Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দশটি রহস্য উপন্যাস – প্রণব রায়

    প্রণব রায় এক পাতা গল্প1004 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    চৈতি বাঈয়ের মামলা – ২

    দুই

    লক্ষ্নৌ পুলিশের বড়কর্তা জ্যাকসন সাহেব সুমনকে দেখে হৃষ্ট হলেন। বললেন, আমাদের আলাপ না থাকলেও আমি তোমাকে জানি। তোমার বাবা লেট পাবলিক প্রসিকিউটার সদাশিব চৌধুরি আমার অন্তরঙ্গ বন্ধু ছিলেন। তুমি একজন বাডিং ব্যারিস্টার, সে খবরও আমি রাখি। হাসান মার্ডার কেসটায় তুমি জিতেছ বলে আমি কত খুশি হয়েছি জানো?

    সবিনয়ে সুমন বললে, আপনার কথায় আমি গর্ব বোধ করছি। কিন্তু পুলিশ হেরে যাওয়ায় আপনি খুশি হলেন কেন বুঝতে পারছি না।

    দরজা গলায় জ্যাকসন সাহেব হাসলেন। বললেন, মামলায় হেরে যাওয়াটা পুলিশের লজ্জা নয়। কোনো নির্দোষ যদি অযথা শাস্তি পায়, সেটাই লজ্জার কথা। হাসান মার্ডার কেসে আসামিকে নির্দোষ প্রমাণ করে পুলিশকে তুমি সেই লজ্জা থেকে বাঁচিয়েছ।

    আপনি মহৎ।

    এটা মহত্বের কথা নয়, নীতির কথা।—যাকগে, তোমার জন্যে আমি কি করতে পারি ইয়ংম্যান?

    এই লক্ষ্মৌ শহরে পুলিশ এক বাঈজিকে খুনের দায়ে গ্রেপ্তার করেছে আপনি জানেন নিশ্চয়?

    জ্যাকসন সাহেব বললেন, তুমি কি চৈতি বাঈয়ের কথা বলছ?

    সুমন ঘাড় নাড়লে।

    জ্যাকসন আবার প্রশ্ন করলেন, এই মামলায় তুমি কি ইন্টাররেস্টেড? ডিফেন্ড করবে?

    সুমন বললে, ইচ্ছে তাই, যদি আপনার সাহায্য পাই!

    কিভাবে সাহায্য চাও বলো?

    এই খুন সম্পর্কে পুলিশ যা রিপোর্ট দিয়েছে, তাই জানতে চাই।

    তামাকের পাইপটা দাঁতে কামড়ে জ্যাকসন কয়েক মুহূর্ত গম্ভীর হয়ে রইলেন। তারপর বললেন, পুলিশের রিপোর্ট পুলিশ ছাড়া অন্য কাউকে জানানো নিয়মবিরুদ্ধ। হাউ এভার, বন্ধুর ছেলে হিসেবে তোমাকে বলতে আমার আপত্তি নেই।

    সেটা আমার সৌভাগ্য।—সুমন বললে।

    জ্যাকসন সাহেব চৈতি বাঈয়ের ফাইল আনালেন। সেটা দেখে যা বললেন, সংক্ষেপে তা এই:

    গত ২১শে জুলাইয়ের রাতটা ছিল ঝড়—বৃষ্টির রাত। লক্ষ্নৌ শহরে এতখানি দুর্যোগ এ—বছরে আর হয়নি। বিকেল থেকেই ঝোড়ো হাওয়া দিচ্ছিল, সন্ধের পর নামল মুষলধারে বৃষ্টি। রাত সাড়ে দশটায় থানায় টেলিফোন বেজে উঠল ঝনঝন শব্দে। টেলিফোন ধরতেই শোনা গেল পুরুষের গলা। বললে, গোল—দরওয়াজায় সোহিনী বাঈয়ের বাড়িতে এইমাত্র একটা খুন হয়েছে। এখুনি আসুন।

    থানার অফিসার জিজ্ঞেস করলে, আপনি কে? কোত্থেকে ফোন করছেন?

    জবাবে শুধু লাইন কাটার আওয়াজ শোনা গেল।

    গোল—দরওয়াজা হচ্ছে লক্ষ্নৌর বাঈজি—মহল্লা। সোহিনী বাঈ সেখানকার নাম—করা বাঈজী। পুলিশ যথারীতি সেখানে গেল সেই দুর্যোগ মাথায় করে। গিয়ে দেখে সারা বাড়ি অন্ধকার। মেনসুইচ কে যেন অফ করে দিয়েছে। পুলিশ আলো জ্বাললে। নিচের তলায় সিঁড়ির মুখে আধাবয়সী চাকর রামু হতভম্ব হয়ে বসেছিল! পুলিশের প্রশ্নে সে বললে, টেলিফোন সে করেনি, তবে এ বাড়িতে খুন হয়েছে সত্যি। বৃষ্টির রাত বলে সকাল—সকাল খাওয়া—দাওয়া সেরে নিচের তলায় নিজের ঘরে সে ঘুমোচ্ছিল, হঠাৎ দোতলা থেকে পিস্তলের আওয়াজে তার ঘুম ভেঙে যায়। তাড়াতাড়ি সে দোতলায় উঠে দেখে—

    রামু শিউরে উঠে থেমে গেল।

    রামুকে সঙ্গে নিয়ে পুলিশ দোতলায় উঠল। কেউ কোথাও নেই। বারান্দার মাঝামাঝি মাইফিল—ঘর। সেখানে পা দিতেই পুলিশ দেখল, দামি জাজিম—পাতা ফরাসের ওপর বছর তিরিশের এক সুদর্শন যুবা মুখ থুবড়ে পড়ে আছে। খোলা চোখ—দুটিতে তখনও আতঙ্কের ছায়া। গাঢ় রক্তে জাজিমটার অনেকখানি ভিজে গেছে। পুলিশ পরীক্ষা করে দেখলে, প্রাণের কোনো চিহ্ন নেই যুবকটির দেহে।

    পাশে পড়ে রয়েছে ছোট একটা রিভলভার। ছ’টা টোটার মধ্যে একটা নেই।

    রামু এবং আশপাশের বাঈজি—বাড়ি থেকে জানা গেল যে, বছর খানেক হল সোহিনী বাঈ মারা গেছে। তার মেয়ে চৈতি বাঈয়ের আপনার লোক বলতে আর কেউ ছিল না। মায়ের মৃত্যুর পর পুরোনো চাকর রামু, দাঈ ঝুলনিয়া আর সারেঙ্গিওয়ালা রংলালকে নিয়ে সে—এ বাড়িতে বাস করছিল। মুজরো সে কালেভদ্রে করত, কিন্তু জয়প্রকাশ বলে একটি শৌখিন ছোকরার প্রায়ই আসা—যাওয়া ছিল এখানে। রামু এবং প্রতিবেশীরা মৃতদেহ জয়প্রকাশেরই বলে শনাক্ত করল।

    ঘটনার দিন দুপুরবেলা দাঈ ঝুলনিয়া মকবুলগঞ্জে তার ননদিয়ার সাথে দেখা করতে গিয়েছিল। সম্ভবত ঝড়—বৃষ্টির জন্যেই সে ফিরতে পারেনি। বাড়িতে ছিল শুধু…একতলায় রামু, আর দোতলায় চৈতি বাঈ।

    রংলাল?—সুমন প্রশ্ন করলে।

    জ্যাকসন বললেন, রংলালের প্রশ্নই ওঠে না। ঘটনার হপ্তাখানেক আগে রংলাল এলাহাবাদ গিয়েছিল। গঙ্গা—যমুনার সঙ্গমের কাছে সে পাড় ভেঙে ডুবে মারা যায়। সুতরাং, খুনের সময় বাড়িতে ছিল কেবল রামু আর চৈতি বাঈ। রামুকে পাওয়া গেল, কিন্তু চৈতি বাঈ? সারা বাড়ি, সারা মহল্লা তন্নতন্ন করে খুঁজেও তার পাত্তা পাওয়া গেল না।

    সেই তুফানের মধ্যেও চৈতি বাঈ ফেরার!

    জানা গেল, রিভলভারটা চৈতি বাঈয়ের। তাছাড়া, রিভলভারে পাওয়া গেল তারই আঙুলের ছাপ। পুলিশ সন্ধান শুরু করলে। লক্ষ্নৌ থেকে বেরিলি, বেরিলি থেকে চন্দনচৌকি। তারপরের ঘটনা তোমার জানা।

    জ্যাকসন থামলেন। বন্ধ করলেন ফাইলটা।

    সুমন বললে, দু—একটা প্রশ্ন করতে চাই, যদি অনুমতি দেন।

    স্বচ্ছন্দে।

    খুনের রাতে থানায় কে টেলিফোন করেছিল, পুলিশ জানতে পেরেছে কি?

    না। শুধু জানতে পেরেছে যে একটা পাবলিক টেলিফোন বুথ থেকে ফোন করা হয়েছিল।

    গলার আওয়াজ থেকে অনেকসময় বয়স অনুমান করা যায়। তাই নয় কি?

    রাইট। কিন্তু এ ক্ষেত্রে তা সম্ভব হয়নি। কেননা, গলার আওয়াজটা ছিল ভাঙা ভাঙা।

    ও! আচ্ছা, পুলিশ চৈতি বাঈয়ের ডেরা তল্লাশি করে রিভলভার ছাড়া আর কিছু পেয়েছে?

    সন্দেহজনক একটা মাত্র জিনিস পেয়েছে।

    সেটা কি?

    কতকগুলো ছোঁড়া কাগজের টুকরো। ঝোড়ো—হাওয়ায় ঘরময় উড়ছিল। সেগুলো সংগ্রহ করে জোড়া লাগিয়ে দেখা গেছে, সেটা একখানা টাইপ—করা দানপত্র।

    দানপত্র! কে কাকে দান করছে?

    চৈতি বাঈ তার যাবতীয় সম্পত্তি জয়প্রকাশকে দিয়ে দিচ্ছে। তলায় চৈতির সই। সইটা অবশ্য সম্পূর্ণ হয়নি।—আর কোনো প্রশ্ন আছে?

    না। আপনার অনেকটা সময় নষ্ট করলাম, মাপ করবেন।

    দরজা গলায় আবার হেসে জ্যাকসন বললেন, নষ্ট কিছু নয়, তোমার কাজে লাগতে পেরে আমি খুশি হয়েছি ইয়ংম্যান। দরকার হলে আবার এসো।

    ধন্যবাদ জানিয়ে সুমন উঠে পড়ল।

    .

    রাজু বললে, গিরিজায়ার সায়া—পরা কন্যা বেশ মায়া ছড়িয়েছে দেখছি! তা নইলে এমন কাঠখোট্টা মানুষ হয়ে একটা বাঈজির কেসে তুই ফেঁসে গেলি ইয়ার!

    রাজু ওরফে রাজীব চাটুজ্যে সুমনের বাল্যবন্ধু। বংশানুক্রমে ওরা লক্ষ্নৌ শহরের বাঙালি রহিশ। রাজুর আমলে অবস্থা পড়তি। তবু বনেদি শৌখিনতাটুকু এখানে তার সাজপোশাকে বর্তমান। একটা লম্বা ঝুল—ঝাড়া বাঁশকে চুড়িদার পায়জামা, কল্কাদার পাঞ্জাবি আর ঝাঁকড়া মাথায় আদ্দির টুপি পরালে যেমন দেখতে হয়, রাজুকে দেখতে অবিকল তেমন।

    সুমনের সঙ্গে সেও একসময় আইন পড়তে শুরু করেছিল, কিন্তু দেখা গেল আইন—চর্চার চেয়ে নাটক—চর্চার প্রতি তার ঝোঁক বেশি ফলে আইন পড়তে পড়তে রাজু নাট্যকার হয়ে উঠল। বাপের পয়সা দু—হাতে খরচ করে একটা শখের দলও বানিয়ে ফেলল। মহাসমারোহে একটা পাবলিক হল ভাড়া নিয়ে শুরু হয়ে গেল, দি গ্র্যান্ড মুনলাইট থিয়েটার। বলা বাহুল্য নাটকগুলি তার নিজের লেখা। কিন্তু বছর খানেক যেতে না যেতেই মুনলাইট থিয়েটার রেড লাইট জ্বালল।

    রাজু কিন্তু দমল না। বললে, জিনিয়াসের লক্ষণই এই। পাবলিক আমার নাটক এখন বুঝল না, পরে বুঝবে।

    সুমন বললে, খুব হয়েছে। বাপের পয়সা তো শেষ করে এনেছিস, এবার একটা চাকরি কি ব্যবসা কর।

    রাজু শুধু বললে, চ্ছোঃ!

    থিয়েটারের শ্বেতহস্তী পোষার খরচটা অতঃপর বাঁচল বটে, কিন্তু নাটক লেখা রাজু ছাড়ল না। আর, রাজুকে ছাড়ল না সুমন। রাজু লোকটা দিলদার, আমুদে আর রসিক। হয়তো সেই কারণেই সুমন তাকে পছন্দ করে।

    হজরতগঞ্জে সুমনের বাড়ি। বিকেলবেলা কফির পেয়ালা নিয়ে দুই বন্ধুতে কথা হচ্ছিল। সুমনের লাইব্রেরিতে বসে।

    রাজু বললে, শান্তিলতা ওরফে চৈতি বাঈয়ের কেস নিয়ে খাসা নাটক হয় ইয়ার! কিন্তু একটা তয়ফাউলির কেসে তুই ফেঁসে গেলি! তাজ্জব!

    একটা ল—জার্নাল ঘাঁটতে ঘাঁটতে সুমন বললে, কেসই এখনো শুরু হয়নি, আর তুই বলছিল ফেঁসে গেলাম!

    রাজু সুমনের টিন থেকে ফস করে একটা সিগারেট ধরিয়ে ফেললে। তারপর গম্ভীর হয়ে বললে, ফেঁসে হয়তো এখনো যাসনি, কিন্তু যাবি।

    যাব?

    আলবাৎ।

    সুমন কৌতুকবোধ করলে। বললে, কি করে বুঝলি?

    আমি হলাম ঝানু নাট্যকার, আমি বুঝব না? ফুঃ করে একমুখ ধোঁয়া ছাড়লে রাজু। ছেড়ে বললে, গোধূলিয়া পাহাড়ে যে নাটক শুরু হয়েছে, তার ফর্মুলা কি জানিস? তবে শোন। পয়লা অ্যাক্টে হিরোইন মরতে যাচ্ছিল, হিরো বাঁচাল। দোসরা অ্যাক্টে হিরো মরতে যাবে, হিরোইন বাঁচাবে। আর লাস্ট অ্যাক্টে দুজনে মরতে যাবে নাট্যকার বাঁচাবে।

    উচ্চচকণ্ঠে হেসে উঠল সুমন। হাসতে হাসতেই বললে, শাবাশ নাট্যকার! কিন্তু তার আগে হিরোইনকে ফাঁসিকাঠ থেকে বাঁচাতে হবে যে!

    বাঁচাতে হয়, তুই ব্যারিস্টার মানুষ, তুই বাঁচা।

    বাঁচা বললেই কি বাঁচানো যায়? জটিয়াবাবা বিস্তর জট পাকিয়েছে, সে জট ছাড়াতে হবে।

    ছাড়া।—রাজু এমনভাবে বলল, ব্যাপারটা যেন পায়জামার দড়ি খোলার মতো সহজ কাজ।

    সুমন এবার গম্ভীর হয়ে বললে, তোকে আমার দরকার রাজু।

    রাজু সোজা হয়ে বসল: আমাকে! বলিস কি!

    থিয়েটারের দৌলতে লক্ষ্নৌ শহরের অনেক ঘাঁটিই তো তোর জানা?

    তা জানা বইকি! বাপের ক্যাশ উড়িয়ে অনেক ঘাটের জলই টেস্ট করে দেখেছি ইয়ার!

    গোল—দরওয়াজার খবর রাখিস?

    এককালে রাখতাম। এখন চামেলি আতরের দর চাল্লিশ, আর হোয়াইট লেবেলের দর পঞ্চাশ! খবর রাখব কি করে ইয়ার?

    আমাকে একদিন নিয়ে যাবি?

    রাজু সোজা হয়ে বসেছিল, এবার সোজা দাঁড়িয়ে উঠল বললে, তুই যাবি! গোল—দরওয়াজায়! কেন মজাক ওড়াচ্ছিস ইয়ার?

    মিটিমিটি হেসে সুমন বললে, কেন, আমার শখ হতে নেই? নিয়ে যেতে পারবি কিনা বল।

    তা আর পারব না?—রাজু সোৎসাহে বলে উঠল, খুব পারব। গোল—দরওয়াজা কেন, জাহান্নমের দরওয়াজা অবধি এগিয়ে দিতে পারব। কবে যাবি বল?

    সময় মতো বলব।

    ঠিক আছে। চলি।

    দু’পা এগিয়েই রাজু ব্যস্ত হয়ে ফিরে এল : ইস, বড্ড ভুল হয়ে গেছে! দশটা টাকা হবে?

    হেসে ফেললে সুমন। তাকে দেখলে এই বিশেষ ভুলটা রাজুর প্রায়ই হয়। একটা দশ টাকার নোট বের করে বললে, সন্ধের খরচটা আজ শর্ট পড়েছে বুঝি? থিয়েটার ছাড়লি, আর ওটা ছাড়তে পারলি না?

    পারতাম। কিন্তু পাছে সন্নেসি হয়ে যাই, সেই ভয়ে ছাড়িনি।

    নোটখানা পকেটে পুরো রাজু চলে গেল।

    আবার ফিরে এল তক্ষুনি। বললে, এক বিধবা বুড়ি তোকে খুঁজছে ইয়ার। গিরিজায়া না কি—

    হতে পারে। পাঠিয়ে দে।

    গিরিজায়া এলেন। উদ্বিগ্ন গলায় প্রশ্ন করলেন, শান্তি কেমন আছে বাবা?

    যেমন দেখেছিলেন, তেমনই।—সুমন জবাব দিলে।

    ও কি তাহলে পাগল হয়েই থাকবে?

    সেটা ডাক্তারে বলতে পারে। আমি শুধু এইটুকু বলতে পারি যে আপানার মেয়ে সেরে না উঠলে, মামলা শুরু হবে না।

    গিরিজায়া আস্তে আস্তে তাঁর আঁচলের গেরো খুলতে লাগলেন। বেরোল সেকেলে একজোড়া মকরমুখো বালা। সুমনের সামনে বালাজোড়া রেখে গিরিজায়া কুণ্ঠিতভাবে বললেন, এছাড়া আমার আর কিছুই নেই বাবা। এ দু’গাছা রেখেছিলাম শান্তির বিয়ের জন্যে। মামলা যখন শুরু হবে, তখন কাজে লাগিও।

    নরম গলায় সুমন বললে, এ দুটো এখন আপনার কাছেই থাক। দু’—একটা কথা জিজ্ঞেস করি আপনাকে।

    বলো।

    আপনার সখী সোহিনী বাঈ বাঈজি ছিলেন, একথা আপনি জানতেন?

    বাঈজি ছিল! সোহিনী! না, না।

    পুলিশের রিপোর্ট তাই জানা গেছে। বড় হয়ে আপনার মেয়েও ওই পেশা নিয়েছিলেন, তাও জানা গেছে।

    গিরিজায়া যেন মূর্ছা গেলেন। মূর্ছাহতের মতোই বিড়বিড় করে বললেন, আমি কিছুই জানিনে বাবা। সোহিনীও আমাকে কোনোদিন জানতে দেয়নি, শান্তিও না। কিন্তু—

    গিরিজায়ার রেখাবহুল মুখখানা কঠোর হয়ে উঠল। যেন জ্বলে উঠল স্তিমিত চোখদুটো। কঠিন গলায় বললেন, তবে আর কেন? আমি ফিরেই যাই বাবা। শান্তির ফাঁসি হয়ে গেলে আমায় খবর দিও।

    বালাজোড়া তুলে নিয়ে গিরিজায়া বেরিয়ে যাচ্ছিলেন, সুমন ডাকলে, দাঁড়ান। গিরিজায়া থামলেন।

    শান্ত গম্ভীর গলায় সুমন বললে, অপরাধটা কার বেশি বলতে পারেন? যে—মেয়ে অবস্থার ফেরে বাঈজি হয়ে যায়, না যে—মা টাকার বদলে বাঈজির ঘরে মেয়ে বেচে দেয়?

    স্তব্ধ হয়ে রইলেন গিরিজায়া। একটু পরে বললেন, বয়সে আমি তোমার মায়ের মতো না হলে মাপ চাইতাম। হোক বাঈজী, তবু তো পেটের মেয়ে। কথা দাও বাবা, ওকে তুমি বাঁচাবার চেষ্টা করবে!

    কথা দিলাম।

    ঝরঝর করে কেঁদে ফেললেন গিরিজায়া।

    .

    কাঁটায় কাঁটায় দশটার সময় ডক্টর কেশকার এসে ঢুকলেন জ্যাকসন সাহেবের ঘরে।

    সুমনও অপেক্ষা করছিল।

    জ্যাকসন প্রশ্ন করলেন, আসামিকে কেমন দেখলে ডক্টর?

    পুলিশ হাজতে রয়েছে চৈতি বাঈ। আজ দু—দিন দু—রাত খায়নি। কথাবার্তাও বলেনি কারো সঙ্গে। মাঝে মাঝে শুধু দুঃস্বপ্নের ঘোরে চিৎকার করে উঠেছে, ছোড় দো মুঝে—ম্যরণে দো! ডক্টর কেশকার এইমাত্র তাকে দেখে ফিরেছেন। বললেন, কেসটা সহজ বলে মনে হয় না। স্নায়ুতে আঘাত লেগে মস্তিষ্ক ঠিকমতো কাজ করছে না, ফলে পূর্বস্মৃতি লোপ পেয়েছে, আর বর্তমানের আতঙ্কটাই পেয়ে বসেছে। রীতিমতো চিকিৎসা দরকার।

    জ্যাকসন চিন্তিত হলেন। বললেন, তাহলে আসামিকে মেন্টাল হসপিটালেই পাঠানো যাক, কি বলেন?

    রাইট!—ডক্টর বললেন।

    সুমন একটু নড়ে বসল। কাশল একটু। তারপর নম্রভাবে বললে, মাপ করবেন, আমি একটা কথা বলতে পারি?

    ইয়েস।

    ডক্টর ও জ্যাকসন উভয়েই তাকালেন সুমনের দিকে।

    চৈতি বাঈকে হসপিটালের বদলে আর কোথাও রাখলে কেমন হয়?

    কোথায়? জ্যাকসন প্রশ্ন করলেন।

    ধরুন কোনো নির্জন জায়গায়, কোনো ফাঁকা বাড়িতে, যেখানে গিয়ে ডক্টর কেশকার চিকিৎসা করতে পারবেন।

    তীক্ষ্ন চোখে তাকালেন জ্যাকসন। বললেন, তোমার এ প্রস্তাবের কারণ?

    বিলেতে এ ধরনের একটা কেস দেখার সুযোগ আমার হয়েছিল। যে মানসিক রোগীকে হসপিটালে রেখে ফল পাওয়া যায়নি, তাকে লন্ডনের বাইরে একটা নিরিবিলি গ্রামে আলাদা রেখে খুব তাড়াতাড়ি ফল পাওয়া গেল।

    তাই নাকি?

    এই ক’দিন হাজতে আসামিকে দেখতে গিয়ে আমি লক্ষ করেছি, লোকজন দেখলেই—বিশেষ করে পুলিশ দেখলেই ও ভয় পায়, ওর মনের বিকার বেড়ে যায়। তাই আমার মনে হয়, হসপিটালে আর পাঁচটা রোগীর সঙ্গে না রেখে, বাইরে কোনো শান্ত নির্জন পরিবেশে রাখলে ওর মনের সুস্থতা ফিরে আসতে পারে। আপনি কি বলেন ডক্টর?

    কেশকার বার দুই—তিন নীরবে মাথা নাড়লেন। তারপর তাঁর ফরাসি ধাঁচের দাড়িতে হাত বুলিয়ে বললেন, রাইট! রাইট! পরিবেশের বদলই অসুস্থ মনের প্রথম এবং প্রধান চিকিৎসা। কেবলমাত্র পরিবেশ বদলের ফলে মন বদলে গেছে, এমন নজিরও দেখা যায়।

    জ্যাকসন বললেন, ওয়েল ডক্টর, তোমারও যখন এই অভিমত, তখন রোগীকে লক্ষ্নৌ শহরের বাইরেই কোথাও রাখার ব্যবস্থা করা যাক। অবশ্য এমন দূরে নিশ্চয় নয়, যেখানে রোগী দেখতে যাওয়া তোমার পক্ষে অসুবিধাজনক।

    সুমন বললে, কিন্তু চৈতি বাঈকে যেখানেই রাখা হোক না কেন, তার চোখের সামনে পুলিশ—পাহারা রাখা ঠিক হবে না।

    হোয়াট! পুলিশ—পাহারা রাখা চলবে না! তা কেমন করে সম্ভব? (জ্যাকসন সাহেবের ঘন ভুরু কুঁচকে উঠল) ভুলে যেও না ইয়ংম্যান, রোগী হলেও সে একটা খুনের আসামি।

    মৃদু হেসে সুমন বললে, আমি তো পুলিশ—পাহারা রাখা চলবে না বলিনি! বলেছি, তার চোখের সামনে রাখা চলবে না। আপনিও নিশ্চয় লক্ষ করেছেন যে পুলিশ দেখলেই চৈতি বাঈ শামুকের মতো নিজেকে নিজের মধ্যে গুটিয়ে নেয়। ওকে জানতে দেওয়া দরকার পুলিশ ওকে ছেড়ে দিয়েছে, ভয়ের কোনো কারণ নেই, তবেই হয়তো ওর মুখ থেকে কোনোদিন সত্য কথাটা আদায় করা সম্ভব হবে।

    তোমার কথায় যুক্তি আছে মনে হচ্ছে।—জ্যাকসন বললেন, আমি ভাবছি, আসামিকে বারাবাঁকিতেই কিছুদিনের জন্য পাঠিয়ে দেব। জায়গাটাও ভাল, লক্ষ্নৌ শহরের কাছাকাছিও বটে। বাড়ির বাইরে থাকবে পুলিশ, ভেতরে একজন আয়া ছাড়া আর কেউ না।

    আয়া নতুন না হয়ে রোগীর জানাচেনা কেউ হলেই ভাল হয়। ধরুন, চৈতি বাঈয়ের পুরোনো দাঈ ঝুলনিয়া—পুলিশ—এনকোয়ারিতে তার বিষয়ে কোনো সন্দেহজনক রিপোর্ট যদি পাওয়া না যায়, তাকেই রাখা ভাল। কেননা চেনা মুখ দেখলে রোগীর খানিকটা ভয় ভেঙে যেতে পারে।

    ঘাড় নেড়ে নেড়ে কেশকার বললেন, রাইট!

    জ্যাকসন বললেন, বেশ, সম্ভব হলে আসামির পুরোনো আয়াকেই রাখা হবে।

    কয়েক মুহূর্ত চুপচাপ থেকে সুমন বললে, ডিফেন্স কাউন্সেল হিসেবে আমার একটা আর্জি আছে মিস্টার জ্যাকসন।

    পাইপ ধরাচ্ছিলেন সাহেব, মুখ তুলে বললেন, সেটা কি?

    আসামি চৈতি বাঈকে বারাবাঁকিতে পাঠানোর পর মাঝে মাঝে আমি তার সঙ্গে দেখা করতে চাই। প্রয়োজন হলে প্রত্যহ।

    কেস তো এখনো কোর্টে যায়নি, এখন দেখা করতে চাও কেন?

    সুমন বলতে লাগল, এই খুনের পিছনে যে রহস্য রয়েছে, পুলিশও তা ভেদ করতে পারেনি। আর তা না পারলে মামলার সুবিচার করাও সম্ভব হবে না।

    কিন্তু চৈতি বাঈয়ের বিরুদ্ধে যথেষ্ট প্রমাণ রয়েছে।

    ধৃষ্টতা মাপ করবেন, প্রমাণটাই সব নয় মিস্টার জ্যাকসন। আপনিই সেদিন বলেছিলেন, কোনো নির্দোষ যদি শাস্তি পায় সেটাই পুলিশের লজ্জা, কিন্তু আসামি দোষী না নির্দোষ বোঝা যায় প্রমাণ থেকে নয়, আসামির মোটিভ থেকে। কেন খুন করেছে, (যদি সত্যিই করে থাকে) সেটাই বড় কথা। আর এই ‘কেন’ জানতে হলে আসামির মনের দরজা খুলে দেওয়া দরকার।

    কিন্তু তার আগে দরকার ওর পূর্বস্মৃতি ফিরিয়ে আনা।

    ঠিক। ডক্টর কেশকারের সাহায্যে আমি চৈতি বাঈয়ের স্মৃতির দরজা খুলতে চাই, তারপর মনের দরজা। হয়তো এ—কাজে সময় লাগবে। তবু আমি চেষ্টা করতে চাই। সে সুযোগ আপনি আমায় দিন, এই আমার আর্জি।

    জ্যাকসন নীরবে পাইপ টানলেন কিছুক্ষণ। লাল মুখখানা গাম্ভীর্যে থমথম করতে লাগল। তারপর মুখ থেকে পাইলটা সরিয়ে হাসিমুখে বললেন, অলরাইট ইয়ংম্যান, তোমার আর্জি মঞ্জুর হল। এই খুনের রহস্যের ওপর সত্যিই যদি আলো ফেলতে পারো, সবচেয়ে বেশি খুশি হব আমি।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদেরি হয়ে গেছে – প্রচেত গুপ্ত
    Next Article মহাভারতের মহারণ্যে – প্রতিভা বসু
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }