Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দশটি রহস্য উপন্যাস – প্রণব রায়

    প্রণব রায় এক পাতা গল্প1004 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বহুরূপী – ৬

    ৬

    থানা—পুলিশ বাদ দিয়ে কোনো গোয়েন্দা—গল্প তৈরি হয় না। সুতরাং আমার সঙ্গে আপনাদেরও আর একবার পার্ক স্ট্রিট থানায় যেতে হবে।

    অফিসার গুপ্ত পড়ছিলেন :

    গত সোমবার ইন্ডিয়া অ্যাসিওরেন্স কোম্পানিতে এক বিচিত্রি প্রতারণার কাণ্ড ঘটিয়া গিয়াছে। প্রায় মাসখানেক পূর্বে একজন প্রৌঢ় ভদ্রলোক একটি অল্পবয়স্কা বিধবা মহিলাকে সঙ্গে করিয়া উক্ত কোম্পানির জেনারেল ম্যানেজার মিঃ আয়ারের সহিত দেখা করে। ভদ্রলোকটি নিজেকে আসামের মৃত জমিদার জানকীনাথ চৌধুরির এস্টেটের ম্যানেজার ভূজঙ্গধর হাজারিকা বলিয়া পরিচয় দেয় এবং বলে যে, বিধবা তরুণীটি জমিদারের একমাত্র কন্যা অপর্ণা দেবী। মৃত জানকীনাথ চৌধুরির মৃত্যুর তিন বৎসর পূর্বে কন্যা অপর্ণার নামে উক্ত বিমা কোম্পানিতে পনেরো হাজার টাকা জীবনবিমা করিয়া যান। ভূজঙ্গধর ও অপর্ণা নামে পরিচিত সেই প্রৌঢ় লোকটি এবং বিধবা মহিলাটি যথারীতি বিমার পলিসি ও মৃত জানকীনাথের ডেথ—সার্টিফিকেট ম্যানেজারের নিকট দাখিল করিয়া বিমার দরুণ পনেরো হাজার টাকা দাবি করে। তাহারা গত সোমবার দিন কোম্পানির নিকট হইতে পনেরো হাজার টাকার চেক লইয়া সরিয়া পড়ে। ইহার অব্যবহিত পরে আর এক ব্যক্তি একটি বিধবা বয়স্কা মহিলাকে সঙ্গে লইয়া ম্যানজারের ঘরে প্রবেশ করে। তাহারও আপনাদিগকে ভূজঙ্গধর ও অপর্ণ দেবা বলিয়া পরিচয় দিয়া উক্ত টাকার দাবি জানায়।

    পড়া থামিয়ে অফিসার গুপ্ত বললেন, শুনছ বিশু? টেবিলের ওপর দেশলাইয়ের কাঠি সাজিয়ে বিশু নাড়াচাড়া করছিল। মুখ না তুলেই বললে বইকি, তারপর?

    অফিসার গুপ্ত আবার শুরু করলেন :

    তাহারা আরও বলে যে, মৃত জমিদারের ডেথ—সার্টিফিকেট

    ও বিমার পলিশি জমিদারির একজন পুরাতন কর্মচারী

    গোপীকান্ত আচার্যের মারফত ইতোপূর্বে পাঠাইয়া দিয়াছে

    এবং সেই মর্মে কোম্পানির নিকট হইতে প্রাপ্ত একখানা

    চিঠিও দেখায়। এই ব্যাপারে জেনারেল ম্যানেজার মিঃ

    আয়ার বিভ্রান্ত হইয়া পড়েন। এবং সঙ্গে সঙ্গে ব্যাঙ্কে ও

    পুলিশে ফোন করিয়া সমস্ত ঘটনা জানান।

    দেশলাইয়ের কাঠির দিকে চোখ রেখেই বিশু বললে, যাক, টাকাটা তাহলে মারা যায়নি।

    অফিসার গুপ্ত পড়ে যেতে লাগলেন :

    অনুসন্ধানে জানা যায় যে, তাঁহারাই প্রকৃত ভূজঙ্গধর ও

    অপর্ণা দেবী। কিন্তু প্রথম ব্যক্তিদ্বয় কে বা কি, তাহার

    সঠিক বিবরণ এখনো পাওয়া যায় নাই। ম্যানেজারের বর্ণনা

    হইতে জানা গিয়াছে যে, প্রথমোক্ত প্রৌঢ় ব্যক্তির চোখে

    চশমা, মুখে ছাঁটা গোঁফ, গলায় কম্ফর্টার এবং হাতে রূপা

    বাঁধানো একগাছা লাঠি ছিল। বয়স অনুমান পঞ্চাশের

    উপরে। তরুণী মহিলাটি অসামান্য রূপসী এবং সম্ভ্রান্ত

    দর্শনা। জোর তদন্ত—

    রমলা হঠাৎ স্বগত বলে উঠল, চোখে চশমা, মুখে ছাঁটা গোঁফ, গলায় কম্ফর্টার আর হাতে রূপা—বাঁধানো লাঠি!… লোকটিকে আমার দেখবার সৌভাগ্য হয়েছে বিশুদা।

    বিশু এবার মুখ তুলে সোজা হয়ে বসল : কোথায়?

    পরশুদিন আমাদের হোটেলের ন’নম্বর কামরায়—মানে, লালজির ঘরে। ভদ্রলোক বললেন, তিনি লালজির জ্যাঠামশাই।

    বিশু বললে, জ্যাঠামশাই?

    হ্যাঁ। কিন্তু আশ্চর্য, মিনিট দশ পনেরো বাদে আবার ঘরে গিয়ে দেখা গেল, জ্যাঠামশাই কর্পূরের মতো উবে গেছেন আর তার বদলে বেরিয়ে যাচ্ছে স্বয়ং লালজি!

    বিশু হেসে উঠল : লালজি তাহলে জ্যাঠা—ভাইপো দুই পুরুষের ভূমিকায় একসঙ্গে নেমেছে। বাহাদুর বলতে হবে। সত্যিই বহুরূপী বটে! কিন্তু জাল অপর্ণা দেবীটি কে? লালজির পার্টনার সেই রহস্যময়ী… আচ্ছা গুপ্ত, শুনেছি তোমাদের অপরাধ—তত্ত্বে বলে, অপরাধী পুরুষের প্রতি অপরাধ—প্রবণ মেয়েদের আকর্ষণ একটু বেশিই হয়ে থাকে। বহু ক্ষেত্রে গভীর ভালবাসাও জন্মায়। তা যদি হয়, তাহলে লালজির প্রতি সেই সুন্দরী রহস্যময়ীর গভীর আসক্তি থাকা স্বাভাবিক। নয় কি?

    বিরক্ত হয়ে অফিসার গুপ্ত বললেন, গোয়েন্দাগিরি ছেড়ে তুমি কি এবার প্রেমের গল্প লিখবে—

    অফিসারের কথা শেষ হল না! তার আগেই মোটাসোটা গলদঘর্ম এক ব্যক্তির ঝড়ের মতো প্রবেশ।

    নমস্কার দারোগাবাবু! দয়া করে একটা কেস লিখে নিন তো।

    ভুরু কুঁচকে অফিসার গুপ্ত বললেন, কে আপনি?

    পকেট থেকে সিল্কের রুমাল বার করে কপাল আর ঘাড় মুছতে মুছতে লোকটি বললে, আমার নাম শ্রীকুঞ্জবিহারী বিশ্বাস। কারবারি লোক, চিৎপুরে আমার তিসির আড়ত আছে। আমাকে ঠকিয়েছে মশাই! গালে চড় মেয়ে দশটি হাজার টাকা ঠকিয়ে নিয়েছে। যাকে বলে, ব্ল্যাকমেল!

    ব্যাপারটা কি? কে ঠকিয়েছে?

    লালামোহন মুখুজ্জে মশাই, কানপুরের গালার কারবারি। হারামজাদা এত বড় শয়তান, নিজের সুন্দরী বউটাকে লেলিয়ে দিয়ে—সে কি কেলেঙ্কারি মশাই! কি কুক্ষণেই যে গিয়েছিলাম তাদের বিয়ের তারিখে নেমন্তন্ন খেতে। এমন জানলে কোন সম্বন্ধি—

    অফিসার গুপ্ত ধমকিয়ে উঠলেন, থামুন। সমস্ত ব্যপারটা খুলে বলুন আগে।

    দশ হাজার টাকার মর্মান্তিক যন্ত্রণায় কুঞ্জ বিশ্বাস তার আক্কেলসেলামির সমস্ত বিবরণটি বলে গেল।

    অফিসার গুপ্ত জিজ্ঞাসা করলেন, লালমোহন মুখুর্জ্জের সঙ্গে আপনার কতদিনের আলাপ?

    তা প্রায় মাস আষ্টেক হবে।

    আপনার সঙ্গে কখনো কোনো বিবাদ হয়েছিল তার?

    কক্ষনো না। উল্টে দহরম—মহরম! মাঝে মাঝে একসঙ্গে একটু আধটু ইয়েও চলত।

    লালমোহন মুখুর্জ্জের স্ত্রীর সঙ্গে কতদিনের আলাপ?

    এক—আধ দিন মাত্তর! আমি মশাই মেয়েছেলের কারবারে নেই। তবে হ্যাঁ, মুখুর্জ্জের স্ত্রী রঞ্জনা দেখতে যেন ডানাকাটা পরি! কিন্তু কে জানত মশাই, ভেতরে ভেতরে মিছরির ছুরি!

    রমলা অন্যদিকে মুখ ফেরাল।

    অফিসার গুপ্ত জিজ্ঞাসা করলেন, লালমোহন মুখুজ্জে থাকে কোথায়?

    হোটেলে মশাই, হোটেলে। কি যে নাম—কুইন ভিক্টোরিয়া—

    বিশু প্রশ্ন করলে, কুইন ভিক্টোরিয়া, না কুইন মেরি হোটেল?

    হ্যাঁ, হ্যাঁ, সেই হোটেল। তারই ন’নম্বর কামরায় থাকে।

    কুঞ্জ বিশ্বাস বাদে বাকি তিনজন নিঃশব্দে পরস্পরে দৃষ্টি বিনিময় করল।

    অফিসার গুপ্ত বললেন, কিন্তু আপনি এখানে কেস লেখাতে এসেছেন কেন? কেসটা তো এ—থানার এলাকায় নয়।

    কুঞ্জ বিশ্বাস উত্তেজিত হয়ে উঠল : এ—থানা ও—থানা জানি না মশাই, আমার দুঃখের কথা কলকাতার সব থানাতেই জানিয়েছি। এর একটা বিহিত আপনাদের করতেই হবে। ওই ছুঁচো লালমোহন মুখুর্জ্জেটাকে ধরে তাকে দিয়ে ঘানি টানাব, তবে আমার শান্তি। দশ হাজার গেছে, না হয় আরও দশ হাজার যাবে। কুচ পরওয়া নেই… আচ্ছা নমস্কার। এবার মুচিপাড়া থানায় যাই—ওইটাই এখনো বাকি।

    সিল্কের রুমাল দিয়ে কপাল আর ঘাড় মুছতে মুছতে মোটাসোটা গলদঘর্ম কুঞ্জ বিশ্বাসের প্রস্থান।

    তিনজনেই নীরব। শুধু ওয়াল—ক্লকটার বুকে সময়ের হৃদস্পন্দন শোনা যাচ্ছে।

    তারপর নীরবতা ভেঙে বিশু বললে, বহুরূপী লালজির এও আর একটি রূপ।

    ‘বিশ্ববার্তা’ কাগজখানা হাতের মুঠোয় পাকাতে পাকাতে অফিসার গুপ্ত অবরুদ্ধ রাগে বলে উঠলেন, লালজি, লালজি! লালজি! সারা শহরে লোকটা যেন ভেলকি দেখিয়ে বেড়াচ্ছে। লালজি—রহস্যের একটা কিনারা করতেই হবে বিশু—যত শিগগির হয়।

    দেশলাইয়ের কাঠির খেলায় বিশু আমার মন দিয়েছিল। মুখ না তুলেই বললে, ধীরে বন্ধু, ধীরে। উতলা হওয়া পুলিশ—অফিসারের কাজ নয়।

    কিন্তু এদিকে যে চাকরি রাখা দায় হয়ে পড়েছে! একে রাজারামের কেসটার কোনো কিনারা এখনও হয়নি, তার ওপর আজ ‘বিশ্ববার্তা’ কাগজে এই রিপোর্টটা বেরোবার পর উপরওয়ালা কড়া নোট পাঠিয়েছেন, তা জানো? ইচ্ছে হচ্ছে এখুনি গিয়ে লালজিকে—

    গ্রেপ্তার করবে? কিন্তু তার আগে আট—ঘাট বেঁধে কাজ করাই ভাল নয় কি?

    রমলা এতক্ষণ চুপ করে বসে ছিল। এবার বললে, এখন তাহলে আমার প্রতি কি নির্দেশ আপনাদের?

    সে—কথার কোনো জবাব না দিয়ে বিশু বললে, আচ্ছা রমলা, কাজ আর কাজ করে তুমি কি পাগল হবে? মেট্রোতে একটা নতুন ছবি এসেছে—’গ্রেট ওয়ালজ’। চমৎকার ছবি, দেখে এসো না একদিন।

    রমলা যেন নেচে উঠল : চলুন না দেখে আসি।

    বেশ তো! দু’খানা টিকিট কেটে রেখো একদিন। ধরো, আসছে রবিবার—ছ’টার শোতে। পরের টিকিটে সিনেমা দেখতে আমি ভয়ানক ভালোবাসি। তবে একটা কথা বলে রাখি ভাই, হঠাৎ কোথাও আটকা পড়ে যদি সেদিন যেতে না পারি, তবে রাগ কোরো না যেন।

    বা রে! একখানা টিকিট নষ্ট হবে যে।

    নষ্ট হবে কেন, আমার বদলে নাহয় আর কাউকে সঙ্গে নিয়ে যেও।

    কোথায় আবার সঙ্গী খুঁজে পাব?

    চোখে একটি ইসারা নিয়ে বিশু বললে, পাবে পাবে। হোটেলে আশেপাশে খুঁজলেই নতুন সঙ্গী পেয়ে যাবে’খন…. বুঝতে পারছ না?

    পেরেছি!

    হাসিমুখে রমলা যাবার জন্যে উঠে পড়ল।

    .

    হাতের মুঠোয় এসে ইন্ডিয়া অ্যাসিওরেন্সর পনেরো হাজার টাকা পিছলে বেরিয়ে গেল। আফশোসটা সেইজন্য নয়। টাকাটা যে পথে এসেছিল, সেই পথটাই পিছল। সে পথে টাকা আসেও যেমন সহজে, তেমনি বেরিয়েও যায় মুহূর্তে। এই হল নিয়ম। কাজেই লালজি সেজন্য চঞ্চল হয়নি, চঞ্চল তাকে করেছে পনেরো হাজার টাকার চেক ভাঙাতে গিয়ে ফিরদৌস ইরানির যে অদ্ভুত পরিবর্তন দেখেছে, তারই চিন্তাটা।

    লালজির মনে পড়ল ইরানি সাহেবের কথা : Crime does not pay, my boy! পাপের দেনা কখনো বাকি থাকে না!

    নীতির কথা, ধর্মের কথা!… ফুঃ!

    কিন্তু এ সব নিয়ে লালজি মাথা ঘামাচ্ছেই বা কেন? নীতি বলো আর ধর্মই বলো, সে সব তো বহুদিন আগে গঙ্গার জলে সে ভাসিয়ে দিয়েছে! তার জীবনের তিক্ত অভিজ্ঞতা তাকে শিখিয়েছে দুনিয়াদারির হাটে এ সবের দাম কানাকড়িও নয়।

    সুতরাং ওসব বাজে কথা মুছে ফেলে দাও মন থেকে।

    পিটার খবর পাঠিয়েছে, কিছু স্প্যানিশ মদ খিদিরপুরে এসে পৌঁছবে আগামী হপ্তায়। এবারে অবশ্য মহম্মদ রশিদ যাবে না, যাবে অন্য কেউ। কিন্তু তার আগে একবার ওয়াংয়ের আড্ডায় যাওয়া দরকার। কত দর দিতে পারে জানতে হবে। না পোষালে শহরে অন্য খদ্দেরের অভাব হবে না।

    ট্যাংরায় সেই কাঠের ফটকের সামনে লালজির গাড়ি এসে যখন থামল, রাত তখন বেশি হয়নি। ঝোলানো চিনে লন্ঠনগুলির তলায় দু’—একটা ঝিমন্ত থ্যাবড়া গোল মুখ যথারীতি বসে। চাপা গলার লালজি বললে, বাজপাখি।

    প্রথম লোকটা ছোট ছোট চোখ মেলে একবার তাকাল শুধু। তারপর আবার ঝিমতে শুরু করলে। আশ্চর্য, লোকটা শিস দিতে ভুলে গেল নাকি? না, চণ্ডুর মাত্রাটা আজ অত্যধিক হয়েছে?

    লালজি দ্বিতীয় লোকটার কাছে এগিয়ে গেল। একখানা চিনে কাগজের পৃষ্ঠা থেকে একবার মুখ ভুলে লোকটা আবার মুখ নামিয়ে নিল।

    কোনো সঙ্কেতের আওয়াজ এবারও হল না। লালজি রীতিমতো অবাক। চায়না টাউনে এ ব্যাপার নতুন বইকি—তবে কি কোনো নতুন সঙ্কেত চালু হয়েছে এখানে?

    লালজি একবার ট্রাউজারের পকেটে হাত দিলে! অটোমেটিকটা ঠিকই আছে। তারপর এগিয়ে চলল। বিলের ধারে সেই বাঁহাতি কাঠের বাড়ি। কিন্তু কই—কোথায় সেই শাঁকচুন্নি বুড়ি, আড্ডায় ঢোকবার আগে যে দস্তুরির কথাটা স্মরণ করিয়ে দেয়? যমরাজার কাছে দস্তুরি আদায়ের জন্যে বুড়ি মাটি নিয়েছে নাকি? না, পুলিশের দৃষ্টি পড়েছে ওয়াংয়ের আড্ডার ওপর, তাই গা ঢাকা দিয়েছে?

    চায়না টাউনের চেহারাটা আজ গোলমেলে ঠেকছে!

    দরজা ঠেলে লালজি ঢুকল। কাঠের খুপরিগুলোর পাশ দিয়ে সেই চোরা গলিপথ লালজির মুখস্থই আছে। তবু গলিপথের শেষে এসে তার ধাঁধা লেগে গেল।

    এ কোথায় এল সে? কোথায় সেই জুয়ার টেবিল, সেই অ্যাংলো ছোকরার দল, বন্য বাইসনের মতো বলিষ্ঠ নিষ্ঠুর সেই ওয়াং, আর রুক্ষ পাহাড়ের গায়ে ছোট্ট বনফুলের মতোই ক্রাচে ভরে দিয়ে সেই ছোট্ট মিমি?

    হল ভরর্তি সারি সারি মশারি—ফেলা বিছানা। লালজি লক্ষ করলে, কয়েকটা বিছানার মধ্যে ছোট ছোট শিশুর দল পরম নিশ্চিন্তে ঘুমুচ্ছে। জুয়ার লম্বা টেবিলটা হলের একপাশে সরানো। তার দু’পাশে বেঞ্চির ওপর জন পনেরো কুড়ি ছেলেমেয়ের দল খেতে বসেছে। বয়স পাঁচ থেকে বারোর মধ্যে। চিনে ছাড়া আরও নানা জাত আছে।

    একবার চোখ বুজে লালজি আবার তাকিয়ে দেখল। ভুল করে বাচ্চচাদের কোনো বোর্ডিং—এ এসে পড়ল নাকি? কিন্তু না, ভেতরে প্রবেশ করার আগে দরজার বাইরে ড্রাগন—আঁকা ঝোলানো লন্বনটা সে তো বিশেষ লক্ষ করেই দেখেছিল! না, ভুল তার হয়নি।

    কিন্তু ওয়াং কোথায়? ডাকবে নাকি একবার ওয়াংয়ের নাম ধরে?

    ডাকতে হল না। পাশের একটা খুপরি থেকে ওয়াং বেরিয়ে এল। হাতে তার প্রকাণ্ড একটা পাত্র। ছেলেমেয়েদের প্রত্যেকের গেলাসে খানিকটা করে দুধ ঢেলে দিয়ে বললে, নাও খেয়েদেয়ে যে যার বিছানায় শুয়ে পড়ো। আর শুতে যাওয়ার আগে—মনে আছে তো?

    আড়াল থেকে শুনলে বিশ্বাসই হত না, ওয়াংয়ের গলা এত কোমল হতে পারে।

    খাওয়া শেষ করে একে একে ছেলেমেয়েরা উঠে পড়ল। তারপর শুতে যাওয়ার আগে ওয়াংকে তারা একটি করে চুম্বন দিয়ে গেল।

    সোনা বাঁধানো দাঁত বের করে ওয়াং নীরবে হাসছিল। নেকড়ের মতো শরীর হিম—করা সেই ভয়ঙ্কর হাসি নয়। স্নেহের উত্তাপে আশ্চর্য মধুর হাসি।

    অভিভূতের মতো লালজি দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখছিল, এবার ডাকল ওয়াং।

    ওয়াং ফিরে তাকিয়ে সহজ গলায় বললে, এসো লালজি, বসো।

    লালজি আস্তে আস্তে বেঞ্চির ওপর গিয়ে বসল। তার পাশে বসে ওয়াং হাসিমুখে বললে, অবাক হয়ে গেছ নয়?

    অবাক হওয়ার কথা নয় কি?

    তা বটে!

    ওয়াং নীরব হয়ে রইল।

    লালজি জিজ্ঞাসা করলে, জুয়ার আড্ডা একেবারে তুলে দিয়েছ নাকি?

    হ্যাঁ।

    এরা কারা?

    আমার কুড়িয়ে পাওয়া ছেলেমেয়েরা।

    কিন্তু এদের মধ্যে মিমিকে দেখছি না যে? সে কোথায়? ঘুমিয়েছে?

    লালজি পকেট থেকে টফি বার করল।

    ওয়াংয়ের মুখের হাসি নিভে এল। অত্যন্ত মৃদু গলায় বললে, মিমি নেই।

    নেই! কোথায় গেছে?

    স্বর্গে।

    টফিগুলো হাতের মুঠোয় ধরে লালজি স্তব্ধ হয়ে চেয়ে রইল। তারপর জিজ্ঞাসা করল, কি হয়েছিল।

    ওয়াং বললে, একদিন তাকে খুব বকেছিলাম। বড় অভিমানী মেয়ে ছিল সে, সেদিন আমার সেই কটু সথা সহ্য করতে পারেনি বোধহয়। আমাকে না বলে চুপি চুপি কখন ঘর ছেড়ে চলে গিয়েছিল টের পাইনি। মেয়েকে খুঁজতে বড় রাস্তায় গিয়ে দেখি, তাকে তখন অ্যাম্বুলেন্সে তোলা হচ্ছে। শুনলাম রাস্তা পার হতে গিয়ে খোঁড়া মেয়ে তাড়াতাড়ি যেতে পারেনি। একখানা মোটর তার ওপর এসে পড়ে। হাসপাতালে পৌঁছবার আগেই সব শেষ। মেয়েকে খুঁজে পেলাম বটে, কিন্তু ঘরে আনা আর হল না!

    একটু নীরব থেকে ওয়াং আবার বলতে লাগল, মিমিকে মাটি চাপা দিয়ে এসে যখন এই ঘরে ফিরলাম, তখন হঠাৎ মনে হল আমি পাগল হয়ে যাব। এত বড় শূন্য ঘরে আমার দম আটকে আসতে লাগল। মা—মরা মেয়েটা আমার জীবন কতখানি জুড়ে ছিল, আগে তা বুঝিনি। জুয়ার আড্ডা তুলে দিলাম। পথে অনাথ ছেলেমেয়ে দেখলেই কুড়িয়ে ঘরে নিয়ে আসি। এই করে আজ একত্রিশটি ছেলেমেয়ে আমার ঘর ভরে তুলেছে। কিন্তু আরও জায়গা আছে—আরও অনেক ছেলেমেয়ের জায়গা আছে আমার এই ঘরে।

    একটা মশারির ভেতর থেকে একটা কচি বাচ্চচা কেঁদে উঠল।

    ওয়াং বলল, বসো, আসছি।

    তাড়াতাড়ি গিয়ে সে মশারির মধ্যে ঢুকল। লালজি অবাক হয়ে শুনল গুন গুন করে ওয়াং ঘুমপাড়ানি ছড়া গাইছে।

    সেই ওয়াং!

    বাচ্চচাটাকে ঘুম পাড়িয়ে সে আবার ফিরে এল। বললে, মিমি যায়নি, এদের মধ্যেই আছে। এদের আমি নিজের হাতে খাওয়াই, পরাই, ঘুম পাড়াই। সঙ্গে করে রোজ স্কুলে নিয়ে যাই। আর বাকি সময়টুকু চামড়ার কাজ করি। কোনো দুঃখ নেই আমার। কেন জানো? শাস্তি তো আমার হয়েই গেছে।

    শাস্তি! কিসের?

    পাপের। পাপের দেনা বাকি থাকে না—একদিন না একদিন মানুষকে শোধ করতেই হয়। মিমিকে হারিয়ে একথা জেনেছি।

    ইরানি সাহেবও ওই কথা বলেছিল। লালজি হঠাৎ কেমন যেন অস্থির বোধ করতে লাগল। এসব কথা সে শুনতে চায় না—মানতেও চায় না। পাপ—পুণ্যের বিচার বহুদিন আগেই সে গঙ্গার জলে ভাসিয়ে দিয়েছে।

    হাতের টফিগুলো টেবিলের ওপর রেখে লালজি বললে, চলি ওয়াং।

    মাঝে মাঝে এসো। আর কোনো অনাথ ছেলেমেয়ের সন্ধান পেলে তাকে দিয়ে যেও এখানে।

    চোরা গলিপথ দিয়ে চলতে চলতে অন্ধকারে লালজি শুনতে পেল, কচি কোমল গলায় কে যেন বলছে : ‘আমায় তুমি ভুলে যাবে না লাল?’

    লালজি মনে মনে বললে, তোমায় ভুলব না মিমি।

    .

    মস্ত একটা ব্ল্যাক প্রিন্সের তোড়া হাতে নিয়ে আন্দ্রে গ্রিন—রুমে প্রবেশ করল।

    মেক—আপ শেষ করে জোহরা চোখের কোলে পেন্সিলের রেখা টানছিল। আরশিতে আন্দ্রের ছায়া দেখে হেসে বললে, রোজ ফুল কেন?

    ফুলের তোড়াটা টেবিলের ওপর রেখে আন্দ্রে জবাব দিলে, পারস্য দেশের এক কবি বলেছেন, দুটি মাত্র পয়সা যদি জোটে, তাহলে একটি পয়সার খাদ্য কিনো, আর বাকি পয়সাটি দিয়ে কিনো ফুল…! আ, গ্রেট! কবির মতো কবি বটে।

    তরল কণ্ঠে জোহরা বললে, তোমার কাঁধে কাব্যের ভূত চেপেছে আন্দ্রে সাহেব।

    মাথা নাড়তে নাড়তে আন্দ্রে বললে, সে—কথা ঠিক। কিন্তু আজ থেকে নয়, অনেকদিন থেকেই। মাদাম, পথে আসতে আসতে দেখলাম, আকাশে চাঁদ হাসছে, আর তারাদের চোখে জাদু। চলো না, খানিকটা বেড়িয়ে আসি।

    আজ? নাচ রয়েছে যে।

    বেশ, তবে কাল?

    কাল রবিবার, কালও তো নাচ আছে।

    সে তো রাজ দশটায়। আমি শুধু তোমার সন্ধেবেলাটা চাইছি। কাল আমরা বেরিয়ে, ধরো, একটা ভাল ছবি দেখতে পারি। তারপর গঙ্গার ধারে খানিকটা বেড়িয়ে, দশটার আগেই আবার এখানে ফিরে আসা যাবে, কেমন?

    গ্রিন—রুমের বাতিগুলো এই সময় বার কয়েক দপ দপ করে উঠল।

    জোহরা ব্যস্ত হয়ে বললে, নাচের সময় হয়েছে। যেতে হবে।

    গ্রীণ—রুম থেকে বেরোবার আগে আন্দ্রে বললে, তাহলে কালকের সন্ধ্যের প্রোগ্রাম ঠিক রইল মাদাম?

    যেতে যেতে জোহরা বলে গেল, আচ্ছা।

    আন্দ্রে আস্তে আস্তে হলের মাঝখানে এসে দাঁড়াল। জোহরার জিপসি নাচ তখন শুরু হয়ে গেছে!

    নিজের রিজার্ভ করা টেবিলের কাছে গিয়ে দাঁড়াতেই আন্দ্রে দেখলে, তিন গেলাস ‘বিয়ার’ নিয়ে তিন ব্যক্তি পরমানন্দে টেবিলটা দখল করে বসে আছে। একজন পাঞ্জাবি ছোকরা, আর একজন স্থূলাকার বেঁটে বার্মিজ এবং তৃতীয়জন তুর্কি—ফেজ মাথায় দিয়ে বসে বসে সিল্কের রুমালে কপাল আর ঘাড় মুছছে।

    আন্দ্রে সবিনয়ে বলল, মাপ করবেন, আপনাদের বোধ হয় টেবিল চিনতে ভুল হয়েছে।

    আশ্চর্য! পাঞ্জাবি ছোকরাটি ইংরাজিতে মান্দ্রাজি টান দিয়ে বলল, না, চিনতে ভুল আমাদের হয়নি।

    সঙ্গে সঙ্গে মোটা বেঁটে বার্মিজ পরিষ্কার হিন্দিতে বলে উঠল, রামজি কসম—কোনো ভুল হয়নি।

    আর ফেজ মাথায় তুর্কি মুসলমানটি সাদা বাংলায় বললে, ভুল আমাদের হতেই পারে না স্যার।

    চাপা গলায় আন্দ্রে বললে, ভাল করে দেখেছেন তো মিঃ আয়ার? রাজারামবাবু, আপনিও দেখছেন তো? কি কুঞ্জবাবু?

    তিনজনেই একত্রে স্টেজের দিকে তাকাল, তারপর একই সঙ্গে তিনটি জবাব এল:

    এই সেই অপর্ণা দেবী!

    এই হচ্ছে রুকমিণী!

    এই তো রঞ্জনা!

    এবার আন্দ্রে বললে, এখন তাহলে আপনারা যেতে পারেন।

    তারা চলে যেতেই আন্দ্রে তাদের তিনটে গেলাস জলতরঙ্গের বাটির মতো পাশাপাশি সাজিয়ে নাচের সঙ্গে তাল দিতে শুরু করলে।

    স্টেজের ওপর একহাতে চকচকে একখানা ছোরা, আরেক হাতে ট্যাম্বু, রিন নিয়ে জিপসি জোহরা তখন মিউজিকের তালে তালে বুনো সাপিনীর মতো হেলছে দুলছে…

    .

    দু’দিন ধরে কি যেন হয়েছে লালজির।

    মনের কোথায় যেন একটু বিকল হয়েছে। হঠাৎ যেন অবসাদ এসেছে দেহে—মনে। ছুটি চাই।

    এই দু’দিন সে হোটেল ছেড়ে বিশেষ কোথাও বেরোয়নি। কৌচে গা এলিয়ে আলস্যভরে শুধু সিগারেটের পর সিগারেট টেনেছে। যায়নি নতুন শিকারের সন্ধানে। দেখাও করেনি জোহরার সঙ্গে। ফোনে বলে দিয়েছে, ভয়ানক ব্যস্ত।

    কিন্তু কেন?

    কেন, তা সে নিজেই ঠিক বুঝে উঠতে পারছে না। অথচ ভালোও লাগছে না এই নিষ্ক্রিয় জড়তা! নিজের সম্বন্ধে লালজি আজ চিন্তিত। বিরক্তও বটে।

    চড়া পর্দায় সেতার বেজে চলেছিল দ্রুত লয়ে। কোথায় গিয়ে কোন সমে শেষ হবে সে জানত না। জানবার প্রয়োজনও ছিল না বিশেষ, হোক না শেষ যেখানে খুশি! কিন্তু তার আগেই আজ দু’দিন ধরে একটি তার গেছে আলগা হয়ে। বেসুর আওয়াজ দিচ্ছে।

    উঠে গিয়ে লালজি জানলার পর্দা সরিয়ে দিল।

    পশ্চিমে সূর্যাস্ত হচ্ছে।

    দাঁড়িয়ে রইল লালজি। সূর্যাস্ত দেখার এমন অবকাশ বহুদিন তার মেলেনি। সে শুধু দেখেছে, রাত্রির আকাশের তলায় নিশাচর জীবনের সর্পিল গতি—কফি—হাউসে,ফিরদৌস, ইরানির ঘরে, ওয়াংয়ের আড্ডায়।

    সেই ইরানি সাহেব বদলে গেছে। বদলে গেছে ওয়াং। জীবনের অন্ধকার চোরাপথে তার দীর্ঘদিনের সঙ্গী দু’জন!…

    কিন্তু গেলই বা বদলে, তাতে লালজির কি আসে—যায়? নাঃ, কিছুই আসে—যায় না। আরেক ইরানি সাহেব জুটবে, জুটে যাবে আরেক ওয়াং। লালজি তার অভিজ্ঞতা থেকে জানে, সোজা পথে সঙ্গী খুঁজতে হয়, অভাব হয় না চোরা পথে।

    তবু—

    তবু এটা সত্যি যে, তারা বদলে গেল। কেন বদলে গেল? কে দিল তাদের বদলে? অন্ধ রুমার দুঃখ? মিমির মৃত্যুর বেদনা? না, বিবেকের নির্দয় চাবুক?

    Crime does not pay! পাপের দেনা শোধ করতেই হয়!…

    রাবিশ!

    পোড়া সিগারেটের টুকরোটা লালজি চটির তলায় পিষে ফেলল।

    না, ও সব লালজি বিশ্বাস করে না। তার কোনো দুঃখ নেই—বেদনা নেই—নেই দুর্বলচিত্ত ফিরদৌস ইরানি আর ওয়াংয়ের মতো পারে চিন্তা, পরিণামের ভয়! আর, বিকেব? গ্রাহ্য করে না সে। ওটা চিত্তের দুর্বলতা—বয়সের লক্ষণ!

    দূর করো ও—সব ভাবনা।

    এখন খানিকট জিন পেলে হত। কপালের রগ দুটো দপ দপ করছে।

    দরজায় আওয়াজ হল—টক টক টক।

    শুনছেন—ও মিস্টার—ঘরে আছেন?

    লালজি চকিতে ঘুরে দাঁড়াল। লিলার গলা! বললে, আসতে পারেন।

    দরজা ঠেলে দ্রুতপায়ে ঢুকল শিলা। সঙ্গে সঙ্গে গত রজনীর সুখস্মৃতির মতো ফরাসি ল্যাভেন্ডারের হালকা মিষ্টি সুগন্ধে লালজির মাথাধরা কমে গেল।

    দেখুন দেখি কি মুশকিল পড়েছি—

    লালজি তৎক্ষণাৎ স্মেলিং সল্টের শিশিটা এগিয়ে দিলে।

    হেসে ফেললে শিলা। বললে, না, লেডি মুখার্জি আজ ভালোই আছেন।

    তবে মুশকিলটা কি?

    দেখুন না কাণ্ড! সকালে লেডি মুখার্জি বললেন, যাও মেট্রো থেকে সন্ধের জন্যে দু’খানা টিকিট কিনে আনো। রোদে পুড়ে টিকিট করে আনলুম, আর এখন বলছেন কিনা ব্যারিস্টার গুহ সাহেবের আসার কথা আছে, ভুলেই গিয়েছিলাম। তুমি একাই যাও।…. আচ্ছা বলুন তো একা একা কখনো সিনেমা দেখা যায়?

    লালজি বললে, নিশ্চয়ই না!

    নিতান্ত অসহায়ের মতো শিলা বললে, এখন কী করি আমি? সকাল থেকে আশা করে বসে আছি সিনেমায় যাব, অথচ…. এখন কোনো কাজ আছে নাকি আপনার?

    কেন বলুন তো?

    বলছিলাম, বিশেষ কাজ যদি না থাকে, চলুন না ছবি দেখে আসি। টিকিট তো করাই রয়েছে। যাবেন?

    হেসে লালজি বললে, দ্বিতীয়বার অনুরোধের প্রয়োজন হবে না। আমিও এইমাত্র ভাবছিলাম, যেখানে হোক কোথাও গেলে হয়।

    শিলার মুখ উজ্জ্বল হয়ে উঠল। বললে, তাহলে চটপট—ছ’টা বাজতে পনেরো মিনিটও বাকি নেই—

    বালিশের তলা থেকে পার্সটা পাঞ্জাবির পকেটে ফেলে লালজি বললে, চলুন—

    .

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদেরি হয়ে গেছে – প্রচেত গুপ্ত
    Next Article মহাভারতের মহারণ্যে – প্রতিভা বসু
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }