Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দশটি রহস্য উপন্যাস – প্রণব রায়

    প্রণব রায় এক পাতা গল্প1004 Mins Read0
    ⤶

    শেষ মুহূর্তে – ৫

    ৫

    হেডকোয়ার্টার্স থেকে ক্যামাক স্ট্রিট যেতেই বা ক’মিনিট! আর, লিফটে পাঁচতলায় উঠতেই বা কতক্ষণ!

    ফ্ল্যাটের দরজা খোলাই রয়েছে। মনসিজকে নিয়ে কল্যাণ ঘরে পা দিয়েই থমকে দাঁড়াল। হ্যাঁ, এই আশঙ্কাই করেছিল সে।

    ডিভানের ওপর স্থির হয়ে শুয়ে আছে স্বরূপা। রিসিভারটা হাত থেকে ছিটকে পড়েছে মেঝেয়। বাম স্তনের ওপর একটা বুলেটের ক্ষত। শাড়িতে, ডিভানে চাপ চাপ রক্ত। রক্তের ধারা এখনও চুঁইয়ে পড়ছে। দীর্ঘ—পলক চোখ দুটির পাতা আধখোলা। সে—চোখ কি কল্যাণকেই দেখছে? স্বরূপা কি এখনও বলছে, ‘পুরুলিয়ার রূপা অনেকদিন হল মরে গেছে! তবু তোমার অনিষ্ট সে কোনোদিন চায়নি—চাইতে পারে না!’

    অথচ এই স্বরূপাকে কতখানি ভুল বুঝেছিল সে! জীবনটা বড় অদ্ভুত, তার চেয়েও অদ্ভুত মানুষের মন! একথা একদিন স্বরূপাই বলেছিল।

    মনসিজ বললে, ফ্ল্যাটটা সার্চ করে দেখব স্যার?

    একটু বিষণ্ণ হেসে কল্যাণ বললে, কি হবে? অশ্বিনী কি আমাদের জন্যে এখনও বসে আছে?

    তারপর মনে মনে বললে, এই নিয়ে তিন তিনটে জীবন তুমি নষ্ট করলে অশ্বিনী! কিন্তু আর নয়!

    মৃতদেহ নিয়ে যা কিছু পুলিশি কর্তব্যের ভার সার্জেন্ট দত্তকে দিয়ে, কল্যাণ নিচে নেমে গেল। জিপে উঠলে বললে, পাসপোর্ট অফিস।

    .

    ঘণ্টা দুই লাগল ফাইল ঘাঁটতে।

    তারপর পাসপোর্ট অফিসার বললেন, না মিস্টার বোস, গত তিন বছরের মধ্যে আবু রশিদ বা অশ্বিনী লাহার নামে কোনও পাসপোর্ট ইস্যু করা হয়নি।

    হতাশ হল কল্যাণ। তবে কি স্বরূপার খবর ভুল? একটু ভেবে আবার সে বললে, আচ্ছা, দেখুন তো খুব সম্প্রতি—মানে দু’চারদিনের মধ্যে পাকিস্তানে যাবার জন্যে কি কি নামে পাসপোর্ট ইসু হয়েছে? কিছু মনে করবে না ট্রাবল দিচ্ছি বলে।

    না, না, মনে করব কেন?—পাসপোর্ট অফিসার হেসে বললেন, পুলিশকে সাহায্য করা আমাদের ডিউটি।

    আবার ফাইল নেড়েচেড়ে তিনি জানালেন, না, পাকিস্তানে যাবার জন্যে যারা হালে পাসপোর্ট পেয়েছে, তাদের মধ্যেও ওই দুটি নাম নেই।

    কল্যাণের মুখখানা এবার সত্যিই নিভে গেল। কিছুক্ষণ, চুপ করে থেকে সে বললে, যারা পাসপোর্ট পেয়েছে, তাদের ফোটোগুলো একবার দেখতে পারি?

    নিশ্চয়। এক তাড়া ফোটো অফিসার কল্যাণের সামনে মেলে দিলেন।

    একটার পর একটা দেখতে লাগল কল্যাণ। দুই চোখে উৎসুক আগ্রহ নিয়ে। দেখতে দেখতে তার নিভে—আসা মুখ হঠাৎ উজ্জ্বল হয়ে উঠল। এই তো সেই অদৃশ্য মেঘনাদ—যাকে সে আকাশে—পাতালে খুঁজে বেড়াচ্ছে! যাকে ধরবার জন্যে সে কবরে ঢুকতেও রাজি!

    কল্যাণ বললে, এই ভদ্রলোকের পাসপোর্টে কি নাম লেখা আছে, দেখুন তো।

    অফিসার দেখে বললেন, জ্যাক নিউম্যান। নেটিভ ক্রিশ্চান।

    হাজার ধন্যবাদ!

    ফোটোগুলো রেখে দিয়ে কল্যাণ উঠে পড়ল। জিপকে নির্দেশ দিলে, এয়ার—ওয়েজ অফিস।

    .

    হেমন্তের ছোটবেলা যেন কেরানির মাস—মাইনে! কতক্ষণ থাকে?

    বি. ও. এ. সি—র অফিসে ইন্সপেক্টর কল্যাণ যখন ঢুকল, তখন সন্ধে হয়ে গেছে। নিজের আইডেন্টিটি কার্ড দেখালে সে।

    ফ্লাইট—অফিসার প্রশ্ন করলে, বলুন, আপনার জন্যে কি করতে পারি?

    কল্যাণ বললে, দু’একদিনের মধ্যে করাচিগামী কোন প্লেন ছাড়ছে কি?

    আজই ছাড়ছে।

    আজই!

    হ্যাঁ। লন্ডনগামী একটা জেট বোয়িং করাচিতে থামবে।

    সেই প্লেনে যেসব প্যাসেঞ্জার করাচি যাচ্ছেন, তাঁদের মধ্যে জ্যাক নিউম্যান নামে কেউ আছেন?

    কাগজপত্র দেখে অফিসার বললে, হ্যাঁ, এই যে—লিস্টে জ্যাক নিউম্যানের নামও রয়েছে।

    প্লেন ক’টায় ছাড়বে?

    সন্ধেবেলার ফ্লাইট। সাড়ে সাতটায় টেক অফ!

    সাড়ে সাতটা! চমকে নিজের রিস্টওয়াচের দিকে তাকালে কল্যাণ। এখন সাতটা বাজতে দশ মিনিট। তার মানে চল্লিশ মিনিট সময় আছে হাতে। তারই মধ্যে এয়ারপোর্টে পৌঁছে যাওয়া—না, অসম্ভব কিছু নয়। কিন্তু হেডকোয়ার্টার্স হয়ে যেতে গেলে হাতে সময় থাকবে কি? একটা মিনিট এখন একটা ঘণ্টার সমান।

    কল্যাণ বললে, আপনার ফোনটা ব্যবহার করতে পারি?

    অফিসার বললে, স্বচ্ছন্দে।

    হেডকোয়ার্টার্সে যোগাযোগ করে কল্যাণ সার্জেন্ট দত্তকে চাইলে। দত্ত নেই, স্বরূপার ফ্ল্যাট থেকে এখনও ফেরেনি। সুরজিৎ গুপ্তকে ডেকে কল্যাণ বললে, মনসিজ ফেরা মাত্র যেন এয়ারপোর্টে চলে আসে। আমি এখান থেকে সোজা চলে যাচ্ছি।

    গুপ্তসাহেব বললেন, কিন্তু সার্জেন্ট দত্ত যদি ঠিক সময়ে যেতে না পারে? এমন একটা অপারেশনে তোমার একা যাওয়াটা কি—

    তাঁর কথার ওপরেই কল্যাণ বললে, আমাকে একাই যেতে দিন স্যার। এ সুযোগ আমি ছাড়তে পারি না।

    ফোন রেখে আরেকবার হাতের ঘড়ি দেখলে কল্যাণ। সাতটা বাজতে পাঁচ। মাত্র পঁয়ত্রিশ মিনিট টাইম আছে। জিপে উঠে বললে, দমদম এয়ারপোর্ট। জলদি।

    গর্জন করে উঠে জিপ ছুটল।

    কিন্তু ছুটলে কি হবে? পায়ে পায়ে বাধা, পদে পদে বিঘ্ন। মহানগর কলকাতার রাজপথে শুধু গাড়ি, গাড়ি গাড়ি! রাস্তাগুলো উপচে পড়ছে ট্রাফিকের জোয়ারে। ট্রাম—বাস—ট্যাক্সি—লরি—প্রাইভেট তো আছেই, তার ওপর রিকশা—ঠেলা—স্কুটার। সব মিলিয়ে জট—পাকানো একটা জটিলতা! সবাই ব্যস্ত, সকলেই আগে যাবে।

    তারই মধ্যে জিপ এগোতে থাকে। বাসের পাশ কাটিয়ে, ট্রামের গা বাঁচিয়ে, ট্যাক্সিকে বাঁয়ে চেপে, লরির ধাক্কা এড়িয়ে। এক ফার্লং ছোটে তো তিন ফার্লং বেতো রুগির মতো চলে। অ্যাক্সিলেটর চাপতে না চাপতেই ব্রেকে পা দিতে হয়। অস্থির হয়ে ওঠে কল্যাণ। বারবার ঘড়ি দেখতে থাকে, আর মনে মনে হিসেব করে এয়ারপোর্ট আর কতদূর! কল্যাণের যদি ক্ষমতা থাকত, আজ রাতের জন্যে শহরের সমস্ত ট্যাফিক সে অচল করে দিত!

    তবু ভাল যে পথে এখনও লাল বাতি চোখ রাঙায়নি। পরপর সবুজ বাতিই পেয়েছে কল্যাণ। সামনে একটা চৌমাথার মোড়। যাক, এখানেও সবুজ বাতি জ্বলছে। জ্বলদি পেরিয়ে চলো মোড়টা। কিন্তু পেরিয়ে চলো বললেই কি পার হওয়া যায়? সাঁ করে স্পিড নিতে না নিতেই নিভে গেল সবুজ সঙ্কেত, আর কল্যাণকে যেন ঠাট্টা করেই জ্বলে উঠল একচোখো লাল বাতি!

    সশব্দে ব্রেক চাপলে গুর্খা ড্রাইভার বাজবাহাদুর। একটুখানি হকচকিয়ে গেল কল্যাণ। তারপরই চেঁচিয়ে উঠল, থেমো না বাজবাহাদুর—গুলি মারো ট্র্যাফিক সিগন্যালকে! চালাও তুমি—চালিয়ে যাও!

    কিন্তু চালাও বললেই চালানো যায় না। জিপের আগে দু’সারি গাড়ি দাঁড়িয়ে। পেছনে ব্যাক করবে, তারও জো নেই। পেছনেও গাড়ির লাইন। আশেপাশে অগুনতি গাড়ি! যেন ইঁদুরকলে আটকে পড়ে ছটফট করতে লাগল কল্যাণ। ঘড়ির কাঁটা এক একটা সেকেন্ড পার হয়, আর শরীরের স্নায়ুগুলো টনটন করে ওঠে।

    এক মিনিট কাটল। লালের বদলে আবার দেখা দিল সবুজ ইশারা। হু হু করে বইতে লাগল থেমে—থাকা গাড়ির স্রোত। হাঁপ ছেড়ে কল্যাণ বললে, আর না বাজবাহাদুর। সময় একদম নেই—জলদি চলো!

    কিন্তু না, আবার থামো! সামনে মিছিল, লাল ঝান্ডা, পরিচিত স্লোগান : ‘চলবে না, চলবে না!’ কল্যাণের ইচ্ছে হল, চিৎকার করে বলে ওঠে, কেবল চলবে না? চলতেই হবে—পৌঁছতেই হবে!

    অস্থির হয়ে উঠেছে কল্যাণ। অধীর হয়ে উঠেছে। মিছিল কি ফুরোবে না? অনন্ত নাগের মতো এর কি শেষ নেই? ঘড়ির কাঁটা ঘুরে যাচ্ছে। সময় নেই, আর সময় নেই! তবে কি পৌঁছনো যাবে না? হাতের নাগালের মধ্যে এসেও পালিয়ে যাবে আসামি?

    রাস্তা পার হয়ে চলে গেল মিছিল। এবার বেলেঘাটার রাস্তা ধরল জিপ।

    ভি—আই—পি রোডে যখন এসে পড়ল, কল্যাণ ঘড়ি দেখলে, সওয়া সাতটা। প্লেন ছাড়তে মাত্র পনেরো মিনিট বাকি! হাওয়াকে সাথ সাথ চালাও!

    তাই চালালে গুর্খা ড্রাইভার। চওড়া মসৃণ ভি—আই—পি রোড ফাঁকা। আর তাকে পায় কে? ঘষা পয়সার মতো তার নির্বিকার মুখের ফাঁকে হলদে দাঁতগুলো একবার দেখা গেল, তারপর স্পিড দিলে। জিপ ছুটল—হাওয়ার সাথে সাথে নয়, হাওয়ার আগে আগে।

    স্পিডোমিটারের কাঁটা দ্রুত উঠছে। ষাট থেকে সত্তর—সত্তর থেকে আশি—নব্বই। শেষ অবধি একশোর ঘর ছুঁয়ে কাঁপতে লাগল। ঘন কুয়াশা—মাখা অন্ধকারে জ্বলন্ত চোখের হেডলাইট ফেলে একটা কালো নেকড়ে যেন ছুটে চলেছে শিকার ধরতে!

    .

    দেখতে দেখতে এয়ারপোর্ট এসে গেল। জিপগাড়িখানা ভাল করে থামতে না থামতেই লাফিয়ে নেমে পড়ল কল্যাণ। এদিকে ওদিক চেয়ে সার্জেন্ট দত্তকে দেখতে পেল না। সে হয়তো এখনও ক্যামাক স্ট্রিটের ফ্ল্যাটে।

    দ্রুত পায়ে এয়ারপোর্টের ভেতরে চলে গেল কল্যাণ। চারদিকে সতর্ক চোখের নজর ফেলতে ফেলতে একেবারে লাউঞ্জে। নানা জাতের, নানা সাজের, নানা বয়েসের যাত্রীরা বসে আছে প্লেন ছাড়ার অপেক্ষায়। প্রিয়জনেরা এসেছে বিদায় দিতে। বিদায়—মুহূর্ত অসন্ন, চঞ্চল হয়ে উঠেছে সবাই।

    কিন্তু সে কোথায়? যার জন্যে এত বাধার পাহাড় ঠেলে শেষ মুহূর্তে কল্যাণের এই অভিযান, কোথায় সে? একটি একটি করে যাত্রীর মুখ লক্ষ করতে লাগল কল্যাণ। না, নেই—এদের মধ্যে সে নেই! তবে কি সে আসেনি? করাচি যাওয়ার প্রোগ্রাম বাতিল করেছে? হতাশায় কল্যাণের উদ্যম ফুরিয়ে এল। তবু তার গোয়েন্দা—মন বললে, সে আছে—এখানেই সে আছে। আইনকে ফাঁকি দিয়ে পালিয়ে যাবার এত বড় সুযোগ সে ছাড়বে না।

    কল্যাণের চোখের সার্চ লাইট ঘুরে ঘুরে আবার যাত্রীদের লক্ষ করতে লাগল। সবাইকে দেখা হয়েছে, শুধু—হ্যাঁ, লাউঞ্জের ওই কোণে খবরের কাগজে মুখ ঢেকে, দামি টুইডের স্যুট—পরা যে প্যাসেঞ্জারটি তন্ময় হয়ে খবর পড়ছে, শুধু তাকেই এখনও দেখা হয়নি।

    পায়ে পায়ে এগিয়ে গেল কল্যাণ। লোকটার সামনে দাঁড়িয়ে ইংরেজিতে বললে, দেশলাই আছে মিস্টার?

    খবরের কাগজের আড়াল থেকে বিশুদ্ধ ইংরেজি উচ্চারণে জবাব এল : দুঃখিত; নেই।

    আপনি বুঝি স্মোক করেন না?

    না।

    কল্যাণ তবু দাঁড়িয়ে রইল। অমায়িকভাবে প্রশ্ন করলে, এই প্লেনে আপনিও যাচ্ছেন নিশ্চয়? কোথায়? করাচি, এডেন না লন্ডন?

    খবরের কাগজের দেওয়াল তবু নড়ল না। নীরস গম্ভীর গলার জবাব শোনা গেল: আমার বিষয়ে অন্যের কৌতূহল আমি পছন্দ করি না।

    একটু চুপ থেকে কল্যাণ বললে, মাপ করবেন। এইমাত্র একজন পাইলটের মুখে শুনলাম, বিদ্রোহী বালুচ সৈন্যেরা নাকি বোমা ফেলছে! তাই এ প্লেন করাচিতে নামবে না!

    ঠিক চালই চেলেছে কল্যাণ। মুহূর্তে সরে গেল খবরের কাগজের আড়াল। সোজা হয়ে বসে লোকটা বিরক্তি আর বিস্ময় মেশানো গলায় বলে উঠল, সেকি!

    আর, তার মুখের দিকে তাকিয়ে কল্যাণ যেন নিশ্বাস নিতে ভুলে গেল। দিল্লির পুলিশ—দপ্তর থেকে পাঠানো ফোটোখানা জ্যান্ত হয়ে উঠেছে তার চোখের সামনে! এই একই মুখ সে আজই দেখে এসেছে পাসপোর্ট অফিসে!

    সৌজন্যের ভঙ্গিতে মাথা ঝুঁকিয়ে কল্যাণ চিবিয়ে চিবিয়ে বললে, গুড ইভনিং মিস্টার জ্যাক নিউম্যান, ওরফে আবু রশিদ, ওরফে মৃগাঙ্ক মজুমদার, ওরফে অশ্বিনী লাহা!

    লোকটাকে এতটুকু বিচলিত হতে দেখা গেল না। শান্তভাবে বললে, পাগলের মতো কী বকছ! জ্যাক নিউম্যান ছাড়া আমার দ্বিতীয় নাম নেই।

    লাউঞ্জে তখন মাইকের ঘোষণা শোনা যাচ্ছে : বি.ও.এ.সির জেট বোয়িং এখনই লন্ডনের পথে রওনা হবে. . . প্যাসেঞ্জারদের নিজের আসনে বসতে অনুরোধ করা হচ্ছে. . . লন্ডনগামী এই প্লেন প্রথমে থামবে করাচি শহরে, তারপর. . .

    ব্যস্ত যাত্রীরা যে যার জিনিস নিয়ে একে একে লাউঞ্জ ছেড়ে চলে যেতে লাগল। খবরের কাগজ রেখে জ্যাক নিউম্যানও উঠে দাঁড়াল যাবার জন্যে।

    প্যান্টের পকেটে হাত ভরে কল্যাণ তার পথ আগলে দাঁড়াল। তার শরীরের পেশীগুলো শক্ত হয়ে উঠল। বললে, দাঁড়াও বন্ধু! যাচ্ছ কোথায়? তোমাকে হাতে পেয়ে আর কি ছাড়তে পারি?

    জ্যাক নিউম্যানের বাদামি চোখ দুটোতে একবার আগুনের ফুলকি দেখা গেল। তারপরেই অস্বাভাবিক ঠান্ডা গলায় সে বললে, আবার বলছি—আমায় তুমি চিনতে ভুল করেছ! আমি শুধু জ্যাক নিউম্যান।

    ভুল!—একটু তিক্ত হাসি মুখে নিয়ে কল্যাণ বললে, ক্রিমিন্যাল চিনতে কল্যাণ বোস ভুল করে না। দিল্লিতে তুমি ছিলে আবু রশিদ, দাড়ি রেখে কলকাতায় হলে অশ্বিনী লাহা আর মৃগাঙ্ক মজুমদার, আবার দাড়ি কামিয়ে তুমি হয়েছ জ্যাক—

    মুখের কথা শেষ না হতেই কল্যাণের মুখ বন্ধ হয়ে গেল। মোটা লোমশ হাতের একটা ঘুসি আচমকা এসে পড়ল তার চোয়ালে। ছিটকে পড়তে পড়তে একটা সোফা ধরে সে টাল সামলে নিলে। রিভলভারের জন্যে পকেটে আবার হাত দিতেই একটা নীরস গলার গুরুগম্ভীর আওয়াজ শোনা গেল, হাত তোলো!

    কল্যাণ ফিরে দেখলে, আবু রশিদ ওরফে অশ্বিনী লাহার হাতের অটোমেটিক তারই দিকে তাগ করে রয়েছে! এতক্ষণে তার খেয়াল হল, অশ্বিনীর মতো ধূর্ত ক্রিমিন্যালের সঙ্গে একা মোকাবিলা করতে আসাটা নেহাত বোকামি হয়ে গেছে! সার্জেন্ট দত্তকে যখন পাওয়া গেল না, তখন আর কাউকে আনাই উচিত ছিল।

    কল্যাণের হাত দু’খানা আস্তে আস্তে ওপরে উঠে গেল।

    এয়ারপোর্টের লাউঞ্জ এখন প্রায় ফাঁকা। লন্ডনগামী হাওয়াই জাহাজ ছাড়বার অপেক্ষায় রানওয়েতে দাঁড়িয়ে আছে। সিঁড়ি বেয়ে প্যাসেঞ্জারেরা একে একে উঠে যাচ্ছে ভেতরে। সকলেরই দৃষ্টি সেদিকে। নইলে লাউঞ্জের এক কোণে যে বিচিত্র নাটক শুরু হয়েছে, তার দর্শকের অভাব হত না।

    হাতের অটোমেটিকটা নাচাতে নাচাতে অশ্বিনী এবার পরিষ্কার বাংলায় বললে, কল্যাণ বোস, ভারি চালাক গোয়েন্দা তুমি, না? এত চালাক যে, নিজের ফাঁদে নিজেই ধরা পড়লে। এই বুদ্ধি নিয়ে তুমি গোয়েন্দাগিরি করো?

    বিশ্রী আওয়াজ করে হেসে উঠল অশ্বিনী।

    নিরুপায় আক্রোশে জ্বলতে জ্বলতে কল্যাণ বললে, শাট আপ! শয়তান জানোয়ার কোথাকার! তোমার খেলা আজই শেষ জেনো!

    বটে!—অশ্বিনীর বাদামি চোখে আরেকবার আগুনের ফুলকি দেখা গেল। বললে, খেলা শেষ কার? আমার, না তোমার? আমার সঙ্গে শত্রুতা করার সাজা কি, মগনলাল, রতিকান্ত আর স্বরূপা নিশ্চয় তোমাকে জানিয়ে দিয়েছে?

    কল্যাণ বললে, তাহলে স্বীকার করছ, রতিকান্ত আর স্বরূপাকেও তুমি খুন করেছ?

    আমর কাছে বেইমানির ক্ষমা নেই।—নিজের রিস্টওয়াচের দিকে একবার তাকালে অশ্বিনী। তারপর বললে, প্লেন ছাড়তে আর এক মিনিট বাকি। নিজের জান বাঁচাতে চাও তো সরে দাঁড়াও!

    অদ্ভুত একটা মরিয়া ভাব কল্যাণকে পেয়ে বসল। দাঁতে দাঁত চেপে বললে, পালাতে তোমায় দেব না অশ্বিনী—মরে গেলেও না।

    অশ্বিনীর তামাটে মুখ লাল টকটকে হয়ে উঠল। অস্বাভাবিক ঠান্ডা গলায় বললে, তোমার মতো একটা ইঁদুর—বাচ্চচার জন্যে একটা টোটা নষ্ট করব কিনা ভাবছিলাম এতক্ষণ। কিন্তু না—আর দেরি করা চলে না। ঈশ্বর নামে কোনো আত্মীয়—টাত্মীয় যদি তোমার থাকে তো তাকে ডাকতে পারো।

    হাতের অটোমেটিকটা কল্যাণের বুকের লেভেলে তুলে ধরলে অশ্বিনী। আর, সেই মুহূর্তে—ঠিক সেই মুহূর্তে একখানা চেয়ার সবেগে এসে পড়ল অশ্বিনীর ডান হাতের মুঠোর ওপর। ছিটকে পড়ল অটোমেটিক রিভলভার।

    সার্জেন্ট দত্ত কখন এসে দাঁড়িয়েছে, কল্যাণ বা অশ্বিনী কেউ দেখেনি।

    রিভলভারটা কুড়িয়ে নেওয়ার জন্যে দু’জনে দু’দিক থেকে ঝাঁপিয়ে পড়ল। কিন্তু অশ্বিনী হেঁট হয়ে হাত বাড়াতেই, কল্যাণ তার শরীরের সমস্ত শক্তি দিয়ে প্রচণ্ড এক ঘুসি ঝাড়লে অশ্বিনীর থুতনি লক্ষ্য করে। বক্সিং—শেখা হাত কল্যাণের, একটা ঘুসিতেই অশ্বিনীর ঘাড়ে—গর্দানে ভারি দেহটা উল্টে পড়ে গেল।

    অস্ত্রটা কুড়িয়ে নিয়ে ইন্সপেক্টর কল্যাণ চেয়ে দেখলে, মেঝের কার্পেটে বসে আহত অশ্বিনী বুনো মোষের মতো হাঁপাচ্ছে। থুঁতোনির রক্ত গড়িয়ে সাদা টেরিলিনের শার্ট লাল হয়ে গেছে।

    ততক্ষণে সুরজিৎ গুপ্তের পাঠানো আর্মড ফোর্স আর এয়ারপোর্টের জনতা ভিড় করে দাঁড়িয়েছে লাউঞ্জে। কল্যাণ কাছে গিয়ে বললে, গেট আপ অশ্বিনী—উঠে দাঁড়াও!

    টলতে টলতে দাঁড়িয়ে উঠল অশ্বিনী। মনসিজ হ্যান্ডকাপ নিয়ে এগিয়ে এল।

    লন্ডনগামী জেট বোয়িং তখন দমদমের মাটি ছেড়ে করাচির পথে উড়ে চলেছে।

    .

    মনসিজ বললে, এবার কিছুদিন ছুটি নিন স্যার। যে ধকলটা গেল।

    কল্যাণ হেসে বললে, হ্যাঁ, বীথিরও তাই ইচ্ছে। তবে তার আগে একটা কাজ বাকি আছে।

    আবার কি কাজ?

    পল্টু ছোকরাকে একটা ভাল চাকরিতে ঢুকিয়ে দিয়ে, মীনা থাপার সঙ্গে ওর বিয়ের ব্যবস্থা করা। অন্তত একটা জীবন ক্রাইমের রাস্তা ছেড়ে সুস্থ সুন্দর হয়ে উঠুক।

    সমাপ্ত

    ⤶
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদেরি হয়ে গেছে – প্রচেত গুপ্ত
    Next Article মহাভারতের মহারণ্যে – প্রতিভা বসু
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }