Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দশটি রহস্য উপন্যাস – প্রণব রায়

    প্রণব রায় এক পাতা গল্প1004 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    শেষ মুহূর্তে – ৪

    ৪

    বাহাত্তর ইঞ্চি পাইপের মতো ঢোলা প্যান্ট আর ঝলমলে কোট গায়ে রতিকান্ত ভক্ত হনুমানের মতো হাতজোড় করে বসে আছে। নড়েও না, চড়েও না।

    ইন্সপেক্টর কল্যাণ বোস তার সামনে এগিয়ে এসে বললে, কি হে, বোবা হয়ে গেলে নাকি? সিধে সত্যি কথা বলো, কী মতলবে আমার নামে টাকা জমা দিতে গিয়েছিলে?

    মরা ইলিশের মতো গোল গোল চোখ মেলে তাকিয়ে রইল রতিকান্ত।

    কল্যাণ এবার চিবিয়ে চিবিয়ে বললে, মুখে কথা নেই কেন? দাওয়াই দিতে হবে, না সোজাসুজি বলবে?

    এবার নড়ে উঠল ভক্ত হনুমান। করজোড়েই বললে, একজন আমায় জমা দিতে বলেছেলো, তাই গিসলুম আজ্ঞে। কেন, তা জানিনে—রামকেষ্টর দিব্যি!

    আমি কিন্তু জানি রতিকান্ত। বলব?—কল্যাণ বললে, তুমি লাখ টাকা জালিয়াতি কেসের আসামি। আমার অ্যাকাউন্টে তুমি পাঁচ হাজার টাকা দিলে, সেটাকে অনায়াসেই ঘুষ বলে প্রমাণ করা যাবে। তাহলেই আমার চাকরি খতম, আর তোমার পোয়াবারো! তাই না?

    মরা ইলিশ—চোখে চেয়ে রতিকান্ত বললে, তাই হবে আজ্ঞে।

    নিজের চেয়ারে ফিরে গিয়ে কল্যাণ বললে, এখন বলো তো, এই প্ল্যানটি কার? কে তোমাকে ব্যাঙ্কে পাঠিয়েছিল?

    বলব আজ্ঞে? বললে আমাকে ছেড়ে দেবেন তো? দু’হাত কচলে রতিকান্ত প্রশ্ন করলে।

    কল্যাণ খানিকটা আশ্বাস দিয়ে বললে, বেশ, সত্যি কথা যদি বলো, তাহলে ভেবে দেখব।

    তবে শুনুন আজ্ঞে। রতিকান্ত শুরু করলে : আমাকে ব্যাঙ্কে পাঠিয়েছেলো মৃগাঙ্ক মজুমদার। কাল রাতে আমার বাসায় এসে চুপি চুপি ডাকলে। পাঁচ হাজার টাকার নোটের তাড়া দিয়ে বললে, টাকাটা গোয়েন্দা ইন্সপেক্টর কল্যাণ বোসের নামে জমা দিয়ে এসো গে। এতে তোমার মামলার ভাল হবে।

    সে ভাল হবে বলল, আর অমনি তাই বিশ্বাস করে তুমি জমা দিতে গেলে! তুমি কি কচি খোকা?

    রতিকান্ত আমতা আমতা করে বললে, আমার মনে একদম কুটিলতা নেই আজ্ঞে—ভারি সরল কিনা, তাই—

    চোপ!—ধমক দিয়ে কল্যাণ বললে, কত টাকা খেয়েছ মৃগাঙ্ক মজুমদারের কাছ থেকে?

    নাক—কান ছুঁয়ে রতিকান্ত বললে, মিছে কথা বলব না আজ্ঞে, হাজার টাকা খেয়েছি।

    হুঁ! তোমার জামিনের দশ হাজার টাকা কে দিয়েছে?

    ওই মজুমদারই দিয়েছে আজ্ঞে। দেবে না? সে—ই তো লালা ভগৎরামের সই জাল—করা চেক দিয়ে আমাকে গয়নার দোকানে পাঠিয়েছেলো। তখন অত—শত বুঝিনি আজ্ঞে। মনে আমার একদম কুটিলতা নেই কিনা—

    থামো! কল্যাণ বললে, বেশ তো চানাচুরের প্যাকেট বেচছিলে, জাল—জোচ্চচুরির রাস্তা ধরলে কেন? মরবার পাখা গজিয়েছে বুঝি?

    রতিকান্ত এবার কাঁদো—কাঁদো হয়ে বললে, চানাচুর বেচে কি এ বাজারে সংসার চলে আজ্ঞে? ঘরে সাত—সাতটা নেড়ি—গেঁড়ি কিলবিল করছে! তার ওপর গেল মাসে মাগি আবার একটা ভূতের ছ্যানা বিইয়েচে!

    ফের বাজে বকছ!—আবার ধমকালে কল্যাণ। বললে, মৃগাঙ্কই যদি তোমাকে গয়না দোকানে পাঠিয়ে থাকে, সেকথা পুলিশকে বা আদালতে জানাওনি কেন?

    বাপরে, তা কি পারি? বেইমানি করলে তার ফল ভুগতে হবে না?

    কিন্তু তোমার মামলার ফলটা কি হবে ভেবে দেখেছ?

    ভালই হবে আজ্ঞে! মজুমদার বলেছে, যত টাকা লাগে লাগুক, আমাকে খালাস করিয়ে আনবেই। জড়োয়ার গয়নাগুলো তার হাতে শুধু শুধু দিয়েছি নাকি?

    কল্যাণ বুঝতে পারলে, মূর্খ রতিকান্ত মূর্খের স্বর্গেই বাস করছে। কিন্তু দেখা যাচ্ছে, মৃগাঙ্ক মজুমদার লোকটা রীতিমতো ধুরন্ধর। চেহারাটা যত সম্ভ্রান্ত হোক না কেন, সমাজের চোরাগলি—পথেই তার চলাফেরা। অতএব—

    কল্যাণ ডাকলে, সার্জেন্ট দত্ত!

    ইয়েস স্যার!—মনসিজ এসে দাঁড়াল।

    রতিকান্তর কান বাঁচিয়ে কল্যাণ কি যেন বললে মনসিজকে।

    ‘রাইট স্যার’ বলে তৎক্ষণাৎ বেরিয়ে গেল সার্জেন্ট দত্ত।

    রতিকান্ত একবার দেওয়াল ঘড়ির দিকে দেখলে। তারপর হাত কচলে বললে, যদি অনুমতি করেন তো আসি আজ্ঞে—এখনো আমার পুজো—অহ্নিক হয়নি কিনা—

    তুমিও পুজো—আহ্নিক করো নাকি? ভুরু কুঁচকে কল্যাণ জিজ্ঞেস করলে।

    রতিকান্ত বললে, শত হলেও হিঁদুর ছেলে. . . করি বইকি আজ্ঞে।

    ঠাকুর—দেবতার খুবই দুর্ভাগ্য দেখছি!—বসো, এত সহজে তোমায় ছাড়া হবে না।

    আধঘণ্টার মধ্যেই সার্জেন্ট দত্ত ফিরে এল। সঙ্গে মৃগাঙ্ক মজুমদার। দীর্ঘ দেহে সেই গলাবন্ধ প্রিন্সকোট, হাতে রুপো—বাঁধানো মলাক্কা বেতের লাঠি। ঘরে ঢুকেই মৃগাঙ্ক বললে, কি ব্যাপার মিস্টার বোস? হঠাৎ তলব করেছেন যে!

    রতিকান্তকে দেখিয়ে কল্যাণ বললে, দেখুন তো, এই লোকটিকে আপনি চেনেন কিনা—

    মৃগাঙ্ক একটু অবাক হয়ে বললে, জীবনে দেখিনি।

    কল্যাণের মুখ আরো গম্ভীর হয়ে উঠল। রুক্ষ গলায় বললে, মিথ্যে বলে লাভ নেই। স্বীকার করুন একে আপনি ভাল করেই চেনেন।

    মৃগাঙ্কর ফর্সা মুখলাল হয়ে উঠল। তিক্ত—বিরক্ত গলায় বললে, এ আপনি কী বলছেন! যাকে জীবনে দেখিইনি, তাকে চিনব কেমন করে?

    কিন্তু এ লোকটি আপনাকে চেনে—ভাল করেই চেনে। কি রতিকান্ত, তুমি এঁকে নিশ্চয় চেনো?

    রতিকান্ত এতক্ষণ হতবাক হয়ে তাকিয়েছিল মৃগাঙ্কর দিকে। ঘাড় নেড়ে বললে, না আজ্ঞে, ওনাকে তো চিনি নে!

    চালাকি কোরো না রতিকান্ত! সত্যি কথা বল।

    রামকেষ্টর দিব্যি—আমিও ওনাকে জীবনে দেখি না আজ্ঞে!

    রতিকান্তের মুখের দিকে তাকিয়ে কল্যাণের অভিজ্ঞ গোয়েন্দা—চোখ বুঝতে পারল, সে বোধ করি মিথ্যে বলছে না। কল্যাণ এবার নিজেই ধাঁধায় পড়ে গেল। মৃগাঙ্কর দিকে আঙুল দেখিয়ে বললে, তুমি কি বলতে চাও, এ লোক মৃগাঙ্ক মজুমদার নয়?

    রতিকান্ত বললে, কী মুশকিল! ইনি মৃগাঙ্ক মজুমদার হবেন কেন? সে তো অন্য লোক।

    মৃগাঙ্ক এবার রীতিমতো চটে উঠল : ননসেন্স! মৃগাঙ্ক মজুমদার আমি নই তো কে? সবটাই দেখছি হেঁয়ালি!

    কল্যাণ কিছুটা নরম গলায় তাঁকে বললে, এ একটা অদ্ভুত কেস! যাকগে, আপনাকে কষ্ট দিলাম—কিছু মনে করবেন না। আপনি এখন যেতে পারেন।

    মালাক্কা বেতের লাঠির আওয়াজ তুলে বেরিয়ে গেলেন মৃগাঙ্ক।

    কল্যাণ এবার চেয়ারে বসে পড়ে একটা সিগারেট ধরালে। চুপচাপ গোটা দুই—তিন টান দিয়ে প্রশ্ন করলে, আচ্ছা রতিকান্ত, তোমার চেনা মৃগাঙ্ক মজুমদার দেখতে কেমন? যিনি এসেছিলেন, কতকটা তাঁর মতো কি?

    রতিকান্ত বললে, না আজ্ঞে, দেখতে ঠিক উল্টো। অত ঢ্যাঙাও নয়, অত বয়সও নয়। পালোয়ানের মতো ষণ্ডা চেহারা, ঘাড় আর পিঠ যেন এক, মাথার চুলগুলো মুড়িয়ে কাটা, মুখে কোঁকড়ানো দাড়ি—

    সে আরো কি সব বলে গেল, কল্যাণের কানে তার একটা কথাও ঢুকল না। তার হাতের সিগারেট হাতেই পুড়তে লাগল।

    আশ্চর্য—আশ্চর্য—ভয়ানক আশ্চর্য! রতিকান্তের ব্যাপারেও সেই জার্মান—ছাঁট মাথা, ঘাড়ে—গর্দানে ষণ্ডা চেহারা! দুনিয়ার সমস্ত অপরাধের কেন্দ্রবিন্দুতে কি ওই লোকটিই বসে আছে! অথচ ধরাছোঁয়ার বাইরে!

    যদি অনুমতি করেন আজ্ঞে, তো এখন আমি—

    রতিকান্ত হাত কচলে অনুনয় করলে।

    কল্যাণ বললে, হ্যাঁ, এসো। কিন্তু খবরদার, আমার বিরুদ্ধে আর লাগতে যেও না—তাহলে কড়া দাওয়াই দেব।

    ‘যে আজ্ঞে’ বলে রতিকান্ত ভিজে বেড়ালের মতো গুটি গুটি বেরিয়ে গেল।

    * * *

    গোয়েন্দা—দপ্তরের ছোটকর্তা সুরজিৎ গুপ্ত বললেন, ক্রিমিন্যালের চেহারার যে বর্ণনা পাওয়া গেছে, সেই বর্ণনা জানিয়ে ইন্ডিয়ার সমস্ত বড় বড় শহরের পুলিশের সঙ্গে আমি যোগাযোগ করেছিলাম। বলেছিলাম, তাদের কাছে দাগি ক্রিমিন্যালদের যে ফোটো—অ্যালবাম আছে, তার মধ্যে এরকম চেহারার কেউ থাকলে, সেই ফোটোর একটা কপি যেন আমাকে ইমিডিয়েটলি পাঠিয়ে দেওয়া হয়। কাল দিল্লির পুলিশ এই ফোটোখানা পাঠিয়েছে।

    ড্রয়ার থেকে একখানা ফোটো বার করে সুরজিৎ গুপ্ত ইন্সপেক্টর বোসের সামনে রাখলেন। কল্যাণ খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখতে লাগল ছবিখানা। আন্দাজ বছর তিরিশ বয়সের একটি যুবা। মুখের গড়ন চৌকো, চোখ ছোট, কিন্তু তীক্ষ্ন জ্বলজ্বলে। মজবুত কাঁধ দুটো ফোলা ফোলা, গলাটা খাটো। কুস্তিগীরের মতো মাথার চারপাশ থেকে ক্লিপ চালিয়ে চুলগুলো একেবারে ছোট করে ছাঁটা, কেবল মাথার সামনে একগোছা চুল একটু বড়। দাড়ি—গোঁফ কামানো পরিষ্কার মুখ।

    ফোটোখানা ষাট সাল অর্থাৎ পনেরো বছর আগের। ফোটোর সঙ্গে ক্রিমিন্যালের পরিচয়পত্র আঁটা। কল্যাণ পড়তে লাগল :

    নাম আবু রশিদ। দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাল ছাত্র। দিল্লির টপ সার্কেলে মেলামেশা করত। কিন্তু জাল—জোচ্চচুরির দায়ে বার দুয়েক ধরা পড়ে। তারপর এক বিবাহিতা মহিলাকে খুন করে পাকিস্তানে পালিয়ে যায়।

    পাইপ ধরিয়ে সুরিজৎ গুপ্ত জিজ্ঞেস করলেন, দেখে কি মনে হচ্ছে? আমাদের ক্রিমিন্যালের সঙ্গে কোনো মিল আছে?

    কল্যাণ বললে, কিছু কিছু মিল আছ বইকি স্যার। কিন্তু যে ভাল করে চেনে—সামনাসামনি দেখেছে, ফোটোখানা তাকে দেখানো দরকার। রতিকান্তকে একবার ডেকে পাঠাতে হবে।

    তাকে হাজারবার ডাকলেও সে আর আসবে না স্যার।

    ছোট কর্তার ঘরে ঢুকতে ঢুকতে সার্জেন্ট দত্ত বললে।

    কেন বল তো?

    কাল রাতে রতিকান্ত পাল মারা গেছে।

    মারা গেছে!—কল্যাণ যেন একটা ধাক্কা খেল। বললে, কি করে মারা গেল?

    মনসিজ বললে, কাল রাত সওয়া এগারোটা নাগাদ রতিকান্ত ওয়েলেসলি স্ট্রিট ধরে হাঁটছিল। বোধ হয় ব্লু ডায়মন্ড বার থেকে ফিরছিল। ইলিয়ট রোডের কাছ বরাবর হঠাৎ একখানা কালো অ্যাম্বাসাডর পেছন থেকে তার দেহটাকে দলা পাকিয়ে হাওয়া হয়ে যায়। রতিকান্ত স্পট ডেড!

    কয়েক সেকেন্ড গুম হয়ে থেকে কল্যাণ বললে, জাল মৃগাঙ্ক মজুমদার তাহলে রতিকান্তর ওপর শোধ নিল!

    সুরজিৎ গুপ্ত বললেন, ফোটোখানা আর কেউ দেখলে চিনতে পারবে কি?

    এখানা আমার কাছেই থাক স্যার। দেখি, কি করা যায়। বলে কল্যাণ নিজের কামরায় চলে এল। দেখলে, পল্টু বসে আছে তারই অপেক্ষায়। কল্যাণ কি যেন ভেবে আবু রশিদের ফোটোখানা পল্টুর সামনে মেলে ধরলে। বললে, দেখো তো একে কখনো দেখেছ কিনা।

    মনোযোগ দিয়ে দেখে পল্টু বললে, না স্যার, দেখেছি বলে তো মনে হচ্ছে না।

    কোথাও দেখোনি?

    উঁহু। লোকটা কে স্যার?

    সেকথার জবাব না দিয়ে কল্যাণ নিজের চেয়ারে গিয়ে বসল। অন্যমনস্কের মতো কলমটা তুলে নিয়ে প্রশ্ন করলে, তারপর পল্টু, কিছু খবর আছে?

    আছে স্যার।

    বলো।—কল্যাণ আনমনে কলম দিয়ে আঁকিবুকি কাটতে লাগল।

    পল্টু শুরু করলে : পরশু রাতে ক্যামাক স্ট্রিটের সেই বাড়ি থেকে সেই দাড়িওয়ালা ঘাড়ে—গর্দানে লোকটা বেরিয়ে এল। তার সঙ্গে নেমে এল সাদা সিল্কের শাড়ি—পরা একটি মহিলা। রাত তখন সাড়ে বারোটা। আমি গা—ঢাকা দিয়ে দেখতে লাগলাম। দু’জনে কি সব কথা হল, ঠিক শুনতে পেলাম না। মহিলার একটা কথাই কানে এল : আজ থাক, কাল যাব ‘খন। লোকটা তার মোটরে উঠে স্টার্ট দিলে। আমার এক দোস্তের অস্টিনখানা আগেই চেয়ে এনেছিলাম, সঙ্গে সঙ্গে আমিও স্টার্ট দিয়ে কালো অ্যাম্বাসাডরের পিছু নিলাম।

    আনমনে আঁকিবুকি কাটতে কাটতে কল্যাণ বললে, তুমি ড্রাইভিং জানো নাকি?

    আরে বা, পাঁচ বছরের পুরানো লাইসেন্স আমার!

    ও। তারপর বলো।

    ফলো তো করলাম, কিন্তু স্যার ব্যাড লাক! ক্যামাক স্ট্রিট থেকে দিব্যি পিছু পিছু যাচ্ছিলাম, টালিগঞ্জের রাস্তা ধরে অ্যাম্বাসাডর বাঁয়ে আনোয়ার শা রোডে বেঁকল। আমার অস্টিনও বেঁকল। দুটো গাড়ির মধ্যে ধরুন একশো—সওয়াশো গজের তফাত। হঠাৎ এক কারখানার গেট খুলে মাল—বোঝাই এক শালা লরি সরু রাস্তার ওপর হুস করে বেরিয়ে এল। আর, বেরিয়েই স্টার্ট বন্ধ! আমার অস্টিন রাম—আটকান আটকে গেল! আমি তো চটে খিস্তি জুড়ে দিলাম। ‘মার হ্যান্ডেল’ ‘মার হ্যান্ডেল’ করে শালা আবার যখন স্টার্ট নিলে, কালো অ্যাম্বাসাডর তখন নিপাত্তা! মন—মরা হয়ে ফিরে এলাম স্যার।

    মুখ না তুলে কল্যাণ বললে, যাক, আবার চেষ্টা করো।

    পল্টু বললে, আর চেষ্টা বোধ হয় করতে হবে না স্যার। কাল রাতে আর একটা কাজ করেছি।

    কাজটা কি?

    কালও ক্যামাক স্ট্রিটে গিয়ে নজর রেখেছিলাম। রাত তখন সাড়ে ন’টা। লোকটা তখনো আসেনি। দেখলাম, সেই সাদা সিল্কের শাড়ি—পরা মহিলাটি বেরিয়ে এসে একটা নীল রঙের হেরাল্ড গাড়িতে উঠল। ড্রাইভার স্টার্ট দিলে। লোকটাকে আবার ফলো করব বলে কালও আমি অস্টিনখানা এনেছিলাম। ভাবলাম, দেখাই যাক না মহিলা কোথায় যায়? চললাম তার পিছু পিছু। খানিক দূর যেতেই স্যার বুঝতে পারলাম, সেই একই রাস্তায় সে চলেছে। সেই আনোয়ার শা রোডেই তার গাড়ি বেঁকল। মা কালীর দয়ায় কাল আর কোনো বাধা পড়েনি স্যার। আনোয়ার শা রোড থেকে যাবদপুর—গড়িয়া—গড়িয়া ছাড়িয়ে আরও আধ মাইলটাক গিয়ে একটা জংলা জমি। সেখানে বড় বড় গাছপালার অন্ধকারে একটা পুরনো ধাঁচের দোতলা বাড়ি। হেরাল্ড গাড়িখানা তার সামনে গিয়ে থামল। মহিলা ভেতরে ঢুকে যাবার পর আমার গাড়ি তফাতে রেখে, পায়ে পায়ে এগিয়ে গেলাম। গিয়ে কি দেখলাম জানেন স্যার?

    কি দেখলে?

    দেখলাম, বাড়িটার সামনে আরেকটা মোটর দাঁড়িয়ে আছে। সেই কালো অ্যাম্বাসাডার—

    কালো অ্যাম্বাসাডার!

    কল্যাণ এবার স্প্রিংয়ের পুতুলের মতো মুখ তুলে চাইল।

    পল্টু বললে, হ্যাঁ স্যার। কিন্তু এ গাড়ির নাম্বারের সঙ্গে ক্যামাক স্ট্রিটের সেই গাড়ির নাম্বারের মিল নেই। কোনটা আসল নাম্বার, কোনটা ফলস, কে জানে!

    কল্যাণ বললে, দুটো নাম্বারই ফলস হতে পারে। যাক, জায়গাটা আর বাড়িটা ভাল করে চিনে এসেছ তো?

    সে আর ভুল হবে না স্যার।—পল্টু বললে।

    ভেরি ওয়েল! ভারি কাজের ছেলে তুমি!—বলতে বলতে কল্যাণ চেয়ার ছেড়ে পল্টুর সামনে এসে দাঁড়াল। তারপর ফোটোখানা তার সামনে ধরে বললে, এবার দেখো তো পল্টু, এ মুখ তোমার দেখা কিনা।

    এক নজর দেখেই লাফিয়ে উঠল পল্টু : আই বাপ! এই তো সেই ক্যামাক স্ট্রিটের মাল! সেই মুখ! কোঁকড়ানো দাড়িটা খাসা এঁকেছেন স্যার! এবার তাহলে—

    জাল গুটোতে হবে।—ধীরে ধীরে কল্যাণ উচ্চারণ করলে।

    .

    কিন্তু জাল গুটোবার আগে কল্যাণ নিজেই জালে পড়ে গেল।

    স্বামী যার গোয়েন্দা, সেই স্ত্রীর কপালে গাঢ় ঘুম নেই। কেননা, স্বামী রাতে কখন ঘরে ফিরবে, তার কিছু ঠিকঠিকানা থাকে না। তাই ঘুমিয়ে ঘুমিয়েও তাকে সজাগ থাকতে হয়।

    বীথিরও সেই অভ্যাস।

    হেমন্তের মাঝ—রাত। ধোঁয়াশার মশারি ফেলে শহর ঘুমিয়ে আছে। ঘরে ঘরে তুলে রাখা লেপ কম্পল বেরিয়েছে। বীথির পাতলা ঘুম ভেঙে গেল হঠাৎ। কি যেন একটা শব্দ হল কোথায়! ঘুমের মধ্যে কল্যাণ কি পাশ ফিরল? না, সে—শব্দ নয়, মোটর—ইঞ্জিনের মতো মৃদু ঝিকঝিক আওয়াজ। তাদেরই বাড়ির সামনে এসে থেমে গেল। এত রাতে কেউ এল নাকি?

    বিছানায় উঠে বসল বীথি। তারপর কম্বলের তলা থকে মশারি তুলে অন্ধকারে নেমে পড়ল খাট থেকে। কল্যাণের দোতলার ফ্ল্যাট একেবারে রাস্তার ধারে। বীথি জানলার কাছে এগিয়ে বাইরে উঁকি দিল। ছানি—পড়া চোখের মতো রাস্তার একটা বাতি মিটমিট করে জ্বলছে। ধোঁয়াশার অস্পষ্টতা সত্ত্বেও সেই মিটমিটে আলোয় বীথি দেখতে পেল, একখানা কালো রঙের মোটর ফুটপাথ ঘেঁষে দাঁড়িয়ে। মোটর থেকে নামল জোয়ান চেহারার এক ছায়ামূর্তি। আস্তে আস্তে এগিয়ে এসে সদর দরজার কাছে কি যেন দেখলে, তারপর আবার ফিরে গেল মোটরের কাছে।

    ব্যাপারটা কি? লোকটা কেন এসেছে? বীথির কৌতূহলী চোখ একদৃষ্টিতে চেয়ে রইল।

    মোটরের ক্যারিয়ার খুলে একটা জিনিস বার করলে লোকটা। সেটাকে বয়ে আনলে সদর দরজার কাছে। বীথি এবার বুঝতে পারলে, সেটা একটা ধাতব সিলিন্ডার, ফুট তিনেক লম্বা, গায়ে নল জড়ানো। অচেনা লোকটা সিলিন্ডারের গা থেকে নল খুলে নিয়ে, তার একটা মুখ সদর দরজার কাটা অংশের মধ্যে ঢুকিয়ে দিলে। কাটা অংশটা বাইরে থেকে চিঠিপত্র ভেতরে ফেলবার জন্য। একটু পরেই অতি মৃদু হিস—স—স শব্দ শোনা যেতে লাগল।

    এবার বীথির কৌতূহলের সঙ্গে সন্দেহ আর আশঙ্কা মিশল। ভাবলে, কল্যাণকে একবার ডাকবে। কিন্তু মশারির কাছে এসে কল্যাণের গাঢ় নিশ্বাসের আওয়াজে তার মায়া হল। না থাক, সারাদিন খেটেখুটে অনেক রাত করে ফিরেছে বেচারি! কাজ নেই তার ঘুম ভাঙিয়ে। কিন্তু ব্যাপারটা কি হচ্ছে দেখা দরকার।

    ন’বছর গোয়েন্দা—স্বামীর ঘর করে বীথির ভিতু স্বভাব অনেকখানি কেটে গেছে। শোবার ঘরের দরজা খুলে সে বেরিয়ে এল সিঁড়ির সামনে। আর, সঙ্গে সঙ্গে চমকে উঠল বীথি।

    অন্ধকার সিঁড়িময় একটা বিশ্রী কটু গন্ধ! পেট্রোল—গ্যাসের গন্ধ!

    একটা ভয়ঙ্কর আশঙ্কায় বীথির বুকের ভেতরটা শুকিয়ে উঠল। সিঁড়ির ঠিক সামনেই তার ফ্ল্যাটের দরজা। যদি একটা দেশলায়ের কাঠি—

    হলও তাই। ছোট্ট একটা আগুনের শিখা সদর দরজার কাটা অংশের মধ্য দিয়ে ভেতরে এসে পড়তেই, একটা হিংস্র আগুনের ঢেউ নিচে থেকে ছুটে এল দোতলার সিঁড়ি বেয়ে।

    চোখের পলকে বীথি ঘরে ঢুকে দড়াম করে দরজা বন্ধ করে দিলে। তারপর ঘরের বাতি জ্বেলে পাগলের মতো চিৎকার করে উঠল, ওগো, ওঠো—ওঠো, শিগগির ওঠো!

    ধড়মড় করে উঠে বসল কল্যাণ। বললে, কি? কি হয়েছে?

    বাড়িতে আগুন লেগেছে!

    আগুন! কেমন করে লাগল?

    ভয়ে আর উত্তেজনায় হাঁপাতে হাঁপাতে বীথি শুধু টুকরো টুকরো কয়েকটা কথা বলতে পারলে, একটা কালো রঙের মোটর—অন্ধকারে কে একটা লোক—সদর দরজায় চিঠি ফেলার ফাঁক দিয়ে পেট্রোল—গ্যাস—

    বেশি বলার দরকার ছিল না, শোনারও দরকার ছিল না। ব্যাপারটা বুঝতে পেরে যেন পাথর হয়ে গেল কল্যাণ!

    বীথি হঠাৎ আতঙ্কে কেঁদে উঠল, ওগো, ওই দেখো!

    দেখা গেল, শোবার ঘরের দরজার নিচে এক ইঞ্চি ফাঁক। তারই ভেতর দিয়ে জ্বলন্ত পেট্রোল—গ্যাস হু হু করে ঘরে ঢুকে পড়েছে। দরজার পর্দাটা জ্বলছে, প্লাই—উডের পাল্লাতেও আগুন ধরেছে! সদ্য ঘুম—ভাঙা চোখে ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে রইল কল্যাণ। কিন্তু সে দু’চার সেকেন্ডের জন্যে। তারপরেই সারা দেহে একটা ঝাঁকানি দিয়ে, বিছানা থেকে লাফিয়ে নামল। রুদ্ধশ্বাসে বীথিকে বললে, বাবুয়াকে নিয়ে ওপাশের বারান্দায় চলে যাও—

    বনে আগুন লাগলে পাখি—মা যেমন তার বাচ্চচাদের ডানায় ঢেকে নেয়, তেমনি করে বীথি তার ঘুমন্ত ছেলেকে বুকে তুলে আঁচলে ঢেকে নিলে। তারপর ওপাশের দরজা দিয়ে বেরিয়ে গেল বারান্দায়।

    কল্যাণ বাথরুমে ঢুকে কলের তলায় বালতি রেখে, কল খুলে দিলে। কিন্তু বড় আশায় ছাই পড়ল কল্যাণের। কল থেকে জল বেরোল সুতোর মতো সরু হয়ে। তার মানে, রিজার্ভার ট্যাঙ্কে জল নেই বললেই চলে! অস্থির হয়ে কল্যাণ ফিরে এল শোবার ঘরে। ততক্ষণে ঘরের দরজা দাউ দাউ করে জ্বলছে। আগুনের ঢেউ এগিয়ে এসে বিছানার গদি ছুঁয়েছে—মশারি পুড়ছে! হেমন্তের ঠান্ডা রাতেও অসহ্য উত্তাপ ঘরময়। ইস, একটা ফোন যদি সে করতে পারত ফায়ারব্রিগেড স্টেশনে! পাশের ঘরে টেলিফোন, অথচ উপায় নেই—লকলকে আগুন যমদূতের মতো দরজা আগলে রয়েছে!

    বাঁচানো গেল না—আর বাঁচানো গেল না অনেক সুখ, অনেক স্বপ্ন দিয়ে গড়া এই ছোট্ট বাসাটিকে! অসহায় চোখে কিছুক্ষণ চেয়ে থেকে, এক পা এক পা করে কল্যাণ চলে গেল ওপাশের খোলা বারান্দায়। যেখানে অন্ধকার আকাশের তলায় ছেলেকে বুকে নিয়ে বীথি ফুঁপিয়ে উঠছে।

    .

    দমকল এল শেষ—রাতে। অন্য ফ্ল্যাটের কে একজন বাসিন্দা ফোন করেছিলেন। আগুন নিভিয়ে তারা যখন চলে গেল, পুবের আকাশ তখন ফর্সা হচ্ছে।

    ছেলেকে নিয়ে বীথি ঘরের মাঝে এসে দাঁড়াল। থই থই জলের মধ্যে কালো কালো কতগুলো পোড়া স্তূপ ছড়িয়ে রয়েছে। এই তার নিজের হাতে সাজানো সুখের সংসার! কান্নায় ভেঙে পড়ল সে।

    আর, পূর্বাকাশের পানে চেয়ে কল্যাণ অজানা শত্রুর উদ্দেশে মনে মনে বললে, ঠিক আছে বন্ধু! তুমি যতই চতুর হও না কেন, তোমার এই অমানুষিক শত্রুতার শোধ কল্যাণ বোস নেবেই!

    * * *

    ছোটকর্তা সুরজিৎ গুপ্ত কিছুদিনের ছুটি দিতে চেয়েছিলেন, কল্যাণ বলে পাঠাল, না।

    পরদিনই তাকে হেডকোয়ার্টার্সে দেখা গেল। সুরজিৎ তার কাঁধে হাত রেখে বললেন, তোমার এই মারাত্মক বিপদের খবর আমাকে ভীষণ আপসেট করেছিল বোস। মগনলালের পরে একমাত্র তোমারই ওপর আমার বেশি ভরসা, জানো তো? ঈশ্বরকে ধন্যবাদ, ঠিক সময়ে তোমার স্ত্রীর ঘুম ভেঙে গিয়েছিল!

    মনসিজ জিজ্ঞেস করলে কল্যাণকে, আপনার কি মনে হয়, মগনলালকে যে খুন করেছে, সেই লোকই আপনাকে খতম করার প্ল্যান করেছিল?

    মোটিভ যখন এক, তখন তাই মনে হয় না কি?—কল্যাণ বললে।

    কিন্তু লোকটা কে হতে পারে? আবু রশিদ, না অশ্বিনী লাহা?

    এ প্রশ্নের জবাব দেওয়ার সময় এখনো হয়নি।

    গুপ্তসাহেব বললে, লোকটা যেই হোক, সে অসাধারণ বুদ্ধি ধরে। এ ধরনের ক্রাইম ভারতবর্ষে আর কখনও হয়েছে বলে আমার জানা নেই। যেমন করেই হোক, তাকে ধরতেই হবে বোস। আর কি সাহায্য তোমার চাই বলো।

    শান্তভাবে কল্যাণ বললে, আর কোনও সাহায্য চাই না স্যার, আর একটু সময় চাই।

    পাইপে তামাক ঠাসতে ঠাসতে গুপ্তসাহেব বললেন, বেশ, সময় নাও। হ্যাঁ, গতকাল একজন মহিলা টেলিফোনে দু’তিনবার তোমাকে খুঁজেছিলেন। নামটা বললেন স্বরূপা ঘোষ।

    ও!

    তুমি অফিসে এলে তাঁকে ফোন করতে বলেছেন। বিশেষ জরুরি কথা আছে।

    আচ্ছা।

    ছোটকর্তার কামরা থেকে বেরিয়ে কল্যাণ ভাবতে ভাবতে চলল নিজের কামরায়। স্বরূপা তাকে ফোনে খুঁজেছিল! একবার নয়, বারবার। পুরুলিয়ার রূপা নয়, ক্যামাক স্ট্রিটের স্বরূপা—একটা বিজাতীয় ক্রিমিন্যালের রক্ষিতা! সেই ঘৃণাটা নতুন করে আবার পাক দিয়ে উঠল মনের মধ্যে। বলেছে, বিশেষ জরুরি কথা নাকি আছে! কোন কথা? পুরুলিয়ার সেই পুরানো কাসুন্দি? না, ক্যামাক স্ট্রিটের হুইস্কি—ভেজানো ন্যাকা ন্যাকা প্রেম? জাহান্নমে যাক স্বরূপা ঘোষ!

    তবু কল্যাণের ডিটেকটিভ—বুদ্ধি বললে, স্বরূপাও তো পুলিশের সন্দেহভাজন একজন সাসপেক্ট—দেখাই যাক না টোকা দিয়ে। তার একরাশ মিথ্যের মাঝে যদি একটাও সত্য কুড়িয়ে পাওয়া যায়, তা মন্দ কি?

    কিন্তু কল্যাণকে ফোন করতে হল না, তার আগেই ফোন বেজে উঠল। রিসিভার তুলে বললে, ডি. ডি. হেডকোয়ার্টার্স!. . . ইয়েস, স্পিকিং!

    অপর দিক থেকে শোনা গেল : কল্যাণ, আমি স্বরূপা।

    কি খবর?—কল্যাণের গলার স্বর ঠান্ডা।

    কেমন একটা অস্বাভাবিক ব্যাকুলতা নিয়ে স্বরূপা বললে, কাগজে তোমার ঘরে আগুন লাগার খবর পড়ে আমি স্থির থাকতে পারলাম না! জানো, কে তোমাকে পুড়িয়ে মারতে চেয়েছিল?

    কে?

    তুমি যাকে খুঁজে বেড়াচ্ছ, সেই অশ্বিনী লাহা।

    অশ্বিনী লাহা! কল্যাণের কপালে গভীর রেখা পড়ল। বললে, তুমি তাহলে জানতে?

    বিশ্বাস করো, জানতাম না। জানলে তোমাকে আগেই সাবধান করে দিতাম। পুরুলিয়ার রূপা আজ অনেক দিন হল মরে গেছে, তবু তোমার অনিষ্ট সে কোনোদিন চায়নি—চাইতে পারে না!

    স্বরূপার ভেজা—ভেজা গলা কেঁপে গেল। এক মুহূর্ত থেমে সে আবার বললে, শোনো, অশ্বিনীকে তুমি অ্যারেস্ট করো—যত শিগগির পারো ওকে ধরো, নইলে আর ধরতে পারবে না! দু’একদিনের মধ্যেই ও করাচিতে পালিয়ে যাবে!

    এ খবর তুমি কি করে জানলে?

    আজ তোমার কাছে কিছুই লুকোব না কল্যাণ। অশ্বিনী আমার কে জানো? আমার স্বামী! কেমন করে আমাদের বিয়ে হয়েছিল, সেকথা আজ আর তুলে লাভ নেই। শুধু এইটুকু জেনে রাখো, তার মতো জানোয়ারকে আমি ছাড়তে চেয়েছিলাম, কিন্তু সে আমাকে ছাড়েনি—আজও আমাকে ডায়ভোর্স দেয়নি।

    তুমি কি আমাকে গল্প শোনাচ্ছ, স্বরূপা?

    আজ তুমি আমাকে বিশ্বাস করতে পারবে না জানি। তবু বলছি, একটা কথাও আমার মিথ্যে নয়। তুমি তৈরি থেকো কল্যাণ, যদি আজ রাতে অশ্বিনী আমার এখানে—

    হঠাৎ বন্ধ হয়ে গেল কথা। রিসিভার ধরে কল্যাণ বললে, কি হল? স্বরূপা! স্বরূপা! হ্যালো! হ্যালো!

    কোনও সাড়া নেই!

    ভয়ানক একটা সন্দেহে কল্যাণের মনটা অস্থির হয়ে উঠল। রিসিভারটা রেখে সে সার্জেন্ট দত্তকে বললে, এসো।

    তারপর ঝড়ের বেগে বেরিয়ে গেল।

    .

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদেরি হয়ে গেছে – প্রচেত গুপ্ত
    Next Article মহাভারতের মহারণ্যে – প্রতিভা বসু
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }