা বসু
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }