Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দশটি রহস্য উপন্যাস – প্রণব রায়

    প্রণব রায় এক পাতা গল্প1004 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বহুরূপী – ৮

    ৮

    আলো আঁধারিতে ঠিক চেনা যাচ্ছিল না মেয়েটি কে। লবির একপ্রান্তে দাঁড়িয়ে টেলিফোনের রিসিভার তুলে মেয়েটি চাপা গলায় কথা বলছিল।

    হ্যালো… পার্ক স্ট্রিট থানা? … কে, বিশুদা? হ্যাঁ, শুনুন, এখুনি আপনারা হোটেলে চলে আসুন… যত শিগগির পারেন… আমি রমলা কথা বলছি। লালজির ঘরে দু’জনেই আছে… আপনার কথামতো দরজার বাইরে থেকে সবই শুনতে পেয়েছি… কী হল? হ্যালো… হ্যালো…. শুনুন…. শুনছেন…

    হঠাৎ পেছন থেকে কে বলে উঠল, কেউ শুনতে পাবে না।

    চকিতে শিলা ঘুরে দাঁড়াল। অস্পষ্ট অন্ধকারে লালজির চোখ দুটো হায়েনার মতো জ্বলছে।

    শব্দ করে হেসে লালজি বললে, কেন বৃথা পরিশ্রম করছ শিলা দেবী—ওরফে রমলা? টেলিফোনের তার আমি কেটে দিয়েছি।

    কলের পুতুলের মতোই রমলা রিসিভারটা ধীরে ধীরে নামিয়ে রাখল। পিছনের দুই হাত মুষ্টিবদ্ধ করে তার সামনে দাঁড়িয়ে আছে লালজি! সিঁড়ির মুখের আলোটা তেরছাভাবে এসে পড়েছে ওর দুই চোখের ওপর। রমলা তাকিয়ে দেখলে, অন্ধকারে যেন দু’টুকরো ফসফরাস জ্বলছে!

    দু’জনে দু’জনের দিকে চেয়ে রইল কয়েক মুহূর্ত। বাইরে ঝড়ের বেগ বাড়ছে।

    গলায় বিষ—মাখানো ব্যঙ্গ নিয়ে লালজি বললে, বাঃ! চমৎকার তোমার অভিনয়। বাস্তবিক, আমার হাততালি দিতে ইচ্ছে হচ্ছে। বাংলার মাতাহারি, তোমার জয় হোক!… উঁহু, এক পা নাড়ো না।

    চকচকে উজ্জ্বল একটা বস্তু লালজির পকেট থেকে ডান হাতে এল।

    আমার এই অটোমেটিক পিস্তলে সাইলেন্সার লাগানো আছে। তোমাকে যদি এখন গুলি করি, কেউ জানবে না—কেউ শুনবে না। নিঃশব্দে কাজ হয়ে যাবে।

    রমলা যেন পাথর।

    পিস্তলটা লালজি পকেটে পুরলে। তারপর বললে, না, গুলি এখন তোমায় করব না। তোমার আমার শেষ বোঝাপড়া এখনও বাকি। তার আগে তোমাকে মারা ঠিক হবে না।

    এক পা এগিয়ে লালজি রমলার দুই কাঁধ মুঠো করে ধরলে। তারপর সাপের হিসহিস আওয়াজের মতো চাপা অথচ তীব্র কণ্ঠে বলে উঠল, কেন—কেন একাজ করলে? বলো, কেন? কিসের লোভে?

    লালজির বলিষ্ঠ হাতের শক্ত থাবার চাপে রমলার মুখ যন্ত্রণায় নীল হয়ে উঠল। প্রাণপণ চেষ্টায় সে জবাব দিলে, একটা জোচ্চেচার—একটা জালিয়াতকে ধরিয়ে দেওয়া আমার কর্তব্য।

    ও! একটা জোচ্চেচার, একটা জালিয়াত!

    লালজির হাতের মুঠি খসে এল রমলার কাঁধ থেকে।

    কিন্তু আজকের দুনিয়ার কে জোচ্চেচার নয় বলতে পারো? ভাই ঠকাচ্ছে ভাইকে, ধনী ঠকাচ্ছে গরিবকে, মনিব ঠকাচ্ছে চাকরকে, ধর্মযাজক ঠকাচ্ছে ধর্মভীরুকে, দেশের মন্ত্রী ঠকাচ্ছে প্রজাসাধারণকে। তোমার কর্তব্য কি শুধু একা আমার জন্যে রমলা?

    শুকনো গলায় রমলা বললে, এ ছাড়া আর কোনো উপায় ছিল না আমার। সমাজের কাছে, আইনের কাছে তোমার মতো ক্রিমিনালের শাস্তি পাওয়া উচিত।

    তিক্ত কণ্ঠে লালজি বলে উঠল, সমাজ! কোন সমাজ? যে সমাজ গরিবকে অন্ন দেয় না, মানুষকে সৎপথে চলতে দেয় না, ভদ্রভাবে বেঁচে থাকবার অধিকার দেয় না,সেই সমাজের মুখ চেয়ে তুমি বলছ, এ ছাড়া আর কোনো উপায় ছিল না? চমৎকার যুক্তি!… শোনো রমলা, আমার মতো ক্রিমিনাল যারা তোমাদের সমাজকে তোমাদের আইনকে তারা থোড়াই কেয়ার করে! কিন্তু সত্যি করে বলো তো রমলা, তোমাদের সমাজে—তোমাদের আইনে কোনো উপয়াই কি ছিল না, অসৎ পথ থেকে আমাকে সরিয়ে আনার—আমার জীবনকে ভদ্র সুন্দর করে তোলার?

    রমলা স্তব্ধ।

    লালজি বলে চলল, যে সমাজে শুধু শাসন আছে, স্নেহ নেই—ঘৃণা আছে, ভালোবাসা নেই—সে সমাজের কথা মুখে আনার আগে লজ্জায় তোমার মাথা হেঁট হয়ে যাওয়া উচিত ছিল রমলা। আগুন ধরিয়ে দাও সে সমাজে—ছাই হয়ে যাক পুড়ে।

    স্থির কণ্ঠে রমলা বললে, সমাজকে চিরদিন কঠোর হতে হয়। নইলে শৃঙ্খলা থাকে না—শান্তি থাকে না।

    বন্ধ করো—বন্ধ করো তোমার ওই শান্তি আর শৃঙ্খলার ধাপ্পাবাজি। আমার চেয়েও ধাপ্পাবাজ তোমাদের সমাজ! যেখানে সততার দাম নেই, মনুষ্যত্বের দাম নেই, লাখো গরিবের জীবন নিয়ে যেখানে জুয়া খেলা হচ্ছে, সেখানে শান্তিই বা কি, আর শৃঙ্খলাই বা কিসের?

    লালজির চাপা বিদ্রূপের হাসিতে ঝড়ের বাতাস যেন কেঁপে উঠল। তারপর হাসি থামিয়ে অত্যন্ত শান্ত সহজ গলায় বললে, থাক এসব কথা। আজ তোমারও সময় নেই, আমারও নেই! এখুনি পুলিশ এসে পড়বে। জীবনে ঠিক এমনি করে দু’জনে মুখোমুখি দেখা হয়তো আর হবে না। তাই আজ শুধু একটা কথাই তোমায় জিজ্ঞাসা করি, তুমি জবাব দাও, মৌসুমি।

    ঝড়ে বাঁশপাতার মতোই থরথর করে কেঁপে উঠল রমলা। যন্ত্রণাবিদ্ধ অস্ফুট স্বরে বলে উঠল, ও নামে আর ডেকো না লাল—মিনতি করছি। মরে যাক—মৌসুমি মরে যাক—

    ম্লান মধু একটু হাসির রেখা দেখা দিল লালজির ঠোঁটের প্রান্তে। মাথা নাড়তে নাড়তে বললে, না। রমলারা মরে যায়—শিলারা মরে যায়, আমার মৌসুমি মরে না—কোনোদিন মরতে পারে না। কিন্তু জবাব দাও আমার প্রশ্নের। জানো, সমাজের আজ সবটাই মেকি। আমিও মেকি— তুমিও মেকি। কিন্তু আজ সন্ধ্যায় ঝড়ের আকাশের তলায় ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালের পাশে সেই একটি ঘণ্টা?

    বৃষ্টিসিক্ত একটা মস্ত বড় ফুলের মতোই রমলার অশ্রুধোয়া মুখখানা দুই হাতে তুলে ধরে অবরুদ্ধ আবেগে লালজি বললে, সেও কি মিথ্যে, মৌসুমি? সেও কি শুধু খেলা? এতটুকু সত্য কি ছিল না তার মধ্যে? বলো মৌসুমি—জবাব তোমায় দিতেই হবে, বলো—

    রমলার ঠোঁট দুটি স্ফুরিত হয়ে উঠল : একথা জানতে চেয়ো না, আজও সময় হয়নি!

    রমলার মুখখানা ছেড়ে দিয়ে লালজি বললে, বেশ জানতে চাইব না। আমার প্রশ্ন চিরদিন প্রশ্নই থেকে যাক। কিন্তু আমার কথাটা জেনে রাখো মৌসুমি, ভালোবাসা কি, আমি জানতাম না। জীবনে প্রথম তুমিই আমাকে ভালোবাসতে শিখিয়েছ একথা বলতে কোনো লজ্জা, কোনো কুণ্ঠা আমার নেই। আমার অন্ধকার ক্রিমিনাল—জীবন আজই সন্ধ্যায় মাত্র একটি ঘণ্টার জন্যে তুমি প্রদীপ জ্বেলে দিয়েছিলে। সে প্রদীপ ঝড়ে নিভে গেল। তবু তোমার কাছে আমি কৃতজ্ঞা মৌসুমি। … ওকি!

    বাইরের রাস্তায় মোটর থামার আওয়াজ! লবির জানলা দিয়ে মুখ বাড়াতেই লালজির বুঝতে দেরি হল না, জিপ গাড়িতে কারা। নিমেষে অটোমেটিক পিস্তল তার পকেট থেকে আবার বেরিয়ে এল হাতের ওপর। পলকে বদলে গেল লালজির কণ্ঠস্বর। চাপা কঠিন স্বরে বললে, পেছন ফিরে দাঁড়াও রমলা—এক পাও নড়বার চেষ্টা কোরো না। পিস্তলে আমার হাত সহজে ফসকায় না, জেনো।

    সিঁড়ির নীচ থেকে ভারী বুটের শব্দ আসছে।

    কলের পুতুলের মতো পিছন ফিরে দাঁড়িয়ে রইল রমলা লালজি বললে, পুলিশ এল বলো, তাদের চা খাওয়াতে পারলাম না বলে আমি দুঃখিত। সে ভারট তোমায় দিয়ে গেলুম।

    করিডরের আবছা অন্ধকারে লালজির মূর্তি অদৃশ্য হয়ে গেল।

    আর সেই মুহূর্তে সিঁড়ি দিয়ে উঠে এল অফিসার গুপ্ত আর বিশু। আর জনচারেক সাদা—পোশাকে কনস্টেবল। সঙ্গে সঙ্গে ফিরে দাঁড়িয়ে রমলা রুদ্ধ নিঃশ্বাসে বললে, লালজি পালিয়েছে!

    থমকে দাঁড়িয়ে অফিসার গুপ্ত বললেন, পালিয়েছে! কেমন করে? কোন দিক দিয়ে?

    তা দেখিনি। শুধু জানি, করিডরের দিকে গেছে।

    কিন্তু করিডর দিয়ে তো পালাবার কোনো রাস্তা নেই?

    বিশু বললে, আগে ন’নম্বর কামরাটা দেখা দরকার।

    ন’নম্বর ঘরের দরজা খোলাই ছিল। ঢুকতেই দেখা গেল, বাথরুমের দরজাটাও খোলা। পাশে মেথর যাতায়াতের ঘোরানো লোহার সিঁড়ি।

    সেই দিকে তাকিয়ে অফিসার গুপ্ত বলে উঠলেন, ইস! হাতের মুঠোয় এসে দু’জনেই নাগালের বাইরে চলে গেল।

    বিশুর কপালে রেখা দেখা দিল। বললে, নাগালের বাইরে হয়তো এখনও যায়নি। কিন্তু আর এক মুহূর্তও দেরি নয়—এসো গুপ্ত, এসো রমলা—

    .

    কফি—হাউসে জিপসী—নাচ সুরু হয়েছে।

    জোহরার এক হাতে ট্যাম্বুরিন, আর এক হাতে চকচকে ছোরা।

    অর্কেস্ট্রার তালে তালে তার সুঠাম দেহ সাপুড়িয়া বাঁশির সুরে বশ—করা বুনো সাপিনীর মতো কখনও বা হেলছে, দুলছে, কখনও বা দ্রুত লয়ে ঘূর্ণির মতো ঘুরছে। আর হলের উজ্বল আলোয় বিদ্যুতের মতো ঝলসে উঠছে তার চোখের তারা, হাতের ছোরা, তার ঘাঘরার জরি।

    কফি—হাউসে ভিড় আজ অসম্ভব রকম। উচ্ছ্বসিত তারিফের আর অন্ত নেই। মাতাল হয়ে উঠেছে সকলে নাচের নেশায়।

    হঠাৎ জোহরার দৃষ্টি পড়ল দূরে। হলে এসে দাঁড়িয়েছে আন্দ্রে। আন্দ্রে আজ দেরি করে ফেলেছে। কিন্তু তার পেছনে পেছনে এসে ঢুকল ওরা কারা? একজন পুলিশ—অফিসার, আর বাসন্তী রঙের শাড়ি পরা দীর্ঘচ্ছন্দ চেহারার ওই মেয়েটিকেই আজ সে সিনেমায় লালজির পাশে দেখেছে না? হ্যাঁ, সে—ই—জোহরার জীবনের রাহু শিলা!

    জোহরার হৃদস্পন্দন যেন মুহূর্তের জন্যে থেমে গেল। ওরা কেন এখানে? কেন এসেছে আন্দ্রের সঙ্গে? ওরা কে?

    তাল কেটে গেল জোহরার! দেখলে, আন্দ্রে তাদের সঙ্গে কি যেন কথা কইল, তারপর টেবিলের ধার দিয়ে, হলের থামের পাশ দিয়ে এগিয়ে আসতে লাগল তিনজনে।

    ভিড়ের মধ্যে আর একজন নিঃশব্দে লক্ষ করল তাদের। সে বয় ইয়াসিন।

    সাপের চোখের মতো ঝলসে উঠল জোহরার দুই চোখ। তার জ্বলন্ত দৃষ্টি তিরের মতো গিয়ে পড়ল শুধু শিলার ওপর।

    শিলা এগিয়ে আসছে আন্দ্রের পাশে।

    মিউজিকের লয় দ্রুত থেকে দ্রুততর হল। জিপসি জোহরা হেলছে, দুলছে—

    আরও এগিয়ে এল শিলা।

    আরও দ্রুত হল মিউজিক। জিপসি জোহরা ছোরা লুফছে—

    শিলা আসছে এগিয়ে।

    জিপসি মেয়ের ছোরায় খেলছে বিদ্যুৎ—

    হঠাৎ আন্দ্রে থেমে গিয়ে ধাক্কা দিল শিলাকে। আর সেই মুহূর্তে শিলার পাশ দিয়ে মৃত্যুর লকলকে জিহ্বার মতো চকচকে ছোরাখানা একটা কাঠের থামের গায়ে গিয়ে বিঁধল।

    নাচের নতুন ঢং ভেবে চিৎকার করে তারিফ জানাল জনতা।

    আন্দ্রে আবার এগিয়ে যেতেই সজোরে ধাক্কা লাগল কফির ট্রে সমেত বয় ইয়াসিনের সঙ্গে। আন্দ্রে টাল সামলে নেবার আগেই থামের ওপর দিয়ে অফিসার গুপ্ত দ্রুতপায়ে এগোলেন স্টেজের দিকে।

    চোখের নিমেষে পকেট থেকে একটা কাচের বাল্ব বের করে ইয়াসিন ফেলে দিলে মেঝের ওপর। বিস্ফোরণের আওয়াজের সঙ্গে সঙ্গে গাঢ় কুয়াশার মতো ঘন সাদা ধোঁয়ায়া ঢেকে গেল স্টেজের সামনেটা।

    সেই ধোঁয়ার পর্দার দিকে অফিসার গুপ্ত রিভলভার তুলে ধরতেই আন্দ্রে তার হাত চেপে ধরে বললে, আন্দাজে ফায়ার করে নিরীহ লোক মোরো না—এসো আমার সঙ্গে।

    রুমালে নাক চেপে তিনজনে ধোঁয়ার পর্দার আড়ালে হারিয়ে গেল।

    এই আকস্মিক বিপর্যয়ে হলের মধ্যে তখন প্রলয়কাণ্ড শুরু হয়ে গেছে। ভীত—সন্ত্রস্ত জনতা পালাবার অন্ধ চেষ্টায় পরস্পরকে শুধু দলিত পিষ্ট করে ফেলেছে। বেরোবার পথ খোলা নেই। সারা বাড়িটা ঘেরাও করেছে পুলিশ।

    কিন্তু লালজি কোথায়—এই প্রলয়—নাট্যের নায়ক যে?

    .

    ধোঁয়ার পর্দার ওপারে চলুন। রহস্য—যবনিকার অন্তরালে।

    রমলার হাত ধরে টানতে টানতে, অফিসার গুপ্তকে সঙ্গে নিয়ে আন্দ্রে যেখানে এসে পড়ল, সেখানে গ্রিণ—রুমে যাওয়ার দরজা। তার পাশ দিয়ে দোতলায় ওঠার কাঠের সিঁড়ি।

    আন্দ্রে বলল, ওপরে চলো।

    কিন্তু দুটো ধাপের বেশি ওঠা গেল না। তার আগেই সিঁড়ির ওপরের বাতিটা গেল নিভে, আর অন্ধকারে নিঃশব্দে একটা গুলি এসে লাগল কাঠের রেলিং—এ আর একটা এসে বিঁধল আন্দ্রের বাঁ—কাঁধে।

    ফায়ার! চিৎকার করে উঠল আন্দ্রে। সঙ্গে সঙ্গে অফিসার গুপ্তের হাতের রিভলভার গর্জন করে উঠল ওপরের দিক লক্ষ্য করে।

    সিঁড়ির মাথায় উঠলে তখন দেখা যেত, জোহরার ঘরের সামনে কাঠের রেলিং—এর অন্ধকারে বন্য শ্বাপদের মতোই আত্মগোপন করে বসে আছে লালজি। হাতে অটোমেটিক পিস্তল নীচের দিকে লক্ষ্য করা। পেছনে দাঁড়িয়ে জোহরা—পাথরের মূর্তির মতো স্থির।

    নীচের থেকে শোনা গেল আন্দ্রের কণ্ঠস্বর : সারেন্ডার, লালাজি! আর কোনো উপায় নেই তোমার!

    উত্তরে লালজির পিস্তলের মুখ থেকে আরেকবার আগুন বেরোল!

    সঙ্গে সঙ্গে নীচের থেকে প্রত্যুত্তর দিলে অফিসার গুপ্তের রিভলভার। ঝনঝন শব্দে চুরমার হয়ে গেল জোহরার জানলার শার্সি!

    আবার আন্দ্রের গলা শোনা গেল : এখনও সময় দিচ্ছি সারেন্ডার!

    ড্যাম ইট!—অটোমেটিকের মুখ দিয়ে আবার আগুন বেরোল। সঙ্গে সঙ্গে জবাব দিল গুপ্তর রিভলভার।

    চাপা গলায় লালজি বললে, পিস্তলে আর দুটো গুলি আছে মাত্র—এই বেলা তুমি ছাদ দিয়ে পালবার চেষ্টা করো জোহরা।

    জোহরা শুধু বললে, তোমায় ছেড়ে পালাব না।

    কথা শোনো জোহরা, এখনও সময় আছে।

    না।

    সিঁড়ির তলা থেকে একটা গুলি এসে বিঁধল কাঠের রেলিং—এ। সঙ্গে সঙ্গে অটোমেটিকের মুখেও আগুন দেখা দিল।

    নীচ থেকে আন্দ্রে বললে, আর দু’মিনিট সময় দিচ্ছি লালজি—সারেন্ডার!

    দাঁতে দাঁত চেপে লালজি কুৎসিত একটা গালাগালি দিল।

    অফিসার গুপ্তর রিভলভার আবার গর্জন করে উঠল।

    আন্দ্রে বললে, সার্জেন্ট জোনসের কাছে টর্চ আছে রমলা—শিগগির—

    লালজির কপালে বিন্দু বিন্দু ঘাম দেখা দিয়েছে। ক্লান্ত পশুর মতো হাঁফাতে হাঁফাতে সে বললে, আরও গুলি আনা উচিত ছিল—কুকুরগুলো যে এখানেও পিছু নেবে ভাবতে পারিনি।

    নীচ থেকে আন্দ্রে আবার চিৎকার করে উঠল, শেষবার বলছি, লালজি সরেন্ডার! ওয়ান—টু—

    তিনের আগেই লালজির অটোমেটিক শেষবার আগুন উদগার করলে। তারপর বিদ্যুৎবেগে দাঁড়িয়ে উঠে, জোহরার হাত ধরে টেনে বললে, চলো—

    দোতলায় সিঁড়ির মুখ পার হয়ে ছাদে যাবার রাস্তা। অন্ধকারে দুজনে নিঃশব্দে সেদিকে পা বাড়াতেই হঠাৎ টর্চের এক ঝলক আলো এসে পড়ল তাদের ওপর।

    চিৎকার করে উঠল আন্দ্রে, ফায়ার!

    পলাতক আসামিকে লক্ষ্য করে গুপ্তর রিভলভার গর্জে উঠল। কিন্তু তার আগেই চোখের নিমেষে লালজিকে আড়াল করে দাঁড়িয়েছে জোহরা।

    মর্মন্তিক যন্ত্রণায় সাপের মতো কুণ্ডলী পাকিয়ে ঘুরে পড়ে গেল সে। টকটকে লাল তাতারি রক্তে ভিজে গেল জিপসি মেয়ের বুকের কাঁচুলি। সেইদিকে একবার তাকিয়ে হাতের পিস্তল ফেলে লালজি বলে উঠল, স্টপ অফিসার! আমি ধরা দিচ্ছি।

    তারপর হাঁটু গেড়ে বসে জোহরার মাথা নিজের বাহুর ওপর তুলে নিয়ে বললে, এ কী করলে জোহরা? কেন এমনি করে নিজেকে জখম করলে?

    ধীরে ধীরে চোখ মেলল জোহরা। আস্তে আস্তে বললে, দিল তো আমার জখম হয়েই ছিল। জখমি দিল কি নতুন করে জখম হয়? কিন্তু তুমি কেন পালালে না লাল?

    ধরা গলায় লালজি বললে, একতাল তুমি বলে এসেছ, এবার আমি বলছি, তোমায় ছেড়ে পালাব না।

    পৃথিবীর বাতাস ফুরিয়ে আসছে জোহরার কাছে। প্রাণপণে নিঃশ্বাস টেনে জোহরা ডাকলে, লাল—

    আরও কাছে লালজি তার মুখটা নামিয়ে আনলে। জোহরার মুখ নীল হয়ে উঠেছে যন্ত্রণায়। অতি কষ্টে দম নিয়ে, থেমে থেমে সে বললে :

    কোই হামে ব্যতা দে কেয়া কসুর থা দিলকা?

    লব তক তো যাম আয়া, আতেহি ম্যগর ছলকা!

    (বলে দাও, আজ আমাকে বলে দাও, কি দোষ করেছিল এ হৃদয়)? ওষ্ঠের প্রান্ত অবধি এসে কেন ছলকে পড়ে গেল পাত্রভরা সুধা?

    লালজির মুখ আরও নেমে এল মৃত্যুপথযাত্রিণী জোহরার ওপর! তার পাণ্ডুর অধরে পরম স্নেহে দিলে চুম্বন—প্রথম ও শেষ চুম্বন!

    রাত্রিশেষের ফুল ঝরে যাওয়ার আগে যে হাসি হাসে, সেই হাসিতে ধীরে ধীরে উজ্জ্বল হয়ে উঠল জোহরার মুখ। অস্ফুট স্বরে বললে, আলবিদা! (বিদায়)

    তারপরই হঠাৎ বুজে এল চোখ দুটি। মাথাটা হেসে পড়ল কাত হয়ে।

    বাইরে হু—হু শব্দে বিলাপ করে উঠল বৈশাখী ঝড়।

    অতি সন্তর্পণে লালজি জোহরাকে শুইয়ে দিল মেঝের ওপর। যেন ঘুম না ভাঙে! অতি আদরে গুছিয়ে দিল তার চুলগুলো! তারপর সিঁড়ি দিয়ে নামতে নামতে বললে, চলুন অফিসার, আমি তৈরি।

    পুলিশ—প্রহরী বেষ্টিত হয়ে চলে গেল লালজি। আর লালজির শেষ স্মৃতি নিয়ে অনন্ত ঘুম ঘুমিয়ে রইল একা জোহরা।

    বাইরে তখনও হাহাকার করছে উন্মাদ ঝড়। আর, বড় বড় ফোঁটায় গড়িয়ে পড়ছে বৃষ্টির অশ্রুধারা।

    .

    আসামি, তোমার কিছু বলবার আছে?

    কাঠগড়ার রেলিং ধরে সোজা হয়ে দাঁড়াল লালজি। কোর্ট—রুমে লোকারণ্য। চারপাশে একবার তাকিয়ে নিয়ে সে বললে, আছে। কিন্তু আমার যা বক্তব্য, তা বলার আগে একটা কাহিনি বলি শুনুন। বিচারসভার কাছে এইটুকু অনুমতি আমি চাই।

    মাথা নেড়ে সম্মতি জানালেন বিচারপতি।

    লালজি শুরু করলে, আজ থেকে সাত বছর আগে তেইশ বছরের একটি যুবক তার রুগ্না মায়ের শিয়রে বসে বসে ভাবছিল, কেমন করে তার মাকে বাঁচাবে। ছেলেটির স্বাস্থ্য ছিল শক্তি ছিল, বুদ্ধি ছিল—বি—এ ডিগ্রিও ছিল, তবু কাজ জোটেনি কোথাও—জোটেনি একটাও চাকরি। বিধবা মায়ের শেষ অলঙ্কারটুকুও বিক্রি হয়ে গিয়েছিল ছেলের পড়ার খরচ চালাতে। আর যা কিছু ঘরের দামি আসবাব তাও একে একে গেছে মায়ের অসুখে। তারপর কোঠাবাড়ি থেকে খোলার ঘর, ভদ্র—পাড়া নোংরা বস্তি। ক্রমে দিন আর চলে না। কিন্তু দিন না চলুক, মায়ের চিকিৎসা তো চালাতে হবে! যেমন করে হোক চালাতেই হবে। বিকারের ঘোরে ভুল বকছিল মা, সেই দেখে কেঁদে উঠল সাত বছরের ছোট বোনটি। দাদাকে জড়িয়ে ধরে প্রশ্ন করল : ‘মা কি আর বাঁচবে না দাদা?’ বাঁচবে না? দুনিয়ার এত লোকের মা বেঁচে আছে, তাদের মা বাঁচবে না? গরিবের মায়ের বাঁচার কি অধিকার নেই? পাগলের মতো ছুটলো ছেলেটি ডাক্তারের বাড়ি। কিন্তু এল না ডাক্তার, দিলে না ওষুধ। ভিজিটের টাকা বাকি, ওষুধের দাম বাকি, আগের সে—টাকা চুকিয়ে না দিলে, গরিবের বাড়ি রুগি দেখতে যাওয়ার সময় ডাক্তারবাবুর হবে না! সেখান থেকে গেল ছেলেটি আত্মীয়—স্বজনের বাড়ি বন্ধু—বান্ধবের কাছে—দোরে দোরে ঘুরে ভিখিরির মতো হাত পেতে চাইল কয়েকটা টাকা। তবু কেউ দিল না। পথের কুকুরের মত তাড়া খেয়ে খেয়ে সে এসে দাঁড়াল শিয়ালদা স্টেশনের সামনে। সারাদিন মোট বয়ে সন্ধ্যার সময় পেল তিন টাকা সাড়ে এগারো আনা। সেই টাকায় ওষুধ কিনে সে যখন ঘরে ফিরল, তখন ওষুধের প্রয়োজন ফুরিয়ে গেছে মায়ের! কিন্তু দুর্ভাগ্যের শেষ এখানেই নয়। ভোর—রাতে মাকে দাহ করে ফিরে এসে দেখা গেল, ছোট বোনটির ভেদবমি হচ্ছে। খিদের জালায় গত দু’দিনের বাসি ভাত—তরকারি খেয়েছিল সে। বড় আদরের ছিল তার বোনটি, সাত—আট ঘণ্টার মধ্যেই সব শেষ হয়ে গেল তার চোখের সামনেই! যাক, ভালই হল, আর কোনো বাঁধন রইল না! বোনটিকে দাহ করে সে আর ঘরে ঢুকল না, ঘুরে বেড়াতে লাগল রাস্তায় রাস্তায়। তখন সন্ধ্যা নেমেছে শহরের ওপরে। চৌরঙ্গি দিয়ে হাঁটতে হাঁটতে সে দেখছিল, কত আলো, কত হাসি কত ঐশ্বর্য! সিনেমায়, হোটেলে, বড় বড় দোকানে, ধনীদের দামি মোটরে কত বিলাস, কত প্রাচুর্যের ছড়াছড়ি! সেইদিন রাত্রে মহানগরীর আকাশের তলায় দাঁড়িয়ে মনে মনে ছেলেটি প্রতিজ্ঞা করল, যেমন করেই হোক, বড়লোক সে হবেই। ছেলেটির নাম ছিল সুশান্ত। সুশান্ত সেদিন বুঝল, দুনিয়ার হাটে শিক্ষার দাম নেই, সভ্যতার দাম নেই, সততারও দাম নেই। মাটির পুতুল—তাও চার আনা দামে বিকোয়, গরিবের প্রাণের দাম চার পয়সাও নয়। এ দুনিয়ার নীতি মিথ্যে, ধর্ম মিথ্যে, পাপ—পুণ্যের বিচার মিথ্যে—সত্য শুধু বড়লোক হয়ে বেঁচে থাকা। একটা রাতের মধ্যেই বদলে গেল সুশান্তর জীবন—দর্শন। আর, পরের দিন থেকেই সুশান্ত মরে গিয়ে জন্মাল লালজি।

    সমস্ত কোর্ট—রুম স্তব্ধ।

    লালজি বলে চলল: আজকের সমাজ সততার সঙ্কীর্ণ পথের মুখে লিখে দিয়েছে—No thoroughfare সে—পথে চলা যায় না। কিন্তু অসৎ পথ চৌরঙ্গির মতোই বড়, সে—পথ সকলের জন্যেই খোলা। সেই পথেই আমার যাত্রা শুরু হল। আর, বছর খানেকের মধ্যেই ভদ্র সন্তান থেকে পুরোদস্তুর চারশো বিশ ধারার আসামি হয়ে গেলাম আমি। জুয়াচুরির পথে, জালিয়াতির পথে, চোরা—কারবারের পথে রাশি রাশি টাকা আসতে লাগল আমার হাতে। জুয়াচুরির ব্যবতে আরও সুবিধে হবে বলে দিল্লির বাইজি—মহল্লা সবজিমণ্ডী থেকে একদিন নিয়ে এলাম জোহরা বাইকে। কিছু কিছু লেখাপড়া শিখিয়ে তাকে চলনে—বলনে রীতিমতো কেতাদুরস্ত করে তুললাম। জোহরার সাহায্যে আমার চারশো বিশের কারবার ফলাও হয়ে উঠল। পুলিশ আমার নাগাল পাবে কি করে? শিক্ষিত ভদ্রসন্তান যখন জোচ্চেচার হয়, তখন সে সাধারণ অপরাধীর বাইরে চলে যায়। সুতরাং টাকা নামক রুপোর খেলনা নিয়ে খেলা করতে করতে পরম নিশ্চিন্তে আমার দিন কাটতে লাগল। একটা দু’টো দিন নয়, সাত—সাতটা বছর। শহরের মুখে মুখে গল্পকথার মতো রটে গেল লালজির অগাধ টাকার কথা। কিন্তু—

    লালজি একবার তাকাল সেইদিকে, যেখানে জনতা ভিড় করে দাঁড়িয়ে শুনছিল।

    কিন্তু বড়লোক হয়েও আমি ভুলিনি গরিবদের কথা। একটা দিনের জন্যেও মন থেকে মিলিয়ে যায়নি আমার অতীত জীবনে দারিদ্র্যের সেই চাবুকের দাগ! তাই সারাদিন জুয়াচুরি ব্যবসার ফাঁকে ফাঁকে আমি সন্ধান নিতাম, টাকার অভাবে কোথায় কোন গরিবের মেয়ের বিয়ে হচ্ছে না, কোথায় কোন নিঃসম্বল রুগি বিনা চিকিৎসায় মরতে বসেছে, কোথায় কোন বেকার মজুরের ভুখা পেটে দানাপানি পড়েনি। রাতের অন্ধকারে ‘মোহিতমোহন’ ছদ্মনামে গোপনে টাকা পৌঁছে দিয়ে আসতাম তাদেরি ঘরে। কোনোদিন পরিচয় দিইনি, পাছে আমার অসৎ পথের টাকা আমার গরিব ভাইবোনেরা গ্রহণ না করে। অপরাধীর কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে আজ আমি ক্ষমা চাই তাদের কাছে।

    লালজি বলতে লাগল, কিন্তু কে জানত আমার এই কাহিনি শেষ পরিচ্ছেদে এসে হঠাৎ উল্টে যাবে! আমার অপরাধের সপক্ষে যত যুক্তি থাক না কেন, যা পাপ, তা পাপ। আজ নিয়তি আমায় শিখিয়েছে, পাপের পথ দিয়ে কখনও ভাল করা যায় না… নিজেরও না, পরেরও না। আমার দুই অসৎ পথের বন্ধু বলেছিল, Crime does not pay! পাপের দেনা একদিন না একদিন মানুষকে শোধ করতেই হয়। পাপের সেই ঋণ অদ্ভুতভাবে তাদের শোধ করতে হয়েছে। ভগবান বলে যদি কেউ থাকে, এ হয়তো তারই বিচার। আমার পাপের ঋণ শোধ করতে আজ আমিও প্রস্তুত। বিচার—সভার কাছে আমার শুধু এই প্রশ্ন—কয়েকজন ধনীকে ঠকাবার অপরাধে যদি আমার বিচার হয়, তবে দেশের যে ধনী—সম্প্রদায় দিনের পর দিন লক্ষ লক্ষ গরিবকে ঠকাচ্ছে, তাদের বিচার হবে কবে? কে করবে তাদের বিচার?

    লালজির কথা শেষ হল। তার শেষ প্রশ্নের কথাগুলি স্তব্ধ কোর্ট রুমের দেওয়ালে দেওয়ালে আঘাত করে ফিরতে লাগল।

    ধীর—গম্ভীর জজ রায় উচ্চারণ করলেন।

    পাঁচ বছর সশ্রম কারাদণ্ড!

    হাসিমুখে দণ্ড গ্রহণ করল লালজি। তারপর কাঠগড়া থেকে নেমে পুলিশ—পাহারার সঙ্গে কোর্ট—রুম থেকে বেরিয়ে গেল। বাইরে অপেক্ষা করছিল কয়েদিগাড়ি। আর অপেক্ষা করছিল রমলা। গাড়িতে ওঠবার আগে লালজির কাছে এগিয়ে গেল সে। অশ্রুপ্লাবিত দুই চোখ তুলে বললে, আমি অপেক্ষা করে থাকব।

    স্মিতমুখে লালজি হাসলে। বুক—ভরা নিঃশ্বাস নিয়ে শুধু বললে, চমৎকার তোমার এই ফরাসি ল্যাভেন্ডারের গন্ধটা!

    তারপর গাড়িতে উঠল।

    সমাপ্ত

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদেরি হয়ে গেছে – প্রচেত গুপ্ত
    Next Article মহাভারতের মহারণ্যে – প্রতিভা বসু
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }