Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দশটি রহস্য উপন্যাস – প্রণব রায়

    প্রণব রায় এক পাতা গল্প1004 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    লাল নীল – ৫

    পাঁচ

    হীরা সিং বললে, আমি তো বলেছিলাম, কপার টাউনের বাতাসে ক্রাইমের গন্ধ আরও উগ্রভাবে পাওয়া যাচ্ছে। দেখলে তো?

    অয়ন বললে, হুঁ, ব্ল্যাকমেল করার পরিণাম একই দেখছি। ধীরাজ ডাক্তারও একই কারণে মরেছে। কিন্তু হংকং সাংহাই ফেরত দুর্দান্ত বেপরোয়া ডন রিভাস যে একটা মেয়ের হাতে মরবে ভাবতে পারিনি।

    হীরা সিং বললে, না, কান্তা কালেলকরের হাতে ডন খুন হয়নি।

    তবে মরল কিসে?

    বিষে?

    বিষে!—

    বিষে!—অয়ন অবাক হয়ে বললে, নদীর ধারে বিষ এল কোথা থেকে?

    হীরা সিং বললে, সিগারেটে ছিল। মার্শ টেস্ট করে ডনের হাতের সিগারেটে আর্সেনিয়াম অক্সাইড পাওয়া গেছে।

    স্তম্ভিত হয়ে গেল অয়ন।

    হীরা সিং বললে, তুমি কেমিস্ট্রির ভাল ছাত্র ছিলে, তুমি নিশ্চয় জানো কী মারাত্মক বিষ ওটা—

    জানি।—অয়ন বললে, একটা সুস্থ সবল মানুষকে মারবার জন্যে আর্সেনিয়াম অক্সাইডের ০.১ গ্রামই যথেষ্ট। তাহলে বোঝা যাচ্ছে, টাকা দেবার ছল করে এসে কেউ ডনকে ওই বিষাক্ত সিগারেট অফার করেছিল, আর সেই সিগারেট খেয়ে ডনের ব্ল্যাকমেল করার সাধ জন্মের মতো মিটে গেছে! তাই না?

    ঠিক তাই।

    একটু ভেবে অয়ন বললে, কিন্তু ওই সিগারেট কান্তাও তো অফার করতে পারে—

    হীরা সিং প্রশ্ন করলে, কান্তা কালেলকর কি স্মোক করে?

    না, কখনো দেখিনি।

    তাহলে? যে সিগারেটর খায় না, সে হঠাৎ সিগারেট বার করে আমায় অফার করলে আমি কি করব? আমার সন্দেহ হবে—আমি সিগারেট নেব না। সুতরাং পাছে ডনের সন্দেহ হয়, এই ভেবে কান্তা নিশ্চয় তাকে সিগারেট অফার করতে শিলাইয়ের ধারে যায়নি। আমার ধারণা, খুনি নায়ক কান্তার বদলে অন্য লোককে পাঠিয়েছিল।

    না হীরা সিং—অয়ন বললে, দলের দু—দুটো লোক বিশ্বাস ভঙ্গ করার পর সে আর কাউকে ব্ল্যাকমেল করার সুযোগ দেবে বলে মনে হয় না। আমার বিশ্বাস, কোনো লোককে না পাঠিয়ে সে নিজেই গিয়েছিল চিরকালের মতো ডনের মুখ বন্ধ করে দিতে। ধীরাজ ডাক্তারের মোটরের টাই—রড সে নিজেই খুলে রেখেছিল। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, কে এই চতুর নায়ক, যে সবার চোখকে ফাঁকি দিয়ে আজও কপার টাউনে অবাধে—

    জুতোর আওয়াজে অয়ন আর হীরা সিং থানা—ঘরের দরজার দিকে তাকাল।

    একজন কনস্টেবলের সঙ্গে স্বয়ং নীলাদ্রি আসছে।

    অবাক হয়ে উভয়ে উঠে দাঁড়াল। হীরা সিং বললে, মিস্টার গুপ্ত, আপনি থানায়।

    থমথমে মুখ আর উত্তেজিত কণ্ঠস্বর নিয়ে নীলাদ্রি বললে, না এসে আর উপায় কি ইন্সপেক্টর? কপার টাউনে একটার পর একটা যা ঘটছে, তা দেখে—শুনে আর স্থির থাকা সম্ভব নয়। এই কপার টাউন—আমার শ্বশুরের হাতে—গড়া এই তামা—নগরী বড় শান্তির জায়গা ছিল। আজ এটা ‘প্যানিক টাউন’—আতঙ্ক—নগরী হয়ে দাঁড়িয়েছে! ডন খুব হওয়ার পর লোকে আর এখানে থাকতে চাইছে না। তাই বাধ্য হয়েই আপনার কাছে আসতে হল।

    হীরা সিং সংযত গলায় বললে, পুলিশ যথাসাধ্য চেষ্টা করছে মিস্টার গুপ্ত।

    নীলাদ্রির মুখে সেই পেটেন্ট হাসিটি দেখা গেল—লোকে যেটাকে শ্লেষ বলে ভুল করে। ঠোঁটের ডান দিকের প্রান্ত ঈষৎ উঁচু করে বললে, মানলাম পুলিশ চেষ্টা করছে। কিন্তু আজ অবধি চেষ্টার ফলটা কী দাঁড়াল? না, না ইন্সপেক্টর, কপার টাউন থেকে এসব ক্রাইম বন্ধ করতেই হবে—খুঁজে বার করতেই হবে অপরাধীকে—প্লিজ ইন্সপেক্টর, আপনারা আরও তৎপর হোন! পুলিশের যোগ্যতায় আমাকে বিশ্বাস করতে দিন।

    দরজা অবধি ফিরে গিয়ে নীলাদ্রি ঘুরে দাঁড়াল। তার মুখের সেই পেটেন্ট হাসিটুকু অন্তর্হিত হয়েছে। সুগম্ভীর স্বরে বললে, দিন তিনেকের জন্যে আমাকে দিল্লি যেতে হচ্ছে। আমার হয়ে তুমিই পুলিশকে সাহায্য করো অয়ন।

    তাই হবে স্যার।

    যত শিগগির পারেন খুনীকে ধরে দিন ইন্সপেক্টর—কপার টাউনের শান্তি ফিরিয়ে আনুন। এর জন্যে মোটা রিওয়ার্ড দিতেও আমি প্রস্তুত। কে জানে, দেরি হলে হয়তো আরও কিছু ঘটে যাবে।

    নীলাদ্রির দীর্ঘ দেহ দরজা দিয়ে অদৃশ্য হয়ে গেল।

    নিঃশব্দে বসে রইল অয়ন। নীলাদ্রি গুপ্তকে এতখানি বিচলিত আগে সে কখনো দেখেনি। তার কানে বাজতে লাগল : ‘দেরি হলে হয়তো আরও কিছু ঘটে যেতে পারে।’

    কিছুক্ষণ চুপচাপ থেকে হীরা সিং জিজ্ঞেস করলে, আচ্ছা, কপার টাউনে ‘ক্রেভেন এ’ সিগারেট কে খায় অয়ন?

    একমাত্র আমি। আমার ফেরেঞ্জাইটিস আছে, ওই ব্র্যান্ডের সিগারেট খেলে কাশি হয় না।

    তুমি ছাড়া এখানে আর কেউ খায় না?

    না। এর কারণ ওটা বিলিতি বলে খুব কমই আমদানি হয়, দামও বেশি। কিন্তু কেন বলো তো?

    অয়নের মুখের ওপর স্থির দৃষ্টি রেখে হীরা সিং জবাব দিলে, ডনের আঙুলের ফাঁকে যে সিগারেট পাওয়া গেছে, সেটা ক্রেভেন এ।

    অয়নের মুখ দিয়ে কথা সরল না।

    চিন্তিত মুখে হীরা সিং বললে, খুনি কেমন ধোঁকা দিয়েছে দেখেছ! আমার বদলে অন্য পুলিশ অফিসার থাকলে আজ তোমার বাঁচার রাস্তা থাকত না। আমি ক্রমশই হতাশ হয়ে পড়ছি অয়ন! এমন অসাধারণ বুদ্ধিমান প্রতিদ্বন্দ্বীর সঙ্গে পাল্লা দেওয়া মুশকিল।

    মুখ নিচু করে নিজের চিন্তায় ডুবে ছিল অয়ন। হঠাৎ মুখ তুলে বললে, বুদ্ধিমানেরাই কিন্তু মারাত্মক ভুল করে বসে।—আজ চলি হীরা সিং।

    .

    থানা থেকে বেরিয়ে অয়নের মনে পড়ল তার সিগারেট ফুরিয়েছে।

    বিচিত্রা স্টোর্সের সামনে এসে তার মরিসখানা থেমে গেল। টাউনের সবচেয়ে বড় দোকানা, একমাত্র এরাই বিলিতি সিগারেট রাখে। গাড়ি থেকে নেমে গেল অয়ন।

    মিনিট কয়েক বাদে সিগারেট কিনে যখন ফিরে এল, অয়নের মুখ—চোখ উজ্জ্বল হয়ে উঠেছে। গাড়িতে স্টার্ট দিয়ে নিজের মনেই সে আরেকবার বললে, বুদ্ধিমানেরাই মারাত্মক ভুল করে!

    .

    লালী টেলিফোন করেছে : ‘তুমি বলেছিলে দরকার হলেই তোমাকে ডাকতে। আজ সন্ধেবেলা আসতে পারবে? বড় দরকার।’

    অফিস থেকে বেরিয়ে অয়ন সোজা চলে গেল আইভি লজে। বারান্দায় বেতের চেয়ার পেতে লালী অপেক্ষা করছিল। অয়ন বললে, কি খবর? ডেকেছ কেন?

    লালী বললে, বসো, বলছি। নীল বিজনেস ব্যাপারে দিল্লি চলে গেছে জানো বোধ হয়?

    জানি। সবাইকে বলেই গেছেন।

    একা একা আমি থাকতে পারছি না!

    তাহলে মাথুর পালা গেয়ে শোনাই এসো। ব্রজের রাধার বিরহকথা শুনলে কপার টাউনের রাধার বিরহ—যন্ত্রণা হালকা হতে পারে।

    অয়নের পরিহাসে লালীর মুখে কিন্তু হাসি এল না। বিমর্ষ গলায় বললে, ঠাট্টা কোরো না অয়ন। বিরহ—টিরহ নয়। কাল রাতে একটা কাণ্ড হয়েছে—

    কি হয়েছে শুনি?

    আজকাল ঘুমটা আমার আগের মতো গাঢ় হয় না, অল্পেই ভেঙে যায়। রাত তখন কত জানি না, কি একটা মৃদু শব্দে জেগে উঠলাম। মনে হল, ঘরের বন্ধ দরজাটা কেউ ঠেলছে। তার একটু পরেই হঠাৎ চোখে পড়ল জানলার সার্শিতে একটা কালো ছায়া—মানুষের! ধড়মড় করে উঠে বসে বেড ল্যাম্পটা জ্বালতেই ছায়াটা সরে গেল। বাকি রাতটুকু আর ঘুমোতে পারলাম না।

    অয়ন গভীর ভাবনায় তলিয়ে গেল। তার মসৃণ কপালে ভাঁজ পড়েছে।

    কিছুক্ষণ স্তব্ধ হয়ে থেকে লালী বললে, কাল রাত থেকে ভয়টা আমাকে পেয়ে বসেছে। আজ রাতেও যদি সেই ছায়াটা আসে?

    হেসে উঠে অয়ন বললে, ভালই তো, এলে চেনা—পরিচয় হয়ে যাবে। তারপর হাসি থামিয়ে বললে, ভয় পেও না। আজ রাতে আমি এখানে থাকব ভাবছি।

    .

    রাতে খাওয়া—দাওয়ার পর অয়ন ঘড়ি দেখলে। পৌনে এগারোটা। বললে, এবার শুতে যাও লালী।…হ্যাঁ, ভাল কথা, তুমি কি বরাবর দরজা বন্ধ করে শোও?

    লালী বললে, না। নীল বাড়িতে থাকলে ভেজিয়ে রাখি, না থাকলে বন্ধ করে দিই।

    আজও দরজা ভেজিয়ে শুয়ো। কোনো ভয় নেই, আমি পাহারায় থাকব। গুড নাইট!

    গুড নাইট অয়ন!

    লালী শুতে চলে গেল। শিস দিতে দিতে অয়ন গেল লাইব্রেরি ঘরে। টেলিফোন সেখানেই থাকে। ডায়াল করে রিসিভার কানে তুলে বললে, আমি অয়ন বোস বলছি—আমার অঙ্কের উত্তর মিলে গেছে হীরা সিং।

    হ্যাঁ, আশা করছি আজই রাতে কপার টাউনের নেপথ্য—নায়কের সঙ্গে আমার চার চোখের মিলন ঘটবে এবং কাল সকালের মধ্যেই তাকে তোমার হেফাজতে তুলে দিতে পারব। তৈরি থেকো।

    লাইব্রেরি থেকে বেরিয়ে অয়ন গেল একতলায় বাবুর্চিখানায়। খাওয়া—দাওয়ার পাট চুকিয়ে জাফর আলি ডিশ ধুয়ে রাখছিল।

    অয়ন জিজ্ঞেস করলে, এ বাড়িতে সদর দরজা ছাড়া আর কোনো ঢোকার রাস্তা আছে নাকি জাফর?

    জাফর বললে, আছে কর্তা। গারাজ—ঘর দে’ বাড়িতে ঢোকা যায়। আজ এক তাজ্জ্বব কারবার হয়েছে কর্তা! ভোরে উঠে দেখি গারাজ—ঘরের তালা খোলা!

    তাই নাকি!

    হাঁ কর্তা। কাল রাতে লালদিঘির জানলায় নাকি চোর উকি দিয়েছিল।

    চোর—টোর নয়, ও চোখের ভুল। গারাজের চাবি কার কাছে থাকে?

    আমারই কাছে। আজ ভাবতেছি তালা পাল্টে দেব।

    অয়ন হাল্কা ভাবে বললে, না, না, তার দরকার নেই। কাল হয়তো ঠিকমতো তালা বন্ধ করা হয়নি। আজ দেখেশুনে বন্ধ করে দিও।

    আচ্ছা কর্তা।

    অয়ন দোতলার বারান্দায় চলে এল। বাগানের একটা দীর্ঘ ঝাউ বারান্দার একধারে ছায়া ফেলেছে। অন্ধকার এখানটায় আরও ঘন। লালীর ঘরের দরজা এখান থেকে সোজা দেখা যায়। অয়ন সিগারেট ধরিয়ে বেতের চোয়ার টেনে বসল অন্ধকারে।

    শরৎকালের মাঝামাঝি। বাইরেটা জ্যোৎস্না আর কুয়াশায় মাখামাখি। সমস্ত ইন্দ্রিয় সজাগ করে বসে রইল অয়ন। হরিণের মতো সতর্ক হয়ে।

    সে আসছে! অন্ধকার রহস্য—নাটকের সেই নেপথ্য—নায়ক, লালী গুপ্তার জীবনের অদৃশ্য রাহু, কপার টাউনের অজানা আতঙ্ক। কাল সে বিফল হয়ে ফিরে গেছে, অয়নের হিসেব যদি নির্ভুল হয়, আজ সে আবার আসবেই!

    ঘুমিয়ে পড়েছে শহরের মানুষ। ঘুমিয়ে পড়েছে রাতচরা পশু—পাখি। নিজের হৃদযন্ত্রের ধুক ধুক আওয়াজ শুনতে শুনতে জেগে আছে শুধু অয়ন। চোখ সজাগ আর কান খাড়া করে। কিন্তু জেগে থাকতে থাকতে কখন যে দু—চোখের পাতা এক হয়ে গেল টের পায়নি সে।

    হঠাৎ ঘুমের চটকা ভেঙে গেল। কি যেন একটা অস্পষ্ট শব্দ। ছিলা—ছেঁড়া ধনুকের মতো খাড়া হয়ে বসল অয়ন। ঘুম—জড়ানো দুই চোখের দৃষ্টি ধারালো করে তাকাল লালীর ঘরের দিকে। দেখলে—

    কুয়াশা—মাখা এক টুকরো পানসে জ্যোৎস্না পড়েছে দরজায়। দরজার কপাট দু’খানা আস্তে আস্তে ফাঁক হয়ে যাচ্ছে। নিঃসাড়ে বেরিয়ে এল এক ছায়ামূর্তি—লালীর ঘর থেকে। কপাট দু’খানা আবার ভেজিয়ে দিয়ে ছায়ামূর্তি এগিয়ে গেল করিডরে।

    যার অপেক্ষায় বসে বসে অয়ন প্রতিটি মুহূর্ত গুনছিল, সে কখন এল জানতেও পারেনি। এত সতর্কতা সত্ত্বেও!

    নিজেকে অভিশাপ দিতে দিতে অয়ন দ্রুত এসে দাঁড়াল লালীর ঘরের দরজায়। কিন্তু ঢুকতে গিয়ে ঢোকা হল না। ছায়ামূর্তি সিঁড়ির দিকে এগিয়ে চলেছে! নিঃশব্দে বেরাল—পায়ে পিছু নিলে অয়ন।

    লম্বা করিডর। অন্ধকার। দেয়াল ঘেঁষে ঘেঁষে অয়নও এগোতে লাগল ছায়ামূর্তির পিছনে। অন্ধকারটা খানিক সয়ে এসেছে চোখে। কিন্তু নেহাতই কপাল খারাপ অয়নের। একটা পাম—টবের স্ট্যান্ডের সঙ্গে বেমক্কা ধাক্কা লেগে গেল তার।

    চকিতে ঘুরে দাঁড়াল ছায়ামূর্তি। প্যান্টের পকেটে একবার হাত ঢোকাল। পরক্ষণেই অয়ন দেখতে পেল অন্ধকারেও কি একটা জিনিস চকচক করছে তার হাতে।

    অয়ন চট করে ঢুকে গেল লাইব্রেরি ঘরে, তারপর দরজার পাশে দেয়ালে পিঠ দিয়ে দাঁড়িয়ে রইল। হাত বাড়িয়ে সুইচটা খুঁজতে গিয়ে হাতে ঠেকল পাশের র্যাকে একটা ব্রোঞ্জের ভেনাস।

    মৃত্যুর মতো ঠান্ডা স্তব্ধতা। নিশ্বাস বন্ধ করে দাঁড়িয়ে আছে অয়ন। শুধু লাইব্রেরির দেয়াল—ঘড়িটা সময়ের হৃৎপিন্ডে একটানা ঘা দিয়ে চলেছে।

    একটু পরেই লাইব্রেরিতে নিঃশব্দে ঢুকে এল ছায়ামূর্তি। হাতের মুঠোয় সেই চকচকে জিনিসটা। সতর্কভাবে এদিক ওদিক চাইতে লাগল।

    আর ভাববার সময় নেই। আচমকা হাত বাড়িয়ে সুইচ টিপে দিল অয়ন, আর চোখের নিমেষে ব্রোঞ্জের ভেনাসটা তুলে নিয়ে সজোরে আঘাত করলে ছায়ামূর্তির ডান হাতের কব্জিতে। প্রচণ্ড শব্দে রিভলভারটা ছিটকে পড়ল। চিতাবাঘের মতো ঝাঁপিয়ে পড়ে সেটা কুড়িয়ে নিলে অয়ন। তারপর সেটা নাচাতে নাচাতে চিবিয়ে চিবিয়ে বললে, গুড মর্নিং স্যার!

    অয়ন, তুমি!

    আজ্ঞে হ্যা, আপনি আসবেন জানতাম। তাই অভ্যর্থনার জন্যে অয়ন বোস হাজির।

    বাঁ হাতের ডান কব্জি চেপে ধরে নীলাদ্রি গুপ্ত তখন সোফায় বসে পড়েছে।

    রিভলভারের মুখ তার দিকে রেখে অয়ন পিছু হেঁটে ঘর থেকে বেরিয়ে এল। বললে, খেলা আপনার শেষ গুপ্তসাহেব। হীরা সিং আসা অবধি এইখানেই বিশ্রাম করুন।

    লাইব্রেরি ঘরের দরজার হুড়কোটা বাইরে থেকে টেনে দিলে অয়ন। করিডরে আলো জ্বলছে। জাফর আলি, বাবুর্চি, আয়া ভীত মুখে দাঁড়িয়ে। অয়ন আর দাঁড়াল না, লালীর ঘরের দিকে ছুটল।

    ভেজানো দরজা ঠেলে ঢুকতেই অয়নের দম আটকে এল। তাড়াতাড়ি বাজি জ্বালতেই দেখা গেল, বিছানায় লালী চোখ বুজে শুয়ে, আর খাটের ঠিক নিজেই স্টপ কক লাগানো একটা বড় কাচের জার। তারই মুখ দিয়ে হালকা সবুজ ধোঁয়ার কুণ্ডলী বদ্ধ ঘরের বাতাসকে ভারী করে তুলেছে।

    কেমিস্ট্রি—পড়া অয়নের বুঝতে বাকি রইল না যে, এ হচ্ছে বিষাক্ত ফ্লোরিন গ্যাস। তৎক্ষণাৎ সে কাচের পাত্রটার স্টপ কক বন্ধ করে দিলে, খুলে দিলে বন্ধ জানলাগুলো। তারপর লালীর গায়ে ধাক্কা দিয়ে উদভ্রান্তের মতো ডাকলে, লালী। লালী। ওঠো।

    লালী আচ্ছন্নের মতো চোখ মেলে হাঁপাতে হাঁপাতে সাড়া দিলে, কি—কি হয়েছে অয়ন?

    কিছু না বলে অয়ন শক্ত দুই হাতে লালীকে তুলে নিয়ে ঘর থেকে বেরিয়ে গেল।

    .

    থানায় বসে হীরা সিং বললে, কমিশনার অফ পুলিশ তোমাকে কনগ্র্যাচুলেশন্স জানিয়েছেন।

    হাসি মুখে অয়ন বললে, সেটা আমার একার পাওনা নয়, অর্ধেক ভাগ তোমারও আছে হীরা সিং। আমি পেশাদার গোয়েন্দাও নই, শখের গোয়েন্দাও নই। যা করেছি, আমার ইন্সপেক্টর বন্ধুর জন্যেই।

    শুধুই কি বন্ধুর জন্যে। বন্ধুর চেয়েও যে আপন, তার জন্যেও কি নয়?

    অয়নের চঞ্চল চোখ শান্ত হয়ে এল। বললে, একথা অস্বীকার করব না। লালীকে বাঁচানোই আমার একমাত্র পণ ছিল।

    আচ্ছা অয়ন, তুমি কি করে জানলে যে, নীলাদ্রি গুপ্ত গত রাতে আবার আসবে লালী গুপ্তাকে খুন করতে?

    তা হলে গোড়া থেকে বলতে হয়!—অয়ন শুরু করলে, কপার টাউনের নীলাদ্রি গুপ্ত খুবই পপুলার ফিগার ছিল। আমি তার কাছে এতদিন কাজ করেছি—মেলামেশা করেছি, আমিও বুঝতে পারিনি অমন সুন্দর দেহের আড়ালে একটা নোংরা ক্রিমিন্যাল মন লুকিয়ে থাকতে পারে! লালীর বাবাও তাকে বুঝতে পারেননি, তাই অসঙ্কোচে তার হাতে মেয়েকে তুলে দিয়েছিলেন। বিয়ের পর নীলাদ্রি হয়তো লালীকে ভালোবাসতে পারত, কিন্তু গোল বাধাল কান্তা কালেলকর চাকরিতে এসে। কান্তা কি টাইপের মেয়ে, ধীরাজ ডাক্তারের মুখে আমরা শুনেছি। যৌন আবেদনের কাছে স্ত্রীর অনুরাগ আকর্ষণ ভেসে গেল। খেলাটা অবশ্য চলছিল খুবই গোপনে। কিন্তু সারা জীবনে তো লুকোচুরি চলতে পারে না। তাই নীলাদ্রি প্ল্যান করলে পথের কাঁটা লালীকে সরিয়ে ফেলতে। সেই চেষ্টাই সে করল একুশে জুলাইয়ের রাতে। ডন রিভাস পাকা স্মাগলার, বিষটা যে সে—ই আনিয়ে দিয়েছিল তাতে সন্দেহ নেই। কিন্তু নীলাদ্রির ব্যাড লাক—আশ্চর্যভাবে লালী বেঁচে উঠল। ভেস্তে গেল নীলাদ্রি—কান্তার সুখের প্ল্যান। ওদিকে নতুন বিপদ দেখা দিল দুই ব্ল্যাকমেলারকে নিয়ে—ধীরাজ ডাক্তার আর ডন রিভাস। অতএব বাঁচবার জন্যে নীলাদ্রি দুজনকেই খতম করে দিলে। ধীরাজ দাসের মোটর গাড়ির টাই—রড খুলে দিয়ে আর ডনকে আর্সেনিক মেশানো সিগারেট খাইয়ে। কিন্তু দু’দুটো খুনের পরেও নীলাদ্রি নিজে রইল পুলিশের ধরা ছোঁয়ার বাইরে। আমরা যখন ‘খুনি কে’ ভেবে মাথা ঘামিয়ে মরছি, সে তখন সকলের সন্দেহের বাইরে দিব্যি ঘুরে বেড়াচ্ছে! এমনই অসাধারণ চতুর সে।

    একটা সিগারেট ধরালে অয়ন। তারপর আবার বলতে লাগল, কিন্তু সব চাতুরির সীমা আছে—সব অপরাধের শেষ আছে। কান্তার একটা কথা আমাকে ধাক্কা দিয়েছিল—ডনকে সে ক্ষোভের সঙ্গে বলেছিল, ‘কে জানত, ডাইনিটা মরেও বেঁচে উঠবে। অগাধ টাকা হাতে এসেও এল না?’ হ্যাঁ, টাকার অঙ্কটা সত্যিই অগাধ, লালীর বাবা মেয়ের নামে সতেরো লাখ টাকা রেখে গেছেন। লালী মরলে সে—টাকায় কার অধিকার? একমাত্র নীলাদ্রি গুপ্তের। তবু স্পষ্ট সন্দেহ করতে পারলাম না। কেননা, তখনও নীলাদ্রির বাইরের খোলসটা নিখুঁত। স্ত্রী হয়ে লালী পর্যন্ত সন্দেহ করতে পারেনি। ভেবে—চিন্তে তোমাকে পাঠালাম কলকাতায় লালীর অ্যাটর্নি—কাকা অর্ধেন্দু রায়চৌধুরির কাছে। তুমি ফিরে এসে বললে, একুশে জুলাইয়ের দুর্ঘটনার এক সপ্তাহ বাদেই নীলাদ্রি অর্ধেন্দুবাবুর কাছে গিয়েছিল সাকসেশন সার্টিফিকেট সম্পর্কে।

    অর্ধেন্দুবাবু সন্দেহবশত লালীর বিষয় কিছু না জানিয়েই ব্যাপারটা চেপে রাখেন। এই খবরটা পেয়ে আমার মনে এই প্রথম সন্দেহ মাথাচাড়া দিয়ে উঠল। কোন স্বামী স্ত্রী মারা যাবার সাত দিনের মধ্যেই টাকার জন্যে এত ব্যস্ত হয়ে ওঠে? সন্দেহ হলেও নীলাদ্রিকে তখনও খুনি বলে ভাবতে পারিনি। কিন্তু—

    অয়নের মুখে যেন ঘনঘটা করে এল। একটু থেমে বললে, কিন্তু ডন রিভাসের খুন আমার চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল খুনিকে। বিচিত্রা স্টোর্সে খোঁজ করে আমি জানতে পারলাম, খুনের দিন সকালে নীলাদ্রি গুপ্তর ড্রাইভার ‘ক্রেভেন এ’ সিগারেট কিনে নিয়ে গেছে। তোমাকে বলেছিলাম হীরা সিং ‘বেশি বুদ্ধিমান লোকেরাই মারাত্মক ভুল করে বসে’। নীলাদ্রি ভেবেছিল, ডনকে আমার ব্যান্ডের সিগারেট খাইয়ে খুনের সন্দেহটা আমারই ওপর ফেলবে, কিন্তু এইখানেই ভুল হত তার। ‘ক্রেভেন এ’র বদলে কোনো সস্তা দামের চালু সিগারেট কিনলে নীলাদ্রির ড্রাইভারের কথা দোকানির মনে থাকেত না। কত লোকেই তো কেনে। নিঃসন্দেহ হলামা নীলাদ্রিই ডন রিভাসকে শেষ করেছে। এ—কথা তোমাকে বলে নীলাদ্রিকে তখনই অ্যারেস্ট করাতে পারতাম, কিন্তু আমি চেয়েছিলাম তাকে হাতে—হাতে ধরতে। একটা কথা স্পষ্টই বোঝা গেল হীরা সিং, লালী গুপ্তা বেঁচে উঠলেও খুনি সহজে হাল ছাড়বে না। সতেরো লাখ টাকার লোভ সামলানো কি সহজ কথা? বুঝলাম, ডন রিভাসের পরে আবার লালীর পালা। হলও তাই। লালীর কাছে যখন শুনলাম, রাতের অন্ধকারে কে একজন এসে তার শোবার ঘরের দরজা ঠেলেছে—জানলার সার্শিতে ছায়া ফেলেছে, আমার ধারণা হল সে নীলাদ্রি ছাড়া কেউ নয়। তার দিল্লি যাওয়ার কথাটা ভুয়ো—একটা জোরালো অ্যালিবাই খাড়া করার মতলব। আমার নিশ্চিত ধারণা হল, কাল সে ফিরে গেছে, আজ আবার সে আসবে। আগামী কাল দিল্লী থেকে তার বাড়ি ফেরার দিন—আজই রাতে তাকে আসতে হবে শেষ চেষ্টা করতে। লালী তার শেষ শিকার! জাফরের সঙ্গে কথা কয়ে বুঝতে পারা গেল, গারাজ ঘরের তালার ডুপ্লিকেট চাবি নিশ্চয় নীলাদ্রির কাছে আছে। তাই তার আসাকে সহজ করার জন্যে জাফরকে গারাজ ঘরের দরজায় অন্য তালা লাগাতে মানা করলাম আর লালীকে বললাম, ঘরের দরজা ভেজিয়ে রাখতে। তারপর—তারপর লাল—নীলের খেলা কি করে শেষ হল আগেই বলেছি।

    একটা নতুন সিগারেট ধরালে অয়ন। জিজ্ঞেস করলে, কান্তা কোথায়?

    লক—আপে।

    হীরা সিং প্রশ্ন করলে, লালী গুপ্তা কেমন আছেন?

    ভাল। ফ্লোরিন গ্যাস বড় বিষাক্ত। আরেকটু দেরি হলে বড্ড বিপদ হয়ে যেত।

    .

    ঝাউবনী বেড়াতে এসে কপার টাউনের রহস্য—নাটক আপনি তো নিজেই দেখলেন। দেখলেন কপার টাউনের বাইরে যত আলো, ভেতরে তত কালো। দেখলেন মানুষের সভ্যতা কোন পথে চলেছে।

    ঝাউবনী থেকে ফিরে যাবার আগে চলুন শেষবারের মতো একবার শিলাই নদীর ধারে যাই। যেখানে পাইন জঙ্গলের ঠান্ডা ছায়ায় শুকতো পাতার নরম পুরু গদির ওপর চুপচাপ বসে আছে অয়ন আর লালী। আকাশ আজ বড় বেশি নীল, শরতের রোদ বড় বেশি সোনালি।

    অনেকক্ষণ ওরা পাশিপাশি বসে আছে। অনেকক্ষণ চুপচাপ। একমুঠো শুকনো পাতা কুড়িয়ে হাওয়ায় উড়িয়ে দিলে লালী। তারপর বললে, ওই পাতাগুলোর মতো জীবনের গতি তিন বছর উড়িয়ে দেওয়া যায় না অয়ন? মুর্শিদাবাদের সেই দিনগুলোতে আবার ফিরে যাওয়া যায় না?

    অয়ন বললে, কি হবে ফিরে গিয়ে?

    জীবনটাকে নতুন করে শুরু করা যেত। সেদিন তোমাকে যা দেওয়া হয়নি, আমার মনের সেই ঋণ শোধ করতাম।

    অয়ন হাসলে। মুর্শিদাবাদের সেই কিশোরের হাসি। বললে, তোমার কাছে আমার তো কোনো চাহিদা নেই লালী। কোনোদিন ছিলও না। তবে আজ একটা জিনিস চাইবার আছে।

    কি অয়ন?

    ছুটি।

    ছুটি। কেন চাইছ?

    অয়ন হাসি মুখে বললে, আমার মধ্যে একটা চিরকালের বেদে আছে। পাছে নিজের কামনায় নিজেই জড়িয়ে পড়ে, সেই ভয়ে সে পালাতে চায়। একদিন মুর্শিদাবাদ থেকে পালিয়েছিল, আজ আবার পালাতে চাইছে।

    স্তব্ধ হয়ে লালী চেয়ে রইল কিছুক্ষণ। আইভরি—গাল বেয়ে ফোঁটায় ফোঁটায় জল নামল। তারপর বললে, না অয়ন, ছুটি তোমাকে দিতে পারব না। জীবনের কতটা পথ আমার বাকি কে জানে! একা একা চলতে আর সাহস হয় না। আমার প্রাণটা যখন বাঁচিয়েছ, তখন কথা দাও আমার পাশে তুমি থাকবে?

    চুপ করে রইল অয়ন।

    হাতখানা বাড়িয়ে দিয়ে লালী বললে, কথা দাও।

    একখানা বলিষ্ঠ হাতের মুঠিতে আরেকটি দুর্বল হাত আশ্রয় খুঁজে পেল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদেরি হয়ে গেছে – প্রচেত গুপ্ত
    Next Article মহাভারতের মহারণ্যে – প্রতিভা বসু
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }