Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দশটি রহস্য উপন্যাস – প্রণব রায়

    প্রণব রায় এক পাতা গল্প1004 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বহুরূপী – ৭

    ৭

    চৌরঙ্গি। মহানগরীর সেরা রাজপথ।

    দিনের আলোয় শহরের হৃৎপিণ্ড এখানে স্পন্দিত হতে থাকে। সন্ধের পর বদলে যায় এর রূপ। কুহকিনী জাদুকরীর মতো বিভ্রান্ত করে দেয় পথিককে।

    মেট্রো সিনেমার সামনেটা আলোয় আলোয় দিন হয়ে গেছে।

    একখানা ট্যাক্সি এসে ফুটপাথের সামনে হঠাৎ থেমে গেল। ভেতরে আন্দ্রে আর জোহরা।

    গ্রেট ওয়ালজ!… আ, অপরূপ ছবি! কী মিউজিক! চলো মাদাম, এই ছবিটাই দেখা যাক।

    সাহেব আর সুন্দরী স্ত্রীলোক দেখে দরোয়ান শশব্যস্তে গাড়ির দরজা খুলে দিল।

    আন্দ্রে বললে, সিট আমার রিজার্ভ করাই আছে, ভাবনা নেই।

    দু’জনে যখন হলের মধ্যে ঢুকল, তখন একখানা কাটুন ছবি শুরু হয়ে গেছে। হল অন্ধকার।

    কার্টুন ছবির পর নিউজ মুভিটোন।

    মিনিট পনেরো পরে ইন্টারভ্যালের আলো জ্বলে উঠল। আন্দ্রে বললে, ‘গ্রেট ওয়ালজ’ ছবিটা আমার দেখা। কিন্তু একবার কেন, দশবার দেখলেও আমার কাছে পুরানো হবে না মাদাম। আমেরিকায় এই ছবি চলেছিল—আরে! লালজি না?

    জোহরা চকিত হয়ে উঠল।

    সত্যিই লালজি! পেছন থেকে চিনতে আর যে—ই ভুল করুক, জোহরার ভুল হবে না। লালজির ছায়া দেখলে সে চিনতে পারে। তাদেরই সামনে দুটো সারি আগে বসে আছে। কিন্তু পাশে তার কে? বাসন্তী রঙের শাড়িপরা মাজা—মাজা রঙ, দীর্ঘচ্ছন্দ চেহারার কে ওই মেয়েটি তার পাশে বসে গল্প করছে?

    ঠাহর করে দেখে আন্দ্রে বললে, তাইতো, লালজিই বটে! কিন্তু পাশে গার্ল ফ্রেন্ডটি কে?… ওহো, দ্যাট শিলা!

    কৌতুকের একটু সূক্ষ্ম হাসি আন্দ্রের মুখে দেখা দিল : সিনেমায় হোক, হোটেলে হোক, ‘বার’ এ হোক, লালজিকে দেখতে পেলে কোনো গার্ল ফ্রেন্ড তার সঙ্গে থাকবেই। কিন্তু এই শিলাকে নিয়ে আজকাল একটু বাড়াবাড়ি করছে।… লালজিকে চেনো তো মাদাম?

    জোহরার কাছ থেকে ছোট্ট জবাব এল : না।

    ঘাড় বাঁকিয়ে আন্দ্রে একবার তাকাল তার দিকে। কেমন যেন ভাববেশহীন জোহরার মুখ। মর্মর পাথরের মতো মসৃণ অথচ কঠিন।

    আন্দ্রে আবার বলতে লাগল, লালজিকে চেনো না? আশ্চর্য! অর্ধেক শহর ওকে চেনে। হোটেলে, ক্লাবে, ‘বার’—এ, সিনেমায়, খেলার মাঠে কে না চেনে লালজিকে? বিশেষ করে মেয়ে—মহলে সে ডার্লিং। কেনই বা হবে না বলো? চমৎকার স্বাস্থ্যবান ছেলে, অগাধ টাকা, মেজাজও ভারি শৌখিন। আর কী চাই? সুতরাং ওকে নিয়ে মেয়ে—মহলে রেষারেষি তো লাগবেই! প্রকৃতির নিয়ম।

    আন্দ্রে সকৌতুকে হেসে উঠল।

    কিন্তু সম্প্রতি লালজির পক্ষপাতিত্ব শিলার ওপরই একটু বেশি দেখা যাচ্ছে। সেদিন সিক্সটি সিক্স ক্লাবে লালজি বলছিল, শিলাকে নাকি ও ভালবেসেছে।

    জোহরার মুখের দিকে আন্দ্রে চোখ ফেরাল। পলকের জন্যে সে—মুখ আগুনের মতো রাঙা হয়ে উঠেই কাগজের মতো সাদা হয়ে গেল।

    আন্দ্রে বলতে লাগল, লালজির মুখে কথাটা অবশ্য খুবই আশ্চর্য! কেননা, যতদূর জানি মেয়েদের নিয়ে ও বরাবব খেলাই করে এসেছে, মন দেওয়া—নেওয়া ব্যাপারে নিজেকে কখনও জড়ায়নি। কিন্তু সেদিন ক্লাবে বললে, এতদিনে সে নাকি তার রাইট গার্ল—মনের মতো সঙ্গিনী খুঁজে পেয়েছে। শীলাকে লালজি নাকি শিগগিরই বিয়ে করবে।

    আন্দ্রে ফিরে তাকাল। জোহরার মুখ অন্য দিকে।

    লালজি—শিলার প্রেমের কথা আজকাল শহরের মুখে মুখে। শুনলাম, বিয়ের পর ওরা দুজনে কাশ্মীরে গিয়ে—

    আঃ, চুপ করুন! ছবি আরম্ভ হয়ে গেছে।

    জোহরার কণ্ঠ যেমন নীরস তেমনি কঠিন শোনালো।

    .

    শো—ভাঙবার পর বাইরের লরিতে বেরিয়ে এল আন্দ্রে আর জোহরা। জন—জটলার মাঝে জোহরার চোখ দুটি কি যেন খুঁজে বেড়াচ্ছিল। হঠাৎ কিসে আটকে গেল তার দৃষ্টি।

    কিছুটা তফাতে জনস্রোতে গা ভাসিয়ে এগিয়ে চলেছে লালজি, আর তার বাহু আশ্রয় করে বাসন্তী রঙের শাড়িপরা সেই মেয়েটি—লালজির নতুন আবিষ্কার শিলা যার নাম।

    আন্দ্রে বললে, এসো মাদাম, লালজির সঙ্গে আলাপ করিয়ে দিই। নাইস চ্যাপ! খুশি হবে। এসো—

    জবাব এল, না।

    পশ্চিম দিগন্তে ঝড়ের ভ্রূকুটি। এলিয়ে পড়েছে কালবৈশাখীর জটা। আন্দ্রে তাকিয়ে দেখলে, তারই আভাস জোহরার মুখে।

    ফুটপাথের ধারে এসে দাঁড়াল খালি ট্যাক্সি। শিলার হাত ধরে উঠল লালজি। আর সঙ্গে সঙ্গে মিটার ডাউন করে বেরিয়ে গেল গাড়ি আলো ঝলমল চৌরঙ্গির বুকের ওপর দিয়ে।

    দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে জোহরা দেখলে। চোখ দুটো তারাজ্বালা করছে জ্বোরো রুগির মতো। কপালের রগ দুটে অসহ্য উত্তাপে যেন ফেটে পড়বে।

    হোয়াইট ওয়ের ঘড়িটা দেখে নিয়ে আন্দ্রে বললে, তোমার নাচের এখনো বহুত দেরি মাদাম। চলো না একবার গ্র্যান্ড ঘুরে যাই।

    শুকনো গলার জোরহা বললে, তুমি একাই যাও আন্দ্রে, শরীরটা আমার খারাপ লাগছে।

    আন্দ্রে ব্যস্ত হয়ে উঠল, শরীর খারাপ লাগছে! তাহলে কাজ নেই আর কোথাও গিয়ে। তোমায় কফি—হাউসেই পৌঁছে দিই চলো।

    কফি—হাউসে পৌঁছতে আমার দেরি হবে আন্দ্রে। পথে একটু কাজ আছে।

    একখানা খালি ট্যাক্সিতে উঠে পড়ল জোহরা।

    মুখে বিচিত্র হাসি নিয়ে পথের ধারে দাঁড়িয়ে রইল আন্দ্রে পল।

    .

    চৌরঙ্গি থেকে ট্যাক্সিখানা ময়দানের রাস্তা ধরতেই শিলা জিজ্ঞাসু চোখ তুলে তাকাল। অর্থাৎ এদিকে কোথায়?

    কুশনে হেলান দিয়ে বসে লালজি একটা সিগারেট ধরিয়েছিল আরাম করে। গম্ভীর মুখে বললে, আপনাকে নিয়ে ইলোপ করার ইচ্ছে হয়েছে।

    ততোধিক গম্ভীর মুখে শিলা বললে, ও! তাই নাকি! কিন্তু শুধু একা আপনার ইচ্ছা হলেই তো হবে না, আমারও ইচ্ছে হওয়া চাই যে!

    লালজি এবার হাসলে।

    ভুল হল আপনার। দু’জনের ইচ্ছে হলে সেটা তো হরণ হবে না, সেটা বরণ হয়ে দাঁড়াবে। তাতে কোনো থ্রিল নেই—সুতরাং আমার আগ্রহও নেই।

    আচ্ছা, ইলোপ না হয় করলেন, কিন্তু আমাকে নিয়ে যাবেন কোথায় শুনি?

    ধরুন, মঙ্গলগ্রহে। সেখানে লাল অরণ্য—ছায়ায়—

    শিলা আঁতকে উঠল।

    ওরে বাবা! সঙ্গে মশারি নেই, ফ্লিট নেই, সেই জঙ্গলে থাকব কি করে? এত জায়গা থাকতে শেষে কিনা মঙ্গলগ্রহের জঙ্গলে? না মিস্টার, আপনার সঙ্গে ইলোপ করা আমার পোষাবে না।

    তবে কোথায় যেতে চান বলুন? ভেনিস? মন্টিকার্লো? ক্যালিফোর্নিয়া, কাশ্মীর—

    বড় জোর ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল।

    সশব্দে হেসে উঠল লালজি।

    আচ্ছা, তাই সই।

    লালজির কথামতো ট্যাক্সি ড্রাইভার মেমোরিয়ালের পাশে গাড়ি বাঁধল। দু’জনে নেমে এগিয়ে গেল ঝিলের ধার অবধি।

    পশ্চিমে বৈশাখী মেঘের সমারোহ। এলোমেলো হাওয়ার ফুৎকারে নিভে গেছে অনেকগুলি তারার বাতি। আসন্ন ঝড়ের সম্ভাবনা। মেমোরিয়ালের আশেপাশে লোকের জটলা অনেকটা পাতলা।

    বাঁ কনুইয়ের ওপর ভর দিয়ে লালজি ঘাসের ওপর আড় হয়ে পড়ল। তারপর শিলাকে বলল, বসুন।

    উড়ন্ত আঁচল সামনে নিয়ে শিলা বসে পড়ল। বললে, এরপর সিনেমার হিরোইনদের মতো গান গাইতে বলবেন না তো?

    বললেই বা আপত্তি কিসের?

    নাটক আমি পছন্দ করি শুধু স্টেজে, প্রতিদিনকার জীবনে নয়।

    লালজি একটা নতুন সিগারেট ধরাল। বলল, আপনার বয়স অল্প, তাই এ—কথা বলছেন। বয়স বাড়লে, অভিজ্ঞতা বাড়লে বুঝতে পারবেন, জীবনের চেয়ে বড় নাটক আর নেই। জীবনে এক একটি মুহূর্ত আসে, যা সমস্ত হিসেবে—নিকেশের বাইরে। তাই নিয়েই তো স্টেজের জন্যে নাটক লেখা হয়।

    সেটা স্টেজেই ভাল লাগে। তার বাইরে সেটা ন্যাকামি বলেই মনে হয়।

    ধোঁয়া ছাড়তে ছাড়তে লালজি বললে, আমারও তাই মনে হত। কিন্তু নাটক আমরা মানি আর না মানি, নিয়তি বলে এক অদৃশ্য নাট্যকার আছেন, তাকে মানতেই হবে। ধরুন, আপনার—আমার আলাপটা—এও খানিকটা নাটকীয় নয় কী? আর এই নাটকের পরিণতি কোথায় সেই অদৃশ্য নাট্যকার ছাড়া আর কে বলতে পারে?

    এবার শিলার কাছ থেকে কোনো জবাব এল না।

    লালজির কণ্ঠ কেমন যেন উদাস। ঠিক এভাবে লালজিকে কথা কইতে আগে সে শোনেনি। কিন্তু লালজি—শিলার আলাপটা নাটকীয় নয়, নাটকীয় হয়ে দাঁড়াবে হয়তো এর পরিণতি। সে—পরিণতি কি অদৃশ্য নাট্যকার ছাড়া আর কেউ সত্যিই জানে না?

    জানে বইকি, শিলা জানে। কি আসে যায় তার, যদি সেই পরিণতি ভয়ঙ্কর বিয়োগান্ত হয়? শিলা কি জানে না, লালজি কে? সে কি জানে না লালজি একজন ভদ্রবেশী প্রতারক—সমাজের শত্রু—চারশো বিশ ধারার আসামি!

    সুতরাং কি আসে যায় শিলার?

    কিন্তু কিছুই কি আসে যায় না? কে যেন তার কানে কানে বলল, মিথ্যা বলো না শিলা। আগুন নিয়ে খেলতে খেলতে কোনো এক অসতর্ক মুহূর্তে তোমার নিজের আঁচলেও আগুন ধরেছে, একথা কি তুমি অস্বীকার করতে পারো? অস্বীকার করতে পারো কি, লালজির জীবন—নাটকের পরিণতির সঙ্গে তোমারও হাসি—কান্না, আনন্দ—বেদনা অনেকখানি জড়িয়ে গেছে?

    শিলার ভাবনা সভয়ে স্তব্ধ হয়ে গেল। মনে মনে বারবার সে জপ করতে লাগল, সেন্টিমেন্টের চেয়ে কর্তব্য বড়, হৃদয়াবেগের চেয়ে বড় কর্তব্যনিষ্ঠা

    মিনিট পনেরো চুপচাপ কাটান।

    অন্ধকারেব মুখ দেখা যায় না। তবু বৈশাখী—সন্ধ্যার ঝোড়ো আকাশের তলায় দু’জনে দু’জনের উপস্থিতি সমস্ত চেতনা দিয়ে অনুভব করছে।

    এক সময় লালজি কথা বললে, আচ্ছা কী নামে আপনাকে ডাকা যায় বলুন তো?

    কেন, বাপ—মা কি আমার কোনো নাম রাখেননি?

    সে তো আমারও বাপ—মা রেখেছেন, কিন্তু আপনি ডাকেন কেন মিস্টার বলে?

    যে—কোনো ভদ্রলোককে মিস্টার বলেই ডাকা হয়, তাই।

    সে তো সকলের জন্যে। শুধু একজনের জন্যে যে নাম, আমি তার কথাই বলছি।

    বেশ তো, সে—নাম তাহলে একজনই ঠিক করুন।

    লালজি সোজা হয়ে উঠে বসল। শিলার দিকে তাকিয়ে অল্প হেসে বললে, আমি তোমাকে ডাকব মৌসুমি বলে।

    শিলা আস্তে আস্তে বললে, মানে যাই হোক, নামটা অদ্ভুত বটে।

    লালজি বলতে লাগল, মৌসুমি বাতাস আনে রুক্ষ মাটির বুকে নতুন সম্ভাবনার ইঙ্গিত—নবীন ফসলের আশা।

    তারপর কানে কানে বলার মতো আবছা গলায় লালজি উচ্চারণ করলে, আমার জীবনে তাই তুমি মৌসুমি।

    আকাশে নতুন মেঘ উঠলে তৃণে তৃণে যেমন শিহরণ লাগে, তেমনি করে শিলার দেহের প্রত্যেকটি স্নায়ু শিহরিত হতে লাগল। একটু আগে কে জানত, মেঘছায়াঘন সন্ধ্যার আকাশের তলায় বসে পুরুষের মুখ থেকে মধুর কপোত—কূজনের মতো প্রিয় নামের ডাকটি শোনার লগ্ন তার জীবনে আজই আসবে! জীবনটা সত্যিই নাটক নয় কি?

    সমস্ত মনের জোর দিয়ে শিলা বার বার নিজেকে বলতে লাগল, সেন্টিমেন্টের চেয়ে কর্তব্য বড়, হৃদয়াবেগের চেয়ে বড় কর্তব্যনিষ্ঠা।

    লালজি বললে, আচ্ছা মৌসুমি, পাপ—পুণ্য, স্বর্গ—নরক—এ সবে তুমি বিশ্বাস কর?

    করি বইকি। শতকরা নিরানব্বই জন বিশ্বাস করে।

    পাপ কাকে বল তোমরা?

    পরের ক্ষতি করাটাই পাপ।

    কিন্তু সে ক্ষতি দিয়ে যদি আরেকজনের উপকার হয়?

    তবুও সেটা পাপ। তার জন্যে শাস্তি পাওয়াই উচিত।

    লালজি চুপ করে রইল। একটু পরে বললে, তোমার মতের সঙ্গে আমার মত মিলল না মৌসুমি। তবু তোমার কথাই হয়তো সত্যি।

    শিলা বললে, চলুন, এবার উঠি।

    আরও কিছুক্ষণ বসো মৌসুমি। আজকের পর আরও অনেক সন্ধ্যা আমাদের জীবনে আসবে, —কিন্তু এই সন্ধ্যাটা আর আসবে না। তুমি নিয়তি মান মৌসুমি?

    শিলা জবাব দিলে, মানি।

    লালজি বললে, আজকের সব কিছুই নিয়মির চক্রান্ত—সেই অদৃশ্য নাট্যকারের খেলা! এতে তোমার আমার কোনো হাত নেই মৌসুমি।

    শিলা আবার বললে, রাত হল। এবার যাই।

    আর একটু বসো।

    পশ্চিমী মেঘের জটলা আরও ঘন হয়ে উঠেছে। নির্জন হয়ে এসেছে মেমোরিয়ালের চারপাশ। অন্ধকার ছায়ামূর্তির মতো দু’জনে দু’জনের দিকে তাকিয়ে বসে আছে স্তব্ধ হয়ে। অন্ধকারে চেনা যায় না, কিন্তু জানা যায়। জানা যায় যে, দুটি হৃদয় পরস্পরকে স্পর্শ করেছে।

    লালজি যেন হঠাৎ স্বপ্নে কথা কয়ে উঠল : মানুষকে কতখানি ঘৃণা করো মৌসুমি?

    অনেক।

    আর, কতখানি ভালোবাসো?

    অনেক?

    যাকে ঘৃণা করা উচিত, তাকে ভালোবাসতে পারো না?

    কি একটা আবেগেব বাষ্প শিলার বুকের ভেতর ঠেলে উঠছিল। অন্ধকারে বোঝা গেল না তার চোখে জল কিনা। ধরা গলায় জবাব দিলে, কি হবে সে—কথা জেনে?

    তারপর চঞ্চল হয়ে দাঁড়িয়ে উঠে বললে, কিন্তু আর নয়। এবার ঝড় উঠবে।

    ঝড় সত্যিই উঠল। লালজি উঠে দাঁড়াবার আগেই বেজে উঠল নটরাজের গুরু গুরু ডমরুধ্বনি। অন্তরীক্ষে যেন কোনো উন্মাদিনী ললাটে সোনার কঙ্কণ হেনে হাহাকার করে উঠল। আর তারই কঙ্কগাঘাতে স্বর্ণবর্ণ বিজলী শিখায় ঝলসে গেল দিগদিগন্ত।

    তারপর নেমে এল বড় বড় অশ্রুর ফোঁটার মতো বৃষ্টির ধারা।

    ঝড়ে বিপর্যস্ত শিলাকে একহাতে জড়িয়ে, বৃষ্টিতে অন্ধ হয়ে হোঁচট খেতে খেতে সিক্তবাসে লালজি যখন গাড়িতে এসে উঠল, ঝড়ের তাণ্ডব তখন একটু কমে এসেছে।

    গাড়ি ছেড়ে দিল।

    নতুন বৃষ্টি আর ফরাসি ল্যাভেন্ডারের হালকা অথচ মিষ্টি সুগন্ধে গাড়ির ভেতরকার বাতাস মূছিত হয়ে আছে যেন।

    লালজি আস্তে আস্তে ডাকলে, কথা কইছো না যে মৌসুমি?

    পিছনের সিটে হেলান দিয়ে শিলা ঝড়ে ছিন্নমূল পুষ্পলতার মতো শ্রান্ত অবসাদে চোখ মুছে বসে ছিল। অস্পষ্ট স্বরে বললে, একটু চুপ করে থাকতে দাও আমাকে।

    একখানি হাত বড় স্নেহে, বড় আদরে আর একটি হাতকে ধীরে ধীরে স্পর্শ করলে।

    .

    ঠিক সেই সময় আন্দ্রেকে পার্ক স্ট্রিট থানায় অফিসার গুপ্তের কামরায় ঢুকতে দেখা গেল।

    অফিসার গুপ্ত তখন রিপোর্ট লিখছেন। বিদেশি আগন্তুক দেখে মুখ তুলে জিজ্ঞাসা করলেন, ইয়েস—হোয়াট ক্যান আই ডু ফর ইউ, জেন্টলম্যান?

    আন্দ্রে একটু হেসে সাদা বাংলায় বললে, এক কাপ কড়া চা ফরমাস করো গুপ্ত।

    মাই গড! বিশু!

    রুমাল দিয়ে মাথা মুছতে মুছতে বিশু বললে, তাহলে পুলিশের চোখেও ধুলো দিতে পেরেছি, কি বলো?

    বিলক্ষণ। কিন্তু এই ঝড়—বৃষ্টি মাথায় করে হঠাৎ থানায় যে?

    কোটটা খুলে চেয়ারের পিঠে রেখে বিশু বললে, এসে যখন পড়েছি, তখন রাতটা এখানেই কাটিয়ে দেওয়া যাক।

    গুপ্ত বললেন, বেশ, কিন্তু আর কিছুক্ষণ পরে ঝড় থেমে যাবে বলে মনে হচ্ছে।

    একখানা চেয়ারে বসে আরেকটায় আরাম করে পা তুলে দিল বিশু। বললে, ঝড় থামলেও আমাকে এখানেই থাকতে হবে আজ।

    দুই চোখে কৌতূহল নিয়ে গুপ্ত প্রশ্ন করলেন, কেন বলো দেখি?

    আজ রাতে রমলার কাছ থেকে একটা জরুরি টেলিফোন আশা করছি। অবশ্য আর আগে তাকেই একবার ফোন করার দরকার। বিশু রিসিভারটা তুলে নিলে।

    .

    হোটেলের সিঁড়ি দিয়ে উঠতে উঠতে দু’হাত দিয়ে শিলা এলোমেলো ভিজে চুলগুলি যথাসম্ভব বিন্যস্ত করে নিল।

    লালজি নিচু গলায় বললে, লেডি মুখার্জি যদি জিজ্ঞাসা করেন এমন চেহারা হল কেন, কি বলবে শুনি?

    বাঁকা চোখে একবার তার দিকে তাকিয়ে শিলা নিচু গলায় বললে, বলব, ডাকাতে ধরেছিল। তারপর লালজিকে পিছনে ফেলে দ্রুতপায়ে এগিয়ে গেল ছ’নম্বর কামরার দিকে।

    ন’নম্বর ঘরে যেতে হলে ছ’নম্বর কামরা পার হতে হয়। মৃদু শিস দিতে দিতে লালজি এগোল। যদি সে গাইতে পারত! অন্তত একটা দিনের জন্যে তার কণ্ঠে যদি সুরের বন্যা বয়ে যেত, লালজি তাহলে প্রাণের আনন্দ পরিপূর্ণভাবে প্রকাশ করতে পারত আজ। অন্ধকার রাত্রে জীবনকে সে বহুরূপে দেখেছে, কিন্তু আজকের এই মেঘগহন রাত্রির আকাশের তলায় শিলার সঙ্গে একত্রে জীবনের যে রূপ সে প্রত্যক্ষ করেছে, তা বিচিত্র, আশ্চর্য অপরূপ!… প্রণাম তোমায় হে অদৃশ্য নাট্যকার, লালজিকে তুমি জীবনের পরমসুন্দর রূপের সন্ধান দিয়েছ বলে।

    এলোমেলো ভিজে চুল, অসংযত পদক্ষেপ আর মুখে বিচিত্র হাসি নিয়ে লালজি ন’নম্বর কামরায় ঢুকল।

    কিন্তু ও কে? অন্ধকার ঘরে বৃষ্টির ঝাপটা আর হু হু হাওয়া অগ্রাহ্য করে খোলা জানালার পাশে পিছন ফিরে পাথরের মূর্তির মতো স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে?

    কে?

    লালজি সুইচ টিপে দিল। ভেসে গেল ঘর স্পষ্ট প্রখর আলোর বন্যায়।

    আমি। জানালার পাশে মূর্তিটি ঘুরে দাঁড়াল।

    লালজির বিস্ময়ের সীমা রইল না।

    জোহরা তুমি! হঠাৎ যে?

    তোমার সঙ্গে বোঝাপড়া করতে এসেছি!

    মর্মর পাথরের মতো মসৃণ মুখ পাথরের মতোই কঠিন। দুই চোখে আগুন জ্বলছে!

    বোঝাপড়া! কিসের?

    কোথায় ছিলে এতক্ষণ? কার সঙ্গে ছিলে?

    লালজির মুখ গম্ভীর হয়ে উঠল।

    কৈফিয়ত চাও নাকি জোহরা?

    যদি চাই, সেটা আমার দাবি লাল।

    আজ তোমার কি হয়েছে বলো তো?

    সে—কথা পরে। আগে বলো, কোথায় ছিলে তুমি—কে ছিল সঙ্গে?

    অধিকারের বাইরে যেও না জোহরা। আমি জবাব দেব না।

    জানালার পাশ থেকে সোজা এগিয়ে এল জোহরা। দাঁড়াল লালজির মুখোমুখি। বললে, তুমি জবাব না দিলেও ক্ষতি নেই। আমি জানি, সন্ধেবেলা থেকে তুমি কার সঙ্গে বিহার করছিলে। সে তোমার নতুন প্রিয়তমা, দিল কি রানি, জাদুকরী শিলা জোহরা নিঃশব্দে হাসলে। ধারালো ছুরির ফলার মতো ধারালো ব্যঙ্গের হাসি।

    এক মুহূর্ত লালজি স্তব্ধ হয়ে রইল। তারপর বললে, জানো যদি তবে প্রশ্ন করেছিলে কেন?

    দেখছিলুম কতটা লুকোচুরি তুমি খেলতে পারো।

    লুকোচুরি কিসের?

    তোমার প্রেমের লালজি—তোমার প্রেমের!

    জোহরার চোখদুটি ধারালো ছুরির ফলার মতো আবার ঝিকমিকিয়ে উঠল।

    আমি জানি, শিলার সঙ্গে তোমার প্রেমের লুকোচুরি চলছে অনেক দিন থেকেই। সেই যেদিন হোটলের এই কামরা থেকে শিলাকে বেরিযে যেতে দেখেছিলাম, সেইদিন থেকেই। অথচ সেদিন তোমায় জিজ্ঞাসা করেও পরিষ্কার জবাব পাইনি। কিন্তু আজ সব পরিষ্কার হয়ে গেছে— দিনের আলোর মতো।

    দুই হাত পিছন দিকে একত্র করে লালজি স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে ছিল। জোহরা লক্ষ করলে দেখতে পেত তার চোয়ালের হাড় দৃঢ় রেখায় পরিস্ফুট হয়ে উঠেছে। দুই চোখ বজ্রগর্ভ।

    জোহরার দৃষ্টি সেদিকে ছিল না। বিষাক্ত হাসি ছড়িয়ে সে তখন বলে চলেছে, তারপর, প্রেমিক সাজাহান, কবে শাদি করছ তোমার মমতাজকে? কবে যাচ্ছ কাশ্মীর? চাঁদনি রাতে তোমার বেগমকে বুকে নিয়ে নীল দরিয়ার জলে ভাসতে ভাসতে প্রেমের খোয়াব দেখতে কবে যাচ্ছ শুনি?

    শান্ত গম্ভীর গলায় অত্যন্ত ধীরে ধীরে লালজি বললে, তুমি যদি পুরুষ হতে জোহরা আর একটি কথা বলবার আগেই তোমাকে আমি চাবুক মারতাম।

    আগ্নেয়গিরির মতো ফেটে পড়ল জোহরা। দুই হাতে শাড়ির আঁচল বুকের ওপর থেকে সরিয়ে উন্মত্তের মতো সে বলে উঠল, বেশ, মারো—মারো চাবুক আমার বুকে, মিটে যাক আমার বুকের দরদ। একেবারে শেষ করে দাও আমাকে!… কিন্তু তোমাকেও আমি শান্তিতে বাঁচতে দেব না লাল। ভুলে যেও না, আমার শরীরে বিষাক্ত তাতারি খুন আছে। প্রাণ থাকতে আমি অন্য কোনো আওরাতের হাতে তোমাকে তুলে দিতে পারব না।

    চকিতে টেবিলের ওপর থেকে জোহরা চায়না গ্লাসের প্রকাণ্ড ফুলদানিটা তুলে নিলে।

    আমি মরবার আগে, জেনে রাখো লাল, তোমাদের দু’জনের মহব্বত এমনি টুকরো টুকরো করে দিয়ে যাব—

    ঝন ঝন শব্দে চায়না গ্লাসের ফুলদানিটা মেঝের ওপর পড়ে চুরমার হয়ে গেল।

    আর জানলার শার্সিতে আছড়ে পড়ল ঝড়ের হাহাকার।

    জোহরার দুই কাঁধ দৃঢ় মুষ্টিতে ধরে লালজি বলে উঠল, কী করছ তুমি জোহরা? থামো—চুপ করো—

    চুপ আমি করব না।

    বলছি চুপ করো!

    উন্মাদিনীর মতো জোহরা চীৎকার করে উঠল, না—না—না! আমাকে আর চুপ করাতে পারবে না লাল।

    দাঁতে দাঁত চেপে লালজি বললে, তোমার স্পর্ধার সীমা ছাড়িয়ে যাচ্ছে জোহরা।

    তোমারও নিষ্ঠুরতা সীমা ছাড়িয়ে গেছে লাল।

    একটা ঝাঁকানি দিয়ে জোহরা লালজির হাত থেকে নিজেকে সরিয়ে নিল। বলতে লাগল, কোনোদিন আমাকে তুমি ভালবাসতে পারোনি, তা জানি। কিন্তু তাই বলে অন্য মেয়ের সঙ্গে তুমি ভালবাসার খেলা খেলবে, আর দিনের পর দিন আমি চোখ মেলে তাই দেখব—এ তুমি স্বপ্নেও ভেব না লাল। আমি যা পাইনি, খোদা কসম, অপরকেও তা পেতে দেব না—কিছুতেই না। তোমার শিলা, তোমার পেয়ারের রাণির কাছে তোমার মুখোশ আমি খুলে দেব… জানিয়ে দেব, তুমি কত বড় ঠগ, ধাপ্পাবাজ, জুয়াচোর—

    তুমি কি বলছ, তুমি জানো না জোহরা!

    জোহরা তবু বলে চলল, তোমার কীর্তির কথা একে একে সব বলব তাকে! বলব, তুমি রাজারামের দোকান থেকে গহনা ঠকিয়ে নিয়েছ—

    সচকিত হয় লালজি বলে উঠল, চুপ!

    জোহরার গলা আর এক পর্দা চড়াল : আমাকে জাল অপর্ণা সাজিয়ে তুমি ফাঁকি দিয়ে ইন্সিওর কোম্পানির পনেরো হাজার টাকা মেরেছ—

    জোহরা!

    আমাকে দিয়ে ফন্দি করে এই সেদিন কুঞ্জ বিশ্বাসের কাছ থেকে দশ হাজার টাকা আদায় করে নিয়েছ—

    লালজির ডান হাতখানা সাপের মতো নিঃশব্দে এগিয়ে যাচ্ছিল জোহরার নরম গলার দিকে, কিন্তু তার আগেই নিমেষে সজাগ হয়ে উঠল তার ষষ্ঠ ইন্দিয়।

    দরজার বাইরে কার লঘু পদশব্দ মিলিয়ে গেল না?

    লালজি হতচেতনের মতো দাঁড়িয়ে রইল এক সেকেন্ড। হঠাৎ যেন সম্বিৎ ফিরে পেয়ে চাপা উদ্বেগের স্বরে বললে, এখানে আর এক মুহূর্তও থেকো না জোহরা। বাথরুমের পাশে মেথর যাবার ঘোরানো সিঁড়ি— এখুনি পালিয়ে যাও।

    লালজির মুখের দিকে তাকিয়ে জোহরার সর্বাঙ্গ হিম হয়ে এল। লালজির একখানা হাত আঁকড়ে ধরে রুদ্ধশ্বাসে বলে উঠল, তোমায় ছেড়ে আমি পালাব না লাল।

    কথা শোনো জোহরা—বিপদ বাড়িয়ো না।

    চাপা কান্নায় জোহরার ঠোঁট দুটি থর থর করে কেঁপে উঠল। ব্যাকুল হয়ে বললে, আসুক বিপদ, তোমায় একা ফেলে যাব না—

    আঃ জোহরা—যাও বলছি।

    জোহরাকে বাথরুমের দিকে ঠেলে দিয়ে লালজি শুধু বললে, দশটায় তোমার নাচের প্রোগ্রাম। আবার দেখা হবে।

    খোলা জানালা পথে হু হু করে দীর্ঘশ্বাস ফেলে গেল ঝড়ের হাওয়া।

    ঘোরানো সিঁড়ি দিয়ে জোহরা নেমে যেতেই খাটের গদির তলা থেকে কি—একটা বস্তু নিয়ে লালজি পকেটে পুরল। তারপর দ্রুতপদে গিয়ে ঘরের দরজাটা খুলে ফেললে একটানে।

    রাত দশটার পর হোটেলের করিডরে সবগুলি বাতি নিভিয়ে দেওয়া হয়। শুধু লবির মুখে একটিমাত্র বাতি জ্বলে।

    সেই আবছা অন্ধকারে এদিক—ওদিক তাকিয়ে লালজি ভাবলে, তবে কি সে ভুল করেছে? সে যা শুনেছে, তা কি পায়ের আওয়াজ নয়? ঝোড়ো হাওয়ার শব্দ?

    সহসা তার সমস্ত চেতনা রিমঝিম করে উঠল হালকা অথচ মিষ্টি একটা সুগন্ধে।

    গন্ধটা ফরাসি ল্যাভেন্ডারের। আর সঙ্গে সঙ্গে শিকারি কুকুর যেমন শত্রুর গন্ধ শুঁকতে শুঁকতে এগিয়ে চলে, করিডরের আবছা অন্ধকারে লালজিও তেমনি করে নিঃশব্দে এগোতে লাগল।

    .

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদেরি হয়ে গেছে – প্রচেত গুপ্ত
    Next Article মহাভারতের মহারণ্যে – প্রতিভা বসু
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }