Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দুচাকায় দুনিয়া – বিমল মুখার্জি

    বিমল মুখার্জি এক পাতা গল্প588 Mins Read0
    ⤶

    দুচাকায় দুনিয়া – ২০

    ২০

    চারদিন পর কলম্বো পৌঁছলাম। আমি ভারতবাসী বলে পুলিশ প্রথমেই আমার কাছ থেকে বন্দুক ও রিভলবার একরকম কেড়ে নিয়ে বলল যে সে সব জমা থাকবে এবং পরে কলকাতায় পুলিশের কাছে পাঠানো হবে। এটা সর্বৈব মিথ্যা। আমি অনেক তদ্বির করেও বন্দুক ও রিভলবার ফেরৎ পাইনি। তারিখটা ২৩ মার্চ ১৯৩৭ সাল। কলম্বোতে রীতিমতো গরম। বেশ কষ্ট হচ্ছিল। সিংহলের দক্ষিণে কালুতারা গ্রাম আছে। এক সিংহলি লেখক বন্ধু ও তার ইংরেজ স্ত্রী আমাকে বহু বছর আগে নিমন্ত্রণ করেছিল তাদের কাছে থাকবার জন্য, যদি কখনও সিংহলে যাই। বন্ধুর নাম ডি সিলভা।

    বন্ধুর বাড়িতে তালাচাবি দেওয়া, কলম্বোতে চাকরি করে। জায়গাটা মনে হয় নারকোল গাছের দেশ। এত সুন্দর যে চোখ জুড়ায়। সেখান থেকে কলম্বোতে ফিরে গেলাম। একদিন বিশ্রাম করে কান্ডিতে বৌদ্ধ মন্দির দেখতে গেলাম। কথিত আছে, এই মন্দিরে তথাগত বুদ্ধের একটি দাঁত সযত্নে রাখা আছে। বৌদ্ধরা দলে দলে কান্ডির মন্দিরে যায় এবং ভক্তি সহকারে প্রণাম জানায়।

    কান্ডি পাহাড়ের দেশ। চা-বাগান পথে দেখলাম। অনুরাধাপুরে জগৎপ্রসিদ্ধ স্তূপ দেখতে যাবার ইচ্ছায় উত্তর দিকে রওনা হলাম।

    অনুরাধাপুর পুরনো দিনের রাজধানী। বৌদ্ধবিহার ও পৃথিবীর বৃহত্তম স্তূপ দেখে আমি মুগ্ধ। সিংহল দ্বীপ সত্যিই সুন্দর। এমন গাছের শোভা কমই দেখা যায়।

    উত্তর দিকে সাইকেল চালাতে চালাতে তিনদিন পরে তালাইমানদের পর পাক পয়ঃপ্রণালী আর তার ওপারেই দেশ ভারতবর্ষ। দেশে পৌঁছে যাব সুস্থ দেহে ভেবেও আনন্দ হচ্ছিল। এক যুগ পরে দেশে ফিরছি। কত কথা মনে পড়ছে, বিশেষ করে তিন বন্ধুর কথা।

    জাহাজ নিয়ে ওপারে ধনুষ্কোটি যাচ্ছি। কিন্তু রওনা হবার আগে যথেষ্ট নাস্তানাবুদ হলাম। সব লোককে ছেড়ে পুলিশ আমাকে নিয়ে পড়ল। প্রথম প্রশ্ন, আর ইউ এ বেঙ্গলি? দ্বিতীয় প্রশ্ন, হোয়াই ডিড ইউ ক্যারি এ সার্ভিস পিস্তল? যদিও বন্দুক জমা নিয়েছে বললেই ভালো হয়।

    এইসব প্রশ্নের অর্থ হল যে আমি বাঙালি এবং সেজন্য পুলিশ আমাকে সন্দেহের চোখে দেখে। জাহাজ ছাড়বার নাম নেই। আমার সাইকেল, হ্যাভারস্যাক, ক্যামেরা ফিল্ম তন্ন তন্ন করে পুলিশ সার্চ করল। কিছুই না পেয়ে আড়াই ঘণ্টা পরে আমাকে ভারতগামী জাহাজে উঠতে দিল, যত দেরি হচ্ছিল ততই আমার কাছে অসহ্য লাগছিল। কেবল দেশে ফেরার আনন্দ আমার উৎসাহ জাগিয়ে রেখেছিল, মনে মনে রাগ হচ্ছিল যদিও। ধনুষ্কোটিতে জাহাজ থামবার পরেই ভারতবর্ষের মাটিতে পা দিলাম। কী অদ্ভুত আনন্দ অনুভূতি। ভাবিনি এই দিনটা সত্যিই আমার জীবনে একদিন দেখা দেবে। প্রথমেই হাঁটু গেড়ে বসে ভারতমাতাকে চুমু খেলাম, তার পর গাইলাম ‘সার্থক জনম আমার …..’।

     

    আরও দেখুন
    কলকাতার
    বই
    কলকাতায়
    কলকাতা
    দু চাকায় দুনিয়া
    ক্যালকাটায়
    বুক শেল্ফ
    দুচাকায় দুনিয়া
    Book
    আমাকে

     

    পরে রামেশ্বরম মন্দির দেখতে গেলাম। একটা চৌলট্টি অর্থাৎ ছোট ধর্মশালায় উঠলাম। জাহাজে একটি যুবকের সঙ্গে ভাব হয়েছিল, সে সব বন্দোবস্ত করে দিল।

    দক্ষিণ ভারতবর্ষের অপূর্ব স্থাপত্য ও ভাস্কর্যে মণ্ডিত সব মন্দির দেখতে দেখতে উত্তর দিকে চলেছি। মাদুরার মন্দিরের ভেতর পার্বতীর পাথরে খোদাই করা মূর্তি দেখে জীবন্ত মনে হচ্ছিল, এমনই নৈপুণ্যে সেটি তৈরি। ত্রিচিনাপল্লি, মহাবলীপুরম পার হয়ে মাদ্রাজ পৌঁছলাম। সেখানে ওয়াই এম সি এতে উঠলাম। ম্যানেজার, নারায়ণম মাকে কলকাতায় চিনতেন। তিনি এমনই হৈ হল্লা শুরু করে দিলেন যে আমি অপ্রস্তুত। সত্যমূর্তি তখন মাদ্রাজের মেয়র। তিনি খবর পেয়ে সেইদিনই বিকালে ওয়াই এম সি এর হলে এক বিপুল সম্বর্ধনার ব্যবস্থা করলেন।

    সত্যমূর্তি তখনকার দিনে একজন মস্ত বক্তা ছিলেন। বললেন, আমি মাদ্রাজ প্রেসিডেন্সিতে (বহরমপুর-গঞ্জাম) জন্মেছি, সেজন্য আমার কৃতিত্বে মাদ্রাজবাসীরা গর্বিত। তিনি আমাকে অভিনন্দন জানালেন যে আমিই প্রথম ভারতীয় ভূপর্যটক।

     

    আরও দেখুন
    ক্যালকাটায়
    আমাকে
    কলকাতা
    দুচাকায় দুনিয়া
    বুক শেল্ফ
    দু চাকায় দুনিয়া
    কলকাতায়
    কলকাতার
    বই
    Book

     

    তিনদিন মাদ্রাজে বাস করবার পর আমি যে আমার অগোচরে সাহেবিপনা আয়ত্ত করেছিলাম তা জলাঞ্জলি দিলাম। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত কেবলই নিমন্ত্রণ খাচ্ছি। কয়েক ঘর বাঙালি বাসিন্দার বাড়িতে তো রীতিমতো ভূরিভোজ খেলাম। অনেকদিন মুখরোচক রান্না খাইনি।

    পরদিন আমার ভ্রমণকাহিনী বললাম।

    মাদ্রাজ ছেড়ে উত্তরে রাজামুন্দ্রি শহরের দিকে রওনা হলাম। এখানে একজন ইংরেজের সঙ্গে দেখা করবার কথা। সে ইম্পিরিয়াল ব্যাঙ্কের ম্যানেজার। মাদ্রাজে সেই খবর পেয়েছিলাম। রাজামুন্দ্রির ব্যাঙ্কে পৌঁছে আমি সোজা এজেন্টের ঘরে গেলাম। আমার ধড়াচূড়া হ্যাভারস্যাক পিঠে দেখে এফ জি হোয়াইট প্রথমটা চমকে উঠেছিল। ভালো করে মুখের দিকে চেয়ে দেখল, আমিও টুপি খুললাম, তারপর সে কী আনন্দ! হোয়াইট আমার নাম ধরে চিৎকার করে ডাকল এবং চকিতের মধ্যে উধাও হল মিসেস হোয়াইটকে খবরটা দিতে।

    লন্ডনে থাকতে একদিন এপসমে ঘোড়ার ডার্বি রেস দেখতে গিয়েছিলাম। সেখানে হোয়াইটের সঙ্গে দেখা হয়, সেই সময়ই ভবিষ্যতের মিসেস হোয়াইটের সঙ্গেও আলাপ হয়। কলকাতার স্ট্র্যান্ড রোডে আমি যখন ইম্পিরিয়াল ব্যাঙ্কে কাজ করতাম হোয়াইট তখন ছিল আমার ঊর্ধ্বতন অফিসার। কিন্তু লোকটার মন ছিল উদার। আমাকে কতদিন ট্রেনিং দিয়েছে তার ফোর্ড গাড়ির পিছন পিছন অনুসরণ করতে দিয়ে।

     

    আরও দেখুন
    Book
    বই
    বুক শেল্ফ
    কলকাতায়
    দুচাকায় দুনিয়া
    আমাকে
    দু চাকায় দুনিয়া
    কলকাতার
    ক্যালকাটায়
    কলকাতা

     

    উইম্বলডনে হোয়াইটের বাড়িতে আমাকে নিয়ে গিয়েছিল এবং আমরা তিনজনে অনেক গল্প ও আনন্দ করেছি তিনদিন।

    তখন বিদায় নেবার দিন হোয়াইট বলেছিল, দেশে ফিরলে তার খোঁজ করতে। তারপর প্রায় একযুগ কেটে গেছে। আমি ঘুরতে ঘুরতে কত দেশ দেখলাম, হোয়াইটরা বিয়ে করে প্রথমে মাদ্রাজে, তারপর বেজওয়াদা এবং শেষকালে রাজামুন্দ্রি ব্রাঞ্চে এজেন্টের কাজে বহাল আছে। ইতিমধ্যে দুটি সন্তান জন্মেছে। তারা বড় হচ্ছে বিলেতে।

    ইম্পিরিয়াল ব্যাঙ্ক রাজামুন্দ্রি ব্রাঞ্চে সেদিন এক অভাবনীয় ঘটনা সবাইকে অবাক করে দিয়েছিল। এজেন্ট একজন ভারতীয়ের হাতের ভেতর হাত গলিয়ে তার হ্যাভারস্যাক কাঁধে উঠিয়ে মহা উৎসাহে আগন্তুককে টানতে টানতে দোতলায় নিয়ে গেল। গৃহিণী আমাকে ভোলেননি। হাসি মুখে আদর অভ্যর্থনা জানালেন। তাড়াতাড়ি এক বোতল বিয়ার ফ্রিজিডিয়ার থেকে বের করে তিনটি গ্লাসে ঢাললেন এবং চিয়ার্স বলে আমার দিকে তার গ্লাস তুলে ধরলেন। হোয়াইট এক নিশ্বাসে বিয়ার শেষ করে বলল যে আধঘণ্টা পরে সে ব্যাঙ্কের কাজ গুছিয়ে নিয়ে ফিরবে।

    আমি আরাম করে স্নান করলাম।

     

    আরও দেখুন
    দুচাকায় দুনিয়া
    আমাকে
    দু চাকায় দুনিয়া
    বই
    কলকাতা
    কলকাতার
    ক্যালকাটায়
    বুক শেল্ফ
    Book
    কলকাতায়

     

    বিকালে হোয়াইট পরিবারের সঙ্গে টেনিস খেলতে গেলাম। ওরা দুজনেই বলতে লাগল যে অন্তত এক সপ্তাহ ওদের কাছে থেকে আমার দেশবিদেশের অভিজ্ঞতা বলতে হবে। আমি অনেক কষ্টে বোঝালাম যে বহুকাল বাড়িছাড়া, এত কাছে এসেছি যে আর দেরি সয় না। অবশেষে ঠিক হল যে তিনদিন থাকব।

    ইংরেজ সামাজিক, পারিবারিক ও ব্যক্তিগত জীবনের সব রকম ছবি আমার পরিচিত, ভালো মন্দ দুইই দেখেছি। এই কারণে বোধহয় হোয়াইটরা আমাকে তাদের আপনার লোক বলে মনে করেছিল।

    আরও উত্তর-পূর্বে সাইকেল চালাতে আরম্ভ করলাম। বেজওয়াদা পার হয়ে ওয়ালটেয়ারে পৌঁছলাম। ওয়ালটেয়ারে সমুদ্রের ধারে একটা হোটেলে উঠলাম। আমাদের দেশের লোকেদের এমনই বদ অভ্যাস যে তীরে বেড়ানো যায় না দুর্গন্ধের চোটে। মেজাজ খারাপ করে বসবার ঘরে গেলাম। দেখা হল পঙ্কজ গুপ্ত ও তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে। তাঁরা নির্জনে দুজনে সমুদ্রের ধারে হাওয়া খেতে গিয়েছিলেন। এখন পুরীতে ফিরে যেতে চান। সেখানে সমুদ্রের ধারটা ভদ্র ধরনের।

    আমি যখন ১৯২৬ সালে ভ্রমণ শুরু করি তখন বিদায় শুভেচ্ছা যাঁরা জানাতে এসেছিলেন, তাদের মধ্যে পঙ্কজবাবু অন্যতম। সেজন্য দেখা হওয়াতে খুব আনন্দিত হলাম। সেদিনের স্বল্প পরিচিত পঙ্কজ গুপ্তের আজ ভারতবর্ষ জোড়া সুনাম। আমি ছোটবেলা থেকে দেখে আসছি সাহসী ও কৃতী লোক

     

    আরও দেখুন
    দুচাকায় দুনিয়া
    কলকাতা
    কলকাতার
    বুক শেল্ফ
    কলকাতায়
    ক্যালকাটায়
    দু চাকায় দুনিয়া
    আমাকে
    বই
    Book

     

    সন্ধেবেলায় ডিনার খাবার পর আমাকে নিয়ে পড়লেন, কলকাতায় ফেরার পর একটা মস্ত অভ্যর্থনার ব্যবস্থা করতে চান। সেজন্য কবে, কখন কলকাতায় পৌঁছব তার প্রোগ্রাম কষতে শুরু করলেন। একমাত্র অনুরোধ যে বালি, উত্তরপাড়া হয়ে জি টি রোড ধরে কলকাতায় পৌঁছতে হবে, তারপর সব ব্যবস্থা পঙ্কজবাবুর। তাঁর স্ত্রী নেমন্তন্ন করলেন কলকাতায় গুপ্তদের বাড়িতে ডিনার খাবার

    পথে গঞ্জাম বহরমপুরে পৌঁছলাম। এই শহরে আমার দাদামহাশয়রা ছিলেন খুব প্রতিপত্তিশীল বাঙালি। অর্থাৎ এককথায় বহরমপুরে আমার মামার বাড়ি এবং সেখানেই ১৯০৩ সালে আমার জন্ম। এখানে ছেলেবেলার অনেক স্মৃতি, বিশেষ করে আমার চেয়ে চোদ্দ দিনের বড়, মামাতো ভাই শোভন চ্যাটার্জিকে ঘিরে। পরে বড় হবার পর আমার সঙ্গী সাথী হয়ে সাইকেলে সে ভারতবর্ষের বিভিন্ন দিকে পাড়ি দিয়েছে। সেটা ছিল পৃথিবী ভ্রমণের গোড়াপত্তন। ছেলেবেলার সেই আন্তরিক টান আজও অটুট।

    বহরমপুরের নবনির্মিত মেয়েদের কলেজে ডাক এল। নানা বিষয় আলোচনা, প্রশ্নোত্তর হল। মেয়েদের উৎসাহ প্রচুর।

     

    আরও দেখুন
    ক্যালকাটায়
    বই
    দুচাকায় দুনিয়া
    দু চাকায় দুনিয়া
    কলকাতা
    কলকাতার
    কলকাতায়
    আমাকে
    বুক শেল্ফ
    Book

     

    গরমে বেশ কষ্ট হচ্ছিল কিন্তু সেদিকে আমার আর তেমন ভ্রূক্ষেপ নেই

    রাস্তা মোরামের, বৃষ্টির পর কোথাও জল জমেছে। কটক পৌঁছতে তিনদিন লেগে গেল। কটকে ছেলেবেলার অনেক স্মৃতি জমে আছে। স্কুলের লম্বা ছুটি এলেই আমার মন উতলা হত কাটজুড়ি নদীর বালির ওপর খেলাধুলোর কথা ভেবে। মামার বাড়ি ছিল ওড়িয়া বাজারের ব্রাহ্ম সমাজের খুব কাছে। বাড়িটা মস্ত বড়, মালিক ছিলেন জানকীনাথ বসু— সুভাষচন্দ্র বসুর পিতা। রাস্তার ওপারে বিখ্যাত প্রফেসর গোপাল গাঙ্গুলির বাড়ি। তাঁর ছেলেরা আমার সমবয়সী ছিল। আমাদের মধ্যে কয়েকঘর বাঙালিদের ছেলেমেয়েদের মধ্যে বেশ ভাব ছিল। প্রত্যেক দিন বিকালে কাটজুড়ি নদীর বালির ওপর খুব ছোটাছুটি খেলা হত। মাথার চুলে বালি ভরে যেত। তখন কটকে ইলেক্ট্রিক আলো আসেনি। বড় বড় কেরোসিন তেলের আলোর নিচে বই নিয়ে পড়তে বসতাম, পড়ার চেয়ে মুখ্য কর্ম তখন ছিল মাথা আঁচড়ে বালি বের করা।

    এবার তেলেঙ্গাবাজারের বাসিন্দা শরৎ মুখোপাধ্যায়ের বাড়িতে উঠেছিলাম। ইনি আমার মেসোমহাশয়। তাঁর একমাত্র পুত্র, সুধাংশু আমার সমবয়সী ছিল। তার উৎসাহের সীমা ছিল না। একদিন সন্ধ্যায় কটক ক্লাবে ও আরেকদিন দুপুরে ভিক্টোরিয়া স্কুলে আমার অভিজ্ঞতা বলবার আহ্বান পেলাম, র‍্যাভেনস কলেজও সাদর অভ্যর্থনা জানাল।

     

    আরও দেখুন
    ক্যালকাটায়
    বুক শেল্ফ
    দু চাকায় দুনিয়া
    কলকাতার
    কলকাতায়
    দুচাকায় দুনিয়া
    Book
    আমাকে
    বই
    কলকাতা

     

    ছেলেবেলার বন্ধু অনেক ছিল। কে যে কোথায় গেছে তার ঠিক নেই। সংসারের নিয়মই এই।

    খুব গরমের মধ্যে বৃষ্টি হল খুব। পৃথিবীটা যেন ঠান্ডা হল। বৃষ্টি দেখে ভীষণ ভালো লাগল। ভিজে মাটির গন্ধ মনটাকে খুশিতে ভরল।

    কটক ছেড়ে কেওনঝাড়ের দারুণ জঙ্গলের মধ্য দিয়ে চলেছি। রাস্তা বিশেষ ভালো নয়। কিন্তু চারদিকের দৃশ্য খুব মনোরম। বুনো জন্তু অপর্যাপ্ত পাওয়া যায়

    তিনদিন পর বালাসোরে পৌঁছলাম। এখানে অনেক বাঙালির বাস। সবাই মিলে হৈ চৈ করল অনেক। খড়্গপুরে পৌঁছবার আগেই বাঁদিকে রাস্তা ধরলাম জি টি রোড ধরে আসানসোল যাবার জন্য। এই ট্যুরে আমার দুদিন বেশি লাগল। জুন মাস, বৃষ্টি না হলে খুবই গরম। আমার সে দিকে বিশেষ দৃষ্টি ছিল না। আমার অবস্থা তখন ‘এলেম নতুন দেশে’র মতো। সব চমৎকার, সব ভালো লাগছে

    রাজবাঁধে রাত কাটালাম ডাকবাংলোয়। পরদিন ভোরে রওনা হলাম বর্ধমানের দিকে। দিনের শেষে বর্ধমান পৌঁছলাম। একদল মেডিক্যাল ছাত্র আমার অপেক্ষায় বিকাল থেকে কার্জন গেটের কাছে দাঁড়িয়ে ছিল। তারা আমাকে ফ্রেশার হাসপাতাল প্রাঙ্গণে নিয়ে গেল। সেখানে চিফ মেডিক্যাল অফিসার, গণেশ সরকারের সঙ্গে দেখা হল। আমার এক বন্ধুর দাদা বলে তিনি আমারও দাদার মতো। গণেশদা খুব ঘটা করে অভ্যর্থনা জানালেন। আমি ধন্যবাদ জানালাম। তারপর শুরু হল ভূরিভোজের পালা।

     

    আরও দেখুন
    দু চাকায় দুনিয়া
    বুক শেল্ফ
    ক্যালকাটায়
    বই
    কলকাতায়
    আমাকে
    কলকাতা
    Book
    দুচাকায় দুনিয়া
    কলকাতার

     

    পরদিন সকালে ব্রেকফাস্ট খাবার পর গণেশদা নানা রকম প্রশ্ন করে গল্প জুড়ে দিলেন। সকাল দশটার সময় বর্ধমান ছাড়লাম। সোজা জি টি রোড ধরে চন্দননগরে পৌঁছলাম এবং ডাঃ কৃষ্ণলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে উঠলাম। ডাক্তারের দাদা শৈলেনবাবু আমার ভ্রমণের কথা সবাইকে জানালেন। ভদ্রলোকের দেখলাম খুব উৎসাহ।

    তিনি আমাকে খবর দিলেন যে পরশু ১১ জুন আমাকে কলকাতায় পৌঁছতে হবে এবং মেয়র সনৎ রায়চৌধুরী আমাকে নাগরিক সংবর্ধনা জানাবেন। ইউনিভার্সিটি ইনস্টিটিউট হলেও লোক জমায়েত হবে। আরও খবর পেলাম যে আমার সঙ্গে পথে অন্তত একদিন আগে দেখা করবার জন্য মা, বাবা, ভায়েরা এবং বোন বালিতে বাড়ি ভাড়া করে আছেন।

    শৈলেনবাবুর বাড়ি ছেড়ে জি টি রোডে পৌঁছলাম। কলকাতা থেকে মোটর গাড়িতে আমার দুই ভাই ও তাদের বন্ধুরা আমার খোঁজ করতে করতে হঠাৎ আমার দেখা পেল। তারপর সে কী হৈ চৈ হুল্লোড়। সেই দলে একটি সুদর্শন যুবক আমাকে দেখে বিশেষ করে আমার ধড়াচূড়া দেখে মুচকে মুচকে লাজুকের মতো হাসছিল। আমার ভাই নির্মল মুখার্জি আলাপ করিয়ে দিল আমার বন্ধু কল্যাণরঞ্জন দাস, বেণু বলে ডাকি। তার সঙ্গে হাত মেলালাম। কিছুক্ষণের মধ্যেই বেণুর সব লজ্জা চলে গেল। অন্যদের মধ্যে এগিয়ে গিয়ে সর্বপ্রথম গাড়ি নিয়ে রাস্তা ফাঁক করতে করতে চলল।

     

    আরও দেখুন
    আমাকে
    ক্যালকাটায়
    দুচাকায় দুনিয়া
    বুক শেল্ফ
    কলকাতার
    বই
    দু চাকায় দুনিয়া
    Book
    কলকাতায়
    কলকাতা

     

    পথে অভূতপূর্ব ব্যাপার। রাস্তার দুধারে ছোট ছোট শহরে বাড়ি বাড়ি থেকে ডাক এল তাদের অভ্যর্থনায় যোগ দেবার জন্য। শাঁখ বাজিয়ে বরণ করে, গান গেয়ে সবাই যেন উৎসব করছিল। সব জায়গায় আমি দুকথায় ধন্যবাদ জানালাম। এতবার এত জায়গায় গেলাম যে দিন ফুরিয়ে এল। দিনের আলোয় মা-বাবার কাছে পৌঁছতে পারলাম না। তাঁরা বালির বাড়িটা নিয়েছিলেন একেবারে রাস্তার ওপর। সেখানেও অনেক লোক জমা হয়েছিল।

    সন্ধ্যা সাতটার পর দীর্ঘ একযুগ পরে অবশেষে মা, বাবার সঙ্গে দেখা। আমার হৃদযন্ত্রটা মনে হচ্ছিল দ্বিগুণ জোরে চলেছে। সবাইকে যেন হঠাৎ অনেক বড় এবং বুড়ো দেখাচ্ছিল। সে হিসাবে আমিই যেন ইয়ং ম্যান। ছ ফুট লম্বা একটা রোদে পোড়া কাঠের মতো। মনে ভীষণ আনন্দ। এতদিনে যে ভূত আমার মাথায় এগারো বছর জুড়ে বসেছিল আজ সে নামল। পৃথিবী ভ্রমণ শেষ করবই এমন প্রতিজ্ঞা কতবার করেছি। কতদিন মনে হয়েছে আশা নেই, কত সন্দেহ জেগেছে, তবু বিশ্বাস হারাইনি শেষ অবধি।

    আর মাত্র কয়েকঘণ্টার পথ কলকাতা পৌঁছতে। আসছে কাল সকালেই যাত্রা শুরু করব। লোকজনের সঙ্গে কথাবার্তা আলোচনার পর খেতে বসলাম। আমার বাবা ভোজনবিলাসী ছিলেন। ভূরিভোজে আয়োজনের ত্রুটি করেননি।

    আমি যখন ১৯২৬ সালে রওনা হই, মা তখন অচৈতন্য। আজ মার হাসি ধরে না। আমার জন্য কী করবেন ঠাউরে উঠতে পাচ্ছিলেন না। অতিথি আগন্তুকরা বিদায় নেবার পর দীর্ঘরাত্রি মার সঙ্গে গল্প করে কাটালাম। এই দিনটির কথা ভেবে নিজেকে কতদিন কত উৎসাহ দিয়েছি। আর আজ সেই চিন্তা বাস্তবের রূপ নিয়েছে।

    ১১ জুন ভোরে উঠে শেষবারের মতো ধড়াচূড়া পরলাম। সকালবেলায় ১১টার সময় কলকাতার মেয়র সনৎকুমার রায়চৌধুরীর অফিস, পৌর প্রতিষ্ঠানে যাবার কথা। ইতিমধ্যে মা এক রেকাব ফল ও মিষ্টি নিয়ে আমার পিছন পিছন ঘুরছেন আর বলছেন, ওকে আজ ছুটি দাও। কিন্তু কেউ সে কথায় কান দিচ্ছে না। প্রাতরাশ সেরে সবাই কলকাতার বাস ধরল। আমিও বেরিয়ে পড়লাম। প্রথমেই দৃষ্টি পড়ল কালকের সেই ছেলেটি, বেণুর ওপর। সে গাড়ি নিয়ে উপস্থিত। এসকর্ট করে কলকাতায় পৌঁছে দেবার দায়িত্ব সে নিজেই নিয়েছিল।

    কলকাতার যত কাছে আসছি, মনে হচ্ছে আমার রক্তের চাপ বেড়ে যাচ্ছে। হাওড়ার কাঠের পুল পার হবার সময় মনে হল এবার সত্যিই আমার ডার্টি, ডিয়ার ওল্ড ক্যালকাটায় পৌঁছে গিয়েছি।

    এগারোটা বাজতে দশ মিনিট বাকি পৌর প্রতিষ্ঠানে পৌঁছলাম। অল্প লোকের ভিড়। একটা ছোটখাটো অনুষ্ঠান হল।

    পূর্ব নির্ধারিত সময় অনুসারে বেলা বারোটার মধ্যে ইউনিভার্সিটি ইনস্টিটিউটে পৌঁছলাম। এখানে অনেক লোকের ভিড়। পঙ্কজ গুপ্তর সংগঠন শক্তি ছিল অদ্ভুত। অল্প সময়ের মধ্যে খেলাধুলার জগতে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করবার সহজ পথ তিনি জানতেন।

    এখানেও মেয়র পৌরোহিত্য করলেন। তিনি বললেন যে আমিই প্রথম ভারতীয় পদব্রজে ও দ্বিচক্রে সমস্ত পৃথিবী এক যুগ ধরে ভ্রমণ করেছি। লেডি অবলা বসু বললেন যে পৃথিবীর অন্য কোনও দেশে লোক এমন করেছে বলে আমরা শুনিনি বা পড়িনি, তিনি আনন্দে ও গর্বে উচ্ছ্বসিত বোধ করছিলেন। সবার বলা যখন শেষ হল লেডি বসু দাঁড়িয়ে উঠে সবাইকে বললেন বল ‘জয়, বিমল মুখার্জির জয়’। আমার লজ্জা লাগছিল ভীষণ।

    পরে লেডি বসু দুবার আমাকে ভ্রমণকাহিনী বলাবার জন্য ব্রাহ্ম গার্লস স্কুলে ডাকেন। সেখানেও আমার বলা শেষ হলে লেডি বসু চেঁচিয়ে ‘জয়, বিমল মুখার্জির জয়’ বলে ছাত্রী ও শিক্ষিকা ও আমাকে বিব্রত করেন। তিনি কিন্তু ভ্রূক্ষেপ করেননি তিলমাত্রও।

    মেয়র খুব উৎসাহিত হয়ে বলেছিলেন যে বাঙালি যে ঘরমুখো, কুনো ও ভীতু নয়, তা প্রমাণ মিলেছে। যে কাজ পৃথিবীর অন্য যে কোনও লোক করতে পারে, সুযোগ ও সুবিধা পেলে বাঙালিও তা করতে সক্ষম। এই রকম ধরনের কথা অন্যরাও বললেন।

    মিটিং শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে অনেকের বাড়ি ভ্রমণকাহিনী বলবার ও খাবার নেমন্তন্ন পেলাম। এরকম ম্যারাথন নেমন্তন্ন খুব কম লোকের ভাগ্যে জুটেছে। প্রথম রাত্রি আরম্ভ করলাম ১২ নম্বর গভর্নমেন্ট প্লেস ইস্টের শ্রীচণ্ডীচরণ নন্দী মহাশয়ের বাড়িতে। চণ্ডীবাবুর সঙ্গে বার্লিনে এক শীতের রাত্রে বরফের ঝড়ের মধ্যে আলাপ ও পরে বন্ধুত্ব হয়।

    ইনস্টিটিউটের কাছেই আমার পুরনো পৈত্রিক বাড়ি। সেখানে অর্থাৎ পটলডাঙা স্ট্রীটের ইয়ংমেনরা এই পাড়া ছেড়ে বেশিরভাগ দক্ষিণ কলকাতায় চলে গিয়েছে। আমার ভায়েরাও বালিগঞ্জ প্লেসে উঠে গিয়েছে। ভারতবর্ষের বিখ্যাত মহিলা প্রেস বন্ধ হয়ে গিয়েছে।

    তবে আমি কেন আর পটলডাঙার মায়া করি। চললাম সাইকেলের মোড় ঘুরিয়ে বালিগঞ্জের খোলামেলা দক্ষিণে।

    বালিগঞ্জ প্লেসের যুবকরা একটা অভিনন্দনের ব্যবস্থা করেছিল। কে সি নাগ মহাশয় পৌরোহিত্য করলেন। তাঁর বাড়ির পাশেই বেণুদের বাড়ি। সে টেনে নিয়ে গেল অতি পরিচিতের মতো তাদের বাড়িতে। স্লাইড দিয়ে নানা দেশের নানা বিষয় বলবার জন্য সেখানে আহ্বান পেলাম। আমার ভাগ্যদেবী সুপ্রসন্না। সেই বাড়িতে অচিরে আমার জীবনসঙ্গিনীর দেখা পেলাম। আমার ভবঘুরে জীবনের ধারা বদলে গেল। এবার শুরু হল নতুন অধ্যায়।

    ⤶
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleযজুর্বেদ সংহিতা (অনুবাদ: বিজনবিহারী গোস্বামী)
    Next Article আদিম সমাজ – লুইস হেনরি মর্গান
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }