Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দ্য ডিভোশন অব সাসপেক্ট এক্স – কিয়েগো হিগাশিনো

    কেইগো হিগাশিনো এক পাতা গল্প323 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    দ্য ডিভোশন অব সাসপেক্ট এক্স – ১০

    অধ্যায় ১০

    সন্ধ্যা ছ-টার একটু পরে সবুজ রঙের একটি মার্সিডিজ আন্ডারগ্রাউন্ড পার্কিংলটে ঢুকে গেলো। কুসানাগিকে সকালেই জানানো হয়েছে, এটা কুনিয়াকি কুড়োর গাড়ি। রাস্তার এপাশের কফিশপের সিটটা থেকে উঠে দাঁড়াল সে, ওয়ালেট থেকে দু’কাপ কফির দাম বের করে টেবিলে রেখে দিলো। দ্বিতীয় কাপটা অবশ্য এখনও প্রায় ভর্তিই আছে।

    রাস্তা পার হয়ে অ্যাপার্টমেন্টটার পার্কিংলটে চলে এলো কুসানাগি। বিল্ডিঙটাতে প্রবেশের দুটো পথ, একটা বেজমেন্টে আরেকটা নিচতলায়। দুটোই স্বয়ংক্রিয় লক সিস্টেম দিয়ে নিয়ন্ত্রিত। যারা বেজমেন্টে গাড়ি পার্ক করে তারা সচরাচর এখানকার প্রবেশপথটা দিয়েই ভেতরে যায়। কুডো তার অ্যাপার্টমেন্টে ঢুকে পড়ার আগেই কুসানাগি তার সাথে কথা বলতে চায়। না-হলে আবার ইন্টারকমে ফোন দিতে হবে, ততক্ষণে নিজেকে সামলে নেবে কুডো। সে সুযোগটা তাকে দিতে চায় না কুসানাগি।

    প্রবেশপথটার কাছে গিয়ে দেখলো সে-ই আগে পৌঁছে গেছে সেখানে। দেয়ালে হেলান দিয়ে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করার পর কুডোর দেখা মিলল। একটা স্যুট পরে আছেন ভদ্রলোক, হাতে দামি ব্রিফকেস। তাকে পাশ কাটিয়েই চলে গেলেন তিনি।

    কুডো তার পকেট থেকে চাবি করে দরজায় ঢোকাতে যাবেন এ সময় পেছন থেকে ডাক দিলো কুসানাগি, “মি. কুডো?”

    চমকে ঘুরে তাকালেন। আপাদমস্তক ডিটেক্টিভের ওপর নজর বোলালেন একবার, এরপর বললেন, “জি?”

    কুসানাগি ব্যাজটা বের করে দেখালো তাকে, “এভাবে বিরক্ত করার জন্যে দুঃখিত। কিন্তু কিছু প্রশ্ন ছিল আপনার কাছে।“

    “পুলিশ…মানে, আপনি একজন ডিটেক্টিভ?” কুডো চোখ সরু করে বললেন।

    “জি, আমি আসলে মিস ইয়াসুকো হানাওকার ব্যাপারে কথা বলতে চাচ্ছিলাম।”

    “কুডোর প্রতিক্রিয়া দেখার জন্যে অপেক্ষা করতে লাগলো কুসানাগি। কেসটার ব্যাপারে নিশ্চিত জানেন তিনি। যদি চমকে ওঠেন তাহলে বোঝা যাবে কোন সমস্যা আছে। ভুরু কুঁচকে আস্তে করে মাথা নাড়লেন কুডো, “ঠিক আছে। আমার অ্যাপার্টমেন্টে যাবেন? নাকি কোন ক্যাফেতে?”

    “আপনার অ্যাপার্টমেন্টে কোন আপত্তি নেই আমার।”

    “আচ্ছা, কিন্তু ওদিকটা একটু অগোছালো… “

    আসলে যতটা না অগোছালো তার চেয়ে বেশি নিঃসঙ্গ মনে হলো অ্যাপার্টমেন্টটাকে। ফার্নিচার খুবই কম, দুটো দামি চেয়ার চোখে পড়লো তার। একটাতে তাকে বসার ইঙ্গিত করলেন কুডো।

    “চা কফি কিছু লাগবে আপনার?” স্যুটটা না খুলেই জিজ্ঞেস করলেন তিনি।

    “না, ধন্যবাদ, বেশিক্ষণ থাকবো না আমি।”

    “ঠিক আছে,” কুডো বললেন ঠিকই, কিন্তু তা সত্ত্বেও ভেতরে গিয়ে দুটো গ্লাস আর এক বোতল আইস-টি নিয়ে এলেন।

    “আপনার পরিবারের কেউ নেই?” কুসানাগি হঠাৎ করে জিজ্ঞেস করলো।

    “আমার স্ত্রী গত বছর মারা গেছেন। একটা ছেলে আছে আমাদের, কিন্তু সে এখন তার দাদা-দাদির সাথে থাকছে,” কুডো ব্যাখ্যা করলেন।

    “আচ্ছা। তার মানে একাই থাকেন আপনি?”

    “জি,” কুডো নরম স্বরে বললেন। গ্লাসদুটোতে আইস টি ঢেলে একটা কুসানাগির সামনে রাখলেন তিনি। “আপনি…আপনি কি মি. টোগাশির ব্যাপারে কথা বলতে এসেছেন?”

    কুসানাগি হাত বাড়িয়ে চায়ের গ্লাসটা নিতে গিয়েও থেমে গেলো। কুডো যদি সরাসরি কাজের কথায় আসতে চান তাহলে এসবে সময় নষ্ট করার কোন মানে হয় না।

    “জি, আপনি বোধহয় জানেন, ইয়াসুকো হানাওকার প্রাক্তন স্বামী খুন হয়েছেন।”

    “তার সাথে ইয়াসুকোর কোন সম্পর্ক নেই।”

    “তাই নাকি?”

    “অবশ্যই। বেশ কিছুদিন আগেই ওদের ছাড়াছাড়ি হয়ে গেছে। এখন তাকে খুন কেন করতে যাবে সে?”

    “আসলে, আপনার সাথে একমত হতে পারলে খুশিই হতাম আমি।”

    “তাহলে হচ্ছেন না কেন?”

    “দেখুন, ডিভোর্স হওয়ার পরেই যে সব দম্পতি দেখা-সাক্ষাত বন্ধ করে দেয় এমনটা কিন্তু সব সময় হয় না। অনেক সময় দু-জনরে একজন বিচ্ছেদটা মেনে নিতে বেশ কষ্ট পায়। সঙ্গির পিছু অত সহজে ছাড়তে চায় না। এমনকি ডিভোর্স হয়ে যাবার পরেও।

    “যাই হোক, আমাকে সে বলেছে টোগাশির সাথে তার অনেক দিন দেখা হয়নি,” কুডো বললেন।

    “আপনি কি তার সাথে খুনের ব্যাপারটা নিয়ে আলোচনা করেছেন?”

    “হ্যা, করেছি। ইয়ে মানে, সেজন্যেই আসলে তার সাথে দেখা করতে গিয়েছিলাম আমি।”

    ইয়াসুকো হানাওকার জবানবন্দির সাথে মিলে যাচ্ছে কথাটা।

    “আচ্ছা, ঘটনার আগেও কি মি. হানাওকাকে নিয়ে ভাবতেন আপনি?”

    ““ভাবতেন’ বলতে ঠিক কি বোঝাতে চাচ্ছেন? যেহেতু আপনি আমার অ্যাপার্টমেন্ট পর্যন্ত চলে এসেছেন সেহেতু ধরে নিচ্ছি তার সাথে আমার সম্পর্কটা কেমন সেটাও ভালোমতই জানেন। ইয়াসুকোর আগের ক্লাবের একজন নিয়মিত কাস্টমার ছিলাম আমি। তার স্বামীর সাথেও দেখা হয়েছিল আমার, যদিও একটা দুর্ঘটনা ছিল ওটা। টিভিতে তার খুন হবার খবর খবরটা দেখে ইয়াসুকোকে নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়ি, এজন্যেই তার একটু খোঁজ নিতে গিয়েছিলাম।”

    “আমি শুনেছি, ঐ ক্লাবে নিয়মিত যাতায়াত ছিল আপনার। কিন্তু শুধু এই কারণেই তার সাথে দেখা করতে গেলেন, এটা মেনে নিতে একটু কষ্ট হচ্ছে বৈকি। আপনি তো বড়সড় একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সাথে যুক্ত, তাই না?” এরকম চাঁছাছোলাভাবে কথা বলতে কুসানাগির খুব একটা ভালো লাগে না, তারপরও কাজের কারণে বলতে হয়।

    কিন্তু এভাবে কথা বলাটা কাজে দিলো। কুডো অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলেন, “আমি ভেবেছিলাম আপনি ইয়াসুকো হানাওকার সম্পর্কে কথা বলতে এসেছেন। কিন্তু এখন দেখছি আপনার সব প্রশ্নই আমাকে নিয়ে। আমাকে কি সন্দেহ করছেন আপনারা?”

    কুসানাগি হেসে হাত নেড়ে বলল, “আরে, না না। এভাবে আপনাকে ব্যক্তিগত প্রশ্ন করার জন্যে দুঃখিত। কিন্তু আপনার সম্পর্কে একটু কৌতুহল ছিল আমার, হাজার হলেও মিস হানাওকার সাথে বেশ ঘনিষ্ঠ আপনি।“

    ডিটেক্টিভ বেশ নরম সুরেই কথাগুলো বলল। কিন্তু কুডোর দৃষ্টি নরম হলো না। একবার মাথা নাড়লেন শুধু।

    “ঠিক আছে, আপনি আরো কিছু জিজ্ঞেস করার আগেই বলছি। যতটা সম্ভব খোলাখুলি করেই বলি, ইয়াসুকোকে ভালোবাসি আমি। খুনের ব্যাপারটা শোনার পরে আমার মনে হয়েছে, তার সাথে ঘনিষ্ঠ হবার সঠিক সময় এটাই। এবার সন্তুষ্ট হয়েছেন তো?”

    একটা শুকনো হাসি দিলো কুসানাগি। এরপর বলল, “এভাবে বলবেন না দয়া করে।”

    “কিন্তু এটাই তো জানতে চেয়েছিলেন আপনি, তাই না?”

    “আসলে আমরা জানার চেষ্টা করছি কার কার সাথে মিস হানাওকার যোগাযোগ আছে, এটুকুই।”

    “কিন্তু এটাই তো বুঝতে পারছি না আমি। পুলিশ তাকে সন্দেহ করছে কেন?” কুডো মাথা নেড়ে বললেন।

    “টোগাশি খুন হবার আগে তার খোঁজ করছিল, তাদের দেখা হবার সম্ভাবনাটা উড়িয়ে দেয়া যাচ্ছে না,” কুসানাগি সাবধানে বলল কথাগুলো। সে আশা করছে এতে হিতে বিপরীত হবে না।

    “তার মানে, আপনারা ধরেই নিচ্ছেন সে খুনটা করেছে। ব্যাপারটা পুলিশের জন্যে একটু বেশিই সাদামাটা হয়ে গেলো না?” কুডো নাক দিয়ে একটা আওয়াজ করে বললেন।

    “দুঃখিত, আমরা আসলে অতটা জটিল করে ভাবি না সবকিছু। আমাদের কাছে অন্য সন্দেহভাজনের নামও আছে, কিন্তু মিস হানাওকার নাম সন্দেহের তালিকা থেকে এ মুহূর্তে বাদ দেয়া সম্ভব হচ্ছে না। তিনি যদি খুনের কেসটা সমাধানে কোন কাজে না-ও আসেন, তার আশেপাশের কেউ কাজে আসতে পারেন।“

    “তার আশেপাশে কেউ?” কুডো ভুরু উঁচু করে জিজ্ঞেস করলেন, এরপর এমন ভঙ্গিতে চেয়ারে এলিয়ে পড়লেন যেন কিছু একটা বুঝতে পেরেছেন তিনি। “এটাই তাহলে,” বিড়বিড় করে বললেন।

    “এটাই তাহলে মানে কি?”

    “আপনাদের ধারণা কাউকে দিয়ে খুনটা করিয়েছে সে, তাই না? এজন্যেই এখানে এসেছেন আপনি। আপনার ধারণা আমিই সেই খুনি।”

    “আমরা কিন্তু কোন খুনির কথা বলিনি, তবুও…” ইচ্ছে করেই বাক্যটা শেষ করলো না সে। কুডোর মনে যদি আরো কিছু থেকে থাকে, তাহলে সেটা শুনতে চায় সে।

    “আপনারা যদি এখন তার সহযোগির খোঁজেই থাকেন তবে বলবো, আমি বাদেও আরো অনেকের সাথে কথা বলতে হবে আপনাদের। হোস্টেস থাকাকালীন অনেকেই ভক্ত ছিল তার। আর হবেই না কেন? ইয়াসুকো দেখতেও তো দারুণ সুন্দরি। আমি তো শুনেছি ইয়ানোজাওয়াদের ওখানে শুধু তাকে দেখতেই অনেক কাস্টমার আসে।”

    “আপনার কাছে যদি তাদের নাম ঠিকানা কিছু থেকে থাকে তাহলে সেগুলো পেলে উপকারই হবে আমার।”

    “দুঃখিত, কিন্তু সে ব্যাপারে কোন সাহায্য করতে পারবো না আপনাকে। আর নির্দোষ কাউকে ফাঁসানোর কোন শখও নেই আমার,” কুডো হাত দিয়ে মাছি তাড়ানোর ভঙ্গি করে বললেন। “আমি এতটাও বোকা নই যে, সুন্দরি কেউ এসে কাউকে খুন করার কথা বললেই লাফ দিয়ে রাজি হয়ে যাবো। ইয়াসুকো ওরকম মেয়েও নয়। এখানে এসে আপনার কোন লাভই হলো না… কুসানাগি… না কী যেন বলেছিলেন আপনার নাম? যাই হোক, অন্য কাউকে জিজ্ঞাসাবাদ করেও কোন ফল হবে বলে মনে হয় না,” বলে উঠে দাঁড়ালেন কুডো। ইঙ্গিতটা পরিস্কার, আর কথা বলতে চাইছেন না তিনি।

    কুসানাগিও উঠে দাঁড়াল। নোটবুক আর কলমটা হাতে ধরে রেখেছে অবশ্য এখনও। “মার্চের দশ তারিখে কি অফিসেই ছিলেন আপনি?”

    কুডোর চোখজোড়া বড় বড় হয়ে গেলো। দেখে মনে হচ্ছে বিশ্বাস করতে পারছেন না, তাকেই প্রশ্নটা করা হয়েছে, “আমার অ্যালিবাই চাচ্ছেন এখন?”

    “জি,” কুসানাগি সরাসরি বলল। কথা ঘোরানোর দরকার নেই আর, যা বোঝার বুঝেই গেছেন কুডো।

    “একটু অপেক্ষা করুন তাহলে,” এই বলে ব্রিফকেস থেকে একটা মোটা নোটবুক বের করলেন কুডো, কিছুক্ষণ পাতা উল্টিয়ে বললেন, “ক্যালেন্ডারে ঐদিন কোন বিশেষ কাজের কথা লেখা নেই, তার মানে অফিসেই ছিলাম আমি। ছয়টার দিকে অফিস থেকে বের হয়েছিলাম বোধহয়। আমার কথা বিশ্বাস না হলে কর্মচারিদের কাউকে জিজ্ঞেস করে দেখতে পারেন।“

    “আর কাজ শেষে?”

    “বললামই তো, লিখে রাখিনি কিছু। তার মানে সেদিন বিশেষ কিছু করিনি। বাসায় এসে কিছু খেয়ে ঘুমিয়ে পড়ি। আপনার জন্যে তো অসুবিধা হয়ে গেলো মনে হয়, একা একা থাকি আমি। কাউকে জিজ্ঞেস করে নিশ্চিত হতে পারবেন বলে মনে হয় না।”

    “সেদিনকার ব্যাপারে আরেকটু ভালোমত মনে করার চেষ্টা করে দেখবেন কি? বুঝতেই পারছেন সন্দেহভাজনের তালিকাটা যত ছোট হবে ততই সুবিধা।”

    কুডোকে রীতিমত অধৈর্য দেখাচ্ছে এখন। তবুও ক্যালেন্ডারটা আবার খুললেন তিনি। “দশ তারিখ? ওহ্…” বিড়বিড় করে কী যেন বললেন।

    “কিছু ঘটেছিল?”

    “হ্যা, এক ক্লায়েন্টের সাথে দেখা করতে গিয়েছিলাম কাজ শেষে। সন্ধ্যার দিকে…হ্যা, আমাকে ইয়াকিটোরি বারে নিয়ে গিয়েছিলেন তিনি।”

    “কখন সেটা মনে আছে?”

    “তা ঠিক বলতে পারবো না। কিন্তু আমরা নয়টা পর্যন্ত সেখানে ছিলাম, এরপরে বাসায় চলে আসি। এই যে ক্লায়েন্টের ঠিকানা,” এই বলে নোটবুক থেকে একটা কার্ড বের করে দেখালেন তিনি। সেখানে একটা ডিজাইনার অফিসের নাম লেখা।

    “ধন্যবাদ,” কার্ডটা না নিয়েই বলল কুসানাগি। “আমার লাগবে না ওটা,” এরপর নোটবুক আর কলম পকেটে ঢুকিয়ে রেখে দরজার দিকে রওনা দিলো সে।

    জুতো পরছিল সে, এমন সময় পেছন থেকে কুডো ডাক দিলেন তাকে। “আচ্ছা অফিসার, কত দিন তার ওপর নজর রাখবেন আপনারা?” তার দিকে তাকালো কুসানাগি।

    “আমার কথা তো ওভাবেই জেনেছেন আপনারা, তাই না? ওর ওপর নজর রাখার মাধ্যমে? আর আমার পিছু নিয়ে এখান পর্যন্ত এসেছেন?”

    “ধরে ফেলেছেন,” কুসানাগি মাথা চুলকে বলল।

    “তাহলে কি দয়া করে আমাকে বলবেন কতদিন তার পিছু নেবেন আপনারা?”

    হাসবে চিন্তা করেও সেটা বাতিল করে দিলো কুসানাগি। গম্ভীর স্বরে বলল, “যতদিন প্রয়োজন মনে হবে, স্যার।”

    কুডোকে দেখে মনে হলো আরো কিছু বলার আছে তার কিন্তু তাকে সে সুযোগ না দিয়ে অ্যাপার্টমেন্টটা থেকে বের হয়ে গেলো কুসানাগি।

    রাস্তায় বের হয়ে একটা ট্যাক্সি ডাকলো সে। “ইম্পেরিয়াল ইউনিভার্সিটি।” ট্যাক্সি ড্রাইভার মাথা নেড়ে সায় জানালে পেছনের সিটে উঠে পড়লো। নোটবুকটা বের করে কুডোর সাথে তার কথোপকথনের অংশটার ওপর নজর বোলাল এবার। তার অ্যালিবাইটা খতিয়ে দেখতে হবে, কিন্তু তার আগেই একটা উপসংহারে পৌছে গেছে-লোকটা নির্দোষ। সত্যি কথাই বলেছে তাকে। আসলেও ইয়াসুকোকে অনেক ভালোবাসেন ভদ্রলোক। কিন্তু একথাও সত্য, কুডো বাদেও ইয়াসুকোকে সাহায্য করার মত লোকের অভাব হবে না।

    ইম্পেরিয়াল ইউনিভার্সিটির সামনের দরজাটা বন্ধ। এখানে সেখানে কিছু আলো জ্বললেও অন্ধকারকে পুরোপুরি দূর করতে পারেনি সেটা। আর রাতের বেলা সুনশান ক্যাম্পাসে কেমন যেন গা শিউরানো একটা ভাব আছে। কুসানাগি সরাসরি সিকিউরিটি অফিসে গিয়ে বলল “ তেরো নম্বর ল্যাবে প্রফেসর ইউকাওয়ার সাথে দেখা করার কথা আমার,” যদিও আসার আগে অ্যাপয়েন্টমেন্ট করে আসেনি সে।

    বিজ্ঞান অনুষদের হলরুমগুলো একদম চুপচাপ। তবে কিছু লোকজন যে আছে তখনও সেটা দরজার নিচ দিয়ে বের হওয়া আলো দেখে বোঝা যাচ্ছে। রিসার্চ আর থিসিস প্রজেক্টে কাজ করছে শিক্ষার্থিরা। কুসানাগির মনে পড়লো একবার ইউকাওয়া বলেছিল, সে-ও মাঝেমাঝে ল্যাবে রাত কাটায়।

    কুডোর সাথে দেখা করার আগেই সে এখানে আসবে বলে ঠিক করে রেখেছিল। লোকটার অ্যাপার্টমেন্ট থেকে ইউনিভার্সিটিটা বেশি দূরে নয়। আর ইউকাওয়ার কাছে তার কিছু প্রশ্নও আছে।

    বেন্টেন-টেইয়ে সে গিয়েছিল কেন? আর ঐ ইশিগামি লোকটার সাথে তার কি কাজ? সে যদি কেসটা সম্পর্কে নতুন কিছু জেনে থাকে তাহলে কুসানাগিও সেটা শুনতে চায়। নাকি ইউকাওয়া তার পুরনো বন্ধুর সাথে আড্ডা দিতেই গিয়েছিল, পথে প্রাইম সাসপেক্টের কর্মস্থলে যাওয়াটা একেবারেই কাকতালিয়?

    কুসানাগির মনে হয় না কোন উদ্দেশ্য ছাড়া ইউকাওয়া সেখানে গিয়েছিল। আর এর আগে কুসানাগির কোন কেসের সাথে সে সরাসরি এভাবে জড়িয়ে যায়নি।

    তেরো নম্বর ল্যাবের বাইরে একটা চার্ট ঝোলানো থাকে যেখানে লেখা থাকে, কে ভেতরে আছে আর কে নেই। সেখানে দেখা যাচ্ছে, ইউকাওয়া এখন বাইরে। কুসানাগি মুখ দিয়ে একটা শব্দ করলো। তার মানে কাজ শেষে এখান থেকে সোজাসুজি বাসায় চলে গেছে।

    তবুও ল্যাবের দরজাটায় একবার নক করলো সে। চার্টের লেখা অনুযায়ি ভেতরে দু-জন শিক্ষার্থি থাকার কথা এখন।

    “ভেতরে আসুন,” মোটা গলায় কেউ একজন বলল। কুসানাগি দরজাটা খুলল। চশমা চোখের এক শিক্ষার্থি ল্যাবের পেছন দিক থেকে বেরিয়ে এলো। তাকে আগেও দেখেছে কুসানাগি।

    “প্রফেসর ইউকাওয়া কি বাসায় চলে গেছে?”

    শিক্ষার্থি মাথা নেড়ে বলল, “এই তো কিছুক্ষণ আগেই…তার ফোন নম্বর লাগবে?”

    “না, আছে আমার কাছে। অত জরুরি কিছু না। এমনি একটু দেখা করতে এসেছিলাম আর কি।”

    “ওহ্, আচ্ছা,” ছেলেটা বলল। কুসানাগিকে আগেও এখানে দেখেছে সে বেশ কয়েকবার।

    “আমি জানি মাঝে মাঝে অনেক দেরি করে বাসায় ফেরে সে। তাই ভাবলাম ল্যাবেই পাবো হয়তো।”

    “সাধারণত তাই করেন, কিন্তু গত দু-তিন দিন ধরেই বেশ আগেভাগে চলে যাচ্ছেন তিনি। আমার মনে হয় আজ কোথাও যাওয়ার কথা তার।“

    “তুমি জানো কোথায়?” মনে হয় সেই গণিত শিক্ষকের বাসায়, আন্দাজ করলো কুসানাগি।

    “আমি নিশ্চিত নই, তবে শিনোজাকির ব্যাপারে কিছু বলছিলেন তিনি।”

    কুসানাগি অবাক হয়ে গেলো, এই জায়গার নাম শুনতে হবে সেটা কল্পনাও করেনি সে, “শিনোজাকি!”

    “হ্যা। আমাকে জিজ্ঞেস করছিলেন, এখান থেকে শিনোজাকি স্টেশনে যাবার সবচেয়ে কাছের রাস্তা কোনটা।”

    “কিন্তু সে তোমাকে বলেনি, কেন সেখানে যাচ্ছে?”

    “না, আমি জিজ্ঞেস করেছিলাম, তিনি কিছু বলেননি।”

    কুসানাগি ছেলেটাকে ধন্যবাদ জানিয়ে বের হয়ে আসল। সে জানে কিছু একটা গোলমাল আছে, কিন্তু কি সেটা বুঝতে পারছে না। খুনের ঘটনাস্থল থেকে সবচেয়ে কাছের স্টেশন হচ্ছে শিনোজাকি। ইউকাওয়ার সেখানে কি কাজ?

    ইউনিভার্সিটি থেকে বের হয়ে মোবাইলফোনটা বের করলো সে। ইউকাওয়াকে কল দিতে গিয়েও ইতস্ততবোধ করে শেষমেষ ফোনটা আবার পকেটে ঢুকিয়ে রাখলো। এখন ডিটেক্টিভ গ্যালেলিওকে কিছু জিজ্ঞেস করা যাবে না। কুসানাগিকে না জানিয়ে কেসটার সাথে তার এভাবে জড়িয়ে যাওয়ার অর্থ হচ্ছে কিছু একটা বের করতে পেরেছে সে।

    আর জিজ্ঞেস করলেও যে বলবে সে সম্ভাবনাও কম। ‘আমি যা-ই করি না কেন, তাতে তোমার কি?’—এটাই বলবে সে।

    X

    একটা দীর্ঘশ্বাস বের হয়ে আসল ইশিগামির ভেতর থেকে। মেক-আপ পরীক্ষার খাতাগুলো দেখছে সে এখন। ভয়ঙ্কর অবস্থা। এবার সে ইচ্ছে করে আগের বারের চেয়ে সোজা প্রশ্ন করেছিল যাতে সবাই পাশ করতে পারে, কিন্তু একটা খাতাতেও সঠিকভাবে কোন সমাধান করা হয়নি। শিক্ষার্থিরা একদমই পড়াশোনা করছে না। তারা জানে, পরীক্ষায় যতই খারাপ করুক না কেন, স্কুল থেকে তাদের পাশ করিয়ে দেয়া হবে। আর বোর্ডও কাউকে আটকে রাখতে চায় না।

    তাহলে গণিতের পরীক্ষা নেয়া বন্ধ করে দেয় না কেন তারা? – ইশিগামি ভাবলো। খুব কম ছেলেমেয়েই গণিত ঠিকমত বোঝে এখানে। এদের শিখিয়েও কোন লাভ নেই। কারণ গণিতকে গোণায়ই ধরে না তারা।

    খাতা দেখা শেষ করে ঘড়ির দিকে তাকালো। আটটা বাজছে।

    জুডো ক্লাবের তালাটা ঠিকমত লাগানো হয়েছে কিনা সেটা পরীক্ষা করে স্কুল থেকে বের হয়ে গেলো সে। মোড়ে ট্রাফিক লাইটের নিচে দাঁড়িয়ে আছে, এমন সময় এক লোক এগিয়ে আসলো তার দিকে।

    “বাসায় যাচ্ছেন নাকি?” লোকটা হেসে জিজ্ঞেস করলো। “অ্যাপার্টমেন্টে যখন পেলাম না তখনই বুঝেছিলাম যে এখানে আছেন আপনি।”

    লোকটাকে চিনতে অসুবিধে হলো না ইশিগামির। সিনিয়র হোমিসাইড ডিটেক্টিভ।

    “দুঃখিত, আপনি…?”

    “আহ্, ভুলে গেছেন দেখছি।”

    লোকটা আইডি কার্ড বের করার জন্যে কোটের পকেটে হাত ঢোকালে ইশিগামি হাত নেড়ে নিষেধ করলো তাকে, “না, মনে পড়েছে, আপনি ডিটেক্টিভ কুসানাগি।”

    সবুজ রঙের লাইটটা জ্বললে ইশিগামি হাটতে শুরু করলো। কুসানাগি ও আসতে শুরু করলো তার সাথে।

    এ এখানে কি করছে? ইউকাওয়া যে প্রস্তাবটা নিয়ে এসেছিল দু-দিন আগে সেটার ব্যাপারে কথা বলতে এসেছে? কিন্তু সে তো না করে দিয়েছিল।

    “আপনি কি মানাবু ইউকাওয়া নামে কাউকে চেনেন?” কুসানাগি জিজ্ঞেস করলো।

    “হ্যা, চিনি। আমার সাথে দেখা করতে এসেছিল ও, বলল, আপনি নাকি ওকে আমার কথা বলেছিলেন।”

    “আসলে আমিই বলেছিলাম। তাতে যদি আপনার কোন সমস্যা হয়ে থাকে তাহলে দুঃখিত।”

    “কোন সমস্যা হয়নি। ওর সাথে দেখা করতে পেরে ভালোই লেগেছে আমার।”

    “আপনারা কি নিয়ে কথা বললেন? আশা করি কিছু মনে করছেন না এভাবে জিজ্ঞেস করলাম দেখে।”

    “বেশিরভাগ সময়ই পুরনো দিনগুলো নিয়েই কথা বলেছি আমরা। প্রথম দিন তো এসব নিয়েই আড্ডা দেই।”

    “প্রথম দিন?” একপাশের ভুরু উঁচু করে জিজ্ঞেস করলো কুসানাগি। “তার মানে আবার এসেছিল সে?”

    “দু-বার দেখা করতে এসেছে। দ্বিতীয়বার আমাকে বলল, আপনি নাকি পাঠিয়েছেন তাকে।“

    “আমি পাঠিয়েছি?” কুসানাগি অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলো। “ঠিক কি বলেছে ও, বলুন তো।“

    “ইউকাওয়া বলল, আপনি নাকি তদন্তের ব্যাপারে আমার সাহায্য চাইছেন, আর আপনার হয়ে ও এসেছিল সেটা জানাতে।”

    “ওহ্, তদন্তের ব্যাপারে সাহায্যের জন্যে,” কুসানাগি হাটতে হাটতে বলল।

    ডিটেক্টিভের গলার অনিশ্চয়তাটুকু ধরতে ইশিগামির বেগ পেতে হলো না। ইউকাওয়াকে পাঠায়নি সে তাহলে।

    কুসানাগি বোকার মত হেসে বলল, “আসলে ওর সাথে অনেক কিছু নিয়ে কথা বলি তো তাই মাঝে মাঝে নিজেই বিভ্রান্ত হয়ে যাই। তা সে কোন ব্যাপারে সাহায্যের কথা বলছিল?”

    ইশিগামি বুঝতে পারলো না ইয়াসুকোর নামটা বলবে কিনা। অবশ্য সে যা বলবে তার সাথে নিশ্চয়ই পরে ইউকাওয়ার কথা মিলিয়ে দেখা হবে। বোকা সাজলে চলবে না এখন।

    ইশিগামি ইউকাওয়ার অনুরোধের ব্যাপারে সব খুলে বলল।

    কুসানাগির চোখ বড় বড় হয়ে গেলো, “এটা করতে বলেছে সে আপনাকে?” গলা শুনে বোঝাই যাচ্ছে সে নিজেই বিস্মিত হয়ে গেছে। কিন্তু একটু পরেই আবার বলল, “আমিই বলেছিলাম বোধহয় তাকে একথা, হ্যা, এখন মনে পড়ছে। আপনাকে আগে জানাতে এসেছিল কারণ তাহলে আপনার সুবিধা হবে।“

    ইশিগামির কাছে মনে হলো কুসানাগি বানিয়ে বানিয়ে বলছে শেষের কথাগুলো। তার মানে ইউকাওয়া স্বেচ্ছায় এসেছিল তার সাথে কেসটার ব্যাপারে কথা বলতে। কি চলছে ওর মনে?

    ইশিগামি থেমে কুসানাগির দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞেস করলো, “আপনিও কি আজকে আমাকে সে কথাই জিজ্ঞেস করতে এসেছেন? নাকি অন্য কোন ব্যাপার?”

    “না, আমি কেবলই বলতে যাচ্ছিলাম আপনাকে সেটা,” এই বলে পকেট থেকে একটা ছবি বের করলো কুসানাগি। “এই লোকটাকে কি আগে কোথাও দেখেছেন? ছবির কোয়ালিটি অবশ্য অত ভালো না। বেশ দূর থেকে নেয়া হয়েছে এটা।”

    সেদিকে দিকে তাকিয়ে একবার ঢোক গিলল ইশিগামি। ছবির লোকটার কথাই তার মাথায় গত কয়েক দিন যাবত ঘুরছে। লোকটার নাম জানে না সে, শুধু এটুকু জানে এ ব্যাটা ইয়াসুকোর খুব ঘনিষ্ঠ।

    “মি. ইশিগামি?”

    ইশিগামি ঠিক বুঝতে পারলো না কী বলবে। সে না করে দিতে পারে কিন্তু তাতে লোকটার আসল পরিচয় জানা যাবে না।

    “দেখে চেনা চেনা লাগছে,” ইশিগামি আস্তে করে বলল। “কে, ইনি?”

    “কোথায় দেখেছেন তাকে এটা মনে করতে পারবেন?”

    “আসলে আমি ঠিক নিশ্চিত না। প্রতিদিন তো অনেককেই দেখি। আপনি যদি লোকটার নাম অথবা কাজের ঠিকানাটা আমাকে বলেন, তাহলে হয়তো কিছু মনে পড়তে পারে।”

    “ওনার নাম কুডো। একটা প্রিন্টিং কোম্পানি চালান তিনি।”

    “কুডো?”

    “হ্যা,” এই বলে কুসানাগি বানান করে নামটা শোনাল তাকে।

    কুডো। ইশিগামি ছবিটার দিকে তাকিয়ে থাকলো। পুলিশ এর পেছনে লেগেছে কেন? ইয়াসুকোর সাথে নিশ্চয়ই কোন সম্পর্ক আছে তার। পুলিশ বোধহয় কোন যোগসূত্র খুঁজে পেয়েছে তাদের মধ্য

    “তাহলে? কিছু মনে পড়ছে আপনার?”

    “না। কিন্তু তাকে কোথাও দেখেছি আমি,” ইশিগামি মাথা নেড়ে বলল। “আমি দুঃখিত, কিন্তু এর চেয়ে বেশি কিছু বলতে পারছি না। ভুলও হতে পারে আমার।“

    “ঠিক আছে, সমস্যা নেই,” পকেট থেকে একটা কার্ড বের করতে করতে বলল কুসানাগি। “যদি কিছু মনে পড়ে, দয়া করে আমার সাথে যোগাযোগ করবেন।”

    “অবশ্যই। আচ্ছা, সে কি কোনভাবে কেসটার সাথে জড়িত?”

    “এ মুহূর্তে সেটা বলা সম্ভব হচ্ছে না আমার পক্ষে। আমরা এখনও খোঁজ খবর নিচ্ছি।”

    “তার সাথে কি মিস হানাওকার কোন সম্পর্ক আছে?”

    “জি, তাদের মধ্যে যোগাযোগ আছে,” কুসানাগি ইচ্ছে করেই ওভাবে বলল কথাটা। এরচেয়ে বেশি তথ্য সে জানতে দিতে চায় না লোকটাকে। “আরেকটা কথা, সেদিন ইউকাওয়ার সাথে বেন্টেন-টেইয়ে গিয়েছিলেন আপনি, তাই না?”

    ইশিগামি জমে গেলো, প্রশ্নটা এতটাই অপ্রত্যাশিত যে, কী বলবে বুঝে উঠতে পারলো না।

    “আপনাদের দু-জনকে সেদিন দেখেছি আমি,” কুসানাগি বলতেই থাকলো। “একটা কাজে সেদিকে গিয়েছিলাম আমি।”

    তার মানে বেন্টেন-টেইয়ের ওপর নজর রাখছে ওরা।

    “হ্যা, গিয়েছিলাম। ইউকাওয়া বলেছিল ওর একটা লাঞ্চবক্স কিনতে হবে, তাই ওখানে নিয়ে যাই আমি।”

    “এত দূরে কেন? স্কুলের কাছের কোন দোকানে কি লাঞ্চবক্স পাওয়া যায় না?”

    “সেটা ইউকাওয়াকে জিজ্ঞেস করতে হবে আপনাকে। বেন্টেন-টেইয়ে যাওয়ার বুদ্ধিটা ওর ছিল।”

    “আপনারা কি কেসটা নিয়ে কোন আলোচনা করেছিলেন?”

    “আপনাকে আগে যেটা বললাম, আপনি নাকি আমার সাহায্য চেয়েছিলেন।”

    “ওটা বাদে,” মাথা নেড়ে বলল কুসানাগি। “আপনাকে তো বোধহয় এটা জানিয়েছে সে মাঝে মাঝে কেসের ব্যাপারে ওর সাহায্য নেই আমি। পদার্থবিজ্ঞান ছাড়া অন্য ব্যাপারেও কিন্তু মেধা আছে তার। পর্যবেক্ষণ ক্ষমতা একজন আদর্শ গোয়েন্দার মত। আমি আসলে ভাবছিলাম এই কেসের ব্যাপারে কিছু হয়তো জানিয়েছে সে আপনাকে।“

    ইশিগামি কিছুটা বিভ্রান্ত হয়ে গেলো। তাদের মধ্যে যদি এতই কথা হয়, তাহলে তো তথ্যও আদান প্রদান হবার কথা। কিন্তু ডিটেক্টিভ তাকে কেন জিজ্ঞেস করছে, ইউকাওয়া কেসটা সম্পর্কে কি ভাবছে?

    “না, সে ওরকম কিছু বলেনি।”

    “আচ্ছা। ঠিক আছে তাহলে, বাসায় যাবার পথে আপনাকে এভাবে বিরক্ত করার জন্যে দুঃখিত।“

    কুসানাগি বিদায় জানিয়ে যেদিক দিয়ে এসেছিল সেদিকে হাটা দিলো। ইশিগামি তার চলে যাওয়া দেখতে লাগল পেছন থেকে। কেমন যেন একটা অস্বস্তিকর অনুভূতি হচ্ছে তার। সাজানো গোছানো একটা সমীকরণে অজানা কোন রাশির আগমন ঘটেছে যেন। যার জন্যে সবকিছু গুবলেট হয়ে যেতে বসেছে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদ্য রেড ফিঙ্গার – কেইগো হিগাশিনো
    Next Article স্যালভেশন অফ আ সেইন্ট – কিয়েগো হিগাশিনো

    Related Articles

    কেইগো হিগাশিনো

    দ্য হাউস হোয়ার আই ডাইড ওয়ান্স – কেইগো হিগাশিনো

    January 6, 2026
    কেইগো হিগাশিনো

    স্যালভেশন অফ আ সেইন্ট – কিয়েগো হিগাশিনো

    August 1, 2025
    কেইগো হিগাশিনো

    দ্য রেড ফিঙ্গার – কেইগো হিগাশিনো

    August 1, 2025
    কেইগো হিগাশিনো

    দ্য মিরাকলস অব দ্য নামিয়া জেনারেল স্টোর – কেইগো হিগাশিনো

    August 1, 2025
    কেইগো হিগাশিনো

    নিউকামার – কেইগো হিগাশিনো

    August 1, 2025
    কেইগো হিগাশিনো

    ম্যালিস – কিয়েগো হিগাশিনো

    August 1, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }